| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভারতের প্রতিশ্রুতি সত্বেও ২০১২ সালে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশীদের নিহত হবার ঘটনা বেড়েছে। অতীতের কোন সরকার কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি। বরং সরকারের মন্ত্রীরা সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যাকে সমর্থন করেছেন। বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীরা সমর্থন করা অত্যান্ত দুঃখজনক। সীমান্তে হত্যা বন্ধে নাগরিকদের প্রতিরোধ গড়ে তুলা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সর্বোচ্চ সংযত আচরণ করবে- ভারতের দিক থেকে এমন আশ্বাস বহুবার দেয়া হলেও সেটি তেমন একটা কাজে আসেনি বলছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
এরকম আশ্বাসের পরও মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১২ সালে বিএসএফ এর গুলিতে বাংলাদেশী নিহত হবার ঘটনা বেড়েছে।
অধিকার সূত্র মতে, ২০১১ সালে বিএসএফ-এর গুলিতে ৩১ জন মারা গেলেও ২০১২ সালে নিহতের সংখ্যা ৩৮জন। ২০০৯ সালে বিএসএফ-এর গুলিতে নিহতের সংখ্যা ছিল ৯৮জন এবং ২০১০ সালে এ সংখ্যা কমে ৭৮জন হয়েছিল। প্রতিটি ঘটনাতেই নিরস্ত্র বাংলাদেশীরা গুলিতে নিহত হয়েছেন।
বিএসএফ’র গুলিতে যখনই কোন বাংলাদেশী নিহত হয় তখন বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাকে গরু চোরাচালানকারী হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা দেখা যায়।
কিন্তু বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার অনেক মানুষের ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।
যখন ভারত থেকে ফেনসিডিল চোরাচালান হয় তখন বিএসএফ-এর দিক থেকে গুলি করা হয় না।
তিনি অভিযোগ করেন গরু চোরাচালানের সাথে ভারতীয়রা জড়িত থাকলেও গুলিতে কেবল বাংলাদেশীরাই নিহত হচ্ছে।
বিএসএফ এর দিক থেকে বলা হয় আত্মরক্ষার্থে তাদের গুলি চালাতে হয়। এছাড়া গতকাল বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরও বলেছেন প্রয়োজনে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলি করার অনুমতি রয়েছে।
আত্নরক্ষার জন্য বিএসএফ-র দিক থেকে যে ব্যাখ্যা দেয়া হয় সেটি যৌক্তিক নয়। তিনি বলেন সীমান্তে প্রানঘাতি অস্ত্র ব্যবহার সম্পর্কে বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও বিএসএফ সেটিকে মোটেই গুরুত্ব দিচ্ছে না।
“বিশ্বাসযোগ্য অজুহাত ছাড়া তারা প্রায়ই বলে আত্নরক্ষার্থে তাদের গুলি করতে হয়। সীমান্ত পারাপারকারীরা যদি চোরাকারবারীও হয়, তাহলে তাদের দ্বারা বিএসএফ আক্রান্ত হওয়া মোটেও বিশ্বাসযোগ্য নয়।”
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:১৯
পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: স্বাধীন দেশ সরকারী ভাবে উচ্চ পর্যায়ে এ বিষয়টি সামাল দেওয়া এখন জরুরী