নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আল্লাহ সর্বশক্তিমান

নুর3ডিইডি

আমি মানুষ । আমি মুসলমান ।আমি বাংলাদেশী। আমি বাঙ্গালী ।

নুর3ডিইডি › বিস্তারিত পোস্টঃ

হযরত সৈয়দ রশীদ আহমদ জৌনপুরি ।

৩০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:৪০

হযরত সৈয়দ রশীদ আহমদ জৌনপুরি বাংলাদেশে আসেন ১৯৬৩ সালের ১লা এপ্রিল। ময়মনসিংহ হয়ে তিনি ঢাকা পৌছান। এখানে তাঁর আত্নীয় স্বজন কেউ ছিল না। পকেটে সম্বল ছিল অল্পকিছু টাকা। অনেক ঘোরা ঘুরি করে, পরে ১৯৬৪ সালে বরকত নেভিগেশন কোম্পনীতে চাকরি করেন। তার পর ঢাকা ক্লাবে কাজ করেন।



১৯৬৪ সালে হাওড়া জেলার ঘোষপুরে দ্বিতীয়বার বিবাহ করেন। এবং তিনি মিরপুরে বসবাস শুরু করেন। তাঁর এই স্ত্রীর ঘরে কোনো সন্তান হয়নি। এ সময়ে তিনি মিরপুরের ১২নং সেকশনে কিছুকাল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করেন । একজন ভাল ডাক্তার হিসেবে তিনি ঐ এলাকার মানুষের কাছে পরিছিত হয়ে ওঠেন।



মুক্তিযুদ্ধ শুরু হবার মুহুর্তে তিনি মিরপুরে কয়েকটি বাঙালী পরিবারের জীবন রক্ষা করেন । এরা তাঁর উপকারের কথা ভুলেন নি। ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হবার পর কিছু বাঙালি তাঁর ছয় বছরের পালিতা কন্যাকে তাঁর চোখের সামনে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এতিম এ মেয়েটিকে ১৯৬৫সালে তিনি দত্তক হিসেবে গ্রহন করেছিলেন। এ সময় তাঁর পক্ষে মিরপুরে থাকা আর সম্ভব হয়নি। তিনি স্বপরিবারে এলিফ্যান্ট রোডে এসে তাঁর ঐ সমস্ত বাঙালি পরিবারে আশ্রয় নেন যাদের প্রান তিনি একদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রক্ষা করছিলেন। এরা তাঁকে পেয়ে খুব খুশী হন এবং সাদরে আশ্রয় দেন।



১৯৭১ সালের পর থেকে তাঁকে আবার নতুন করে জীবন শুরু করতে হয়। তিনি ইমামগঞ্জে গাউসিয়া ট্রেডার্স নামে একটা স্টেশনারী সামগ্রীর দোকান খোলেন। এ ব্যবসা তিনি চালি্য়ে যান ১৯৭৪ পর্যন্ত। ১৯৭৫ সালে তিনি ইন্টারন্যাশনাল বুক এজেন্সিজ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক নিযুক্ত হন। এ পদে তিনি আজও বহাল রয়েছেন।



হযরত সৈয়দ রশীদ আহমদ জৌনপুরি কখনও এক জায়গায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেননি। ১৯৭১-৭৩ পর্যন্ত তিনি গুলশানে জনাব চৌধুরি কামাল হায়দার সাহেবের বাড়িতে থাকতেন। এরপর তিনি চলে যান পরীবাগে জনাব এস.এম. এ দোজা সাহেবের বাড়ী। এখানে তিনি প্রায় ১১বছর বসবাস করেন। বর্তমানে তিনি ডি.ও.এইচ.এস এর একটি বড়িতে থাকেন।



হযরত সৈয়দ রশীদ আহমদ জৌনপুরি মিরপরের পূর্ব মনিপুরে একটি মসজিদ নির্মাণ করেছেন। এটি তাঁর জীবনে বাংলাদেশে নির্মিত ১১তম এবং উপমহাদেশে নির্মিত ৯৭তম মসজিদ। বায়তুর রহীম নামে এই মসজিদে তিনি মাসের প্রথম শুক্রবার বাদে নিয়মিত জুমার নামজ পড়ান এবং নামজের আগে ও পরে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে তক্বরির করেন।

তার একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এই যে, তিনি সহজে কাউকে মুরীদ করেন না এবং কোনো মুরীদের কাছ থেকে কোনরূপ অর্থ গ্রহন করেন না। রাসুল (সাঃ) এর বাণী প্রচার করাই তাঁর কাজ এবং এ কাজে তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। হযরত সৈয়দ আহমদ জৌনপুরির বয়স এখন ১১১বছর। এ বয়সে তিনি নিয়মিত অফিস করেন এবং প্রায় চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন।



www.vbpl.us/jaunpurisra/

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:৫১

ক্ষ্যাপা বলেছেন: নুর৩ডিডিটি ভালো পোষ্ট । কিপ ইট আপ । তোমার এই উদ্যোগ সফল হোক । সকল রাজাকার কে চিনা যাবে

২| ৩০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:৫৭

বড় ভাবী বলেছেন: ছিঃ ছিঃ !
গালি দিতে হয়না কাউকে।
নুরু সোনা, তুমি কি নামের বানান ঠিকভাবে লিখেছো? দ্যাখোতো, জৈনপুরি হবে নাকি যৌনপুরি হবে।

৩| ৩০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৬:০৯

বড় ভাবী বলেছেন: নুর ভাইয়া, তোমার ভাইয়া বলেছেন মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই নাকি তিনি সারাজীবন দৌড়ের উপর ছিলেন। তাঁকে নাকি এরশাদ ভাইয়া এসে থিতু হবার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তোমার ভাইয়া বলতেন যুদ্ধের পর মিরপুরবাসীরা অনেক রাজাকারকে পিটিয়েছে।

৪| ৩০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৬:১৩

ক্ষ্যাপা বলেছেন: এই চুদনা তাইলে ইন্ডিয়ান মাল । ঐ পারে হিন্দুগো চোদন খাইয়া এইপারে আসছিল ।
অল্প কয়টা টাকা নিয়া আইসা এখন সে ১১টা ব্যবসার মালিক । বহুত খুব । দোয়া করি তুমি ও এইরম মালদার হও, রাজাকারী কইরা- হালা ভোদাই ডিডিটি

৫| ৩০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৬:২১

বড় ভাবী বলেছেন: তোমাদের ভাইয়া একটি মজার কথা বলেন সবসময়। আশরাফ রহমানকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, "এত টাকা হুজুর কোথায় পেলেন?" আশরাফ রহমান বলবে, "তিনি সারাজীবন সৎ পথে থেকে অর্থ উপার্জন করেছেন। এজন্যই আল্লাহ তাঁকে এত টাকা দিয়েছেন।"

৬| ৩০ শে মে, ২০০৭ ভোর ৬:২৪

দ্রোহী বলেছেন: ওরে খাইছে রে..............ভাবী দেখি ফাডাইয়ালাইছেরে!!!!!!!

ভাবী, আপনে কিডা?

৭| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:০১

সোনার বাংলা বলেছেন: ভাবী কি করেন আপনি?
ছবি দেইখা তো ভালো.....
মনে হইতাছে না!

৮| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:০২

দ্রোহী বলেছেন: সোনার বাংলা-- ভাবী মনে হয় ভাইয়াকে আদর করেন।

৯| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ৮:১২

বড় ভাবী বলেছেন: সোনার বাংলা, ছবি দেখে কি মনে হয়? তোমাদের ভাইয়া বলেন আমি নাকি খুবই সুন্দরী। তুমিও নিশ্চয়ই এক কথা বলবে। দেখতে হবেনা কার দেবর!

১০| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ৯:১৫

আশরাফ আশরাফ বলেছেন: জৈনপুরি হবে নাকি যৌনপুরি হবে।

১১| ৩০ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫৪

রবিনহুড বলেছেন: ভাবি তুমি এই ভাবে তাকিয়ে থাক কেন..... আমার আবার কেমন কেমন করে... ....আর থাকতে পারছি না ভাবি...

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.