নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আরাফাত টিটু

আরাফাত টিটু › বিস্তারিত পোস্টঃ

কি দোষ বাবার বয়সী এই লোকটির... উনার দোষ, উনি মুসলমান...

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৩৮

কি দোষ বাবার বয়সী এই লোকটির...

উনার দোষ, উনি মুসলমান...

উত্তরার নর্থ টাওয়ারের

পাশে ডিআইজি সাহেব বসে আছেন এর

মাঝেই এই বয়স্ক দাঁড়িওয়ালা ভদ্রলোক

পাশ দিয়ে যাওয়া শুরু করতেই পুলিশের

সামনেই অশ্লীল গালাগাল শুরু

করলো সরকারী দলের মাস্তানরা- ঐ

শালা রাজাকার মার ঐ ব্যাটা রাজাকার

অন্য রাস্তা দিয়ে যা ...

সাথে সাথে পুলিশো যোগ দিলো তাদের

সাথে!

হায়রে ৮০ভাগ মসলমানের

দেশে দাঁড়ি টুপি পড়া মানুষদের

কি অপমান!

রাজাকারদের সাথে আমাদের নবীর

সুন্নাত টুপি পাঞ্জাবি কি দোষ করেছে?

এগুলো কেনো পোড়ানো হচ্ছে?

যারা দাড়ি টুপি পরে তাদের কেন

হেনস্থা করা হচ্ছে?

আমি এটার ঘোর বিরোধী। একজন

মুসলমান হিসেবে কোন ভাবেই

মানা যায় না। দয়া করে শাহাবাগ সহ

সারা দেশে যারা আন্দোলন করছেন

ব্যাপারটা দেখবেন। আমরা আমাদের

দেশকে যেমন ভালোবাসি তেমনি নিজ

নিজ ধর্মকেও ভালোবাসি। প্রতিবাদ

করার অনেক ভাষা আছে।

দয়া করে কেউ

দাড়ি টুপি সুন্নতকে বিকৃত করবেন না।

হেনস্থা করবেন না

কোন ধরনের পোস্টার ছাপাবেন না।

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:০৪

একাকী পথ বলেছেন: আপনি কি ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন??

২| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৫৪

নিষ্‌কর্মা বলেছেন: ভাই, রাসুলের সুন্নাত দাড়ি-টুপির সবচেয়ে বড় অপব্যবহার হয়েছে একাত্তরে। সে সময়ে দাড়ী-টূপি পরেই নিরীহ মানুষদের হত্যা করা হয়েছে - যেন দাড়ি-টুপি পরে মানুষ খুন করা কোন পাপের বিষয় না।

দোষ তো সে সময়ে যারা দাড়ি-টূপির এই ধরনের ব্যবহারের পথ খুলে দিয়েছিল, তাদের। আজকে তার অপব্যবহার হচ্ছে। এইটাই স্বাভাবিক।

বাঙলার মানুষ এই দাড়ি-টুপির ব্যাপারে তখন থেকেই সন্দিহান। তাই আজো "তাদের" সন্দেহের চোখে দেখা হয়, যেমন দেখা হচ্ছে এখনকার ঢাকার ফেরিওয়ালাদের।

জানেন হয়ত, এই ফেরিওয়ালার ছদ্মবেশে অনেকেই অতর্কিতে পুলিশের উপরে হামলা করছে

৩| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৫৫

বি পজেটিভ বলেছেন: নে পাতা খা।

৪| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৫৬

মিনেসোটা বলেছেন: দাড়ি টুপি পড়ে হাজার হাজার লোক শাহবাগে জমায়েত হয়ে স্লোগান দিয়েছে, কেউ কিছু বলেনি তাদের

দয়া করে ইসলাম বিক্রি বন্ধ করুন, দাড়ি টুপি ছাড়াও ইসলামে দেশপ্রেমকেও ঈমান এর অঙ্গ বলা হয়েছে। দেশের সাথে বেঈমানদের দাড়ি টুপি পড়লেই ক্ষমা করা যাবে না।

৫| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৫৭

ইঁচড়েপাকা ছেলে বলেছেন: ছাগু আরিফ

৬| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:০০

নিষ্‌কর্মা বলেছেন: এই ভাইরা, এইটা শিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক আরাফাত না তো আবার? দেইখেন কিন্তুক ... ঐটা হৈলে বেফুক মজাক হৈবো কিন্তু! =p~ =p~ =p~

৭| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৬:০০

সময়একাত্তর বলেছেন: এই লোক যে ককটেল ফুটায় নায়, গাড়ী ভাঙ্গে নায়, আগুন দেয় নায়, ঢিল ছোঁড়ে নাই --- তার প্রমাণ কি??

৮| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৬:১১

একাকী পথ বলেছেন: লেখক আসলেই ছাগু.।।। না হলেয় হালায় উত্তর দেয়না কে.।.।.।.।.।.।।'

৯| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৬:১২

মাসুম মিয়া বলেছেন: আজকের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা অপদস্ত হচ্ছে -এর পেছনে জামাতের বড় ভূমিকা আছে। জামাতের জঙ্গীপনার জন্যই আজকে দাড়ি টুপি পড়া মুসলমান দেখলে মানুষ আতঙ্কিত হয়। পুলিশরা সন্দেহ করে। এইটাই আসল কথা। জামাত-শিবিরের মতো জঙ্গী-সন্ত্রাসবাদী দলগুলো নিষিদ্ধ করলেই সব ঠিক হয়া যাইবো।

১০| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৬:৩৮

রিফাত হোসেন বলেছেন: আমি দাড়ি রাখতেই পার্লামna deshe. সবাই ঘরে চিল্লা চিল্লি কর্ত।

১১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৩৪

আরাফাত টিটু বলেছেন: আমি নিজেও সময় পেলে শাহবাগ যাই
যদিও আমার ফাইনাল পরীক্ষা চলতেছে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।এদের
ফাঁসি হোক। কিন্তু সব
দাড়িয়য়ালা তো যুদ্ধাপরাধী না।
যে কাউকে পথে ঘাঁটে হেই করা উচিত নয়।

১২| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:০৬

আবিরে রাঙ্গানো বলেছেন: ক্লিন সেভ করা অনেকেই জামাত শিবির করে বলে তো জানতাম। শুধু দাড়ীর দিকে মানুষের নজর কেন? এটা কি ইসলামের উপর নাস্তিকদের ক্ষোভ ঝাড়ার মক্ষম সুযোগ?

১৩| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:১৯

খুব সাধারন একজন বলেছেন: সময় যত গড়ায় প্রোপাগান্ডা ততই সূক্ষ্ণ হয়।

পোস্টদাতার উদ্দেশে বলছি না, সার্বজনীন কথা,

*যারা প্রথমদিন লিখেছিল রাজাকারের মুক্তি চাই/জয় রাজাকার/আমি রাজাকার/জামাত জিন্দাবাদ/কাদের মোল্লার জয় ইত্যাদি,
*তারাই দ্বিতীয়দিন লিখেছিল আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনে নামা বাংলাদেশের সব স্তরের মানুষেরা বেশ্যা, আমরা গাঞ্জুট্টি, নাস্তিক, রেপিস্ট, ভাড়াটে, জুসের বোতল লোভী,
*তৃতীয় দিন লিখেছিল, তারাও বিচার চায়, কিন্তু...
*তারাই চর্তুথ দিন লিখেছিল আমরা ফ্যাসিস্ট,
*পঞ্চমদিন লিখেছিল আমরা আর কয়দিন থাকব- একদিন রাজপথ ছেড়ে দিতে হবে,
*এরপর লিখেছিল আমরা কোটাবাজ (মুক্তিযুদ্ধার সন্তানের কোটা!), সাগর রুনী হত্যা, পদ্মা সেতু, কুইক রেন্টাল,
*সপ্তম দিন আর আমাদের বিরুদ্ধে কিছু বলে না, আওমী দলে থাকা রাজাকার ও ছাত্রলীগের বদনাম,
*এরপর দাড়ি টুপি ও মসজিদের অপমান ও আলেম সমাজ (আসলে শিবির)এর মিছিলে হামলা, সেন্টিমেন্ট নিয়ে টানাটানি, অথচ লক্ষ লক্ষ প্র্যাকটিসিং মুসলিম এই বাংলাদেশের আন্দোলনে জড়িত।
*নবম দিনে বলে, এই আন্দোলন ব্যর্থ হয়ে যাবে, লীগও এই আন্দোলন চায় না, আওয়ামীলীগ করলেই কি যুদ্ধাপরাধ থেকে মুক্তি?
*দশম দিনে হুমকি দেয়, শাহবাগ আন্দোলন সফল তো হবেই না, বরং প্রশাসন ও অন্যান্য জায়গায় এটা হবে, সেটা হবে, শিবির সব মেরে ফেলবে (আন্দোলন শুরুর আগেরদিন যা বলেছিল, সে কথাতে ফিরে গেছে, 'গৃহযুদ্ধ' হুমকি দিলে ফ্যাসিস্ট হয় না, যারা গৃহযুদ্ধ রুখতে চায় তারা ফ্যাসিস্ট!)

আর আজকে একাদশ দিনে তারাই বলছে,

আর শাহবাগ যামু না। শাহবাগ বদলায়া গেছে।

আর তখন মধ্যম মানের শিল্পকর্ম ১০/২০/৩০ খান ফেববু শেয়ার পায়। অথচ বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার বিপ্লব এ অংশ নেয়া সব স্তরের বাংলাদেশের নাগরিকের প্রতিনিধিত্ব করা চমৎকার পোস্টগুলো একটাও প্লাস পায় না, একটাও প্রিয়তে পায় না, একটাও ফেসবুক শেয়ার বা মন্তব্য পায় না।


আর দলে দলে সেখানে সমর্থন জানিয়ে যাচ্ছে 'বাংলার' 'সাধারণ' জনতা যারা শাবাগ যেতে যেতে ক্লান্ত। ভোটের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

বাহ,
আমরা আমাদের র্ধৈয্য দেখে অবাক হচ্ছি।
আমরা এতই বদলে গেছি যে ফুল দিয়ে যুদ্ধ করতে চাই, ফুল বাঁচাতে নয়।

----------------------------
হায়রে, পরিস্থিতি ও প্রচারণা দেখে মনে হয় জামাত শিবিরও কি এইরকম মনে করে?

* ইয়াহিয়া খান- তিরিশ লাখ মারব, বাকিরা আমাদের হাতেই খাবে।
*নিয়াজী- নিচু দেশের নিচু মানুষ। এগুলো মানুষ না,বানর আর মুরগি।
*পাক আর্মির ক্যাপ্টেন- আমরা যাকে খুশি যে কোন কারণে মারতে পারি। এজন্য কাউকে গোণায় ধরি না।
*ভুট্টো, ১৯৭২- আমার সোনার বাংলা আবার আমার হবে।

-------------------------------
কারণ বাংলাদেশের জন্ম যারা চায়নি এবং সেইসব অপরাধীকে যারা টিকাতে চায় তারা একই কথা বলে-

১৯৭১ সালে জামাত ছিল না। গঠন হইসে আশি সালের পর।
২. শিবির বা কোন ছাত্র সঙ্গঠন একাত্তর সালে ছিল না।
৩. একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধা নামে বহুত ডাকাত আর রেপিস্ট ছিল। তারা অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়াত। লুট করত আর ক্যাম্প করে মেয়ে মানুষ নাচাত।
৪. শিবির জামাতের পক্ষের সঙ্গঠন নয়।
৫. ছাত্রীসংস্থার সাথে জামাতের কোন সম্পর্ক নেই-
৬. এজিদ একজন ন্যায়বিচারক শাসক। তিনি এই দেশে আসলে আমরা সবাই তার হাতে বায়াত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা তুলে দিতাম।
৭. শহীদ বুদ্ধিজীবীর যে ছবি দেয়া হয়। চোখ বাধা ইটপাটকেলের ভিতর পড়ে থাকা অর্ধনগ্ন লাশ, সেগুলো আসলে একাত্তর সালে গণহত্যার শিকার জামাতে ইসলামীর সদস্য।
৮. শিবির, 'একাত্তরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার'
৯. স্বাধীনতা এনেছি, স্বাধীনতা রক্ষা করব। -মুজাহিদ।
১০. মুজিব ক্ষমা করেছেন। সবাইকে সাধারণ ক্ষমা করেছে। (মিথ্যা কথা এটাও)
১১. বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নাই।
১২. আমি ক্ষমতায় আসলে কুরআনের আইনে তাদের শাসন করব। তাদের হাত সাক্ষ্য দিবে। পা সাক্ষ্য দিবে। -কা. মো.
১৩. বাঙালি বলতে কোন জাতি নেই।-গোলাম আজম।
১৪. এই যুদ্ধে পরাজয় হলে পূর্ব পাকিস্তানের একজন জামায়াত সমর্থকেরও আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।- গোলাম আজম।

----------------

একাত্তরে কোন ব্যক্তি রাজাকারি করুক আর না করুক, জামাতি সঙ্গঠন সাঙ্গঠনিকভাবেই রাজাকারি করেছে।
এটা ছিল তাদের প্রতিষ্ঠাতা আবুল মিয়ার নির্দেশ। আবুল জামাতি (জামাতিদের পিতা) একাত্তরেও মিডিয়াতে রাজাকারির নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তান থেকে-

*সেই নির্দেশ গোআ, ম.র.নিজামী, আআ মুজাহিদ, ওরা পালন করেছে মাত্র।
*সেই নির্দেশ সারা বাংলার রেজাকার, আল বদর, আল শামস, শান্তি কমিটি পালন করেছে মাত্র।
*সেই নির্দেশ বর্তমান জামাত পালন করছে মাত্র।
*সেই নির্দেশ পালনের জন্যই আজো শিবির বলে, 'একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেক বার।'
*সেই নির্দেশ পালন করেই জামাতিরা সব সত্যিকে অস্বীকার করে। একাত্তরকে অস্বীকার করে।
*সেই নির্দেশ পালন করেই এখন প্রোপাগান্ডা চালায়।
*সেই নির্দেশ পালন করেই বাংলাদেশের মানুষকে শত্রু বানিয়ে গৃহযুদ্ধ ঘোষণা করে।

তাই আজকের দিনের জামাত-শিবির সমর্থকদের মধ্যে,
গোলাম আজমের,
বর্তমানের শিবিরের এবং
রাজাকারদের মধ্যে কোন তফাত নেই

জামাতের গোড়ায় দোষ,
জামাতের নীতিতে দোষ,
তাই ব্যক্তি পর্যায়ে জামাত নিষিদ্ধ করতে হবে। যারা জামাতের সাথে যুক্ত তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতি হুমকি বিধায় স্বাধীনতা রক্ষার প্রয়োজনে ব্যক্তিগত পর্যায়ে জামাত ও তার সমস্ত নীতিগত সমর্থক ও তাদের সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিকতা নিষিদ্ধ করতে হবে।

এই কর্মীদের লিস্ট জামাতের কাছেই রয়েছে। যারা দেখেশুনে এবং বুঝেও এমন অপপ্রচার ও অপশক্তির সমর্থন করতে পারে তাদের নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা সম্ভব নয়।

১৪| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫৪

চলতি নিয়ম বলেছেন: ইঁচড়েপাকা ছেলে বলেছেন: ছাগু আরিফ

১৫| ২৩ শে মার্চ, ২০১৩ সকাল ১১:০৪

মো: হাবিবুর রহমান (জুসেফ) বলেছেন: লোকটির অপরাধ যদি দাড়ি ও সুন্নত তরিকা হয় তবে যারা তার শরীরে আঘাত করছে সেগুলো হচ্ছে সরকারের পোষ্য কুকুর।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.