| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সেই ছোটবেলায় যখন থেকে বানান করে পড়তে পারতাম, স্কুলে আসা-যাওয়া করি, ছড়া-কবিতা পড়ি, তখন আমাদের পাড়ার দেয়াল লিখনগুলো পড়তাম। চোখের সামনে আজো ভাসে বড় বড় অক্ষরের
“B N P”,
“দেশ গড়েছেন শহীদ জিয়া,
নেত্রী মোদের খালেদা জিয়া।”
“আমরা শক্তি, আমরা বল,
আমরা ছাত্রদল।”
ঐ বয়সটায় “রাজনীতি” শব্দের সাথে পরিচিত ছিলাম না মোটেও। দেখতাম পাড়ার স্কুলের উপরের ক্লাসে পড়ুয়া বা কলেজে পড়ুয়া সবাই বিএনপি করে, সবাই ছাত্রদল। আমরা পিচ্চিরাও তালে তালে ছাত্রদল, কিছু না বুঝেই ছাত্রদল। ছাত্রদল খায় না মাথায় দেয় জানি না। তবে আশির দশকের সে সময়গুলোতে মাঝে মাঝেই শুনতাম হরতাল। আব্বা সাথে করে স্কুলে নিয়ে যেত, চোখে-মুখে একটা টেনশান। ক্লাস শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ছাত্রদল নামধারী কলেজের ছেলেরা মিছিল নিয়ে এসে স্কুলের গেটের সামনে চিল্লাচিল্লি। আপারা সবাই দৌড়াদৌড়ি করে বিভিন্ন ক্লাস রুমের সামনে গিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে দাঁড়াতেন, মেয়েদের নিরাপত্তা বিধানের উদ্দেশ্যে। সবার চোখেমুখে একটা উৎকন্ঠা। বড় আপা আরো দুই-চারজন সিনিয়র টিচারদের নিয়ে গেটে গিয়ে ছেলেদের অনুনয়-বিনয় করতেন, বাবারা আমরা কি করবো? সরকারী সিদ্ধান্ত স্কুল খোলা রাখতে হবে। ছাত্রদের চাপ, না স্কুলে আজ ক্লাস নেয়া যাবে না, হরতাল মানতে হবে। ছাত্ররা হুমকি-ধমকি দিতো, এক্ষুণি স্কুলে ঢুকে পড়বে, ভাংচুর করবে......কিছুক্ষণ এরকম দরকষাকষি পর আপারা বাধ্য হতেন স্কুল ছুটি দিয়ে দিতে। আমরা মাঝ দুপুরেই আবার বাসায় ফিরে আসতাম। এরশাদের আমলে এরকম তামাশা যে কতবার হয়েছে!
শেখ হাসিনা নামে যে কেউ বাংলাদেশে আছেন এটা আমি ৯০ এর গণআন্দোলনের আগে কখনো জানিনি, শুনিইনি কখনো ঐ নাম আমাদের আশেপাশে। পত্রিকা তখন তেমন একটা পড়তাম না। টিভিতে তো কেবল ফার্স্ট লেডি, আর সাদ এরশাদরে দেখতে দেখতেই বিরক্ত। এ হলো আমার আশির দশকের রাজনৈতিক জ্ঞান!
৯০ এর গণআন্দোলনটাই মূলত আমাকে “রাজনীতি” শব্দের সাথে পরিচিত করলো, তখন থেকে একটু একটু করে জানতে লাগলাম বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কথা, বিভিন্ন নেতা-নেত্রীর কথা, বিভিন্ন ঘটনা- ঘনঘটা সম্পর্কে। পত্রিকা পড়া, টিভির খবর মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং চোখ দিয়ে সবাইকে ভাল করে দেখা মানে চেহারা পড়া, আউটলুক, ইনার লুক বোঝার চেষ্টা শুরু হয়েছে তখন থেকে। ৯১ এর নির্বাচনের রাতে তো আমরা সারারাত জেগে ছিলাম টিভি সেটের সামনে, সে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি! টের পেলাম বুঝে না বুঝে বিএনপির প্রতি একটা ভালোবাসা তৈরী হয়ে গেছে মনের ভিতরে যার উপর কোন হাতই ছিল না আমার। বিএনপির কোন দোষ খুঁজে পাই না, আসলে বলা উচিত বড়রা খুঁজে পায় না, তাই আমিও পাই না। আমি তো আর ভাল-মন্দ খুঁজতে শিখিনি তখনো। সবাই আল্লাহ্র কাছে দোয়া করে বিএনপি জিতুক, আমিও করি।
বিএনপি জিতলো, খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হলো। সবাই খুশী, কিন্তু যখন আমি টিভিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চুল ফোলা বিদেশী জর্জেট শাড়ি পরা চেহারাটা দেখলাম, মুহূর্তেই নিজের ভিতরে একটা বিরক্তি টের পেলাম। নেতা-নেত্রীদের প্রতি আমার নিজস্ব একটা ভালো লাগা – খারাপ লাগার অনুভূতির শুরু তখন থেকেই। এরপর গোলাম আজমের দেশে ফেরা, জামাআতের আমির হওয়া নিয়ে যখন তোলপাড় সারা দেশ, বাসার সবার দেখি চরম বিরক্তি, সবাই টিভিতে খবর দেখছে আর রীতিমত খালেদা জিয়াকে গালিগালাজ করছে। তখন ভালমতো সবকিছু না বুঝলেও আরো বড় হয়ে যখন পুরো ব্যাপারটা বুঝলাম, ঐ ক্ষোভটাকে আমার অযৌক্তিক মনে হয়নি মোটেও!
আবার সংসদীয় গণতন্ত্র সংক্রান্ত যে গণভোট হলো, খালেদা-হাসিনা গভীর রাতে সংসদে পরস্পরকে ফুলের তোড়া উপহার দিলো, কি আনন্দ সবার মাঝে! আমার অভ্যাস ছিল রেডিওতে নিয়মিত সংসদ অধিবেশন শোনা। আমি যতদিন স্কুলে পড়েছি, আব্বা টিভি কেনেনি বাসায়, উনার ধারণা ছিল তাহলে আমার পড়াশোনা হবে না, সারাদিন টিভি নিয়ে বসে থাকবো। টিভি দেখতে হলে আশপাশের বাসাতে বা কাছেই ফুফুর বাসায় যেতে হতো। নানারকম ক্ষোভের কারণ থাকলেও ওই টার্মে বিএনপির প্রতি ভালোবাসা তখনো অবশিষ্ট ছিল।
আমাদের পরিবারে কি না কি কারণে যেন প্রায় সবাই এন্টি-আওয়ামী। আমার আগের জেনারেশনদের কেউই দু চক্ষে আওয়ামী লীগকে দেখতে পারে না। এর কারণ হিসেবে ৭৪ এর দুর্ভিক্ষ একটা বড় ফ্যাক্ট বোঝা যায়, মাঝে মাঝেই এটা নিয়ে আলোচনা উঠে ঘরোয়া আড্ডায়। কেউ কেউ ওই আমলে মনে হয় জাসদ রাজনীতির সাথেও জড়িত ছিল। অবশ্য বড় হয়ে ওই দুর্ভিক্ষ নিয়ে বিভিন্ন পড়াশোনার পর আমার মাঝে এতোটা আওয়ামী-বিদ্বেষ কাজ করে না। তবে আওয়ামী লীগের কট্টর এবং গায়ে পড়ে ঝামেলা করার স্বভাবটা আজো বিরক্তির উদ্রেক করে।
২০০১ সালে যখন প্রথম ভোটার হলাম, জীবনের প্রথম ভোটটা বিএনপিকেই দিয়েছিলাম। বলাই বাহুল্য, একেবারেই আবেগ থেকে, কোনরকম চিন্তা-ভাবনা, যুক্তি-আলোচনা থেকে না। এরপরই মোহ কাটা শুরু হলো। প্রথমেই মনে হয় আহসানউল্ল্যাহ মাস্টার মারা যাওয়ার ঘটনা থেকে। সেটা আরো দৃঢ় হলো ৬৪ জেলায় একযোগে বোমা হামলার ঘটনায়। এরপর একে একে বাংলা ভাই, কিবরিয়া হত্যাসহ, অসহনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, হাওয়া ভবনের মাত্রাতিরিক্ত দাপট আর দূর্নীতি, সিনিয়র নেতাদের সাথে কারো কারো চরম বেয়াদপীর কথাও শুনতাম পত্র-পত্রিকায় বা নানাজনের কাছে, এগুলো শুনে ভাল লাগতো না। তারপর ২১শে আগস্টের বোমা হামলা। ওই বোমা হামলার সময়ে আমি রোকেয়া হলে ছিলাম। আমাদের কোন কোন বান্ধবী রিকাশায় করে ঢাকা মেডিকেলে আসতে থাকা বিভিন্ন ছিন্ন-ভিন্ন হাত-পাসহ আহতদের দেখেই ভয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলো। ঐ বীভৎস লাশ আর আহতদের দৃশ্য দেখে অনেক মেয়েই হলের ভিতরে কাঁপতেছিল, কেউ কেউ মূর্চ্ছাও গিয়েছিল। টিভিতে খবর আসার আগেই আমরা জেনে গিয়েছিলাম সেই নারকীয় ঘটনার কথা। সে কি অসহ্যকর!
এরপরও আর কোন ভালোবাসা থাকে বিএনপি সরকারের প্রতি? অবশিষ্ট যেটুকু ছিল তাও গেছে ইয়াজুদ্দীনের প্রধান উপদেষ্টা হবার পর থেকে। ছি ছি কি লজ্জা! রাষ্ট্রপতির প্রধান উপদেষ্টা হওয়া! আমাদের রাষ্ট্রপতিদের কাছ থেকে আমরা আরো ব্যক্তিত্ব আর বিচক্ষণতা আশা করি।
পুরষ্কার বা শাস্তি যা পাবার তা পেয়েছে বিএনপি। মাত্র ৩১টি আসন। একটাও না পেলে আরো খুশী হতাম। কিন্তু তাতেও কি বিএনপির শিক্ষা হয়েছে? নিজেদের দোষ-ত্রুটির চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সংশোধন হবার পথে বিএনপি কতদূর এগিয়েছে জানে কেউ? গত প্রায় দুবছর ধরে বিরোধীদল হিসেবে নিজেদের শক্ত ও স্বচ্ছ অভিব্যক্তি কি তারা গড়ে তুলতে পেরেছে? সরকার যত কায়দাই করুক না কেন, জনগণ তো সবই দেখতে পাচ্ছে। গত টার্মে বিএনপিকে যেমন সবাই দেখেছে, এ টার্মে আওয়ামী লীগকেও সবাই দেখছে। কেউ তো চোখ বন্ধ করে বসে নেই।
এবারের সরকারের নানা কাজে যেসব গঠনমূলক গুণগত পরিবর্তন এসেছে বা হাসিনা এনেছেন, বিরোধী দল কি সেরকম কিছু করেছে? একটা ছায়া বাজেট দিয়েছিল বিএনপি এবার। আশান্বিত হয়েছিলাম, যাক্ বিএনপির বোধোদয় হলো বলে! এ পরামর্শ যিনি দিয়েছিলেন, তাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু কিসের কি! বাজেট অধিবেশনের সময়ে একদিন সংসদে গিয়েই লাপাত্তা বিএনপি।
পঞ্চম আর সপ্তম সংশোধনীর মতো দুটো জরুরী রায় আমাদের দেশে হলো, যেটার ব্যাপারে সরাসরি বিএনপির অনেক কিছু বলার কথা, বলা উচিত, কিন্তু কৈ, এখনো পর্যন্ত এ ব্যাপারে বিএনপি গঠনমূলক কিছু বলতে পেরেছে কি? এখন নিশ্চয়ই সুরঞ্জিতের উপরে এক চোট নিবেন, আপনাদের সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে কম সংখ্যক সদস্যপদ দেয়া হয়েছে, হেন তেন। বলি কি, আপনাদের বক্তব্য সুস্পষ্টভাবে জনগনের সামনে তুলে ধরুন। ২০১০ সালের বাংলাদেশে মিডিয়ার অভাব নেই, সংসদে আপনাদের মাইক বন্ধ রাখলে জনগণের সেটা দেখার চোখ আছে, আপনাদের যৌক্তিক পরামর্শ সরকার না শুনলে সেটা বোঝার মতো ক্ষমতাও জনগণের আছে। সরকারের উপর জ্ঞান-বুদ্ধি-যুক্তি দিয়ে চাপ তৈরী করুন, মিডিয়াকে সর্বোচ্চভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করুন, হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের মুগুর হাসিনাকেই কায়দা করে ফিরিয়ে দিন না, একটু মাথা খাটান।
কেবল রাস্তায় হাত-পা ছোঁড়াছুঁড়ি করে হরতাল বা মিছিল করাটাই একমাত্র পন্থা না। সেটাও তো ঠিকভাবে পারেন না। বাংলা মোটর পর্যন্ত আসতে না আসতেই আপনারা টায়ার্ড হয়ে পড়েন। মিছিলের জন্য আপনাদের শিবিরের ছেলেদের হায়ারে আনা লাগে। ৯৬তে একবার দেখেছিলাম বিএনপিপ্রধান এলাকায় ছাত্রলীগের ছেলেরা এসে কিভাবে ছাত্রদলের ছেলেদের ধাওয়া করলো। ছাত্রদলের ছেলেরা পারে কি!?
সোমবার থেকে সংসদ অধিবেশন। বিএনপির চীফ হুইপের শর্তের বাহার দেখে হাসবো না কাঁদবো ঠিক বুঝতে পারলাম না। বলি, হু ইজ কোকো? তার পেরোলে মুক্তি হবে কি হবে না তা দিয়ে প্রায় ২০ কোটি জনগণের কি যায় আসে? অথবা নিদেনপক্ষে ৩১ সীটে যারা আপনাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে, তাদের কি যায় আসে এক কোকো জেলে থাকলে, পঁচে মরলে? তারেকের কোমর ভাংলে? তাতে ব্যক্তিগতভাবে খালেদা জিয়ার ক্ষতি হতে পারে, জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে এসব ব্যক্তিগত অনুভূতির কি মূল্য আছে? বিএনপিতে কি আর কোন নেতা নেই খালেদার অনুপস্থিতিতে দলের হাল ধরার? পাশের দেশের সোনিয়া গান্ধীর কাছ থেকে কি আমাদের নেতা-নেত্রীদের কিছুই শেখার নেই? রাহুল গান্ধীর মতো ছেলে বলতে পারে, “প্রধানমন্ত্রী হওয়াই একজন রাজনীতিকের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না”।" এরকম কোন চিন্তা কি আমাদের তারেকের, কোকোর, জয়ের, পুতুলের হতে পারে না?
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে সারাদিনে যেকোন মুহূর্তে ভারতের কোন না কোন কিছু ব্যবহার করি। হয় টিভি চ্যানেল, নয়, জামা-শাড়ি, নয়তো পেঁয়াজ-চিনি, নয়তো ইন্ডিয়ান প্রিন্টের বই, নয়তো কোরবানীর গরু। কিন্তু ভারতের রাজনীতিকদের প্রজ্ঞা, বুদ্ধি, ম্যাচিউরিটি, অভিজ্ঞতা, তাদের সাধারণ মানুষদের দেশপ্রেম, হিসেবী চালচলন এসব থেকে কিছু শিখতে বা ব্যবহার করতে আমাদের এতো অনীহা কেন? যেগুলো শিখলে বা ব্যবহার করলে আসলেই আমরা কিছু উপকৃত হতাম, নিজেদের কিছু উন্নতি হতো। আমরা কি কেবল কাজের চেয়ে অকাজই বেশি করবো?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১০
নাজনীন১ বলেছেন: হ্যাঁ, সেটাই। নড়বড়ে কশেরুকার মেরুদন্ডসম্পন্ন বিএনপি!
২|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
কঠিনলজিক বলেছেন: আধা + আধা মাইনাস । প্লাস টা দৃস্য ।
বাংলা ভাই, কিবরিয়া হত্যাসহ, অসহনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, হাওয়া ভবনের মাত্রাতিরিক্ত দাপট আর দূর্নীতি, সিনিয়র নেতাদের সাথে কারো কারো চরম বেয়াদপী ২১শে আগস্টের বোমা হামলা ইয়াজুদ্দীনের প্রধান উপদেষ্টা হবার জন্য সরাসরী এবং সম্পূর্ণ দায় দায়ীত্ব কোন ভাবেই বিএনপির বর্তায় না। বিএনপি তখন ক্ষমতায় ছিল শুধু এই জন্য যদি এভাবে বলেন তা হলেন আওয়ামী লিগের উপর যে দায় জমে আছে তা ৫০ বছরেও শোধ হবে না ।
আমি জেনারেল আছি তাই নিরুপায় হিসাবে নিজেরপোস্টে লিন্ক বিলির জন্য ক্ষমা প্রার্থী । Click This Link
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:০৮
নাজনীন১ বলেছেন: আওয়ামী লীগের কিছু দায় আছে বলেই তো আমার পরিবার আগাগোড়া এন্টি-আওয়ামী। প্রয়োজনে আরো অনেক বছর আওয়ামী লীগকে ঘৃণা করবো। তাতে কি?
এতে করে কি বিএনপির দায় দেখেও না দেখারভান করতে হবে? আওয়ামী লীগ যত খারাপ কাজ করেছে, বিএনপিকে পাল্লা দিয়ে আরো বেশি খারাপ কাজ করতে হবে? ১০০ বছরের দায় গড়ে তুলতে হবে?
৩|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:০৫
রাতমজুর বলেছেন:
২১ অগাষ্টের সাথে বিএনপির সেন্ট্রাল কমান্ড জড়িত এমন নিশ্চিত হবার কোন কারন নাই, দুই দলের কোন্দলটাকে কেউ ব্যাবহার করেছে এটাও হতে পারে।
আর রাজনীতি আর রাজনীতিবিদেরা পঁচে গেছে। তাদের চাই ক্ষমতা, টাকা আর বভিষ্যতের জন্য বিদেশী আশ্রয় - এর বাইরে এদের কেউ নয় এখন, তাই জনগন ভুগে মরছি।
ভারত নিয়ে এই পোষ্ট লিখেছিলেন এক ভাই।
আর আমার মত হলো, আমরা সবখান থেকেই সহজ আলস্য আর উচ্ছন্নে যাবার পথটাই বেছে নিই, গঠনমূলক কিছুতে আমরা থাকি না, কারন আমরা প্রচন্ড অলস।
তবে একপাক্ষিক কিছু ব্লগার আপনাকে একহাত নেবে আজকে। ![]()
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১০
নাজনীন১ বলেছেন: আসুক না কেউ কিছু বলতে। দেখি কে কত বলতে পারে?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৩৬
নাজনীন১ বলেছেন: ২১ আগস্টের ঘটনায় বিএনপির কেউ জড়িত থাকুক বা না থাকুক, বিএনপি সরকারের দায়িত্বশীল আচরণের অনুপস্থিতি ছিল সে ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের বা বিচারের। এটাই আমার ভাল লাগেনি।
৪|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:১৯
াঢারে ালো বলেছেন: পায়ের নলা শুকানো, হাটু ভাঙ্গা, কোমর ভাঙ্গা, নড়বড়ে কশেরুকার মেরুদন্ডসম্পন্ন এবং শুষ্ক মস্তিষ্কের বিএনপি
আসলেই বিএনপির বর্তমান অবস্থা অনেকটা এমনি ৷ নির্বাচনের ধ্ব্কল থেকেও আমার কাছে মনে হয় বিএনপি অনেক বেশি তারেক নির্ভর হয়ে পরটা এর অন্যতম কারণ ৷একই সাথে মইনদের দ্বারা কিন্তু বিএনপিই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত,নিজেদের মধ্যেই তাই এরা প্রতিনিয়ত বিশ্বাস অবিশ্বাসের সংকটে ভোগে ৷
সংসদে না যাওয়ার জন্য এই হাস্যকর অজুহাতগুলো অবশ্যই মেনে নেয়া যায় না ৷কিন্তু আমাদের দেশে সংসদে বিরোধী দলের সত্যিকার অর্থেই কোনো ভুমিকা থাকে বলে আমার মনে হয় না ৷সরকারী দল কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকলে তা শুধুমাত্র বিরোধী দলের ভেটোর কারণে বাতিল বা পরিবর্তিত হয়ে গেছে এমন ঘটনা সত্যিই বিরল আমাদের দেশে ৷ কিন্তু তাই বলে আমি এদের সংসদ বর্জনের পক্ষে নই,কারণ মাস শেষেতো ঠিকই নিজের টাকা তুলে নিতে ভুল করছেন না এরা ৷
তবে এর মধ্যেও যে ভালো কিছুই নেই তাও কিন্তু না,এখনো পর্যন্ত একদিন হরতাল দেয়াটা আমাদের দেশের কথা বিবেচনা করলে কিন্তু ইম্প্রেসিভই ৷আমি সেই তর্কে যেতে চাইনা যে হরতাল দেয়ার মত কিছু হয়েছে কি হয়নি,শুধু এটুকু বলি আমাদের দেশে হরতালের জন্য বোধহয় কোনো যোক্তিক কারণ দরকার হয় না ৷
পরিশেষে, এটা অনস্বীকার্য যে ভারতের রাজনীতিবিদদের দেশপ্রেম আমাদের দেশের রাজনীতিবিদ নামক নীতিহীনদের থেকে হাজারো গুন বেশি ৷
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪০
নাজনীন১ বলেছেন: বিরোধী দলের গঠনমূলক আচরণ আমি কোনকালেই দেখি নাই। সবসময় একটা ব্যাপার মনে হয়েছে, সরকারে গেলেই কাজ করতে হবে, বিরোধী দলে থাকলে হাত-পা গুটিয়ে থাকতে হবে আর কেবল সরকারের সমালোচনা করতে হবে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবী তুলতে হবে, ভাব দেখে মনে হয় পুনরায় ক্ষমতায় যাওয়াই বিরোধীদলের একমাত্র কাজ ----- এধারা থেকে বেরিয়ে আসা উচিত মনে করি।
দূর্নীতি ভারতেও কম হয় না, কিন্তু তারা দেশের জন্যও কিছু করে। কিন্তু আমাদের নেতারা সবটাই নিজের ঝোলায় ভরে।
৫|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৩৬
ইউনুস খান বলেছেন: নির্মোহ লিখা। বুঝাই যাচ্ছে আপনের মনের কথা গুলোই অকপটে বলে গেছেন। ধন্যবাদ লিখাটার জন্য।
আপনে স্বীকার করেছেন যে ৮০ এর দশকে আপনে শেখ হাসিনার কথা শোনেন নাই। দেখুন ৮০ দশকে স্বৈরাচার এরশাদের (আমার এখন আর মানতে দ্বিধা নেই যে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এরশাদের চেয়ে বড় স্বৈরাচার ভুরিভুরি আছে) বিরুদ্ধে একটি যুগপৎ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলো খালেদা জিয়া। উনার আপোষহীন মনোভাব এবং দেশের প্রতি তীক্ন ভালোবাসায় ঐ সময় এরশাদকে ক্ষমতা ত্যাগে বাধ্য করে।
৯১ এর নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ একটি গণতান্ত্রিক সরকার পায় যার মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় আসে। বিএনপিকে হটাতে তখন আওয়ামীলীগ দেশদ্রোহী জামাতের সাথে যুগপৎ আন্দোলন করে। এক টেবিলে আলোচনা করে রাজনীতির নগ্ন দিকটিও জনগণের সামনে উন্মোচন করে। এবং তৎকালীন কিছু নেতা-কর্মীদের ভুলের মাশুল দেয় ৯৬ এর নির্বাচনে। ফলশ্রুতিতে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসে স্বৈরাচার এরশাদের দল জাতীয় পার্টির সমর্থন নিয়ে। মূলত ঐ সময়ই রাজনীতির একটা জলসানো রুপ আমরা দেখতে পায়। যেখানে আওয়ামীলীগ রাজনীতিতে টিকে থাকার স্বার্থে জামাতের সাথে আন্দোলন করে, ক্ষমতার লোভে স্বৈরাচার এরশাদের করুনা প্রার্থনা করে। (অথচ তারাই আজকে এরশাদের শাসন আমলকে অবৈধ ঘোষণা করে। যার মাধ্যমে এরশাদকে রাজনীতির অবৈধ সন্তান হিসাবেই গণ্য করা যায়।)
আওয়ামীলীগ কি করেছিলো সেই সময় সেটা আপনাদের বিচারীধীন রইলো।
২০০১ সালের নির্বাচনে আমরা বিগত দিন গুলোর ধারাবাহিক রুপগুলোই দেখতে পায়। যেখানে এরশাদকে নিয়ে টানাটানি হয়। যায় হোক বিএনপি আবার ক্ষমতায় আসে। ততদিনে অনেক হোমরা-চোমরা দলের ভিতর জন্ম নেয়। যাদের মাধ্যমে জিয়ার উত্তরসুরী তারেক জিয়াকে করা হয় পথভ্রষ্ট। একদিকে বিএনপির রাজনীতিকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিয়ে সাধারণ জনগণের নয়নমনি হয়ে উঠা শুরু করলো। অন্যদিকে কিছু ক্ষমতালোভী, চোর-বদমাশ তারেকের নাম ভাঙ্গিয়ে, তারেককে ভুল বুঝিয়ে মিডিয়ার, শিক্ষিত জনগণের বিরাগভাজন করলো। ফলশ্রুতিতে তারেক জিয়ার বিপুল সম্ভাবনা হোচট খেলো।
নিশ্চিতভাবে বলতে পারি ইয়াজুদ্দীনের রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধান উপদেষ্টা হওয়া একটা বড় ধরণের ভুল ছিলো। কিন্তু আপনাকে সেই সময়ের মান্নান ভুঁইয়া এবং আব্দুল জলিলের সংলাপগুলোর কথাও মনে করিয়ে দিতে চাই। দুইজনই আজকে দলের ভিতর খলনায়ক। দুজনই চেয়েছিলো দলকে ভাংতে। আমি বর্তমান রাষ্ট্রপতির কথাও আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই- যে কিনা সাজেদা চৌধুরীর ছেলের ১৮ বছরের জেলকে মাফ করে দেয়। যে কিনা ফাঁসির আসামীকে মুক্ত করে দেয়। ইয়াজুদ্দীনের পরিস্থিতিতে উনি কি করতো সেটা নিয়ে আমি যথেষ্ট শংকিত।
বর্তমানে বিএনপির অবস্থা কেমন সেটা আমরা জানি। শহীদ জিয়ার মৃত্যুর পর তৎকালীন বিএনপির নেতা-কর্মীরা দলকে না গুছাতে পেরে অবশেষে একজন সাধারণ গৃহবধূ বেগম খালেদা জিয়ার শরণাপন্ন হয়েছিলো। বেগম খালেদা জিয়া দক্ষ হাতে বিএনপিকে আজকের অবস্থায় নিয়ে এসেছে। আমরা ২০০৭-২০০৮ এ দেখেছি কিভাবে মিরজাফররা বিএনপিকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেলেছে। কিভাবে সন্তানদের আটকে রেখে, নির্যাতন করে খালেদা জিয়াকে ব্ল্যাকমেইলিং করতে চেয়েছিলো। কিন্তু আপোষহীন নেত্রী ১/১১ ঐ শক্তির কাছে মাথানত করেনি। যা আমার কাছে নেত্রীর গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে দিয়েছে শতগুণ।
এখনো দলের মাঝে কিছু অপশক্তি, কিছু মিরজাফর লুকিয়ে আছে যারা প্রতিনিয়ত খালেদা জিয়াকে বিভ্রান্ত করে। তারই ধারাবাহিকতায় কোকোর মুক্তির ব্যাপারটি সামনে আসছে। অথচ বিএনপি ইচ্ছে করলেই এই ব্যাপারটাকে সামনে না নিয়ে এসে সরকারের উপর অদৃশ্য চাপ তৈরী করতে পারতো। সেই মিরজাফররা চায়না বিএনপি সংসদে যাক- আইনশৃঙ্খলা, গার্মেন্টস সেক্টরের অস্থিরতা, এমপি শাওনকে বাঁচাতে ডিএমপি কমিশনারের আকুলতা এগুলো নিয়ে কথা বলুক।
তবুও আমি আশাবাদি বিএনপি খুব শীগ্রই রাহুমুক্ত হবে। এবং সত্যিকারের রাজনীতির মাধ্যমে আরো জনগণের কাছাকাছি হতে পারবে।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৩
নাজনীন১ বলেছেন: অনেক অনেক কথা বললেন, যেগুলো সবাই জানে। তবুও আলোচনার সুবিধার্থে সামনে থাকলো।
আমি যেহেতু বিএনপিপ্রধান এলাকায় বড় হয়েছি, তাই সেখানে শেখ হাসিনার নাম না শোনাটা স্বাভাবিক ব্যাপার হতে পারে। গোপালগঞ্জে বড় হলে হয়তো ব্যাপারটা ভিন্ন হতো।
তবে এরশাদের আমলে জিয়ার কারণে বিএনপির যে জনপ্রিয়তা ছিল, কেন সেটা তারা ধরে রাখতে পারেনি, কিভাবে আওয়ামী লীগ তার পুরোনো ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠে নতুন করে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়েছে, বিএনপির অবশ্যই উচিত এগুলো এসেসমেন্ট করা। ভালভাবে বিশ্লেষণ করা। জনগণের মন-মানসিকতা, চাহিদা, পছন্দ-অপছন্দের প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখা। এজন্য মিডিয়াকে ব্যবহার করার কোন বিকল্প নেই।
আর খালেদা জিয়াকে নেতারা ভুল বোঝায়, এ কথার মানে কি? উনি কি পত্রিকা পড়েন না? টিভির খবর দেখেন না? বিভিন্ন ফোরাম-ব্লগে যেসব আলোচনা হয় এসবের কোন খোঁজ-খবর রাখেন না? যিনি ৯০ এর যুগপৎ আন্দোলনের সফল নেত্রী ছিলেন, তিনি বর্তমানে এতো বেখবর থাকেন কিভাবে যে নেতারা যাই বোঝান , তাই বোঝে?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৮
নাজনীন১ বলেছেন: গার্মেন্টস সেক্টর একটা জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু, সেটা নিয়ে বেশি বেশি আলোচনা হওয়া দরকার। আইনশৃংখলাও সেরকম ইস্যু।
কিন্তু এর সাথে এমপি শাওনের ঘটনাটা সমানতালে আসে কিভাবে? এটা কি আদৌ তেমন কোন জাতীয় ইস্যু ?
আমাদেরকে বিভিন্ন ঘটনার গুরুত্বের পার্থক্য বোঝা দরকার? প্রায়োরিটি সেট করা দরকার যে কোন ইস্যুগুলো নিয়ে আসলেই জাতীয় পর্যায়ে বেশি বেশি আলোচনা হওয়া দরকার।
৬|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৩৯
কাক ফ্রাই বলেছেন: আপনার মূল্যায়ন অনেকটা ভালো লাগলো । তবে আমরা যেনো এক চোখা সমর্থন কে সব সময় এড়িয়ে চলি।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৫
নাজনীন১ বলেছেন: তবে আমরা যেনো এক চোখা সমর্থন কে সব সময় এড়িয়ে চলি। -- হ্যাঁ, এ কথাটা সবাই মনে রাখতে পারলে ভাল। ধন্যবাদ।
৭|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪২
ইউনুস খান বলেছেন: ২১আগাষ্টের ঘটনায় কোনভাবেই বিএনপি জড়িত না। আমি আপনাকে সেই ঘটনার পর মিডিয়াতে বাবরের চেহাড়াটা মনে করার অনুরোধ করবো। হতবিহবল, স্তব্দ বাবর ঠিকমতো কথাও বলতে পারতেছিলনা। এই জায়গায় আমি দুইটা ত্রুটি খুঁজে পাই-
১। এতো বড় জনসভায় সরকার ঠিকমতো নিরাপত্তা দিতে পারে নাই। বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগের ব্যার্থতাতো স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম হওয়ার পর থেকেই।
২। ঘটনার সুষ্ট তদন্ত না করে মোড় গুড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
নাজনীন১ বলেছেন: আপনি কি গোয়েন্দা? বা বিএনপির হাই কমান্ডের কেউ? এতো নিশ্চিত কথা বলছেন কিভাবে?
আর গোয়েন্দা বিভাগ ব্যর্থ হলো, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পারফরমেন্সও যদি একটু বলে যেতেন......
৮|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪৪
সাইমুম বলেছেন: ম্যাচিউরড পোস্ট। +
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৯
নাজনীন১ বলেছেন: ধন্যবাদ।
৯|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪৬
কাক ফ্রাই বলেছেন:
আল্লাহ উইনূস খানের মনের আশা পূরন কবুক, কম্বল থেকে আলগা আশ মুক্ত করে বিএনপি কে আপদ মুক্ত করুক ।
১০|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৪৭
খাই দাই বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, মনের কথা গুলো বলার জন্য, পারিবারিক ভাবে আমরা বি এন পি র সমর্থক কিন্তু বিগত বছর গুলোতে এই দলের রাজনৈতিক ভুমিকা আমার কাছে জনগণমুখী মনে হইনি, ভালো লেখার জন্য প্লাস, তবে এই দশে কিন্তু শুধু বি এন পি দুষ্ট নয়, আওয়ামী লীগ কিন্তু কম যাই নাই, ৯৬-০১ আমলের সন্ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি, দেশের মুক্তিযুদ্ধকে পুজি করে ফায়দা লোটা, বিগত ২ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশের নামে নামে নিরীহ জনগনের সাথে প্রতারণা সবই জানা মানুষের, আর পরিবারতন্ত্র আর কি বলব ? বি এন পি না হয় জেলে থাকা দুর্নীতি পরায়ন দুই ছেলের মুক্তির কথা বলছে কিন্তু আওয়ামী লীগ যেভাবে পরিবারের মৃত মানুষদের টেনে তুলে রাজনীতি করণ করছে তা চোখে পরার মত,
১) বেগম মুজিব কেন বংগমাতা? আমাদের জাতির জন্য তার অবদান কি ?
২) বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান, ভাসানী আর জিয়াউর রহমান এর নাম মুছে কেন শেখ কামাল আর সুলতানা কামাল এর নামে স্থাপনা হস্স্ছে,তারা কি এদের চেয়েও বড় বেক্তিত্ব ?
৩) ১৫ অগাস্ট নিহতদের কেন মুক্তিযোদ্ধা করা হলো ?
৪) আইন করে কেন বংগবন্ধু পরিবারের আজীবন নিরাপত্তা দিতে হবে ?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩১
নাজনীন১ বলেছেন: আওয়ামী লীগের সব কাজকে আমি হালাল করি না, প্রশ্নই ওঠে না। তবে আজকে আমার এই পোস্ট বিএনপিকে নিয়ে। আমরা বরং প্রসঙ্গে থাকি।
১১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৪
ইউনুস খান বলেছেন: @কাক ফ্রাই
বুঝছি এখন কেডা নিকটা চালাইতেছে ![]()
১২|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
দুখী মানব বলেছেন: অনেকটাই একমত
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩১
নাজনীন১ বলেছেন: ধন্যবাদ।
১৩|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: বাড়ীর পাশেই কলেজ। ছোটবেলায় দেখতাম রোজ ছেলেরা মিছিল করছে, 'স্বৈরাচারের গদিতে আগুন জ্বালো এক সাথে.....'। আমাদের কলেজের ছেলেরা এক সময় খুব ভয়ানক সাহসী ছিল। কলেজ প্রাঙ্গনে একবার এরশাদ এসেছিল। ভাষন শেষে যখন হেলিকপ্টারে উঠছে, ঠিক তখনই একজন ছাত্র জুতো ছুড়ে দিয়েছিল এরশাদের দিকে। এরশাদ পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখে তার ছবি সম্বলিত ব্যানার আগুনে জ্বলছে......
ওই সময়ে যারা রোজ মিছিল করত, তারা কোন দল ছিল জানি না। সম্ভবত ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ দুটোই হবে।
৮৯ এর কোন একদিন সন্ধ্যায় শুনলাম মাইকিং হচ্ছে, পরদিন কলেজ প্রাঙ্গনে এক জনসভায় ভাষন দেবেন শেখ হাসিনা।
কলেজটা একটা নদীর পাশে যে নদীতে তখন কোন ব্রিজ ছিল না। নদীর ওপারে হাসিনা এলেন তার সেই ছোট্ট সাদা টয়োটায় চেপে। নৌকায় করে প্রায় এক কিলোমিটার দুরে কলেজ ঘাটে নামলেন।
মঞ্চে ছিলেন সাজেদা, মতিয়া ও আরো কেউ কেউ। জনসভায় খুব সামান্য লোক এসেছিল। হয়তবা দুহাজারও হবে না।
হাসিনা খুব হাসিখুশি ও উচ্ছল ছিলেন। কোন সিকিউরিটি ছিল না। তিন চার ঘন্টা মঞ্চের মাদুরের উপর বসে ছিলেন। যে যাচ্ছিল তার কাছে, তার সাথেই গল্প করছিলেন। এক ফাঁকে আমিও গেলাম। আমরা ইচ্ছে মত লাফিয়ে বেড়িয়েছি ওই মঞ্চের উপর। ছোট বলে কেউ কিছু বলে নি। তখন তো হাসিনার প্রটোকলের কোন বালাই ছিল না। হাসিনার পাশে প্লাস্টিকের একটা জগে পানি রাখা ছিল। সামনে থেকে গ্লাসটা তুলে নিয়ে বললাম, 'পানি খাই.....' মতিয়া বলে উঠলেন, এই ছেলে, 'নাম কি তোমার?' মতিয়া বেশ কর্কষ ছিলেন। আমার ভয় পাওয়া দেখে হাসিনা হেসে উঠলেন।
৯১'এ সারারাত জেগে নির্বাচনী ফলাফল শুনেছি। আমাদের এলাকার এক মন্ত্রীর সন্ত্রাসী বাহিনীর দাপটে বিএনপির ওই পিরিয়ডটা আমাদের এলাকাবাসীর কাছে এখনো দুঃসহ হয়ে আছে। শুধু ওই মন্ত্রীর কুকীর্তির কারনে তারপরে আওয়ামী লীগের এক অপদার্থ তিন তিনবার এমপি হয়েছে।
৯৬ এর আগে থেকেই রাজনীতিতে আমার একটা স্পষ্ট পক্ষপাত তৈরী হয়ে যায়। গত ১৫ বছরে আমার রাজনৈতিক চিন্তা ভাবনায় খুব বেশি পার্থক্য তৈরী হয়নি।
আমার কাছে বিএনপি ও আওয়মী লীগ প্রায় সমার্থক। এদুটোর মধ্যে গুণগত তেমন কোন প্রভেদ নেই। নেতা নেত্রীদের মানসিকতার মধ্যেও উল্লেখযোগ্য কোন পার্থক্য দেখি না।
এদের একটিই ধর্ম- যে কোন উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়া এবং লুটেপুটে খাওয়া।
তবে ব্যক্তি হিসেবে হাসিনা ও খালেদার মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য লক্ষ করেছি। খালেদা প্রচন্ড দাম্ভিক, কর্কষ ও স্বেচ্ছাচারী।
হাসিনা স্বেচ্ছাচারী ও ঠোঁটকাটা তবে অমায়িক আন্তরিক ও সংবেদনশীল।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৬
নাজনীন১ বলেছেন: এই তো, ব্যালেন্সড্ হইছে। আওয়ামী এলাকার বাসিন্দা আইসা পড়ছে।
হাসিনা আর খালেদার ব্যাপারে আমার অবজার্ভেশন হলো,
হাসিনার কিছু কিছু আচরণ মেকি মেকি লাগে আমার কাছে, যেটা আপনার দৃষ্টিতে অমায়িক, আন্তরিক। আর জিহবা তো মাশাল্লাহ্।
আর খালেদা না বুঝলে চুপ থাকে, উলটা পালটা কথা বইলা জনগণের মেজাজ খারাপ করে না। আপনি যেটাকে দাম্ভিক ভাবছেন, আমি সেটাকে ইন্ট্রোভার্ট মনে করি।
আর দুইটা বড় দলের নেত্রী তেনারা, বাস্তবতার খাতিরে মাঝে মাঝে স্বেচ্ছাচারীতা তাদের দরকার আছে, তবে সেটা বেশি অন্যায়মূলক হইলে সমস্যা।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৪২
নাজনীন১ বলেছেন: মতিয়া আপা আমার অলটাইম ফেভারিট নারী নেত্রীদের মধ্যে। দীপু মনির পারফরমেন্স বেশি ভাল নাহলেও আউট-লুকিং ভাল লাগে। উনার নাকি কথাবার্তাও ভাল, যদিও আমার শোনা হয় নাই, টিভি দেখা হয় না তো এখন।
১৪|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:০১
রাতমজুর বলেছেন: নাজুখালা, ২১ অগাষ্ট এখন একটা পলিটিকাল হাতিয়ার, যেমন বিডিআর ম্যাস কিলিং এখন হয়ে পড়েছে। এর পেছনে কে বা কারা আছে সেটা কেউ কেউ জানে, তবে আমজনতা জানবে না কোন দিনই।
বিএনপির দায়িত্বশীল আচরণের অনুপস্থিতি যেমন আছে তেমনি আছে লীগের পানি ঘোলা করা।
একটা খারাপ কথা বলি, রাজনীতিতে যারা আছে এখন, এরা এতটাই নোংরা, নিজের বুকে গুলি ছুঁড়ে অন্যকে ফাঁসাতে বাধেনা এদের।
মন্জুরুল ইমাম এর মতন নির্লোভ নেতারা খুন হয়েই যাবেন যেখানে তার নিজের দল (আম্বা) প্রতিপক্ষের (বিম্পি) সাথে হাত মিলিয়ে উনার মতন মানুষকে কোতল করবে, কারনটা ক্ষমতা আর টাকা।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৯
নাজনীন১ বলেছেন: তা যা বলেছেন, ইস্যু একটা পাইলে দুই দলই তেনা প্যাঁচাইতে থাকে। একজন আরেকজনকে এমন কনফিডেন্টলী দোষারপ করতে থাকে, মাঝে মাঝে আমি ভাবি এতো টাকা-পয়সা খরচ করে গোয়েন্দা বিভাগ রাখার বা তদন্ত কমিটি করার দরকার কি? উনাদের দুইজনকে নিয়ে সব ঘটনার জন্য বারে বারে জেলে ঢুকাইয়া রাখলেই হয়। ![]()
১৫|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:১৩
গরম কফি বলেছেন: @রাতমজুর বলেছেন: নাজুখালা, ২১ অগাষ্ট এখন একটা পলিটিকাল হাতিয়ার, যেমন বিডিআর ম্যাস কিলিং এখন হয়ে পড়েছে। এর পেছনে কে বা কারা আছে সেটা কেউ কেউ জানে, তবে আমজনতা জানবে না কোন দিনই।
চরম সহমত।
উইনূস খান@ না জেনে এক তরফা বক্তব্য দিবেন না ।
১৬|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:১৮
ইউনুস খান বলেছেন: @লেখক, আমি গোয়েন্দা না বা আমি বিএনপির হাই কমান্ডের কেউনা ![]()
তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবস্থা ছিলো আমাদের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা আপার মতোন।
আমার মনে হয় আপনে আমার মন্তব্যটা ধরতে পারেন নাই। আমি বলেছি ঐ সময়ের সরকারের ব্যার্থতাটা ঠিক কোন দু জায়গায় ছিলো। [৭ নং মন্তব্যের জবাবের জবাবে]
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৪০
নাজনীন১ বলেছেন: ঠিক বলেন নাই। সাহারা আপা এখনো বাংলিশ ভাষা শুরু করে নাই। ![]()
১৭|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:২১
পারভেজ আলম বলেছেন: হাঃ হাঃ, অসাধারণ পোস্ট। আসলে, শিরনামটাই অনেক কিছু বলে দেয়। বাঙলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই আওয়ামী বিরোধী শক্তিশালী এবং পজিটিভ রাজনীতি গড়ে ওঠা দরকার ছিল। ধিরে ধিরে সেটা হচ্ছিলও, কিন্তু বিভীন্ন দেশী বিরোধী ষড়যন্ত্র আর অনেক ভুলের চাপে তা কখনো গড়ে ওঠে নাই। পচাত্তর পরবর্তী সময় থেকে আওয়ামী বিরধী রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপি। এটা আমাদের জন্য আসলেই দুঃখজনক। এদেশে আওয়ামী বিরোধী পজিটিভ রাজনীতির চমৎকার ফিল্ড ছিল, এখনো আছে। কিন্তু বিএনপি নামক দলটার সেইরকম পজিটিভ এবং শক্তিশালী রাজনীতি করার যোগ্যতা নাই, একেবারেই নাই, দলটা পুরোপুরিই আপনার শিরনামের মতো।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৪৪
নাজনীন১ বলেছেন: বিএনপির পারফরমেন্সে খুবই হতাশ! বামদলগুলোর তো আরো খারাপ দশা! ইসলামী দলগুলো সব একেকটা তালেবর। যে যার নিজের দলের বাহাদুরী নিয়ে ব্যস্ত। বাকী সবাইকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে।
১৮|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:২৫
ইউনুস খান বলেছেন: @গরম কফি,
আপনের কোন জায়গায় লাগছে? [১৫ নং মন্তব্যের জবাবে]
১৯|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৩১
ইউনুস খান বলেছেন: ৫নং মন্তব্যের জবাবে আপনি লিখছেন -
আর খালেদা জিয়াকে নেতারা ভুল বোঝায়, এ কথার মানে কি? উনি কি পত্রিকা পড়েন না? টিভির খবর দেখেন না? বিভিন্ন ফোরাম-ব্লগে যেসব আলোচনা হয় এসবের কোন খোঁজ-খবর রাখেন না? যিনি ৯০ এর যুগপৎ আন্দোলনের সফল নেত্রী ছিলেন, তিনি বর্তমানে এতো বেখবর থাকেন কিভাবে যে নেতারা যাই বোঝান , তাই বোঝে?
অবশ্যই উনি পত্রিকা পড়েন, টিভি দেখেন। কিন্তু ১/১১ পরবর্তিতে দলের ভিতর কিছু বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জন্ম দিসে যেটা তীক্ষন চিন্তাশীল খালেদা জিয়াকেও বিভ্রান্ত করে দিসে। ঐ সময়কার মিডিয়ার পক্ষপাতমূলক আচরণ এখনো খালেদা জিয়া ভুলতে পারেনি।
মাঝে মাঝে আমিও আপনের মতো হতাশ হই, ক্ষুব্ধ হই। প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণ গুলোতে মাঝে মাঝে দেখি জনগণ কিরকম ক্ষুব্ধ শাওনের উপর, ডিএমপির কমিশনারের উপর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপর। কিন্তু আমরা বাস্তবে এর কোন কার্যকরণ দেখিনা। দুঃখজনক।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫৮
নাজনীন১ বলেছেন: তীক্ষ্ণ চিন্তাশীল খালেদা জিয়া! ভালই কইছেন। এজন্যই তো তারেক আর কোকো তার মাথার উপরে লাফাইছে আর বিএনপিরে ডুবাইছে। ঘরের পোলাপানই সামলাইতে পারলো না!
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০০
নাজনীন১ বলেছেন: এর চেয়ে হাসিনার বুদ্ধি ভালো, তিনি জানেন যে জয় এদেশের রাজনীতির জন্য মানসিকভাবে ফিট না, বুঝবে না অনেক কিছুই, তাই জয় যোগ দিছে যুবলীগে। আর তারেক? ভাইস প্রেসিডেন্ট!
২০|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৩৫
মেঘলা আকাশ ও বিষন্ন মন বলেছেন: বি এন পি আমাদের দেশ কে যেই পরিমান উন্নতি ও সমৃদ্ধি দান করেছে তা কি পুর্বের কেউ করতে পেরেছে।
আশির দশকে আমাদের শিল্প-বানিজ্য ছিলো সংরক্ষন নীতির উপরে।
কিন্তু ৯০ দশকে বি এন পি এসে, বেসরকারী বানিজ্যিক ব্যাঙ্কের ব্যাপক উন্নয়ন, গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্ট্রি, হেভি আন্ড লাইট ইন্ড্রাস্ট্রির ক্ষেত্রে যেই উন্নতি করেছে তা এক কথায় অতুলনীয়। কৃষিতে ও এসেছিলো বিস্ময়কর পরিবর্তন। চোখ ধাধানো অগ্রগতিতে বিশ্বের অনেক দেশের কাছে শ্রদ্ধা অর্জন করে। অনেক অনেক বিলিয়ন ডলার বিদেশি বিনিয়োগ আসে। যাদের সাথে পার্টনারশিপ বিজনেসে আমাদের ডমেস্টিক অর্থনীতি প্রানফিরে পায়। গড়ে উঠে অনেক অনেক দেশীয় শিল্প গ্রুপ। লক্ষ কোটি মানুষের কর্ম সংস্থান হয়। জাপান-কোরিয়া-চায়না তাদের প্রযুক্তি আমাদের দেশে শিফট করে।
দুর্নীতি করেছে। মানুষ তার মানবীয় গুনাবলীর উর্ধে নয়।কামনা-বাসনা-লোভ মানুষেরই অংশ। দুর্নীতি ছিলো ব্যাক্তি কেন্দ্রিক বা দুয়েকটি গ্রুপ কেন্দ্রিক। গুটি কয়েক নেতার জন্য আপনি এই মহান দলটিকে একপেশে দোষারপ করে গেছেন।
পোস্টে মাইনাস।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৪
নাজনীন১ বলেছেন: আপনি মনে হয় আমার ব্লগে এই প্রথম এসেছেন, তাই জানেন না মনে হয় প্লাস-মাইনাস আমার কাছে কোন ইস্যু না।
আমি যখন বিএনপিকে সমর্থন করতাম, তখনো এতো অন্ধ সমর্থক ছিলাম না। অন্ধতা মানুষকে সঠিক পথ দেখায় না।
যেকোন দলের ঊর্দ্ধে উঠে আমি কিছু রাজনীতিককে পছন্দ করি। মতিয়া চৌধুরী, সাইফুর রহমানসহ আরো কয়েকজনকে। আপনি বিএনপির যে সাফল্যের কথা বললেন এটা অনেকটাই সাইফুর রহমানের কৃতিত্ব। ঠিক যেমন কৃষি-খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অনেকটা মতিয়া চৌধুরীর কৃতিত্ব।
২১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪০
ইউনুস খান বলেছেন: পারভেজ আলম বলেছেন: হাঃ হাঃ, অসাধারণ পোস্ট। আসলে, শিরনামটাই অনেক কিছু বলে দেয়। বাঙলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই আওয়ামী বিরোধী শক্তিশালী এবং পজিটিভ রাজনীতি গড়ে ওঠা দরকার ছিল। ধিরে ধিরে সেটা হচ্ছিলও, কিন্তু বিভীন্ন দেশী বিরোধী ষড়যন্ত্র আর অনেক ভুলের চাপে তা কখনো গড়ে ওঠে নাই। পচাত্তর পরবর্তী সময় থেকে আওয়ামী বিরধী রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপি। এটা আমাদের জন্য আসলেই দুঃখজনক। এদেশে আওয়ামী বিরোধী পজিটিভ রাজনীতির চমৎকার ফিল্ড ছিল, এখনো আছে। কিন্তু বিএনপি নামক দলটার সেইরকম পজিটিভ এবং শক্তিশালী রাজনীতি করার যোগ্যতা নাই, একেবারেই নাই, দলটা পুরোপুরিই আপনার শিরনামের মতো।
পারভেজ ভাই আপনার কমেন্টে বিভ্রান্ত হলাম। আপনে স্বীকার করেছেন যে মুক্তিযুদ্ধের পরই আওয়ামীবিরোধী পজিটিভ রাজনীতির দরকার ছিলো। কিন্তু কেনো? আপনে বলছেন যে ধীরে ধীরে সেটা গড়ে উঠতেছিলো। কারা সেটা গড়ে তুলছিলো?
সিপাহী বিপ্লবের পরবর্তীতেই বিএনপির জন্ম। আর বিএনপি আওয়ামীলীগের বিরোধিতা করে রাজনীতি করতেছে যেটা আপনাদের জন্য লজ্জাজনক মনে হইতেছে। কেন? তাহলে কাদের মাধ্যমে আপনেরা আওয়ামীলীগ বিরোধী রাজনীতি করাতে চান?
২২|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪
সায়েম মুন বলেছেন: রাজনীতি বুঝিনা। তবে অবুঝের এই লেখাটা বেশ ভাল লাগলো।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
নাজনীন১ বলেছেন: আচ্ছা ধন্যবাদ।
২৩|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫
ইউনুস খান বলেছেন:
@গরম কফি স্ক্রিণশটে দেখেন আপনের আর কাক ফ্রাইয়ের মাঝে মিলটুকু। দুইজনই আমার নামটাকে একইভাবে বিকৃত করছেন। আগে জানতাম গরম কফির আরেকটা নিক কাক ফ্রাই চালায় অমি পিয়াল। এখন কি গরম কফি নিকটাও দিয়া দিসেন?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৮
নাজনীন১ বলেছেন: ঝগড়া-ঝাটি বন্ধ করলে খুশি হই। আপনার নাম বিকৃত করা হয়েছে সেটাও ঠিক হয়নি।
২৪|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫
আকাশের তারাগুলি বলেছেন: ২১শে আগস্ট হত্যা কান্ডে খুব বাস্তব ভাবেই বিএনপি জোট সরকারের হাই কমান্ড জড়িত। অবশ্যই জড়িত।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৯
নাজনীন১ বলেছেন: আপনি কি গোয়েন্দা বা বিএনপির হাইকমান্ডের কেউ? ![]()
মানুষে যেকোন পক্ষে এতো নিশ্চিত কথা বলে কিভাবে?!
২৫|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি এখন একটি ব্যর্থ দল।
দেশ তো দূরের কথা, দলও নয় - শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিই বড় হইয়া যায়
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১০
নাজনীন১ বলেছেন: এখনো আশা বেঁধে রাখি......
২৬|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯
িট.িমম বলেছেন: পায়জামার ফিতা ডিলা মহসচিব দিয়ে যে বি.এন.পি আন্দোলন চালাইয়া নিতেযাইতেছে। এইডা কম কিশে? এমন করে বিরুদি দলের কার্যক্রম চল্লে এরশাদ কাকার, ভবিষ্যত বানী নির্ভেজাল বলেই প্রমানিত হবে।
মনেআছেত এরশাদ কাকা কি বলেছিল? এই র্ট্রামে ৩.৫ এবং পরের ৫ = ৮.৫ বছর মহাজোট ক্ষমতায় থাকবে।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১২
নাজনীন১ বলেছেন: হা হা। মাঝে মাঝে কিন্তু বোকা লোকেরা ভাল কাজে আসে। ওই মহাসচিব দলের দুর্দিনে অবুঝের মতো হাল ধরে ছিলেন। তবে এখন উনার বিশ্রাম নেয়ার সময়। উনারা হচ্ছেন ব্যাকআপে থাকার মানুষ, জরুরী অবস্থায় তৎপর হবেন।
২৭|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৭
গরম কফি বলেছেন: ১৮ জাবাবে @ আপনি আমাকে ম্যাছেজ দিয়ে জানালেন এবং এই পোস্টের লিংক দিয়ে দেখতে বললেন আবার গায়ে পরে খোচাচ্ছেন ..... ব্যাপারটা ভালো লাগলোনা বস।
২৮|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৬
গরম কফি বলেছেন: নামের অংশটা কপি পেস্ট মারা । আপনি ম্যাছেন্জারে নক করে আমার দৃশ্টি অকর্ষন করলেন এই মন্তব্যের প্রতি আমি এই মন্তব্যের থেকেই আপনার নামটা কপি করে দিলাম আপনি স্কিনশর্টদিয়ে বাহাদুর সাজলেন!! আপনি আসলেই চরম গুয়েন্দা ।
২৯|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৩৭
রাজসোহান বলেছেন: শিরোনাম চমত্কার ++
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১৪
নাজনীন১ বলেছেন: ধন্যবাদ রাজসোহান।
৩০|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:০৭
পারভেজ আলম বলেছেন: ইউনুস খান বলেছেন: কেন? তাহলে কাদের মাধ্যমে আপনেরা আওয়ামীলীগ বিরোধী রাজনীতি করাতে চান?
আওয়ামী বিরোধী রাজনীতিতে বিএনপির নেতৃত্ব দুঃখজনক এই কারণেই। কারণ আমাদের কাছে কোন উত্তর নাই। আওয়ামী বিরোধী পজিটিভ রাজনৈতিক শক্তি গড় উঠে নাই। নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপির মত হাটুভাঙা শুকনা মস্তিস্কের দল। এইটাই দুঃখজনক।
একাত্তরের পরে আওয়ামী বিরোধী রাজনীতি গড়ে উঠছিল জাসদের হাত ধরে। জাসদকে আমি এই ক্ষেত্রে শতভাগ পাশ মার্ক দেবো না, এবং তাদের ঐতিহাসিক অনেক ভুমিকার সপক্ষেও যাবো না। কিন্তু জাসদের পচাত্তর পূর্ববর্তী অবস্থান ছিল অত্যন্ত সঠিক। সিপিবির মতো বৃহত দল যখন আওয়ামীলীগের সাথে পুরোপুরি সহাবস্থানে গিয়েছিল, এবং ন্যাপের অবস্থান যখন পুরোপুরিই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল, জাসদই তখন আওয়ামীলীগ থেকে বেরিয়ে এসে সঠিক বিরোধীতাটা করেছে। সমস্যা হলো, আগেই যেটা বলেছি, দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র আর নানা ভুলের কারণে সবই গুবলেট হয়ে গেছে।
কিছুক্ষন আগে আপনি সিপাহী জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বিএনপির জন্মলাভের কথা বললেন। আপনি কি সিপাহী জনতার বিপ্লবের পরিস্কার ইতিহাস জানেন? বিপ্লবটা কিন্তু জিয়ার নেতৃত্বে হয় নাই, হয়েছিল কর্নেল তাহের আর জাসদের নেতৃত্বে।
আর আপনাদের মতো নতুন প্রজন্মের তরুনরা যতদিন আওয়ামীলীগ বা বিএনপির শত সমস্যা এবং দেশবিরোধী কার্যক্রম সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল থাকা সত্ত্বেও "মন্দের ভালো" থিওরী দিয়ে এই দুই দলেরই সাপোর্ট করা অব্যাহত রাখবেন ততদিন বাঙলাদেশে জনস্বার্থের পক্ষে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির আবির্ভাব হবে না। আমাকে প্রশ্ন করে কি লাভ? উত্তর তো আপনার কাছেই, স্বিদ্ধান্ত এবং ক্ষমতাও আপনার।
৩১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৭
বিবর্তনবাদী বলেছেন: বাস্তব সত্য হচ্ছে হাসিনা বা খালেদাকে প্রতিস্থাপন করে সক্ষম এমন কোন ব্যক্তিই এই দেশে নেই তাদের পরিবারের সদস্য ছাড়া। এই তারেক কোকোই একসময় বিএনপি চালাবে আর আমাদের মত জনগনই তাদের ভোট দেবে। জয় তো জয় তার বিদেশী বউএরও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সম্ভব, কিন্ত আওয়ামীলীগ বা বিএনপি অন্য কোন নেতার পক্ষে তা সম্ভব নয়।
এটাই মানতে কঠিন কিন্তু বাস্তব সত্য। খালেদা জিয়া বা শেখ হাসিনা আসলে কি? তারা জিয়া বা মুজিবের প্রতিচ্ছবিই আসলে। এই দেশ আসলে মুজিব বা জিয়ার ছায়া চালায়। এই দুইজনের অলটারনেট কেউ আসার আগ পর্যন্ত তাদের পরিবারই সব চালাবে।
ভারতের রাজনীতিবিদদের যতই প্রজ্ঞা বুদ্ধি ম্যাচুরিটি যাই থাকুক না কেন কংগ্রেসের হাল সোনিয়ারই। হয়ত অনেকেরই সারা জীবনের অবদান আছে ভারতীয় রাজনীতিতে কিন্তু আপনার আলোচনায় রাহুল গান্ধিই আসে। হয়ত সোনিয়া বিদেশী হবার কারনে ক্ষমতায় বসতে পারে নি, কিন্তু তার এই সমস্যা না থাকলে তাকে কি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়া থেকে কেউ ঠেকাতে পারত? কক্ষনোই না।
আনুগত্যের এই ধরনটা আসলে ভারতীয়। তাই ভারত বর্ষের প্রত্যেক দেশেই পরিবার তন্ত্র আছে। এটা আছে কারন এর গুরুত্ব আছে। এই অঞ্চলের মানুষ এভাবেই অভ্যস্ত।
আমাদের এই জাতীয় মানসিকতা যখন পরিবর্তন হবে তখন দেশে এমনি এমনিই এদের প্রভাব কমে যাবে।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২০
নাজনীন১ বলেছেন: একটা সিস্টেমের ভিতরে চলতে থেকে তার বিরোধী মানসিকতা কিভাবে গড়ে তোলা সম্ভব? মুজিবের আগে তো তার বাবা ছিলেন না, জিয়ার আগেও না। উনাদের মতো লোকের এতো আকাল কেন আমাদের এই ২০ কোটি মানুষের দেশে। মনে হয় দেশে একবার জরুরী পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেই তবে হয়তো ধাক্কা খেয়ে নতুন কোন নেতা আসতে পারে।
আর রাহুলের কথা এনেছি কোকোর প্রসঙ্গ ধরে। তা না হলে রাহুলকে আমার তেমন কোন রাজনৈতিক ফিগার মনে হয় না। এর চেয়ে মনমোহন সিং কেই আমার অনেক ভালো লাগে।
আর ভোট? একবার যদি ৯৫% "না" ভোট দেয়া যেত আমাদের কোন জাতীয় নির্বাচনে, সবকয়টাকে বয়কট। কত অপচয়ই হয় আমাদের দেশে, একবার না হয় পর পর দুইবার নির্বাচন হলো। এরকম তো ৯৬তেও হয়েছে।
৩২|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:২৮
ইউনুস খান বলেছেন: @গরম কফি,
গরম কফি বলেছেন: ১৮ জাবাবে @ আপনি আমাকে ম্যাছেজ দিয়ে জানালেন এবং এই পোস্টের লিংক দিয়ে দেখতে বললেন আবার গায়ে পরে খোচাচ্ছেন ..... ব্যাপারটা ভালো লাগলোনা বস।
আপনে আমার সাথে জিমেইলে এ্যাড করা আছেন। আমি আপনাকে চ্যাটে নক করছিলাম এবং বলেছিলাম - "কাক ফ্রাই nickta dia ki ekon apne bloging kortecen?"
আপনি "না" বলেছিলেন এবং পোস্টের লিংক চাইছিলেন। আমি কোন আনসার দেই নাই। তাহলে মিথ্যা কথা বললেন কেনো যে আমি আপনাকে লিংক দিসি?
না বাহাদুর সাজার জন্যতো ব্লগে আসেনি। কর্মক্ষেত্রে বাহাদুর সাজার ইচ্ছে আছে কারন ঐটাই আমার রুজি, রুজগার কিন্তু ব্লগে না। মনের আনন্দে ব্লগিং করি।
আপনাকে জিমেইলের চ্যাট হিস্টোরী ওপেন করে ব্লগে দিয়ে দেওয়ার অনুরোধ রইলো।
৩৩|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৮
ইউনুস খান বলেছেন: @পারভেজ আলম,
আমি আপনাকে প্রশ্ন করেছিলাম কেনো স্বাধীনতার পরে আওয়ামীলীগ বিরোধী শক্তি দরকার ছিলো? কিন্তু প্রশ্নের উত্তর দেন নাই।
আপনি জাসদকে মনে করেন আওয়ামীলীগের বিরোধী শক্তি! সেই জন্যই মনে হয় ৩০ হাজার জাসদের রক্ত দিতে হয়েছিলো মুজিব বাহিনীর হাতে। যার নেতৃত্ব দিয়েছিলো শেখ মনি।
সিপাহী বিপ্লবের ইতিহাস জানা আছে। কর্ণেল তাহের কেনো জিয়ার মুক্তির পর ৪ ঘন্টা ধরে জিয়ারে রেডিও স্টেশনে নেওয়ার জন্য জোড়াজুড়ি করেছিলো?
মন্দের ভালো চিন্তা করে কখনো দল করিনা। বরং বরাবরই অন্যায়ের প্রতিবাধ করি সাধ্যের ভিতর। তৃতীয় শক্তির জন্য আপনে কি করছেন সেটাও খুব জানতে ইচ্ছে করে। কারন আমি বিশ্বাস করি বিধ্যমান এ অবস্থা থেকে বের হতে তৃতীয় শক্তির কোন বিকল্প নাই।
৩৪|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৫৮
প্রবাসী১২ বলেছেন: আপনি ডানে বায়ে টার্ণ নিলেও আপনি কোথায় হিট করেছেন, তা মনে হয় পরিষ্কার। আওয়ামি লীগ নতুন প্রজন্মের নেচারাল শত্রু নয়। এক সময় এ দেশের প্রায় সকলেই আওয়ামি লীগ করতেন। এখন কেন করছেননা, তা আওয়ামি লীগকেই বের করতে হবে।
আমাদের দেশের প্রায় সকল সরকারই ব্যর্থ। অনেক ব্যর্থতার মাঝে শিক্ষা, সন্ত্রাস ও পরিবেশ রক্ষায় বিএনপি যে অবদান রেখেছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
জঘন্য হত্যাকান্ড যা ঘটেছে এবং সে বিষয়ে পুলিশের রিপোর্ট যেভাবে ১০০% টার্ণ নিয়েছে, তা অত্যন্ত সন্দেহজনক। বিডিআরে যা ঘটলো সে ব্যাপারে কি বলবেন। আমার মনে হয় কোন একটি ব্যাপারেই মূল ঘটনাটি আমরা আজো জানিনা। ২৮/১০ এ যা ঘটেছে তা নিন্দা করে শেষ করা যাবেনা। এ ধরনের জঘন্য ঘটনা প্রত্যক্ষ করায় আমি মানুষ হিসেবে অপমানিত বোধ করছি।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:২৯
নাজনীন১ বলেছেন: আমি চাই না যে এদেশের সবাই আওয়ামী লীগ করতে বাধ্য হোক। আগেও সবাই আওয়ামী লীগ করেনি কখনো, এমনকি স্বাধীনতার আগেও না।
আর ২৮/১০ এর ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং অপমানিত বোধ করা থেকে সহজেই আপনার পরিচয় নির্ণয় করা যায়। আমিও সে ঘটনার নিন্দা জানাই, প্রায় মৃতপ্রায় মানুষের উপর লাফানোর দৃশ্য অনেক বীভৎসই। তবে ২১শে আগস্টের ঘটনাটা আগের এবং তখনো সুষ্ঠ বিচার হয়নি সে ঘটনার, এ ব্যাপারটাও আপনাদের মাথায় রাখতে বলি।
তবে সে সাথে ঠিক ঐ সময়ে যখন ছাত্রলীগের সভা তখন শিবিরের ছেলেদের সেখানে কি কাজ ছিল সেটাও পরিষ্কার হওয়া দরকার। শিবিরদের মিটিং কিন্তু বিকেলে ছিল, আর তারা ওইদিন আগ বাড়িয়ে প্রথমে আক্রমণ না করলেও শিবিররাও বাই ডিফল্ট কম কট্টর না।
আর একদলের সমালোচনা মানে অন্য দলের খারাপ কাজকে
প্রশয় দেয়া নয়, এটা বুঝবেন অবশ্যই।
আর একদলের উপর আস্থা হারানো মানেও অন্য দলে ভিড়ে যাওয়া নয়।
৩৫|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৩৮
প্রবাসী১২ বলেছেন: অবজেকশন ম্যাডাম। ২৮/১০ এ আমি প্রত্যক্ষদর্শী ছিলামনা। টিভি নিউজে দেখেছি। কোন রাজনৈতিক মঞ্চের সাথে আমার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ নেই। সবার ভাল কাজগুলো ভাল লাগে, মন্দগুলো মন্দলাগে। পরবাসে বসে এরচে' বেশী কিইবা করার আছে।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৪২
নাজনীন১ বলেছেন: দুঃখিত, "এ ধরনের জঘন্য ঘটনা প্রত্যক্ষ করায় ..." এ কথাটার আমি ভুল মানে বুঝেছি।
৩৬|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৪
পারভেজ আলম বলেছেন: আপনি জাসদকে মনে করেন আওয়ামীলীগের বিরোধী শক্তি! সেই জন্যই মনে হয় ৩০ হাজার জাসদের রক্ত দিতে হয়েছিলো মুজিব বাহিনীর হাতে। যার নেতৃত্ব দিয়েছিলো শেখ মনি।
আমি পরিস্কার না আপনি ঠিক কি বললেন। বিষ্ময়বোধক চিহ্ন আসলো কেন? জাসদ অবশ্যই পচাত্তর পর্যন্ত আওয়ামীলীগ বিরোধি সবচেয়ে প্রগ্রসর শক্তি ছিল।
সিপাহী বিপ্লবের ইতিহাস জানা আছে। কর্ণেল তাহের কেনো জিয়ার মুক্তির পর ৪ ঘন্টা ধরে জিয়ারে রেডিও স্টেশনে নেওয়ার জন্য জোড়াজুড়ি করেছিলো?
আপনার প্রশ্নে কিঞ্চিত সমস্যা আছে। আর উত্তর দিতে গেলেও পোস্ট দিতে হবে, ছোট মন্তব্যে অসম্পূর্ণ থাকবে উত্তর, বিভ্রান্তীকরও হতে পারে।
তৃতীয় শক্তির জন্য আপনে কি করছেন সেটাও খুব জানতে ইচ্ছে করে। কারন আমি বিশ্বাস করি বিধ্যমান এ অবস্থা থেকে বের হতে তৃতীয় শক্তির কোন বিকল্প নাই।
আমি ব্লগে সাধারণত আমার রাজনৈতিক ধ্যান ধারণা এবং কাজকর্ম নিয়ে খুব কমই আলোচনা করি, বেশকিছু কারণেই। তাই এই মন্তব্যের জবাবে কিছু বলা সম্ভব হলো না। আমি যেই যেই ক্ষেত্রে ভুমিকা রাখতে পারে সেইসব ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছি। আমি আওয়ামীলীগ এবং বিএনপির ধ্বংস চাই, সেইক্ষেত্রে বর্তমানে প্রচলিত রাজনৈতিক চর্চার বিলুপ্তি। এই ধ্বংসের মধ্য দিয়েই পজিটিভ কিছু গড় উঠবে, এইটা বিশ্বাস করি। ক্রিটিকাল এনালিসিস এক পর্যায়ে আপনাকে সমাধান খুঁজতে বাধ্য করবে।
আজকে রাতে সময় পেলে একটা মজার পোস্ট দেবো। দেইখেন।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭
নাজনীন১ বলেছেন: বিএনপির সমর্থকরা ৭২-৭৫ এর ইতিহাস অনেক একতরফা জানে, আমিও এককালে সেরকম জানতাম। বড় হয়ে নিজের আগ্রহে নানা দিক থেকে জানার চেষ্টা করেছি, তাও যে সব জানি তা না।
৩৭|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:০০
এইচ এম বাশার বলেছেন: শেখ হাসিনা নামে যে কেউ বাংলাদেশে আছেন এটা আমি ৯০ এর গণআন্দোলনের আগে কখনো জানিনি, শুনিইনি কখনো
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৫
নাজনীন১ বলেছেন: আপনারও কি একই অভিজ্ঞতা, সহমত প্রকাশ করলেন, নাকি অবাক হইলেন, কিছুই বুঝলাম না? ![]()
৩৮|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:০৫
আকাশের তারাগুলি বলেছেন: ঘটনাকে বিশ্লেষন করলেই বুঝা যায়, এবং এটাই সত্যি।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯
নাজনীন১ বলেছেন: আমরা প্রেডিক্ট করতে পারি, নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারি না। হতে পারে টাইপ কথা বলাটা বেশি নিরাপদ নয় কি?
এখন যদি গোয়েন্দাওয়ালারা আপনাকে সাক্ষী হিসেবে ডাক দেয়, যেহেতু আপনি নিশ্চিত জানেন, তাহলে কি করবেন? ![]()
৩৯|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫৪
পাখা বলেছেন: আও্য়ামী লিগ, বিএনপি, জামাত, জাতিয় পাটি,সামরিক ব্যাক্তি, বিভিন্ন আমলা-সচিবগন, বন্ধু রাস্ট্ররা..এই সকল চোরের গং বার বার বাংলাদেশকে ধর্ষণ করে যাচ্ছে....
আর অন্ধ ও ম্যাংগো পাবলিক খাই না খাই লাফাচ্ছে....
দোষ ধর্ষকের নয়- দোষ অন্ধ ও ম্যাংগো পাবলিকের বার বার ধর্ষণের সুযোগ করে দিচ্ছে....
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৮
নাজনীন১ বলেছেন: মুখ খারাপ না করেও আমরা প্রতিবাদ করতে পারি, সমালোচনা করতে পারি।
৪০|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬
সিউল রায়হান বলেছেন: ওরে বাপরে......... এত স্ট্রং শিরোনাম খুব কম দেখেছি আমি ব্লগে....... অসাধারণ.... আমার তো মনে হয় শিরোনামেই সব বলা হয়েছে......
পোস্টের কথাগুলির সাথে একমত...... বিএনপি নিজেও জানে না কিভাবে আমাদের মত নতুন ভোটারদের মন জয় করতে হবে..... কোকো মরে কি বাঁচে আই ডোন্ট কেয়ার..... আমার বাসায় কারেন্ট থাকে নাকি সেটা আমি কেয়ার করি......
যাই হোক, এটা নিয়ে বিস্তারিত কিই আর বলব....... পোস্টেই খুব চমৎকার লিখেছেন আপু..... প্লাস ![]()
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪০
নাজনীন১ বলেছেন: ধন্যবাদ সিউল। হ্যাঁ, নেতা-নেত্রীরা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপারের চেয়ে দেশকে বড় করে দেখবেন, এটাই প্রত্যাশা আমাদের।
৪১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: ইদানিং ব্লগের রাজনৈতিক আলোচনাগুলো এভয়েড করি। আমার কমন্টের জবাবে যা বলেছেন সেটার একটা জবাব দেয়া বাঞ্ছনীয় মনে করছি।
আপন বলেছেনঃ
হাসিনার কিছু কিছু আচরণ মেকি মেকি লাগে আমার কাছে, যেটা আপনার দৃষ্টিতে অমায়িক, আন্তরিক। আর জিহবা তো মাশাল্লাহ্।
হ্যা, হাসিনা ক্ষেত্র বিশেষে তার অভিনয় প্রতিভার প্রদর্শন করেন। তবে বলতে বাধ্য হচ্ছি হাসিনা সম্পর্কে আপনার ধারনা খুবই বড় রকমের ভুলে ভরা। হাসিনার মধ্যে আমি সাধারণ অন্য দশজন মানুষের মত দোষ, গুণ খুঁজে পাই।
এসএসএফের যে ছেলে মেয়েগুলো দিন রাত ২৪ ঘন্টা হাসিনার জীবন রক্ষার কাজ করে যাচ্ছে, হাসিনা তাদের প্রত্যেকের নাম জানেন। গাড়ীতে বসে ড্রাইভার (এসএসএফ ক্যাপ্টেন)- এর টুকটাক গল্প করতে করতে থাকেন। এমনও দেখা যায়, হয়ত কোন একজন অফিসার এক মাস পরে ডিউটিতে এসেছে (রোস্টারের কারনে), হাসিনা জিজ্ঞেস করেন, 'এই তুমি এতদিন কই ছিলে?'
তার স্টাফদের কারো হয়ত বিয়ে, হাসিনা ঠিকই উপহার পাঠান। বিদেশে যেসব এডিসি, এসএসএফ এজেন্ট তার সাথে যায়, তারা ডিউটির কারনে শপিংয়ের সুযোগ পায় না। হাসিনা তাদেরকে টাকা দিয়ে বলেন বৌ ছেলে মেয়ের জন্যে কিছু কিনে নিয়ে যেতে।
নিজের সময়ের ডিজি, এসএসএফ ছাড়া খালেদা কারো সাথে কথা বলেছেন, কারো নাম জানেন এমন কোন নজীর নেই। তার এডিসিগুলোর নামও খালেদা বলতে পারবেন না।
আমার এক চাচা কিছু দিন আগে হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সকালে গিয়েছেন, কিন্তু বিকেলে সাক্ষাত পেয়েছেন। রুমে ঢুকতেই হাসিনা বললেন, 'চাচা, এত দেরী করে আসলেন যে?'
চাচা জবাব দিয়েছেন, 'আসছি তো সকালেই, তোমার অফিসাররা তো ঢুকতে দিল না।' আমার এই চাচা আওয়ামী লীগের জেলা পর্যায়ের নেতা। নেতা প্রায় ৮৫।
খালেদাকে বাংলাদেশে কেউ নাম ধরে ডাকতে পারে? কেউ তুমি করে কথা বলতে পারে? নিজ দলের জেলা পর্যায়ের নেতা সে যত মুরুব্বীই হোক না কেন তুমি করে বলা সম্ভব?
খালেদার সাথে দুপুরে গেলে বিকেলে সাক্ষাত করা সম্ভব?
আর খালেদা না বুঝলে চুপ থাকে, উলটা পালটা কথা বইলা জনগণের মেজাজ খারাপ করে না। আপনি যেটাকে দাম্ভিক ভাবছেন, আমি সেটাকে ইন্ট্রোভার্ট মনে করি।
খালেদা সম্পর্কে কথা বলতে আমি খুব বিব্রত বোধ করি। তিনি জগতের ঠিক কোন বিষয়ে জ্ঞান রাখেন যে বিষয়ে কথা বলতে পারবেন? তিনি কি একটি বাক্যও নির্ভুলভাবে বলতে পারেন? তার যে কোন একটি বক্তৃতার ভিডিও দেখবেন। বাক্যগুলো খেয়াল করবেন। তার প্রতিটি বাক্য অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
তার তো কথাই বলা উচিত না।
একটা ঘটনা স্মরণ করিয়ে দেই, একবার আমাদের এক নেত্রীকে সমালোচনা করায় প্রতিপক্ষ সংসদ সদস্যদের দিকে তিনি আঙ্গুল তুলে বলেছিলেন, 'চুপ বেয়াদব.....'। ঘটনাটা সংসদে ঘটেছিল। সালটা ১৯৯৬।
নেত্রীর নামটা বলতে পারবেন?
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৭
নাজনীন১ বলেছেন: আপনার প্রত্যক্ষ অনুভূতির সাথে আমি তর্কে যেতে চাচ্ছি না, সেই সুযোগও নেই।
কিন্তু খালেদা যাকে ঐ মন্তব্য করেছিলেন, তিনি কি রকম বাজে মন্তব্য করেছিলেন সেটা কি আপনার জানা আছে? ঐ ঘটনা আমার নিজ কানেই রেডিওর সংসদ অধিবেশনের অনুষ্ঠান থেকে শোনা আছে।
আপনি কাউকে অপছন্দ করতে পারেন, তাই বলে প্রতিপক্ষ কারো চরিত্র নিয়ে এতো বাজে কথা বলা, তাও সংসদের মতো জায়গায় দাঁড়িয়ে, এটা কতটা শোভনীয় সেটাও ভেবে দেখবেন।
আর কাকে আদালত সতর্ক করেছিলেন তার অসতর্ক কথার জন্য সেটাও নিশ্চয়ই আপনার জানা আছে।
৪২|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩
রাজসোহান বলেছেন: পারিবারিক ভাবে আমার পরিবারও বিএনপি সাপোর্ট করে আর আওয়ামীলীগকে দেখতে পারে না ওই ৭৪ এর দুর্ভিক্ষই এর কারন । কিন্তু আজকাল বাবাকেও আর ওভাবে বিএনপিকে সাপোর্ট করে কথা বলতে দেখা যায় না
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩
নাজনীন১ বলেছেন: আমাদের পরিবারে যারা সরকারী চাকরী করেন তারা আসলে সেভাবে কোন দলের পক্ষেও না, আবার বিপক্ষেও না, তাই আমার বাবার মনোভাব যেকোন দলের ব্যাপারে "নো কমেন্টস"। তবে ভোট দেন নিজের পছন্দের দলকে। সেটা নিয়ে বেশি আলোচনা করেন না। মূলত আমরা যারা ছাত্র-ছাত্রী বা অন্যান্য জব করি, তারাই নানারকম আলোচনা করি আর কি!
৪৩|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: দেখেন, রাজনৈতিক বিতর্ক করতে চাইলে অনেক কিছুই বলা যায়। দুই নেত্রীর কেউই ধোঁয়া তুলসি পাতা না।
আদালত আরো অনেকের সম্পর্কেই অনেক কঠোর মন্তব্য করেছেন, সেটা আলোচনায় আনতে চাই না।
দুই নেত্রীই একনায়কতন্ত্রে বিশ্বাসী। নিজ নিজ দলে কেবলমাত্র তারা দুজনই বক্তা, অন্যরা শ্রোতা এবং নেত্রীর বক্তব্যের বাধ্যতামূলক অনুমোদনকারী।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সম্পর্কে চমৎকার একটি তুলনামূলক আলোচনা করেছেন হুমায়ুন আজাদ, তার 'আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম' বইটির শেষের দিকে। পড়ে দেখতে পারেন।
দুই দলের কোনটিতেই গনতন্ত্র নেই। নেত্রীরা অন্যের মতামত নেয়ার প্রয়োজন মনে করেন না। তবে হাসিনা প্রেসিডিয়ামের মিটিং কল করেন, আলোচনা করেন এবং অবশেষে নিজের সিদ্ধান্ত কমিটি দ্বারা অনুমোদন করিয়ে নেন।
খালেদা'র কোন অনুমোদন লাগে না। সেটার প্রয়োজনীয়তাও তিনি অনুভব করেন না। তার দল তাই টানা ১৩ বছর স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং ডাকেনি। ১৩ বছর কাউন্সিলও হয়নি।
হাসিনা ২০১০ এর আগে প্রতি কাউন্সিলে অন্তত মুখে বলেছেন, 'আমি আর সভানেত্রী থাকতে চাই না, আপনারা আপনাদের নেতা নির্বাচন করুন'। খালেদা ভুলে, মুখ ফস্কেও কোনদিন এইসব কথা বলেন না। বরং সাইফুর রহমান যখন তাকে তারেককে রাজনীতিতে না আনার অনুরোধ করেছিলেন, তখন তাকে ধমকে দিয়ে বলেছিলেন, 'এদেশে জিয়াউর রহমানের ছেলে রাজনীতি করবে না একথা ভাবলেন কি করে?'
আসলে শিক্ষিত ও অশিক্ষিতের প্রভেদ বড় দুরতিক্রম্য।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১৬
নাজনীন১ বলেছেন: ভাইজান, এ পোস্টটা তো বিএনপির সমালোচনা করেই লেখা হয়েছে, এখন আপনি আবার তূল্য আলোচনাও চাচ্ছেন? ![]()
৪৪|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০১
পারভেজ আলম বলেছেন: ওহ, ভাল কথা। আপনের এই দিকটা আমার জানা ছিল না। আপনে যে এত স্ট্রং রাজনৈতিক লেখা লিখতে পারেন এই বিষয়ে আমার কোন ধারণা ছিল না। আপনার ব্যাপারে ধারণা আরো খানিকটা পরিবর্তন হইল। আপনি আপনের লেখার বিষয়বস্তু বাড়াইতে থাকেন। আপনের জন্যও ভালো হবে, আমাদের জন্যেও। হেটস অফ।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১৯
নাজনীন১ বলেছেন: :#> জানবেন ক্যাম্নে? লিখলামই তো এ প্রথম। আজকের পত্রিকায় বিএনপির নিউজ দেখে আর ধৈর্য রাখতে পারলাম না। অনেকদিন ধরেই বিরক্ত হচ্ছিলাম।
এরপর আবার কবে লিখবো, কে জানে! আবার কোনদিন চেততে হইবো। ![]()
৪৫|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৩৪
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: পারভেজ আলমের সাথে একমত। লিখতে থাকেন। রাজনীতি নিয়ে ভালো ভালো আলোচনা দরকার আছে।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩৭
নাজনীন১ বলেছেন: ![]()
৪৬|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫৮
বিবর্তনবাদী বলেছেন: একটা সিস্টেমের ভিতরে চলতে থেকে তার বিরোধী মানসিকতা কিভাবে গড়ে তোলা সম্ভব? মুজিবের আগে তো তার বাবা ছিলেন না, জিয়ার আগেও না। উনাদের মতো লোকের এতো আকাল কেন আমাদের এই ২০ কোটি মানুষের দেশে। মনে হয় দেশে একবার জরুরী পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেই তবে হয়তো ধাক্কা খেয়ে নতুন কোন নেতা আসতে পারে।
আর রাহুলের কথা এনেছি কোকোর প্রসঙ্গ ধরে। তা না হলে রাহুলকে আমার তেমন কোন রাজনৈতিক ফিগার মনে হয় না। এর চেয়ে মনমোহন সিং কেই আমার অনেক ভালো লাগে।
আর ভোট? একবার যদি ৯৫% "না" ভোট দেয়া যেত আমাদের কোন জাতীয় নির্বাচনে, সবকয়টাকে বয়কট। কত অপচয়ই হয় আমাদের দেশে, একবার না হয় পর পর দুইবার নির্বাচন হলো। এরকম তো ৯৬তেও হয়েছে।
এসবই আবেগী বাস্তব ভিত্তিহীন কথা বার্তা। এসবের কোন ব্যবহারিক গুরুত্ব নেই। যদিও আমরা এগুলোই সারাদিন কপচাচ্ছি।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪০
নাজনীন১ বলেছেন: জ্বী ভ্রাত, আসলেই আবেগ! তবে আমি আবার "যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলরে" নীতিটাইপ। তাই আমি এবারও "না" ভোটের পক্ষে ছিলাম, ক্যাম্পেইন করেছি আমার কাছের গন্ডিতে, সফলও হয়েছি। পরের বার খুব দৈবাৎ ঘটনা না ঘটলে মনে হয় একই স্ট্যাটাসে থাকবো। দোয়া রাইখেন।
৪৭|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৪
শয়তান বলেছেন: জমজমাট আলোচনা ।
তবে বিএনপি কিন্তু এখন কোরামিন দিয়া চল্তাছে
আল্টিমেটলি জামাতিরাই বিএনপি রান করবো । এই তো ধরেন আর বছর পাঁচেক সময় । এরপর আপনার আদি বিএনপি বৈলা কিছুই থাক্বো না ।
এনিওয়ে পোস্ট পর্যবেক্ষনে রাখলাম
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৩
নাজনীন১ বলেছেন: আলোচনা তো প্রায় শেষ হইয়া গেল।
জামাত বিএনপি চালানোর আগে জামাতের অস্তিত্ব থাকবে তো, নাকি সেটাও ফুট্টুস হইয়া যায়। আমার মনে হয় বিএনপি-জামাত দুইদল মিলে একদল হয়ে যেতে পারে, তাহলে যদি কিছু হয়!
আর বিএনপি তো আপনের আছিলো!
৪৮|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৫
শয়তান বলেছেন:
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ধ্বজভঙ্গ বিএনপি ;
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৬
নাজনীন১ বলেছেন:
কত কষ্ট আর ক্ষোভ থেকে এই পোস্ট লিখলাম, আর আপনি হাসেন। ![]()
৪৯|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৫
রাতমজুর বলেছেন: আমি কৈ যামু? আমি নির্দলীয়।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৭
নাজনীন১ বলেছেন: আমি আর আপনি একদল, "না" ভোট পার্টি, রাজী আছেন? থাকলে হাত তোলেন।
৫০|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৮
পারভেজ আলম বলেছেন: আমার ব্লগে আইসেন। নয়া পোস্ট দিছি।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১২
নাজনীন১ বলেছেন: আচ্ছা যাবোনে। কিন্তু আপনি আমারে ঠিক কতটা জ্ঞানী ভাবতাছেন ...!!?? আমি আপনাদের মতো এতো পড়ি না। ![]()
৫১|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫০
রাতমজুর বলেছেন: গতবার দুই দিনের ক্যামপেইনে মফস্বলে হাজার কুড়ি না ভোট তুলছি ![]()
মানুষে কয় ভোট নষ্ট হবে "না" সিল দিলে, আমরা কই একটা না ভোট মানে একটা রাম থাবড় ![]()
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৪
নাজনীন১ বলেছেন: খাইছে! বিশাল পারফরমেন্স! আমি কেবল আমার পরিবারের নয়া ভোটারদের আর ফ্রেন্ডদের মোটিভেট করেছি।
৫২|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:১৬
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপনার পোস্টটা কিছুটা দেখলাম। খুব যে একমত, তাও নই। যদিও খুব বেশী বাক্য খরচ করার ইচ্ছাটুকুও আমার নেই।
এ দেশে যেহেতু "নেগেটিভ" পলিটিক্স না করলে ক্ষমতায় যাওয়া যায় না, বস্তুত সেটাই ক্ষমতায় যাবার একমাত্র পথ - সেজন্যেই বিএনপি এভাবে সংসদ বর্জন করেও টিকে থাকতে পারে, কিংবা ফালতু দাবী দাওয়া জুড়ে দিতে পারে। এ দেশে ক্ষমতায় যাওয়ার মূল যোগ্যতা যে লগি বৈঠা দিয়ে রাস্তায় মানুষ পিটিয়ে মারা - সেটা আশাকরি এতদিনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপিও এদেশেরই একটি রাজনৈতিক দল। তাই তাদের কাছে দায়িত্বশীলতা আশা করা বোকামী।
একজন বিএনপি সমর্থককে আমি একবার জিজ্ঞেস করেছিলাম, পনেরই আগাস্টে খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠানকে তারা কি করে সমর্থন করে থাকে। এমন তো নয় যে, বিএনপির কর্মী সমর্থকরা বিবেকহীন, হৃদয়হীন প্রানী। অন্তত আমি যাকে প্রশ্ন করেছিলাম, সে যে বিবেক সম্পন্ন সুবিবেচক তাতে আমার কোন সন্দেহ ছিল না। জবাবে সে স্বীকার করেছে যে এটা নেগেটিভ পলিটিক্স এবং আগামী বাংলাদেশ এই নেগেটিভ পলিটিক্সকে আস্তাকুড়ে ছুড়ে ফেলবে। তবুও এই জন্মদিন পালনকে তারা তাদের প্রতি আওয়ামী সরকারের সবরকম অসহিষ্ণুতা, অন্যায় এবং অবিচারের প্রতিবাদ হিসেবে দেখে। দায়িত্বশীলতা এক পক্ষের হতে পারে না।
একমাত্র বাংলাদেশের মানুষই বিএনপি বা অন্য সব রাজনৈতিক দলকে সঠিক ভাবে পরিচালিত হতে বাধ্য করতে পারে। সাধারন আম মানুষের দায়বদ্ধতাই সেকারনে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ববহ।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০৪
নাজনীন১ বলেছেন: এই বিরোধী দলের সংসদ বর্জনের উপর এক ধরণের শাস্তির বিধান যদি করে দেয়া যেত...
আর লগি-বৈঠা একা একা যোগ্য হয় না, পূর্বেকার সরকারের ব্যর্থতার কারণে জনপ্রিয়তা হারানো আর বিদেশী শক্তির চাহিদা পূরণে রাজী, নির্বাচনে জনগণকে নতুন কোন আশা দেখাতে না পারা -- এসব মিলেই লগি-বৈঠাকে সফল হতে সাহায্য করে। তা না হলে তাদের খুব সহজেই বর্জন করা যেত।
খালেদা জিয়ার জন্মদিন গত বিএনপি সরকারের আমলেও হয়েছে, সে সময়ে অসহিষ্ণুতা, অন্যায়, অবিচার একথাগুলো বিএনপি সরকারের ঝোলাতেই ছিল।
অবাক লাগে এদেশে এক পক্ষ ১৫ই এবং ২১শে আগষ্টে কান্নাকাটি করে, তাদের কাছে ২৮শে অক্টোবর কোন অর্থ তৈরী করে না। আরেকপক্ষ ২৮শে অক্টোবর কান্নাকাটি করে, তাদের কাছে ১৫ই বা ২১শে আগষ্ট কোন অর্থ তৈরী করে না, এদের মাঝে কেউ কেউ আবার ৭১-এর ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে ভুলে যেতে বলে। তাই তো বীতশ্রদ্ধ হয়েছি বাংলাদেশের রাজনীতির উপরে।
হ্যাঁ, যদি দেশের প্রতিটি জনগণ যার যার অবস্থানে থেকে নিজ দায়িত্বে "নেগেটিভ" রাজনীতিকে অনাস্থা জানায়, কোনভাবেই কোন দলের "নেগেটিভ" আচরণকে জাস্টিফাই না করে, তাহলেই কেবল এদেশ থেকে "নেগেটিভ" রাজনীতির পতন হতে পারে।
৫৩|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫০
বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন: ছাত্রদল খায় না মাথায় দেয় জানি না - হি হি হি
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৩২
নাজনীন১ বলেছেন:
![]()
৫৪|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৬
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: বিরোধী দলের সংসদ বর্জনের উপর আইনী বাধ্য বাধকতা দিয়ে কোন লাভ হবে - এটা আমার বিশ্বাস হয় না।
আর লগি বৈঠাকে আমি ক্ষমতায় যাবার মূল যোগ্যতা বলেছি, একমাত্র যোগ্যতা নয়। কারন লগি বৈঠার তোড়ে যে সরকার ক্ষমতা নিয়েছিল সে সরকারের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায়ই ক্ষমতার হাত বদল হয়।
গত জোট সরকারের আমলে দুর্নীতি অবশ্যই হয়েছে, সুশাসন ছিল - এমন দাবীও কেউ করবে না। কিন্তু নানা দিক দিয়ে উন্নয়ন যে হয়েছে, তার স্বীকৃতিও কখনও কাউকে দিতে দেখা যায় না। যতদিন পজিটিভ পলিটিক্সকে স্বীকৃতি দিতে আমাদের কুন্ঠা থাকবে, ততদিন নেগেটিভ পলিটিক্স থেকে মুক্তি পাবার সম্ভাবনা সুদূর পরাহত।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫
নাজনীন১ বলেছেন: জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের ভাল করার জন্যই ক্ষমতাতে যান, তাদেরকে ক্ষমতা দেয়া হয়, এটা বাই ডিফল্ট কথা। এর জন্য আলাদা স্বীকৃতির খুব দরকার হয় না।
কিন্তু যখন নেতারা ভালটা না করে খারাপটা করেন, তখনই আমাদের সেটা পয়েন্ট আউট করতে হয়, প্রতিবাদ করতে হয়, সতর্ক করতে হয় সরকারকে যে এ কাজটা তাদের করার কথা ছিল না। ঠিক হচ্ছে না।
আচ্ছা, আপনি বলুন তো, গত টার্মের বিএনপি সরকার কতটা জনমুখী ছিলেন? আপনি যদি সরকারকে রাষ্ট্রীয় কোন একটা কাজে পরামর্শ দিতে চাইতেন, সে সুযোগ আপনার কতটুকু ছিল?
আবার সমাজকল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে যিনি ছিলেন তিনি একজন ইসলামপন্থী দলের নেতা ছিলেন? বলেন তো সমাজের কতটুকু গুণগত পরিবর্তন তিনি আনতে পেরেছেন? এই যে পতিতাবৃত্তি মতো মানবেতর পেশার নারীদের পুনর্বাসনের জন্য কি কি করেছেন? ইভ টিজিং-এর ফলে যে বিভিন্ন সময়ে কিশোরীরা আত্মহত্যা করেছে, সেটা বন্ধে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন? জামাআতের পক্ষ থেকে দুজন মন্ত্রী ছিলেন। আমাদের সমাজে ধর্মীয় পেশায় (ইমাম, মুয়াজ্জিন, মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র) যে লোকগুলো আছেন তাদের সামাজিক অবস্থার পরিবর্তনে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন?
প্লীজ এর মাঝে আওয়ামী লীগ এখন কি কি করছে তা টেনে আনবেন না। বিএনপি ওই সময়ে এসব ক্ষেত্রে কি কি করেছে সেগুলো একটু বলবেন প্লীজ।
৫৫|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:৩৬
রোবোট বলেছেন: পোস্ট মোটামুটি পড়লেও কমেন্ট সব পড়া সম্ভব হৈল না।
আপনারে কেউ ভাজাকার/ভাকুর/বাকশালী/নাস্তিক (খ্যাক খ্যাক কৈরা গা জ্বালানি হাসির ইমো হবে) কৈল না কেন বুঝলাম না। ব্লগের ছা_রা কি করে? আপনিতো অনেকরকম ট্যাগ পাইসেন ব্লগে। এগুলা কেউ দিলে আপনার বলগীয় জীবন স্বার্থক হৈ্ত। (আবারো খ্যাক খ্যাক কৈরা গা জ্বালানি হাসির ইমো হবে)
পোস্ট ভালো হৈসে। কমেন্টে অনকে নাম দেখে নিরমোহ আলোচনার আশা করছি।
বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি-আওয়ামী লীগ কে যে বেশী খারাপ এটা একটা ভাবনার বিষয়।
লেইট ৭০র পর থেকে আমার দেখা সেরা পলিটিক্যাল (তত্বাবধায়করা বাদ) সরকার ৯১-৯৬ আর সবচেয়ে খারাপ ২০০১ থেকে এখন পর্যন্ত। যায় দিন ভালো আসে দিন খারাপ। (তবে সব গুলারই মার্ক ৩৩ এর কম)
ছায়া বাজেট দেখে খুব খুশী হয়েছিলাম। তারপর যেইকে সেই।
আমার ধারণা জিয়া-খালেদার আত্নীয়রা ছাড়া যদি বিএনপিকে চলতে দেয়া হত, তাহলে একটা গ্রহণযোগ্য সেন্টার-রাইট দল পাওয়া যেত।
হাসিনা- খালেদা মূল্যায়ন নিয়ে দূরন্তর সাথে ১মত। এটা আমি নন বিএনপি-আলীগ যারা দুজনের কাছে গিয়েছে তাদের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে বলছি।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১০
নাজনীন১ বলেছেন: হায় হায়! আপনার খ্যাক খ্যাক হাসি শুনে তো আমার গা জ্বললো না।
যারা আমাকে নানারকম ট্যাগিং দিয়েছে, তারা ইতিমধ্যে বুঝে গেছে যে আমি কি পরিমাণ বেহায়া! কোনকিছুই গায়ে মাখি না, বরং ট্যাগিং করতে করতে তারাই টায়ার্ড।
আসলে পারিবারিকভাবেই একটা এন্টি-আওয়ামী মনোভাব কাজ করে আমার ভিতরে। তাই আওয়ামী লীগ কোন খারাপ কাজ করলে আমার মনে হয় এটাই স্বাভাবিক, এটাই ওদের করার কথা। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে ঐরকম কিছু করা হলে খুব মেজাজ খারাপ লাগে। এখনো বোকার মতো বিএনপির কিছু গুণগত পরিবর্তন আশা করি।
এটা তো ঠিক যে বর্তমান আওয়ামী সরকারের কিছু কিছু ব্যাপারে আচরণগত পরিবর্তন এসেছে। কিছুটা হলেও জনমুখী হবার একটা চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। তারা মিডিয়ায়, ব্লগে বিভিন্ন রকম আলোচনারগুলোর কিছুটা খোঁজ-খবর রাখছেন বলেই মনে হয়। সরকারের অনেক কার্যক্রমই এখন খোলামেলা, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।
বিএনপিরও উচিত আরো বেশি জনমুখী হওয়া, নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থগুলোকে আরো খাটো করে দেখা। বিরোধী দল হিসেবে সরকারের নানা কাজে যুক্তি-তর্ক-আলোচনা-সমালোচনার মাধ্যমে একটা জোরালো অবস্থানে যাওয়া। ছায়া বাজেট দেখে আমিও আশান্বিত হয়েছিলাম। কিন্তু এরপরই হতাশা!
বিএনপিতে বর্তমানে আমি কোন নেতাই দেখি না। এতো বছরের একটা দল, অথচ তেমন কোন সংখ্যক প্রমিনেন্ট নেতা নেই। সিনিয়র কিছু যারা ছিলেন তাদের কেউ কেউ মারা গেলেন, কেউ কেউ দল ছেড়ে গেলেন। এদের দলে ফিরিয়ে আনারও কোন পদক্ষেপ দেখি না বিএনপির পক্ষ থেকে। কেমন যেন ঝিমানো সব কিছু। বিভ্রান্ত।
৫৬|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৯
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "কিন্তু যখন নেতারা ভালটা না করে খারাপটা করেন, তখনই আমাদের সেটা পয়েন্ট আউট করতে হয়, প্রতিবাদ করতে হয়, সতর্ক করতে হয় সরকারকে যে এ কাজটা তাদের করার কথা ছিল না। ঠিক হচ্ছে না। "
মানে, আপনি বলতে চাইছেন তাদের ভাল অবদান গুলোর স্বীকৃতির খুব একটা প্রয়োজন নেই। কিন্তু ব্যর্থতা গুলো নিয়েই পয়েন্ট আউট করা উচিত।
আমি ঠিক এখানেই মন্তব্য করতে চেয়েছি। এদের সফলতার মূল্যায়ন না করে শুধু ব্যর্থতার লেবেল গায়ে এটে দিলে নেগেটিভ পলিটিক্সের এই চক্র থেকে বের হওয়া যাবে না। বিএনপি যদি দায়িত্বশীলতা দেখায়, তবে তার মূল্যায়ন না হবার সম্ভাবনাই বেশী। সেক্ষেত্রে নেগেটিভ পলিটিক্সের দিকে তারা ঝুকতে চাইবে।
বিগত জোট সরকারের আমলেই দেশ সম্ভবত সবচেয়ে বেশী এগিয়েছে। আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনি এটা জানেন না। মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তির এখন এই মুহুর্তে যে বেহাল অবস্থা, তাতে সরকার না থাকলেও বোধকরি এতটা খারাপ হত না। যেহেতু সফলতার মূল্যায়ন এ দেশে খুব একটা প্রয়োজন নেই, তাই এসব নিয়ে কথা বলা অবান্তর।
নেগেটিভ পলিটিক্সের চক্র থেকে বের হতে হলে আগে আম জনতাকে ঠিক হতে হবে। তার ফলে রাজনৈতিক দলগুলো ঠিক হতে বাধ্য হবে। আমার মনে হচ্ছে না যে, আম জনতা এখনও এর জন্যে প্রস্তুত।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৭
নাজনীন১ বলেছেন: যেকোন সরকার যখন একটু ভাল কাজ করে তখন তারা আর তাদের চাটুকারেরাই তো তাদের ঢোল পেটাতে থাকে। গত সরকারের আমলে খালেদা জিয়ার "দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাচ্ছে " --- এ কথা শুনতে শুনতে তো কান ঝালাপালা হয়ে গেছিল, আর বলেন উনাদের সুকীর্তি কিছুই জানি না?
মধ্যপ্রাচ্যের জনশক্তির বেহাল দশার পিছনে জামাআতেরও কিছু কারসাজি আছে, এটা মনে হয় আপনি জানেন না? ঠিক মুক্তিযুদ্ধের পরে সৌদি যেমন বাংলাদেশকে সাহায্য করেনি...
আর গত বিএনপি সরকারের আমলে মালয়েশিয়াতে শ্রমিকদের মানবেতর অবস্থা , এছাড়া নানা ব্যবসায়িক কাজে যেসব বাংলাদেশীরা মালয়েশিয়ায় ইনভেস্ট করেছিল, তারাও নানাভাবে প্রতারিত হয়েছিল, এটাও মনে হয় আপনার জানা নেই।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০৯
নাজনীন১ বলেছেন: আপনার প্রথম কমেন্টের জবাবেও তো সেই আমজনতার কথাই বলেছি। ওই কমেন্টের শেষ প্যারার বোল্ড করা অংশটুকু কাইন্ডলী আরেকবার পড়ুন। ধন্যবাদ উম্মু বার বার আপনি আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন বলে। এতে করে আরো কিছু কথা বলা যাচ্ছে যা পোস্টে বলিনি।
৫৭|
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২১
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপনি বা অন্যরা শুনতে চান না বলেই কান ঝালাপালা হয়ে যায়। দুঃখজনক হল বিশ্ব ব্যাংক বা ঐ জাতীয় প্রতিষ্ঠান গুলো যখন এসব তথ্য দেয়, তখনও আমাদের কান ঝালাপালা হয়ে যায়। আমরা এসব শুনতে চাইনা কারন জাতি হিসেবে আমরা নেগেটিভ মানসিকতার। বিএনপি জানে ভাল কাজের মূল্যায়ন কম, তাই তারা নেগেটিভ পলিটিক্সের দিকে আগ্রহী। মধ্যপ্রাচ্যে জনশক্তি রপ্তানী কমে যাবার পেছনের কারন যাই হোক না কেন, এটা আওয়ামী সরকারের ব্যর্থতা তো অবশ্যই। এই মৌলিক বিষয়গুলোতে যেহেতু আমরা একমত নই, সেজন্য এসব আলোচনা মনে হয় না ফলপ্রসূ হবে।
আওয়ামী লীগ যদি জনকল্যানে সফল হয়, তবে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকা উচিত পরের মেয়াদেও। আমার মনে হয় না সেক্ষেত্রে বিএনপি সাধারনের সমর্থন পাওয়া উচিত। আমি নিজেও সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগকে সমর্থন দেব। বিরোধী দলের চেয়ে সরকারী দলের পারফরম্যান্স অনেক বেশী গুরুত্ববহ। দেশের জন্য সেটাই বেশী মংগল জনক। তবে নেগেটিভ মানসিকতার আমরা গুনগত রাজনৈতিক পরিবর্তন কতটুকু করতে পারব সেটাই দেখার বিষয়। সাধারন মানুষ না পাল্টালে রাজনৈতিক দলগুলো পাল্টাবে না।
০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫
নাজনীন১ বলেছেন: কেবল বিএনপিই জানে ভাল কাজের মূল্যায়ন হয় না? আর আওয়ামী লীগ কি জানে?
আমরা তো মনে হয় এ পোস্টে দল, নেতা, জনগণ তথা সবার পজিটিভ মন-মানসিকতাই আশা করছি।
আওয়ামী লীগ জনকল্যাণে সফল বলা হয়নি, জনসংযোগের চেষ্টা চালাচ্ছে সেটা বলা হয়েছে। জনগণের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর যোগাযোগ বাড়ানো অবশ্যই একটা ভালো পদক্ষেপ। বিএনপিরও এমন হওয়া উচিত।
সরকারী দলের (আওয়ামী লীগ বা বিএনপি যেটাই হোক না কেন) কাজের সুযোগ বেশি, কাজ করে বেশি, সমালোচনাও তাদের বেশি হয়। কিন্তু বিরোধী দল এ ফাঁকে একেবারেই পার পেয়ে যায়। সেটা হওয়া উচিত নয় বলেই মনে করি। তাদেরকেও জবাবদিহি করতে হবে জনগণের কাছে। তাদেরও জনগণের জন্য কাজ করতে হবে।
৫৮|
০১ লা অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:১৭
শ।মসীর বলেছেন: প্রধানমন্ত্রী হওয়াই একজন রাজনীতিকের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না”।" --এটাই আমাদের রাজনীতি.........ক্ষমতা ভিন্ন অন্য স্বাদ এখানে কারো হজম হয়না.....।
০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯
নাজনীন১ বলেছেন: এটা আমাদের দুর্ভাগ্য। ক্ষমতার রাজনীতি সব দেশেই আছে, তবে আমাদের নেতারা কেবল ঐটাই বোঝেন, আর কিছু না।
৫৯|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯
কোর আই সেভেন বলেছেন: চমৎকার নির্মোহ লেখা। সবাই যদি এমনভাবে চিন্তা করতে পারত! এক পক্ষ উত্তর দিকে গেলে আরেক পক্ষ নিশ্চিতভাবেই দক্ষিণ দিকে যায়। এই ধারা থেকে আমরা না বের হতে পারলে কিছুই হবে না।
০৬ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:০২
নাজনীন১ বলেছেন: হ্যাঁ, বর্তমান প্রজন্মের সবাই এরকম নির্মোহ হয়ে দলীয় লেজুড়বৃত্তি থেকে বেরোতে না পারলে আমাদের দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির এতোটুকু পরিবর্তন হবে না। আমাদেরকেই পাল্টাতে হবে। ![]()
৬০|
০৯ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:১০
হুপফূলফরইভার বলেছেন: পিসিতে শাট ডাউন করতে যামু এমন সময় আপনের পোস্টটাতে ক্লিক মারলাম! একটানা দুই ঘন্টা কাইরা নিলেন~
বর্তমানের বিম্পি, হাম্বালীগ, জামাতি পলিটিক্যাল স্ট্রাটেজি একটাই যেমনেই পারি ক্ষেমতা চাই~ কেউ চুমাইয়া কেউ রাস্তায় মানুষ কোবাইয়া~
~আই হেইট টুডেইজ পলিটিক্যাল সিস্টেম ইন আওয়ার খান্ট্রি এন্ড মোস্টঅব-লিডারস আলছু~ একরাতে সব রাজনৈতিক দলের মিলিয়ে টপ ২০০ লিডারস হেশশশশশশশশশশশশশশশশশশশশ~ স্বপ্রটা বারবার দেখতে খুব ইচ্ছা হয়~
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:১১
নাজনীন১ বলেছেন: দলে দলে "না ভোট" পার্টিতে যোগ দান করুন। যে দলে আমরা সবাই নেতা, কেউ কর্মী নাই। ![]()
৬১|
১০ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:৫৮
কখঅআ বলেছেন: আফায় কইছে- ছুট্টকালে অবুঝ শিশুর মতন কিছুই বুঝতামনা, তাই দল করতাম “B N P”, ধানের শিশায় ভোটও মারছি- হায় হায়
গানের সুর ধরতাম “দেশ গড়েছেন শহীদ জিয়া, নেত্রী মোদের খালেদা জিয়া।” “আমরা শক্তি, আমরা বল, আমরা ছাত্রদল।”
যৌবনকালে বুদ্ধি খুলছে- তাই আম্-লীগ ধরছি। আহা কি সুন্দর দেশটারে বানাইছে- রাস্তায় রাস্তায় খুনের হোলী খেলা- কত্ত মজা।
তয় বিরিদ্ধ বয়স হইলে আরও বুদদী পাকলে কোনটা ধরবেন ভাবছেন??? আমিও কিন্তুক আপনার পিছে আছি।
হায়রে আমার কি যে হইল--??
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:১৫
নাজনীন১ বলেছেন: যৌবনকালে বুদ্ধি খুলছে- তাই আম্-লীগ ধরছি। আহা কি সুন্দর দেশটারে বানাইছে- রাস্তায় রাস্তায় খুনের হোলী খেলা- কত্ত মজা।
--- এ কথাডা পোস্টের কোন চিপা দিয়ে দেখছেন, বাইর করেন তো। আমি তো খুঁইজ্জা পাইলাম না। দুরন্ত স্বপ্নচারী আর রাতমজুরের লগে যে কথাডি কইছি সেইগুলান পড়ছেননি? না পড়লে কষ্ট কইরা উপরে উইঠা আবারো পইড়া আইসেন। ধন্যবাদ।
দলে দলে "না ভোট" পার্টিতে যোগ দান করুন। দেশকে অসৎ, ধান্ধাবাজ রাজনৈতিক নেতাদের (যে কোন দলের) হাত থেকে রক্ষা করুন। পারলে নিজে নেতা হন।
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:৩৭
নাজনীন১ বলেছেন: আর মাফ করবেন। ঐসব "দলবাজীর রাজনীতি" আগেও কোনকালে করি নাই, এখনো করি না। আগেও "ছাত্র রাজনীতি" পছন্দ করি নাই, এখনো করি না।
কেবল ভুল কইরা ভোটটা দিছিলাম আর কি।
৬২|
১৪ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:০০
পাহাড়ের কান্না বলেছেন: সব দলই ধ্বজভংগ। আমার দলে যোগ দেন।
বাঙ্গলাদেশ জাতীয়তয়াবাদী আওয়ামী ইসলামী কৃষক, শ্রমীক ছাত্র শিবির।
১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:১৭
নাজনীন১ বলেছেন: এহ্হে রে আপনি তো দেখি পুরাই মওদুদ পাট্টি, মাল্টিডাইমেনশনাল রাজনৈতিক লোক।![]()
না গো ভাই আমি আপনার দলে নাইক্কা। আমি "না ভোট" পার্ট্টি। ![]()
৬৩|
১৬ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ৯:৩১
কখঅআ বলেছেন: আপনি তো দেখতাছি জাইগা জাইগা স্বপ্ন দেখবার দলে!!!!
"না ভোট পাট্টি" এইডা আবার কি?????
পিথথিবীর কোনহানে আছে- আফামণি????
এইবার পিএইচডি-টা তয় এই পাট্টির উপরে কইরা ফেলান।
নো-বল>>>>>>>>>>>>>কনফারাম কইলাম
আমি কিন্তুক আছি----------আপনার ঐ জাইগা স্বপন দেখবার দলে
ভোট পামু তো?????
০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২৩
নাজনীন১ বলেছেন: আমি পিএইচডি করি এটা কই লেখা দেখলেন? ![]()
ও, আপনি কি ইলেকশনেই দাঁড়াইতে চান? মানুষজন তো দেখি আগ বাড়াইয়া বুঝে, কইলাম "না" ভোট দিতে, আর উনি নির্বাচন জিতার স্বপ্ন দেখে!!!
ভোট পাইবেন কিনা, সেটা জনগনের প্রতি আপনার কমিটমেন্ট কি সেটার উপর ডিপেন্ড করবে, সোজা হিসাব। ![]()
৬৪|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:০৭
শাহেদ৬৯ বলেছেন: আপু ... এই পোস্ট আগে কই ছিল ....... খুব সুন্দর হইছে .... ফেসবুকে শেয়ার করতে চাই ............ আপনার পোস্ট পড়ে মনে হইল আপনার বাড়ি নওগা রাজশাহীর দিকে ........... আমার অবস্থাও কিছুটা আপনার মতই হয়েছিল ......... শুধু শাহেদ
২২ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:২০
নাজনীন১ বলেছেন: নারে ভাই! আমি চাঁদপুর - নোয়াখালী অঞ্চলের। এগুলো বিএনপি প্রধান এলাকা। ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৫২
পাখা বলেছেন: হক কথা তবে পোস্ট বেশি বড় হইচ্ছে......
এখন যদি আওয়ামী লিগ বিরোধি দল হত যত ইসু আছে..তা দিয়া বড় কিছু কইরা ফেলাই তো ..
ধ্বজভঙ্গ বিএনপি ; বইসা বইসা *াল ফেলাইতেছে.......