নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ছাগুমুক্ত সামু চাই...

মৌ-লোভী যত মৌলবী আর ‘ মোল্‌-লা’রা ক’ন হাত নেড়ে’, ‘দেব-দেবী নাম মুখে আনে, সবে দাও পাজিটার জাত মেরে!

অপ্রিয় সত্য

Believe those who are seeking the truth. Doubt those who find it.

অপ্রিয় সত্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

জাকাত কাকে দিবেন? ভূমিহীন হতদরিদ্র ডাষ্টবিনের পাশে শুয়ে থাকা ঐ মানুষটিকে? না উগ্রপন্থী জঙ্গি সংগঠনকে?

২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:১৯

ধর্মীয় ব্যাখা:

জাকাত একটি ফরজ ইবাদত। মাহে রমজান এর এই পুণ্য মাসে যে কোন ইবাদতেই আল্লাহ্ পাক সত্তর গুন বেশী নেকী বান্দার আমলনামায় দিয়ে থাকেন। তাই অনেকেই এই মাসে তাদের জাকাত আদায় করে থাকে। জাকাত নিয়ে স্বল্প পরিসরে কয়েকটি কথা:

নামাজ-রোজাসহ অন্যান্য ফরজ ইবাদত আদায় করার পদ্ধতি যেমন কোরআন-হাদিসে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, তেমনি জাকাত আদায়ের পদ্ধতি অর্থাৎ জাকাত ব্যয় করার খাতগুলোও পবিত্র কোরআনে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তাফসিরে ইবনে কাসিরের ভাষ্যমতে, সূরা মুয্যাম্মিলের ২০ নম্বর আয়াতের এই অংশ ‘সুতরাং নামাজ কায়েম করো ও জাকাত আদায় করো’। পবিত্র কোরআনে জাকাত ব্যয়ের উল্লেখযোগ্য খাতগুলো হল- ‘জাকাত হলো কেবল ফকির, মিসকিন, জাকাত আদায়কারী ও যাদের চিত্ত আকর্ষণ প্রয়োজন—তাদের হক এবং তা দাস-মুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য—এই হলো আল্লাহ্র নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।’ (সূরা তাওবা, আয়াত ৬০)। উপরিউক্ত খাতগুলোর ব্যাখ্যায় মুফাসিসররা বলেন, ফকির হলো যার সহায়-সম্বল কিছুই নেই এবং মিসকিন হলো যে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক নয়।

কারো নিকট সাড়ে সাত ভরি (৮৫ গ্রাম) স্বর্ণ বা ৫২ তোলা রুপা বা ন্যুনতম তার সম পরিমান অর্থ এক বছর কাল যাবত থাকলে তার উপর যাকাত দেয়া ফরজ। যাকাত যোগ্য সম্পদের উপর 2.5% হারে যাকাত দিতে হয়।



আমাদের করনীয়:

আমি যখন দেশে ছিলাম তখন বিশেষ করে শীতের রাতে রাস্তায় বের হতাম। রাস্তার ফুটপাতে জবুথবু হয়ে শুয়ে থাকা লোকটিকে দেখে বুকে হাহাকার জেগে উঠত। শ'য়ে শ'য়ে পরিবার যাদের জীবন কেটে যায় ঐ ফুটপাতে, ডাষ্টবিনের পাশে, শীত নিবারনের তাদের ক্লান্তিহীন প্রচেষ্টা দেখে বাসায় ফিরে এসে ঠিক ঘুমাতে পারতাম না।সেই থেকে সবসময় তাদের জন্য কিছু করার তীব্র ইচ্ছা বুকে লালন করি। সেই কাজে আমার কাছের কিছু বন্ধুকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।

আপনারা যারা দেশে আছেন, যারা জাকাত দিতে সক্ষম এবং জাকাত দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন, তারা শুধুমাত্র শাড়ি/লুঙ্গি/পাঞ্জাবীর মত কাপড়ের মাধ্যমে জাকাত আদায় সীমাবদ্ধ রাখবেন না। আপনাদের আশেপাশের এই লোকদের সেবায় এগিয়ে আসুন। অন্তত একটি পরিবারকে খুঁজে বের করে সেই পরিবারটিকে পুনর্বাসন করুন। সেই পরিবারের জন্য উপার্জনের ক্ষেত্র তৈরী করে দেন, যেন পরবর্তী সময়ে তাকে আর জাকাতের জন্য কাহারো দুয়ারে ধর্ণা দিতে না হয়।

অনেকেই মসজিদ/মাদ্রসায় উদার হস্তে জাকাতের অর্থ দিয়ে থাকেন।সেখানে অনেক সময়ই "অতি বৃষ্টির বন্যা হয়", আর ঐদিকে ভূমিহীন হতদরিদ্রের সবসময় "অনাবৃষ্টির খড়া চলতে থাকে"। তাই জাকাতের অর্থের সুষম বন্টন হয় না। আপনি সরলমনে মসজিদ/মাদ্রসায় দান করছেন ঠিকই, কিন্তু আপনি জানেন না, সেই টাকায় মসজিদের উন্নয়ন হচ্ছে, নাকি মসজিদের ইমামের/মাদ্রসার হুজুরের বাড়ির/দালান কোঠার উন্নয়ন হচ্ছে! তারপর দিনশেষে তারা আপনার টাকায় ঘি, মাখন খেয়ে, আপনার মা, বোনকে অশিক্ষিত বানিয়ে রাখতে বলবে, গৃহবন্দি করে রাখতে বলবে। আপনাদের মধ্যে যাদের বাবা ছোটবেলায় মারা গেছে, বা বাবা অসুস্হ অথবা সীমিত আয়ের সংসার, আপনার মা/বোন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে শত প্রতিকুলতার মধ্যে টাকা-পয়সা রোজগার করে আপনাকে বড় করেছে। আর এই ধর্মান্ধ মৌলবাদগুলো আপনার মা/বোন এর চাকরি করা নিয়ে মিথ্যে অপবাদ দিবে।ধর্মের উছিলায় মানুষকে বিভ্রান্ত করে সারাদেশে বোমাবাজি করবে, অন্য ধর্মের লোকদের উপাসনালয়ে হামলা করে আমাদের শান্তিপ্রিয় ধর্ম সম্পর্কে বিশ্বের কাছে ভুল ধারনা পাঠাবে। তাই, আপনার জাকাতের অর্থ অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যায় হচ্ছে কিনা, কোন জঙ্গি সংগঠনকে দিচ্ছেন কিনা, সেই সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার দ্বায়িত্ব আপনার।



সবশেষে, জাকাতের উদ্দেশ্যই হচ্ছে সমাজে ধনী-গরিবের পার্থক্য দূর করে একটি অর্থনৈতিক ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং ধনী-গরিবের মধ্যে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করা। কারণ, বিত্তবান লোকেরা যদি স্বেচ্ছায় তাদের সম্পদের একটি নির্ধারিত অংশ গরিবের মধ্যে বণ্টন করে দেয়, তা হলে স্বাভাবিকভাবেই গরিবদের মধ্যে ধনীদের প্রতি একধরনের কৃতজ্ঞতাবোধ ও হূদ্যতা সৃষ্টি হওয়ার কথা। অপর দিকে জাকাতের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তিদের স্বাবলম্বী করে তুলতে পারলে সমাজে বেকার ও পরনির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়ে একটি সুখী-সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠবে।

মন্তব্য ৪৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:২৪

উড়োজাহাজ বলেছেন: যাকাত কোন ব্যক্তিগতভাবে পালনীয় এবাদত নয়, রাষ্ট্রীয় এবাদত
View this link

২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:২৯

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: রাষ্ট্র কোন আলদা জিনিষ নয়, আমরা সবাই মিলেই আমাদের রাষ্ট্র । ব্যাক্তিগত প্রতিটি চেষ্টার সমষ্টিই রাষ্ট্রীয় এবাদত।

২| ২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:২৬

সাদামাটা মানুষ ০৭ বলেছেন: যাকাত যে দেওয়া ফরজ আর যাকাত কিভাভে দিতে হয় তা কিন্তু এই মোল্লাদের কাছ থেকেই জানতে হয় । তাই সবাইকে এক কাতারে নিলে চলবে না ।

২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৩২

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: আপনাকে কেন অন্যের থেকে জানতে হবে। আপনি লেখাপড়া জানেন, কোরআন-হাদিস বুঝে পড়েন। কোরআন-হাদিসেই তো সব নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে।

৩| ২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৪৩

ইকবাল পারভেজ বলেছেন: এখন থেকে সবাই আওয়ামী গুন্ডাদের যাকাত দান করুন, তাহলে ওরা চুরি-লুট-পাট কম করবে|

৪| ২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৪৮

মুদ্রা সংগ্রাহক বলেছেন: যাকাতে হক হচ্ছে দরিদ্র মানুষদের, যতদূর জানি মসজিদে যাকাত দেওয়ার বিধান নেই।

জঙ্গি সংগঠন হঠাত কোথা থেকে আসল? আশা করি আপনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই পোস্ট দিয়েছেন। বাংলাদেশের কোন্ উগ্রবাদী জঙ্গি সংগঠনের কথা আপনি বলছেন? পার্বত্য চট্টগ্রাম এ যেসব আদিবাসী ( যদিও চাকমা/মারমাদের আদিবাসী বলাটা কতটুকু যৌক্তিক সেটা আলোচনাসাপেক্ষ) জঙ্গি সংগঠন আছে তাদেরকে কেউ যাকাত দিয়ে সাহায্য করে বলে তো কখনো শুনিনি। হঠাৎ করে আপনার কেন মনে হল যে বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ যাকাত দেয় কোন জঙ্গি সংগঠন কে?

এমনি আমাদের দেশের বর্হিবিশ্বে যে সুনাম ! ! ! দয়া করে এই ধরণের বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আর কালিমা লেপন করবেন না।

২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৫৮

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: আসলে জঙ্গি সংগঠনের গায়ে "জঙ্গি সংগঠন" লেখা থাকে না। তাদের কার্যকর্মেই তার প্রতিফলন ঘটে। এখন আর সে বিষয়ে বিস্তারিত লিখছি না। মানুষ অনেকসময় না জেনেই এই মুখোসধারী মানুষগুলোর সংগঠনে উদারহস্তে দান করে থাকে।

৫| ২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:০২

মোমেরমানুষ৭১ বলেছেন: যাকাত নিয়ে খুব জ্ঞান গর্ব ওয়াজ বিতরন করলেন!!
যাকাত একটি ফরয ইবাদত, নামায রোজার মত যাকাত ও একটি ফরয ইবাদত। যাকাত আদায়কারীর কর্তব্য হল উপযুক্ত ব্যক্তি খুজে তা প্রদান করা।

২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:০৯

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: কে সবচেয়ে বেশী উপযুক্ত এখানে সেটাই বলে হয়েছে।আপনার দ্বি-মত থাকলে এখানে বলতে পারেন...

৬| ২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:১৩

উড়োজাহাজ বলেছেন: ভুল বললেন।

২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:১৭

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: ভুলটা কি এবং শুদ্ধটা কি হবে সেটা পরিস্কার করে বলেন। আমরাও কিছু জ্ঞান লাভ করি।

৭| ২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:২৮

উড়োজাহাজ বলেছেন: প্রথম কমেন্টে লিঙ্কটাতে থেকে ঘুরে আসুন্।

২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:৪৫

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: আপনার লিংক থেকে ঘুরে আসলাম। আপনি এসব জ্ঞান আপনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখুন এবং বাইরে যত কম প্রকাশ করবেন ততই ভাল। আর আপনার যেহেতু বাংগালী কালচারে এতই ঘৃনা, বহুবিবাহের প্রতি দুর্বলতা, আপনি বরং মিডলইস্ট চলে গেলে ভাল থাকবেন।কোন ধর্মীয় রেফারেন্স ছাড়া এই ধরনের লেখা পোস্ট করে আবার মানুষকে আমন্ত্রন জানাচ্ছেন পড়ার জন্য!

৮| ২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:৪০

ইকবাল পারভেজ বলেছেন:

আওয়ামী মোল্লারা ব্লগ লিখে, যাকাত কারে দিতে হইবো সেইটার বয়ান দেয়, ঘোর কলি কাল ;):):):)

২৬ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১১:৫৭

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: ছাগুদের কোথায় জ্বলে, কেন জ্বলে সেটা ভাল করে বুঝি। এখন রোজা-রমজানের মাসে আর কাঁঠালপাতা দিতে চাচ্ছি না।খুদা হাফেজ।

৯| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:১৯

উড়োজাহাজ বলেছেন: ওহ! সরি!! আপনি তো আবার জাতীতাবাদী বঙ্গীয় মুসলমান?

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:২৬

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: হ্যা আমি বঙ্গীয় মুসলমান পরিচয়ে গর্ববোধ করি, আমার কাছে দুইজন লোক (ধরা যাক, একজন ভিনদেশী মুসলিম, অন্যজন বাংলাদেশী যে ধর্মেরই হোক নে কেন) সাহায্যের জন্য আসলে আমি অবশ্যই আগে বাংলাদেশীকে সাহায্য করব, তারপর অন্যকাউকে।

১০| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:১০

মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ বলেছেন: ''মসজিদের উন্নয়ন হচ্ছে, নাকি মসজিদের ইমামের/মাদ্রসার হুজুরের বাড়ির/দালান কোঠার উন্নয়ন হচ্ছে!''

যাকাত মসজিদে দেয়া যায় না এই কথা হুজুররাই বলে দেন।
মসজিদে যা টাকা দেয়া হয় তা যাকাত নয় বরং দান আর সেটা মসজিদ পরিচালনার জন্য খরচ হয়।
যদি কোন হুজুর অথবা মাদ্রাসা ছাত্র যাকাতের খাওয়ার উপযুক্ত হয় তা হলে যাকাত দিতে বাধা কোথায় ?

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:২০

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: কোন হুজুর অথবা মাদ্রাসা ছাত্র জাকাত খাওয়ার উপযুক্ত হলে, জাকাত দিতে কোন বাধা নেই, কিন্তু আপনার কি মনে হয় না, তার থেকে এরা আরও বেশী উপযুক্ত!

১১| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:২৪

মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ বলেছেন: উড়োজাহাজ বলেছেন: যাকাত কোন ব্যক্তিগতভাবে পালনীয় এবাদত নয়, রাষ্ট্রীয় এবাদত।

যাকাত ধরা হয় বৎছর শেষে দাতার নির্ধারিত সম্পদ থাকলে এর উপর ২.৫%

আর ট্যাক্স ধরা হয় দাতার মোট আয়ের উপর।


যাকাত আর ট্যাক্স এক নয়।

আপনি শিয়া নাকি অন্য কিছু ?

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:২৬

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: আমি কোথায় বললাম "যাকাত আর ট্যাক্স একই"? আপনিই কি উড়োজাহাজ? না হলে, আপনি তার লিখাটা পড়েছেন ভাল করে?

১২| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:২৭

মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ বলেছেন: অপ্রিয় সত্য
আপনি যাদের দেখালেন তারাই বেশী উপযুক্ত, এই কথা আমি আগেও বিশ্বাস করি এখনও।

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:৩০

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: তাহলে আসুন আমরা আগে তাদের জাকাত দেই, তারপর উদ্ধৃত থাকলে ক্রমানুসারে অন্যদের কথা বিবেচনায় আসবে

১৩| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:৩৪

মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি কোথায় বললাম "যাকাত আর ট্যাক্স একই"? আপনিই কি উড়োজাহাজ? না হলে, আপনি তার লিখাটা পড়েছেন ভাল করে?

১ নম্বর কমেন্টে উড়োজাহাজ যা বলেছে, আমি তার বিপরীতে ১১ নম্বর কমেন্ট করেছি ।
আপনাকে বলি নাই।

তার কথা শুনে আমার অন্য রকম মুসলমান মনে হল তাই প্রশ্ন করেছি সে শিয়া কিনা।

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:৩৭

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: ও আচ্ছা দুঃখিত! ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে।

১৪| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১:৪৯

উড়োজাহাজ বলেছেন: @ মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ: অবাক হতে পারেন যে- আমি শিয়াও না সুন্নীও না। আমি এক আল্লাহ, শেষ রসুলের অনুসারী, মোমেন জাতি হবে এক জাতি এই বিশ্বাসে প্রকৃত মোমেন হবার চেষ্টাায় আছি। তেহাত্তর কাতারের এক কাতার হতে চাচ্ছি- বাহাত্তর কাতারের এক কাতার নয়।

আপনারা শিয়া সুন্নী নিয়ে লড়াই বাহাস করতে পারেন। কিন্তু ইসলামে দ্বিমতের কোন স্থান নেই। তাই আমি আর কোন কথায় রাজী নই।

আগে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম কায়েম করুন, তারপর ইসলামের অন্যান্য শরীয়াহ বাস্তবায়ন করুন। আজকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম নেই- আর আপনারা ব্যাক্তিগতভাবে হুকুম বাস্তবায়নের জন্য কূটতর্কে লিপ্ত হচ্ছেন।

গাই না কিনে দুধ দোহানোর বালতি কেনার জন্য এত ব্যতিব্যস্ত হওয়ার কোন যুক্তি নেই।

আরো একটা অদ্ভুত ব্যাপার! আমরা আসলে তর্কে কেউ হারতে রাজী নই। জিততেই হবে মানসিকতার। এটা আমাদের অহঙ্কার থেকে আসে। আমিই সঠিক। আমি যা বুঝলাম তা নির্ভূল এই মানসিকতা দূর করা প্রয়োজন। নয়তো অনন্তকাল ধরে তর্ক চলতে থাকবে। আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারব না।

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:৩৫

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: ইসলাম কি রাষ্ট্রীয়ভাবে কায়েম করার বিষয়? না ব্যাক্তিগতভাবে ইসলামী জীবন-যাপন অনুশীলনটা মুখ্য?
এই দেশে দীর্ঘদিনধরে নানা ধর্মের নানা বর্নের মানুষের বাস। তাই আমরা এমন কিছু করব না, যাতে অন্য ধর্মকে অবজ্ঞা/তাচ্ছিল্য করা হয়। এতে আমাদের "আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস" একটুও কমবে না।
যেমন ধরুন, আমরা যে কোন কাজ শুরু করতে বা খাওয়ার পুর্বে "বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম " বলে শুরু করি, সেটা কিন্তু আমাদের কাজে, খাবারে বা খাবার প্লেটে লেখা থাকে না।

তাই রাষ্ট্রের কোনো ধর্ম হয় না। ধর্ম হল ব্যক্তিগত বিশ্বাস। ধর্ম যার যার - রাষ্ট্র সবার। আগে মানুষ—তারপর কেউ মুসলিম, কেউ হিন্দু, কেউ খ্রিস্টান, কেউ বৌদ্ধ। সবাইকে নিয়েই রাষ্ট্র।

১৫| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:০৭

কাজু বলেছেন: Click This Link

১৬| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:০৯

কাজু বলেছেন: Click This Link

১৭| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:২০

উড়োজাহাজ বলেছেন: Click This Link

১৮| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:২০

মুদ্রা সংগ্রাহক বলেছেন: @ উড়োজাহাজ ভাই - "http://www.somewhereinblog.net/blog/atahar/29857915#c10082601"আপনার এই পোস্টে একটা প্রশ্ন রেখেছিলাম। প্রশ্নটা এখানেও রাখলাম যাতে আপনি যদি আপনার ব্লগে কমেন্ট টা মিস করেন এখানে দেখে উত্তর দিতে পারেন -

"আমি বাংলাদেশের মুসলিম নাগরিক, আমি যাকাত কাকে দিব/কিভাবে দিব? আমাদের সরকার যেহেতু গনতান্ত্রিক সরকার, ইসলামিক সরকার নয়, আর আপনার মতে যাকাত যেহেতু রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আদায় করার নিয়ম তাহলে কি আমি যাকাত একদমই দিব না নাকি আমাকে একটা সত্যিকারের ইসলামিক দেশ খুঁজে বের করে সেই দেশে গিয়ে যাকাত দিতে হবে ???

এরকম ইসলামিক দেশ ও তো আমার জানামতে নেই, দয়া করে যদি উদাহরণ সহ জানাতেন। সবচেয়ে ভাল হয় যদি আপনি জানান আপনি কিভাবে যাকাত আদায় করেন।

আমি তো আপনার ব্লগ পড়ার পর মারাত্মক পেরেশান হয়ে পড়লাম, আশা করি আপনার তড়িৎ জবাব আমার পেরেশানী লাঘবে সহায়ক হবে। "

১৯| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ২:৪২

উড়োজাহাজ বলেছেন: হুম! খুবই টেকনিক্যাল প্রশ্ন। উত্তরটা পাওয়ার একটা শর্ত আছে। আগে জানান, কোন মতলবে প্রশ্ন করেছেন কি না? যদি খুবই সরলতার সাথে জানতে চান তাহলে আপনার জন্য একটা উদাহরণ দিতে চাই। আপনি যদি ট্রেনে চড়ে তাহলে আপনার প্রশ্ন আসবে আমি ট্রেনের কোন কামরায়। আপনি যদি ট্রেনে না- উঠলেন, এমতাবস্থায় আপনি ট্রেনের কোন কামরায় তা জানতে চাওয়া নিশ্চয় অবান্তর।

বর্তমানে পৃথিবীর কোন দেশেই আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ভিত্তিক ইসলাম প্রতিষ্টিত নাই। এই অবস্থায় আপনার উচিত হোল আপনার জান ও মাল উতসর্গ করে আল্লাহর সার্বভৌত্ব প্রতিষ্ঠিত করা। আপনি যে জন্য যাকাত সদকাহ দিবেন, এর উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই গরীব দুখীদের সাহায্য করার জন্য? বর্তমানে যদি আপনি যাকাত দিতে চান তাহলে যাকাত প্রার্থীদের স্ংখ্যার কোন শেষ দেখতে পাবেন না। প্রতিবছর নিশ্চয় লক্ষ্য করেন যে, শুধুমাত্র যাকাত আনতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে কত মানুষ মারা যাচ্ছে।

আপনি যদি আল্লাহর সার্বভৌমত্বভিত্তিক জীবন ব্যবস্থা কায়েম করেন তখন যাকাত প্রার্থীদের সংখ্যা কমে গিয়ে প্রায় শুন্যের কোঠায় নেমে আসবে।

এখন আপনিই বিবেচনায় আনুন, অগ্রাধীকার কোনটা। আপনার সম্পদের যাকাত দিবেন, না কি দিবেন না।
আপনার প্রশ্নের ধারা দেখে মনে হয় আপনার আরো একটা প্রশ্ন আছে। আপনি হয় তো বলতে পারেন যে- তাহলে যাকাত দেওয়া আল্লাহর হুকুম। আমি কি এই হুকুমকে অস্বীকার করবো?

এর উত্তরে বলবো- ভাই, আল্লাহর হুকুম আরো বহু আছে। এর কতটাই বা আমরা বর্তমানে মানতে পারছি? সুদ না খাওয়াও আল্লাহর হুকুম। সুদ খাওয়া আর সাক্ষী হওয়া- মধ্যস্থতা করা আল্লাহ রসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামীল। কিন্তু আমরা না চাইলেও কি সুদ না খেয়ে পারছি?


সিস্টেম আমাদেরকে বাধ্য করছে সুদ খেতে। সুতরা্ং আগে সিস্টেম পাল্টান। তখন ইচ্চে করেও সুদ খেতে পারবেন না। অন্যান্য হুকুমের ব্যাপারেও তাই হবে। পাপের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাবে।

ধন্যবাদ।

২০| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৩:০২

উড়োজাহাজ বলেছেন: ইসলাম কি রাষ্ট্রীয়ভাবে কায়েম করার বিষয়? না ব্যাক্তিগতভাবে ইসলামী জীবন-যাপন অনুশীলনটা মুখ্য?
এই দেশে দীর্ঘদিনধরে নানা ধর্মের নানা বর্নের মানুষের বাস। তাই আমরা এমন কিছু করব না, যাতে অন্য ধর্মকে অবজ্ঞা/তাচ্ছিল্য করা হয়। এতে আমাদের "আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস" একটুও কমবে না।


এব্ং
রাষ্ট্রের কোনো ধর্ম হয় না। ধর্ম হল ব্যক্তিগত বিশ্বাস। ধর্ম যার যার - রাষ্ট্র সবার। আগে মানুষ—তারপর কেউ মুসলিম, কেউ হিন্দু, কেউ খ্রিস্টান, কেউ বৌদ্ধ। সবাইকে নিয়েই রাষ্ট্র।


এই কথাগুলো সুশীল এবঙ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কথা, রাজনৈতিক মঞ্চে ভোট আদায়ের জন্য সুন্দর সুবচন। আপনি যদি সত্য সত্যই আল্লাহ রসুলে বিশ্বাস করেন, আখেরাতে বিশ্বাস করেন, কোরানকে আল্লাহর পাঠানো কেতাব বলে বিশ্বাস করেন তাহলে এ কথা বলতে পারেন না।
সুরা তওবাহ-৩৩, ফাতাহ-২৮ এব্ং সফ এর ৯নং আয়াত পড়ে দেখুন সেখানে আল্লাহ বলছেন, আমি আমার রসুলকে হেদায়াহ (সঠিক পথ) ও দীনুল হক( সত্য জীবন ব্যবস্থা) দিয়ে এই জন্য পাঠিয়েছি যেন তিনি অপরাপর জীবন ব্যবস্থার উপর উহাকে প্রতিষ্ঠিত করেন। যদিও অবিশ্বাসীরা, অংশীদারকারীরা তা অপছন্দ করে। সাক্ষী হিসেবে আল্লা্হই যথেষ্ট।
বিনয়ের সাথে বলতে চাই,সুতরাঙ আপনার কথা মানতে পারলাম না।


আর আল্লাহর দীন কায়েম হলে অন্য ধর্মের লোকেদের অধিকার লংঘিত হবে তা আপনাকে কে বলেছে? বরঙ ইসলামের হাতে অন্য ধর্মের লোক কতটা নিরাপদ ছিল তা ইতিহাস থেকে পড়ে নিন। খালিদ বিন ওলিদের জীবনি পড়ে দেখুন।


অন্যের চোথ দিয়ে না দেখে, অন্যের মগজ দিয়ে না ভেবে, অন্যের জীহবা দিয়ে স্বাদ গ্রহণ না করে নিজে চেটে দেখুন। মিঠা হলে মিঠা বলবেন, তিতা হলে তিতা বলবেন।

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৩:২০

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: সেই প্রথম থেকেই আপনি আপনার পেছনের অংশ দিয়ে পাহাড় ঠেলে যাচ্ছেন। আপনি বরং উগ্রপন্হীয় মৌলবাদিতা ত্যাগ করে সাধারন ধর্মপ্রান মানুষের কাতারে নেমে আসুন।দেশের মানুষও ভাল থাকবে, আপনিও ভাল থাকবেন। আর না হয়, এই দেশ আপনার নয়, অন্য কোথাও অন্য কোনখানে আপনার ঠিকানা খুঁজে নিন, যাদের সাথে আপনার এইসব ধ্যানধারনা মিলে যায়।

২১| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৩:০৫

মুদ্রা সংগ্রাহক বলেছেন: ভাই আপনি তো আমার সরল প্রশ্ন গুলোর একটাও সরল উত্তর দিলেন না -আমি আবার একে একে সরল প্রশ্ন গুলি করছি, আশা করছি সরল উত্তর পাব।

১. আপনি কি যাকাত দেন?

২. যদি দেন তাইলে কাকে দেন? কিভাবে দেন?

৩. বর্তমান বাংলাদেশে আমি কিভাবে আমার যাকাত আদায় করতে পারি?

অন্য কোন বিষয় অবতারণা করতে চাইলে আমার সরল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তারপরে তা করবেন আশা করি।

২২| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৩:১১

উড়োজাহাজ বলেছেন: আপনি যদি এর পরেও উত্তর না পেয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে আমি কোন দিন উত্তর দিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারব না। আমি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমি অপারগ। আমাকে মাফ করবেন।


যে জেগে ঘুমায় তাকে জাগানো আমার কর্ম নয়।

২৩| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৩:১৭

মুদ্রা সংগ্রাহক বলেছেন: আরে আমি সরল প্রশ্ন করলাম, যে উত্তরগুলির কোন সরল উত্তর আপনি এখন পর্যন্ত দেননি, এখন আবার বলছেন আমি বুঝতে পারব না, সরল উত্তর দিতে যদি আপনার কোন সমস্যা থাকে তাহলে থাক। কিন্তু উত্তর না দিয়ে অন্য বিষয় অবতারণা করলে আমি কিভাবে বুঝব?

আমরা ভাই সহজ সরল মানুষ। প্যাঁচ অত বুঝি না। এখনও আশা করছি আপনার কাছ থেকে আমার প্রশ্নগুলোর সরল উত্তর পাব।

২৪| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ সকাল ১০:২৪

উড়োজাহাজ বলেছেন: আর না হয়, এই দেশ আপনার নয়, অন্য কোথাও অন্য কোনখানে আপনার ঠিকানা খুঁজে নিন,

হাসালেন। বরং আপনি নিজের হাতে আপনার চাওয়া অনুসারে একটা দুনিয়া সৃষ্টি করুন। সেখানে ইউরোপিয়ান ইসলাম কায়েম করুন, আকবরী ধর্ম কায়েম করুন। মডারেট মোসলমান হউন। এখানে আল্লাহর দুনিয়ায় আপনার কোন স্থান নেই। এটা আল্লাহর সৃষ্টি। আপনাদের মত লোকেরা আর একটা কিছু তৈরী করে নিন। সৃষ্টি যার আইন চলবে তার- আরাফ-৫৪

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:২৯

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: আমি যা বললাম সেটা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ লোকের মতবাদ। আপনার ধ্যানধারনাগুলো দেশের গুটিকয়েক মানুষ ধারন করে এবং এদের সংখ্যা এতই কম যে ক্ষুদ্র মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খুঁজে পাওয়া যাবে না।কিন্তু সমস্যা হল, এদের কিছুসংখ্যক আবার মসজিদে ইমামতি করে বা মাদ্রাসার হুজুর। ফলে তারা অশিক্ষিত, অল্পশিক্ষিত বা ধর্মান্ধ লোকদের সহজে প্রভাবিত করে ফেলে এবং এদের কিছুসংখ্যক একটা পর্যায়ে গিয়ে জিহাদ ঘোষনা করে সারাদেশে বোমাবাজি করে, আতংক সৃষ্টি করে।

২৫| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:০৪

ভাল ছাত্র বলেছেন: কওমী মাদ্রাসায় জঙ্গী তৈরী করা হয়। এদের না দিয়ে আমি আমার দরিদ্র আত্নীয়দের টাকা দেয়াই যৌক্তিক মনে করি।

২৭ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:০৭

অপ্রিয় সত্য বলেছেন: আমি চট্টগ্রামের ছেলে। অন্যান্য জেলার কথা জানি না, কিন্তু চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটা কওমী মাদ্রাসায় এতিম অসহায় ছেলেদেরকে কিভাবে ব্যবহার করা হয়, সেটা লিখতে গেলে এক উপাখ্যান হয়ে যাবে।

২৬| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:৫২

মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ বলেছেন: @ভাল ছাত্র : কওমী মাদ্রাসায় জঙ্গী তৈরী করা হয়। এদের না দিয়ে আমি আমার দরিদ্র আত্নীয়দের টাকা দেয়াই যৌক্তিক মনে করি।

আমিও আমার দরিদ্র আত্নীয়দের আগে যাকাতের টাকা দেয়াই যৌক্তিক মনে করি।

তবে আপনি ঢালাও ভাবে কওমী মাদ্রাসার পিছনে লেগেছেন এটা মনে হয় পুরোপুরি ঠিক না।

আমি নিজেও কওমী মাদ্রাসা পুরোপুরি সমর্থন করি না।
তবে ঢালাও ভাবে কওমী মাদ্রাসার পিছনেও লাগিনা।

কওমী মাদ্রাসায় যদি জঙ্গী তৈরী করা হয়, তবে সাধারণ শিক্ষার প্রতিস্ঠানে খুনি তৈরী করা হয়।

বিশ্বাস না হলে পেপারে গত ৬ মাসে কারা বেশী খুন করেছে সেটা দেখলেই আন্দাজ করা যাবে।

২৭| ২৭ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:০৮

মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ বলেছেন: @উড়োজাহাজ : আগে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম কায়েম করুন, তারপর ইসলামের অন্যান্য শরীয়াহ বাস্তবায়ন করুন। আজকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম নেই- আর আপনারা ব্যাক্তিগতভাবে হুকুম বাস্তবায়নের জন্য কূটতর্কে লিপ্ত হচ্ছেন।

রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম থাক আর না থাক, ব্যাক্তিগতভাবে ইসলামের যে সকল হুকুম যতটা সম্ভব বাস্তবায়ন
করা যায় সেটা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে।

আপনি সুযোগ থাকা সত্তেও ইসলামের শরীয়াহ পালন না করলে আপনাকেই ধরা হবে, রাষ্ট্রপতিকে নয়।

আপনি রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম কি ভাবে বাস্তবায়ন করবেন সেটা জানতে চাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.