| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আহলে বাইতকে ক্ষমতাচ্যূত করে রাসুল ও আ্হলে বাইতের আজম্ম শত্রু উমাইয়ারা যেদিন ক্ষমতা গ্রহন করে, সেদিন থেকেই মানুষকে কোরআনের ইসলাম থেকে দুরে সরিয়ে দিয়ে তাদের মনগড়া কথিত হাদিছের ইসলাম চালু করে। রাসুলের নামে নানা বিধান চালু করে তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করে। অথচ আল্লাহ বলেন, বিধান দেবার মালিক কেবলই আল্লাহ। [১২:৪০] (সুরা কাহফ ১৮, আয়াত ২৬)-‘তিনি তাঁর হুকুমে কাউকে অংশীদার করেন না।’ কাজেই নবীর নামে লেখা হাদিছ মানার কোন কারন নেই। মানলে সেটা অবশ্যই শির্ক।
কোরআনের একটি আয়াতও নির্দেশ করে না, প্রচলিত হাদিস মানতে বরং অসংখ্য আয়াত নির্দেশ করে, প্রচলিত ধর্ম ব্যবসায়ীদের হাদিস/কথা বর্জন করতে। [আল-কোরআন, ৪৫/৬, ৭৭/৫০] কোরান পূর্ণ সহজ সরল (১৮/১, ৩৯/২৭-২৮, ১৭/৯, ১৭/৪১, ৫৪/১৭ ২২ ৩২ ৪০, ২/২২১, ৩/১১৮, ৬/৩৮, ৬/৫৯, ১০/৬১, ১৬/৮৯, ১৭/৮৯, ২৭/৭৪-৭৫) আল্লাহ বলেছেন কোরআন সহজ সরল। আর শয়তানরা বলছে, কোরআন বুঝা নাকি ভীষন কঠিন। তাই তারা ব্যাখ্যার নামে নিজেদের মনগড়া হাদিছ-তফসির লিখে কোরআন বহির্ভূত সালাফি-আহলে হাদিছ মানহাজের নামে নতুন শির্কী ধর্মের জন্ম দিয়েছে। তাদের মানদন্ড ও বিশ্বাসকেই তারা সহিহ আকীদা নাম দিয়ে বিশ্বব্যাপি গেলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই সালাফি এবং আহলে হাদিছরা কোরআনকে নির্বাহী ক্ষমতাহীন রাষ্ট্রপতির মত উচ্চ আসনে বসালেও তাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে মূখ্য ভুমিকা পালন করে কেবলমাত্র বুখারি-মুসলিম-এর অমুক তমুক থেকে শুনা কথার কথিত হাদিছ।
কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘কোরান ব্যাখ্যা সহ অবতীর্ণ ’ (আয়াত গুলো দেখে নিন। ১৮/১, ১৮/৫৪, ৬/১২৬, ২৪/১৮ ৪৬ ৫৮ ৬১, ১২/১১১, ৬/৬৫, ৭/৫৮, ১৭/৪১) তাহলে কোরআনের ব্যাখ্যার নামে মনুষ্য রচিত লক্ষ লক্ষ হাদিছ আর তফসির কেন মানবেন? আল্লাহর কথা বিশ্বাস করবেন, নাকি মানুষের কথা? বর্ণনাকারী হিসাবে আল্লাহর চাইতে আর কে বেশী উত্তম? কাজেই আপনি নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন, আল্লাহর কোরআনের ধর্ম পালন করবেন, নাকি কথিত হাদিছী ধর্ম পালন করবেন! আল্লাহপাক আমাদের সকলকে বুঝার তৌফিক দান করুন। আমিন।
©somewhere in net ltd.