| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
This post is in response to the call of a brother asking for atheists to engage in a debate with the theists. I shall invite both parties here to come with open mind and help us finding the truth while I myself would like add my views with the role of an atheist. So I am proposing the way to start below while any one is welcome with different approach as well.
It's difficult to come to any conclusion regarding the existence of God from either side. Neither an atheist nor a theist can present any solid proof in favor of his stand. But it doesn't mean the discussion is over. Let me explain the scope here.
Any theist who believes in some sort of religion must believe in a particular form of God pertaining that religion. Rather than proving that there is "Nothing" it's easier to disprove that there is "Something" in a specific shape with some distinct attributes. So it's easier for an atheist to prove that the concept of God in a particular religion is erroneous. In other sense he can debunk arguments in favor of any religion using by disproving the claims of that very religion.
So lets think we have a handful of religions and an atheist proves religion 'A' is false, again he proves religion 'B' or 'C' is false in the same way. Thus he he can prove any religion is false that gives him the ground that there cannot be a God the way the religious people like to think. And thus he dismisses the probability of a God existing the way He is described in different religious scriptures.
For me, a religious person doesn't need to go that far. It's because he always thinks his own religion is only the correct one. So if that particular religion can be proved false, I believe the purpose of the discussion is already served.
Now if the method is ok for you, I can engage in the discussion immediately with anyone from any religion. But it should be one religion at a time. Since we have around 90 percents of Muslims in Bangladesh, I shall be happier to engage with a Muslim first.
Hope we shall respect logic and critical reasoning and be less offended by the facts brought onto the table of discussion.
২|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:২০
দিশার বলেছেন: বার্ডেন অফ প্রুফ ইস নট অন এথেইস্ট .
সহজে বুঝায়ে বলি , মনে করেন আব্দুল করিম দাবি করলো তার খাটের তলাতে এক অদৃস্য পরি বাস করে, এখন ইটা আব্দুল করিম এর বার্ডেন প্রমান করা যে, হা তার কথা সত্য। আমরা যারা শুনলাম করিম এর দাবি, আমরা বলতে পারি এটু টুকু যে, পরি আসে কি নাই সেটা প্রমান না করা পর্যন্ত, আমরা আব্দুল এর হাইপোথিসিস রিজেক্ট করলাম .
এখন গণিত এর যে কোনো স্টুডেন্ট জানেন যে , নাল হাইপোথিসিস রিজেক্ট করা যায়, ফলস বলা যায় না . সিম্পল গণিত
করিম বলতে পারে না যে, অদৃস্য পরি নাই ইটা আমাদের প্রমান করতে। কারণ ক্লেম তো আমার না ! ক্লেম টা করিমের, তাই প্রমানের দায় করিম এর উপর .
এরেকটা সিম্পল উদাহরণ দেই , লিগাল সিস্টেম এর তাকান , পুলিশ বলল তার কাসে প্রমান আসে আব্দুল করিম খুনি , এবং প্রমান আদালত য়ে পেশ করলো . আদালত বলতে পারে এটু টুকু যে, প্রমান যথেষ্ট কিনা , আব্দুল করিম কে খুনি সাবস্ত করতে . আদালত বলতে পারে না খুন আব্দুল করিম করেছে কি করে নাই। আদালত বলে, পুলিশ এর নাল হাইপোথিসিস ( আব্দুল করিম খুনি) , আদালত গ্রহন করলো না রিজেক্ট করলো (প্রমান সাপেক্ষে)
তাই থেইস্ট রা যখন বলবে দের ইস গড , প্রমান এর দায়ত্ব তাদের।
ধন্যবাদ।
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:২৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: I completely agree with you and my post goes parallel with what you said. Thanks anyway.
৩|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:২৪
আমি মেহমান বলেছেন: It is difficult to engage in a discussion with someone who thinks that the opposite of 'atheists' is 'theists'!
There are atheists and believers. Belief is not linked to 'right' and 'wrong' but its about 'truth' and 'lie'. If you can follow the argument thus far you don't require a debate or a discussion!
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৩২
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: If you are able to think that way, then you are not the target reader of the post.
৪|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৩৯
দিশার বলেছেন: "Neither an atheist nor a theist can present any solid proof in favor of his stand."
"So lets think we have a handful of religions and an atheist proves religion 'A' is false, again he proves religion 'B' or 'C' is false in the same way. Thus he he can prove any religion is false"
ই কথা গুলা বাদ দেন , প্রমান এর দায় এথিস্ট এর নয় !
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৫:৪৪
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: প্রমান এর দায় এথিস্ট এর নয় ! Agree
Here I am not talking about proving anything by the atheists rather disproving the claims of the believers.
৫|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:০০
তিতুন বলেছেন: শুধু ইসলাম নিয়ে কিছু বলতে চাইছি না। সকল ধর্মের পরিপ্রেক্ষিতে একটা কথা বলতে পারি। যখন আমরা একটি পাথর রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখি, তখন মনে করি এটা শুধুই একটা পাথর। প্রস্তর শীলা থেকে বিচ্ছিন্ন একটা পাথর। এর কোন বিশেষত্ব নেই। এটা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। কিন্তু যদি আমরা দেখি একটা কারুকার্য করা পাথরের মূর্তি তখন আমাদের লজিক এটাই বলে যে এটি আপনা আপনি প্রস্তর খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তৈরি হয় নি। এর পেছনে কোন এক তৃতীয় ব্যক্তির হাত রয়েছে। কেউ কেউ হয়তো বলবে, এটি আগে কোন বড় পাথরের পিণ্ড ছিল। পড়ে ঝর বৃষ্টি, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষয় হয়ে গিয়ে আপনা আপনি একটি নিখুঁত মূর্তির আকার ধারণ করেছে। কিন্তু এটা বিশ্বাস যোগ্য হবে না। এখন কেউ মনে করবে বিশ্বাস অবিশ্বাস আপেক্ষিক, এক জনের কাছে যা বিশ্বাস যোগ্য, আর এক জনের কাছে তা বিশ্বাস যোগ্য নয়। তেমনি, কিছু বিজ্ঞানী বিশ্বাস করে প্রাণ এর সৃষ্টি হয়েছে একটি প্রোটিন অনু থেকে। প্রোটিন অনুটি তৈরি হয়েছে তার সৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ থেকে। তারপর সেটি বিবর্তিত হয়ে বিভিন্ন প্রাণীর সৃষ্টি হয়েছে এবং বিবর্তনের ধারায় সব সৃষ্টি পূর্নতা লাভ করেছে। বিবর্তন একটি সায়েন্টিফিক সত্য। এটি প্রমাণিত কিন্তু বিবর্তনের কারণে একটি প্রোটিন অনু থেকে মানুষের মত জটিল জৈবিক প্রাণী তৈরি অনেকটা সেরকম শোনায় যেমনটি একটি প্রস্ত খন্ড থেকে নিখুঁত পাথরের মূর্তি আপনা আপনি তৈরি হয়ে যাওয়া। এখন ধরে নিলাম, প্রোটিন অনুটি আপনা আপনি তৈরি হয়েছে এবং বিবর্তনও সঠিক ভাবে হয়েছে কারণ এটি অনুকূল পরিবেশ পেয়েছে। তাহলে এর অনুকুল পরিবেশটি কে তৈরি করল - এই চিন্তা আমাদের মাথায় আসে। এভাবে আপনি যত পেছনে যাবেন, একটি প্রাইমারি সৃষ্টিকর্তার দিকে চলে যাবেন যিনি হয়তো সবকিছু সৃষ্টি করেন নি কিন্তু সৃষ্টির সূচনা করেছেন মাত্র। এই যে প্রাইমারী সৃষ্টিকর্তা, তাঁকে আমরা ধরে নিচ্ছি একমাত্র ঈশ্বর যার উপরের দিকে সৃষ্টির আর কোন স্তর নেই। এখন আমার মনে হয়, স্রষ্টা আর সৃষ্টির এই চক্রকে আপনি যদি আপনি অসীম হিয়েবে দেখেন তাহলেও আপনি 'atheist' আর যদি একটি সীমিত আকরে দেখেন, অর্থাৎ যার একটি সুনির্দিষ্ট সূচনা আছে, তাহলে আপনি 'theist'
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:২৫
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: তার মানে আপনি স্বিকার করছেন এভাবে কোন সিদ্ধান্তে আসা যাবে না।
এখন ধরেন আমি বললাম জেব্রা নামক অতি সুন্দর এক প্রাণী এই সব কিছু আবিষ্কার করে নিজে জেব্রা সেজে সব কিছু পর্যবেক্ষণ করতেছে। আপনি আমার যুক্তি কিভাবে খণ্ডন করবেন?
অথবা আপনার ধর্মের বাইরে কোন ধর্মাবলম্বী যদি তার গডকে এই সৃষ্টির কৃতিত্ব দিতে চায় তাহলে কিভাবে প্রমাণ করবেন সে ভুল?
আমি সেইখান থেকেই শুরু করতে চাইছি।
৬|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:১২
দিশার বলেছেন: @তিতুন
বহু পুরানো কথা, স্টিল বলতে হয় , তাহলে সৃষ্টি কর্তা কে , কে সৃষ্টি করেছে ?
কেন ধরে নিচ্ছেন তার উপরে কেও নেই ? মাত্র যুক্তি দিলেন যে , আপনের পাথরের মূর্তি আপনা আপনি আসতে পারে না ..কেও সৃষ্টি করেছে।।।
লজিকাল ফালাসী তে পরে গেলেন রে ভাই .
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:২৭
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: হুম। এভাবে হবে না। বরং আপনি কোন ধর্মকে ডিফেন্ড করতে চান বলেন। সেটা ডিস্প্রুফ করা একজন নাস্তিকের পক্ষে সহজ।
৭|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:২১
তিতুন বলেছেন: @দিশার: সৃষ্টিকর্তা কে?
উত্তরঃ একজন রোবটের কাছে মানুষ হল তার সৃষ্টিকর্তা। আবার একজন মানুষের কাছে ঈশ্বর হল তার সৃষ্টি কর্তা। এখন, যদি ধরে নেই, মানুষকে সৃষ্টি করেছে মানুষেরই উপরের স্তরের ট্রন নামক এলিয়েন গোষ্ঠি, তাহলে, রোবটের সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে ট্রনেরা। তেমনি, আপনি, আপনার সৃষ্টিকর্তা হিসেবে কাকে বিশ্বাস করতে চান সেটা আপনার ব্যাপার। আপনি একেবারে সর্বোচ্চ স্রষ্টার দিকে যেতে পারেন আবার মনে করতে পারেন এর মধ্যে ইন বিটুইন আর একটি সৃষ্টিকর্তা আছেন। তাহলে আপনার স্রষ্টার সৃষ্টি কর্তা সেই উপরের লেভেলের স্রষ্টা। এখন সর্বোচ্চ সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করবেন কি করবেন না সেটা আপনার উপর ছেড়ে দিলাম। আর একটি উদাহরন দেওয়া যেতে পারে, কেউ প্রশ্ন করল, ডিম আগে না মুগরি আগে? এর উত্তর দুইই হতে পারে। এখন যে কোন একটিকে ধ্রুব হিসেবে গ্রহন করবেন কি না সেটা আপনার ব্যাপার।
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:৩৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: একটা বিষয় আমরা ধর্ম বিশ্বাসীরা ভুলে যাই। কোন রকমে সৃষ্টিকর্তাকে কেউ ভয়েড প্রমাণ করতে না পারলেই আমরা খুশিতে বুক চাপড়াতে থাকি এই বলে যে আমার ধর্ম ঠিক আছে।
কিন্তু একটু দাঁড়ান ভাই। ধরে নিলাম সৃষ্টিকর্তা আছে। তাই বলে আপনার কাজ শেষ হয়ে যায়নি। আপনাকে প্রমাণ করতে হবে এই সৃষ্টিকর্তাই আপনার ধর্মে বলা সেই সৃষ্টি কর্তা। এর সাথেই আপনার অথবা আপনার ধর্মীয় গুরুর যোগাযোগ। এই সৃষ্টিকর্তাই আপনার পূজা পাবার জন্য উদগ্রীব। এই সৃষ্টিকর্তাই আপনাকে শাস্তি দেবার জন্য বেবস্থা করে রেখেছেন।
কি সেই অকাট্য প্রমাণ আপনার কাছে আছে যে এটা অন্য ধর্মের নয় বরং আপনার ধর্মের সৃষ্টিকর্তা?
৮|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:২৭
দিশার বলেছেন: @তিতুন , আপনি কিসের উপর দাড়িয়ে আপনার লজিক দিচ্ছেন বুঝতে পারছি না দুখিত্ত . মুসলিম রা বিসসাস করে , আল্লাহর কে কেও সৃষ্টি করে নি, হিন্দু রা বিসসাস করে ব্রম্মা সেম্ভু! নিজেই নিজের সৃষ্টি কর্তা। আপনার অবস্থান ক্লিয়ার করুন প্লিজ
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:৪০
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আগে কোন ধর্ম ডিফেন্ড করতে চান বলেন। তারপর সেটাকে বিচার করা যেতে পারে।
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:৪১
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: আমরা আশা করতে পারি কোন খোলা মনের মুসলমান ভাই আমাদের সাথে যোগ দিবেন
৯|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:৪৯
তিতুন বলেছেন: মুসলিমরা আল্লাহকে তাদের সর্বোচ্চ এবং ডাইরেক্ট সৃষ্টি কর্তা হিসেবে দেখে। অন্যান্য ধর্মে একেশ্বরবাদ অতটা পাত্তা পায় নি। না হিন্দু ধর্মে না খৃস্ট ধর্মে। হিন্দুরা অসংখ্য দেব দেবীর পূজা করে। সেখানে সৃষ্টির সাথে স্র্ষ্টার বিয়ে হয়। সৃষ্টিকর্তার মর্যাদা সেখানে হেয় প্রতিপন্নিত। খৃস্টনরা ঈশ্বরের অস্তিত্বে যিশুকে অংশীদারিত্ব দিয়েছে। বৌদ্ধরা মনে করে পাপ থেকে মুক্তি হা হওয়া পর্যন্ত তারা পুন পুন জন্মলাভ করতে থাকে এবং অবশেষে তারা ঈশ্বরের মাঝেই বিলীন হয়ে যায়। সব দিক থেকে বিবেচনা করলে একমাত্র ইসলাম ধর্মেই স্রষ্টাকে অসীম ক্ষমতাবান এবং স্রষ্টা ও সৃষ্টির সম্পর্ক সুনির্দিষ্ট। আর ইসলাম ধর্মের ভিত্তি হল ইতিহাস, কোন মিথলজি নয়, যা আর একটি ঐতিহাসিক ধর্ম খৃস্টধর্মের অনেক যুক্তি খণ্ডন করেছে এবং সর্বজন সমাদৃত একটি ধর্মে পরিনত হয়েছে। আর একটি বিষয় বিবেচ্য যে, যারা ধর্মান্তরিত হয়, তারা বেশির ভাগই অন্যান্য ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্মে এসেছে এর যৌক্তিকতা আর সৌন্দর্য বিবেচনা করে। কিন্তু ইসলাম থেকে অন্যান্য ধর্মে রূপান্তরিত হওয়ার ঘটনা বিরল।
আমি জানতাম এসমস্ত বিতর্ক এসে যাবে এবং এই পুরনো বিতর্কের বিষয় নিয়ে আর ঘাটাতে চাই নি। সেজন্যই শুরুতেই বলেছিলাম ইসলাম সম্পর্কে কিছু বলতে চাই না। এখানে শুধু আমি স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাসের উপর আলোকপাত করার চেষ্টা করেছিলাম।
আর আমার অব্থান যদি জানতে চান তাহলে বলব, স্রষ্টার অস্তিত্বে অবশ্যই বিশ্বাস করি কিন্তু স্রষ্টা হিসেবে আল্লাহকেই বিশ্বাস করি কি না কিংবা কেন করি বা করি না সেসব বিষয়ে বিতর্ক করতে চাই না।
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:০০
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: সরল স্বীকারোক্তির জন্য ধন্যবাদ।
১০|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:৫৮
তিতুন বলেছেন: তবে অন্যান্য ধর্মের উপর ইসলাম ধর্মের যৌক্তিকতা তুলে ধরতে পারি। But I guess that's not the topic of this discussion.
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:০৩
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: আপনি সেই ধর্মের সত্যতা তুলে ধরতে পারেন যেটা আপ্নিন বিশ্বাস করেন। তা না হলে আলোচনায় লাভ দেখিনা।
১১|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:০০
দিশার বলেছেন: ইসলাম থেকে অন্যান্য ধর্মে রূপান্তরিত হওয়ার ঘটনা বিরল
কারণ একমাত্র "শান্তি" কামী ইসলাম যে, ধর্ম ত্যাগ কারীর শাস্তি মিত্যুদন্ড !!
যাই হোক , প্রমান এর দায় আপনার, আপনে প্রমান করেন আল্লাহ আসে কি নাই .
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:০৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: আসলে এভাবে বলে লাভ নেই। আমাদের মধ্যে যারা চিন্তা করেন তাদের মনে প্রশ্ন আসে ঠিকই কিন্তু নিজেকে সেই প্রশ্ন করা, উত্তর খোঁজা অথবা নিজের কাছে সন্দেহকে স্বীকার করার সৎ সাহস সবার থাকেনা।
ধর্মের ভয় মানুষের মনের গভীরে প্রোথিত। ছেলে বেলা থেকে এই ভয় নিয়ে মানুষ বেড়ে উঠে। এটাকে উপেক্ষা করা খুব সহজ নয়।
১২|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৭:৪২
তিতুন বলেছেন: ধর্ম প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়, বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। যুক্তি দিয়ে এর সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব নয় কারন কোন না কোন সময়ে সেটা এসে বিশ্বাসে আটকে যাবে। এবং বিশ্বাসের স্বরূপটি হবে এরকম, কেউ কেউ বলবে, আমি এটা দেখি নি, সুতরাং আমি এটা বিশ্বাস করি না। আবার কেউ কেউ বলবে আমি দেখি নি কিন্তু আমার মন বলছে এটাই সত্যি। ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয় যে সে যেটা দেখছে তার বিপরীত বলছে। কেউ একটা জিনিস দেখে নি, তার মানে এই নয় যে জিনিসটা মিথ্যা। এরূপ যে যে যার যার ধর্ম পালন করে এই বিশ্বাস নিয়েই করে। আর ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের দায়িত্ব একজন নাস্তিকের যদি সে কোন আস্তিকের সাথে যুক্তিতে আসতে চায়। আর আস্তিকদের ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ করার কোন দায়িত্ব নেই কারন সেটা তারা বিশ্বাস করে। অংক কষে প্রমান করে তারপর তারা আস্তিক হয় নি। কাজেই আমি মনে করি আস্তিকতা নাস্তিকতা বিষয়ক বিতর্ক কখনো একটি কনক্লুশনে আসতে পারে না। কারণ সেটা আস্তিক দের বিশ্বাসের কাছে আটকে যাবে আর নাস্তিকরা ঈশ্বর যে নেই এটা প্রমান করতে পারবে না।
_____________________________________
আস্তিকতা নাস্তিকতা বিষয়ে আমার প্রিয় কিছু উক্তিঃ
আমিঃ আস্তিকতা আর নাস্তিকতা একজন মানুষের জীবনে বারবার আবর্তিত হয়। পুরোপুরি আস্তিক অথবা পুরোপুরি নাস্তিক মানুষের সংখ্যা খুবই কম।
বাবাঃ মানুষ অল্প ভাবলে হয় নাস্তিক কিন্তু আরো বেশী গভীরভাবে ভাবলে হয় আস্তিক।
ভাইযাঃ ঈশ্বর থাকলে আছেন তার মত। আমি চলি আমার মত।
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৯:৪৯
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: আমি বলব আপনার এই লাইনে আরও অনেক কিছু জানার আছে। চোখ কান খোলা রাখুন।
আপনার প্রিয় উক্তিগুলো প্রতিটিই ভুল। দুঃখিত বলতে বাধ্য হলাম।
১৩|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:২৯
মূসা আলকাজেম বলেছেন: بسم الله الرحمن الرحيم
আল্লাহ্ই সকল প্রশংসার প্রকৃত হকদার, অসংখ্য দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নবীর উপর বারবার।
আস্তিক ও নাস্তিকের মাঝে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে। সভা লোকে লোকারণ্য। মঞ্চে ইতিমধ্যে উভয় দলের তার্কিকরা উপস্থিত হয়ে গেছে। যেহেতু প্রমাণ সব সময় বাদীকেই পেশ করতে হয়, তাই প্রথমে আস্তিকপক্ষ থেকে একজন যুক্তি পেশ করছে।
আস্তিকের যুক্তিঃ
১-কোন কিছু কারণ ছাড়া হয়না।
২-সুতরাং এই মহাবিশ্বও কারণ ছাড়া হতে পারেনা।
৩-আর মহাবিশ্ব যে কারণে অস্তিত্ব লাভ করলো তিনিই হলেন সৃষ্টিকর্তা।
নাস্তিকের পাল্টাযুক্তিঃ
তোমার এই যুক্তির উপর তিনটি আপত্তি আসে।
১- ধরো মানলাম কোনকিছু কারণ ছাড়া হয়না।তো এই সূত্র অনুসারেতো সৃষ্টিকর্তারও একটা কারণ লাগে।
২- আর যদি বলো যে, সৃষ্টিকর্তার পিছনে কোন কারণ নাই, তাহলেতো তোমার যুক্তির ১ম ধাপটি অর্থাৎ কোন কিছু কারণ ছাড়া হয়না এটা তুমি নিজেই মানলেনা।
৩- সেক্ষেত্রে তো আমি বলতে পারি যে, এই মহাবিশ্বের পিছনেও কোন কারণ নেই। এটা অনাদি কাল থেকে আছে। তুমি যেটা স্রষ্টার জন্য ধরে নিলে, আমি সেটা মহাবিশ্বের জন্য ধরে নিলাম।
এবার আস্তিক মাথা চুলকাচ্ছে, কি বলবে বুঝতে পারছেনা। এমন সময় মঞ্চে হাজির হলেন একজন বৃদ্ধ আস্তিক ।
[sb] তিনি বললেনঃ ভাই নাস্তিক তুমি কথা ঠিকমত বুঝোনি।" কোন কিছু কারণ ছাড়া হয়না" একথাটি নিয়ে তুমি একটু চিন্তা করো যে, এটা দিয়ে আসলে কি বুঝানো হচ্ছে। এটা দিয়ে আসলে বুঝানো হচ্ছে যে, যা কিছু আগে ছিলোনা, পরে অস্তিত্বে এসেছে সেটার ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে যে, এটাকে অস্তিত্বে আনার জন্য অবশ্যই একটা কিছু লাগবে। আর মহাবিশ্বের একটা শুরু আছে, তাই এর জন্য একজন সৃষ্টিকর্তা লাগবে। কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কোন শুরুই নাই, এমন নয় যে তিনি আগে ছিলেননা পরে অস্তিত্বে এসেছেন। তাই তার জন্য কোন সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন নেই। উপরের ১ম আস্তিকের যুক্তিকে আমি নীচের মত করে পেশ করছি।
১-কোন কিছু শূন্য থেকে নিজে নিজে অস্তিত্বে আসতে পারেনা, অপর কোন সত্তার হাত ছাড়া।
২-আর এই মহাবিশ্ব একসময় ছিলোনা, পরে অস্তিত্বে এসেছে।
৩-অতএব অবশ্যই কেউ তাকে অস্তিত্ব দান করেছে । আর তিনিই হলেন সৃষ্টিকর্তা।
৪- আর সৃষ্টিকর্তা শূন্য থেকে অস্তিত্বে আসেননি, বরং তিনি অনাদি কাল থেকেই ছিলেন। তাই তার কোন স্রষ্টা নেই।
এবার নাস্তিক বললোঃ বুঝলাম আপনার কথা। আপনার যুক্তির প্রথম ধাপ আপাতত মেনে নিলাম । কিন্তু দ্বিতীয় ধাপের প্রমাণ কি? অর্থাৎ এই মহাবিশ্ব যে একসময় ছিলোনা, পরে অস্তিত্বে এসেছে এ কথার প্রমাণ কি ? এরপর চতুর্থ ধাপের প্রমাণ কি? অর্থাৎ স্রষ্টাকে যে কেউ সৃষ্টি করেনি এটার প্রমাণ কি?
বৃদ্ধ আস্তিক বললোঃ এ কথার প্রমাণতো অনেক আগেই দার্শনিকরা দিয়ে গেছেন। এই মহাবিশ্বের যদি কোন শুরু না থাকে, তাহলেতো আমাদের আজকের এই কথাবার্তার আগে অসীম ঘটনা এই মহাবিশ্বে ঘটেছে। অথচ এটা কি সম্ভব? আমাদের পূর্বে যদি অসীম ঘটনাই থাকতো, তাহলে তো সেই অসীম ঘটনা কোনদিন ঘটে শেষ হতোনা, আর আমরাও কোনদিন এই কথাবার্তা বলার চান্স পেতামনা। কিন্তু যেহেতু আমাদের কথাবার্তা বলার পর্বটি এসেই গেছে, এতে বুঝা যায় যে এই পর্বটি কিছু সসীম ঘটনার পরেই এসেছে। আরো বিস্তারিত বুঝতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন। এই লিংকের লেখাটা নীচে পেষ্ট করে দিলাম
আমাদের এই মহাবিশ্বের কি কোন শুরু আছে? এই মহাবিশ্ব কি একসময় ছিলোনা? নাকি অনাদি অসীম কাল থেকে এভাবেই চলে আসছে? অনেক পুরোনো প্রশ্ন।কিন্তু জটিল প্রশ্ন। কেননা আমরা নিজেরা অনাদি কাল থেকে ছিলামনা, আবার মহাবিশ্বের সৃষ্টির সময়ও ছিলামনা। তাহলে কিভাবে বলি যে, এই মহাবিশ্বের কোন শুরু আছে কি নাই?একটু চিন্তা করুন। মাথটা একটু খাটান কিছু সময়। কি মাথায় কিছু ধরছেনা, তাই না? কিভাবে কি চিন্তা করবেন কিছুই বুঝতে পারছেন না।তবে হতাশ হওয়ার কোন কারণ নেই। কারণ মহাবিশ্ব যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি আমাদের জন্য এর মাঝে এমন কিছু নিদর্শন রেখে দিয়েছেন, যাতে আমরা সহজেই বুঝে নিতে পারি যে, এই মহাবিশ্ব এক সময় ছিলোনা, একে সৃষ্টি করা হয়েছে, একে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্ব দেয়া হয়েছে।সেসব নিদর্শন দেখে দার্শনিকরা এই প্রশ্নের সমাধান অনেক আগেই করে গেছেন। কিন্তু দার্শনিকরা সমাধান করে গেলেও, কিছু নাস্তিকের অযথা কূটতর্কের কারণে বর্তমানে অনেকেই সেটা ঠিকমত বুঝতে পারেনা। দার্শনিকদের সেই যুক্তিকে এক জায়গায় সহজ করে বুঝানো হয়েছে। সেখান থেকে এই ব্লগের পাঠকদের জন্য কপি করলাম সাথে কিছু বাড়িয়ে কমিয়ে।নীচের লেখাটি পড়ার আগে আপনি এই প্রশ্নের উত্তর নিজে নিজে দেয়ার জন্য একটু চিন্তা করে নিন, নিজের মাথাটা একটু খাটিয়ে নিন। এতে করে নীচের লেখাটা বুঝা সহজ হবে।
ঘটনা-ক................................................ঘটনা-খ
দেখুন, কেউ যদি আপনাকে বলে যে,"ক" এর অসীম কাল পর "খ"ঘটবে। তাহলে এই কথার কি অর্থ হয়? একটু চন্তা করুন। ঘটনাটি কি ১ কোটি বছর পর ঘটবে? নাকি ১০০ কোটি বছর পর ঘটবে? নাকি ১০০০ কোটি বছর পর ঘটবে? আমরা সবাই সহজেই বুঝতে পারছি যে আসলে "খ" কখনোই ঘটবে না। কেননা এই অসীম কালও কখনো শেষ হবে না, আর "খ"ও কখনো ঘটবে না। ঠিক উল্টোভাবে দেখুন, যদি কেউ বলে যে,"খ" এর অসীম কাল পূর্বে "ক" ঘটেছিলো।তাহলে এই কথার কি অর্থ হয়? চিন্তা করুন, মাথা খাটান। ঘটনাটি কি ১ কোটি বছর আগে ঘটেছে? নাকি ১০০ কোটি বছর আগে ঘটেছে? নাকি ১০০০ কোটি বছর আগে ঘটেছে? নাকি ১ লক্ষ কোটি বছর আগে ঘটেছে? তাহলে এই কথার অর্থও আমরা সহজেই বুঝেতে পারছি যে,'ক' আসলে কখনো ঘটেই নি।অর্থাৎ একটি ঘটনা ঘটবে না অথবা কখনো ঘটেনি এই সহজ কথাটাকে একটু গাণিতিক ভাষায় বললে এভাবে বলবো যে, ঘটনাটি অসীম কাল পরে ঘটবে বা ঘটনাটি অসীম কাল পূর্বে ঘটেছে।
(১) "ক" কখনো ঘটবে না = "ক" অসীম কাল পরে ঘটবে। দুইটা কথা একই।
(২) "ক"কখনো ঘটেনি = "ক" অসীম কাল পূর্বে ঘটেছিলো। এই দুইটা কথাও একই।
((অনেকেই অভিযোগ করেছেন যে তারা ১নং সমীকরণটি বুঝলেও ২নং সমীকরণটি বুঝতে পারছেন না।তাই এই ২নং সমীকরণটি আর একটু ব্যাখ্যা করছিঃ
"ক".............অসীম কাল..............."খ"...........অসীম কাল..........."গ"
এখন দেখুন যদি বলি "খ"এর অসীম কাল পর "গ" ঘটবে তার মানে হলো "গ"কখনো ঘটবে না এতটুকু আমরা সবাই বুঝেছি। ঠিক তেমনি "খ"এর অসীম কাল পূর্বে "ক" ঘটতে পারেনা। কেননা তাহলে এই কথার অর্থ দাঁড়াবে "ক" এর অসীম কাল পর "খ" ঘটেছে, আর এটা যে অসম্ভব তাতো আমরা ১ম সমীকরণ থেকেই বুঝেছি। মোটকথা, দুইটি ঘটনা যদি বাস্তবে ঘটেই থাকে, তাহলে কখনো এই দুটি ঘটনার মাঝে অসীম কালের ব্যবধান থাকতে পারবে না, অবশ্যই একটি ঘটনা, অপর ঘটনার একটি নির্দিষ্ট ও সসীম সময় পর ঘটেছে।কেননা দূ'টি ঘটনার মাঝে যদি অসীম সময়ের ব্যবধান থাকে, তাহলে এই অসীম সময়ও কখনো শেষ হবে না আর পরের ঘটনাটিও কখনো ঘটবে না।)) এখনও যদি না বুঝে থাকেন তাহলেও সমস্যা নাই সামনে অগ্রসর হোন। আর একটা কথা হলো, সময় দিতে হবে,চিন্তা করতে হবে একবার পড়ে না বুঝলে ২৩ বার পড়তে হবে, অস্থির হলে কি হয়। আর ১ম সমীকরণ থেকে কোন মুসলিমের মনে যদি এ প্রশ্ন জাগে যে, তাহলে বেহেশতের জীবন কিভাবে অনন্ত কাল ধরে চলতে থাকবে। তারা ৪নং কমেন্টের জবাব দেখুন।
ধরুন, আপনার কোন বন্ধু আপনার বাসায় আসলে পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন যে কখন রওয়ানা দিয়েছো।যদি বন্ধু বলে,অসীম কাল পূর্বে, তাহলে এটা অবশ্যই মিথ্যা কথা হবে। কেননা,তাহলে এই অসীম কালও কখনো শেষ হতো না ,আর আপনার বন্ধুরও আপনার বাসায় কখনোই আসা হতোনা।কিন্তু যেহেতু বন্ধু আপনার বাসায় এসেই গেছে সেহেতু অবশ্যই সে একটি নির্দিষ্ট সময়ে রওয়ানা দিয়ে একটি সসীম সময় পরে আপনার বাসায় এসেছে।
আবার ধরুন, একটি ঘটনা "ক" । কেউ যদি বলে "ক" অসীম সংখ্যক ঘটনার পরে ঘটবে তার মানে হলো "ক" কোন দিন ঘটবে না।কেননা অসীম সংখ্যক ঘটনাও কোন দিন ঘটে শেষ হবে না, আর "ক" নামক ঘটনা ঘটার সুযোগও কখনো আসবেনা। অনুরুপভাবে, কেউ যদি বলে "ক" অসীম সংখ্যক ঘটনার পর ঘটেছে; তাহলে সেটা ভুল হবে। কেননা, "ক" এর আগে যদি অসীম সংখ্যক ঘটনাই থাকতো, তাহলে সেই অসীম সংখ্যক ঘটনাও কোনদিন ঘটে শেষ হতো না আর "ক" ও কোনদিন ঘটত না। কিন্তু যেহেতু "ক" ঘটেছে সেহেতু অতি অবশ্যই তা একটি সসীম সংখ্যক ঘটনার পরেই ঘটেছে।
ধরুন, আপনি বাসে উঠার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, আপনার সামনে যদি ৫০০জন থাকে, তাহলে আপনি ৫০০জনের পরে বাসে উঠার চান্স পাবেন। যদি আপনার সামনে ১০০০ জন থাকে তাহলে আপনি ১০০০জনের পরে বাসে উঠতে পারবেন। কিন্তু যদি আপনার সামনে অসীম সংখ্যক লোকের লাইন থাকে , তাহলে কি আপনার বাসে উঠার পালা কখনো আসবে? না, কখনো আসবে না। কেননা , অসীম সংখ্যক লোকেরও বাসে উঠা শেষ হবেনা, আর আপনারও বাসে উঠার পালা কখনোই আসবেনা। এবার উল্টাভাবে চিন্তা করুন। ধরুন, একটা লোক তার সামনের লোকদের বাসে উঠার পরে সে বাসে উঠেছে। এখন এই লোকটা কত জনের পর উঠেছে? আমরা সবাই বুঝতে পারছি যে, যত জনের পরেই উঠুকনা কেন, সেটার অবশ্যই একটা সীমা আছে। একথা বলা যাবেনা যে, সে অসীম সংখ্যক লোকের পর বাসে উঠেছে। কেননা তার সামনে যদি অসীম সংখ্যক লোকই থাকতো, তাহলেতো সেই অসীম সংখ্যক লোকেরও কোনদিন বাসে উঠা শেষ হতোনা, আর তারও কোনদিন বাসে উঠার পালা আসতনা। কিন্তু যেহেতু তার পালা এসেই গেছে, বাসে যেহেতু সে উঠেই গেছে; এটাই অকাট্য প্রমাণ যে সে সসীম ও নির্দিষ্টসংখ্যক কিছু লোকের পর বাসে উঠেছে। এখান থেকে নেয়া হয়েছে।
সুতরাং আমি আশা করি আপনারা আল্লাহ্র দয়ায় নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন যে, আমাদের এই মহাবিশ্বেরও একটা শুরু আছে। কেননা তা নাহলে তো আমাদেরকে ধরতে হবে যে, এই যে আমরা ব্লগিং করছি বা যে কোন ঘটনা এখন মহাবিশ্বে ঘটছে তা অসীম সংখ্যক ঘটনার পরে ঘটেছে বা অসীম সময় পরে ঘটেছে। অথচ মাত্রই আমরা দেখলাম যে, তা একদম অসম্ভব। অতএব একথা অকাট্যভাবে প্রমাণিত হলো যে, এই মহাবিশ্ব এবং যাকে আমরা "সময়" বলি অবশ্যই সেটারও একটা শুরু আছে।তানাহলে তো এখনকার এই মিনিটটি কখনো অস্তিত্বে আসার চান্স পেতোনা। জানি আপনার মাথায় প্রশ্ন জাগতে পারে যে , এর আগে কি ছিলো? উত্তর হলো এর আগে বলে কোন কথা নেই। কারণ সময় তখন সৃষ্টি হয়েছে। তাই ঐ সময় এই আগে-পরে বলে কোন জিনিষই ছিলোনা। কিন্তু আপনার আমার মনে কিন্তু এই প্রশ্ন জাগবেই, কারণ হলো আমরা সময়ের অধীন। সময়ের ঊর্ধ্বে উঠে আমরা চিন্তা করতে পারিনা।উপরে অকাট্য যুক্তির আলোকে প্রমাণ করা হয়েছে যে সময়েরও শুরু আছে।এখন আপনার আমার সময়ের দেয়ালে ঘেরা সীমাবদ্ধ মনে শুধু প্রশ্ন আসার দ্বারা কিন্তু তা খন্ডিত হবেনা। আমার যুক্তি খণ্ডন করতে হলে আপনাকে আমার যুক্তির ভিত্তি খন্ডন করতে হবে। তবে সময়ের যিনি সৃষ্টিকর্তা তিনি সময়ের ঊর্ধ্বে। তার কাছে আগে পরে বলে কিছু নেই। অতীত, ভবিষ্যত ও বর্তমান বলে কিছু নেই। তার কাছে নিকট দূরে বলে কিছু নেই। তিনি স্থান ও সময়ের ঊর্ধ্বে।
যারা দর্শন নিয়ে পড়াশুনা করেছে তারা প্রশ্ন করতে পারে যে,মহাবিশ্বে দুই রকম জিনিষ আছেঃ এক হলো বস্তু, আরেক হলো এই বস্তুরাজির উপর ঘটমান ঘটনা বা নড়াচড়া বা পরিবর্তন। তো আপনি যেই যুক্তি দিলেন এর দ্বারা শুধু মাত্র ঘটনাবলীর শুরু প্রমাণ হয় যে, এই যে আমাদের মহাবিশ্বে এত ঘটনা ঘটছে, এসব ঘটনার একটা শুরু আছে; কিন্তু বস্তু বা পদার্থের শুরু প্রমাণ হয়না। এমনও তো হতে পারে যে,বস্তু ছিলো কিন্তু কোন ঘটনা ছিলোনা অর্থাৎ কোন নড়াচড়া বা পরিবর্তন ছিলোনা। এই প্রশ্নটির আমরা দু'টি জবাব দিবো। তার আগে আসুন আমরা স্থান ও কাল সম্পর্কে মৌলিক ধারণা অর্জন করে নেই।
উপরের চিত্রে দেখুন দু'টি বিন্দু আছে। উভয়টিই কিন্তু বিন্দু। তবে পার্থক্য আছে। উভয়ের মাঝে যে পার্থক্য সেটাকেই আমরা বলি স্থান। উভয়ের মাঝে স্থানের পার্থক্য আছে। A বিন্দুটি এক জায়গায় আর B বিন্দুটি ভিন্ন আরেক জায়গায়।স্থানের এই পার্থক্য না থাকলে তখন আর বিন্দু দু'টি হবেনা বরং বিন্দু হবে একটি।যদি বলি শূন্য মিটার ব্যবধানে ডু'টি বস্তু আছে, এর মানে হলো আসলে একটি বস্তু আছে। এবার এক কাজ করুন, A বিন্দুতে একটি টোকা দিন কলম দিয়ে।দুই সেকেন্ড পর ঠিক আগের মাপেই আর একটি টোকা দিন B বিন্দুতে।কাজ কিন্তু আপনি একটাই করলেন।টোকা দিলেন। তবে পার্থক্য আছে। কিসের পার্থক্য? দুটি পার্থক্য আছে। একটাকে আমরা প্রকাশ করি "স্থান" এই শব্দটি দিয়ে; আরেকটি পার্থক্যকে আমরা প্রকাশ করি "সময়"এই শব্দটি দিয়ে। অর্থাৎ উভয় টোকার মাঝে স্থান ও সময়ের পার্থক্য আছে। এবার শুধু A বিন্দুতে দুই সেকেন্ড ব্যবধানে পর পর দুটি টোকা দিন। এখন শুধু একটি পার্থক্য।সময়ের পার্থক্য।এই পার্থক্যও যদি উঠে যায় তাহলে টোকা আর দুটি থাকবেনা, একটি হয়ে যাবে।আপনি শূন্য সেকেন্ড ব্যবধানে A বিন্দুতে দুটি টোকা দিয়েছেন,এর মানে হলো আপনি আসলে একটি টোকা দিয়েছেন। স্থান ও সময়ের প্রকৃতি কি,এটা নিয়ে আপনি সারা জীবন ব্যয় করলেও কোন লাভ নেই।তাই আমি সেদিকে না গিয়ে আপনাকে দেখালাম স্থান ও সময় আমাদের কি কাজে লাগে সেটা।আমরা স্থান দিয়ে দু'টি বস্তুর মাঝে পার্থক্য করতে পারি,আর সময় দিয়ে দু'টি ঘটনা বা কোন বস্তুর দুটি অবস্থার মাঝে পার্থক্য করতে পারি। যেখানেই অবস্থার পরিবর্তন আছে সেখানেই সময় আছে। এই বস্তুজগতের কোন কিছুর ক্ষেত্রে যখনই আমি পর পর দু'টি অবস্থা স্বীকার করে নিলাম, তখনই আমি অবশ্যম্ভাবীভাবে এটা স্বীকার করে নিলাম যে, ঐ জিনিষটি সময়ের অধীন এবং ঐ দুই অবস্থার মাঝে সময়ের ব্যবধান আছে। আর সময়ের যে একটা শুরু আছে সেটা আমরা আগেই দেখিয়েছি। অতএব এই তামাম বিশ্বজগতের একটা শুরু আছে, বিশ্বজগতকে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বে আনা হয়েছে। যিনি অস্তিত্বে এনেছেন তিনিই সৃষ্টিকর্তা।
এবার আসুন আমরা ঐ প্রশ্নের জবাব দু'টি দেখি।
১ম জবাবঃ প্রথমে বলতে হয় যে, এরকম কাল্পনিক কথার উপর ভিত্তি করে প্রশ্ন করলে তো দুনিয়াতে কোন কিছু প্রমাণ করা যাবেনা। প্রশ্ন করার জন্যও তো একটা ভিত লাগবে। এই প্রশ্নটির কোন ভিত্তিই নেই। কেননা স্থায়ী নড়চড়া হীন কোন বস্তু মানুষ দেখেনি, আর স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করলে এটাই বুঝা যায় যে, স্থায়ীভাবে নড়াচড়াহীন কোন বস্তু থাকা সম্ভব নয়। বস্তু থাকলেই নড়াচড়া আছে বা হবে আর নড়াচড়া বা ঘটনা থাকলেই বস্তু আছে। এটাই আমাদের চাক্ষুষ পর্যবেক্ষণ।এর বিপরীত কেউ কিছু দাবী করলে, তাকে আগে সেটা প্রমাণ করতে হবে। ঘটনা নাই মানেই হলো কোন বস্তু নাই আর বস্তু নাই মানেই হলো কোন ঘটনা নাই। অতএব ঘটনার শুরু আছে মানেই হলো বস্তুরও শুরু আছে। বস্তু এক সময় ছিলোনা, সৃষ্টিকর্তা বস্তুকে সৃষ্টি করে অস্তিত্ব দিয়েছেন এবং এরপর এই বস্তুরাজির মাঝে বিভিন্ন ঘটনা বা পরিবর্তন বা নড়াচড়া ঘটিয়েই চলেছেন; হোক সেটা সুশৃঙ্খল বা বিশৃঙ্খল।
২য় জবাবঃ আর যদি তর্কের খাতিরে মেনে নেই যে, এমন হতে পারে যে,বস্তু ছিলো কিন্তু কোন ঘটনা ছিলোনা অর্থাৎ কোন নড়াচড়া বা পরিবর্তন ছিলোনা; তাহলে বলুন, বস্তুর মধ্যে নড়াচড়া শুরু হওয়ার আগে বস্তু কতদিন স্থির অবস্থায় ছিলো? কতদিন স্থির থাকার পর বস্তুর মধ্যে নড়াচড়া শুরু হলো? বস্তুর এই দুই অবস্থার মধ্যে ব্যবধান কতদিনের? যদি বলেন, অসীম কাল; তাহলে আমরা আগেই প্রমাণ করে এসেছি যে, অসীম কাল পর কোন ঘটনা ঘটতে পারেনা। আর যদি বলেন সসীম কাল; তাহলে আপনি স্বীকার করে নিলেন যে, বস্তুরাজিরও শুরু আছে।
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ১১:৫৫
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনি জোরাল ভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছেন যে আমাদের ইউনিভার্স এর একটা শুরু আছে, এটা অসীম সময় আগে শুরু হয়নি। কিন্তু এটা প্রমাণ করতে আপনি যে যুক্তি দেখিয়েছেন ঠিক সেই যুক্তি ব্যবহার করেই আপনার গডের ধারনা ভেঙ্গে দেয়া যায়।
আমি ধরে নিচ্ছি গড অনাদি অনন্ত। সুতরাং মহাবিশ্ব শুরুর/সৃষ্টির আগেও অসীম কাল ধরে তার অস্তিত্ব। (এখন যদি এই আসিম কাল আগে তার কোন একশন/ক্রিয়া/ঘটনা না থাকে তবে তার অস্তিত্ত্ব অর্থহীন হয়ে যায়। সে অর্থে বলা যায় গডের অস্তিত্ব তখনই অর্থপূর্ণ হয় যখন সে নিজেকে কোন কাজে/ঘটনায় নিয়োজিত করে। তবে আমি এই লাইনে গেলাম না কারন এছাড়াও প্রবলেম আরেকটা আছে যা নিচে দিচ্ছি।)
এখন যদি গড মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে একটা নির্দিষ্ট সময় আগে ( যা অসিম নয়) তাহলে অসীম কাল আগে তার অস্তিত্ব থাকতে পারে না। কারন আপনার যুক্তি মত মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময়টি তাহলে আসবেই না কেননা গড সেই আসিম সময় পাড় করে মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময়টি পর্যন্ত পৌছাতেই পারবেনা। তাহলে গডেরও একটা সসীম সময়ে সৃষ্টি হতে হবে- যা মেনে নিলে তৎক্ষণাৎ গডের ধারনা বিলীন হয়ে যাবে।
কিন্তু আমার এই পোষ্ট আমি এইদিকে নিয়ে যেতে চাইনি। কারন এই বিতর্ক এভাবে শেষ হবে না।
সুতরাং আমি মেনে নিলাম গড আছে। এবং আপনার লেখা থেকে বুঝলাম আপনি মুসলমান। আপনি কি এটা আমাকে বলবেন যে আল্লাহই কি সেই গড আমরা যাকে নিয়ে এতক্ষন কথা বলছি? এই গডের কাছ থেকেই কি মুহাম্মদের কাছে বানী এসেছে বলে আপনি বিশ্বাস করেন? দয়া করে এই প্রশ্নের উত্তর দিন। তাহলে আমরা আলোচনা একটা ফলপ্রসু অবস্থানে নিয়ে যেতে পারব। আবারও ধন্যবাদ।
১৪|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:৪০
মূসা আলকাজেম বলেছেন: উপরের লেখায় একটি লিংক আসেনি। সেটা হলো
মহাবিশ্বের কি কোন শুরু আছে?
স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো? এই প্রশ্নের জবাব এই পোষ্টের ৪নং কমেন্ট থেকে নিচ্ছি।
এবার উপরের কমেন্টের বৃদ্ধ আস্তিকের যুক্তির চতুর্থ ধাপের প্রমাণ ধাপে ধাপে তিন জায়গা থেকে দেয়া হচ্ছে।
১নং জবাব নেয়া হয়েছে এই পোষ্টের একটি কমেন্ট থেকে
আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ১০ নভেম্বর ২০১১, ০২:৩৯
আপনার আরেকটা প্রশ্ন আছে। সৃষ্টি কর্তা কে সৃষ্টি করলো কে?
প্রশ্ন হওয়ার যোগ্যতা বলতে একটা কথা আছে। ধরুন আপনি একটা বই বাধিয়েছেন। যে লোকটা বইটা বাধিয়েছেন তার নাম ধরুন মুরশেদ। এখন আপনাকে একজন প্রশ্ন করল বইটা বাধিয়েছে কে? আপনার উত্তর হবে নিশ্চই মুরশেদ। এখন আবার যদি লোকটা প্রশ্ন করে মুরশেদ কে বাধিয়েছে কে? আপনার কাছে কি কোন উত্তর আছে? নিশ্চই না। কারন কি ? কারন প্রশ্নটা ঠিক হয় নি। মুরশেদ এর ক্ষেত্রে বাধানোর প্রশ্ন টা আসে না। আসে কি। মুরশেদ কে সৃষ্টি করেছে কে? এবার উত্তর টা কি হবে। নিশ্চয়ই সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ তা'আলা। এখন যদি প্রশ্ন করেন সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছে? তখন প্রশ্নটা কি "মুরশেদ কে বাধিয়েছে?" এ রকম হয়ে গেল না? অর্থাৎ দেখতে হবে প্রশ্ন হওয়ার যোগ্যতা আছে কি না । অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তার ক্ষেত্রে এই প্রশ্ন টা প্রযোজ্য নয়। আর যে প্রশ্নটাই ভুল তার তো আর উত্তর পাওয়া যাওয়া সম্ভব না।
২নং জবাব নেয়া হয়েছে এখানকার শেষ অংশ থেকে আর এখানকার প্রথম অংশ থেকে।
…………….এখন আসেন একটু আগে যে বলে আসলাম নাস্তিকের প্রশ্নটি ভুল ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে সেটা নিয়ে বলি। দেখুন, নাস্তিক প্রশ্ন করেছিলো যে, যেহেতু সব কিছুর একটি কারণ লাগে, তাহলে যিনি সৃষ্টিকর্তা তাঁর জন্যও একটা কারণ লাগবে? নাস্তিকের এই কথাটা নিয়ে একটু চিন্তা করুন ,ভাবুন।" সব কিছুর জন্যই একটি কারণ লাগে" এই কথাটি ঠিক হলেও এখানে একটি কথা রয়ে গেছে। সেটি হলো যিনি আদি ও মূল কারণ তাঁর পূর্বে কোন কারণ নেই । কেননা কোন বস্তুর অস্তিত্বের বা কোন ঘটনা ঘটার পিছনে কারণ হিসাবে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে; যদি আমরা এই কারণের ধারার কোন এক পর্যায়ে গিয়ে না থামি এই যুক্তি দেখিয়ে যে"সব কিছুর জন্যই একটি কারণ লাগে" তাহলে এই কথার তো এই অর্থই হয় যে কোন একটি ঘটনা অসীম সংখ্যক ঘটনার পরে ঘটেছে। যেমন ধরুন একটি ঘটনা "ক" এটার কারণ হলো ১; ১ এর কারণ হলো ২; আবার ২ এর কারণ হলো ৩ এভাবে চলতেই থাকবে অসীম ধারা। অথচ একটু আগেই আমরা দেখে এসেছি যে অসীম সংখ্যক ঘটনার বা কারণের পরে কোন ঘটনা ঘটতে পারে না। অথচ বর্তমানে ঘটনা ঘটছে। সুতরাং অবশ্যই তা একটি সসীম সংখ্যক কারণের পর ঘটছে। তো যিনি আদি ও মূল কারন তাকেই আমরা বলছি সৃষ্টিকর্তা। আর মহাবিশ্বের ও সময়ের যে অবশ্যই একটি শুরু আছে সেটাতো আমরা আগেই প্রমাণ করেছি।
……………ধরুন আপনি একটি রুমে বসে আছেন ,মাথার উপরে ফ্যান ঘুরছে, ফ্যানের বাতাসে পর্দা নড়ছে। দেখুন, পর্দা কেন নড়ছে? ফ্যান ঘুরার কারণে। ফ্যান কেন ঘুরছে? কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার কারণে। কারেন্ট কেন প্রবাহিত হলো ? কোন যন্ত্রের মাধ্যমে এটাকে তারের ভিতর দিয়ে পাঠানো হয়েছে। দেখুন পর্দা এক জিনিষ, আর সেটার নড়ার কারণ যে ফ্যান সেটা আরেক জিনিষ; ফ্যান এক জিনিষ, আর সেটা ঘুরার কারণ যে কারেন্ট সেটা আরেক জিনিষ; এভাবে কারেন্ট যে যন্ত্রের মাধ্যমে পাঠানো হলো সেটা আরেক জিনিষ ।এজন্যই পর্দার ক্ষেত্রে যেভাবে প্রশ্ন করা হচ্ছে ফ্যানের ক্ষেত্রে সেভাবে প্রশ্ন করা হচ্ছে না, ফ্যানের ক্ষেত্রে যেভাবে প্রশ্ন করা হচ্ছে কারেন্টের ক্ষেত্রে সেভাবে প্রশ্ন করা হচ্ছে না।পর্দার ক্ষেত্রে বলছি নড়ে কেন, কিন্তু ফ্যানের ক্ষেত্রে বলছি ঘুরে কেন, এই উদাহরণের জিনিষগুলো সম্পর্কে আমি আপনি জানি বলেই যেভাবে প্রশ্ন করা সাজে ঐভাবেই আমরা প্রশ্ন করছি।আবার দেখুন, ধরুন আপনি কারেন্ট সম্পর্কে কিছু জানে না এমন একজন লোককে বললেন যে, ফ্যান ঘুরছে কারেন্টের কারণে। তখন কিন্তু এই লোকটা কারেন্ট সম্পর্কে অন্য কোন উল্টাপাল্টা প্রশ্ন না করে প্রথমেই জিজ্ঞাসা করবে কারেন্ট কি জিনিষ। আগে সে কারেন্টের প্রকৃতি বুঝতে চেষ্টা করবে। এটাই সাধারণ কমন সেন্সের দাবী। সুতরাং এই মহাবিশ্ব, স্থান এবং সময় যে কারণে অস্তিত্ব লাভ করলো সেই কারণটি সম্পর্কে অন্য কোন উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করার আগে আমাদের জানতে হবে সেই কারণটির প্রকৃতি কি।কি রকম প্রশ্ন তার ক্ষেত্রে মানায়। কিন্তু যেই কারণটি স্থান ও সময়কে তৈরী করেছে; ফলে সেই কারণটি স্থান ও সময়ের গণ্ডীতে আবদ্ধ নয় অর্থাৎ যাঁর কাছে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত বলে কিছু নেই, যাঁর কাছে নিকট দূরে বলে কিছু নেই এমন চিন্তার ঊর্ধ্বের সত্তার প্রকৃতি সম্পর্কে আমরা যারা সময় ও স্থানের গন্ডীতে আবদ্ধ তারা কিভাবে জানব, কিই বা বুঝবো; যেখানে আমরা বস্তু জগতের অনেক কিছুর প্রকৃতি সম্পর্কেই ঠিকমত বুঝতে পারিনা ; অনেক সময় বুঝেছি মনে হলেও কিছুদিন পরে দেখা যায় সেটা ভুল। হ্যাঁ, একটা উপায় আছে; তিনি নিজেই যদি আমাদেরকে জানিয়ে দেন তাহলে সম্ভব। প্রশ্ন হলো তিনি আমাদেরকে কিভাবে জানাবেন? তার সাথে যোগাযোগ করার কি কোন উপায় আছে? নাকি তিনি ইতিমধ্যে কাউকে জানিয়ে দিয়েছেন, এদিকে আমাদের খবর নাই। এখানেই আসে তাঁর মেসেঞ্জার তথা নবী রাসুলদের কথা। যাইহোক এটা আলাদা বিষয়।তো আমি মোট তিনটি আঙ্গিকে বুঝাতে চেষ্টা করলাম যে,আল্লাহকে কে সৃষ্টি করলো এই প্রশ্নটি একেবারেই অবান্তর, অযৌক্তিক।প্রিয় পাঠক আপনি কি জায়গা তিনটি ধরতে পেরেছেন ? {অবশ্য গাছ তোমার পরিচয় কি? ফলে পরিচয়।কর্ম থেকেও কিছুটা বুঝা যায় কর্মী কেমন। তেমনি স্রষ্টার সৃষ্টি দেখে তার অনেক গুণের পরিচয় আমরা মোটামুটি পেতে পারি। কিন্তু তার জাত/সত্তা সম্পর্কে তিনি না জানালে জানা সম্ভব নয়।}
সর্বশেষ ৩নং জবাব এবং সবচেয়ে গোছানো জবাব নেয়া হয়েছে এই পোষ্টের ২৫ নং কমেন্ট থেকেঃ
এরপর একটা প্রশ্ন এসেছে যে, স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো? তিনি কোথা থেকে আসলেন? এই প্রশ্নের জবাব তিন ভাগে দিচ্ছি। একটু মনোযোগ দিন প্লীজ।
১- প্রথম কথা হলো, এটা একটা বাড়তি প্রশ্ন। স্রষ্টার অস্তিত্বতো আগে দেখানো যুক্তির আলোকেই প্রমাণিত হয়ে গেছে। তার অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়ে যাবার পর তার সম্পর্কে বাড়তি অনেক কিছুই জানার থাকতে পারে। যেমন তারও কোন স্রষ্টা আছে কিনা? তিনি ঘুমান কিনা? তিনি কি খাবার খান কিনা? ইত্যাদি । কিন্তু এসব বাড়তি কোন প্রশ্নের উত্তর যদি আমরা না পাই, তার মানে কিন্তু এই না যে, তিনি নাই। তার অস্তিত্বতো আগের যুক্তির আলোকেই প্রমাণিত হয়ে গেছে। সেই যুক্তি খণ্ডন না করলে তার অস্তিত্ব অপ্রমাণিত হবেনা। এইসব বাড়তি প্রশ্নের উত্তর জানতে পারলে ভালো, না জানলেও কোন ক্ষতি নেই; তার অস্তিত্ব প্রমাণিতই থাকবে।
২- দ্বিতীয় কথা হলো, স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো, এই প্রশ্নের মাঝে একটা ফাঁক আছে।সেটা হলো প্রশ্নকারী বিনা প্রমাণে আগেই ধরে নিয়েছে যে, স্রষ্টাকে সৃষ্টি করা হয়েছে; তিনি একসময় ছিলেননা। যেমন নাকি আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন যে, স্রষ্টা কি খান? এর মানে হলো, আপনি আগেই বিনা প্রমাণে ধরে নিয়েছেন যে স্রষ্টার খেতে হয়। আবার আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন যে, স্রষ্টার সন্তান কয়জন? এর মানে হলো, আপনি আগেই বিনা প্রমাণে ধরে নিয়েছেন যে, স্রষ্টার সন্তান আছে। অথচ এরকম বিনা প্রমাণে কিছু ধরে নিয়ে, তার উপর ভিত্তি করে প্রশ্ন করা একেবারেই অযৌক্তিক। যেমন নাকি কেউ পরীক্ষাই দেয়নি, অথচ আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করছেন পরীক্ষাতে কত পেয়েছো।
তাই স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণিত হবার পর, তাকে কে সৃষ্টি করলো এই প্রশ্ন করার আগে আপনাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, তিনি একসময় ছিলেন না, তাকে পরে সৃষ্টি করা হয়েছে। এটা প্রমাণ না করে তাকে কে সৃষ্টি করলো, এই প্রশ্ন করা একেবারেই অযৌক্তিক। আমরা কিন্তু আগে প্রমাণ করেছি যে, এই মহাবিশ্ব একসময় ছিলোনা, পরে অস্তিত্বে এসেছে।
৩- তৃতীয় কথা হলো, নাস্তিকরা যেহেতু এটা কখনোই প্রমাণ করতে পারবে না এবং সম্ভবও নয় যে, স্রষ্টার শুরু আছে ; তাই পোষ্টদাতা নিজেই আগে বেড়ে উল্টো প্রমাণ করেছেন যে, স্রষ্টার কোন সৃষ্টিকর্তা থাকা সম্ভব নয়। কেননা স্রষ্টারও যদি কোন সৃষ্টিকর্তা থাকে তাহলেতো সেই সৃষ্টিকর্তারও আরেকজন স্রষ্টা লাগবে। আবার তারও আরেকজন লাগবে। এভাবে চলতেই থাকবে পিছনের দিকে অসীম ধারা। অথচ এটা অসম্ভব, বর্তমানে বিদ্যমান এমন কোন কিছুর পিছনের দিকে কোন অসীম ধারা থাকতে পারেনা। তাহলেতো বর্তমানে বিদ্যমান বস্তুটির অস্তিত্বে আসার পালা বা সুযোগই কখনো আসতোনা। যেমন ধরেন এই মহাবিশ্ব হলো X, তার স্রষ্টা হলো A, আবার A এর স্রষ্টা হলো B, আবার B এর স্রষ্টা হলো C এভাবে অসীম ধারা চলা অসম্ভব। অবশ্যই এক জায়গায় থামতে হবে, যার কোন স্রষ্টা নেই, যার কোন শুরু নেই। এটা বুঝার জন্য কিছু উপমা দিচ্ছি । মনযোগ দিয়ে পড়ুন। ধরুন, আপনি বাসে উঠার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, আপনার সামনে যদি ৫০০জন থাকে, তাহলে আপনি ৫০০জনের পরে বাসে উঠার চান্স পাবেন। যদি আপনার সামনে ১০০০ জন থাকে তাহলে আপনি ১০০০জনের পরে বাসে উঠতে পারবেন। কিন্তু যদি আপনার সামনে অসীম সংখ্যক লোকের লাইন থাকে , তাহলে কি আপনার বাসে উঠার পালা কখনো আসবে? না, কখনো আসবে না। কেননা , অসীম সংখ্যক লোকেরও বাসে উঠা শেষ হবেনা, আর আপনারও বাসে উঠার পালা কখনোই আসবেনা। এবার উল্টাভাবে চিন্তা করুন। ধরুন, একটা লোক তার সামনের লোকদের বাসে উঠার পরে সে বাসে উঠেছে। এখন এই লোকটা কত জনের পর উঠেছে? যত জনের পরেই উঠুকনা কেন, সেটার অবশ্যই একটা সীমা আছে। একথা বলা যাবেনা যে, সে অসীম সংখ্যক লোকের পর বাসে উঠেছে। কেননা তার সামনে যদি অসীম সংখ্যক লোকই থাকতো, তাহলেতো সেই অসীম সংখ্যক লোকেরও কোনদিন বাসে উঠা শেষ হতোনা, আর তারও কোনদিন বাসে উঠার পালা আসতনা। কিন্তু যেহেতু তার পালা এসেই গেছে, বাসে যেহেতু সে উঠেই গেছে; এটাই অকাট্য প্রমাণ যে সে সসীম ও নির্দিষ্টসংখ্যক কিছু লোকের পর বাসে উঠেছে। ঠিক তেমনি এই মহাবিশ্ব যেহেতু অস্তিত্বে এসেই গেছে, এটাই অকাট্য প্রমাণ যে এই মহাবিশ্বের অস্তিত্বের পিছনে কারণের কোন অসীম লাইন নেই । বরং শুরুতে এমন একজন স্রষ্টা আছেন যার পিছনে আর কোন স্রষ্টা নেই। সহজ করে বুঝাতে চেষ্টা করলাম, কিন্তু পারলামনা মনে হয়। যাক আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে বুঝার তওফিক দান করুন । আমীন।
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১২:১৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ভাই এটা সেই আদিকালের খোরা যুক্তি যেখানে ঈশ্বর এর কাছে গিয়ে আপনি নিয়ম পাল্টে ফেলেন। সব ঘটনার একটা পূর্ব কারন লাগবে কিন্তু ইশ্বরের কাছে গেলে আর লাগবেনা।
আপনি ১ নং যুক্তির ক্ষেত্রে বললেন প্রশ্ন তার যোগ্যতা হারিয়েছে। তাহলে যোগ্য প্রশ্নটা কি? মানুষ রোবট সৃষ্টি করেছে, তাহলে মানুষকে কে সৃষ্টি করেছে? এই প্রশ্ন যদি যোগ্য হয় তবে গড মানুষ সৃষ্টি করেছে, গড কে কে সৃষ্টি করেছে এই প্রস্নে আমি কোন ভেজাল দেখিনা। আপনি আগে মৌলিক প্রশ্ন করা শিখেন।
যাই হোক আপনার প্রতিটি পয়েন্ট নিয়ে তর্ক করা যায়। তার চেয়ে বরং আগের কমেন্ট এর উত্তর দেখুন এবং চলুন আলোচনা মূল জায়গায় নিয়ে যাই।
১৫|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:৪৯
দিশার বলেছেন: তিতুন বলেছেন: ধর্ম প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়, বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। যুক্তি দিয়ে এর সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব নয় কারন কোন না কোন সময়ে সেটা এসে বিশ্বাসে আটকে যাবে। এবং বিশ্বাসের স্বরূপটি হবে এরকম, কেউ কেউ বলবে, আমি এটা দেখি নি, সুতরাং আমি এটা বিশ্বাস করি না। আবার কেউ কেউ বলবে আমি দেখি নি কিন্তু আমার মন বলছে এটাই সত্যি। ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয় যে সে যেটা দেখছে তার বিপরীত বলছে। কেউ একটা জিনিস দেখে নি, তার মানে এই নয় যে জিনিসটা মিথ্যা। এরূপ যে যে যার যার ধর্ম পালন করে এই বিশ্বাস নিয়েই করে। ***আর ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের দায়িত্ব একজন নাস্তিকের যদি সে কোন আস্তিকের সাথে যুক্তিতে আসতে চায়। আর আস্তিকদের ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ করার কোন দায়িত্ব নেই কারন সেটা তারা বিশ্বাস করে।***
যুক্তি দিয়ে যেহেতু সমাধান মানবেন না, তাহলে তর্ক করা বৃথা। আর কথা বাড়াচ্ছি না .
কিন্তু *** মার্ক করা অংশ তা সুম্পর্ণ ভুল . যার দাবি তার প্রমান এর দায়! কমেন্ট ২ আবার পরেন . এখানে গণিত এর কোনো বিষয় না . কমন সেন্স এর বিষয়। আবার বলছি, আপনি আকাশে উড়তে পারেন, ইটা দাবি করলে সেটার প্রমান করার daitto আপনার। আমি খালি বলতে পারি যে, আপনি প্রমান না করা পর্যন্ত আপনার দাবি আমি রিজেক্ট করছি .
যার ক্লেম , তার বার্ডেন। এটা বুঝতে না পারলে দুঃক্ষিত .
যুক্তি দিয়ে যেহেতু সমাধান মানবেন না, তাহলে তর্ক করা বৃথা। আর কথা বাড়াচ্ছি না .
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১২:১৯
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: সহমত
১৬|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:৫৪
দিশার বলেছেন: @মুসা , ভাই সুধু সুধু কপি পেস্ট করে করে ব্লগ টা নষ্ট কেন করতেসেন? কিসু জানাইতে চাইলে লিংক যথেষ্ট
১৭|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ১০:০৯
তিতুন বলেছেন: যুক্তি দিয়ে সমাধান মানব না - এমনটা কিন্তু বলি নি। আমি বলেছি যুক্তিগুলো এক সময় আটকে যাবে। অর্থাৎ এক পাল্টা তর্কাতর্কির মধ্যে এমন একটা সময় আসবে যখন বিশ্বাসই হবে মূল ভিত্তি। যেমন পানিপথের প্রথম যুদ্ধে মুঘক বিজয় লাভ করে। এটা আমি বিশ্বাস করি কারন এটা সবাই জানে, সবাই মানে এবং এর ঐতিহাসিক দলিল আছে। কিন্তু যদি আপনি বলেন, পানিপথের যুদ্ধে মুঘলরা আসলেই বিজয় লাভ করেছিল কি না, তার কোন প্রমাণ নেই কারন এর কোন ভিডিও ফুটেজ নেই। বলতে পারেন যে সমস্ত দালিলিক প্রমাণ রয়েছে তা মিথ্যা এবং সাজানো। এখন আপনি কিন্তু নিশ্চিত ভাবে এটা প্রমাণ করতে পারবেন না যে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে আসলেই মুঘলরা বিজয় লাভ করেছিল। তেমনি মহানবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) পৃথীবিতে এসেছিলেন, এটা ঐতিহাসিক সত্য। তেমনি যিশু খৃস্টও (ঈসা নবী) পৃথিবীতে এসেছিলেন এটাও ঐতিহাসিক সত্য। গৌতম বুদ্ধ নামক এক ব্যক্তি ছিলেন এটাও ঐতিহাসিক সত্য। আর হিন্দু ও গ্রীক ধর্মের ভিত্তি হিসেবে মাইথলজির কথা বলতে পারি কিন্তু সেগুলোর কোন ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। তাই সেদিকে গেলাম না। এখন, আপনি বলতে পারেন যে, মহানবী, যিশু পৃথিবীতে এসেছিলেন মেনে নিলেন কিন্তু তাদের দারা যেসব অলৌকিক কাজ সংগঠিত হয়েছিল তা মেনে নিলেন না। এর কারণ হিসেবে উপস্থাপন করলেন অলৌকিক জিনিস আপনি আপনার নিজের চোখে কখনো দেখেন নি। কিংবা বললেন যে অলৌকিক জিনিস বিজ্ঞানসম্মত নয়। এখন, মেন্ডেল যখন প্রথম জিনেটিকস আবিষ্কার করেন, তখন কিন্তু সেটাকে কেউ বিজ্ঞান সম্মত মনে করে নি কিন্তু সেটি ছিল ধ্রুব সত্য যা আজ প্রমাণিত।সেটাকেই তখন সবাই অলৌকিক মনে করত। আসলে আমরা যেটাকে ব্যাখ্যা করতে পারি না সেটাকে আমরা অলৌকিক হিসেবে আখ্যায়িত করি। কিন্তু অলৌকিক জিনিসেরও ব্যাখ্যা আছে এবং সেটা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন থেকেও করা যায়। যেমন একজন অলৌকিকভাবে একটি পাথরকে চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিল সবার সামনে। এটা চোখে দেখেই কি আপনি বিশ্বাস করে ফেলবেন যে লোকটির অলৌকিক ক্ষমতা আছে? আপনি বিশ্বাস করতেই পারেন, আপনার চোখে দেখাটাই তার প্রমাণ। কিন্তু আর একজন বলল, যে না। এর পিছনে কোন যাদুর ট্রিকস আছে। দেখা গেল সত্যিই আছে। এবার একজন একটি পাহাড়কে চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিল, তখন কি ব্যাপারটাকে অলৌকিক বলবেন না? কিন্তু আমি বলব যে এরও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে কোন উৎস থেকে অপরিসীম শক্তি উৎপন্ন হয়ে পাহাড়টি চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিয়েছে। এখন স্রষ্টা হলো সেই অপরিসীম শক্তির উৎস। আর অলৌকিক ঘটনাগুলো হল ঐতিহাসিক ঘটনা। আপনি যদি এটা বিশ্বাস করেন তাহলে বাদ বাকি সব কিছুই ব্যাখ্যা করতে পারবেন। কিন্তু যদি বলেন, অলৌকিক (প্রকৃতপক্ষে বৈজ্ঞানিক) ঘটনাগুলো আপনি দেখেন নি, তাই বিশ্বাস করতে পারছেন না, তাহলে তো আপনি সেই বিশ্বাসেই আটকে গেলেন।এর পরে যুক্তি দিয়ে তো আপনার সেই বিশ্বাস ভঙ্গ করা সম্ভব হবে না কারণ নবী রাসূলের সময়কার বিভিন্ন ঘটনার কোন ভিডিও ফুটেজ কোথাও নেই। এখন আপনি যদি এর মাধ্যমে 'বেনিফিট অফ ডাউট' নিয়ে নাস্তিকতা গ্রহন করতে চান সেটা আপনার ব্যাপার কারন আপনি ঐ সমস্ত ঘটনাবলী বিশ্বাস করেন না। আর যারা আস্তিক, তারা সেই না দেখা ঘটনাগুলো বিশ্বাস করে ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে অথবা অলৌকিকতার লৌকিক যুক্তির মাধ্যমে। এখানে আপনি যেমন প্রমান করতে পারবেন না যে সেই ঘটনাগুলো মিথ্যা আবার আস্তিকরাও প্রমাণ করতে পারবে না যে সেই ঘটনাগুলো সত্যি। কাজেই যুক্তিগুলো এখানে বিশ্বাসেই আটকে যাবে হোক সেটা আস্তিকের বিশ্বাস অথবা নাস্তিকের বিশ্বাস।
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১২:২৪
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: নীচে দিশার ভাইয়ের রিপ্লাই যথেষ্ট মনে করছি।
১৮|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ১০:৪০
দিশার বলেছেন: ****"আসলে আমরা যেটাকে ব্যাখ্যা করতে পারি না সেটাকে আমরা অলৌকিক হিসেবে আখ্যায়িত করি। " ****
এটা আপনারা আস্তিক রা করেন আমরা না,!! জি না , চোখে না দেখলেই , সত্যি না এমন কোনো কথা বলা হই নি।
আপনার যুক্তি গুলা কে বলা হয় আর্গুমেন্ট ফরম ইগনোরেন্স ,খুবই খেল এবং বাচ্চা দের লজিক . কিছু বেক্ষা করতে পারলাম না মানে নিশ্চয় এর পিছনে গড আছে!
শুনেন ভাই, সাইন্স সুধু বেক্ষা করে প্রমান এর ভিত্তিতে , এখন মনে করেন কালকে যদি সব সাইন্টিফিক তত্ত্ব ভুল ও প্রমানিত হয় তার মানে এয়টা না যে খোদা আসে!
অনেক প্রশ্ন আসে যে গুলার উত্তর সাইন্স এখনো দিতে পারে নাই , কিন্তু অনেক কিসু আসে যেটা পারসে , আগে পারত না, তাই মানুষ আগের কালে , আকাশের বিজলি তে খোদা কে দেখত, মেঘ , ঝর, খরা, বৃষ্টি সব কিছু তে খোদা কে পেত, কিন্তু ধীরে ধীরে বিজ্ঞান যখন এসবের বেক্ষা করতে লাগলো তখন লক্ষ্য করেন, গড এর পরিধি কমতে কমতে এক ইশ্বর য়ে এসে ঠেকলো ! যার অস্তিত্ব প্রমান করা যায় না , সুধু ইমান (বিসসাস) আনতে হয়!
ভাই আপনে কমন একটা বেপার এখনো বুঝতেসেন না , পানি পথ এর যুদ্ধে বিজয় হইসে মুঘল দের তার প্রমান মুঘল সম্রাজ্য, এখন ইয়েস statistic অনু জয়ী maybe ০,০১% সম্ভবনা আসে ই তথ্য ভুল হবার, কিন্তু মেজরিটি প্রবাবিলিটি যে তথ্য সঠিক ! তাই আমরা এটা সত্য ধরে নিচ্ছি !
আমি যেমন লাল পরি নিল পরি আছে কি নাই সে বেপার যে ১০০% sure না , কিন্তু ৯৯,৯৯ % sure হয়ে বলতে পারব যে লাল পরি নিল পরীর কোনো প্রমান নাই আমার কাসে
ঠিক তেমনি ভাবে আমি আপনে , হিন্দু মুসলিম, সবাই এক বাককে বলতে পারে , জিউস , ওসিরিস বা গিলগামেশ এর বেপারে আপনি ও নাস্তিক ! কারণ আপনার কাছে প্রমান নাই যে জেউস , অসিরিস, এথেনা বলতে কোনো খোদা আকাশে আছে!
আপনি মুসলিম ঘরে জন্মালে, আমি সিওর মা কালি, শিব , কৃষ্ণ এদের বেপারে আপনি নাস্তিক !
তাহলে আমার অবিস্সাশ যে সমস্যা কোথায় ? পৃথিবীর সবাই নাস্তিক কোনো না কোনো "গড" এর বেপারে, i go just one god more !
আর ভিডিও ফুটেজ এর কথা বার বা কেন বলতেসেন! ভিডিও ফুটেজ এভিডেন্স হিসাবে চাওয়া হয় নাই . ! জেসাস নামের একজন ছিল মানতে কোনো আপত্তি নাই, কারণ এতে সন্দেহের কোনো কারণ নাই, কোনো ন্যাচারাল ল ভঙ্গ হচ্ছে না ! কিন্তু যখন বলেন জেসাস কুমারী মাতার সন্তান তখন প্রশ্নের অবকাশ চলে আসে! একই কথা বলা যায় যেকোনো "মিরাকেল" এর ক্ষেত্রে !
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১২:৩১
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: i go just one god more ! দারুন কথা!
১৯|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ১১:২২
শুভ জািহদ বলেছেন: রাব্বিগ ফিরলি ওয়াতুবু আলাইয়া ইন্নাকা আনতাত তাউয়াবুর রাহিম।
এখানে আলোচনা হচ্ছে বিভিন্ন ধর্ম নিয়ে আর সে জন্যই আমার এখানে কমেন্ট করা। আমি বলতে চাই যে, যারাই এখানে আলোচনা শুরু করেছেন তাদের আলোচনা মাঝমাঠ থেকে খেলা শুরুরই নামান্তর। স্রষ্টাকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু ধর্ম ৪টা। স্রষ্টা যদি থেকেই থাকেন তো তার ধর্ম একটাই হওয়া যৌক্তিক। আগে আমাদের দেখতে হবে ধর্মগুলোর অস্তিত্ব। তারপর অন্যান্য আলোচনায়। আমরা মুসলিমরা বিশ্বাস করি যে কুরআন সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর বাণী এবং এই কুরআন এর পূর্বে অসংখ্য কিতাব নাজিল হয়েছে সময়ে সময়ে যুগে যুগে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রের মানুষদের জন্য। যেহেতু অতীতে অনেক ধর্মগ্রন্থ নাজিল হয়েছে তাই সেগুলোর স্রস্টার অস্তিত্বের স্বপক্ষে বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক প্রমাণ থাকতেই পারে। আমরা সবাই জানি যে সর্বশেষ ও চূড়ান্ত আসমানি গ্রন্থ যাকে বলা হয় তার নাম কুরআন। কুরআন আল্লাহর বাণী এবং এটাই প্রমাণ করে যে স্রস্টা আছে কি নাই। যদি কুরআন আল্লাহর বাণী না হয়, তবে আল্লাহ বলে কেউ থাকারই কথা না। তাই আমরা যদি কুরআন কি আল্লাহর বাণী কি না, এটাই প্রথমে স্থির করতে পারি তবেই স্রষ্টার অস্তিত্বের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারব।
কুরআন কি মানুষের কথা নাকি আল্লাহর কথা? এ ব্যাপারে আমি কয়েকটি পবিত্র কুরআন থেকে কয়েকটি প্রশ্ন ছুড়ে দিব যার যৌক্তিক উত্তর আহবান করছি তাদের নিকট যারা স্রষ্টায় বিশ্বাসী না।
প্রশ্ন-১ঃ মহান আল্লাহ বলেন,
সূর্য তার নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে। এটা পরাগমশালী, সর্বজ্ঞ আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ।
(ইয়াসিন, ৩৬ : ৩৮)
=> নির্দিষ্ট কক্ষপথে সূর্যের আবর্তন, যেমনটি উপরের আয়াতে উল্লেখিত হয়েছে- বিষয়টি ব্যাখ্যার দাবি রাখে। আমাদের ছায়াপথ একটি থালার আকৃতিতে বহু সংখ্যক নক্ষত্রপুঞ্জ নিয়ে গঠিত। এই ছায়াপথে সেই থালার কেন্দ্র থেকে দূরে সূর্য একটি অবস্থান দখল করে আছে। ছায়াপথটি তার আপন অক্ষরেখার ওপর পরিভ্রমণ করে, যা তার কেন্দ্র। ফলে তা সূর্যকে একই কেন্দ্রের চারপাশে একটি বৃত্তাকার কক্ষপথে আবর্তিত করে। ছায়াপথটি তার আপন অক্ষরেখায় তার আবর্তন শেষ করতে সময় নেয় ২৫০ মিলিয়ন বছর। সূর্য, এই আবর্তন সম্পন্ন করার প্রাক্কালে প্রতি
সেকেন্ডে মোটামুটিভাবে ১৫০ মাইল বেগে পরিভ্রমণ করে। এটি সূর্যের নির্দিষ্ট গতিপথ হিসেবে পরিগণিত হতে পারে- এতে কোনো সন্দেহ নেই যেমনটি কুরআন মাজিদের এই আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। এটি সুনিশ্চিত যে, না মুহাম্মদ সাঃ, আর না যারা তার চারপাশে ছিলেন তাদের কাছে সূর্যের পরিভ্রমণের এই সুনির্দিষ্ট জ্ঞান ছিল। কিন্তু বাস্তবতা হল, এই তথ্যটি কুরআন মাজিদে বর্ণিত হয়েছে মানুষ তা আবিষ্কার করারও বহু পূর্বে। এটা কিভাবে হলো? যৌক্তিক উত্তর চাই। নবী মুহাম্মদ সাঃ ছিলেন নিরক্ষর। একজন নিরক্ষর ব্যক্তির পক্ষে কুরআন নামক একটি কিতাবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সন্নিবেশিত করা কিভাবে সম্ভব হলো? আমরা মুসলিমরা বিশ্বাস করি, এই তথ্যগুলো তিনিই দিতে পারেন যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন অর্থ্যাৎ স্রষ্টা।
=============================================
প্রশ্ন-২ঃ মহান আল্লাহ বলেন, তিনিই (আল−াহ তাআলা) সৃষ্টি করেছেন রাত ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। প্রত্যেকেই (নভোমণ্ডলীয় বস্তুসমূহ) আপন আপন কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান। (আম্বিয়া-২১:৩৩)
মহান আল্লাহ আরো বলেন, সূর্যের জন্যে অনুমতি নেই যে তা চন্দ্রকে অতিগম করে যাবে। আর না রাত আগে চলে দিনের। তারা প্রত্যেকেই (নিজ নিজ) কক্ষপথে সন্তরণ করে। (ইয়াসিন, ৩৬ : ৪০)
=> এসব আয়াতে যে আরবি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে তা হল "ফালাক"। কুরআনের অধিকাংশ অনুবাদক এই শব্দের অনুবাদ করেছেন ‘কক্ষপথ’ । গভীরভাবে লক্ষ করুন, মহাশূন্যে অবস্থানরত বস্তুসমূহ সাম্প্রতিককালে আবিষ্কৃত হয়েছে টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের কল্যাণে। বলার অপেক্ষা রাখে না, ষষ্ঠ শতাব্দীতে আরবদের কোনো দূরবীক্ষণ যন্ত্র ছিল না। তথাপি একটি সম্পূর্ণ নতুন ধারণা, সূর্য ও চন্দ্রের কক্ষপথে পরিভ্রমণ, যা কি-না কুরআন মাজিদে বিদ্যমান রয়েছে। হতে পারে কোন কোন ঐতিহাসিক অতীতেই এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। যদি এ বক্তব্য ধরেও নেই, তারপরেও বলব যে একজন অশিক্ষিত, নিরক্ষর লোকের পক্ষে কুরআন নামক একটি কিতাবে কিভাবে এগুলো সন্নিবেশিত করা সম্ভব হলো যেখানের উনার জীবদ্দশাতেই উনাকে ১২৮ টির মতো যুদ্ধ পরিচালনা, দেশ পরিচালনা করতে হয়েছে। কিভাবে এটি সম্ভব হলো? কাকতালীয়ভাবে নাকি অন্য কিছু? আমরা মুসলিমরা বিশ্বাস করি, এই তথ্যগুলো তিনিই দিতে পারেন যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন অর্থ্যাৎ স্রষ্টা।
=============================================
প্রশ্ন-৩ঃ
আর নিশ্চয় চতুষ্পদ জন্তুদের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে শিক্ষা। আমি তোমাদেরকে পান করাই তার পেটের ভেতরের গোবর ও রক্তের মধ্যখান থেকে দুধ, যা খাঁটি ও স্বাচ্ছন্দকর পানকারীর জন্যে। (নাহল, ১৬ : ৬৬)
=> কুরআন এখানে স্তন্যপায়ী প্রাণীদের সেই জীববৃত্তীয় প্রক্রিয়ার বর্ণনা দেয় যা অন্ত্রপ্রাচীরের স্তরে গোবর ও রক্তের নির্যাসকে একত্রে নিয়ে আসে এবং দুধ তৈরি করে। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ডাইজেস্টিভ সিস্টেম (হজম-প্রক্রিয়া) সম্পর্কিত শরীর বিজ্ঞানের আবিষ্কৃত তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। যখন কুরআন অবতীর্ণ হয় তখন মানুষ এ ধরনের সূক্ষ্ম ও যথার্থ জ্ঞান সম্পর্কে ছিল সম্পূর্ণ অপরিচিত।
নবী মুহাম্মদ সাঃ একজন নিরক্ষর, অশিক্ষিত যিনি জীবনেও কোন গ্রন্থ পড়েন নাই বা কখনো লেখেনও নাই, উনার মতো একজন লোক কি এমন গুরুত্বপূর্ণ, তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য দিতে পারেন যা বিজ্ঞানের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যশীল। একজন নিরক্ষর ব্যক্তি কিভাবে এমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারেন? আমরা মুসলিমরা বিশ্বাস করি, এই তথ্যগুলো তিনিই দিতে পারেন যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন অর্থ্যাৎ স্রষ্টা।
=============================================
প্রশ্ন-৪. মহান আল্লাহ বলেন,
তিনি সৃষ্টি করেছেন আসমানসমূহ কোনো খুঁটি ব্যতীত, যা তোমরা দেখছ। আর তিনি পৃথিবীতে স্থাপন করেছেন সুদৃঢ় পর্বতমালা, পাছে যেন তা তোমাদের নিয়ে ঢলে না পড়ে। (লোকমান-৩১:১০)
আমি কি করিনি ভূমিকে বিছানা এবং পর্বতমালাকে পেরেক? আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়। (নাবা, ৭৮ : ৬-৮)
=> সম্প্রতি ভূতত্ত্ববিদরা আবিষ্কার করেছেন, গাছের শিকড়ের মত পর্বতমালার সুদৃঢ় ভিত্তি রয়েছে, যা মাটির সুগভীর পর্যন্ত প্রোথিত। অধিকন্তু তা পৃথিবীর স্থিতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কুরআন মাজিদ এই আয়াতে যে আরবি শব্দ ব্যবহার করেছে তা হল ‘আওতাদ’। আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলী এবং ড. মুহসিন খান ইংরেজিতে তার অনুবাদ করেছেন, Peg। ইংরেজি অভিধানগুলি চবম শব্দের অর্থ করতে গিয়ে লিখেন A pin
or a nail that is used to bold something or to fasten part of a thing together. (একটি পিন কিংবা পেরেক যা কোনো কিছু ধরে রাখতে বা একটি বস্তুর দুটি অংশকে দৃঢ়ভাবে একত্রে আটকানোর জন্যে ব্যবহৃত হয়)। এই আয়াতগুলো থেকে বুঝা যায়, আল্লাহ তাআলা পর্বতমালাকে করেছেন সুবৃহত পেরেক সদৃশ, যা মাটির সুগভীরে প্রোথিত এবং এসবের কাজ হল পৃথিবীর স্থিতি প্রতিষ্ঠা করা। এটি হুবহু তা-ই, যা বর্তমানে ভূতত্ত্ববিদরা পর্বতমালার গঠনপ্রকৃতি ও তার ভূমিকা সম্পর্কে আবিষ্কার করেছেন।
১৯৪৮ সালে ভেন এঙ্গলেন তার জিওমারফলজি গ্রন্থে এই বিষয়টি সর্বপ্রথম তুলে আনেন এবং পরবর্তীতে অন্যান্য বিজ্ঞানীগণও এটিকে সমর্থন করেন। ২০১৩-১৯৪৮= ৬৫ বছর আগে। আর কুরআন এই কথাটি বলেছেন ১৪০০ বছর আগে। এটা কিভাবে সম্ভব হলো? কে এই তথ্য দিতে পারে? মুহাম্মদ সাঃ নামক একজন নিরক্ষর ব্যক্তি নাকি সৃষ্টিকর্তা? সৃষ্টিকর্তা ছাড়া এমন তথ্য কে দিতে পারে। স্রষ্টা ব্যতীত তিনি আর কে হতে পারেন, যিনি মুহাম্মদ সাঃ এর ওপর কুরআন মাজিদে এই তথ্য অবতীর্ণ করেছেন? এই স্রষ্টাকেই আমরা বলি আল্লাহ তাআলা।
আশাকরি ৪টি বিষয় ব্যাখ্যা সহ উত্তর পাব। এবং চুড়ান্ত ভাবে যেই প্রশ্নটি করছি তা হলো
প্রথমত কথা বলেছি নভোমন্ডল নিয়ে।
দ্বিতীয়ত কথা বলেছি প্রাণীর শারীরতত্ব নিয়ে।
তৃতীয়ত কথা বলেছি মৃত্তিকা বিজ্ঞান নিয়ে।
একজন বিজ্ঞানীর মূলত ১/২টি বিষয় নিয়ে গবেষনা করে থাকেন। যেমন কেউ মৃত্তিকা নিয়েই পড়ে থাকেন,কেউ শারীরতত্ব নিয়েই পড়ে থাকেন, কেউ নভোমন্ডল নিয়েই জীবন অতিবাহিত করেন। নবী মুহাম্মদ সাঃ তো পুরো জীবনই যুদ্ধ সংগ্রাম দেশ পরিচালনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। তিনি তো কোন বিজ্ঞানী বা গবেষক নন। তাহলে কোনরূপ গবেষনা ছাড়া একই সাথে তিনটি আলাদা আলাদা বিজ্ঞানের শাখা প্রশাখায় তার যাতায়াত কি যুক্তির নিরিখে সম্ভব। যারা যুক্তিকে বিশ্বাসী তাদের নিকট প্রশ্ন, কিভাবে একজন লোকের পক্ষে বিজ্ঞানের এই ৩টি বিষয়ে নির্ভূল তথ্য দেওয়া সম্ভব হবে পারে? যদি সম্ভব নাই হয়, তবে কে দিল এই তথ্য? আমরা মুসলিমরা বিশ্বাস করি, এই তথ্যগুলো তিনিই দিতে পারেন যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন অর্থ্যাৎ স্রষ্টা।
আমি উপরোক্ত মাত্র ৪টি বক্তব্যের দ্বারা স্রষ্টার অস্তিত্বের পক্ষে আলোচনা করলাম। সামনে ইনশাআল্লাহ আরো ১৫০+ বিষয় তুলে ধরব। আগে এই ৪টার উত্তর পেয়ে নেই।
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:১৩
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: পৃথিবীতে ৭৩০ এর উপর ধর্ম রয়েছে। ৪টা বলতে কি আপনি আব্রাহামিক ধর্ম সমূহকে বুঝিয়েছেন?
যাই হোক, কোরআনের সত্যতা প্রমানের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মের সত্যতা /অগ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করা যেতে পারে বলে আমিও মনে করি। আমি এভাবে এগোতে রাজী আছি।
কিন্তু আপনাকে আগে একমত হতে হবে কোরআনের ১০০০ সঠিক বাক্য/আয়াত সঠিক প্রমাণ হলেও একটা বাক্য/আয়াত ভুল প্রমানিত হওয়া মানে কোরআন ভুল প্রমানিত হওয়া।
যদি এটা মেনে নিয়ে এগোতে চতেতাহলে আওয়াজ দেন। আমি আপনার ৪টা + ১৫০টা+ ১টা ভুল বের করে দিব।
এবার আসেন আপনার সূর্যের আবর্তন নিয়া কথা বলি। সূর্য দিনে একবার আবর্তন করে এটা খালি চোখে আপাত দেখে মনে হয়। বলুন মনে হয় কিনা? একই ভাবে চাঁদও প্রতিদিন একবার করে আবর্তন করে। তাই না? এখন বলুন সূর্য যে ছায়াপথে তার অক্ষের চারদিকে ঘোরে তাতে কি একদিনে পূর্ণ আবর্তন হয়? না! কিন্তু মুহাম্মদ বহুবার চাঁদ আর সূর্যের ঘূর্ণন একই পাল্লায় মেপেছেন। এমন কি আপনার উদাহরন থেকেও তা উঠে এসেছে!
তাহলে কি দাঁড়ালো? এমনটা কি হতে পারে যে মুহাম্মদ চাঁদ ও সূর্যের যে স্বাভাবিক চলা ফেরা দেখেছে তাই বলেছে? হতে পারে বলাটা ভুল। ঘটনা এইটাই। কিভাবে? বলছি।
মুহাম্মদ সূর্যের এই জটিল ঘূর্ণন যদি কোরআনে নিয়ে আসতে পারত, তাহলে কি সে একবারের জন্যও কোরআনে বলতে পারেনি যে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে? এটা তো মানুষের জন্য হত বিরাট আশ্চর্যের বিষয়! কিন্তু না তিনি এমনটি একবারও বলেন নি! তার মানে কি এই নয় যে আপাত স্থির প্রিথিবিকে সে স্থিরই ভেবেছে এবং চাঁদ ও সূর্যকে ভেবেছে পৃথিবীর চারপাশে ঘূর্ণায়মান? অর্থাৎ কোরআন এ ক্ষেত্রে পুরোপুরি ভুল!
আপনার সবগুলা পয়েন্ট ই ভুল। কিন্তু আমি আর বেশি এগুবার আগে আপনার জবাব চাই। ধন্যবাদ।
২০|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১২:১৫
দিশার বলেছেন: @সুভো , ধর্ম ৪ টা ? পাগল কি গাছে ধরে ?
আপনার প্রতিটা ইনফরমেশন এত টা হাস্যকর, ইউটুবে এগুলার হাজার হাজার ভিডিও আসে মিথ্যা প্রমান করে .
একটা বলি দেখেন
সুরা ১৮।৮৬
অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন।আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন।
এমন অনেক হাদিস / কোরান এর আয়াত দেখাতে পারব যেখানে বলা , সূর্য ঘুরতেসে পৃথিবীর চারপাশে, মানে জিও সেন্ত্রিক ওয়ার্ল্ড ভিউ !
কোরান ২১।৩৩
তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে।
এটার বেক্ষা যদি আপনে ইসলামিক মনের মাধুরী মিশায়ে দেন তাইলে কি হবে? মরুভূমি তে দাড়ায়ে , আকাশে তাকালে দেখা যায়, চাদ সূর্য ঘুরতেসে !জতু টুকু জ্ঞান ছিল ওই সময় ঠিক ততুকু আসে কোরান য়ে , খুব বড় জোর, তত্কালীন পৃথিবীর লোক (গ্রিক, রোমান রা ) জতু টুকু জানত ততুকু আসে , এর বেশি এক নোক্তাও নাই।
আপনার নম্বর ২ প্রশ্ন একদম ভিত্তিহীন , ইসলামের বহু আগে, গ্রিক রা , গ্রহ নক্ষত্রর গতি বিধি সম্পর্কে জ্ঞান রাখত .
দেখেন
আল কোরআন ৩৯:৬
এবং তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন ৮ প্রকার চতুষ্পদ জন্তু। !
আপনে বলেন, চতুস্পদ জন্তু কি ৮ প্রকারের ?!!
আপনার প্রশ্ন ৩ . গরুর দুধ কিভাবে তৈরী হয় সম্পর্কে আপনার কোনো ধারনায় নাই!!! গোবর এর সাথে কখনোই দুধ মিশে না! তাই গোবর আর রক্তের মধ্য থেকে দুধ আহরণের কথা তা সম্পূর্ণ ভুল ভুল ভুল!
Click This Link
এখানে দেখেন কিভাবে, গরুর ৪ তা পাকস্থলী সিস্টেম থেকে , কিভাবে intestine য়ে র মাধ্যমে রক্তে নুত্রিয়ান্ট যায় , এবং গরুর দুগ্ধ গ্ল্যান্ড যা কিনা গরুর উলান য়ে অবস্থিত!! , সেখানে নুত্রিয়েন্ট গুলা , দুধ য়ে পরিনিত হয় !!! সামে তথ্য প্রযোজ্য যে কোনো রুমিনেন্ট প্রাণীর জন্য .
ভাই কোরান য়ে বিজ্ঞান আসে দেখাইতে আইসেন না, লেজ গুটায়ে পালাইতে হবে বুজলেন এমন সব হাদিস , কালাম এর রেফারেন্স দিব লজ্জায় মাথা কাটা যাবে।
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:১৬
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: একটা ভুলই যথেষ্ট কোরানকে মিথ্যা প্রমানের জন্য। আগে এই ব্যাপারে একমত হইতে দেন।
২১|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১২:২১
আতাউররহমান১২০০৭ বলেছেন: allah manushke baniyechen. না দেখেও তো আমরা আমাদের রুহ বা আত্তার উপস্হিতি বিস্বাস করি ।Without creator nothing can be created.ekta mobile . Laptop er creator ache. Amader o thakbe na keno ? Amader nobi duniyate asar kotha quaraner ageo ' taorat ' , 'injil ' e described hoyeche. Ar religion is based on' firm belief '. We believe this by beliefment , not by logically.
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:১৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ভাই আপনি অন্ধ ভাবে বিশ্বাস করতে চাইলে তো কারো কোন অভিযোগই নাই। যুক্তির প্রশ্নও সেক্ষেত্রে আসেনা। ভালো থাকবেন।
২২|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৮
দিশার বলেছেন: @সুভো , আপনার এই পাহাড় এর রেফারেন্স গ্রাম এর তেলেবুল আমলেম দের কাসে দিলে হাত তালি পাইতে পারেন , এখানে না .
পাহাড় এর গঠন সমর্ক এক পেজ পরা থাকলে ই রেফারেন্স দিতেন না . পাহাড় "পেরেক" এর মত পুতে দেয়া হয় নাই, পাহাড় তৈরী হইসে পৃথিবীর প্লেট মুভমেন্ট এর কারণে ! যা কিনা কোরান এর কথার সাথে ১০০% অপসিট .
আপনার রেফারেন্স তা আবার দেয় বুঝার সুবিধার জন্য .
কোরান ৩১।১০
Sahih International
He created the heavens without pillars that you see and has cast into the earth firmly set mountains, lest it should ***shift **** with you,
মানে বুঝানো হইসে যে, পাহাড় পুতে দিসে জমিনে, যাতে পৃথিবী/মাটি নরা চড়া না করে , স্ট্যাবল বা স্থির থাকে !!
There are nearly 70 planets and moons in our solar system. None has mountain ranges like those on Earth, suggesting tectonic plates are not moving. Yet it is absurd to say that one cannot walk on the surface of these planets and moons without making the ground beneath them shake. Can anyone say anything stupider than this? In fact the reverse is true. In planets where high mountains don't exist, the ground is very stable.
আগে বলেছি যে উল্টা তা সত্য, পাহাড় তৈরী হয় পৃথিবীর টেক্টোনিক প্লেট মুভমেন্ট এর কারণে !
তার উপর , আমাদের সোলার সিস্টেম য়ে প্রায় ৭০ গ্রহ আর উপ গ্রহ আছে , যেখানে পৃথিবীর মত পর্বত মালা নেই , ইটা কি বলা বোকামি না যে, ওই গ্রহ গুলা তে চলা ফেরা করা যাবে না , কারণ ওই খানে জমি স্ট্যাবল করার জন্য পাহাড় নেই?! এর চেয়ে বোকামি আর কি হতে পারে, যেখানে উল্টা তা সত্যি যে সকল গ্রহে উচু পর্বত মালা নেই সেখানের জমি খুবই স্ট্যাবল .
পৃথিবী তে দেখুন , পর্বত মালার আসে পাশের অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্প প্রবন!!!!!
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:২১
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। পোষ্টের সাথে থাকবেন আশা করি। আমরা মুস্লিমদের কাছ থেকে আরও জোরাল যুক্তি আশা করতেছি যদিও আমি নিজে তেমন কোন যুক্তি পাইনি যা দিয়ে ইসলাম কে ডিফেন্ড করা যায়। দেখা যাক।
২৩|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:০৪
আছিমভ বলেছেন: আমরা আমাদের সীমাবব্ধতা জানি কি না?
আমাদের যুক্তিগুলি কি সীমাবব্ধ না এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিরহস্য ব্যাখ্যার জন্য যথেস্ট কি না?
মানুষ নিজের মানষিক সত্ত্বাকে ব্যাখ্যা করতে পারে কিনা?
বিশ্বাসকে ব্যাখ্যা করতে পারে কিনা?
মন কেন আগে বিশ্বাস করে তরপর যুক্তি দারকরানর চেস্টা করে?
মানব সভ্যতা কেন ধর্ম ভিত্তিক সমাজ ব্যাবস্থার উপর দাড়িয়ে আছে?
is it possible to know everything about a particular situation from within that situation or not?
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:৩৫
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: জানিনা বা যথেষ্ট জ্ঞান নাই বলে কি যে যা বলবে তাই মেনে নিব? আকশে ৮২ বিলিয়ন নক্ষত্র আছে যা বিশ্বাস না করলে আপনি মরার পর ৮২ বিলিয়ন নক্ষত্রের তাপে ৮২ বছর ধরে জলবেন। এখন আপনি তো এই ব্যাপারে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন না। তাহলে কি আমার কথা মেনে নিয়ে বিশ্বাস করবেন আকাশে ৮২ বিলিয়ন নক্ষত্র আছে?
২৪|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:০৫
আছিমভ বলেছেন:
is it possible to know everything about a particular
situation from within that situation or not?
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:৩৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: এর উত্তর থেকে আপনি কোথায় পৌছাতে চান বলবেন দয়া করে? উত্তর 'না' হলে কি আমাকে মেনে নিতে হবে গড আছে?
ক্লিয়ার করেন।
২৫|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:১১
দিশার বলেছেন: @অচিময়ভ . just because we don't know something or cant explain something doesn't mean theres a god sitting between the gap of known and unknown . you are sir just arguing from ignorance .
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:৩৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: সহমত
২৬|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:৩২
আছিমভ বলেছেন: just because we don't know something
or cant explain something ......Why??
মানুষের সীমাবদ্ধতা কেন?
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:৩৯
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: আপনি কুতর্ক করতেছেন।
২৭|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:৩৫
আছিমভ বলেছেন: @দিশার: i am not arguing. search the answers for yourself.....
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:৪০
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: তর্ক করা যায়, কুতর্ক করা যায় না।
২৮|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:৪১
দিশার বলেছেন: আপনি ধরে নিচ্ছেন যে "জ্ঞান " এর চূড়ায় পৌছে গেসে মানুষ!!
আবার পরেন ,
অনেক প্রশ্ন আসে যে গুলার উত্তর সাইন্স এখনো দিতে পারে নাই , কিন্তু অনেক কিসু আসে যেটা পারসে , আগে পারত না, তাই মানুষ আগের কালে , আকাশের বিজলি তে খোদা কে দেখত, মেঘ , ঝর, খরা, বৃষ্টি সব কিছু তে খোদা কে পেত, কিন্তু ধীরে ধীরে বিজ্ঞান যখন এসবের বেক্ষা করতে লাগলো তখন লক্ষ্য করেন, গড এর পরিধি কমতে কমতে এক ইশ্বর য়ে এসে ঠেকলো ! যার অস্তিত্ব প্রমান করা যায় না , সুধু ইমান (বিসসাস) আনতে হয়!
২৯|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ২:৫৩
মূসা আলকাজেম বলেছেন: ভাই এটা সেই আদিকালের খোরা যুক্তি যেখানে ঈশ্বর এর কাছে গিয়ে আপনি নিয়ম পাল্টে ফেলেন। সব ঘটনার একটা পূর্ব কারন লাগবে কিন্তু ইশ্বরের কাছে গেলে আর লাগবেনা।
আমি সত্যিই আশ্চর্য যে, আমি আপনাকে এত সহজ একটি যুক্তি বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছি। আমি ভাবতেই পারিনি যে, আমি কোন মানুষের ক্ষেত্রে ব্যর্থ হতে পারি।
আসলে আপনি মনে হয়(ভুল হতে পারে), আমার কমেন্টের উপর জাস্ট একটু চোখ বুলিয়ে গেছেন। তানাহলে উপরের এই আন্ডারলাইন করা কথাটা আপনি সাধারণ কমনসেন্স থাকলেও বলতে পারতেন না। তাই আপনার কাছে অনুরোধ আপনি একটু মনযোগ দিয়ে লেখাটি আরো ২/১ বার পড়ুন। আর আপনি কি অনুগ্রহ করে আপনার নীচের করা প্রশ্নটি আমার এই পোষ্টে গিয়ে করতে পারেন? কেননা সেখানে আলোচনা শুধু স্রষ্টাকে নিয়েই। আর প্রশ্নটি করার আগে কাইন্ডলি আরেকবার একটু চিন্তা করে , আরেকটু সাজিয়ে গুছিয়ে করবেন কি ?
আমি ধরে নিচ্ছি গড অনাদি অনন্ত। সুতরাং মহাবিশ্ব শুরুর/সৃষ্টির আগেও অসীম কাল ধরে তার অস্তিত্ব। (এখন যদি এই আসিম কাল আগে তার কোন একশন/ক্রিয়া/ঘটনা না থাকে তবে তার অস্তিত্ত্ব অর্থহীন হয়ে যায়। সে অর্থে বলা যায় গডের অস্তিত্ব তখনই অর্থপূর্ণ হয় যখন সে নিজেকে কোন কাজে/ঘটনায় নিয়োজিত করে। তবে আমি এই লাইনে গেলাম না কারন এছাড়াও প্রবলেম আরেকটা আছে যা নিচে দিচ্ছি।)
এখন যদি গড মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে একটা নির্দিষ্ট সময় আগে ( যা অসিম নয়) তাহলে অসীম কাল আগে তার অস্তিত্ব থাকতে পারে না। কারন আপনার যুক্তি মত মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময়টি তাহলে আসবেই না কেননা গড সেই আসিম সময় পাড় করে মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময়টি পর্যন্ত পৌছাতেই পারবেনা। তাহলে গডেরও একটা সসীম সময়ে সৃষ্টি হতে হবে- যা মেনে নিলে তৎক্ষণাৎ গডের ধারনা বিলীন হয়ে যাবে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
আর যারা (শুভ জািহদ )এই পোষ্টে বিভিন্ন বিজ্ঞান সম্পর্কিত আয়াত দিয়ে কোরআনের সত্যতা প্রমাণ করতে চাচ্ছেন তাদেরকে অনুরোধ এটা করার আগে আপনারা
আমার নীচের পোষ্টটি আগে পড়ে নিন। কেননা আধুনিক বিজ্ঞান মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের যা যা বলে, তাঁর প্রায় সবই ভুল এবং ইচ্ছাকৃত ভুল, যাতে মুসলিমরা তাদের কোরআনের উপর বিশ্বাস হারায়।
যারা কোরানে শুধু বিজ্ঞান খোঁজেন তারা সবাই একটু দেখুন। সাইন্টিফিক মেথড সম্পর্কে আগে জানুন।
'হিগস' কণা কি আসলেই পাওয়া গেছে, নাকি ভাঁওতাবাজি?
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:৩৯
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: মুসা ভাই, আমি ভাল করেই পরেছি। আপনি একটার পর একটা cause পর পর বসিয়ে যাচ্ছেন ঠিক আছে। কিন্তু যখন গডকে cause হিসেবে বসাচ্ছেন তখন সব নিয়ম ভেঙ্গে আপনি এই cause কে একটা বিশেষত্ব দিয়ে দিচ্ছেন। যেমন এই cause এর কোন শুরু নাই শেষও নাই। কিন্তু আগের সব cause এর শুরু আছে। এই রাইট আপনাকে কে দিয়েছে।
বুঝলাম আপনি গডকে first cause হিসেবে এই সুবিধা দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু first cause কেন গডকেই হতে হবে? এটা কি আপনি আগে থেকে গড এ বিশ্বাসী বলে গডকে এখানে ইচ্ছাকৃত বিশেষত্ব দিয়ে খাপ খাইয়ে দিতে চাচ্ছেন? ভেবে দেখবেন। আর আপনি যদি cause এর এই চেইনকে গড পর্যন্ত নিয়ে থামাতে চান আমি কেন তার এক ধাপ আগে পর্যন্ত গিয়ে (spontaneous self existence of the universe) থামিয়ে দিতে পারবনা বলেন?
আসলে আমি বার বারই বলতেছি, গড আছে কি নাই সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্তে আসা যত কঠিন, সেই গডের সাথে (যদি থেকেও থাকেন) আমাদের প্রচলিত ধর্মগুলোর কোন সম্পর্ক আছে কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্তে আসা ততই সহজ।
আপনি কি ইসলামকে ডিফেনড করতে ভয় পাচ্ছেন? আমি তো মেনে নিয়েছি গড আছে এটা ধরে নিয়েই আমি দেখাব এর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নাই।
তাই আপনার কাছে প্রশ্ন, আপনি কি মনে করেন আমরা যে গডকে নিয়ে কথা বলছি আপনার ইসলাম ধর্মের আল্লাহই সেই গড? এবং মুহাম্মদের সাথে তার জিব্রাইলের মাদ্ধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে? তার কাছ থেকেই এসেছে কোরআন? সেই আপনাকে আমাকে কঠিন ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে? তার রাগ আছে, হিংসা আছে? সে ধোঁকা দিতে পারে? আবার তার প্রশংসা করলে খুশি হয়? অবাধ্য হলে কঠিন শাস্তি দেয়? নিজের পাশে অন্য কাউকে গড হিসেবে দেখতে সে একেবারেই অপারগ?
আবারও বলছি এড়িয়ে না গিয়ে জবাব দিন।
৩০|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৯
শুভ জািহদ বলেছেন: লেখক @ ৪টা বলতে প্রধান ধর্মগুলোর নাম বলেছি। আপনি বললেন ৭৩০টা আছে। তো আপনি কি আমাকে ৭৩০টা নাম সরবরাহ করতে পারবেন? আমার ধারণা আপনি পারবেন না। এগুলো জাস্ট অনুমান। বড়জোর ৭০-৮০টার নাম জানা যায়। ১০০০টি তথ্য সঠিক হলে অবশ্যই আপনাকে প্রমাণ দিতে হবে যে কিভাবে একজন অশিক্ষিত, নিরক্ষর ব্যক্তি এরকম ১০০০টি সত্য তথ্য দিল। এটা আপনার যুক্তির নিরিখে প্রমাণ করতে হবে। আপনারা তো যুক্তিবাদী। তো যুক্তি দিয়েই আমার উত্তর দিতে হবে যে কিভাবে এমনটি হওয়া সম্ভব।
সূর্য্যরে আবর্তন এর ব্যাপারে যা বললেন তা অনেকটা গল্পের মতো। আমাদের সমাজে কিছু লোক আছে যারা কিছুই পারে না। কিন্তু যখন তাদের সামনে কেউ এটি করে দেখিয়ে দেয় তখন বলে ““হ্যা হ্যা এ আর এমনকি? এটা তো সবাই পারে। কিন্তু যখন নিজেকে করতে বলা হয় তখন আর পারে না। ”” সূর্য্যরে আবর্তন সম্পর্কে বাহ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। আপনাদের বক্তব্য শুনলে মনে হয় যে সমস্ত বিজ্ঞানী এগুলো সূর্য্যরে আবর্তন নিয়ে গবেষনা করেছেন তাদের হুদাহুদি এইগুলা করছেন। এর থেকে তাদের কলা ছিলা আরও ভাল ছিল।
আপনি বললেন যে মুহাম্মদ সাঃ নাকি চাঁদ ও সূর্য্যরে ঘূর্ণন একই পাল্লায় মেপেছেন। আপনে এই তথ্য কই থেকে পাইলেন? কুরআন বলতেছে যে চাঁদ ও সূর্য্য ঘুরতেছে। কিন্তু ঘন্টায় কত কিলোমিটার ঘুরতেছে সেটা বলে নাই। আপনি কোন মিটার দিয়া মাপলেন যে উনি একই পাল্লায় মাপছেন। চন্দ্র সূর্য্য ঘুরতেছে কি না সেটা হলো বিষয়। উত্তর ঘুরতেছে। ব্যাস তথ্য সঠিক। শেষে অনুমান করলেন যে স্বাভাবিক চলাফেরা দেখেছে বলেছেন। তারপর আবার নিজেই নিজের শিউরিটি দিলেন। আবার বললেন মুহাম্মদ সাঃ একবারও বলেন নাই যে পৃথিবী সূর্য্যরে চারদিকে ঘুরে। আরে ভাই, মুহাম্মদ সাঃ যা বলছেন সেটা নিয়ে কথা বলতেছে। পৃথিবী ঘুরার কথা বলছেন কি বলেন নাই সেটা তো আমার প্রশ্নগুলোর মধ্যে নাই। নিজে থেকেই প্রশ্ন বানিয়ে জগাখিচুরী বানাচ্ছেন কেন? আবার আপনি বললেন তিনি নাকি ভেবে নিয়েছেন পৃথিবী স্থির। এ তথ্যই বা আপনি কই থেকে পাইলেন। আপনি কি উনার অন্তরে প্রবেশ করে তথ্য নিয়ে আইসেন। আনেন নাই। তাই যে কথা বলেন না সে ব্যাপারে অনুমান করে কথা কেন বলেন? সবশেষ বললেন যে, আমার সবগুলো কথাই ভূল। তো প্রমাণ দেন?
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৩:২৭
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: প্রধান ধরমও যদি বলেন ২০-২২ টা গুনে গুনে বলে দেয়া যাবে। কিন্তু সংখ্যায় কি আসে যায়? একটার বেশি হলেই তো চয়েসের ব্যাপারটা চলে আসে তাই না? আপনি কিভাবে বলবেন কোনটা সঠিক? এমনকি মোহাম্মদ নিজে বলে গেছেন যে ইসলামের মধ্যেও ৭০-৭২ টা সেক্ট হবে এবং ১টা বাদে বাকি সবাই জাহান্নামী হবে। কি বলেন! চিন্তার কথা বৈকি!!
" ১০০০টি তথ্য সঠিক হলে অবশ্যই আপনাকে প্রমাণ দিতে হবে যে কিভাবে একজন অশিক্ষিত, নিরক্ষর ব্যক্তি এরকম ১০০০টি সত্য তথ্য দিল। এটা আপনার যুক্তির নিরিখে প্রমাণ করতে হবে। আপনারা তো যুক্তিবাদী। তো যুক্তি দিয়েই আমার উত্তর দিতে হবে যে কিভাবে এমনটি হওয়া সম্ভব। "
হাহ! দাঁড়ান ভাই, একটু হেঁসে নেই আগে
মনে করেন আমি কোন কথিত পবিত্র গ্রন্থ থেকে তিলাওয়াত করতেছি, 'তোমরা কি দেখনা রৌদ্রে পানি ভরা পাত্র রাখিলে পানি শুকাইয়া যায়?, নিশ্চয়ই ইহার মধ্যে জ্ঞানিদের জন্যে রহিয়াছে উত্তম নিদর্শন।'
এইবার আসেন এই আয়াতটার একটা ছোটখাট তাফসিরও আমরা দাড়া করিয়ে ফেলি!
তাফসীরঃ আমরা জানি পানি একটি তরল পদার্থ। তরল পদার্থ বাষ্পীভবন (evaporation) এর মাধ্যমে গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয়ে থাকে। এখানে রৌদ্র বলতে প্রকারান্তরে তাপকেই বুঝনো হয়েছে। আর যেহেতু পানি শুকাইয়া জাওয়ার কথা বলা হয়েছে, আমরা ধরে নিতে পারি এর মাধ্যমে জটিল বাষ্পীভবন প্রক্রিয়াকেই সবিস্তারে বর্ণনা করা হয়েছে।
সম্পূরক প্রশ্নঃ এখন প্রশ্ন হল, আধুনিক বিজ্ঞান যেখানে সাম্প্রতিক কালে এই বাষ্পীভবনের কথা জেনেছে, সেখানে একজন উম্মি নবীর পক্ষে কিভাবে ১৪০০ বছর আগে এই জটিল, বাষ্পীভবনের কথা নির্ভুল ভাবে বলা সম্ভব? থে
উত্তরঃ সম্ভব না। আমি মানতে বাধ্য হলাম এটা সাক্ষাৎ মিরাকল। এবং এই সাক্ষ্য দিচ্ছি যে এর পরেও যে এই মহান গ্রন্থের অথেন্টিসিটি নিয়ে প্রশ্ন করবে, বুঝতে হবে আল্লাহ্ তার অন্তরে সিল মেরে দিয়েছেন।
কিন্তু আপনি যদি আমাকে এই প্রশ্ন করতেন, " রৌদ্রে পানি রাখলে শুকিয়ে যায় এইটা ১৪০০ বছর আগে কিভাবে বলা সম্ভব?''
আমি উত্তর দিতে পারতাম " এহেম! রৌদ্রে রাখা পানির পাত্রের দিকে তাকিয়ে।"
এইবার বুঝতে পারছেন আপনার ১০০০ সত্য বাক্যের ব্যখ্যা কিভাবে দিবো নাকি আরও বলতে হবে?
আপনাকে নিশ্চিন্ত করার জন্য না বলে পারতেছিনা, আম এতবার কোরআন পড়ার পরেও সেখানে বাষ্পীভবন জাতীয় কিছু পাই নাই তবে পানি শুকাইয়া যাওয়া অনেক পাইছি যেইগুলারে জাকির নায়েকরা বাষ্পীভবন বানাইয়া ছারছেন আর আপনারা শ্রদ্ধায় চোখ বন্ধ কইরা ফালাইছেন!
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৪
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: আপনি বললেন যে মুহাম্মদ সাঃ নাকি চাঁদ ও সূর্য্যরে ঘূর্ণন একই পাল্লায় মেপেছেন। আপনে এই তথ্য কই থেকে পাইলেন? কুরআন বলতেছে যে চাঁদ ও সূর্য্য ঘুরতেছে। কিন্তু ঘন্টায় কত কিলোমিটার ঘুরতেছে সেটা বলে নাই। আপনি কোন মিটার দিয়া মাপলেন যে উনি একই পাল্লায় মাপছেন। চন্দ্র সূর্য্য ঘুরতেছে কি না সেটা হলো বিষয়। উত্তর ঘুরতেছে। ব্যাস তথ্য সঠিক। শেষে অনুমান করলেন যে স্বাভাবিক চলাফেরা দেখেছে বলেছেন। তারপর আবার নিজেই নিজের শিউরিটি দিলেন। আবার বললেন মুহাম্মদ সাঃ একবারও বলেন নাই যে পৃথিবী সূর্য্যরে চারদিকে ঘুরে। আরে ভাই, মুহাম্মদ সাঃ যা বলছেন সেটা নিয়ে কথা বলতেছে। পৃথিবী ঘুরার কথা বলছেন কি বলেন নাই সেটা তো আমার প্রশ্নগুলোর মধ্যে নাই। নিজে থেকেই প্রশ্ন বানিয়ে জগাখিচুরী বানাচ্ছেন কেন? আবার আপনি বললেন তিনি নাকি ভেবে নিয়েছেন পৃথিবী স্থির। এ তথ্যই বা আপনি কই থেকে পাইলেন। আপনি কি উনার অন্তরে প্রবেশ করে তথ্য নিয়ে আইসেন। আনেন নাই। তাই যে কথা বলেন না সে ব্যাপারে অনুমান করে কথা কেন বলেন? সবশেষ বললেন যে, আমার সবগুলো কথাই ভূল। তো প্রমাণ দেন?
উপরের পানি শুকাইয়া যাওয়া যেভাবে বাষ্পীভবনে পরিনত হইয়াছে আপনি ঠিক একই ভাবে সূর্যের আপাত স্বাভাবিক ঘূর্ণন কে (যেটা দেখে মনে হয় প্রতিদিন একবার করে ঘুরছে) ছায়াপথ পর্যন্ত নিয়া গেলেন। কিভাবে দেখুন;
সুরা ৩৬: আয়াত ৩৮: And the sun runs [on course] toward its stopping point. (সহিহ ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সলেসন।)
এই নির্বিষ সহজ সরল বেপারটাকে আপনি কোথায় নিয়ে গেলেন? আপনার ভাষায়,
"সূর্য তার নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে। এটা পরাগমশালী, সর্বজ্ঞ আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ।
(ইয়াসিন, ৩৬ : ৩৮)
=> নির্দিষ্ট কক্ষপথে সূর্যের আবর্তন, যেমনটি উপরের আয়াতে উল্লেখিত হয়েছে- বিষয়টি ব্যাখ্যার দাবি রাখে। আমাদের ছায়াপথ একটি থালার আকৃতিতে বহু সংখ্যক নক্ষত্রপুঞ্জ নিয়ে গঠিত। এই ছায়াপথে সেই থালার কেন্দ্র থেকে দূরে সূর্য একটি অবস্থান দখল করে আছে। ছায়াপথটি তার আপন অক্ষরেখার ওপর পরিভ্রমণ করে, যা তার কেন্দ্র। ফলে তা সূর্যকে একই কেন্দ্রের চারপাশে একটি বৃত্তাকার কক্ষপথে আবর্তিত করে। ছায়াপথটি তার আপন অক্ষরেখায় তার আবর্তন শেষ করতে সময় নেয় ২৫০ মিলিয়ন বছর। সূর্য, এই আবর্তন সম্পন্ন করার প্রাক্কালে প্রতি
সেকেন্ডে মোটামুটিভাবে ১৫০ মাইল বেগে পরিভ্রমণ করে। এটি সূর্যের নির্দিষ্ট গতিপথ হিসেবে পরিগণিত হতে পারে- এতে কোনো সন্দেহ নেই যেমনটি কুরআন মাজিদের এই আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। এটি সুনিশ্চিত যে, না মুহাম্মদ সাঃ, আর না যারা তার চারপাশে ছিলেন তাদের কাছে সূর্যের পরিভ্রমণের এই সুনির্দিষ্ট জ্ঞান ছিল। কিন্তু বাস্তবতা হল, এই তথ্যটি কুরআন মাজিদে বর্ণিত হয়েছে মানুষ তা আবিষ্কার করারও বহু পূর্বে। এটা কিভাবে হলো? যৌক্তিক উত্তর চাই। নবী মুহাম্মদ সাঃ ছিলেন নিরক্ষর। একজন নিরক্ষর ব্যক্তির পক্ষে কুরআন নামক একটি কিতাবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সন্নিবেশিত করা কিভাবে সম্ভব হলো? আমরা মুসলিমরা বিশ্বাস করি, এই তথ্যগুলো তিনিই দিতে পারেন যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন অর্থ্যাৎ স্রষ্টা।"
মুহাম্মদ নিজে যদি জানত যে তার ঐ সাধারন বাক্যটাকে টেনে তার অনুসারীরা ছায়াপথ, থালা, ১৫০ মাইল প্রতি সেকেন্ড বেগ ইত্যাদি পর্যন্ত নিয়া যাবে, সে জ্ঞান হারাইত শেষে মরেই যেত কিনা আমি জানিনা। তবে এটা নিশ্চয়ই বলত,
" বৎস, এইসব কি বল! আমি তো কিছুই বুঝিতেছি না!! আমার এই এক কথাকে এত লম্বা করা যায়? এখন তো আমার নিজেরই বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হচ্ছে এইগুলা আসলেই দৈব বানী!!!"
আপনাকে আরও একবার লজিক ব্যাবহার করার অনুরুধ করব।
আপনার দেয়া আয়াতই কোট করছি "মহান আল্লাহ বলেন, তিনিই (আল−াহ তাআলা) সৃষ্টি করেছেন রাত ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। প্রত্যেকেই (নভোমণ্ডলীয় বস্তুসমূহ) আপন আপন কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান। (আম্বিয়া-২১:৩৩)"
এবং
"মহান আল্লাহ আরো বলেন, সূর্যের জন্যে অনুমতি নেই যে তা চন্দ্রকে অতিগমন করে যাবে। আর না রাত আগে চলে দিনের। তারা প্রত্যেকেই (নিজ নিজ) কক্ষপথে সন্তরণ করে। (ইয়াসিন, ৩৬ : ৪০) "
দেখুন চাঁদ আর সূর্যকে এক পাল্লায় মাপা হয়েছে কি না। এখানে এদের তুলনা বা পার্থক্য যাই করা হয়ে থাকুক তা রুই মাছ আর কাঁঠাল গাছকে নিয়ে পার্থক্য বা তুলনারই শামিল।
কোথায় একটা উপগ্রহ, আর কোথায় অন্যটা নক্ষত্র! কিভাবে একটা আরেকটাকে ধরে ফেলার সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে? কিভাবে ওভারলেপ করার কথা মাথায় আসতে পারে? আপনার কি মনে হয় না সে দুইটাকে একই পাল্লায় মেপেছে? মনের ঘড়ে তালা দিয়া রাখেন নাই তো? নাকি সৌর মডেল সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনার অভাব! কোনটা ধরে নিব বুঝতেছিনা।
" আপনি কি উনার অন্তরে প্রবেশ করে তথ্য নিয়ে আইসেন। আনেন নাই। তাই যে কথা বলেন না সে ব্যাপারে অনুমান করে কথা কেন বলেন? "
না ভাই, আমি তা পারি নাই। এই জন্যই উনি যেটা বলেছেন আমি তার সরল অর্থটাই এখানে তুলে ধরেছি। পানি শুকানোকে পানি শুকানোই বলেছি।
তবে আপনি মনে হয় পেরেছেন। নাহলে এটা যে বাষ্পীভবনের মত কঠিন একটি প্রক্রিয়া ( নক্ষত্র আছে, ছায়াপথ, আছে, ১৫০ মাইল/সে বেগ আছে, ২৫০ মিলিয়ন বছরের আবর্তনকাল আছে) তা আপনি তার অন্তরের ভিতর প্রবেশ না করলে জানলেন কেমতে?
আশাকরি এতক্ষনে বুঝাতে পেরেছি, কেন পৃথিবীর ঘূর্ণনের ব্যাপারটা উল্লেখ করেছি।
আপনার ভাষায় বলতে গেলে "সূর্য আবর্তন করে" বলতে উনি যদি ছায়াপথে সূর্যের জটিল ঘূর্ণন কে বুঝিয়ে আমাদের চমৎকৃত করতে পারেন, তবে পৃথিবী যে ঘোড়ে যা স্বাভাবিক ভাবে বোঝার উপায় নেই সেটা বললে আমরা আরও বেশি চমৎকৃত হতাম। কারন সূর্য ঘুরতেছে এটা মেনে নেয়া ঐ সময় কঠিন কিছু ছিল না। কারন মানুষ দেখেছে সূর্য আসলেই আবর্তন করে যেমন করে চাঁদ।
কিন্তু পৃথিবী আবর্তন করে এটা তখন মানুষের জানা ছিল না। তাইতো মুহাম্মদের পক্ষে বলা সম্ভব হয়নি পৃথিবী ঘোড়ে।
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৩
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: আরেকটা ব্যাপার লক্ষ্য করেন। আমি কিন্তু কোরআনের একটা চ্যালেঞ্জ ইতিমধ্যে মিট করে ফেলেছি। সুন্দর আয়াত বানিয়েছি। সেখানে মরুভুমির রোদ আছে, আছে পানি শূন্যতার হাহাকার, স্রষ্টার স্রেস্টত্বের ঘোষণা। আবার দেখলেন কত সুন্দর ভাবে ভবিষ্যতে যে বিজ্ঞান আসবে তার আলোকে এর তাফসীর করা যায়!
অতএব কোন যুক্তিতে আপনি আমার এই সখ্যমতা কে অস্বীকার করবেন? :!> :!> :!> :!>
৩১|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:০৯
শুভ জািহদ বলেছেন: দিশা @
সুরা ১৮।৮৬ > অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি ""সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন"" এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন।আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন।
=> এখানে বুদ্ধিজীবিরা বলে যে সূর্য কখনো পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যায় না। কুরআন নাকি বলেছে সূর্য্য পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যায়। আর সে রকমই একজন বুদ্ধিজীবি আপনি। এখানে সুর্য্য পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে কে দেখছে? উত্তর যুলকারনাইন। আল্লাহ এখানে যুলকারনাইন যা দেখছে তাই উল্লেখ করেছেন। এটা মোটেও ভূল না।
আমাদের পত্রিকাগুলো লেখা হয় সূর্যাস্ত ৫.৩০ মিনিট। সূর্য কি অস্ত যায়? প্রকৃত বক্তব্য হলো সূর্য্য অস্ত যায় না। তবে এখানে আমরা বাহ্যিকভাবে যা দেখে থাকি তাকেই মূখ্য হিসেবে গণ্য করা হয় মানুষের বুঝার সুবিধার্থে। ঠিক একই ভাবে আল্লাহও মানুষের বুঝার জন্য সহজ করে বলেছেন যে যুলকারনাইন দেখেছে সূর্য্য পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে। এখানে যুলকারনাইন যা দেখছে তাই উল্লেখ করেছেন। এটা মোটেও ভূল না বরং আপনাদের এবং আপনারা যেখান থেকে কপি পেষ্ট করেন সেখানের মানুষগুলোর বুঝার ভূল। কারো বুঝার ভূল মানে এই নয় যে কোরআন ভূল।
আপনি যেই বিষয়গুলো তুলে আনছেন এগুলোর উত্তর বহু পূর্বেই দেওয়া হইছে। আবার নতুন করে সময় নষ্টের প্রয়োজন মনে করছি না।
ধন্যবাদ।
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ২:০৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ভাই, আপনি ধার্মিক হবেন ভাল কথা, তার জন্য কমনসেন্স বিসর্জন দিতে হবে কেন বলেন?
আপনি আয়াতটা পড়েছেন নাকি জাকির নায়েকের সেই অচল যুক্তি মুখস্ত আওড়ে দিলেন?
"ঠিক একই ভাবে আল্লাহও মানুষের বুঝার জন্য সহজ করে বলেছেন যে যুলকারনাইন দেখেছে সূর্য্য পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে।"
আপনি আমাকে বলবেন যদি এখানে স্বাভাবিক ভাবে সূর্য অস্ত যাবার কথাই বলা হবে তাহলে সূর্যকে ধাওয়া করে একটা বিশেষ জায়গায় গিয়ে কেন সূর্য অস্ত যাওয়া দেখতে হবে? জুল্কারনাইন যে জায়গায় থাকতো সেখানে কোথাও স্বাভাবিক সূর্যাস্ত হয় না? তাকে এমন এক বিশেষ অচেনা যায়গায় যেতে হবে যেখানে যে কউম বাস করে তারা সম্পূর্ণ ভাবে স্ট্রেঞ্জার। শুধু তাই নয় এর আশেপাশের আয়াত পড়ে দেখেন। তাকে সূর্যাস্তের যায়গায় পৌছার জন্যও আবার দৌড়াইতে হয়েছে।
"আপনি যেই বিষয়গুলো তুলে আনছেন এগুলোর উত্তর বহু পূর্বেই দেওয়া হইছে। আবার নতুন করে সময় নষ্টের প্রয়োজন মনে করছি না। "
The questions are as old as Islam is, I do agree, but the irony is, they are still unanswered.
আবু সুফিয়ান, আবুল হাকামদের থেকে শুরু করে আজকের ফ্রি থিঙ্কার পর্যন্ত সবাই প্রশ্ন গুলো করে গেছেন। কিন্তু ইসলামের ভাণ্ডার থেকে এগুলোর উত্তর কখনো বের হয়নি। হওয়া সম্ভব নয়। আপনার উপরের উত্তরের মত কিছু ছেলে ভুলানো উত্তর দিয়ে জাকির নায়েকের মত বেক্তিরা চিন্তাশীল মানুষদের বোকা বানাতে পারেনি। আর পারবেও না।
৩২|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৭
তিতুন বলেছেন: " অনেক প্রশ্ন আসে যে গুলার উত্তর সাইন্স এখনো দিতে পারে নাই , কিন্তু অনেক কিসু আসে যেটা পারসে , আগে পারত না, তাই মানুষ আগের কালে , আকাশের বিজলি তে খোদা কে দেখত, মেঘ , ঝর, খরা, বৃষ্টি সব কিছু তে খোদা কে পেত, কিন্তু ধীরে ধীরে বিজ্ঞান যখন এসবের বেক্ষা করতে লাগলো তখন লক্ষ্য করেন, গড এর পরিধি কমতে কমতে এক ইশ্বর য়ে এসে ঠেকলো ! যার অস্তিত্ব প্রমান করা যায় না , সুধু ইমান (বিসসাস) আনতে হয়! "
আকাশের সূর্য, বিদ্যুৎ থেকে হতাৎ করে এক ঈশ্বরে এসে ঠেকল বিষয়টি কিন্তু আসলে তা নয়। মানুষ আকাশে বিদ্যুৎ, সূর্য ইত্যাদি দেখলো কিন্তু মানুষ তো এক ঈশ্বরকে দেখে নি। তাহলে তার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা লাভ করল কীভাবে? এর কারণ যুগে যুগে ঈশ্বরের দূত বা প্রফেট বা নবী পৃথিবীতে এসেছে এবং ঈশ্বরের পরিচয় সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করেছে। অনেকেই তখন বিশ্বাস করতে চায় নি। তখন 'স্বর্গীয় হস্তক্ষেপ' বা 'Divine Intervention' এর মাধ্যমে নবীরা এসব ঘটনা প্রমাণ করেছিল। এই স্বর্গীয় হস্তক্ষেপ কে আপনি বলছেন অলৌকিক নয় এবং এর পেছনে কোন না কোন বৈজ্ঞানিক সত্য আছে। আপনি যদি এমনটাই মনে করেন, তাহলে যদি ঈশ্বর তার একজন অ্যাঞ্জেল পাঠায় আপনার কাছে তার অস্তিত্ব প্রমান করতে তাহলে তো আপনি বলতে পারেন যে, তোমাকে যে ঈশ্বরই পাঠিয়েছে তার প্রমাণ কী? তোমাকে পাঠিয়েছে অতি উন্নত মানের এলিয়েনরা যারা পৃথিবীর মানুষদেরকে নিয়ে গবেষণা করছে। অতঃপর প্রমাণিত হল যে ঈশ্বর নেই। সুতরাং বিশ্বাস না করতে চাইলে প্রমাণ দিয়েও বিশ্বাস করানো সম্ভব হবে না।
তাহলে আমার অবিস্সাশ যে সমস্যা কোথায় ? পৃথিবীর সবাই নাস্তিক কোনো না কোনো "গড" এর বেপারে, i go just one god more !
ঈশ্বর মুলত একটাই। যেসব ধর্ম একাধিক ঈশ্বরের দাবি করে সেসবের কোন ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। কাজেই আপনার থিওরি অনুসারে সেগুলোকে রিজেক্ট করলাম। এখন খৃস্টধর্মে বলা হয়েছে যিশু ঈশ্বরপুত্র অর্থাৎ এখানে ঈশ্বরের অস্তিত্বে অংশীদারিত্ব করা হয়েছে। ভেবে দেখুন মুসলিমরা কিন্তু খৃস্টানদের সেই একই গডেই বিশ্বাসই কিন্তু তারা ঈশ্বরের অস্তিত্বে কারো অংশিদারিত্ব স্বীকার করে না। যিশুকে ঈসা নবী হিসেবে দেখে যিনি একজন ঈশ্বরের দূত। আপনি যদি একাধিক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন তাহলে তো কোন না কোন গডের ব্যাপারে আপনি নাস্তিক হবেনই। কিন্তু যদি ঈশ্বরকে একমাত্র ঈশ্বর অসীম ক্ষমতাধর হিসেবে বিশ্বাস করেন তাহলে অন্যান্য ঈশ্বরকে বিশ্বাস করার প্রশ্নই ওঠে না। কারন অন্যান্য ঈশ্বরের অস্তিত্বই নেই। মহানবীর আগে যেসকল নবী এসেছিলেন তারা মূলত সেই এক ঈশ্বরের কথাই প্রচার করেছেন। যারা এক ঈশ্বর মতবাদ থেকে দূরে সরে এসেছে তারাই কাহিনী নির্ভর ও বিভিন্ন মতের ধর্মে বিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। কিন্তু ঈশ্বর মূলত একটাই। যার স্বরূএ বিশ্লেষণ মহানবীর আগমনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে গিয়েছে। এবং মহানবীর পর আর কোন নবী বা ঈশ্বরের দূত বা বার্তাবাহক আসবে না - একথাও সত্যি প্রমাণিত দেখা যাচ্ছে। আজ পর্যন্ত যখন কোন নবী আসেন নি তাহলে আপনি কীভাবে বিশ্বাস করবেন এই রকেটের যুগে নতুন কোন নবীর আগমন হবে। অর্থাৎ মহানবীর কথা সত্য প্রমাণিত হয়ে গেছে। এটাকে যদি কো ইনসিডেন্স বলেন তাহলে এটা এমন একটা কো ইনসিডেন্স যেটা ঘটার সম্ভাবনা ১% ও ছিল না। কিন্তু বাস্তবে সেটা ঘটেছে। কাজেই সম্ভাবনার সূত্রে আপনাকে এটা মেনে নিতে হবে। এখন বলতে পারেন, একটি কথা সত্যি প্রমাণিত হয়েছে তাহলে বাকি সব কথার সত্যতা প্রমাণ কীভাবে করা যাবে? এর সমাধান আজকের বিজ্ঞানেও সম্ভব নয়। কারণ ঘটনাগুলো যে অসত্য এটা প্রমাণ করতে পারবেন না। মুসলিমরা বিশ্বাস করে কারণ তারা ঘটনাগুলো কে সত্য হিসেবে মানে। আর বিজ্ঞানের মাধ্যমে প্রমাণ করা যে বিষয়টির কথা আপনি ভাবছেন সেক্ষেত্রে একটি কথা বলতে পারি। বিজ্ঞানের এই যে সমস্ত সূত্র - এই সমস্ত সূত্রের আবিষ্কারক হিসেবে আপনি যদি ঈশ্বরকে বিশ্বাস করেন তাহলে এসব সূত্রের সাহায্যে আপনি কখনো আপনার স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারবেন না। আমরা জানি e=mc2(square) কিন্তু এমনটি না হয়ে তো e=mc3(cube) ও হতে পারত কিন্তু হয় নি কারণ স্রষ্টা সূত্রটি সেভাবে তৈরি করেন নি। এখন যেই বিজ্ঞান ও তার ফর্মূলাসমূহ ঈশ্বরের তৈরি সেই বিজ্ঞানের দারাই তার অস্তিত্ব প্রমাণ বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকেই সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে আপনাকে ঐতিহাসিকতা আর ঈশ্বরের দূত আর স্বর্গীয় হস্তক্ষেপ এর কথা বিবেচনা করে সেগুলোকে বিশ্বাস করতে হবে। এখন আপনি যদি বলেন, যে এগুলো এলিয়েন দারা সৃষ্ট মানুষের সমাজ ব্যবস্থা টেস্ট করার একটি পরীক্ষা তাহলে তো কিছু বলার নেই। কারন সেগুলো আপনি যেমন প্রমাণ করতে পারবেন না তেমনি আমিও পারব না। আপনি বলেছেন "তাহলে আমার অবিস্সাশ যে সমস্যা কোথায় ?" - কোন সমস্যাই নেই। আপনি অবিশ্বাস করলে এসংক্রান্ত দায় দায়িত্ব আপনার। কিন্তু কেউ যদি বলে, "তাহলে আমার বিশ্বাস করলে সমস্যা কোথায়" - তখন আপনি কী বলবেন? একটু গভীরভাবে ভাবলে বুঝতে পারবেন যে এর কোন উত্তর আপনার কাছে নেই।
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৬
আব্দুর রহ্মান বলেছেন:
:-< :-< :-< :-< :-< :-< :-< :-<
৩৩|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৩৪
দিশার বলেছেন: ***ঈশ্বর মুলত একটাই। যেসব ধর্ম একাধিক ঈশ্বরের দাবি করে সেসবের কোন ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।***
কিভাবে নাই ?বুঝায়ে বলেন . "ঐ তিহাসিক" ভিত্তি নাই বলে ফট করে পিসলায়ে বের হয়ে গেলেন, নিজের মুসলিম ধর্ম কে সাপোর্ট করার জন্য?
নবী আছে (গুরু নানক ) বই আছে, ফলওয়ার আছে , তির্থী স্থান ও আছে , সো why নট নানক শাহী ?
হিন্দু ধর্মের বই আছে, অবতার আছে, ফলওয়ার আছে তীর্থ আছে why নত হিন্দু ধর্ম?
***মুসলিমরা কিন্তু খৃস্টানদের সেই একই গডেই বিশ্বাসই***
জি ইসলাম একটি আব্রাহামিক ধর্ম হওয়াতে কপি পেস্ট করছে অনেক কনসেপ্ট .
ইহুদি দের "য়াহিয়ে"গড কে কিভাবে কিসে ভিত্তিতে বাদ দিচ্ছেন?
গ্রেক গড জেউস ,অসিরিস , আনুবিস এদের সবার "অতিহাসিক" দলিল আছে .
***এবং মহানবীর পর আর কোন নবী বা ঈশ্বরের দূত বা বার্তাবাহক আসবে না - একথাও সত্যি প্রমাণিত দেখা যাচ্ছে।***
গোলাম কাদিয়ানী এসেছে নবীর দাবি নিয়ে, তাকে কেন রিজেক্ট করছেন ?
বাংলাদেশ য়ে দেওয়ানবাগ শরিফ এর প্রচুর ভক্ত আছেন যারা , দেওয়ানবগি কে নবী রাসুল এর উপরে মর্যাদা দেয় , মহান আল্লাহ কে তার ফেরেস্তা জিব্রাইল সহ , দেওয়ান বগির মিসিল যে দেখা গেসে , এমন বহু প্রতক্ষ সাক্ষী আসে এবং , বই য়ে লেখা আসে।
***আজ পর্যন্ত যখন কোন নবী আসেন নি তাহলে আপনি কীভাবে বিশ্বাস করবেন এই রকেটের যুগে নতুন কোন নবীর আগমন হবে। অর্থাৎ মহানবীর কথা সত্য প্রমাণিত হয়ে গেছে।***
এটা কি কোনো লজিক ? লজিক মনে করলে দুঃক্ষিত , আপনার লেভেল য়ের লজিক এর ঠাই পাওয়া আমার মত অভোজন এর সভা পায় না .
***আকাশের সূর্য, বিদ্যুৎ থেকে হতাৎ করে এক ঈশ্বরে এসে ঠেকল বিষয়টি কিন্তু আসলে তা নয়।***
হটাত করে আসে নাই . বিজ্ঞান এর অগ্রযাত্রায়, চন্দ্র , সূর্য, বিজলি থেকে গড সরতে সরতে এখন নিরাকার হইসে।
ডিভাইন ইন্টারভেনশন দেখলে মানব না কে বলসে ? ১০০% মানব। আমাদের যেহেতু "সৌভাগ্য" হয় নাই ডিভাইন ইন্টারভেনশন দেখার তাই আপাতত আমি সন্দেহবাদী অদৌ দেখব কিনা কখনো .
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৯
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ভাই ওনার যদি হিন্দুর ঘরে জন্ম হত, উনি শুধু স্রষ্টা না, ৩৩ কোটি দেবদেবীতেও বিশ্বাস করতেন।
৩৪|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৪৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: Brothers, reading your comments. Might take a while to come back cause I am running really busy. But will come back with the replies for sure.
৩৫|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৯
যান্ত্রিক বলেছেন: প্রথম কথাই হচ্ছে, "স্রষ্টা" একটি গুণবাচক শব্দ। যিনি "অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্ব" আনতে পারেন, তিনিই স্রষ্টা। এই গুণ শুধুমাত্র স্রষ্টারই থাকতে হবে।
এখানে অনেক ভাইকেই দেখছি স্রষ্টার গুণ মানুষকেও ভাগ করে দিচ্ছেন। বলছেন মানুষ কম্পিউটারকে সৃষ্টি করেছে। এটা ভুল। মানুষ কম্পিউটার সৃষ্টি করেনি, তৈরী করেছে বা সন্নিবেশ করেছে বা আবিষ্কার করেছে। কম্পিউটার সৃষ্টি করতে হলে মানুষকে কম্পিউটারের প্রতিটি অণু-পরমাণুও অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বে আনতে হবে।
অতএব লেখক ও যারা স্রষ্টায় অবিশ্বাসী, তাদের কছে আমার প্রশ্ন, আপনারা স্রষ্টার এই মৌলিক গুণে বিশ্বাস করেন কিনা? বা কোন যুক্তিতে একে অস্বীকার করেন?
আশা করি এর উত্তর পেলে আলোচনা চালাতে সুবিধা হবে।
ধন্যবাদ।
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৫:০৬
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: যান্ত্রিক বলেছেন: প্রথম কথাই হচ্ছে, "স্রষ্টা" একটি গুণবাচক শব্দ। যিনি "অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্ব" আনতে পারেন, তিনিই স্রষ্টা। এই গুণ শুধুমাত্র স্রষ্টারই থাকতে হবে।
কেন আমাকে এই বিশ্বাস করতে হবে? সে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্ব আনতে পারে এই ক্ষমতা তাঁকে কে দিল? আপনি? শুধু দাবী করলেন আর হয়ে গেল, নাকি প্রমাণ আছে?
৩৬|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৭
যান্ত্রিক বলেছেন: লেখক বললেন, "কেন আমাকে এই বিশ্বাস করতে হবে? সে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্ব আনতে পারে এই ক্ষমতা তাঁকে কে দিল? আপনি? শুধু দাবী করলেন আর হয়ে গেল, নাকি প্রমাণ আছে?"
"স্রষ্টা" শব্দের শব্দার্থই হলো যিনি সৃষ্টি করতে পারেন বা সক্ষম। আপনি যেকোন ভাষার স্রষ্টার সমার্থক শব্দ দেখলে একই অর্থ খুঁজে পাবেন।
তিনি সৃষ্টি করতে পারেন বলেই তাঁকে এই নামে ডাকা হয়। আর এই নাম আমি দেইনি, হাজার বছর ধরে প্রতিটি লক্ষ-কোটি মানুষ তাঁকে এই নাম দিয়েছে।
আপনাকে এই কথা বিশ্বাস করতে হবে কারণ আপনার কাছে এর বিপরীতে কোন যুক্তি নেই এবং সৃষ্টির ব্যপারে আর কোন চলক দিয়ে আপনি এই সমীকরণ মেলাতে পারবেন না।
পারলে প্রমাণ করুন স্রষ্টা ছাড়া সৃষ্টি সম্ভব !!!
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১০
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: নীচের কমেন্টের জবাব দিবেন আশা করি।
৩৭|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:০৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ভুত নামে একটা শব্দ আছে কিন্তু আমি ভুত বিশ্বাস করি না।
ঘোড়ার ডিম বলেও একটা বস্তু আছে, কিন্তু আমি বিস্বাস করিনা তার অস্তিত্ব তা শব্দ হিসেবে সে যত প্রাচীনই হোক আর যত বেশি মানুশই তাকে স্বীকার করুক।
আপনি মনে হচ্ছে আমাকে জোর করেই বিস্বাস করিয়ে ছারবেন। ঠিক আছে যান মেনে নিলাম স্রস্টা আছেন।
তাহলে বলেন, আপনি কি মনে করেন আমরা যে গডকে নিয়ে কথা বলছি আপনার ইসলাম ধর্মের আল্লাহই সেই গড? এবং মুহাম্মদের সাথে তার জিব্রাইলের মাদ্ধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে? তার কাছ থেকেই এসেছে কোরআন? সেই আপনাকে আমাকে কঠিন ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে? তার রাগ আছে, হিংসা আছে? সে ধোঁকা দিতে পারে? আবার তার প্রশংসা করলে খুশি হয়? অবাধ্য হলে কঠিন শাস্তি দেয়? নিজের পাশে অন্য কাউকে গড হিসেবে দেখতে সে একেবারেই অপারগ?
৩৮|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:২২
একাকী_পথিক বলেছেন: apnake shompurno different akta question kori --- amake 100 taka ane dite parben without '00'. apni kintu janen '0' er kunu value nai? jeitar value e nai taile oita use koren kivabe? ha akhn bolben '0' er aka r value nai! tai to!! 1 er pore ashle value ache? ta ane dekhan na akta '0'. 1 to niye ashte parben..tai na!! akta '0' niye ashen? akta '-1' niye ashen... just oti simple akta kotha bollam... jodi logic dhorte paren taile ans diyen. nahole ignore koiren ![]()
BTW - apnara 'atheist' almighty te blv koren na!! alada dhormo niye kotha boltesinashob dhormer e mul kotha same---eita manush ja akta theke onno take vibinno vabe differentiate korse. but mul kotha aktai ase akhono jara dhormo bisshash kore tader kache -- 'j isshor akjon e' jini shob sristi korechen. so apnara jokhn atoi proman dorkar taile akta kaj koren --- apnar dining room er basin er tap er niche hat ta dhoren--- tap ghurayen na abar --apnader logic mote auto matic pani porar kotha
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৩২
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ভাই, ১ এর পর শুন্য'র ভ্যলু আছে এটা গাণিতিক ভাবে প্রমানিত বিষয়। অ্যা সলভড ইস্যু। গড ইস্যুটা আনসলভড।
৩৯|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:২৫
একাকী_পথিক বলেছেন: shamanno akta tap na ghuraye pani ber kore jodi hat dhute paren taile ashe argument koiren
shara universe to onek boro akta jinish
you know wise man saying : charity begins at home
so start your argument from your wash basin
then we can talk ![]()
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৫০
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: হুম। ট্রাই করে আসলাম, পারি নাই, ফেল মারছি।
বুঝলাম গড আছে। তো আমার কাছে মনে হইলো প্যাগান গড মানাত ই হচ্ছে সত্যিকারের গড। কাল থেকে প্যাগানদের মত পূজা শুরু করবেন নাকি?
৪০|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৩৬
একাকী_পথিক বলেছেন: ar akhane jara isshor e bisshashi achen tader kache akta request ---
Nastik ar astik niye argument korar shomoy eita niye argument koiren na j individual religioin is right. then nastik ra bapar ta te ghula pani te mach shikar er moto babohar kore apnake onno dike torko korte niye jay. aita khub common akta technique oder. apni just Isshor ache ki na oita niye kotha boilen plz.
nahole kichu kichu nastik amader priyo dhormo niye baje kotha bolte wait korbe na abar tokhn apni ami jodi rep dite jai tokhn unara shadhu shajteo time nibe na
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:০২
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: হাহ! দারুন। আপনার দৌড় বুঝা গেছে। এটাই আপনাদের সমস্যা।
ইসলাম যে ঈশ্বর থেকে আসা ধর্ম এই কথাটা ডিফেন্ড করতে পারবেন না তাইতো? এটাই হয়। ফাকিটা এই খানেই।
ঈশ্বর একটা ফাকা বুলি। সুতরাং এটা প্রমাণ করা তার কর্তব্য যে দাবী করবে ইশ্বর আছে। কিন্তু কোন ধর্মের কেউ আজ পর্যন্ত তা পারেনা। উল্টো বলে অবিশ্বাসীদের প্রমাণ করে দেখাতে! কিন্তু যা নাই তা প্রমাণ করার উপায় তো নাই!
এই সুযোগে সব বেটা বলে যেহেতু তুমি প্রমাণ করতে পারনাই যে ঈশ্বর নাই, তাই ঈশ্বর আছে! বাহ কি যুক্তি!
কিন্তু তারা খেলা এখানে শেষ করে না। সব ধর্মের লোক মনে করে যেহেতু ঈশ্বর আছে তাহলে আমার ধর্ম ঠিক।
আরে বাবা তুমি যে একটা ধাপ মিস করে গেলা সেইটা একটু দেখবানা? প্রমাণ কর ঈশ্বর যে আছে সে তুমার ধর্মটাই দিছে। বাকি গুলা সব মিছা। নইলে আমি কোন ধর্মে যামু!! সবাই তো বলে তারটাই ঠিক!
৪১|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৪৬
একাকী_পথিক বলেছেন: সুতরাং আমি মেনে নিলাম গড আছে। এবং আপনার লেখা থেকে বুঝলাম আপনি মুসলমান। আপনি কি এটা আমাকে বলবেন যে আল্লাহই কি সেই গড আমরা যাকে নিয়ে এতক্ষন কথা বলছি? এই গডের কাছ থেকেই কি মুহাম্মদের কাছে বানী এসেছে বলে আপনি বিশ্বাস করেন? দয়া করে এই প্রশ্নের উত্তর দিন। তাহলে আমরা আলোচনা একটা ফলপ্রসু অবস্থানে নিয়ে যেতে পারব। আবারও ধন্যবাদ। --
apnar ei comment thekei bujha jay apnar ashol uddessho ki? apni jodi jastik hon ar mene nen j god achen tahole tokhn e apnar argument shesh hoye jawar kotha. islam a ki ache na ache oita niye to apnar matha ghamanor kotha na.
2. ar muslim ra allah achen mene niyei nijer dhormo palon kore...allah nai dhore niye dhormo palon kore na so ajaira pechal laganor dhanda bad den. apnar question jodi god ache ki nei oita niye hoy oita niyei thaken.
3. ar god thakle oita kun god ei dhoroner kotha shunlei bujha jay j apni kototuku murkho. reason is - the god is one - for a muslim its allah, for a christian its god, for a hindu its baghban, for a believer its the almighty, for a greek its zeus.. its the same. so aidhoroner kotha bolar aktai mane j apni holen shei bekti j kechal lagaya mach shikar korte chan
aishob kaj charen. apni jodi akjon atheist hon try to be good at this. valo thakben. ar baki der apnader kach thke shabdhan thakar ahoban janacchi,
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:১০
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: আপনি আমার পোষ্ট পরেন নাই। আমার মূল কথাই হল, ঈশ্বর নিয়ে তর্ক না করে, ধর্ম ঈশ্বর থেকে এসেছে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করা। কেন তা আগের রিপ্লাই থেকে বুঝে নেন।
ঈশ্বর আছে মেনে নিলেই আমি ধর্ম মানতে বাধ্য নই যদি আপনি প্রমাণ না করেন যে ঈশ্বর ধর্ম দিয়েছেন। আবার ঈশ্বর কোন ধর্ম পালন করতে বলেছেন তা প্রমাণ সহ না বললে আমি যে কোন ধর্ম পালন করতে পারি।
তাই আমাকে সঠিক পথে আনতে হলে আপনাকে প্রমাণ করতে হবে আপনার পালন করা বিশেষ ধর্মটাই ঠিক বাকিগুলা ঠিক না।
এইবার বলেন আপনি কোন ধর্মের এবং কেন সেই ধর্মই সঠিক। নাকি জানেন না নিজের ধর্ম ঠিক না বেঠিক?
জানলে আমাদেরকেও জানিয়ে উপকার করবেন আসা করি।
৪২|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৪৯
একাকী_পথিক বলেছেন: ভাই, ১ এর পর শুন্য'র ভ্যলু আছে এটা গাণিতিক ভাবে প্রমানিত বিষয়। অ্যা সলভড ইস্যু। গড ইস্যুটা আনসলভড। - bhai akta shunno amare dekhan na please? ami jobneo shunno dekhi nai!! but kemne kemne engineer hoye building banaitesi!! koto kisui deklam life a ak shunno chara!! even bhai j university akhn research kortesi oita one of the best university in the UK. but unfortunately amar collegue rao keu shunno dekhe nai
apni jodi dekhaite paren taile apnar pa dhuye pani khabo
btw - scientifically proven!! ki bujhaite chaisi bujhiao jodi na bujhara try koren taile ar ki ![]()
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:১৭
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ভাই আপনি কিসের সাথে কাকে মিলাচ্ছেন! গড একটা Deity বা সত্যা, (অন্তত আমরা যে গডকে নিয়ে কথা বলতেছি )। শুন্য বা অন্য কোন সংখ্যা কি কোন সত্যা?
আপনি এভাবে মিলিয়ে ফেলেবেন ভাবিনি।
৪৩|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:০১
দিশার বলেছেন: @একাকী পথিক। ভাই আপনি ইঞ্জিনিয়ার মানুষ, আপনে আশা করি জানেন, কলেম যাদের, বুর্দেন অফ প্রুফ তাদের। কমেন্ট ২ দ্রষ্টব্য।
@ যান্ত্রিক . আপনি যদি "ধরে" নেন যে স্রষ্টার ক্ষেত্রে ন্যাচারাল ল অফ টি ইউনিভার্স খাতে না, উনি "টাইম" এন্ড " স্পেস" এর বাইরে, তাহলে তো সব সম্ভব ! এবং আস্তিক দের কলেম তো এটাই যে, "গড" সব পারে। ইত্যাদি ইত্যাদি।। কিন্তু এমন একজন যে আছে, এটার পকোনো প্রমান এখনো আমরা পাইনি , তাই এই "গড" কনসেপ্ট আমি রিজেক্ট করি . আপনি যদি দাবি করেন যে দাত্স ট্রু, দেন গিভে এভিডেন্স দ্যাট কান be টেস্ট এন্ড মেজারদ , বা ই হাইপোথিসিস অনুযায়ী এমন প্রেডিকশন করেন, যেটা আমরা ফিউচার যে বা প্রেসেন্ট টাইম য়ে accurate পাব, তখন আপনার "গড" মডেল প্রমানিত হবে।
ধন্যবাদ .
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৪৭
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: তালগাছ তাদেরকে দিয়ে দিয়েছি ভাই। কিন্তু গডের সাথে তার ধর্মের লিঙ্কটা কোথায় সেইটাই কেউ দেখাইতে পারলো নাহ!
৪৪|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:০৫
একাকী_পথিক বলেছেন: হুম। ট্রাই করে আসলাম, পারি নাই, ফেল মারছি।
বুঝলাম গড আছে। তো আমার কাছে মনে হইলো প্যাগান গড মানাত ই হচ্ছে সত্যিকারের গড। কাল থেকে প্যাগানদের মত পূজা শুরু করবেন নাকি? - ok now u r in a line --
akhn apnake boli - believer and true believer er differenc:
koi jeni porsilam na deksilam akhn thik mone nai..so soory reference dite na parar jonno --
difference ta holo akta ' 's '..
jara oshikkhito tara mone kore everything which is beyond his power and acheivment is god and we Muslim people believe everything is god's!
btw - apnar shate argument korar iccha kortesenakaron apni argument er jonno ashen nai apni ashchen pechal laganor jonno. cz apnar main issue jodi hoy GOD niye taile oitatei stick thaka uchit. ar apnar main objective jodi hoy Islam er Allah ar Onno dhormer Allah r moddhe vejal lagano taile ami aikhane time waste kortesi.
apnader jonno manusher jonno jara truly Atheist tader ajke bipode porte hoy. goodbye. valo thaiken ![]()
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:২৯
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: আই ওয়াজ ইন লাইন ফ্রম দা ভেরী বিগিনিং।
"difference ta holo akta ' 's '."
এইটা জাকির নায়েকের কাছে শুনছেন।
jara oshikkhito tara mone kore everything which is beyond his power and acheivment is god and we Muslim people believe everything is god's!
হুম শিক্ষার ভালো সংজ্ঞা পাইলাম ভাই। মুসলিমরাই সেই হিসেবে শিক্ষিত। বাকিরা অশিক্ষিত। মন্দ না।
btw - apnar shate argument korar iccha kortesenakaron apni argument er jonno ashen nai apni ashchen pechal laganor jonno. cz apnar main issue jodi hoy GOD niye taile oitatei stick thaka uchit. ar apnar main objective jodi hoy Islam er Allah ar Onno dhormer Allah r moddhe vejal lagano taile ami aikhane time waste kortesi.
এই ইচ্ছা করে না। কারন ঘটে পানি থাকেনা। আজ পর্যন্ত কেউ পারে নাই। যদি মনে করেন আপনার ফেইথকে ডিফেন্ড করতে পারবেন, তাহলে তা করা উচিৎ। কারন আপনার মাধ্যমে আমি হয়তো পথে ফিরব। আমিতো বলিনি আপনার কথা যুক্তি যুক্ত হলে আমি তা মেনে নিব না।
apnader jonno manusher jonno jara truly Atheist tader ajke bipode porte hoy. goodbye. valo thaiken
আর আপনাদের মত মানুষই truly Atheist দেরকে বিপদে ফেলেন। আপনিও ভালো থাকেন ভাই।
৪৫|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:১০
একাকী_পথিক বলেছেন: ami aktao jukti chara kunu kotha bolsi j amake bolen ami partesina
amar j jukti gula dilam oitr logically ans den na age apni...apni na ghuraya firaya ans ditesen. apni na dak dilen logically argument er jonno. age logic a ashen. tarpore boilen ami ki pari ba na pari. ar yes--age aim thik koren agument er.!! is this argument about the existence of god or the different view of god in different religion!! duitar point kintu onek different. apni jodi amake bolen j apni different religion a god er obsotan biye alochona korben then you are in the argument believeing that there is someone there but otherwise i think you need to make you objective clearly!! apnar ak ak kotha ak ak rokom. apni akbar islam niye gutaitesen ak bar god er existence niye gutaitesen.
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৪২
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: গডের inexistence প্রমাণ করা আমার প্রাইমারি এইম নয়। আমি শুরু থেকেই এটা ধরে নিয়ে এগোতে চেয়েছি যে গড আছে- যদিও আমি তা বিশ্বাস করিনা (কিন্তু অবিশ্বাসের ব্যাপারটা আমি আলোচনায় আনব না)। আপনি আমার পোষ্ট আবার পড়ে দেখতে পারেন।
আমি যে কোন ধর্মের গডের সাথে সংস্লিশ্টতার অসারতা প্রমাণ করতে চেয়েছি। এভাবে সব ধর্মের গডকে ফলস প্রমাণ করলে এমনিই গডের ব্যাপারে সিদ্ধান্তে আসা যাবে।
আর বাংলাদেশে ৯০% মুসলমান হওয়ায় ইসলাম নিয়ে কথা বলতে বেশি আগ্রহী।
গডের প্রসঙ্গ যতবারই এসেছে তা পাঠকের কাছ থেকে আমি জবাব দিয়েছি মাত্র। আর বারবার বলেছি আমি আসলে কি আলোচনা করতে চাচ্ছি।
৪৬|
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:২৩
একাকী_পথিক বলেছেন: ভাই আপনি কিসের সাথে কাকে মিলাচ্ছেন! গড একটা Deity বা সত্যা, (অন্তত আমরা যে গডকে নিয়ে কথা বলতেছি )। শুন্য বা অন্য কোন সংখ্যা কি কোন সত্যা?
আপনি এভাবে মিলিয়ে ফেলেবেন ভাবিনি। ---- ami karo shate kauke milacchi na!! apni bollen logic niye kotha bolte tai apnar shathe logic diyei kotha bollam.. but bujhi nai j apnar mathay dukh bena
ami dukkhito ![]()
০৮ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৪৫
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ঠিক আছে আপনার এই লজিক আমি না বুঝলেও আপাতত ক্ষতি হচ্ছে না যেহেতু আমরা ধরেই নিচ্ছি গড আছে, তাইনা?
এবার কি আলোচনায় আসবেন?
৪৭|
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:০৩
একাকী_পথিক বলেছেন: thik ache bhai.ami apnar ei topic a apnar shathe kotha bolbo.. but right now amar kichu kaj ache. ei jonno apnar ager kotha gular o rep dite partesina. but ami ajke rate free hoye apnar kotha gular rep dibo joto tuku ami pari. bhalo thakben. kotha hobe.
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:০৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: অপেক্ষায় থাকব। ধন্যবাদ।
৪৮|
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১:১৯
যান্ত্রিক বলেছেন: লেখক বললেন, "ভুত নামে একটা শব্দ আছে কিন্তু আমি ভুত বিশ্বাস করি না।
ঘোড়ার ডিম বলেও একটা বস্তু আছে, কিন্তু আমি বিস্বাস করিনা তার অস্তিত্ব তা শব্দ হিসেবে সে যত প্রাচীনই হোক আর যত বেশি মানুশই তাকে স্বীকার করুক।"
>>> সহজে বলেন, তাহলে সমস্যাটা হলো বিশ্বাসে - যুক্তিতে নয়।
আপনি বিশ্বাস করতে চাচ্ছেন না, এটা আপনি স্বীকার করেন।
লেখক বললেন, "তাহলে বলেন, আপনি কি মনে করেন আমরা যে গডকে নিয়ে কথা বলছি আপনার ইসলাম ধর্মের আল্লাহই সেই গড? এবং মুহাম্মদের সাথে তার জিব্রাইলের মাদ্ধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে? তার কাছ থেকেই এসেছে কোরআন? সেই আপনাকে আমাকে কঠিন ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে? তার রাগ আছে, হিংসা আছে? সে ধোঁকা দিতে পারে? আবার তার প্রশংসা করলে খুশি হয়? অবাধ্য হলে কঠিন শাস্তি দেয়? নিজের পাশে অন্য কাউকে গড হিসেবে দেখতে সে একেবারেই অপারগ?"
>>>> যেহেতু আপনি স্রষ্টাকে মেনে নিয়েছেন, এখন বিভিন্ন ধর্ম বিশ্লেষণ করে দেখা যাক কি সিদ্ধান্তে আসা যায় !!!
প্রথমত, পৃথিবীতে যতগুলো ধর্ম আছে সেগুলোকে প্রধানত দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যায়, ১) যে ধর্মে মাত্র একজন স্রষ্টা ও উপাস্য আছেন, ২) যে ধর্মে একাধিক স্রষ্টা ও উপাস্য আছেন
এবার যুক্তিতে আসা যায়।
দেখুন পবিত্র কোরআন শরীফে বহু-ইশ্বরের ভুল ধারণার ব্যপারে খুব সুন্দর একটি যুক্তি দিয়েছে। যুক্তিটা হলো, একাধিক ইশ্বর থাকলে তাদের ভেতর ক্ষমতার দ্বন্দ্ব লেগেই থাকতো, যার প্রভাব পড়তো পুরো সৃষ্টিজগতে। কিন্তু দেখা যায়, সৃষ্টিজগত অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে স্রষ্টাপ্রদত্ত নিয়ম মেনে চলে। যেমন হিন্দু ধর্মে আমরা দেখতে পাই বিভিন্ন দেব-দেবী পরস্পর বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধ করছেন।
এখন এই একক স্রষ্টাই কি আল্লাহ কি না, তা প্রমাণের উপায় কি?
উপায় আছে। সর্বশেষ যে ধর্মগ্রন্থ মানবজাতির কাছে এসেছে, তা হলো পবিত্র কোরআন। এর পরে যতগুলো গ্রন্থকে ধর্মগ্রন্থ হিসেবে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তার প্রতিটিই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু পবিত্র কোরআনের একটি শব্দও আজ পর্যন্ত ভুল প্রমাণিত হয়নি।
এবং এই কোরআন নিজেই সকল মানুষকে চ্যালেঞ্জ করছে, এর মতো আরেকটি সূরা রচনা করতে। আজ পর্যন্ত কেউ এতে সফল হয় নি; কোনদিন কেউ হবেও না, ইনশাল্লাহ।
যেহেতু কোরআন নির্ভুল, তাই আপনার সামনে আর কোন অপশন রইলো না।
পৃথিবীর কোন মানুষ যদি এই চ্যাল্যঞ্জের মোকাবিলায় জয়ী হতে পারে, তবে আমি মেনে নিব কোরআন ভুল। চ্যালেঞ্জটা আপনার জন্যও রইলো।
যতটা সময় ব্লগে দিচ্ছেন, ততটা সময় মনোযোগ দিয়ে কোরআন পড়লে আপনার অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যেতেন।
ধন্যবাদ।
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৪৯
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ">>> সহজে বলেন, তাহলে সমস্যাটা হলো বিশ্বাসে - যুক্তিতে নয়।
আপনি বিশ্বাস করতে চাচ্ছেন না, এটা আপনি স্বীকার করেন।"
হুম সমস্যা যুক্তিহীন বিশ্বাসে।
আপনি আরও বললেন, "দেখুন পবিত্র কোরআন শরীফে বহু-ইশ্বরের ভুল ধারণার ব্যপারে খুব সুন্দর একটি যুক্তি দিয়েছে। যুক্তিটা হলো, একাধিক ইশ্বর থাকলে তাদের ভেতর ক্ষমতার দ্বন্দ্ব লেগেই থাকতো"
অসাধারন! আমি হাসব না কাঁদব বুঝতেসি না। ইশ্বরের মত একটা পরম ধারনাকে কি সহজেই না আপনারা মর্ত্যের কালিমা লেপে দিলেন!
ঈশ্বর ক্ষমতার দ্বন্দে কেন জড়াবেন, ঈশ্বর ক্ষমতা লোভী? ঈশ্বর কী শৃঙ্খলা রক্ষা করতে জানেনা, উশৃঙ্খল? অনেক ধর্ম তো বলে একই ঈশ্বরের বিভিন্ন রূপ বিভিন্ন দ্বায়িত্ব পালন করে মাত্র! ঈশ্বর কি এতই খারাপ যে নিজেরই এক অংশ অপর অংশের সাথে বিবাদে জড়াবে?
জবাব দিবেন কিন্তু! নাকি এর পর আর জবাব নাই? উপড়ে আপনার বেশ কিছু জাকির নায়েকীয় যুক্তি খণ্ডন করেছি কিন্তু পড়ে আর আপনাকে তার জবাবে খুঁজে পাওয়া যায়নি! নায়েক সাহেবতো মানুষকে হাঙ্কি পাঙ্কি একটা বুঝিয়ে দেয় কিন্তু মানুষ পড়ে আর তাঁকে তাৎক্ষনিক ভাবে দ্বিতীয় প্রশ্ন করার সুযোগ পায় না। তাই ফাঁকিটাও ধরতে পারে না। এইখানে ফাকি দিতে পারবেন না।
" এখন এই একক স্রষ্টাই কি আল্লাহ কি না, তা প্রমাণের উপায় কি?
উপায় আছে। সর্বশেষ যে ধর্মগ্রন্থ মানবজাতির কাছে এসেছে, তা হলো পবিত্র কোরআন। এর পরে যতগুলো গ্রন্থকে ধর্মগ্রন্থ হিসেবে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে, তার প্রতিটিই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু পবিত্র কোরআনের একটি শব্দও আজ পর্যন্ত ভুল প্রমাণিত হয়নি।
এবং এই কোরআন নিজেই সকল মানুষকে চ্যালেঞ্জ করছে, এর মতো আরেকটি সূরা রচনা করতে। আজ পর্যন্ত কেউ এতে সফল হয় নি; কোনদিন কেউ হবেও না, ইনশাল্লাহ।
যেহেতু কোরআন নির্ভুল, তাই আপনার সামনে আর কোন অপশন রইলো না।
পৃথিবীর কোন মানুষ যদি এই চ্যাল্যঞ্জের মোকাবিলায় জয়ী হতে পারে, তবে আমি মেনে নিব কোরআন ভুল। চ্যালেঞ্জটা আপনার জন্যও রইলো। "
আরেকবার হাসতে হল। আপনি আগের কমেন্টগুলো পড়েন নি। আমি এই চ্যালেঞ্জটা ৩০ নং কমেন্টের রিপ্লাইতে আগেই মিট করে এসেছি।
আমি এইখানে অল্প অংশ কপি পেস্ট করছি কিন্তু অনুরুধ করছি ৩০ নং কমেন্ট এর রিপ্লাই পড়ে আসতে। মজা পাবেন আসা করি।
![]()
'তোমরা কি দেখনা রৌদ্রে পানি ভরা পাত্র রাখিলে পানি শুকাইয়া যায়?, নিশ্চয়ই ইহার মধ্যে জ্ঞানিদের জন্যে রহিয়াছে উত্তম নিদর্শন।'
এইবার আসেন এই আয়াতটার একটা ছোটখাট তাফসিরও আমরা দাড়া করিয়ে ফেলি!
তাফসীরঃ আমরা জানি পানি একটি তরল পদার্থ। তরল পদার্থ বাষ্পীভবন (evaporation) এর মাধ্যমে গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয়ে থাকে। এখানে রৌদ্র বলতে প্রকারান্তরে তাপকেই বুঝনো হয়েছে। আর যেহেতু পানি শুকাইয়া জাওয়ার কথা বলা হয়েছে, আমরা ধরে নিতে পারি এর মাধ্যমে জটিল বাষ্পীভবন প্রক্রিয়াকেই সবিস্তারে বর্ণনা করা হয়েছে।
সুন্দর আয়াত বানিয়েছি। সেখানে মরুভুমির রোদ আছে, আছে পানি শূন্যতার হাহাকার, স্রষ্টার স্রেস্টত্বের ঘোষণা। আবার কত সুন্দর ভাবে ভবিষ্যতে যে বিজ্ঞান আসবে তার আলোকে এর তাফসীর করা যায়!
অতএব কোন যুক্তিতে আপনি আমার এই সখ্যমতা কে অস্বীকার করবেন?
আপনি জানাবেন দয়া করে কেন আমার সৃষ্ট এই আয়াত কম্পিটেন্ট হবে না?
এবার আসেন আপনাকে একটা চ্যালেঞ্জ জানাব। আপনি রবিন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলির মত একটা কবিতা লিখে দেখান। না পারলে ঐ রকম একটা লাইন ছত্র লিখে দেখান। যদি তাও না পারেন আসা করি স্বীকার করে নিবেন গীতাঞ্জলী হচ্ছে একটি আসমানী কিতাব!!
আপনি যদি আমার বানানো আয়াতের উপর ভরসা করতে না পারেন, তবুও হতাশ হবার প্রয়োজন নাই! বেবস্থা আছে!! অরিজিনাল আরবিতে সুরার বেবস্থা করতেছি
سُورَةُ النِّسْوَانِ
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَانِ الرَّحِيمِ
إِذَا الْمَرْأَةُ انْفَجَرَتْ
وَمِنْ أَغْلَالِهَا تَخَلَّصَتْ
ثُمَّ اقْتَحَمَتْ دُرُوبَ الْحَيَاةِ وظَفِرَتْ
لَقَدْ أَفْلَحَتِ الْأُمَّةُ وَعَزَّتْ
يَاايَتُهَا النِّسْوَانُ مَا غَرَّكُنَّ بِدِينِ الْخُرَفَاتِ
هَلْ تَرْضِينَ بِلَقَبِ النَّاقِصَاتِ
أَوْ بِمِلْكِ الْيَمِينِ قَانِتَاتٌ
فَلَا تَظْلُلْنَ صَامِتَاتٌ
وَلا لِأَرْبَابِ الظُّلْمِ خَاضِعَاتٌ
بَلِ ارْفَعْنَ أَعْنَاقَكُنَّ رَافِعَاتٍ
وَتَعَايَشْنَ مَعَ الرِّجَالِ مُتَسَاوِيَاتٍ
আরবি না জানলে সমস্যা নাই। ইংরেজি অনুবাদ দিতেছি
Surat - The Women
When the women bursts out
And breaks free from her chains
And takes her right and is content
And fully pursues every avenue of life, triumphant
Then the nation will prosper and be strong
Oh Women what has deceived you about the religion of nonsense
Are you happy with the title of 'The deficient ones'?
Or with 'right hands possession', content?
So do not remain silent
Nor submissive to the perpetrators of oppression
Raise your necks up high
And coexist with men as equals.
কোরআনের এই ফালতু চ্যলেঞ্জ তখনই অনেক আরবরা মিট করেছে। বহুগুনে সুন্দর অনেক লেখা লিখা হয়েছে। কিন্তু আপনারা কেন তা স্বীকার করবেন? আমি আপনাকে শত শত সুরা দেখাতে পারব যা কোরআনের চেয়ে সর্বগুণে এগিয়ে থাকবে। কিন্তু আপনি তা আস্বিকার করবেন। কিভাবে? হাহাহা! আপনি আগে আমার গীতাঞ্জলী লেখার চ্যালেঞ্জ মিট করেন। আপনি অন্য যে কোন কবিতা লিখবেন আমি বলবো কই এটা তো গীতাঞ্জলীর কোন কবিতার মতই হয়নি!!
আবার যখন হুবুহু গীতাঞ্জলীর মত একটা কবিতা লিখে দেখাবেন, আমি বলব আপনি গীতাঞ্জলী থেকে নকল করেছেন
বুঝলেন? এতই ফালতু আর উদ্ভট এই চ্যালেঞ্জ নিয়ে গর্বে বুক ফুলানো কেবল মুসলমানদেরই মানায়!!!
৪৯|
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১:২৮
দিশার বলেছেন: @যান্ত্রিক
এই রসূলগণ- আমি তাদের কাউকে কারো উপর মর্যাদা দিয়েছি। তাদের মধ্যে কেউ তো হলো তারা যার সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন, আর কারও মর্যাদা উচ্চতর করেছেন এবং আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে প্রকৃষ্ট মু’জেযা দান করেছি এবং তাকে শক্তি দান করেছি ‘রুহূল কুদ্দুস’ অর্থৎ জিবরাঈলের মাধ্যমে। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে পরিস্কার নির্দেশ এসে যাবার পর পয়গম্বরদের পেছনে যারা ছিল তারা লড়াই করতো না। কিন্তু তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়ে গেছে। অতঃপর তাদের কেউ তো ঈমান এনেছে, আর কেউ হয়েছে কাফের। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তারা পরস্পর লড়াই করতো, কিন্তু আল্লাহ তাই করেন, যা তিনি ইচ্ছা করেন।।(কোরান ২:২৫৩)
রসূল বিশ্বাস রাখেন ঐ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুসলমানরাও সবাই বিশ্বাস রাখে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর গ্রন্থসমুহের প্রতি এবং তাঁর পয়গম্বরগণের প্রতি। তারা বলে আমরা তাঁর পয়গম্বরদের মধ্যে কোন তারতম্য করিনা। তারা বলে, আমরা শুনেছি এবং কবুল করেছি। আমরা তোমার ক্ষমা চাই, হে আমাদের পালনকর্তা। তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। (কোরান ২:২৮৫)
***রাছূলগণের কাউকে কারুর উপরে মর্যাদা দিয়েছি। (কোরান ২:২৫৩)
আমরা রাছূলগণের মধ্যে পার্থক্য করি না। (কোরান ২:২৮৫) ***
এখন বলেন কোনটা ঠিক ?
৫০|
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১:৩২
দিশার বলেছেন: সূরা রাদ, ১৬: ৩৯, মক্কায় অবতীর্ণ।
পাঠ করুন , আপনার পালন কর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে। পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহান দয়ালূ। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
সূরা-৯৬: আলাক, আয়াত-১-৩
আল্লাহ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, অতঃপর বীর্য থেকে, তারপর করেছেন তোমাদেরকে যুগল। কোন নারী গর্ভধারণ করে না এবং সন্তান প্রসব করে না; কিন্তু তাঁর জ্ঞাতসারে। কোন বয়স্ক ব্যক্তি বয়স পায় না। এবং তার বয়স হ্রাস পায় না; কিন্তু তা লিখিত আছে কিতাবে। নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।
সুরা ফুরকান ২৫। ৫৪
তিনিই পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন মানবকে, অতঃপর তাকে রক্তগত, বংশ ও বৈবাহিক সম্পর্কশীল করেছেন। তোমার পালনকর্তা সবকিছু করতে সক্ষম।
৫১|
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১:৫১
দিশার বলেছেন: মানুষ কি মাটির, পানির না জমাট রক্তের থেকে সৃষ্টি ?
জমাট রক্তের সৃষ্টি কথা তাও সম্পূর্ণ ভুল ! আরবের লোক জন তত্কালীন সময় abortion হলে দেখতে পেত যে জমাট রক্ত/মাংশ পিন্ডর মত বের হয়ে আসতেসে . কিন্তু বীয়লোজি একটু পড়লে দেখবেন ধারণা টা কত ভুল!
পুরুষের বীর্যের কথা বলা হইসে (যেটা কমন জ্ঞান তত্কালীন) কিন্তু আমরা জানি যে সুধু পুরুষের বীর্য নয়, সাথে নারীর ডিম্ব ও দরকার! এবং একটু বায়োলজি পরে দেখেন , এই এমব্রিও এর সাথে জমাট রক্তের সম্পক নাই! রক্ত জমাট বাধলে সিরিয়াস প্রবলেম!
৫২|
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ২:১৯
করণিক আখতার বলেছেন: ##################
স্রষ্টার অবয়ব
****
শাশ্বত ধর্মগ্রন্থগুলোতে এভাবেই দেওয়া আছে যে, স্রষ্টার স্বীয়-অবয়বেই সবকিছুর সৃষ্টি। কারো সম্মুখে যখনি তার স্রষ্টা ব্যক্ত হবে, তখনি সে নিজেকে দ্যাখে নিজের প্রতিবিম্বরূপে এবং দেখবে তার-ই মতো একজনকে প্রকাশিত তার সম্মুখে।
নিজের মতো স্রষ্টাটিকে অন্যেদের সাথে না মিললেও কিম্বা অন্যান্যরা তাদের নিজেদের মতো হিসেবে মেনে নিতে অক্ষম হলেও, এখানে অনেককেই দেখা যায়, নিজেরটাকে অন্যকে মেনে নেওয়ানোর জন্য পীড়াপীড়ি করে; --অজ্ঞ বা শিশুরা তা’ করে করুক, তারা নির্দোষ; --কিন্তু যারা নিজেদেরকে সচেতন ভাবেন!! -- নিশ্চয়ই সচেতনদের জন্যে এধরণের নির্বোধ জেদ বা বিরক্তিকর পীড়াপীড়ি অশালীন এবং ঘৃণ্য অশ্লীলতা।
###################
সমাত্মতায় আমার ব্যাখ্যা
*** ### *** ###
(--‘কেমন হবে বিচারের দিনের দৃশ্যটা?..,’ অনুসারীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বল্লেন, ‘স্রষ্টা প্রকাশমান হবেন, তিনি বলবেন --‘আমি তোমার সামনে পিপাসায় ছটফটাচ্ছিলাম, তুমি আমাকে পানি পান করাওনি,’ তখন অভিযুক্ত ব্যক্তিটি বলবে, ‘কক্ষোনো না, তোমাকে দেখলে অবশ্যই পানি দিতাম, --তাছাড়া তুমি ‘হও’ বল্লেই ‘হয়ে যায়’, সেই তোমাকে? --আমি? কার কথা বলছো? আর আমার কাছে কেনইবা তোমার পানি চাওয়া, --তুমি আমার কাছে!! তুমি গিয়েছিলে !? পিপাসার্ত !? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না...’। স্রষ্টা বলবেন, ‘অমুক তারিখের তমুখ ক্ষণে, ...’--স্মরণে না এলে ফ্লাশব্যাক দেখানো হবে, আর ঐ অভিযুক্ত তখন দেখবে তারই মহল্লার বিখ্যাত নসু ডাকাত গণপিটুনি খেয়ে আহত অবস্থায় ‘জল ... জ...ল’ বা ‘পানি ..পা..নি..ই..’ বলে গোঙাচ্ছে কিম্বা ছোলেমানের ছাগলটা পিপাসায় ছটফটাচ্ছে, কিম্বা কোনো রুগ্ন ব্যক্তি রোগে কাৎরাচ্ছে আর ঐ অভিযুক্ত তাকে উপেক্ষা করে পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে, দৃশ্যটি প্রকাশমান হবে ফ্লাশব্যাকে,’ -এ ধরনের রূপক হয়তোবা আপনারাও শুনে থাকবেন, যেমন আমাকেও শোনানো হয়েছিল, এবং তার-ই ছায়া অবলম্বনে ব্যাখ্যাসমেত উপস্থাপিত করণিকা ‘সমাত্মতা’ ...)
##############
সমাত্মতা
*****
আমার উপর অর্পিত দায়িত্বের সাথে সংশ্লিষ্ট
মহাসৃষ্টির যা’কিছু নাগালে আসে, --
--ক্ষুদ্র প্রতিনিধি এই আমার সম্মুখে
... সর্বাধিকারীর অবয়ব ভাসে।
রঙ্গপুর - ১২/১২/২০০২ খ্রি:
*************
ব্যাখ্যা:
একজন গুরুর প্রকাশমান ঈশ্বর হচ্ছে তার সেই শিষ্যটি, যাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যে দায়বদ্ধ ঐ গুরু। একজন চিকিৎসকের প্রকাশমান ঈশ্বর হচ্ছে সেই রোগীটি, যার চিকিৎসার সাথে সংশ্লিষ্ট ঐ চিকিৎসক। একজন মালির প্রকাশমান বিধাতা হচ্ছে সেই বাগানটি, যার যত্নের ভার পেয়েছে ঐ মালি। একজন দোকানদারের বিধাতা সেই ক্রেতারা, যারা তার কাছে কিছু ক্রয় করতে আসে। একজন দাতার বিধাতা সেই ভিখারিটি, যে তার সম্মুখে করুণাপ্রার্থী হয়ে দাঁড়ায়। একজন উকিলের বিধাতা তার মক্কেল। আমার বিধাতা যদি আমার সম্মুখে পিপাসায় ছট্ফট্ করে, আর আমি যদি দেখতে না-পেয়ে অদৃশ্য বিধাতাটিকে খুঁজতেই কর্মকাল ক্ষয় করি, তাহলে কখনোই বিধাতা আমাকে শান্তি দেবে না, যন্ত্রণা তথা নরকের আগুন থেকে মুক্তি দেবে না। হয়তোবা এজন্যেই সকল জাতধর্মের উপাসনায় বলা হয়, যে ব্যক্তিটি প্রকাশমান বিধাতাকে দেখে না, তাকে বিধাতার কোনো কাজে লাগে না। জ্ঞানীরা কোথাও কোনো অজ্ঞকে ধর্মের নামে অব্যক্ত বিধাতাকে পুঁজি করে বাণিজ্য করার সুযোগ দিলে, সেখানে জ্ঞানীরাই দায় এড়ানোর অপরাধে অপরাধী। অজ্ঞদের অপকর্মেও অজ্ঞদের বরাদ্দে কোনো শাস্তি নেই, শাস্তি কেবল জ্ঞানীদেরই প্রাপ্য।
####################
সহজবোধ্য অনুবাদে মুসলিম
*****
তীব্র অজ্ঞতার বশেই বিশৃঙ্খলাকামীদের অনুকরণে ভিন্নধর্মীকে যারা ‘অ-মুসলিম’ বলছেন, স্বয়ম্ভূ বিধাতা তাদেরকে যেন ক্ষমা করে দেয়, অনেক শুভকামনার মতো এটাও কাম্য।
আরব্য ভাষায় পবিত্র ধর্মগন্থে ইউরোপ-মধ্যপ্রাচ্যে সংবাদবাহক (রসুল) রূপে আগত নোহা, ইব্রাহীম, ইয়াকুব, সোয়ায়েব, মুসা, দাউদ, সুলাইমান, ইশা কিম্বা পৃথিবীর অন্যান্য জনগোষ্ঠীতে আগত ধর্মপ্রচারকদেরকে এবং তাদের অনুসারীদেরকে কোথাও ‘অ-মুসলিম’(অ-শান্তিকামী) বলা হয়নি।
সন্ত্রাসীদেরকে সকল ধর্মেই বিশৃঙ্খলাকামী (আরবিতে ‘মুফুছিদুন’) বলা হয়। প্রত্যেক সম্প্রদায়ে সর্বকালেই যেমন অধিকাংশ মানবসন্তান আছে যারা অশান্তিকামী (অ-মুসলিম), তেমনি কিছুসংখ্যক আছে শান্তিকামী (মুসলিম) যারা শান্তির লক্ষ্যেই তাদের নিজেদের সম্প্রদায়ের ধর্মাদেশ অনুসরণ করে এবং অশান্তির চর্চাকারীদেরকে ঘৃণা করা উচিত জেনেই ঘৃণা করে।
বিশৃঙ্খলাকামীরা কোনো ধর্মেই ধার্মিক হিসেবে গণ্য নয়। সকল সম্প্রদায়ের ধার্মিকেরাই শান্তিকামী (মুসলিম) এবং সকল সম্প্রদায়ের অধার্মিকেরাই ফ্যাসাদি বা বিশৃঙ্খাকারী বা অশান্তিকামী (অ-মুসলিম)। তারাই বিশৃঙ্খলাকারী (মুফছিদুন) হতে পারে এবং হয়ে থাকে, যারা নিজেদের সম্প্রদায়ের ধর্মে এবং ধর্মাচারে বিশ্বাসী (মুমিন বা Faithful) নয় এবং যারা ভিন্নধর্মীকে অধার্মিক বা অশান্তিধর্মী বলে কলহের উদ্দেশ্যে এবং যারা ভিন্নধর্মীকে অশ্রদ্ধা করে এবং অধার্মিককে যারা ধার্মিক বলে।
তারাই ধর্মে বিশ্বাসী, যারা কর্মে এবং আচরণে নিজেদের সাম্প্রদায়িক ধর্মকে প্রতিষ্ঠা করেন। দৃঢ়বিশ্বাসীরা কখনোই ধর্মান্তরিত হন না কিম্বা ধর্মত্যাগ করেন না। ধার্মিকেরা ভিন্নধর্মীদের ধর্মাচারকেও সমান মর্যাদা দেন। সকল ধার্মিকের লক্ষ্যই সার্বিক শান্তি।
আরব্য ধর্মগন্থেও এভাবেই দেওয়া আছে যে, পৃথিবীর সকল শান্তিকামী (মুসলিম) একে আপরের ভাই সমতুল্য।
সকল সম্প্রদায়ের রসুলগণ (সংবাদবাহক # বার্তাবাহক # পায়গাম্বার # messenger) শান্তির বাণী বহনকারী ছিলেন, তেনারা কেহই কখনো বিশৃঙ্খলাকামী (মুফছিদুন) ছিলেন না। সকল সম্প্রদায়ে, রসুলদের অনুসারীগণ শান্তিকামী (মুসলিম) হিসেবেই সম্মানিত। বিশ্বাসীরাই বিশ্বাস করে এবং শান্তির চর্চা করে।
ফ্যাসাদিরা কখনোই ধার্মিক নয়। মুফছিদুনরা (বিশৃঙ্খলাকামী) ধর্মিকের বেশ ধারণ করে নিয়ে নিজেদেরকে ধার্মিক সাজিয়ে কোথাও অশান্তির চর্চা করার সুযোগ পেলে, সেখানে ফ্যাসাদিদেরকে দোষী বলা যায় না, বরং দোষী সেখানকার সুযোগদাতা জ্ঞানীগণ, যারা জেনে-বুঝেও স্বঘোষিত ধার্মিকদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকেও ধর্মাচার বলেন, এবং নিজেদের সন্তানদেরকে সযত্নে ধর্মজ্ঞান না-দিয়ে বিশৃঙ্খলাকারীদের অনুসারীর সংখ্যা বাড়ানোতে সহযোগিতা করেন।
নিশ্চয়ই আরবীয় ‘মুসলিম’ শব্দটি কোনো বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের ধর্মের নাম নয় যেখানে সকল বার্তাবাহকের ধর্মের নাম বাংলায় ‘শান্তি’।
################
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:০৪
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: করণিক ভাই, কথা গুলো যদি আপনারই হয়ে থাকে, তাহলে আপনি ভালো মানুষ তাতে কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু ভালো মুসলমান হতে হলে আপনাকে আরও পড়াশুনা করতে হবে ভাই। সুফি্বাদ, ভাববাদ আপনাকে ইসলামের প্রলেপ দেয়া ইসলামের চাকচিক্যের চারপাশে ঘুড়াবে শুধু, মূল ইসলাম বুঝতে হলে আপনাকে কোরআন পড়তে হবে।
এদেশে সুফিবাদের ইসলাম যতদিন ছিল ততদিন মানুষের মূল্যবোধ অনেক উঁচুমানের ছিল। হানাহানি অনেক কম ছিল। আমরা কোরআন আত্নস্থ করে আজ হার্ডকোর মুসলমান হয়েছি। আজ লাদেন আমাদের হিরো। হানাহানি আমাদের নিত্য সঙ্গী। আজ আমরা ভিন্ন মতাবলম্বিদের দিকে এমন ভাবে ঘৃণ্য দৃষ্টিতে তাকাই যেন তাদের এক পা নরকে গিয়ে রয়েছে আর আমাদেরকে বেহেস্ত হাতছানি দিয়ে ডাকছে।
এই ঘৃণার উৎস কোরআন, এই ঘৃণার উৎস হাদিস। ভাল করে পড়েন, হয় সত্যটা খুঁজে পাবেন, নয়তো সাচ্চা মুসলমান হয়ে যাবেন। ভাল থাকবেন আশা করি।
আর আমার এই কমেন্ট কেবল মাত্র করণিক ভাইয়ের জন্যই। অন্য কেউ এটা নিয়ে ক্যাচাল করবেন না প্লীজ।
৫৩|
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ১১:৪১
তিতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন - "ভাই ওনার যদি হিন্দুর ঘরে জন্ম হত, উনি শুধু স্রষ্টা না, ৩৩ কোটি দেবদেবীতেও বিশ্বাস করতেন।"
মিথ্যা কথা! পুরো বানোয়াট। Don't be judgemental, discuss with arguement.
@দিশারঃ এবার আপনি দায়সারাভাবে যুক্তি খণ্ডন করলেন, তাও সব যুক্তি খণ্ডাতে পারলেন না।
"ডিভাইন ইন্টারভেনশন দেখলে মানব না কে বলসে ? ১০০% মানব।" - আমার ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেছে, একাধিকবার। তাই আমি মানি।
"যার ক্লেম , তার বার্ডেন" - ভুয়া কথা। ঈশ্বর আছে - এটা যেমন একটা ক্লেম, ঈশ্বর নেই - এটাও একটা ক্লেম। এখানে কার ক্লেম প্রমান করার দায়িত্ব কার সেটা বুঝতে হবে। একজন নাস্তিক যদি আস্তিকের সাথে আলোচনায় আসতে চায় তাহলে নাস্তিকের ক্লেম "ঈশ্বর নেই" এটা প্রমাণ করুক"।
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৩০
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: " তিতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন - "ভাই ওনার যদি হিন্দুর ঘরে জন্ম হত, উনি শুধু স্রষ্টা না, ৩৩ কোটি দেবদেবীতেও বিশ্বাস করতেন।"
মিথ্যা কথা! পুরো বানোয়াট। Don't be judgemental, discuss with arguement. "
আপনার ঈমান শক্ত আছে ভাই। আঁকড়ে ধরে রাখেন। আপনার জন্যে রয়েছে উত্তম প্রতিদান।
জানতে ইচ্ছে করে, আপনি কি করতেন হিন্দুর ঘরে জন্ম গ্রহন করলে? হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করতেন? ত্যগ করে মুসলমান হয়ে যেতেন? কিভাবে সেটা করতেন? অন্তত দুইটা ধাপ আপনাকে ফলো করতে হত আশা করি।
১। আপনার আগে শিউর হতে হত নিজের ধর্ম ভুল।
২। আপনার সকল ধর্ম নিয়ে পড়াশুনা করা লাগত।
এখন ১ নম্বর ধাপ ফলো করতে হলে আপনাকে ক্রিটিকেলি চিন্তা করতে হত, আপনার নিজের ধর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন করতে হত, অন্ধ ভাবে আপনার হিন্দু পিতা যা বলে তা বিশ্বাস না করে বিশ্বাসকে স্থগিত রেখে যুক্তি দিয়ে বিচার করতে হত! কত কঠিন কাজ? আপনি তা করতেন?
ওয়েল, হয়ত বলবেন করতাম (যদিও আমি বিশ্বাস করিনা! কারন সেটা করলে এখনও করতে পারতেন)। তাহলে বলেন এখন কি আপনি মুসলমান হয়ে সেটা করেছেন? হতেও তো পারে আপনার ধর্ম সত্য ধর্ম নয়! এখন সেটা সন্দেহের চোখে দেখে বিচার করেছেন কখনো? জানেন নিশ্চয়ই আপনার ধর্ম সত্য এটা ধরে নিয়ে আপনি কখনই নিরপেক্ষ ভাবে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছাতে পারবেন না। জবাব দিবেন আসা করি।
আর ২ নং ধাপ ফলো করতে হলে আপনাকে সব ধর্ম সম্পর্কে খুব ভালো ভাবে জেনেই সিধান্তে আসতে হবে যে আপনার হিন্দু ধর্ম নয় বরং আরও অনেক ধর্মের মাঝে ইসলাম একটা সত্য ধর্ম। তো একই ভাবে----
৫৪|
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৩:২৯
শুভ জািহদ বলেছেন: দিশার @ ৩১নং কমেন্টে আপনি তুলে ধরলেন যে কুরআনে ভূল আছে যে, কুরআন বলছে সূর্য্য নাকি পঙ্গিল জলাশয়ে অস্ত যায়। আপনি যুলকারনাইন সম্পর্কে বলেছিলেন।
আমি বলেছিলাম,
সুরা ১৮।৮৬ > অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি ""সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন"" এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন।আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন।
=> এখানে বুদ্ধিজীবিরা বলে যে সূর্য কখনো পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যায় না। কুরআন নাকি বলেছে সূর্য্য পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যায়। আর সে রকমই একজন বুদ্ধিজীবি আপনি। এখানে সুর্য্য পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে কে দেখছে? উত্তর যুলকারনাইন। আল্লাহ এখানে যুলকারনাইন যা দেখছে তাই উল্লেখ করেছেন। এটা মোটেও ভূল না।
আমাদের পত্রিকাগুলো লেখা হয় সূর্যাস্ত ৫.৩০ মিনিট। সূর্য কি অস্ত যায়? প্রকৃত বক্তব্য হলো সূর্য্য অস্ত যায় না। তবে এখানে আমরা বাহ্যিকভাবে যা দেখে থাকি তাকেই মূখ্য হিসেবে গণ্য করা হয় মানুষের বুঝার সুবিধার্থে। ঠিক একই ভাবে আল্লাহও মানুষের বুঝার জন্য সহজ করে বলেছেন যে যুলকারনাইন দেখেছে সূর্য্য পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে। এখানে যুলকারনাইন যা দেখছে তাই উল্লেখ করেছেন। এটা মোটেও ভূল না বরং আপনাদের এবং আপনারা যেখান থেকে কপি পেষ্ট করেন সেখানের মানুষগুলোর বুঝার ভূল। কারো বুঝার ভূল মানে এই নয় যে কোরআন ভূল।
আপনি যেই বিষয়গুলো তুলে আনছেন এগুলোর উত্তর বহু পূর্বেই দেওয়া হইছে। আবার নতুন করে সময় নষ্টের প্রয়োজন মনে করছি না।
==============================================
এই উত্তরটা নাস্তিকদের অনেক আগেই দেওয়া হইছে। আর আপনি সেটা জানেনও। তারপরেও আমার নিকট একই বক্তব্য তুলে ধরেছেন এবং আমিও সেই ফিক্সড উত্তর টা দিছি। অতএব বুঝা গেল যে আপনার উদ্দেশ্য সত্য বুঝা না, বরং মুসলিমদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানো। আপনি আমার উত্তর এর বিপরীতে যখন দেখলেন যে আমি উত্তর দিয়ে দিছি তখন আবার কপি পেস্ট মারা শুরু করলেন। আপনারা আপনাদের এই সমস্ত কার্যাবলী দিয়ে হাতে গোনা কিছু মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারবেন হয়ত, কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফল জিরো।
তারপর আবার প্রমাণ করার চেষ্টা করলেন যে কুরআনে কন্ট্রাডিকশন আছে।
==============================================
***রাছূলগণের কাউকে কারুর উপরে মর্যাদা দিয়েছি। (কোরান ২:২৫৩)
আমরা রাছূলগণের মধ্যে পার্থক্য করি না। (কোরান ২:২৮৫) ***
এখন বলেন কোনটা ঠিক ?
=> আমরা মুসলিমরা বিশ্বাস করি এবং জানিও যে কুরআনে কোন কন্ট্রাডিকশন নাই। আপনি হয়ত আপনার রবদের থেকে কিছু কপি পেস্ট মারতে পারবেন, আপনার দৌড় জাস্ট এতটুকুই। যাই হোক আপনার উপরের বক্তব্যটার জবাব দিচ্ছি।
আপনি এখানেও চরম জালিয়াতি করেছেন যে, আয়াতের কিছু অংশ তুলে ধরেছেন এবং কিছু অংশ লুকিয়েছেন। এমনটি খ্রিষ্টানরা করে থাকে। আপনার কোন দোষ নাই, কারণ আপনি জাস্ট কপি-পেস্ট মারছেন।
দেখুন আয়াতটি কি বলছে।
সূরা বাকারা-২৫৩> এই রসূলগণ-আমি তাদের কাউকে কারো উপর মর্যাদা দিয়েছি। তাদের মধ্যে কেউ তো হলো তারা যার সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন, আর কারও মর্যাদা উচ্চতর করেছেন এবং আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে প্রকৃষ্ট মু’জেযা দান করেছি এবং তাকে শক্তি দান করেছি ‘রুহূল কুদ্দুস’ অর্থৎ জিবরাঈলের মাধ্যমে। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে পরিস্কার নির্দেশ এসে যাবার পর পয়গম্বরদের পেছনে যারা ছিল তারা লড়াই করতো না। কিন্তু তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়ে গেছে। অতঃপর তাদের কেউ তো ঈমান এনেছে, আর কেউ হয়েছে কাফের। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তারা পরস্পর লড়াই করতো, কিন্তু আল্লাহ তাই করেন, যা তিনি ইচ্ছা করেন।
উপরোক্ত আয়াতটি বলছে যে আল্লাহ রাছূলগণের কাউকে কারুর উপরে মর্যাদা দিয়েছেন। যেমন কারো সাথে কথা বলেছেন। আল্লাহ সবার সাথে কথা বলেন নাই। অতএব বুঝা গেল যে কারোর উপর কারো মর্যাদা বলতে সামগ্রিক মর্যাদাকে বুঝানো হয় নাই, বরং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়কে বুঝানো হয়েছে। যেমন কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম কাপড় পড়ানো হবে ইব্রাহিম আঃ কে, মুহাম্মদ সাঃ কে নয়। দাউদ আঃ এর তিলাওয়াত শুনে মাছ চলে আসত, আমাদের নবী সাঃ এর তিলাওয়াত শুনে মাছ আসত না, সুলায়মান আঃ পুরো জাহানের জীন জাতিকে শাষন করতে পারতেন, আমাদের নবী সাঃ পারতেন না। আবার আমাদের নবী সাঃ সর্বপ্রথম জান্নাত এর দরজা খুলবেন, তিনি রাহমাতাল্লিল আলামিন হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন। অতএব, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়গুলোতে একেক জনকে একেক জন এর উপর মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। তবে সামগ্রিক ভাবে সকল নবী-রাসূলদের মর্যাদা সমান।
আর দ্বিতীয় আয়াতটি অর্থ্যাৎ আমরা রাছূলগণের মধ্যে পার্থক্য করি না। (কোরান ২:২৮৫) এই আয়াতটি বলছে নবীদের মধ্যে কাউকে আমরা বেশী উপরে তুলি না, বা নিচেও নামাই না। যেমন ইহুদীরা এক নবীকে মানে অন্যজনকে অবজ্ঞা করে। খ্রিষ্টানরা এক নবীকে মানে অন্য নবীকে অস্বীকার করে। কিন্তু আমরা মুসলিমরা সকল নবী ও রাসূল দেরকেই মানি। আমরা তাদের মধ্যে পার্থক্য করি না।
আর এ কথাই হাদিসে রয়েছে যে,
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, লা তুখাইয়িরু বাইনাল আম্বিয়াই অর্থ্যাৎ তোমরা রাসূলদের মধ্যে কাউকে
শ্রেষ্ঠত্ব দিও না। বুখারী-তাওহীদ প্রকাশনী হাদিস নং-৬৯১৬, আধুনিক প্রকাশনী-৬৪৪৮।
অতএব আপনি যেই দুটি আয়াত দিয়েছেন তা মোটেও বিপরীতমুখী নয়। বরং একটি হলো সামগ্রিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব এবং অন্যটি হলো কিছু কিছু বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব। আপনার ভূল বুঝা মানে এই না যে কুরআন ভূল। আর বাদ বাকি যা বলেছেন, সেগুলোর উত্তর দেওয়া আর সময় নষ্ট করা একই বিষয়। কারণ উত্তরগুলোও আপনারা জানেন। জানা বুঝার পরও আপনাদের এই সব কার্যাবলী কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে। আর সবার অবস্থাই আবু জেহেলদের মতোই হবে। ধন্যবাদ।
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৪৪
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভাই, আপনি ধার্মিক হবেন ভাল কথা, তার জন্য কমনসেন্স বিসর্জন দিতে হবে কেন বলেন?
আপনি আয়াতটা পড়েছেন নাকি জাকির নায়েকের সেই অচল যুক্তি মুখস্ত আওড়ে দিলেন?
"ঠিক একই ভাবে আল্লাহও মানুষের বুঝার জন্য সহজ করে বলেছেন যে যুলকারনাইন দেখেছে সূর্য্য পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে।"
আপনি আমাকে বলবেন যদি এখানে স্বাভাবিক ভাবে সূর্য অস্ত যাবার কথাই বলা হবে তাহলে সূর্যকে ধাওয়া করে একটা বিশেষ জায়গায় গিয়ে কেন সূর্য অস্ত যাওয়া দেখতে হবে? জুল্কারনাইন যে জায়গায় থাকতো সেখানে কোথাও স্বাভাবিক সূর্যাস্ত হয় না? তাকে এমন এক বিশেষ অচেনা যায়গায় যেতে হবে যেখানে যে কউম বাস করে তারা সম্পূর্ণ ভাবে স্ট্রেঞ্জার। শুধু তাই নয় এর আশেপাশের আয়াত পড়ে দেখেন। তাকে সূর্যাস্তের যায়গায় পৌছার জন্যও আবার দৌড়াইতে হয়েছে।
"আপনি যেই বিষয়গুলো তুলে আনছেন এগুলোর উত্তর বহু পূর্বেই দেওয়া হইছে। আবার নতুন করে সময় নষ্টের প্রয়োজন মনে করছি না। "
The questions are as old as Islam is, I do agree, but the irony is, they are still unanswered.
আবু সুফিয়ান, আবুল হাকামদের থেকে শুরু করে আজকের ফ্রি থিঙ্কার পর্যন্ত সবাই প্রশ্ন গুলো করে গেছেন। কিন্তু ইসলামের ভাণ্ডার থেকে এগুলোর উত্তর কখনো বের হয়নি। হওয়া সম্ভব নয়। আপনার উপরের উত্তরের মত কিছু ছেলে ভুলানো উত্তর দিয়ে জাকির নায়েকের মত বেক্তিরা চিন্তাশীল মানুষদের বোকা বানাতে পারেনি। আর পারবেও না।
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৪৮
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: আপনার এই অচল যুক্তি আগেও একবার ভুল প্রমাণ করে এসেছি। উপরে আবার দিলাম। আরেকবার দেখুন কেন জুলকারনাইন সংক্রান্ত আয়াতটা ভুল।
৫৫|
০৯ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৪
দিশার বলেছেন: @ জাহিদ আপনাদের বাধা ধরা কমেন্ট বানানই থাকে? আমি পুরা আয়াত দিসি চেক করে দেখন , মিথ্যা কথা কে বলল ?
@তুহিন, নাস্তিক দের "ক্লেম" নাই কোনো , আমরা বলছি যে আমাদের কাছে প্রমান নাই যথেষ্ট, "আপনাদের" ক্লেম বিসসাস করার।
আপনে বুর্দেন অফ প্র্রফ এর মত সাধারণ ক্লাস ১ -২ এর বিষয় না বুঝলে, তর্ক করাই টাইম নষ্ট। কমেন্ট ২ আবার পরেন, না বুঝলে গুগল করেন। ইটা নিয়া আর কোনো কিসু বলার নাই।
৫৬|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:১৪
তিতুন বলেছেন: লেখক বলেছেনঃ আপনার ঈমান শক্ত আছে ভাই। আঁকড়ে ধরে রাখেন। আপনার জন্যে রয়েছে উত্তম প্রতিদান।
এখন আমি যদি বলি, আপনার ইমান নেই ভাই, নাস্তিক হয়েই থাকুন, আপনার জন্যে রয়েছে সীমাহীন আজাব। - তাহলে সেফ সাইডে কে থাকল?
ঈশ্বর যদি না থাকে (আপনার মতে) তাহলে তো মৃত্যুর পর আমার অস্তিত্বই বিলীন হয়ে গেল। কিন্তু ঈশ্বর যদি থাকে তাহলে আপনি কী করবেন? এখানে ইনসিকিওরিটি টা কার?
আসলে যারা নাস্তিক তারা সব সময় একটা ইনসিকিওরিটি ফিল করে। তাদের মধ্যে অবচেতন ভাবে কোন না কোন ডাউট থেকেই যায়। যেখানে ১০০% রিস্ক সেখানে ১০০% নিশ্চিত না হয়ে নাস্তিকতা কেউ কেন গ্রহন করবে? জন্মগতভাবে আমি মুসলিম একথা ঠিক কিন্তু আমি যদি ১০০% নিশ্চিত না হই যে আমার ধর্ম, ঈশ্বর মিথ্যা তাহলে নিশ্চিত রিস্ক নিয়ে আমি কোন দুঃখে নাস্তিকতা গ্রহন করব? যারা ঘোর নাস্তিক তারাও বিপদে পড়লে আল্লাহ আল্লাহ করে কারণ তারা চান্স নেয়। তারা ডাউটার। ঈশ্বরকে নিয়েও যেমন ডাউট করে তেমনি নিজেদের নাস্তিকতা নিয়েও ডাউট করে। তাদের ইনসিকিউরিটি এরাতে এবং সমর্থন আদায় করতে তারা আস্তিকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। (ইন জেনারেল- কাউকে উদ্দেশ্য করে নয়); আর যারা আস্তিক তারা নাস্তিকদের প্রভাবিত করে পূণ্যের আশায়, কোন ইনকিসিওরিটির বশে নয়।
@দিশার: আমি তো আগেই বলেছি। ঈশ্বর আছে - একথা আমি প্রমাণিত সত্যি হিসেবেই মানি। আর তার অস্তিত্ব প্রমাণে সায়েন্সের লিমিটেশনের কথাও আমি বলেছি। আপনি বলছেন নিজের চোখে দেখেন নি- তাই বিশ্বাস করেন নি; অর্থাৎ আপনি যদি মহানবীর আমালে জন্মগ্রহণ করতেন এবং নিজের চোখে সবকিছু প্রত্যক্ষ করতেন তাহলে বিশ্বাস করতেন। সায়েন্সের ব্যাখ্যাতিত কিন্তু প্রচুর ঘটনা পৃথিবীতে বিদ্যমান আছে। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্য কিন্তু আতো ১০০% উদঘাটিত হয় নি। ৬ষ্ঠ ইন্দ্রিয় (6th sense) এর অস্তিত্বও প্রমাণিত হয় নি কিন্তু এর নিদর্শন আছে। আপনি বলছেন সায়েন্সের ব্যাখ্যাতীত ঘটনা যা আজ প্রমাণিত হয় নি - তা কাল হবে। মহানবীর সময়কার অলৌকিক(প্রচলিত অর্থ) ঘটনাসমূহের ব্যাখ্যাও তাহলে সায়েন্সে পাওয়া যাবে আপনার মতে। তাহলে কেন বললেন যে নিজের চোখে দেখলে ১০০% বিশ্বাস করবেন? তখন কেন সায়েন্টিফিক ব্যাখ্যা খুঁজতে যাবেন না? একথা দুটি কি কন্ট্রাডিক্টরি হয়ে গেল না? নিজের চোখে তো অনেকে হেলুসিনেশনও দেখে তাহলে কি তাকে তাই বিশ্বাস করতে হবে? না কি সবাই যেটা দেখছে বা অলরেডি দেখেছে তাকে সেটা বিশ্বাস করতে হবে?
১০ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১:৫৯
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: আপনাকে যে প্রশ্ন করা হয়েছে তার জবাব কই?
আপনার পুর্ববর্তী কমেন্টের যুক্তি খন্ডন করে যে জবাব দেয়া হয়েছে তার জবাব কই?
তাহলে কি ধরে নিব আপনার ঘটে আর পানি নাই? ইসলামের যুক্তি ফুরিয়ে গেছে এখন শুধু বাকী নরকের ভয় দেখানো?
প্রশ্নের উত্তর দেন, যুক্তি খন্ডন করেন, না পারলে যত আলেম আছে নিয়া আসেন। তা না হলে এই ব্লগ যে পরবে তার মনে সংসয় ঢুকে যাবে। নিশ্চয়ই আপনি তা চান না?
সাইড লাইনে না হেটে রাস্তায় আসেন। আপনার কাছে শুধুই প্রশনের জবাব চাই। নাসতিকদের মনো বিস্লেষন ঈমানের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে না।
৫৭|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১:১১
দিশার বলেছেন: @তিতুন ভাই, আপনাকে চত করার জন্য বলছি না, কিন্তু আমিও ২ বসর আগে ঠিক আপনার জায়গায় দাড়িয়ে ছিলাম বলে আপনার, লোয়ার লেভেল লগিক গুলা ধরতে পারছি। ,দেখেন "substential এভিডেন্স " মানে নিজের চোখে দেখা না!
@ জি আপনি সেফ সাইড যে থাকেন . মরার পর যদি দেখেন শিব তার লিঙ্গ নিয়ে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে ? তখন কি কালী কালী বলে তার পায়ে পরার সুযোগ দিবে ? হাহা
পাস্কেল wager কি জানেন ?
এভিডেন্স না আশা পর্যন্ত আমার সংশয় থাকবে। আপনার বর্ণনা অনুযায়ী যদি কেও সৃষ্টিকর্তা হন (!) তাহলে তাকে এটাই বলব প্রভু যথেষ্ঠ প্রমান তুমি দেও নাই , এবং একটা সংশয় বাদী মগজ দিয়েছ আমাকে .
আর নরকে দিলে সমস্যা কি ? আমার নরকবাস হবে , সক্রেটিস , রাসেল , আইনস্টাইন , প্লুটো এদের সাথে , আপনার জান্নাত হবে (একসময়)! গোলাম আজম , বাংলা ভাই, লাদেন, মোল্লা ওমর ! আর ৭০ জন কুমারী মেয়ের সাথে!
রসিকতা করলাম সর্গ নরক মানুষের বানানো গল্প, মানুষ কে শিকল পরিয়ে রাখার জন্য , কারণ সর্গ নরকের কোনো প্রমান পানি এখনো .
ধন্যবাদ
১০ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ২:০৩
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: @ জি আপনি সেফ সাইড যে থাকেন . মরার পর যদি দেখেন শিব তার লিঙ্গ নিয়ে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে ? তখন কি কালী কালী বলে তার পায়ে পরার সুযোগ দিবে ? হাহা
ভাই এইটা আপনে কি কন! উনি যে ধর্ম পালন করেন সেইটা অনুযায়ী শিব ভুয়া। তাই উনি সেফ সাইডে আছেন।
৫৮|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ২:০৫
তিতুন বলেছেন: আপনার রসিকতা উপভোগ করলাম। যুক্তির রসদ ফুরিয়ে গেলে রসিকতা ছাড়া উপায় কী! জ্বী, আমি আপনার জায়গাতেও ছিলাম এক সময় দুই বছর নয়, তারও অনেক আগে ক্লাস সেভেনে থাকতে। ১০ বছরের উপরে হবে। আরও সময় যেতে দিন, একদিন হয়তো দেখবেন আপনার চিন্তাধারাও আবার পরিবর্তিত হচ্ছে। এজন্যই আমি বলেছিলাম "আস্তিকতা আর নাস্তিকতা একজন মানুষের জীবনে বারবার আবর্তিত হয়" - আমার এই কথা লেখক বিশ্বাস করে নি। কিন্তু এটা প্রমাণিত সত্যি উভয় দিক থেকেই। অনেক আস্তিক আছে যারা সারা জীবন নামাজ রোজা করেছে কিন্তু শেষের দিকে এসে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে।
এবার আমিও কিছু রসিকতা করি,
শিবকে বলা হয় ভোলেনাথ। তিনি সরল সোজা সঙ্গীত প্রিয় দেবতা। আমি তো কোনো শিব ভক্তকে অসম্মান করি নি। তাহলে তিনি কেন আমাকে শাস্তি দেবেন। তিনি তো খুশি হয়ে অনেক অসুরকেও বরদান বরদান প্রদান করেছিলেন, তাই আমার মনে হয় না তিনি এতটা নিষ্ঠুর হবেন। আর কালী তো দেবী পার্বতীর আরেকটা রূপ যিনি জগত জননী। তাহলে আমি সে হিসেবে আমি তার সন্তানের মত। তাই আমি যদি তার কাছে সাহায্য চাই, তিনি কি আমাকে ফিরিয়ে দেবেন? মনে হয় না।
খৃস্টানদের গড আর আমার গড তো মূলত একই - সেক্ষেত্রে তার পুত্রকে তার বার্তাবাহক হিসেবে দেখার জন্য কি তিনি আমাকে হেল এ নিক্ষেপ করবেন? - মনে হয় না।
আর বৌদ্ধ ধর্ম সত্যি হলে তো এক সময় আমি ঈশ্বরের মাঝেই বিলীন হয়ে যাব। তাই না?
৭০ জন কুমারী মেয়ে পেলে অসুবিধা কোথায় যেখানে কত নাস্তিক পরকালের তোয়াক্কা না করা বিধায় ১০০+ নারী, বারনারী, পরস্ত্রীর সাথে ব্যাভিচার ও ধর্ষণ করে যাচ্ছে! (কিছু আস্তিকরাও এগুলো করে কিন্তু তারা তাদের ধর্মের স্বরূপ বুঝতে পারে নি। তাদের স্তর নাস্তিকদেরও নিচে (অসম্মান না করেই বলছি))
৫৯|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ২:১৫
দিশার বলেছেন: যুক্তির রসদ ফুরিয়ে গেলে!
ভাই এখনো মানলেন না যে প্রমান করার দায়ত্ব, কলেম যার তার, আপনি ক যুক্তি দিলেন। যুক্তি অ আ প্লিজ জানেন, তারপর বলেন এগুলা।
আর শিব ঠাকুর এর রুদ্র রূপ ভুলবেন না যেন .
৬০|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ২:৪২
তিতুন বলেছেন: @লেখকঃ প্রতিটা যুক্তিই খণ্ডাতে পারব। আপনি যেমন আমাদ যুক্তির অসারতা দেখছেন আমিও কিন্তু আপনাদের যুক্তির অসারতাই দেখছি। আর যুক্তির বিপরীতে পাল্টা যুক্তি দিতে থাকলে হাজার হাজার পৃষ্ঠা লিখতে হবে। টাইম ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার আছে।
"তা না হলে এই ব্লগ যে পরবে তার মনে সংসয় ঢুকে যাবে। নিশ্চয়ই আপনি তা চান না?"
এই ব্লগ পড়ে কেউ যদি আস্তিক থেকে নাস্তিক হয়ে যায়, বা কারো মনে সংশয় ঢুকে যায়, তাহলে তার জন্য না্স্তিক হওয়াই উত্তম। আমার চাওয়া না চাওয়ায় কিছু যায় আসে না।
সংশয় ঢুকে গেলে যাবে, তাহলে তো তা আপনাদের পক্ষেই যাবে, তাহলে এত চিন্তা করছেন কেন। না কি আপনি আশঙ্কা করছেন নাস্তিকদের মধ্যেও সংশয় ঢুকে যাবে এবং তাদের দিকের পাল্লা হালকা হয়ে যাবে? আপনার দ্বিধান্বিত হওয়ার কারণ বুঝতে পারছি। আমি প্রচলিত লাইনের বাইরের যুক্তিগুলো উপস্থাপন করছি যা আপনি হয়তো আগে ফেস করেন নি।
৬১|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ২:৫৯
তিতুন বলেছেন: @দিশার: গোলাম আজম , বাংলা ভাই, লাদেন, মোল্লা ওমর ! - এদেরকে চরম ঘৃণা করি। এরা বেহেসতে যাবে কি না সে বিষয়ে আমার সন্দেহ আছে। আমিও নিশ্চিত নই যে আমি বেহেশতে যাব কি না। কিন্তু তাদের সাথে এক বেহেশতে থাকব না।
ভাই, আস্তিক হয়েছি বলে কি আমার বিবেক বুদ্ধি নেই? এতটা আন্ডার এস্টিমেট করবেন না।
৬২|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:২২
দিশার বলেছেন: এরা সবাই . কলেমা পরেছে , এবং আল্লাহ , রাসুর, এবং পরকাল যে বিস্সাশি , এরা কেন যাবে না ?
৬৩|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:০২
শুভ জািহদ বলেছেন: আমি প্রথমে আলোচনা শুরু করলাম ৪টি বৈজ্ঞানিক আয়াত সম্বলিত ৪টি প্রশ্ন নিয়ে। লেখক সূর্য্য চন্দ্র নিয়ে যারা গবেষনা করেছেন তাদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে বললেন যে এগুলো মানুষ আগে থেকেই জানত। লেখক লজিক দিলেন যে, সকালে পূর্ব দিকে সূর্য্য উঠে পশ্চিমে অস্ত যায়। পূর্ব থেকে পশ্চিমে অস্ত যায় এটাতেই বুঝাযায় যে সূর্য্য চন্দ্র চলমান। বিজ্ঞানীরা হুদাহুদি গবেষনা করছে। তারপর ত্যানাইয়া ব্যানাইয়া আমার ১ নং প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করল। বাকী ৩টা প্রশ্নের উত্তর আজও দেয় নাই।
এর মাঝে প্রবেশ করল দিশা ম্যাডাম। আমি বলেছি সূরা নাবার-৭ নং আয়াত অনুযায়ী পাহাড় সমূহ পেরেক আকারে স্থাপন করা হয়েছে যা সর্বপ্রথম ১৯৪৮ সালে বিজ্ঞানী ভ্যান এংলিংক তার বইতে তুলে ধরেছেন। দিশা ম্যাডাম ফাস্টেই চলে গেলেন অন্য আয়াতে এবং অন্য আয়াত নিয়ে নতুন করে গ্যাজানো শুরু করলেন। আমি পাহাড় সম্পর্কিত যে আয়াতটি টেনেছি তা সূরা নাবার ৭ নং আয়াত। যখনই দিশা ম্যাডাম দেখল যে প্যাচে পড়ে যাবে, তখনই তিনি লাফ দিলেন অন্য আয়াতে।
তারপর আর সময় নষ্ট না করে কপি পেস্ট মারা শুরু করলেন। প্রথমেই নিয়ে আসলেন যুলকারনাইন এর ঘটনাটি। এর চরম উত্তর দিছেন জাকির নায়েক। দিশা ম্যাডাম মনে করছে আমরা উত্তর টা জানি না। যেই উত্তরটা দিলাম, তখনই প্রগতিসীল উদার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়া আবার লেখক সাহেবের আবির্ভাব। তিনি এসেই বললেন আরে "যুলকারনাইন দৌড়াইছে, হাটছে এদিক গেছে সেদিক গেছে"। প্রথমে কুরআনে ভূল প্রমাণ করার জন্য নিয়া আসছিল যে পঙ্কিল জলাশয়ে সূর্য্যের অস্ত যাওয়া। কিন্তু পরক্ষণেই যুলকারনাইন এর হাটাহাটি নিয়া টানা হেচড়া শুরু করল। বুঝলাম যে তারা এই নাস্তিক সম্প্রদায় কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে স্থির না। আবার বলল যে আমি নাকি জাকির নায়েকের উত্তর কপি করছি। করলে সমস্যা কি? ভাল জিনিস, নাস্তিকদের বাঁশ মারা উত্তর কপি করতে সমস্যা কি? কোন সমস্যা নাই।
এবার দিশা ম্যাডাম আবার নতুন রূপে মা কালী হিসেবে অবতরণ করলেন যে কুরআনে কন্ট্রাডিকশন আছে। লক্ষ রাখা প্রয়োজন যে আমার বাকী ৩টা উত্তর কিন্তু কেউই দেয় নাই। যাই হোক এটা জানা বিষয় যে উত্তর পাব না। তো দিশা ম্যাডাম নতুন একটি কন্ট্রাডিকশন নিয়ে আসলেন যে, কুরআনে বলা আছে:-
--------------------------------------------------------------
***রাছূলগণের কাউকে কারুর উপরে মর্যাদা দিয়েছি। (কোরান ২:২৫৩)
আমরা রাছূলগণের মধ্যে পার্থক্য করি না। (কোরান ২:২৮৫) ***
এখন বলেন কোনটা ঠিক ?
--------------------------------------------------------------
উপরের অংশটুকুও তিনি কপি পেষ্ট মারছেন। তার কোন দোষ নাই। কপি পেষ্ট তো।
আমি উত্তর দিলাম
==============================================
আপনি এখানেও চরম জালিয়াতি করেছেন যে, আয়াতের কিছু অংশ তুলে ধরেছেন এবং কিছু অংশ লুকিয়েছেন। এমনটি খ্রিষ্টানরা করে থাকে। আপনার কোন দোষ নাই, কারণ আপনি জাস্ট কপি-পেস্ট মারছেন।
দেখুন আয়াতটি কি বলছে।
সূরা বাকারা-২৫৩> এই রসূলগণ-আমি তাদের কাউকে কারো উপর মর্যাদা দিয়েছি। তাদের মধ্যে কেউ তো হলো তারা যার সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন, আর কারও মর্যাদা উচ্চতর করেছেন এবং আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে প্রকৃষ্ট মু’জেযা দান করেছি এবং তাকে শক্তি দান করেছি ‘রুহূল কুদ্দুস’ অর্থৎ জিবরাঈলের মাধ্যমে। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে পরিস্কার নির্দেশ এসে যাবার পর পয়গম্বরদের পেছনে যারা ছিল তারা লড়াই করতো না। কিন্তু তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়ে গেছে। অতঃপর তাদের কেউ তো ঈমান এনেছে, আর কেউ হয়েছে কাফের। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তারা পরস্পর লড়াই করতো, কিন্তু আল্লাহ তাই করেন, যা তিনি ইচ্ছা করেন।
সুরা বাকারার ২৫৩ নং আয়াতের ক্ষূদ্র প্রথম অংশটা তুলে ধরে সে বলল
দিশার বলেছেন: @ জাহিদ আপনাদের বাধা ধরা কমেন্ট বানানই থাকে? আমি পুরা আয়াত দিসি চেক করে দেখন , মিথ্যা কথা কে বলল ?
এখন আপনারাই বলেন, কে মিথ্যা বলে?
যাইহোক, উপরোক্ত আয়াতটি বলছে যে আল্লাহ রাছূলগণের কাউকে কারুর উপরে মর্যাদা দিয়েছেন। যেমন কারো সাথে কথা বলেছেন। আল্লাহ সবার সাথে কথা বলেন নাই। অতএব বুঝা গেল যে কারোর উপর কারো মর্যাদা বলতে সামগ্রিক মর্যাদাকে বুঝানো হয় নাই, বরং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়কে বুঝানো হয়েছে। যেমন কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম কাপড় পড়ানো হবে ইব্রাহিম আঃ কে, মুহাম্মদ সাঃ কে নয়। দাউদ আঃ এর তিলাওয়াত শুনে মাছ চলে আসত, আমাদের নবী সাঃ এর তিলাওয়াত শুনে মাছ আসত না, সুলায়মান আঃ পুরো জাহানের জীন জাতিকে শাষন করতে পারতেন, আমাদের নবী সাঃ পারতেন না। আবার আমাদের নবী সাঃ সর্বপ্রথম জান্নাত এর দরজা খুলবেন, তিনি রাহমাতাল্লিল আলামিন হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন। অতএব, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়গুলোতে একেক জনকে একেক জন এর উপর মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। তবে সামগ্রিক ভাবে সকল নবী-রাসূলদের মর্যাদা সমান।
আর দ্বিতীয় আয়াতটি অর্থ্যাৎ আমরা রাছূলগণের মধ্যে পার্থক্য করি না। (কোরান ২:২৮৫) এই আয়াতটি বলছে নবীদের মধ্যে কাউকে আমরা বেশী উপরে তুলি না, বা নিচেও নামাই না। যেমন ইহুদীরা এক নবীকে মানে অন্যজনকে অবজ্ঞা করে। খ্রিষ্টানরা এক নবীকে মানে অন্য নবীকে অস্বীকার করে। কিন্তু আমরা মুসলিমরা সকল নবী ও রাসূল দেরকেই মানি। আমরা তাদের মধ্যে পার্থক্য করি না।
আর এ কথাই হাদিসে রয়েছে যে,
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, লা তুখাইয়িরু বাইনাল আম্বিয়াই অর্থ্যাৎ তোমরা রাসূলদের মধ্যে কাউকে
শ্রেষ্ঠত্ব দিও না। বুখারী-তাওহীদ প্রকাশনী হাদিস নং-৬৯১৬, আধুনিক প্রকাশনী-৬৪৪৮।
অতএব আপনি যেই দুটি আয়াত দিয়েছেন তা মোটেও বিপরীতমুখী নয়। বরং একটি হলো সামগ্রিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব এবং অন্যটি হলো কিছু কিছু বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব। আপনার ভূল বুঝা মানে এই না যে কুরআন ভূল। আর বাদ বাকি যা বলেছেন, সেগুলোর উত্তর দেওয়া আর সময় নষ্ট করা একই বিষয়। কারণ উত্তরগুলোও আপনারা জানেন। জানা বুঝার পরও আপনাদের এই সব কার্যাবলী কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে। আর সবার অবস্থাই আবু জেহেলদের মতোই হবে। ধন্যবাদ।
৬৪|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১:১২
দিশার বলেছেন: @সুভো ভাই, ২০ /২২ নম্বর কমেন্ট যে আপনার কথার অন্স্বের করা হইসে, সেগুলা আপনে কাটান নাই। আপনে পাহাড় যে পেরেক ওই আয়াত দিসেন, আমিও ও পাহাড় পেরেক এর আয়াত দিসি, বাইরে থেকে কিসু তো আনি নাই ? পাহাড় পেরেক এর মত না, এটু টুকু প্লিজ জেনে /না জেনে আসেন .
তারপর আপনার সুরা নহল এর গরুর দুধ এর যুক্তি ও খন্ডন করসি, আপনি কিসু বলেন নাই ...
আপনি মিথ্যা কথা কেন বলতেসেন যে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেই নাই ?
৬৫|
১১ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ২:৩৫
যান্ত্রিক বলেছেন: লেখক বললেন, “ইশ্বরের মত একটা পরম ধারনাকে কি সহজেই না আপনারা মর্ত্যের কালিমা লেপে দিলেন!”
>>>>> অদ্ভুত কথা বললেন। সকল ধর্মেই দেখা যায়, ঈশ্বরের দয়া-মায়া, রাগ-ক্রোধ ইত্যাদি গুণাবলী আছে। আর মুসলিম হিসেবে আমরা জানি যে, মহান আল্লাহতা’লা তাঁর নিজস্ব কিছু অনুভুতির অতি ক্ষুদ্রাংশ মানুষকে দান করেছেন। তাই আমাদের কাছে এটি অতি স্বাভাবিক ব্যপার।
লেখক বললেন, “অনেক ধর্ম তো বলে একই ঈশ্বরের বিভিন্ন রূপ বিভিন্ন দ্বায়িত্ব পালন করে মাত্র! ঈশ্বর কি এতই খারাপ যে নিজেরই এক অংশ অপর অংশের সাথে বিবাদে জড়াবে?”
>>>> ঈশ্বরের একাধিক রূপের ধারনাটাই আমরা অস্বীকার করি, কারণ যেহেতু ঈশ্বর সর্বশক্তিমান তাই দায়িত্ব পালন করার জন্য তাঁর একাধিক রূপের দরকার নেই এবং আমাদের ঈশ্বরও এই বিষয়ে একই কথা বলেন।
লেখক বললেন, “আরেকবার হাসতে হল। আপনি আগের কমেন্টগুলো পড়েন নি। আমি এই চ্যালেঞ্জটা ৩০ নং কমেন্টের রিপ্লাইতে আগেই মিট করে এসেছি।
আমি এইখানে অল্প অংশ কপি পেস্ট করছি কিন্তু অনুরুধ করছি ৩০ নং কমেন্ট এর রিপ্লাই পড়ে আসতে। মজা পাবেন আসা করি।”
>>>> হাসতেই পারেন। আল্লাহতা’লা আপনাকে সে স্বাধীনতা দিয়েছেন। কোরআনের সুরার মতো একটি সুরা তৈরীর চ্যালেঞ্জ মিট করার দাবি আপনি করছেন। এবং আপনি নিজেই বলছেন আপনি সফল। তো, দেরী করছেন কেন? পুরো পৃথিবীতে আপনার এই কীর্তি ছড়িয়ে দিন। পৃথিবীর সব জায়গা হতে এই বিষয়ে সার্টিফায়েড হোন। আমিও তখন মেনে নিব, আপনি আসলেই চ্যালেঞ্জ মিট করেছেন।
লেখক বললেন, “এবার আসেন আপনাকে একটা চ্যালেঞ্জ জানাব। আপনি রবিন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলির মত একটা কবিতা লিখে দেখান। না পারলে ঐ রকম একটা লাইন ছত্র লিখে দেখান। যদি তাও না পারেন আসা করি স্বীকার করে নিবেন গীতাঞ্জলী হচ্ছে একটি আসমানী কিতাব!!”
>>>> ভুল বললেন। গিতাঞ্জলীকে কেউ আসমানী কিতাব দাবী করেনা। একে কাব্যগ্রন্থ হিসেবে দাবী করা হয়। অতএব, আমি যদি ওইরকম লিখতে না পারি তবে বলতে হবে, আমি রবীন্দ্রনাথের সমকক্ষ কবি না। এছাড়াও কাব্যগ্রন্থের শ্রেষ্ঠতা পরিমাপের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা যেমন সাহিত্যে নোবেল বা এই জাতীয় বিভিন্ন উপায় আছে। কিন্তু আসমানী কিতাবের শ্রেষ্ঠতা পরিমাপের জন্য আপনাকে যেতে হবে প্রতিটি আসমানী কিতাবের প্রচারকদের কাছে, পৃথিবীর মানুষের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতার কাছে এবং প্রমাণিত বিষয়ে আসমানী কিতাবের বর্ণনার কাছে এবং এর নির্ভুলতার কাছে। এবং এটি অবশ্যই আপনার একার সিদ্ধান্তে গ্রহণযোগ্য হবে না।
লেখক বললেন, “বুঝলেন? এতই ফালতু আর উদ্ভট এই চ্যালেঞ্জ নিয়ে গর্বে বুক ফুলানো কেবল মুসলমানদেরই মানায়!!!”
>>>> দুঃখিত বুঝি নাই। আমাদের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমরা গর্বিত এবং আপনারা লুকায়িত আপনাদের লিমিটেড যুক্তির আড়ালে।
ধন্যবাদ।
৬৬|
১৫ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৬:১৯
তিতুন বলেছেন: হুম, আলোচনায় অবশেষে জয়ী হল আস্তিকরা দেখা যাচ্ছে। যেহেতু নাস্তিকদের পক্ষ থেকে কেউ আর আলোচনা অগ্রসর করেন নি।
সবাইকে উদ্দেশ্য করে একটি কথাই বলতে পারি, আস্তিক হন বা নাস্তিক, সর্বোপরি ভাল মানুষ হন। আর ব্যক্তিগতভাবে নাস্তিকদের প্রতি আমার কোন বিদ্বেষ নেই। আর আমি চাই মানুষের বিচারের মানদণ্ড হোক তার সামগ্রিক জীবনের কর্মকাণ্ড, আস্তিকতা অথবা নাস্তিকতা নয়। ভাল মানুষ ভালই, সে আস্তিকই হোক বা নাস্তিক ই হোক, আর খারাপ মানুষ খারাপই - হোক সে আস্তিক বা নাস্তিক।
সবাই ভাল থাকবেন।
৬৭|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ২:১৬
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: ভাই, অনেক দিন পর ব্লগে আসলাম। এখানে আর মন্তব্য করছিনা। তবে কে জয়ী হয়েছে তা পাঠকদের নির্ধারন করতে দিন। বুক চাপড়ে নিজেকে জয়ী ঘোষনা করলেই কি কেউ জয়ী হয়ে যায়?
৬৮|
১৮ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৮
তিতুন বলেছেন: না
৬৯|
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:০৮
চাঁদগাজী বলেছেন:
অর্থহীন কথাবার্তা
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:৫৩
আব্দুর রহ্মান বলেছেন: I apologize for the English. My device is not supporting Bangla but I am working to solve the issue. Readers are requested to comment in Bangla. Thanks