নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নতুন ঠিকানা-http://www.somewhereinblog.net/blog/ochenahappy

আবদুস সবুর খান

http://www.facebook.com/AskSumon -https://asksumon.wordpress.com/main-page/

আবদুস সবুর খান › বিস্তারিত পোস্টঃ

দাওয়াত ও তাবলিগ ইসলামের প্রাণশক্তি

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪২





‘তাবলিগ’ শব্দের আভিধানিক অর্থ পৌঁছানো। পারিভাষিক অর্থে ইসলামের মহান বাণী, সত্কাজের আদেশ ও অসত্কাজের নিষেধ, শরয়ি বিধিবিধান মানুষের কাছে পৌঁছানোকে ‘তাবলিগ’ বলা হয়। যিনি এ গুরুদায়িত্ব পালন করেন তিনি ‘মুবাল্লিগ’ নামে সমধিক পরিচিত। ইসলামে তাবলিগের গুরুত্ব অপরিসীম। যুগে যুগে, কালে কালে তাবলিগের দায়িত্ব পালন করেন আগেকার সব নবী-রাসুল। সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)ও এ দায়িত্ব পালন করেন গোটা ২৩ বছর। তাবলিগের তাত্পর্য বিশ্লেষণ করে বিদায় হজের ভাষণে তিনি বলেন, ‘হে জনগণ! তোমরা যারা উপস্থিত আছ, তাদের দায়িত্ব হচ্ছে অনুপস্থিতদের কাছে আমার বাণীগুলো পৌঁছে দেয়া।’



নবুওয়তির ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ মিশন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর হাতে পূর্ণতা লাভ করে। মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শের অনুসারীরা বিশেষত খোলাফায়ে রাশেদিন, সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন ও পরবর্তীকালে বিভিন্ন সুফি-দরবেশ ও মুবাল্লিগরা ধর্ম প্রচারের যে নজির স্থাপন করেন তা সত্যিকার অর্থে অসাধারণ। তাদের অব্যাহত মেহনতের ফলে মরক্কো থেকে চীনের প্রাচীর পর্যন্ত পৃথিবীর বিভিন্ন জনপদ ইসলামের আলোকে উদ্ভাসিত হয়। সাম্য, ন্যায়পরায়ণতা ও ভ্রাতৃত্বের ভিত্তিতে আদর্শ সমাজ গড়ে ওঠে। নতুন সংস্কৃতি-সভ্যতার উন্মেষ ঘটে এবং একটি নতুন বিশ্ব অস্তিত্ব লাভ করে। মুবাল্লিগদের মানবীয় মূল্যবোধ, চারিত্রিক দৃঢ়তা ও সহমর্মিতাসুলভ গুণাবলী বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে একে অপরের কাছে নিয়ে আসে।



প্রকৃত দাওয়াতের শিক্ষা হচ্ছে সত্য, ন্যায় ও সুন্দরের প্রচার ও প্রসার করা। মায়া-মমতা, দান-অনুগ্রহ, ভালোবাসা, সাহায্য-সহানুভূতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা এগুলো বাক্সবন্দি করে রাখার নাম দাওয়াতও নয়, ইসলামও নয়। মৃত্যুর পরবর্তী জীবনেও তা ব্যবহার করার বিষয় নয়। ইহকালেই দুনিয়াবাসীর প্রতি এসব গুণ ব্যবহার করে মানুষকে আল্লাহর অনুগ্রহ লাভে ধন্য হতে হবে।



তাবলিগ তথা দ্বীন প্রচারের দায়িত্ব প্রতিটি যুগে প্রতিটি আদর্শবান মুসলমানের ওপর অর্পিত। আদর্শ যতটা উন্নত ও কল্যাণধর্মী হোক তা আপনাআপনি প্রসার লাভ করে না। অপরদিকে প্রচারিত ও প্রসারিত আদর্শকে ধরে রাখার উদ্যোগ না নিলে সত্য বিকৃতি ঘটারও সমূহ আশঙ্কা থেকে যায়। আদর্শের ধারণ ও পুনরুজ্জীবনের জন্য তাবলিগি ও দাওয়াতি কাজ অপরিহার্য। ইসলাম প্রচারধর্মী দ্বীন। দাওয়াত ও তাবলিগ ইসলামের রক্ষাকবচ। বিশ্ববরেণ্য ইসলামী চিন্তাবিদ আল্লামা সায়্যিদ আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.) বলেন, ‘দাওয়াত ও তাবলিগ ইসলামের প্রাণশক্তি। এ চেতনাব্যঞ্জক কর্মতত্পরতা যদি মুসলিম সমাজে লোপ পায় তাহলে মানুষ পশুত্বের পর্যায়ে নেমে আসতে বাধ্য হবে।’



ভারতবর্ষে তাবলিগ



আগে থেকেই ভারতবর্ষে আরব বণিক ও পীর-দরবেশদের আনাগোনা থাকলেও মুহাম্মদ ইব্ন কাসিম কর্তৃক সিন্ধু বিজয়ের ফলে আলিম, ধর্মপ্রচারক, পীর, আউলিয়া ও দরবেশদের ভারতবর্ষে আগমন বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন স্থানে মসজিদ, খানকাহ ও মাদরাসা গড়ে ওঠে। ইসলামের দাওয়াত নিয়ে তাঁরা ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে লাহোরের দাতা গঞ্জবখ্শ, পাঞ্জাবের সায়্যিদ জালালুদ্দীন সুরখেপাশ বুখারী, রাজস্থানের শায়খ হামীদুদ্দীন নাগূরী, মুলতানের শায়খ বাহাউদ্দীন যাকারিয়া, পশ্চিম পাঞ্জাবের শায়খ ফরীদুদ্দীন গঞ্জশকর, দিল্লির হজরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া, আজমীরের খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী, দাক্ষিণাত্যের শায়খ কামালুদ্দীন চিশতী, পানিপথের বু’আলী শাহ কলন্দর, গুজরাটের শায়খ আবদুল ওয়াহাব শাযলী, কাশ্মীরের সায়্যিদ আলী হামাদানী, বিহারের শায়খ শারফুদ্দীন ইয়াহিয়া মানীরী, চট্টগ্রামের হজরত শাহ আমানত, সোনারগাঁয়ের শায়খ শারফুদ্দীন আবু তোয়ামা, বগুড়ার সাইয়্যেদ মাহমুদ মাহি সওয়ার, রংপুরের মাওলানা কারামাত আলী জৌনপুরীর নাম সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। এসব পীর-মাশায়েখদের অব্যাহত দাওয়াতি তত্পরতার ফলে ইসলামের সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, উদারতা ও পরমত সহিষ্ণুতার বাণী বর্ণপ্রথা ও সামাজিক বৈষম্যের শিকার হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। দলে দলে নির্যাতিত হিন্দুরা ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হতে থাকেন। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বহু রাজা-মহারাজা বিশেষত পাঞ্জাবের বেশ কয়েকটি রাজপুত পরিবার, মালবের রাজগড় রাজ্যের রাজা শ্রী মূতি সিংহ, পানিপথের অমর সিংহ রাজপুত এসব সুফিদের দাওয়াতি তত্পরতার ফলে ইসলাম কবুল করে ধন্য হন। কালক্রমে সিন্ধু এ উপমহাদেশের অন্যতম প্রধান মুসলিম এলাকায় পরিণত হয়। মুহাম্মদ ইব্ন কাসিমের পর ১০০ হিজরি সালে উমর ইব্ন আবদুল আযীয (রহ.) সিন্ধু অঞ্চলের সব রাজা ও ঠাকুরদের কাছে ইসলাম কবুল করার জন্য তাবলিগি পত্র প্রেরণ করেন। পত্র প্রাপ্তির পর রাজা দাহিরের দু’ছেলে জয় সিংহ ও চাচসহ অধিকাংশ রাজা এবং ঠাকুর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। উমর ইব্ন আবদুল আযীয (রহ.) জয় সিংহকে ব্রাহ্মণ্যবাদের প্রশাসক নিযুক্ত করেন। আব্বাসীয় খলীফা মাহদী ক্ষমতায় আরোহণের পর সিন্ধুর গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ আঞ্চলিক প্রশাসকদের কাছে ইসলাম গ্রহণের উদ্দেশে দাওয়াতি পত্র প্রেরণ করেন। শ্রী রায় ও মহারাজা নামে পরিচিত দু’জন শাসকসহ বহু মানুষ ইসলামে দীক্ষা লাভ করেন। সিন্ধু অঞ্চলে রাজা, ঠাকুর ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে ইসলাম প্রচারের ক্ষেত্রে আরব বংশোদ্ভুত তাবেয়ী মুহাম্মদ আলাফী ও তাঁর সহকর্মী বিশেষত হামিম ইব্ন সামা শামীর বিশেষ অবদান রয়েছে। রাজা দাহিরের ছেলে জয় সিংহকে ইসলামের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে এসব ধর্মপ্রচারকরা (মুবাল্লিগীন) ব্যাপক প্রয়াস চালান।



(আবূ যফর নাদভী, তারীখে সিন্দ, পৃ. ৮৭, ১২৫, ১২৬, ১৬১; হামিদ আল কুফী, চাচনামা, পৃ. ৮৬; মুফতি মুহাম্মদ মুশতাক তিজারভী, বারের সাগীর মে ইশা‘আতে ইসলাম কী তারীখ, পৃ. ২৯-৬০)।



পরবর্তীকালে দাওয়াত ও তাবলিগের ধারাবাহিকতায় ১৯১০ সালে হজরত মাওলানা ইলিয়াছ (রহ.) ভারতের মেওয়াট থেকে তাবলিগি কার্যক্রম শুরু করেন। দুর্ধর্ষ তস্করদের জন্য মেওয়াটের কুখ্যাতি ছিল পুরো ভারতে। লুণ্ঠন ও উত্পীড়নের মাধ্যমে গোটা এলাকায় তারা কায়েম করে ত্রাসের রাজত্ব। এমনকি মাঝে মধ্যে দিল্লিতে পর্যন্ত তারা হামলা চালিয়ে হত্যালীলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে দ্বিধা করত না। সম্রাট গিয়াস উদ্দীন বলবন (১২৬৬-৮৭ খ্রি.) রক্তপাত ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করেও (Blood and Iron Policy) সন্ত্রাসী ও ডাকাতদের অপতত্পরতা বন্ধ করতে পারেননি। তাবলিগি কার্যক্রমের ফলে মেওয়াটের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী এখন সত্ ও আল্লাহওয়ালা। পুরো অঞ্চলে বিরাজ করছে নিরবচ্ছিন্ন শান্তি। উপমহাদেশের বুযুর্গ, ওলামা ও পীর-মাশায়েখদের সহযোগিতায় ক্রমান্বয়ে তাবলিগি জামায়াতের কার্যক্রম ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকাসহ প্রসারিত হয়েছে গোটা দুনিয়ায়। ১৯৪৪ সালে মাওলানা আবদুল আযীয (রহ.)-এর প্রচেষ্টায় তাবলিগ জামায়াতের উদ্যোগে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে চালু হয় ‘বিশ্ব ইজতেমা’। ১৬০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এ ইজতিমা মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিলনমেলা। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রায় ৩০ লাখ মুসলমান এ ইজতিমায় যোগ দেন এবং ইজতেমা শেষে নিঃস্বার্থ মুবাল্লিগদের ছোট ছোট গ্রুপ এক বছর, ছ’মাস, তিন মাস ও ৪০ দিনের দাওয়াতি কার্যক্রম নিয়ে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েন। অন্যান্য দেশের ন্যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় প্রতি বছর বড় আকারের তিন দিনব্যাপী তাবলিগি ইজতিমা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর (Ethnic groups in diverse society) দেশে তাবলিগি কাজ ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করছে ক্রমেই। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গড়ে উঠছে নতুন মসজিদ ও তাবলিগি মারকাজ। এভাবে চলতে থাকবে তাবলিগি কার্যক্রম কিয়ামত পর্যন্ত।



ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন

লেখক : অধ্যাপক, ইসলামী চিন্তাবিদ



মূল লিঙ্ক- http://www.amardeshonline.com/pages/details/2012/01/06/125516#.UOFbfeRJOrg



লেখকের ফেবু আইডি- http://www.facebook.com/afmkhossain

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:০৮

জজ সাহেব বলেছেন: চালিয়ে যান।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২২

আবদুস সবুর খান বলেছেন: ধন্যবাদ

২| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:১৩

ওয়াসেত সাহিন বলেছেন: ধন্যবাদ লেখাটির জন্য । বস্তুত: দ্বীনের তবলীগ প্রতিটি মুসলমানের জন্য ফরজ ।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৩

আবদুস সবুর খান বলেছেন: জাযাকাল্লাহ খাইরান

৩| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২০

বাঁশ বাগান বলেছেন: আপনি বলছেন: "মুহাম্মদ ইব্ন কাসিম কর্তৃক সিন্ধু বিজয়ের ফলে আলিম, ধর্মপ্রচারক, পীর, আউলিয়া ও দরবেশদের ভারতবর্ষে আগমন বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়।

৪| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৫

বাঁশ বাগান বলেছেন: একেকটা তরীকা মানে একেকটা দল । যারা নিজেদের সঠীক মনে আর অন্যদের মনে করে ভ্রন্ত । ফলে সৃষ্টি হয় দলাদলী যা ইসলামে নিষিদ্ধ ।

আল্লাহ বলেন,
"তোমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে আল্লাহর রজ্জু দ্বীন কে আকড়েধর এবং পরস্পর দলে দলে বিভক্ত হয়ো না"
(সূরা আল ইমরান, আয়াত ১০৩)

তিনি আরও বলেন, "তোমরা মুশরিকহবে না । যারা দ্বীনকে ভাগ করে নিয়েছেএবং নিজেরাও দলে দলে বিভক্ত হয়েছে"
(সূরা রুম, আয়াত ৩১-৩২)

"যারা তাদের দ্বীনকে বিভক্ত করে নিজেরা দলে দলে ভাগ হয়ে গেছে, হে রাসুল ! ঐ দলগুলোর কোনটির সাথে তোমার কোন সম্পর্ক থাকবে না "
(সূরা আন'আম, আয়াত ১৫৯)

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৪

আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনি বলেছেন,
একেকটা তরীকা মানে একেকটা দল । যারা নিজেদের সঠীক মনে আর অন্যদের মনে করে ভ্রন্ত ।

বর্তমানে যারা নিজেদের আহলে হাদীস বা সালাফী দাবি করে একমাত্র তারাই মনে করে তারাই সঠিক আর বাকীরা ভ্রান্ত।

অন্যরা ফিকহী মাসয়ালার কারনে কাউকে ভ্রান্ত মনে করে না।

প্রথমে একটি হাদীস বলি,

من قال في القرآن برأيه فليتبوأمقعده من النار
অর্থঃ যে ব্যক্তি মনগড়া কুরআনের তাফসীর করল সে জাহান্নামে আপন স্থান বানিয়ে নিল, ‎‎(তিরমিযি শরিফ-২৯৫১)‎

আলু পটল প্রমান করার আগে জ্ঞান অর্জন করুন।

হাদীসে এসেছে,


এখানে বিবাদমান দুই দলকে কেন মুসলমান হিসেবে আখ্যায়িত করলেন হুজুর স. ???

কে বেশি ইসলাম সম্পর্কে জানেন ???

আপনি

নাকি

হুজুর স. ??

হাদীসে এসেছে...

হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-“নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের কাছ তেকে ইলমকে এক দফায় ছিনিয়ে নিবেন না। বরং আলেমদের ইন্তেকালের মাধ্যমে ইলমের বিলুপ্তি ঘটাবেন। এমনকি যখন কোন আলেম অবশিষ্ট থাকবেনা, তখন লোকেরা মুর্খদেরকে নিজেদের নেতা বানাবে। সুতরাং তারা ইলম ছাড়া ফাতওয়া দিয়ে নিজেও পথভ্রষ্ট হবে, অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করবে।"
(সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নং-৪৫৭১, বুখারী শরীফ, হাদিস নং-১০০, সহীহ মুসলিম শরীফ, হাদিস নং-৬৯৭১, মুসনাদুশ শিহাব, হাদিস নং-৫৮১)

৫| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৯

বাঁশ বাগান বলেছেন: "সবাই তাঁর অভিমুখী হও এবং ভয় কর, নামায কায়েম কর এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না"।

"যারা তাদের ধর্মে বিভেদ সৃষ্টি করেছে এবং অনেক দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উল্লসিত"।

সূরা রুম, আয়াত ৩১-৩২

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৪

আবদুস সবুর খান বলেছেন: ৪নং কমেন্টের জবাব দেখুন।

৬| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৯

শিক্ষানবিস বলেছেন: তাবলীগী ভাইদের স্বাগতম। তারা আরো বেশী করে ব্লগিং করুক।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৫

আবদুস সবুর খান বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম

৭| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫০

বাঁশ বাগান বলেছেন: ব্লগে বিভিন্ন ধরনের মতের প্রচার দেখে

সুরা আল ইমরানের (আয়াত:১০৩)
"আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। আর তোমরা সে নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যা আল্লাহ তোমাদিগকে দান করেছেন। তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের মনে সম্প্রীতি দান করেছেন। ফলে, এখন তোমরা তাঁর অনুগ্রহের কারণে পরস্পর ভাই ভাই হয়েছ। তোমরা এক অগ্নিকুন্ডের পাড়ে অবস্থান করছিলে। অতঃপর তা থেকে তিনি তোমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। এভাবেই আল্লাহ নিজের নিদর্শনসমুহ প্রকাশ করেন, যাতে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হতে পার"।
Click This Link

আর সূরা রুম, (আয়াত ৩১-৩২) এর দুটো আয়াত আপনার জ্ঞাতার্তে পেশ করলাম

"সবাই তাঁর অভিমুখী হও এবং ভয় কর, নামায কায়েম কর এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না"।

"যারা তাদের ধর্মে বিভেদ সৃষ্টি করেছে এবং অনেক দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উল্লসিত"।

Click This Link

কোনো তফসীরও নয়। শুধু মাত্র অর্থটা। যেটা আমার নিজের মনগড়াও নয়। (রেফারেন্স হিসাবে লিংক দিলাম)


সেই কুরআেনের আয়াত কে আপনি আলু পটল সাথে তুলনা করলেন (নাউজুবিল্লাহ)।

মারেফুল কুরআনের তাফসীর থেকে সুরা রূমের তাফসীর দেখে নিন:
Click This Link

আপনার প্রতিক্রয়া দেখে তাবলীগ যারা করে তাদের সম্পর্কে আরো জ্ঞান অর্জন করলাম।



৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩১

আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনি বলেছেন,
সেই কুরআেনের আয়াত কে আপনি আলু পটল সাথে তুলনা করলেন (নাউজুবিল্লাহ)

আমি বলেছিলাম,
আলু পটল প্রমান করার আগে জ্ঞান অর্জন করুন।

আমি বলিনি যে, আপনি আলু পটলের অনুবাদ করার আগে জ্ঞান অর্জন করুন !!!

আগে কমেন্ট বুঝুন, তারপর কমেন্ট করুন।


এবং

আপনি তাফসির আবার ভাল করে পড়ুন। এখানে মুসলমানদের নয়, মুশরিকদের কথা বলা হয়েছে।

এবং

উপরে প্রশ্নটির ব্যাপারে কিছু বললেন না কেন ?

৮| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০২

উকিল সাহেব বলেছেন: আচ্ছা এক কাজ করলে কেমন হয়। যারা দাওয়াত ও তাবলীগ কে সত্য মনে করে না, চলেন, তারা এবং আমি দশ রাকাত নামাজ মান্ত করি। প্রতি দুই রাকাত শেষে আল্লাহ্‌ কাছে দোয়া করবো।

আপনারা যারা তাবলীগ পছন্দ করেন না তারা বলবেন, হে আল্লাহ্‌ যদি দাওয়াত ও তাবলীগ সত্য হয় তবে আমাদের কেও তা করার তৌফীক দাণ করো। আর যদি না হয় তবে আমাকে এই পথে নিও না এবং অন্যদেরকেও নিও না।

আর আমি দোয়া করবো আল্লাহ্‌ যদি দাওয়াত ও তাবলীগ সত্য না হয় তবে, তবে আমাকে এই পথ থেকে ফেরাও।

চলেন দেখি আল্লাহ্‌ কি করে।

বি দ্র: আমি কিন্তু এই বাজী ধরতে একপায়ে খাড়া।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩২

আবদুস সবুর খান বলেছেন: চলেন দেখি আল্লাহ্‌ কি করে। +++

আমিও বাজী ধরতে একপায়ে খাড়া।

৯| ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩২

বাঁশ বাগান বলেছেন: দাওয়াত প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য ফরজ।

কিন্তু মাওলানা ইলিয়াছ (রঃ) প্রবর্তিত তথাকথিত তাবলীগ দল কি সব মুসলিমকে করতে হবে?

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০২

আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনার ইচ্ছা . . .

এটা দেখতে পারেন . . .

Click This Link

১০| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০০

লিউনেল মেসি বলেছেন: আহলে হাদিসদের তর্ক হচ্ছে তালগাছবাদীতা।

তাদের সম্মুক্ষে বাহাছের দাওয়াত দিলে পলায়ন করে। ব্লগ আর ফেসবুকে জিহাদ করে!!!

আবার বলছি আপনাদের প্রকাশ্যে বাহাছ করার দাওয়াত রইল।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১২

আবদুস সবুর খান বলেছেন: সত্য কথা

১১| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১০

আবদুস সবুর খান বলেছেন: এইচ এম বিশ্বাস
আপনার যদি কিছু বলার থাকে তবে সরাসরি বলুন। এই রকম উদ্ভদ কমেন্ট করলে আবারো কমেন্ট ডিলেট করা হবে।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১১

আবদুস সবুর খান বলেছেন: আর কোন প্রশ্ন থাকলে এখানে করুন . . .

Click This Link

আর আপনি কি রাজারবাগী ?

১২| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:২২

শুধু মুসলিম বলেছেন: বাঁশ বাগান .........জাজাকাল্লাহু খাইরান।
ভাই জটিল একটা জিনিস তুলে ধরেছেন। ব্যাপারটা আমি আগে খেয়াল করিনি। আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

মূল বিষয়ে আসি। আপনি সূরা রুমের ৩১-৩২ নং আয়াতের তাফসীর তুলে ধরেছেন। চলুন দেখি তাফসিরে কি আছে?



এই মুশরিক তারা স্বভার ধর্মে ও সত্য ধর্মে বিভেদ সৃষ্টি করেছে অথবা স্বভাব ধর্ম থেকে পৃথক হয়ে গিয়েছে। ফলে তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে গেছে।

স্বভাব ধর্ম ছিল তাওহীদ। এর প্রতিক্রিয়াস্বরূপ সব মানুষের একে অবলম্বন করে এক জাতিতে একদল হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তারা তাওহীদকে ত্যাগ করে বিভিন্ন লোকের (আবু হানিফা, ইমাম শাফী, ইমাম আহমদ হাম্বল, ইমাম মালেক) চিন্তা ধারার অনুগামী হয়েছে। মানুষের চিন্তাধারা ও অভিমতে বিরোধ থাকা স্বাভাবিক। তাই প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা মাজহাব (হানাফী,শাফী,হাম্বলী,মালেকী) বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কারণে জনগণ (মুসলিমরা) বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। শয়তান তাদের নিজ নিজ মাজহাব সত্য প্রতিপন্ন করার কাজে এমন ব্যাপৃত করে দিয়েছে যে, প্রত্যেক দল নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে হর্ষোৎফুল্ল। তারা একে অপরের মতবাদকে ভ্রান্ত আখ্যা দেয়। অথচ তারা সবাই (হানাফী, শাফী, হাম্বলী, মালেকী) ভ্রান্ত পথে পতিত রয়েছে।

আবদুস সবুর খান সাহেব খুব চালাকি করে উত্তর দিলেন যে-
""আপনি তাফসির আবার ভাল করে পড়ুন। এখানে মুসলমানদের নয়, মুশরিকদের কথা বলা হয়েছে।""

আমরাও একই কথা বলি যে এখানে মুসলমানদের কথা না মুশরিকদের কথা বলা হইছে। তবে এখানে কোণ মুশরিকদের কথা বলা হইছে তা কি জানেন? এখানে মাজহাবী মুশরিকদের কথা বলা হইছে। এই মাজহাবী মুশরিক অতীতেও ছিল, এখনও আছে।

আপনি বলতে পারেন এই মুশরিক হলো ইহুদী খ্রিষ্টানরা। আরে ভাই যেই কাজ ইহুদী খ্রিষ্টানরা করলে মুশরিক হয়, সেই একই কাজ বর্তমানের মাজহাবীরা করলে কেন মুশরিক হবে না?

এজন্যই ইমাম ইবনে কাসীর এই আয়াতের তাফসীরে বলেছেন, ""সূরা রুমে উল্লেখিত মুশরিকরা হলো ইহুদী খ্রিষ্টানরা যারা দ্বীনকে বিভক্ত করেছে এবং দলে দলে বিভক্ত হয়েছে এবং এই উম্মাতও।""

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৩৫

আবদুস সবুর খান বলেছেন: প্রথমেই একটি হাদীস বলি
من قال في القرآن برأيه فليتبوأمقعده من النار
অর্থঃ যে ব্যক্তি মনগড়া কুরআনের তাফসীর করল সে জাহান্নামে আপন স্থান বানিয়ে নিল। ‎‎(((*
(তিরমিযি শরিফ-২৯৫১)‎

স্কিনশটটি দেখি



...............................................................

এই মুশরিক তারা স্বভার ধর্মে ও সত্য ধর্মে বিভেদ সৃষ্টি করেছে অথবা স্বভাব ধর্ম থেকে পৃথক হয়ে গিয়েছে। ফলে তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে গেছে।

স্বভাব ধর্ম কোনটি ???

স্বভাব ধর্ম ছিল তাওহীদ।
...................................................................

তাওহীদ কি ???

তাওহীদ শব্দটি (وحد) ক্রিয়ামূল থেকে উৎপত্তি হয়েছে। এর আভিধানিক অর্থ কোন জিনিসকে একক হিসাবে নির্ধারণ করা। ‘না’ বাচক ও ‘হ্যাঁ’ বাচক উক্তি ব্যতীত এটির বাস্তবায়ন হওয়া সম্ভব নয়। অর্থাৎ একককৃত বস্তু ব্যতীত অন্য বস্তু হতে কোন বিধানকে অস্বীকার করে একককৃত বস্তুর জন্য তা সাব্যস্ত করা। উদাহরণ স্বরূপ আমরা বলব, “আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন মা’বূদ নেই” একথার সাক্ষ্য দেয়া ব্যতীত কোন ব্যক্তির তাওহীদ পূর্ণ হবে না। যে ব্যক্তি এই সাক্ষ্য প্রদান করবে, সে আল্লাহ ছাড়া অন্যান্য সকল বস্তু হতে উলুহিয়্যাতকে (ইবাদত) অস্বীকার করে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য তা সাব্যস্ত করবে।

সৃষ্টি, রাজত্ব, কর্তৃত্ব ও পরিচালনায় আল্লাহকে এক হিসাবে বিশ্বাস করার নাম তাওহীদ।

যেমন-

সৃষ্টিতে আল্লাহর একত্বঃ আল্লাহ একাই সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা। তিনি ছাড়া অন্য কোন সৃষ্টিকর্তা নেই। আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
هَلْ مِنْ خَالِقٍ غَيْرُ اللَّهِ يَرْزُقُكُمْ مِنَ السَّمَاءِ وَالاَرْضِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ
“আল্লাহ ছাড়া কোন স্রষ্টা আছে কি? যে তোমাদেরকে আকাশ ও জমিন হতে জীবিকা প্রদান করে। প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন মা’বূদ নেই।” (সূরা ফাতিরঃ ৩)

রাজত্বে আল্লাহর একত্বঃ
মহান রাজাধিরাজ একমাত্র আল্লাহ তাআ’লা। তিনি বলেনঃ
تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
“সেই মহান সত্বা অতীব বরকতময়, যার হাতে রয়েছে সকল রাজত্ব। আর তিনি প্রতিটি বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান।” (সূরা মুলকঃ ১) আল্লাহ আরো বলেনঃ
قُلْ مَنْ بِيَدِهِ مَلَكُوتُ كُلِّ شَيْءٍ وَهُوَ يُجِيرُ وَلَا يُجَارُ عَلَيْهِ
“হে নবী! আপনি জিজ্ঞাসা করুন, সব কিছুর কর্তৃত্ব কার হাতে? যিনি আশ্রয় দান করেন এবং যার উপর কোন আশ্রয় দাতা নেই।” (সূরা মুমিনূনঃ ৮৮)

পরিচালনায় আল্লাহর একত্বঃ
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এক ও অদ্বিতীয় ব্যবস্থাপক এবং পরিচালক। তিনি সকল মাখলূকাত এবং আসমা-যমিনের সব কিছু পরিচালনা করেন। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ
“সৃষ্টি করা ও আদেশ দানের মালিক একমাত্র তিনি। বিশ্ব জগতের প্রতিপালক আল্লাহ তা’আলা অতীব বরকতময়।” (সূরা আ’রাফঃ ৫৪)

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

তাওহীদকে (সৃষ্টি, রাজত্ব, কর্তৃত্ব ও পরিচালনায় আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কাহকে মানে) লোকেরা বিভিন্ন চিন্তাধারা অনুগামী হয়েছে।

==>>>>>>>>>>>>

হানাফী,শাফী,হাম্বলী,মালেকী যারা অনুসরন করে তারা কেহ তাওহীদের ক্ষেত্রে আবু হানিফা, ইমাম শাফী, ইমাম আহমদ হাম্বল, ইমাম মালেক মানে না।

মানে এজতিহাদের ক্ষেত্রে যা আল্লাহর নিকটও পছন্দনীয় . . .

যেমন-

দাউদ আ. ছিলেন আল্লাহর নবী। তাঁর পুত্র সুলায়মান আ.ও নবী ছিলেন। এক মোকদ্দমার রায় সম্পর্কে দুজনের মাঝে ইজতিহাদগত মতপার্থক্য হল। আল্লাহ তাআলা কুরআন মজীদে তাদের মতপার্থক্যের দিকে ইঙ্গিত করেছেন এবং সুলায়মান আ.-এর ইজতিহাদ যে তাঁর মানশা মোতাবেক ছিল সেদিকেও ইশারা করেছেন। তবে পিতাপুত্র উভয়ের প্রশংসা করেছেন। তো এখানে ইজতিহাদের পার্থক্য হয়েছে। এই পার্থক্যের আগেও যেমন পিতাপুত্র দুই নবী এক ছিলেন, তেমনি পার্থক্যের পরও। (দেখুন : সূরা আম্বিয়া (২১) : ৭৮-৭৯) তাফসীরে ইবনে কাসীর, তাফসীরে কুরতুবী (১১/৩০৭-৩১৯)

০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪২

আবদুস সবুর খান বলেছেন: ১) মাজহাবের অর্থ কি?
=>
মাজহাব মানে মতামত, বিশ্বাস, ধর্ম, আদর্শ, পন্থা, মতবাদ, উৎস।
মিসবাহুল লুগাত (থানবী লাইব্রেরী-২৬২ পৃষ্ঠা)

মাযহাব শব্দটি কেহ কখনও মতামত, বিশ্বাস, ধর্ম, আদর্শ, পন্থা, মতবাদ, উৎস ব্যবহার করেছেন।

হ্যা যারা মাযহাব অনুসরন করেন তারা শব্দটি মতামত অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহর অস্পষ্ট ব্যাপারে মতমত হিসেবেই জানেন।

আর মাসয়ালাগত মতপার্থক্য হলেই যদি তিনি কাফির হয়ে যান তবে সাহাবীরা কি ????

হযরত ইবনে আববাস রা. এর নিকটে মদীনা বাসীগণ সে নারী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন, যে তাওয়াফ করার পর ঋতুবতী হয়ে গেল। তিনি তাদেরকে বললেন, সে চলে যাবে। তারা বলল, আমরা যায়দ বিন সাবিতের কথা ছেড়ে আপনার কথা গ্রহণ করব না। -বুখারী: ১/২৩৭

এখন আপনি তা শুধু ধর্ম হিসেবে অনুবাদ করে সকলকে জোড় করে যেভাবে কাফির বানানোর ফিকিরে আছেন, থাকুন। অবাক হইনা, কারন . . .

হাদীসে এসেছে,
হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-“নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের কাছ তেকে ইলমকে এক দফায় ছিনিয়ে নিবেন না। বরং আলেমদের ইন্তেকালের মাধ্যমে ইলমের বিলুপ্তি ঘটাবেন। এমনকি যখন কোন আলেম অবশিষ্ট থাকবেনা, তখন লোকেরা মুর্খদেরকে নিজেদের নেতা বানাবে। সুতরাং তারা ইলম ছাড়া ফাতওয়া দিয়ে নিজেও পথভ্রষ্ট হবে, অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করবে।" (সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নং-৪৫৭১, বুখারী শরীফ, হাদিস নং-১০০, সহীহ মুসলিম শরীফ, হাদিস নং-৬৯৭১, মুসনাদুশ শিহাব, হাদিস নং-৫৮১)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:২২

আবদুস সবুর খান বলেছেন: >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

তাওহীদকে (সৃষ্টি, রাজত্ব, কর্তৃত্ব ও পরিচালনায় আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কাহকে মানে) লোকেরা বিভিন্ন চিন্তাধারা অনুগামী হয়েছে।

হবে

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

তাওহীদকে (সৃষ্টি, রাজত্ব, কর্তৃত্ব ও পরিচালনায় আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কাহকে মানে) ত্যাগ করে লোকেরা বিভিন্ন চিন্তাধারা অনুগামী হয়েছে।

১৩| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:০১

মিশনারী বলেছেন: অশিক্ষিত মুর্খ্যদের সাথে তর্ক করে লাভ কি ??? যারা এখন ও কোরআন হাদিস থেকে শিক্ষতে রাজী না । শুধুমাত্র একখানা বই, সেইটাই তাদের পুজি ।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:১২

আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনার জ্ঞানের পুজি (!!!) দেখে অবাক হলাম

এটা পড়ুন . . .

Click This Link

১৪| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৫৪

আবদুস সবুর খান বলেছেন: সাহাবায়ে কেরামের যুগে ফিকহের মাযহাব

এ সম্পর্কে ইমাম আলী ইবনুল মাদীনী রাহ.-এর বিবরণ শুনুন : ইমাম আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. (১৬১ হি.-২৩৪ হি.) ছিলেন ইমাম বুখারী রাহ.-এর বিশিষ্ট উস্তাদ। তিনি সাহাবায়ে কেরামের সেসব ফকীহের কথা আলোচনা করেছেন, যাদের শাগরিদগণ তাঁদের মত ও সিদ্ধান্তগুলো সংরক্ষণ করেছেন, তা প্রচার প্রসার করেছেন এবং যাদের মাযহাব ও তরীকার উপর আমল ও ফতওয়া জারি ছিল। আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. এই প্রসঙ্গে বলেছেন, সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে এমন ব্যক্তি ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. (মৃত্যু : ৩২ হিজরী), যায়েদ ইবনে ছাবিত রা. (জন্ম : হিজরতপূর্ব ১১ ও মৃত্যু : ৪৫ হিজরী) ও আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. (জন্ম : হিজরতপূর্ব ৩ ও মৃত্যু : ৬৮ হিজরী)।


তাঁর আরবী বাক্যটি নিম্নরূপ-
এরপর আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. তাঁদের প্রত্যেকের মাযহাবের অনুসারী ও তাঁদের মাযহাব মোতাবেক ফতওয়া দানকারী ফকীহ তাবেয়ীগণের নাম উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-এর যে শাগরিদগণ তাঁর কিরাত অনুযায়ী মানুষকে কুরআন শেখাতেন, তাঁর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মানুষকে ফতওয়া দিতেন এবং তাঁর মাযহাব অনুসরণ করতেন তারা হলেন এই ছয়জন মনীষী : আলকামাহ (মৃত্যু : ৬২ হিজরী), আসওয়াদ (মৃত্যু : ৭৫ হিজরী), মাসরূক (মৃত্যু : ৬২ হিজরী), আবীদাহ (মৃত্যু : ৭২ হিজরী), আমর ইবনে শুরাহবীল (মৃত্যু : ৬৩ হিজরী) ও হারিস ইবনে কাইস (মৃত্যু : ৬৩ হিজরী)।


ইবনুল মাদীনী রাহ. বলেছেন, ইবরাহীম নাখায়ী রাহ. (৪৬-৯৬ হিজরী) এই ছয়জনের নাম উল্লেখ করেছেন।

ইমাম আলী ইবনুল মাদীনী রাহ.-এর উপরোক্ত বিবরণের সংশ্লিষ্ট আরবী পাঠ নিমণরূপ-

এরপর আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. লিখেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-এর (ফকীহ) শাগরিদদের সম্পর্কে এবং তাঁদের মাযহাবের বিষয়ে সবচেয়ে বিজ্ঞ ছিলেন ইবরাহীম (নাখায়ী) (৪৬-৯৬ হিজরী) এবং আমের ইবনে শারাহীল শাবী (১৯-১০৩ হিজরী)। তবে শাবী মাসরূক রাহ.-এর মাযহাব অনুসরণ করতেন।


আরবী পাঠ নিমণরূপ-

এরপর লিখেছেন-

অর্থাৎ যায়েদ ইবনে ছাবিত রা.-এর যে শাগরিদগণ তাঁর মাযহাবের অনুসারী ছিলেন এবং তাঁর মত ও সিদ্ধান্তসমূহ সংরক্ষণ ও প্রচার প্রসার করতেন তাঁরা বারো জন।


তাঁদের নাম উল্লেখ করার পর ইবনুল মাদীনী রাহ. লেখেন, এই বারো মনীষী ও তাদের মাযহাবের বিষয়ে সবচেয়ে বিজ্ঞ ছিলেন ইবনে শিহাব যুহরী (৫৮-১২৪ হিজরী), ইয়াহইয়া ইবনে সায়ীদ আনসারী (মৃত্যু : ১৪৩ হিজরী), আবুয যিনাদ (৬৫-১৩১ হিজরী) এবং আবু বকর ইবনে হাযম (মৃত্যু ১২০ হিজরী)।

এদের পরে ইমাম মালেক ইবনে আনাস রাহ. (৯৩-১৭৯ হিজরী)।


এরপর ইবনুল মাদীনী রাহ. বলেছেন- ‘তদ্রূপ আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা.-এর যে শাগরিদগণ তাঁর মত ও সিদ্ধান্তসমূহ সংরক্ষণ ও প্রচার করতেন, সে অনুযায়ী ফতওয়া দিতেন এবং তার অনুসরণ করতেন, তাঁরা ছয়জন।

এরপর তিনি তঁদের নাম উল্লেখ করেন।

ইমাম ইবনুল মাদীনী রাহ.-এর পূর্ণ আলোচনা তাঁর ‘কিতাবুল ইলালে’ (পৃষ্ঠা : ১০৭-১৩৫, প্রকাশ : দারুবনিল জাওযী রিয়ায, ১৪৩০ হিজরী।) বিদ্যমান আছে এবং ইমাম বায়হাকী রাহ.-এর ‘আলমাদখাল ইলাস সুনানিল কুবরা’তেও (পৃষ্ঠা : ১৬৪-১৬৫) সনদসহ উল্লেখিত হয়েছে। আমি উক্তিটি দোনো কিতাব সামনে রেখেই উদ্ধৃত করেছি। এই কথাগুলো আলোচ্য বিষয়ে এতই স্পষ্ট যে, কোনো টীকা-টিপ্পনীর প্রয়োজন নেই। সুতরাং মনে রাখতে হবে, ইমামগণের ফিকহী মাযহাবের যে মতপার্থক্য তাকে বিভেদ মনে করা অন্যায় ও বাস্তবতার বিকৃতি এবং সাহাবায়ে কেরামের নীতি ও ইজমার বিরোধিতা। আর এ পার্থক্যের বাহানায় মাযহাব অনুসারীদের থেকে আলাদা হয়ে তাদের নিন্দা-সমালোচনা করা সরাসরি বিচ্ছিন্নতা, যা দ্বীনের বিষয়ে বিভেদের অন্তর্ভুক্ত।

১৫| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৫৫

শোয়াইব আহেমদ বলেছেন: তাবলীগে এক চিল্লা তিন চিল্লা বা ছাল লাগানোর নিয়ম কিভাবে তৈরী হলো এটা একটু জানাবেন। তাবলিগ সম্পর্কে আমার মনে অনেক ভালো ধারনা ছিল কারন আমার পরিচিত অনেক খারাপ লোকদের দেখেছি তাবলীগ করার কারনে ভালো হয়ে গিয়েছে। সেটা ছিল আমি যখন শহরে ছিলাম তখনকার প্রতিক্রীয়া। কিন্তু আমার আব্বা রিটায়ার্ড কারার কারনে আমরা যখন গ্রামে চলে এলাম এবং এখানে তাবলীগের যেই রুপ দেখলাম তাতে আমি এখন আপনাদের ঘৃনাকরি। এখানে অনেক কেই দেখছি স্বামী স্ত্রী একত্রে পারিবারিক ভাবে তবলীগে বের হচ্ছে। একজন মাদ্রাসার ছাত্রীর ত স্বপ্ন বিয়ের পরে তারা স্বামী স্ত্রী দুজনে তাবলিগী দাওয়াতের কাজে চট্রগামে যাবে এবং সেই ফাকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও ঘুরে আসবে অর্থ্যাৎ হানিমুনের তাবলিগী ভার্সন আরকি। এর ফলে হটেলভাড়া ও খাওয়ার খরচ যেমন রোধ হবে তেমনি সমুদ্র বিচে কিছু দাওয়াতের কাজ ও সারা যাবে। এবার আরো কঠিন পরিস্খিতির কথা বর্ননা করি। আমি আরো এমন কিছু মানুষ দেখেছি যারা তাবলীগকেই নিজের সংসার বানিয়ে ফেলেছে অর্থ্যাৎ নিজের স্ত্রী সন্তান লালন পালনের কোন দায় তাদের নেই । আমার স্কুল জীবনে একটা ফ্রেন্ড ছিলো তার বাবা একের পরে এক ছাল নয়ত চিল্লা লাগাইতে থাকতো আর তাদের পরিবারের ভরন পোষন ও লেখাপড়ার খরচ তার মামা দিত। আরো একজন আছেন তিনি আমার আত্বীয় উনারও একই অবস্থা কাজ কাম কিছুই করেন না নিজের স্ত্রী সন্তানদের শশুর বাড়ীতে রেখে চলে যান ছাল লাগাতে আর প্রত্যেক বার ছাল লাগানো শেষে এসে দেখেন তিনার স্ত্রী নতুন এটি বাচ্চা জন্ম দিয়েছেন কারন তিনাদের নাকি শিখানো হয়েছে যেই ব্যক্তির যত বেশী বাচ্চা হবে নবীজি কিয়ামতের দিন তিনার পক্ষনিয়ে কথা বলবেন। বেচারী একবারও সন্তান জন্মদেয়ার মত দুঃসময়ে নিজের স্বামীকে কাছে পাননা। যাই হোক আমি জানি ইসলামে বৈরাগীর কোন স্থাননেই কিন্তু এখন দেখছি তাবলীগই বৈরাগী তৈরীর মূল কারখানা।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৪৭

আবদুস সবুর খান বলেছেন: শোয়াইব আহেমদ ভাই,
ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য।

চিল্লার ব্যাপারে আগামী পর্বে দলীলসহ জবাব দেয়ার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ

আপনি বললেন,
এখানে তাবলীগের যেই রুপ দেখলাম তাতে আমি এখন আপনাদের ঘৃনাকরি।

কোন ব্যক্তি তাবলীগ জামাতকে পছন্দ করতে পারেন, তাকে সমর্থন করতে পারেন। কিন্তু তার কোন ভুলকে কেন্দ্র করে তার সমর্থন করা দলকে দোষারোপ করা কি বুদ্ধিমানের কাজ ????

এটা উদাহরন দেই . . .

কিছুদিন আগে আমাদের দেশে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার নামে যেভাবে বোমাবাজি করা করা হল সেই কারনে যদি কোন খৃষ্টান বলে যে, “অবশ্যই ইসলাম ধর্ম খারাপ তা না হলে এর নামে কেন বোমাবাজি করা হল “

আপনি কি তার যুক্তি মানবেন? কোন বুদ্ধিমান মানুষ কি তা মানবে ???

ঠিক তদ্রুপ কোন তাবলীগের সমর্থকের বা ব্যক্তিবিশেষের জন্য পুরো তাবলীগ জামাতকে প্রশ্নবিদ্ধ করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

আপনার মনে জাগা প্রশ্ন সম্পর্কে আপনি কাকরাঈল গিয়ে তাবলীগ জামাতের মুরুব্বিদের থেকে এই ব্যাপারে তাদের মনোভাব সম্পর্কে জিজ্ঞাস করে আস্বস্থ্ হতে পারেন।

ধন্যবাদ

১৬| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৫৮

স্বপনচাষী বলেছেন: Post-e +++++.

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৪৮

আবদুস সবুর খান বলেছেন: যাজাযাকাল্লাহ

১৭| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:০৬

শুধু মুসলিম বলেছেন: হানাফী,শাফী,হাম্বলী,মালেকী যারা অনুসরন করে তারা কেহ তাওহীদের ক্ষেত্রে আবু হানিফা, ইমাম শাফী, ইমাম আহমদ হাম্বল, ইমাম মালেক মানে না।

=> মাজহাবীদের তো তাওহীদই ঠিক নাই। সৃষ্টি, রাজত্ব, কর্তৃত্ব ও পরিচালনায় আল্লাহকে এক হিসাবে বিশ্বাস করার নাম তাওহীদ। আল্লাহ বলেছেন, মতবিরোধ হলে আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর দিকে (সূরা নিসা-৫৯) অর্থাৎ ফিরে যেতে। কিন্তু মাজহাবীরা হুকুম দেয় যে মতবিরোধ রহমত। আপনাদের মতে মতবিরোধ থাকতেই হবে। মতবিরোধ থাকতেই হবে। ৪ টা মতবিরোধ নিয়া চারটা মাজহাব বানাবেন। আর ৪টার একটায় যাওয়ার ফরজ ঘোষনা দেন। ফরজ ওয়াজিব বিধান দেওয়া মালিক আল্লাহ। যেই ৪ মাজহাব কোরআন সুন্নাহর কোথাও খুজে পাওয়া যায় না এমন একটি বিষয়কে আপনারা ফরজ বলে সাব্যস্ত করেন।

আপনারা কই আল্লাহর কর্তৃত্ব মানলেন। আল্লাহ বললেন বিভক্ত হয়ো না (সূরা আল ইমরান-১০৩) অর্থাৎ বিভক্ত হওয়া হারাম। আপনারা করলেন ৪ দলের ১ টায় যাওয়া ফরজ অর্থ্যাৎ হালাল।


এই মাজহাবীরা আল্লাহর হারাম কে হালাল বানাইছে যেমন ভাবে বানাইছে ইহুদী খ্রিষ্টানরা।

আদী বিন হাতেম রাঃ এর গলায় ক্রুশ দেখে রাসূল সাঃ সূরা তাওবাহর ৩১ নং আয়াত পাঠ করলেন,

তারা তাদের আলেম ও সংসারবিরাগীদের "রব" বানিয়ে নিয়েছে। (সূরা তাওবাহ-৯/৩১)

আদী বিন হাতিম রাঃ বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাঃ, আমরা আমাদের আলেমদের রব বানাইনি। তখন রাসূল সাঃ বললেন তোমাদের আলেমরা তোমাদের আল্লাহর হালালকে হারাম বললে মানতে না। তিনি উত্তর দিলেন "মানতাম"। রাসূল সাঃ বললেন, তোমাদের আলেমরা আল্লাহর করা হালাল কে হারাম ঘোষনা করলে মানতে না? তিনি উত্তর দিলেন, মানতাম। রাসূল সাঃ বললেন, এভাবেই তোমরা তাদের রব বানিয়ে নিয়েছো।

সুতরাং ============
=> ইহুদী খ্রিষ্টন আলেমরা আল্লাহর হারামকে হালাল করেছিল। ঠিক একই ভাবে মাজহাবীরাও হারামকে হালাল করেছে।

=> ইহুদী খ্রিষ্টান আলেমরা হারামকে হালাল করে রবের আসনে বসছিল। ঠিক একই ভাবে এই বর্তমানে মাজহাবী আলেম ও তার চেলারা হারামকে হালাল করে রবের আসনে বসছে।

=> ইহুদী খ্রিষ্টান আলেমরা রবের আসনে বসে কাফির হইছিল। ঠিক একই ভাবে এই বর্তমানের মাজহাবীরা আলেমরাও রবের আসনে বসে কাফির হয়ে গেছে।

এজন্যই আমরা মাজহাবীদের কাফির ও মুশরিক। কারণ তারাই মুসলিমদের বিভক্ত করছে।

এজন্যই আল্লাহ বলেছেন,
মুশরিকদের অন্তর্ভূক্ত হয়ো না যারা নিজেদের দ্বীনকে বিভক্ত করেছে (আলেমরা) এবং দলে দলে বিভক্ত হয়েছে (মাজহাবের অনুসারী চেলারা)। সূরা রুম-৩১-৩২।

সুতরাং মাজহাবী কাফিরদের আহবান করছি সত্যের দিকে। জ্ঞান খাটান ও তাওহীদবাদী হন।

=============================================

মানে এজতিহাদের ক্ষেত্রে যা আল্লাহর নিকটও পছন্দনীয় . . .

যেমন-

দাউদ আ. ছিলেন আল্লাহর নবী। তাঁর পুত্র সুলায়মান আ.ও নবী ছিলেন। এক মোকদ্দমার রায় সম্পর্কে দুজনের মাঝে ইজতিহাদগত মতপার্থক্য হল। আল্লাহ তাআলা কুরআন মজীদে তাদের মতপার্থক্যের দিকে ইঙ্গিত করেছেন এবং সুলায়মান আ.-এর ইজতিহাদ যে তাঁর মানশা মোতাবেক ছিল সেদিকেও ইশারা করেছেন। তবে পিতাপুত্র উভয়ের প্রশংসা করেছেন। তো এখানে ইজতিহাদের পার্থক্য হয়েছে। এই পার্থক্যের আগেও যেমন পিতাপুত্র দুই নবী এক ছিলেন, তেমনি পার্থক্যের পরও। (দেখুন : সূরা আম্বিয়া (২১) : ৭৮-৭৯) তাফসীরে ইবনে কাসীর, তাফসীরে কুরতুবী (১১/৩০৭-৩১৯)

=> এই ব্যাখ্যা হানাফীদের কান্ডারী মুফতী আব্দুল মালেক সাহেবের বই থেকে নেওয়া। আপনিও যেহেতু তার মুরিদ। সুতরাং তার বই থেকেই এই সমস্ত রেফারেন্স বের হয়। ইনশা আল্লাহ আমাদের মাজহাবের নতুন সংস্করণ বাজারে আসলেই মাজহাবীদের হুশ হবে।

আপনি বলেছেন যে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও নাকি আল্লাহ উভয়ের প্রশংসা করেছেন। আরে মিয়া এখানে মতপার্থক্য কই পাইলেন। আশ্চর্য্য। প্রথমে দাউদ আ: ইজতিহাদ করেছেন। পরে সুলায়মান আ:। দাউদ আ: তো সুলায়মান আ: এর ইজতিহাদ মেনেই নিয়েছেন। তাহলে ইজতিহাদের মতবিরোধ আর থাকলো কই।

দাউদ আ: যদি না মানতেন তখনই বলা যেত যে মতপার্থক্য। দাউদ আ: সুলায়মান আ: এর ইজতিহাদ মেনে নেওয়াতে তো আর কোনই মনপার্থক্য থাকল না।

আল্লাহ প্রশংসা করেছেন দাউদ আ: ও সুলায়মান আ: এর। কারণ কি? কারণ দাউদ আ: সুলায়মান আ: ইজতিহাদ মেনে নিয়েছেন এবং সত্য ইজতিহাদ গ্রহণ করেছেন। কিন্তু মাজহাবীরা কি এটা করে।


তারা বলে ইসলামে ৪ ইজতিহাদ আছে। ৪টার একটায় প্রবেশ ফরজ বা ওয়াজিব। যেকোন একটায় ঢুকলেই পথ পাওয়া যাবে।

আল্লাহ দেখালেন যে মতবিরোধ থাকবে না। আর আপনারা বললেন মতবিরোধ থাকতেই হবে।

সুতরাং আমাদের নেক্স বইয়ের অপেক্ষায় থাকেন। মাজহাবী বিভক্তির জন্য জিহাদ কইরেন না। মুসলিমদের কোরআন ও সহীহ হাদিস এর আলোকে ঐক্য হওয়ার জন্য কাজ করেন। আপনার জীবন আপনার মরণ আপনার সালাত আপনার কোরবানী সবই তো মুসলিমদের ৪ ভাগের একটায় ফেলার জন্য। মুসলিমদের বিভক্ত করাই এই মাজহাবীদের কাজ।

==============================================

আর মাসয়ালাগত মতপার্থক্য হলেই যদি তিনি কাফির হয়ে যান তবে সাহাবীরা কি ????

হযরত ইবনে আববাস রা. এর নিকটে মদীনা বাসীগণ সে নারী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন, যে তাওয়াফ করার পর ঋতুবতী হয়ে গেল। তিনি তাদেরকে বললেন, সে চলে যাবে। তারা বলল, আমরা যায়দ বিন সাবিতের কথা ছেড়ে আপনার কথা গ্রহণ করব না। -বুখারী: ১/২৩৭


=> দুজন আলেমের মধ্যে মতবিরোধ হওয়া আর আলেমদের নামে নামে দলে দলে মাজহাব তৈরী করা কি এক জিনিস? আজব। মাসআলাগত পার্থক্য হলে আমরা কাউকে কাফির বলি না। কিন্তু মুসলিম জাতিকে যারা ৪ ভাগে বিভক্ত করতে চায়, ৪ ভাগে ভাগ হওয়াকে যারা ফরজ বলে, যারা মুসলিমদের মতবিরোধ এর মধ্যে রাখতে চায় এবং যখনই মুসলিমরা কোরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী চলতে চায় তখনই তাদের বাতিল, ওহাবী, খারেজী, আহলে হাদিস, লা মাজহাবী ইত্যাদি ট্যাগ লাগায়, আমরা সেই সমস্ত ব্যক্তিদের কাফির বলি।


==============================================
আপনি বলেছেন, আপনি তা শুধু ধর্ম হিসেবে অনুবাদ করে সকলকে জোড় করে যেভাবে কাফির বানানোর ফিকিরে আছেন, থাকুন। অবাক হইনা, কারন . . .


হাদীসে এসেছে,
হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-“নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের কাছ তেকে ইলমকে এক দফায় ছিনিয়ে নিবেন না। বরং আলেমদের ইন্তেকালের মাধ্যমে ইলমের বিলুপ্তি ঘটাবেন। এমনকি যখন কোন আলেম অবশিষ্ট থাকবেনা, তখন লোকেরা মুর্খদেরকে নিজেদের নেতা বানাবে। সুতরাং তারা ইলম ছাড়া ফাতওয়া দিয়ে নিজেও পথভ্রষ্ট হবে, অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করবে।" (সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নং-৪৫৭১, বুখারী শরীফ, হাদিস নং-১০০, সহীহ মুসলিম শরীফ, হাদিস নং-৬৯৭১, মুসনাদুশ শিহাব, হাদিস নং-৫৮১)


=> উপরোক্ত হাদিসটি বলছে যে আল্লাহ তার বান্দাদের থেকে এক দফায় ইলম ছিনিয়ে নিবেন না। আলেমদের ইন্তিকালের মাধ্যমে ইলমের বিলুপ্তি ঘটাবেন। আল্লাহর কথা সবচেয়ে সত্য কথা। যেমন ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফী, ইমাম মালেক, ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহ. ইত্যাদি সবাই ছিলেন আলেম। তাদের উঠানোর মাধ্যমে আল্লাহ ইলম উঠিয়ে নিচ্ছেন। তৎকালীন আলেমরা কোন মাজহাবের অনুসারী ছিলেন না। কিন্তু বর্তমানের আলেমগুলো অধিকাংশই লেবাসধারী আহাম্মক। তারা কোরআন ও সহীহ হাদিস এর ইলম ছাড়া ফাতওয়া দেয়। মুসলিমদের বিভক্ত করে। এটাই হলো মূর্খদের নেতা বানানো যুগ যেমনটি আপনারা মাজহাবীরা বানাচ্ছেন কোরআন হাদিসের ভূল ব্যাখ্যা করে।


মাজহাবীরা ৪ দলে বিভক্তির ফায়সালা মেনে নিয়ে নিজেরা তাদের আলেমদের রব বানিয়ে কাফির হচ্ছে। এবং মানুষদেরকেও দলে দলে বিভক্তির দিকে ডেকে মুশরিক বানিয়ে দিচ্ছে। হাদিসটিতে বতর্মানের মাজহাবীদের জন্যই ১০০% ঠিক।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৮

আবদুস সবুর খান বলেছেন: জগাখিচুড়ি পাকানো আর আর ব্যক্তিগত আক্রমত ছাড়া আর কিছুই দেখলাম না . . .

যারা বিচার মেনেও তালগাছ পেতে চায় তাদের তাকে কুতর্ক করার কোন মানে হয় না।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:১২

আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনি বলেছেন,
মাজহাবীদের তো তাওহীদই ঠিক নাই। সৃষ্টি, রাজত্ব, কর্তৃত্ব ও পরিচালনায় আল্লাহকে এক হিসাবে বিশ্বাস করার নাম তাওহীদ।

>>>>
উপরেই তাওহীদের সংজ্ঞা দিয়েছি এবং বলেছি
হানাফী,শাফী,হাম্বলী,মালেকী যারা অনুসরন করে তারা কেহ তাওহীদের ক্ষেত্রে আবু হানিফা, ইমাম শাফী, ইমাম আহমদ হাম্বল, ইমাম মালেক মানে না।

আপনি বলেছেন,
আল্লাহ বলেছেন, মতবিরোধ হলে আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর দিকে (সূরা নিসা-৫৯)

পাঠকদের বিভ্রান্ত করার জন্যই কি পুরো আয়াতটি দিলেন না ???

আমরা দেখতে পাই আয়াতে বলা হয়েছে,
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা “উলুল আমর” তাদের। (সুরা নিসা : ৫৯)

‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ তা’আলার আনুগত্য করো এবং রাসূল ও তোমাদের মধ্যে ব্যবস্থাপনার দায়িত্বপ্রাপ্তদের আনুগত্য করো। -সূরা নিসা: ৫৯
এ আয়াতে أُولِي الْأَمْرِ দ্বারা উদ্দেশ্য নির্ধারণে আল্লামা ইবনে কাসীর র. হযরত ইবনে আববাস রা. থেকে তাফসীর উল্লেখ করত: বলেন,
عن إبن عباس وأولى الأمر منكم يعنى أهل الفقه والدين وكنا قال مجاهد وعطاء والحسن البصرى وابو العالية وأولى الأمر منكم يعنى العلماء والظاهر والله اعلم
হযরত ইবনে আববাস রা. থেকে বর্ণিত, أُولِي الْأَمْرِ দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে ফিকহ ও দীনওয়ালা। উল্লেখ্য কেউ কেউ أُولِي الْأَمْرِ এর ব্যাখ্যায় শাসকশ্রেণিকেও অমত্মর্ভুক্ত করেছেন। সেক্ষেত্রেও উলামায়ে কেরামকে এর উদ্দেশ্য থেকে বাদ দেয়া হয়নি।
আল্লামা ইবনে কাসীর তার তাফসীর গ্রন্থে বলেন,
تفسير ابن كثير২/ ৩৪৫
(তাফসিরে-ই-ইবনে জারীর ও তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুয়াইন)

আপনার উল্লেখিত আয়াতটি টি,
আল্লাহ বলেছেন, মতবিরোধ হলে আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর দিকে (সূরা নিসা-৫৯) দ্বারা কি প্রমান করতে চাচ্ছেন ???

এটা কি হাস্যকর নয় যে,
যাদের কাছে কুরআন ও হাদীসের বিধান জানতে যাওয়ার কথা আল্লাহ তায়ালা বললেন তারাই যদি কোন মাসয়ালায় এজতিহাদের ক্ষেত্রে ভিন্ন মত পোষন করেন তবে তাদের কে ঠিক সেটা জানতে আমরা কুরআন ও হাদীস ঘাটতে বসে গেলাম। আমাদের তো তাদের কাছে যেতে বলা হয়েছে কারন আমাদের কুরআন ও হাদীসের জ্ঞান নেই।

যে জ্ঞান আমাদের নেই তা থেকে কিভাবে তাদের কে ভুল সেটা আমরা বের করব ???

আর যদি এই জ্ঞান আমাদের থাকত তবে কেন আল্লাহ আমাদের “উলুল আমর” মান্য করার কথা বললেন ???






০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:১৫

আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনি বললেন,
কিন্তু মাজহাবীরা হুকুম দেয় যে মতবিরোধ রহমত। আপনাদের মতে মতবিরোধ থাকতেই হবে। মতবিরোধ থাকতেই হবে।

এটা কি করে হুকুম হতে পারে পাঠকরাই বিচার করবেন!!!

কেহ সর্বচ্চো বলতে পারেন এটা কারো ব্যক্তিগত ইজতিহাদ বা চিন্তাধারা।

কোন মাযহাবী হুকুম (!!!) দিয়েছে মতবিরোধ রহমত তা রেফারেন্সসহ উল্লেখ করুন।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:১৭

আবদুস সবুর খান বলেছেন: আপনি বলেছেন,
৪ টা মতবিরোধ নিয়া চারটা মাজহাব বানাবেন। আর ৪টার একটায় যাওয়ার ফরজ ঘোষনা দেন।

৪টা মাযহাব মানা ফরজ তা আপনি কে বলেছেন এবং কোন কিতাবে বলেছেন তা রেফারেন্সসহ উল্লেখ করুন।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:২৬

আবদুস সবুর খান বলেছেন: চেয়েছিলাম আপনার সাথে আলোচনা আর করব না।

কারন সূরা ফুরকানের ৬৩ নং আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন,

রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।

কিন্তু আপনি মানুষকে যেভাবে বিভ্রান্ত করছেন তাতে না লিখেও পারলাম না।

..................................................................................................

আপনি বলেছেন,
আপনারা কই আল্লাহর কর্তৃত্ব মানলেন। আল্লাহ বললেন বিভক্ত হয়ো না (সূরা আল ইমরান-১০৩) অর্থাৎ বিভক্ত হওয়া হারাম। আপনারা করলেন ৪ দলের ১ টায় যাওয়া ফরজ অর্থ্যাৎ হালাল।

৪ মাযহাব গঠিত হয়েছে মাসয়ালার উত্তর ভিত্তি করে।

এই সাহাবীগণ কি কুরআনের এই আয়াত সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। নাকি আপনার থেকে কত বুঝতেন ???

হযরত ইবনে আববাস রা. এর নিকটে মদীনা বাসীগণ সে নারী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন, যে তাওয়াফ করার পর ঋতুবতী হয়ে গেল। তিনি তাদেরকে বললেন, সে চলে যাবে। তারা বলল, আমরা যায়দ বিন সাবিতের কথা ছেড়ে আপনার কথা গ্রহণ করব না। -বুখারী: ১/২৩৭

এখানে আপনার মতে কোন ধরনের বিভক্তিই হারাম তা মাসয়ালাগতই হোক তাহলে এই সাহাবীগণ কেন কাফির নন ???

আলী রা. ও মুয়াবিয়া রা. পরষ্পর শুধু ইজতিহাদগত কারনে বিভক্তই হনই বরং যুদ্ধ করেছেন।

উনারা কি কাফির হয়েছেন ???

আলী রা ও আয়েশা রা. পরষ্পর শুধু ইজতিহাদগত কারনে বিভক্তই বরং যুদ্ধও করেছেন।

উনারা কি কাফির হয়েছেন ???

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
যদি মুমিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে। (Al-Hujuraat: 9)

যে কোন ধরনের দলে ভাগ হলেই যদি কাফির হয়ে যায় তবে, যুদ্ধে লিপ্ত দুটি দলকে আল্লাহ কেন মুমিন বলে উল্লেখ করলেন ???

আরো অনেক অনেক প্রশ্ন আসছে। আপাতত এগুলোর জবাব দিন।

১৮| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫২

শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনি বললেন যে আমরা মাজহাবীদের মুশরিক প্রমাণ করায় আপনি অবাক হন না। আসলে অবাক হওয়ার কিছুই নাই। এটাই সত্য। আর আপনি অবাক না হয়ে সতর্ক হন। আপনার জন্য আমরা সতর্ককারী।

............(জাহান্নামীরা বলবে) আমরা যদি শুনতাম, বুদ্ধি খাটাতাম, তবে জাহান্নামী হতাম না। (সূরা মূলক-৬৭/৭-১০)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৯

আবদুস সবুর খান বলেছেন: এই কমেন্টের মন্তব্য করতে কি ভুলে গেলেন ???

সাহাবায়ে কেরামের যুগে ফিকহের মাযহাব

এ সম্পর্কে ইমাম আলী ইবনুল মাদীনী রাহ.-এর বিবরণ শুনুন : ইমাম আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. (১৬১ হি.-২৩৪ হি.) ছিলেন ইমাম বুখারী রাহ.-এর বিশিষ্ট উস্তাদ। তিনি সাহাবায়ে কেরামের সেসব ফকীহের কথা আলোচনা করেছেন, যাদের শাগরিদগণ তাঁদের মত ও সিদ্ধান্তগুলো সংরক্ষণ করেছেন, তা প্রচার প্রসার করেছেন এবং যাদের মাযহাব ও তরীকার উপর আমল ও ফতওয়া জারি ছিল। আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. এই প্রসঙ্গে বলেছেন, সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে এমন ব্যক্তি ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. (মৃত্যু : ৩২ হিজরী), যায়েদ ইবনে ছাবিত রা. (জন্ম : হিজরতপূর্ব ১১ ও মৃত্যু : ৪৫ হিজরী) ও আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. (জন্ম : হিজরতপূর্ব ৩ ও মৃত্যু : ৬৮ হিজরী)।


তাঁর আরবী বাক্যটি নিম্নরূপ-
এরপর আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. তাঁদের প্রত্যেকের মাযহাবের অনুসারী ও তাঁদের মাযহাব মোতাবেক ফতওয়া দানকারী ফকীহ তাবেয়ীগণের নাম উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-এর যে শাগরিদগণ তাঁর কিরাত অনুযায়ী মানুষকে কুরআন শেখাতেন, তাঁর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মানুষকে ফতওয়া দিতেন এবং তাঁর মাযহাব অনুসরণ করতেন তারা হলেন এই ছয়জন মনীষী : আলকামাহ (মৃত্যু : ৬২ হিজরী), আসওয়াদ (মৃত্যু : ৭৫ হিজরী), মাসরূক (মৃত্যু : ৬২ হিজরী), আবীদাহ (মৃত্যু : ৭২ হিজরী), আমর ইবনে শুরাহবীল (মৃত্যু : ৬৩ হিজরী) ও হারিস ইবনে কাইস (মৃত্যু : ৬৩ হিজরী)।


ইবনুল মাদীনী রাহ. বলেছেন, ইবরাহীম নাখায়ী রাহ. (৪৬-৯৬ হিজরী) এই ছয়জনের নাম উল্লেখ করেছেন।

ইমাম আলী ইবনুল মাদীনী রাহ.-এর উপরোক্ত বিবরণের সংশ্লিষ্ট আরবী পাঠ নিমণরূপ-

এরপর আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. লিখেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-এর (ফকীহ) শাগরিদদের সম্পর্কে এবং তাঁদের মাযহাবের বিষয়ে সবচেয়ে বিজ্ঞ ছিলেন ইবরাহীম (নাখায়ী) (৪৬-৯৬ হিজরী) এবং আমের ইবনে শারাহীল শাবী (১৯-১০৩ হিজরী)। তবে শাবী মাসরূক রাহ.-এর মাযহাব অনুসরণ করতেন।


আরবী পাঠ নিমণরূপ-

এরপর লিখেছেন-

অর্থাৎ যায়েদ ইবনে ছাবিত রা.-এর যে শাগরিদগণ তাঁর মাযহাবের অনুসারী ছিলেন এবং তাঁর মত ও সিদ্ধান্তসমূহ সংরক্ষণ ও প্রচার প্রসার করতেন তাঁরা বারো জন।


তাঁদের নাম উল্লেখ করার পর ইবনুল মাদীনী রাহ. লেখেন, এই বারো মনীষী ও তাদের মাযহাবের বিষয়ে সবচেয়ে বিজ্ঞ ছিলেন ইবনে শিহাব যুহরী (৫৮-১২৪ হিজরী), ইয়াহইয়া ইবনে সায়ীদ আনসারী (মৃত্যু : ১৪৩ হিজরী), আবুয যিনাদ (৬৫-১৩১ হিজরী) এবং আবু বকর ইবনে হাযম (মৃত্যু ১২০ হিজরী)।

এদের পরে ইমাম মালেক ইবনে আনাস রাহ. (৯৩-১৭৯ হিজরী)।


এরপর ইবনুল মাদীনী রাহ. বলেছেন- ‘তদ্রূপ আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা.-এর যে শাগরিদগণ তাঁর মত ও সিদ্ধান্তসমূহ সংরক্ষণ ও প্রচার করতেন, সে অনুযায়ী ফতওয়া দিতেন এবং তার অনুসরণ করতেন, তাঁরা ছয়জন।

এরপর তিনি তঁদের নাম উল্লেখ করেন।

ইমাম ইবনুল মাদীনী রাহ.-এর পূর্ণ আলোচনা তাঁর ‘কিতাবুল ইলালে’ (পৃষ্ঠা : ১০৭-১৩৫, প্রকাশ : দারুবনিল জাওযী রিয়ায, ১৪৩০ হিজরী।) বিদ্যমান আছে এবং ইমাম বায়হাকী রাহ.-এর ‘আলমাদখাল ইলাস সুনানিল কুবরা’তেও (পৃষ্ঠা : ১৬৪-১৬৫) সনদসহ উল্লেখিত হয়েছে। আমি উক্তিটি দোনো কিতাব সামনে রেখেই উদ্ধৃত করেছি। এই কথাগুলো আলোচ্য বিষয়ে এতই স্পষ্ট যে, কোনো টীকা-টিপ্পনীর প্রয়োজন নেই। সুতরাং মনে রাখতে হবে, ইমামগণের ফিকহী মাযহাবের যে মতপার্থক্য তাকে বিভেদ মনে করা অন্যায় ও বাস্তবতার বিকৃতি এবং সাহাবায়ে কেরামের নীতি ও ইজমার বিরোধিতা। আর এ পার্থক্যের বাহানায় মাযহাব অনুসারীদের থেকে আলাদা হয়ে তাদের নিন্দা-সমালোচনা করা সরাসরি বিচ্ছিন্নতা, যা দ্বীনের বিষয়ে বিভেদের অন্তর্ভুক্ত।

১৯| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:১৮

শুধু মুসলিম বলেছেন: হায়রে মাজহাবীরে। আফসোস লাগে এই সমস্ত মাজহাবীদের খোড়া যুক্তি দেখে। দিল দাউদ আ: ও সুলায়মান আ: এর হাদিস। দেখালাম কোন মতবিরোধ নাই। তারপরেও বলে নাকি জগাখিচুরী।

আসল ব্যাপারটা হলো আপনি যতই পোষ্ট দেন একটাও আপনার নিজের কথা না। সব হয় মুফতী আবদুল মালেকের না হয় অন্যান্য মুফতী। এজন্য যখনই সেসব মুফতীর লেখা আমরা দলিল দিয়ে খন্ডন করে দেই তখনই বলেন "বুঝলাম না"

কিছু মানুষ যেমন বিকলাঙ্গ হয়, আপনারা মাজহাবের আলেমদের পুজারীরাও বিকলাঙ্গ। আপনারা বিকলাঙ্গ জ্ঞানের দিক থেকে। আপনাদের মাজহাবী আলেম (রব) দের সাথে আলোচনা হওয়া দরকার। আপনারা হলেন ময়না পাখির মতো। আপনাদের যা শিখায় তাই ব্লগে পোষ্টান।

রাজারবাগী, কুতুববাগীদের সাথে আপনাদের কোনই পার্থক্য নাই। তারাও তাদের পীরের লেখা বু্ইঝা হোক না বুইঝা হোক পোষ্ট মারে। আপনাদের হানাফীদের কাজও সেইম।

এবার মূল বিষয়ে আসি==========>

আমরা তাফসীরে মারেফুল কুরআনে দেখেছিলাম যে, শয়তান এই সমস্ত মাজহাবীদের এমনভাবে ব্যাপৃত করে দিয়েছে যে, মাজহাবীরা নিজ নিজ মাজহাবকে সত্য প্রমাণের জন্য প্রত্যেক দল নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে হষোৎফুল্ল।

এটা হলো তার প্রকাশ্য উদাহরণ।

(১) আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. তাঁদের প্রত্যেকের মাযহাবের (মতামতের) অনুসারী ও তাঁদের মাযহাব (মতামত) মোতাবেক ফতওয়া দানকারী ফকীহ তাবেয়ীগণের নাম উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-এর যে শাগরিদগণ তাঁর কিরাত অনুযায়ী মানুষকে কুরআন শেখাতেন, তাঁর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মানুষকে ফতওয়া দিতেন।

(২) এরপর আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. লিখেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-এর (ফকীহ) শাগরিদদের সম্পর্কে এবং তাঁদের মাযহাবের (মতামতের) বিষয়ে সবচেয়ে বিজ্ঞ ছিলেন ইবরাহীম (নাখায়ী) (৪৬-৯৬ হিজরী) এবং আমের ইবনে শারাহীল শাবী (১৯-১০৩ হিজরী)। তবে শাবী মাসরূক রাহ.-এর মাযহাব (মতামত) অনুসরণ করতেন।

আপনারে কি বলুম। আপনি তো জ্ঞান খাটান না। আপনারে মাজহাবীরা যে ব্রেইন ওয়াশ করছে তাতে আপনারে সত্য জিনিস পানি দিয়ে খাওয়াইলেও কাজ হবে না।

আমিও অতীতের কিছূ মতবাদের উপর ছিলাম, ধীরে ধীরে যখনই সত্য বিষয় উঠে এসেছে তখনই সেটা মেনে নিয়েছি। উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ যে কোন একটা মাজহাবের/মতবাদের উপর ছিল। কিন্তু যখনই তাদের সামনে নতুন ইজতিহাদ নিয়ে সত্য চলে এসেছে তখনই তারা সত্যটা গ্রহণ করে নিজেদের সংশোধন করে নিয়েছেন। সত্য প্রকাশের সাথে সাথে অতীতের ইজতিহাদ ভূল প্রমাণ হওয়ার সাথে সাথেই মুসলিমরা নতুন ইজতিহাদ গ্রহণ করেছে। যেমন দাউদ আ: সূলায়মান আ: এর ইজতিহাদ গ্রহন করেছেন।

কিন্তু আপনারা মাজহাবীরা চান ৪ মাজহাবের মতবিরোধ টিকে থাক। আপনারা এই চার মাজহাবকে মুসলিমদের জন্য ওয়াজিব বানাইছেন। আপনারা কেউ যদি শাফী হয় তাকে বলেন তার জন্য ওজুতে ৬ ফরজ। কেউ যদি হানাফী হয় তো তাকে বলেন তার জন্য অজুতে ৪ ফরজ। এই মাজহাবী মুশরিকরা মুসলিমদের শত্রু।

আরেকটি বিষয়, শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী এর মতে ৪০০ হিজরীর আগে কোন মাজহাব ছিল না। মাজহাব হইছে ৪০০ হিজরীর পরে। আর আপনি বলছেন মাজহাব হইছে আগে?

তো আপনারা এই দু্ই হানাফীর মধ্যে কে মিথূ্ক?

আপনি নাকি ওয়ালিউল্লাহ সাহেব?


০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৩৫

আবদুস সবুর খান বলেছেন: মাথার ঠিক কোন জায়গায় সমস্যা আছে হযরত। প্রথমে কিছু ব্যক্তিগত আক্রমন করলেন তারপর কিছু জগাখিচুরি পাকালেন !!!

আপনার মনোভাব তো “কমেন্ট করতে পারলেই জিতে গিছে” অবস্থা !!!

আপনি বললেন,
উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ যে কোন একটা মাজহাবের/মতবাদের উপর ছিল। কিন্তু যখনই তাদের সামনে নতুন ইজতিহাদ নিয়ে সত্য চলে এসেছে তখনই তারা সত্যটা গ্রহণ করে নিজেদের সংশোধন করে নিয়েছেন।

ওখানে বলা হয়েছে,
ইমাম আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. (১৬১ হি.-২৩৪ হি.) ছিলেন ইমাম বুখারী রাহ.-এর বিশিষ্ট উস্তাদ। তিনি সাহাবায়ে কেরামের সেসব ফকীহের কথা আলোচনা করেছেন, যাদের শাগরিদগণ তাঁদের মত ও সিদ্ধান্তগুলো সংরক্ষণ করেছেন, তা প্রচার প্রসার করেছেন এবং যাদের মাযহাব ও তরীকার উপর আমল ও ফতওয়া জারি ছিল।

আরো বলা হয়েছে,
আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. এই প্রসঙ্গে বলেছেন, সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে এমন ব্যক্তি ছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. (মৃত্যু : ৩২ হিজরী), যায়েদ ইবনে ছাবিত রা. (জন্ম : হিজরতপূর্ব ১১ ও মৃত্যু : ৪৫ হিজরী) ও আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. (জন্ম : হিজরতপূর্ব ৩ ও মৃত্যু : ৬৮ হিজরী)

আরো বলা হয়েছে,
আলী ইবনুল মাদীনী রাহ. লিখেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-এর (ফকীহ) শাগরিদদের সম্পর্কে এবং তাঁদের মাযহাবের বিষয়ে সবচেয়ে বিজ্ঞ ছিলেন ইবরাহীম (নাখায়ী) (৪৬-৯৬ হিজরী) এবং আমের ইবনে শারাহীল শাবী (১৯-১০৩ হিজরী)। তবে শাবী মাসরূক রাহ.-এর মাযহাব অনুসরণ করতেন।

আরো বলা হয়েছে,
যায়েদ ইবনে ছাবিত রা.-এর যে শাগরিদগণ তাঁর মাযহাবের অনুসারী ছিলেন এবং তাঁর মত তাঁরা বারো জন।

আরো বলা হয়েছে,
এরপর ইবনুল মাদীনী রাহ. বলেছেন- ‘তদ্রূপ আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা.-এর যে শাগরিদগণ তাঁর মত ও সিদ্ধান্তসমূহ সংরক্ষণ ও প্রচার করতেন, সে অনুযায়ী ফতওয়া দিতেন এবং তার অনুসরণ করতেন, তাঁরা ছয়জন।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
আপনার কথা ছিল,
আপনারা কই আল্লাহর কর্তৃত্ব মানলেন। আল্লাহ বললেন বিভক্ত হয়ো না (সূরা আল ইমরান-১০৩) অর্থাৎ বিভক্ত হওয়া হারাম। আপনারা করলেন ৪ দলের ১ টায় যাওয়া ফরজ অর্থ্যাৎ হালাল।

আপনার দৃষ্টিতে মাযহাব আলোকে ভাগ হওয়াই হারাম, যে ভাগ হল সে কাফির। এই সকল মণিষির কথা যখন বললাম তখন ভোল পাল্টে ফেললেন!!!!!!!!!!!!!!

সরাসরি বলুন না দেখি, মাযহাব মানার কারনে এবং মাযহাব আলোকে নিজস্ব ও সিদ্ধান্তসমূহ সংরক্ষণ ও প্রচার প্রসার করার কারনে তারা কাফির হয়েছে কিনা ???

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৩৭

আবদুস সবুর খান বলেছেন: এটা পড়ার আমন্ত্রন

http://www.somewhereinblog.net/blog/mahmud0202

২০| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৩২

ভিটামিন এ বলেছেন: সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ। তবে ব্লগে তাবলীগ সম্পর্কে লেখা না দেয়াই ভাল। আপনি হয়ত জানেন অন্যদের প্রথামত টিভি, রেডিও, ব্লগ ইত্যাদি মিডিয়ার মাধ্যমে তাবলীগের প্রসার আলেমরা চান না। এটা আল্লাহ পাকই প্রচার এবং প্রসার করছেন। ব্লগে অনেক অপদার্থ, নাস্তিক, গরু, ছাগল, বেদাতি আছে, যাদের সাথে তর্ক করা শুধু সময় নষ্ট ছাড়া আর কিছু না।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৫৩

আবদুস সবুর খান বলেছেন: ভিটামিন এ
সুন্দর কমেন্টে জন্য ধন্যবাদ।

বর্তমানে অনেক আলেমই তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করছেন।

তার একটি উদাহরন- http://www.banglakitab.com/

যারা এখনও মিডিয়া আসছেন না আমি তাদের তাকওয়াকে শদ্ধা করি। কোন প্রকার নামের মুখপেক্ষা না হয়ে নিজের প্রচারনা থেকে বিরত থেকে শুধু আল্লাহ রাজি করার জন্য যারা তাবলীগ করছেন তারা অবশ্যই আমাদের শ্রদ্ধার পাত্র।

তবে আমি মূলত সাধারনা পাঠকদেরা যাতে ভ্রান্তদের কথা শুনে বিভ্রান্ত না হন তাই লিখার চেষ্টা করি। কারন আমাদের অনেক ভাইয়ের ইসলাম সম্পর্কে জানার একমাত্র মাধ্যম হল ইন্টারনেট। এর অপকারীতা সম্পর্কে অনেকেই অবগত নন। অনেকেই জানেন না যে, বর্তমানে নেটে ইসলামের নাম দিয়ে ইহুদী ও খৃষ্টানরা বিকৃত ইসলাম ছড়িয়ে রেখেছে তাদের ইমান ও আমল ধ্বংস করার জন্য।

বাকী রইল এই হাদীস,
“যে হেদায়েতের প্রতি আহবান জানায়, তার জন্য তার অনুসারীদের সমপরিমাণ সওয়াব রয়েছে, তবে তা তাদের সওয়াব থেকে কোন কিছু হ্রাস করবে না। আর যে পথভ্রষ্টতার প্রতি আহবান জানায়, তার ওপর তার অনুসারীদের সমপরিমাণ পাপ আরোপিত, তবে তা তাদের পাপ থেকে কোন কিছু হ্রাস করবে না।” [মুসলিম(২৬৭৪)]

২১| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:০৭

মো: মুয়াজ বলেছেন: আব্দুর সবর খান +++++

ভিটামিন এ বেশক

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৫৪

আবদুস সবুর খান বলেছেন: জাযাকাল্লাহ

২২| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২০

এম এম হোসাইন বলেছেন: পোষ্টে প্লাস।

ভিটামিন এ এর সাথে অনেকটাই একমত।

২৩| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৫৭

শুধু মুসলিম বলেছেন: শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী এর মতে ৪০০ হিজরীর আগে কোন মাজহাব ছিল না। মাজহাব হইছে ৪০০ হিজরীর পরে। আর আপনি বলছেন মাজহাব হইছে আগে?তো আপনারা এই দু্ই হানাফীর মধ্যে কে মিথূ্ক? আপনি নাকি ওয়ালিউল্লাহ সাহেব?

আমার এই প্রশ্নের উত্তর টা দেন। তারপরে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৩২

আবদুস সবুর খান বলেছেন: অবশ্যই দেব। কেন দেবনা !!! এই প্রশ্নটি তো আমাদের আহলে হাদীস ভাইদের খুবই প্রিয় একটি প্রশ্ন . . .

কিন্তু প্রশ্ন যেহেতু আমি আগে করেছি তাই আমি আগে জবাব পাওয়ার উপযুক্ত।

কি ভুল বললাম ???

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৩৪

আবদুস সবুর খান বলেছেন: আর এটা ধারনা করবেন না আপনার কমেন্ট বিশ্লেষন করা শেষ করেছি। আগে উপরোক্ত প্রশ্নগুলো জবাব দিন। এরপর বাকীগুলো বিশ্লেষন করব।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৩৫

আবদুস সবুর খান বলেছেন: আর হ্যা সাথে এটাও জানাবেন আপনি শাহ ওলালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী রহ.-এর কথা দলীল হিসেবে মানেন কিনা ???

২৪| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৩৮

শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনি উত্তর শুনেন কম। কথা বলেন বেশী। আমি আপনারে করছি একটা প্রশ্ন। আপনি বললেন অবশ্যই দেব। কেন দেবনা !!! কিন্তু এখনও দেন নাই। উল্টা আগের করা আমার দেওয়া উত্তরের জবাবে এতদিন চুপ থেকে এখন আরও বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তুলে ধরেছেন।

আপনার সাহে বাহাসের পেইজ এ আপনার যতপ্রশ্ন আছে ১,২, ইত্যাদি নাম্বার দিয়ে পোষ্ট করেন। শুধুমাত্র প্রশ্নগুলো ইনশাল্লাহ সবগুলোরই উত্তর আমাদের আছে। তবে অবশ্যই অবশ্যই দুই হানাফীর কে মিথু্ক সেটা বলতে হবে। আগে উত্তর দিবেন কারণ প্রশ্ন আমি আগে করছি।

আমি প্রশ্ন করেছি ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:১৮ সময়ে। আপনি উত্তর দিয়েছেন ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৩৫।

তারপরেও মিথুক তো মিথ্যা বলবেই। আবারও মিথ্যা বলছেন।

সুতরাং আমার উত্তর সহ প্রশ্নগুলো সিরিয়াল বাই সিরিয়াল বাহাসের পেইজ এ দেন। Click This Link

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:০৭

আবদুস সবুর খান বলেছেন: প্রশ্নের জবাব না দিয়ে আগের মত আবার চর্বিত চর্বন করলেন।

.......................................
আপনি বলেছেন,
আমি প্রশ্ন করেছি ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:১৮ সময়ে। আপনি উত্তর দিয়েছেন ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৩৫।

>>>>>>>>>>>>>>
আর ৩ তারিখ প্রশ্ন করলে ৬ তারিখ উত্তর দিয়ে কি গুনাহ করেছি তা বোধগম্য হচ্ছে না।

নাকি কি বলবেন বা কিভাবে আমাকে তা খুজে না পেয়ে শেষ পর্যন্ত কথাটা মন্তব্যটা করলেন ???

এই কথার জবাব পূর্বেই দিয়েছি। যেহেতু চোখে পড়েনি তাই আবার দিলাম।
=======

চেয়েছিলাম আপনার সাথে আলোচনা আর করব না।

কারন সূরা ফুরকানের ৬৩ নং আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন,

রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।

কিন্তু আপনি মানুষকে যেভাবে বিভ্রান্ত করছেন তাতে না লিখেও পারলাম না।
..........................................................

আপনি বলেছেন,
আপনি উত্তর শুনেন কম। কথা বলেন বেশী। আমি আপনারে করছি একটা প্রশ্ন।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
কেন কথা উত্তর শুনে কম কথা বলে বেশি সেটা পাঠকরা দুইজনের মন্তব্যের বাহার দেখলেই বুঝতে পারবে।

আর আপনি আমাকে একটা প্রশ্ন করেছেন। ভাল কথা। কিন্তু তার আগে আমি আরো অনেকগুলো প্রশ্ন করেছি। সেগুলোর জবাব দিতে কষ্ট হচ্ছে কেন ???
............................................................

আপনি বলেছেন,
আপনি বললেন অবশ্যই দেব। কেন দেবনা !!! কিন্তু এখনও দেন নাই। উল্টা আগের করা আমার দেওয়া উত্তরের জবাবে এতদিন চুপ থেকে এখন আরও বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তুলে ধরেছেন।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
কেন দেই নাই তা যদি চোখে না পড়ে তবে আবার পড়ুন।

আর আপনার জবাবগুলো জবাব না জবাবের নামে চর্বিত চর্বন তা আপনার ‍উত্তর জবাব আমার পাল্টা প্রশ্ন পড়লেই পাঠকরা বুঝতে পারবেন।
...............................................................

আপনি বলেছেন,
সুতরাং আমার উত্তর সহ প্রশ্নগুলো সিরিয়াল বাই সিরিয়াল বাহাসের পেইজ এ দেন।

আলোচনার জন্য যেহেতু এখানে এসেছেন তাই আলোচনা এখানেই চালানো উপযুক্ত মনে করছি।

আর আপনি আপনার বাহাসে দাবি করেছিলেন,

দলিল হিসেবে আসবেঃ-
১। কোরআন
২। সহীহ হাদিস [সহীহ লি যাতিহী ও সহীহ লি গইরিহি]
৩। হাসান হাদিস [হাসান লি যাতিহী ও হাসান লি গইরিহি]
৪। সাহাবাদের আমল
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

কিন্তু আপনি নিজেই দলীল হিসেবে আনলেন,
শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী এর মতে ৪০০ হিজরীর আগে কোন মাজহাব ছিল না।

আমাকে জানাবেন আপনার এই দলীল আপনার উল্লেখ করা দলীলগুলো থেকে কোনটি থেকে গৃহীত ????
....................................

আর আপনি ঠিকই বলেছেন,
তারপরেও মিথুক তো মিথ্যা বলবেই।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
তারা মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়। আল্লাহ তাঁর আলোকে পূর্ণরূপে বিকশিত করবেন যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে। (As-Saff: 8)

২৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০৫

শুধু মুসলিম বলেছেন: ......................................
আপনি বলেছেন,
আমি প্রশ্ন করেছি ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:১৮ সময়ে। আপনি উত্তর দিয়েছেন ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৩৫।

>>>>>>>>>>>>>>
আর ৩ তারিখ প্রশ্ন করলে ৬ তারিখ উত্তর দিয়ে কি গুনাহ করেছি তা বোধগম্য হচ্ছে না।

=> গুনাহ করেন নাই। আমি বলছি ৩ তারিখ আমি প্রশ্ন করেছি। আর আপনি বলেছেন,

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৩২
লেখক বলেছেন: অবশ্যই দেব। কেন দেবনা !!! এই প্রশ্নটি তো আমাদের আহলে হাদীস ভাইদের খুবই প্রিয় একটি প্রশ্ন . . .

কিন্তু প্রশ্ন যেহেতু আমি আগে করেছি তাই আমি আগে জবাব পাওয়ার উপযুক্ত।

কি ভুল বললাম ???

বুঝেন কতবড় মিথ্যুক আপনি। করলাম আমি প্রশ্ন। বলতেছেন আপনে নাকি আগে প্রশ্ন করছেন। ভূল ধরাইলেই খেইপা যান। আপনার তো উদ্দেশ্য খারাপ।

নাকি কি বলবেন বা কিভাবে আমাকে তা খুজে না পেয়ে শেষ পর্যন্ত কথাটা মন্তব্যটা করলেন ???

=> আমি মাজহাবীদের মুশরিক প্রমাণ করায় এবং আপনি মাজহাবীদের মুসলিম প্রমান করতে না পেরে আবোল তাবোল আলোচনা শুরু করছেন। নাকি গায়ে জ্বর ?


এই কথার জবাব পূর্বেই দিয়েছি। যেহেতু চোখে পড়েনি তাই আবার দিলাম।
=======

চেয়েছিলাম আপনার সাথে আলোচনা আর করব না।

কারন সূরা ফুরকানের ৬৩ নং আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন,

রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।

=> এটাই মাজহাবীদের একটা চাল। দলিল দিতে না পারলেই এমন কথা তারা বলে থাকে। আমরাও এই আয়াতটি ব্যবহার করি আপনাদের মতো গোড়া মাজহাবীদের এবং রাজারবাগীদের সাথে। তারপরেও আমাদের কাজ দাওয়া দেওয়া। যাতে কিয়ামতে বলতে না পারেন না আপনার কাছে সতর্ককারী আসে নাই। আপনার জন্য আমি সতর্ককারী। আবারও বলছি মাজহাবী শিরক ছেড়ে মুসলিম হন।

কিন্তু আপনি মানুষকে যেভাবে বিভ্রান্ত করছেন তাতে না লিখেও পারলাম না।
=> কোথায় বিভ্রান্ত করলাম প্রমাণ দেন। আপনার কোন প্রমাণ নাই। উল্টা আমি দেখিয়ে দিছি যে আপনারা মাজহাবীরা মুসলিমদের কিভাবে বিভক্ত করে মুশরিক বানান। নিচের আয়াতটা আপনাদের জন্যই।

সুরা বাকারা-২/১১-১২> আর যখন তাদেরকে বলা হয় যে, দুনিয়ার বুকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করো না, তখন তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছি। মনে রেখো, তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করে না।

মাজহাবীরা মুসলিমদের বিভক্ত করেছে বললেই আমরা মুসলিমরা হয়ে যাই দালাল, ওহাবী, খারেজী, সৌদির দালাল, আহলে হাদিস। আমাদের রাসূল সাঃ সত্য বলাতে তাকে বলা হতো পাগল, যাদুকর। এখনকার যুগের মাজহাবীদের নিকট সত্য আসলেও তারা মক্কার মুশরিকদের মতোই আচরণ করে।

..........................................................

আপনি বলেছেন,
আপনি উত্তর শুনেন কম। কথা বলেন বেশী। আমি আপনারে করছি একটা প্রশ্ন।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
কেন কথা উত্তর শুনে কম কথা বলে বেশি সেটা পাঠকরা দুইজনের মন্তব্যের বাহার দেখলেই বুঝতে পারবে।

আর আপনি আমাকে একটা প্রশ্ন করেছেন। ভাল কথা। কিন্তু তার আগে আমি আরো অনেকগুলো প্রশ্ন করেছি। সেগুলোর জবাব দিতে কষ্ট হচ্ছে কেন ???

=> আরে বেক্কেল আপনি তো পরে অনেকগুলো প্রশ্ন করছেণ ৬ তারিখে। আমার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সামর্থ্য আপনার মতো মাজহাবীর নাই। এজন্যই আপনাকে বলছিলাম আপনাদের কোন শায়খ (রব)কে আমার সাথে আলোচনায় বসিয়ে দিন। পাঠকরা সুন্দর ভাবে দেখছে কেমনে মাজহাবীরা মুশরিক প্রমাণিত হইছে আমার ব্লগে।

............................................................

আপনি বলেছেন,
আপনি বললেন অবশ্যই দেব। কেন দেবনা !!! কিন্তু এখনও দেন নাই। উল্টা আগের করা আমার দেওয়া উত্তরের জবাবে এতদিন চুপ থেকে এখন আরও বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তুলে ধরেছেন।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
কেন দেই নাই তা যদি চোখে না পড়ে তবে আবার পড়ুন। আর আপনার জবাবগুলো জবাব না জবাবের নামে চর্বিত চর্বন তা আপনার ‍উত্তর জবাব আমার পাল্টা প্রশ্ন পড়লেই পাঠকরা বুঝতে পারবেন।

=> কেন দেন নাই। তার কোন উত্তর নাই। কারণ মাজহাবীদের কোন উত্তরই নাই এই মর্মে। মাজহাবীরা শুধু গোড়ামীই জানে। আপনার বড় বড় আলেম (রব)রাই উত্তর দিতে পারে নাই। আর আপনি কইথেকে দিবেন।
...............................................................

আপনি বলেছেন,
সুতরাং আমার উত্তর সহ প্রশ্নগুলো সিরিয়াল বাই সিরিয়াল বাহাসের পেইজ এ দেন।

আলোচনার জন্য যেহেতু এখানে এসেছেন তাই আলোচনা এখানেই চালানো উপযুক্ত মনে করছি।

আর আপনি আপনার বাহাসে দাবি করেছিলেন,

দলিল হিসেবে আসবেঃ-
১। কোরআন
২। সহীহ হাদিস [সহীহ লি যাতিহী ও সহীহ লি গইরিহি]
৩। হাসান হাদিস [হাসান লি যাতিহী ও হাসান লি গইরিহি]
৪। সাহাবাদের আমল
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

কিন্তু আপনি নিজেই দলীল হিসেবে আনলেন,
শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী এর মতে ৪০০ হিজরীর আগে কোন মাজহাব ছিল না।

আমাকে জানাবেন আপনার এই দলীল আপনার উল্লেখ করা দলীলগুলো থেকে কোনটি থেকে গৃহীত ????
....................................

=> এটারও উত্তর অনেক আগেই দিছি। আপনার চোখ না থাকলে আমার কি করা। যান আপনার জন্য আবার দিচ্ছি।


০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৮
লেখক বলেছেন: যে হাদিসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে। কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি এবং সেই রাবীদের স্মৃতি শক্তিও প্রখর। তারা বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন এবং তাদের বর্ণনা কোন সহীহ হাদিসের বিরোধী হয় না এমন হাদিসকে "সহীহ হাদিস" বা "সহীহ লি যাতিহী হাদিস" বলা হয়। যেমন ওমর রাঃ থেকে বর্ণিত রাসূল সাঃ বলেন,

নিশ্চয়ই সকল কাজের ফলাফল নিয়তের উপর নির্ভর করে। (বুখারী, তাওহাদী পাবলিকেশন্স হাদিস নং-১, ইসলামিক সেন্টার, হাদিস নং-১, আধুনিক প্রকাশনী, হাদিস নং-১)। এই হাদিসটি সহীহ হাদিস "সহীহ লি যাতিহী" এবং এটাই সহীহ হাদিসের সংগা।



শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনার সাহার্যাথ্যে মাজহাব শব্দের দুটি অর্থ তুলে ধরছি।

মাজহাবীরা বলে থাকে মাজহাব মানে "মতামত"। এটা তাদের একটা ধোকাবাজী। মাজহাব শব্দের আভিধানিক অর্থ মতামত। কিন্তু মাজহাবীরা কখনোই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করে না। কারণ তারা যদি মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করত, তবে কখনোই বলত না যে মাজহাব বা মতামত ৪ টা। পূর্ববতী ইমাম কি চারজন? অসংখ্য ইমাম রয়েছেন। যেমন ঃ-
১। ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ,
২। ইমাম আবু হানিফা,
৩। ইমাম শাফেয়ী,
৪। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল,
৫। ইমাম জুহুরী,
৬। ইমাম ইবনুল কাইয়ুম,
৭। ইমাম শওকানী,
৮। ইমাম আওযায়ী,
৯। ইমাম আবু দাউদ,
১০। ইমাম নাসাই,
১১। ইমাম ইবনে কাসির,
১২। ইমাম ইবনে জারীর,
১৩। ইমাম শওকানী
১৪। ইমাম আয যাহাবী
১৫। ইমাম মালেক প্রমুখ।

আল্লাহ তাদের সবাইকে শান্তিতে রাখুন।

=>>>> মাজহাবীরা মাজহাব শব্দের অর্থ যদি "মতামত" গ্রহণ করত তবে কখনোই বলত না যে মাজহাব ৪ টা। বরং তারা বলত অসংখ্য মাজহাব/মতামত আছে। কারণ উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ প্রত্যেকেই ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়ে গেছেন।

কারো মতামত মানা আর তার নামে মাজহাব বানানো এক বিষয় না। আমরা সবাইর মতামত মানি। যার মতামত আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর সাথে মিলে তার মতামত আমরা মানি।

মূলত মাজহাবী আলেমরা ও মাজহাবী আলেমদের পুজারী কিছু ব্যক্তি "মুসলিম" দের ধোকা দেওয়ার জন্যই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করেছে। তারা কখনোই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করে না। মাজহাবের আরেকটি অর্থ "দল"। তারা মাজহাবকে "দল" অর্থে ব্যবহার করে যে ইসলামে ৪টি দল আছে। যেকোন একটাতে যাওয়া ওয়াজিব, কেউ বলে নফল, কেউ বলে মুস্তাহাব।

===============================================
সহীহ হাদিসের সংঙ্গা আমরা কোরআন থেকেই দিতে সক্ষম। তবে সেই সংঙ্গা ও ব্যাখ্যা প্রয়োজন আহলে কোরআন অনুসারীদের যারা শুধু কোরআন মানে হাদিস মানে না।

আপনি কি হাদিস অস্বীকারকারী আহলে কোরআন গ্রুপের? না, তাহলে এই অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নাই।

আপনি যদি আহলে কোরআন হতেন তখন সহীহ হাদিস কোরআন থেকে প্রমাণ করতাম। কিন্তু আপনি তো হাদিস মানেন। এখন নতুন করে প্যাচাল শুরু করছেন যে সহীহ হাদিস কোরআন থেকে প্রমাণ করতে বলতেছেন। কোরআন থেকে হাদিস প্রমাণ করলে তখন আবার বললেন কোরআন যে দলিল তার "দলিল" কি? এগুলোই হানাফীদের অভ্যাস।

কোরআন ও সহীহ হাদিস ইসলামের দলিল। এটা সবাই জানে। এমন কী পীরের মুরিদও। সাহাবাদের আমল যে দলিল এটা হানাফী পুজারীরা অনেকেই জানে না। তাই সাহাবাদের আমল দলিল সংক্রান্ত কোরআনের আয়াত ও হাদিস তুলে ধরেছি।

সহীহ হাদিস যে দলিল তার সংঙ্গা আপনাদের পীর আব্দুল মালেক সাহেবের থেকে শিখে আসেন। যদি উনিও না জানে তখন আমাদের কাছে আইসেন শিখায়া দিব। আর বুঝেছি যে মাজহাব বিষয়ক আলোচনা করার মতো যোগ্যতা আপনার নাই। তো আর কি করবেন। আবু হানিফার কবর পুজা করেন। আপনাদের পীর আব্দুল মালেকের সাথে যেদিন বাহাস হবে সেদিনের বাহাস রেকর্ড করে শিখে নিয়েন। আর সহীহ হাদিস কেমনে দলিল তার জন্য আমাদের নতুন বইয়ের অপেক্ষায় থাকেন।

আপনাদের পীর সাহেব থেকে সহীহ হাদিস কিভাবে ওহী সেটা শিখে আবার নতুন করে বাহাস এ আইসেন মাজহাবকে টিকানোর জন্য।

এটা কোরআন দিয়ে হাদিস প্রমাণের বাহাস নয়। এখানে আলোচনার বিষয় মাজহাব।

==============================================

লেখক বলেছেন: প্রথমে হাদিসের সঙ্গা দিছি।

২ নং কমেন্টে বলেছি> লেখক বলেছেন: আপনি হাদিস গ্রহণ বর্জনের মূলনীতি জানেন? যদি না জানেন তো শিখে আসেন নতুবা আপনার থেকে ভাল যারা জানে তাদের ডাকেন। একটু পরে বললেন কোরআন যে দলিল তার প্রমাণ কি?

৬ নং কমেন্টে বলেছি> এটা কোরআন দিয়ে হাদিস প্রমাণের বাহাস নয়। এখানে আলোচনার বিষয় মাজহাব।

অতএব বারবার বলার পরও আপনার মাথায় ঢুকে না।

আপনার প্যাচানির কিছু নমুনা দেখিয়ে দেই যা আপনি করতে চাচ্ছেন এবং আমি করতে দিতেছি না। এবং এজন্যই আপনি স্বাচ্ছন্দ্য পাচ্ছেন না।

=> সহীহ হাদিস প্রমাণ করতে বলবেন কোরআন থেকে। ধরেন কোরআনের সূরা নিসার-১১৩ দ্বারা, যিকর সংক্রান্ত আয়াত দ্বারা এবং বাকারার আয়াত গোপন সংক্রান্ত আয়াত দ্বারা আপনার নিকট হাদিস প্রমাণ করলাম।

=> এরপর আপনি বললেন, কোরআন দিয়া কোরআন প্রমাণ করতে?
=> তারপর বলবেন, কোরআন যে সংকলিত হইছে সহীহ ভাবে তার প্রমাণ কি?
=> তারপর বলবেন, হাদিস যে সহীহ তার দলিল কি?
=> উসুলুল হাদিস দিয়েও প্রমাণ করলে বলবেন মানি না।

মূলত মাজহাবী কাফির মুশরিকরা এই থিউরীগুলো অবলম্বন করে থাকে যখন দেখে তাদের মাজহাবী প্যাচে তারা নিজেরাই পড়ে গেছে। যেমন ভাবে আমি ৪ নং কমেন্টে আটকাইছি।

আবারও আমার টেকনিক অবলম্বন কইরা " যিনি জানেন তাকে আপনার জায়গায় বসিয়ে দিন" মূলক কথা। হায়রে পোলাপাইন রে।

মজা লাগে আহলে হাদিসদের সাথে কথা বলতে। মাজহাবীগুলায় তো দলিল দিতে পারে না। কিন্তু আহলে হাদিসগুলায় দলিল দেয়। কিন্তু টিকে না। দুটোই পয়সার দুই দিকের মতোই।

==============================================

শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনার প্রথম প্রশ্নঃ আপনি সহীহ হাদিসের সংগার দলিল চেয়েছিলেন যে হাদিসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে। কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি এবং সেই রাবীদের স্মৃতি শক্তিও প্রখর। তারা বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন এবং তাদের বর্ণনা কোন সহীহ হাদিসের বিরোধী হয় না এমন হাদিসকে "সহীহ হাদিস" বা "সহীহ লি যাতিহী হাদিস" বলা হয়।


উপরোক্ত হাদিদের সংগাটি সঠিক কি না তার দলিল আসার পূর্বে দেখতে হবে উপরোক্ত সংগাতে কি কি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

১) যে হাদিসের সনদের ধারাবাহিকতা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণরূপে রক্ষিত আছে।
২) কোন স্তরেই কোন রাবীর নাম বাদ পড়েনি
৩) সেই রাবীদের স্মৃতি শক্তিও প্রখর।
৪) তারা বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন
৫) তাদের বর্ণনা কোন সহীহ হাদিসের বিরোধী হয় না।

এই সহীহ হাদিসের সংগাটি গ্রহন করা হইছে কোরআনে সূরা হুজরাতের ১২ নং আয়াত থেকে।

....তোমরা ধারণা থেকে দূরে থাক।-সূরা হুজরাত-১২

হাদিসের সনদে বিচ্ছিনতা থাকলে হাদিসটি সন্দেহযুক্ত হয়, রাবী বাদ পড়লে হাদিসটি সন্দেহ যুক্ত হয়, রাবী অবিশ্বস্ত হলে হাদিস সন্দেহযুক্ত হয়। মোটকথা হাদিস সহীহ হতে হলে কোরআনের উপরোক্ত আয়াত অনুযায়ী হাদিসটি সন্দেহমুক্ত হতে হবে।

অতএব, এই সহিহ হাদিস সংক্রান্ত এই সংগাটি কোরআন থেকেই নেওয়া হইছে। আপনাদের মতো কোন আলেমের মুখের থেকে দলিল ছাড়া গ্রহণ করা হয় নাই।

বিঃদ্রঃ আপনাকে জিজ্ঞেস করছিলাম "আপনি হাদিস গ্রহণ বর্জনের মূলনীতি জানেন কি না?
উত্তর দেন নাই।

=============================================

আপনার ২য় প্রশ্নঃ আমাকে বলেছিলেন, আপনার কাছে গ্রহনযোগ্য হাদীসগ্রন্থ কোনগুলো এবং গ্রহনযোগ্য আলেম কারা ???

আমি উত্তর দিয়েছি,
রাসুল সাঃ ও সাহাবা ব্যতিত আলেমদের ফাতওয়া বা আমল দলিল হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। অতএব গ্রহণযোগ্য আলেম কারা এই প্রশ্ন করাও অমূলক। যদি গ্রহণযোগ্য আলেম বলি বিন বাজ, উসাইমিনকে তখন বললেন তারা ওহাবী, যদি বলি দেওবন্দের মাহমুদুল হাসান সাহেব, নুরুল ইসলাম ওলীপুরী তখন বললেন এরা হানাফী, যদি বলি দেওয়ানবাগী, কুতুববাগী তখন বলবেন এরা তো ভ্রান্ত। মূলত এই প্রশ্নটাই অমুলক ও অপ্রাসঙ্গিক।

প্রথমত আপনি আমাকে বলেন, মাজহাব কয় টা? মাজহাব অর্থ কি?

বিঃদ্রঃ এখানেও আমার করা শেষের ২টা প্রশ্নের উত্তর দেন নাই।
=============================================

আপনার ৩য় বক্তব্যঃ আপনি বলেছিলেন, সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা বা বিশেষন পরবর্তীতে আলেমরা বের করেছেন অর্থাৎ তা আলেমদের ফতোয়া যা কিনা আপনি আপনার শর্তাবলী প্রথমেই নিষিদ্ধ করেছেন !!!

=> সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা কথা। আমি সহীহ হাদিসের সংগার দলিল দিতে গিয়ে নিয়ে এসেছি সূরা হুজরাতের ১২ নং আয়াত। কিন্তু আপনি আলেমদেরই দলিল হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যেমন অমুক আলেম ওই মাজহাবের ছিলেন, তমুক আলেম ওই মাজহাবের ছিলেন। এখানে অমুক আলেম তমুক আলেম বলে তাদের দলিল হিসেবে চালাচ্ছেন যা আমি প্রথমেই মুলনীতিতে বাতিল করেছি

২। কোন আলেমের বক্তব্য দলিল হিসেবে আসবে না।

আলেম তার ফাতওয়াতে যেই দলিল উল্লেখ করেছেন সেটা দলিল হিসেবে আসবে কিন্তু তিনি কোন মাজহাবের ছিলেন সেটা দলিল না। আমি বার বার উল্লেখ করেছি যে "দলিল" হিসেবে আসবে না। "দলিল" বুঝার ক্ষমতা যে আপনার ছিল না তা আবারও প্রমাণ করছেন এবং অনেক হুজুর আলেমদের নাম দলিল হিসেবে তুলে ধরেছেন বেক্কেলের মতো।

=============================================

আপনি ৪র্থ প্রশ্ন করলেনঃ আপনি মাজহাবী বলতে কাদের বুঝাচ্ছেন (কোন ব্যক্তিবর্গ) ???
=> মাজহাবী বলতে সেই সমস্ত ব্যক্তিবর্গকে বুঝাচ্ছি যারা নিজেদের হানাফী, শাফেয়ী, হাম্বলী, মালেকী, আহলে হাদিস বলে পরিচয় দেয়। যারা ইমাম আবু হানিফা, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম আহমাদ, ইমাম মালেক দের যারা পুজা করে সেই সমস্ত ব্যক্তিবর্গকে বুঝাচ্ছি। বর্তমানে আহলে হাদিসও একটা মাজহাব। তাই তারাও এই মাজহাবী সংগার বাহিরে যাবে না।

শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনি আরো প্রশ্ন করলেন
ইমামদের বিভিন্ন মতামত কি আল্লাহ ও তার রাসূল সা. থেকে মিল ব্যতীত অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহর খিয়ানত করে দেয়া হয়েছে ??? যদি দেয়া হয়ে থাকে তবে উনারা কিভাবে ওনাদের সহীহ ইমাম হিসেবে মেনে নিলেন ???

=> এগুলো হলো ফাও প্যাচাল। অপ্রাসঙ্গিক। উত্তর দেওয়ার কোন প্রয়োজন নাই। তারপরও উত্তর দিচ্ছি।

আপনি বললেন পূর্ববর্তী ইমামরা কি আল্লাহ ও তার রাসূল সা. থেকে মিল ব্যতীত মতামত দিয়েছেন। না সকলেই মিল রেখে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কারো কারো ইজতিহাদ ভূল ছিল, কারো টা শুদ্ধ। আবু হানিফার ইজতিহাদ যেমন কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভূল তেমনি শাফেয়ীর ইজতিহাদও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভূল।

উনার কিভাবে উনাদের ইমাম নিযুক্ত করলেন? এটাও একটা ফালতু প্রশ্ন। উনারা কেমনে কি করলেন সেটার দায়িত্ব কি আপনাকে দেওয়া হইছে। আপনারা পূববর্তী আলেমদের রব মানেন বলেই আপনাদের কোন রব কি করছে সেটা নিয়ে লাফালাফি করেন। এজন্যই ""আলেমদের আমল"" দলিলের বাহিরে রেখিছি। কিন্তু তারপরও আপনি অমুক ইমাম তমুক মাজহাবে ছিলেন, তমুক ইমাম অমুক মাজহাবে ছিলেন বলে মাজহাবকে জায়েজ বানানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।


==============================================
শুধু মুসলিম বলেছেন: ৪ নং কমেন্টে বলেছিলাম-

মাজহাবীরা বলে থাকে মাজহাব মানে "মতামত"। এটা তাদের একটা ধোকাবাজী। মাজহাব শব্দের আভিধানিক অর্থ মতামত। কিন্তু মাজহাবীরা কখনোই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করে না। কারণ তারা যদি মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করত, তবে কখনোই বলত না যে মাজহাব বা মতামত ৪ টা। পূর্ববতী ইমাম কি চারজন? অসংখ্য ইমাম রয়েছেন।

যেমন ঃ-
১। ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ,
২। ইমাম আবু হানিফা,
৩। ইমাম শাফেয়ী,
৪। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল,
৫। ইমাম জুহুরী,
৬। ইমাম ইবনুল কাইয়ুম,
৭। ইমাম শওকানী,
৮। ইমাম আওযায়ী,
৯। ইমাম আবু দাউদ,
১০। ইমাম নাসাই,
১১। ইমাম ইবনে কাসির,
১২। ইমাম ইবনে জারীর,
১৩। ইমাম শওকানী
১৪। ইমাম আয যাহাবী
১৫। ইমাম মালেক প্রমুখ।

আল্লাহ তাদের সবাইকে শান্তিতে রাখুন।

=>>>> মাজহাবীরা মাজহাব শব্দের অর্থ যদি "মতামত" গ্রহণ করত তবে কখনোই বলত না যে মাজহাব ৪ টা। বরং তারা বলত অসংখ্য মাজহাব/মতামত আছে। কারণ উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ প্রত্যেকেই ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিয়ে গেছেন।

কারো মতামত মানা আর তার নামে মাজহাব বানানো এক বিষয় না। আমরা সবাইর মতামত মানি। যার মতামত আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর সাথে মিলে তার মতামত আমরা মানি।

মূলত মাজহাবী আলেমরা ও মাজহাবী আলেমদের পুজারী কিছু ব্যক্তি "মুসলিম" দের ধোকা দেওয়ার জন্যই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করেছে। তারা কখনোই মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করে না। মাজহাবের আরেকটি অর্থ "দল"। তারা মাজহাবকে "দল" অর্থে ব্যবহার করে যে ইসলামে ৪টি দল আছে। যেকোন একটাতে যাওয়া ওয়াজিব, কেউ বলে নফল, কেউ বলে মুস্তাহাব।

আপনার নিকট প্রশ্ন করেছিলাম-
১) মাজহাবের অর্থ কি?
২) মাজহাব কয়টি?
৩) আপনি মাজহাবকে কি অর্থে ব্যবহার করেন?
৪) যদি "মতামত" অর্থে হয় তো মাজহাব কয় টা? ৪টি নাকি অসংখ্য?

এবার আপনি উত্তর দিয়েছেন
১) মাজহাব মানে মতামত, বিশ্বাস, ধর্ম, আদর্শ, পন্থা, মতবাদ, উৎস।
মিসবাহুল লুগাত (থানবী লাইব্রেরী-২৬২ পৃষ্ঠা)

আমি উপরে প্রমাণ করেছি মাজহাবীরা মাজহাবকে মতামত অর্থে ব্যবহার করে না। তারা মুসলিমদের ধোকা দেওয়ার জন্যই মাজহাব এর অর্থ জিজ্ঞেস করলে বলে মতামত। তারা মাজহাব এর অর্থ মতামত বলে অন্য সকল ইমামের মাজহাব তথা মতামতকে বাতিল করে ফেলেছে।

এই মাজহাবীরা মাজহাবকে ধর্ম অর্থে ব্যবহার করে। তারা ধর্ম ইসলামকে ৪ টা ভাবে ভাগ করছে হানাফী ধর্ম, শাফেয়ী ধর্ম, হাম্বলী ধর্ম, মালেকী ধর্ম। দ্বীনকে টুকরো টুকরো করেছে এই মাজহাবীরা ।

===========================================

শুধু মুসলিম বলেছেন: আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল-
২) মাজহাব কয়টি?

আপনি উত্তর দিছেন-=> কুরআন সুন্নাহ, সাহাবাদের ফাতওয়া, কুরআন সুন্নাহ সম্পর্কে বিজ্ঞ ব্যক্তিদের ঐক্যমত্বে এবং যুক্তির নিরিখে কুরআন সুন্নাহ থেকে মাসআলা বেরকারী গবেষকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। তদ্রুপ মাযহাবও কম নয়।

এখানে আপনি আমার সাথে একমত হইছেন যে অসংখ্য মাজহাব তথা মতামত রয়েছে। কিন্তু তারপরে লাগাইলেন প্যাচ।

আপনার নিচের কমেন্টটি দেখুন-

==.>>কিন্তু পরবর্তীতে চার মাযহাবের উসূল অর্থাৎ কুরআন ও সুন্নাহ থেকে মাসয়ালা বের করার মূলনীতিগুলো সংরক্ষিত না থাকার কারনে বাকীগুলো বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং এই চার মাযহাব অনুসরনের ব্যাপারে উম্মতের ইজমা হয়ে গেছে।

আমি অনেক ইমামের নাম উল্লেখ করেছি। তাদের সবার লেখা বইগুলো এখনও বিদ্যমান। সেই বইগুলোতে বিভিন্ন ইসলামিক বিষয়ে তাদের মাজহাব/মতামত রয়েছে। আপনি পূববর্তী ইমামদের মাজহাব/মতামত বিলুপ্ত হয়ে গেছে বলে পূর্ববতী ইমামদের সকল বইকে বাতিল করে দিলেন এবং তাদের উপর মিথ্যারোপ করলেন। আপনে ৪ মাজহাব পাইলেন কই। মাজহাব তো অসংখ্য আমিও বললাম, আপনিও বললেন। আবার টান দিয়া "৪ মাজহাবের উসুল" এ ঢুকলেন।

এটাই হলো হানাফী মাজহাবীদের আসল চেহারা। তারা মাজহাবকে ধর্ম অর্থে ব্যবহার করে। তাদের মতে ইসলামে ৪ টা মাজহাব/ধর্ম আছে। যেকোন একটায় যাওয়া ওয়াজিব।

আবার একটা ফালতু কথা বললেন যে, ইজমা হয়ে গেছে? বলেন ইজমা কবে হইছে? কারা কারা ছিল এই ইজমায়? কবে হইছে তারিখ বলেন?

আলেমপুজা বাদ দিয়া আল্লাহ ও তার রাসূল সাঃ এর দিকে ফিরে আসেন। মুসলিমদের ভাগ করা বন্ধ করেন।



আর আপনি ঠিকই বলেছেন,
তারপরেও মিথুক তো মিথ্যা বলবেই।

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
তারা মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়। আল্লাহ তাঁর আলোকে পূর্ণরূপে বিকশিত করবেন যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে। (As-Saff: 8)

২৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০৮

শুধু মুসলিম বলেছেন: সবশেষে বুদ্ধিমানের মতো কিছু দলিল দিলেন যা দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যা। একটি কোরআনের আয়াত দিলেন।

হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা “উলুল আমর” তাদের। (সুরা নিসা : ৫৯)

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে এটা বর্ণিত আছে, (তাফসিরে-ই-ইবনে জারীর ও তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুয়াইন) হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, (উলুল আমর) দ্বারা বোধশক্তি সম্পন্ন ও ধার্মিক ব্যক্তিদেরকে বুঝানূ হয়েছে। অর্থাৎ আলেমগন। বাহ্যিক কথা তো এটাই মনে হচ্ছে, তবে প্রকৃত জ্ঞান আল্লাহ পাকেরই র‍্য়েছে।এ শব্দতি সাধারন, এর ভাবার্থ "আমির" ও "আলেম" উভয়ই হতে পারে, যেমন পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। [তাফসির ইবনে কাসির]

=> কোন আলেমের মতামত মানা আর তার নামে মাজহাব বানানো কি এক জিনিস? কারো মতামত মানাতেই যদি মাজহাব তৈরী হয় তো রাসূল সাঃ এর সাহাবাদের নামে কেন মাজহাব তৈরী হলো না। মাজহাবে আলী, মাজহাবে মুয়াবিয়া ইত্যাদি নামে কেন মাজহাব তৈরী হল না। মূলত এগুলো মাজহাবীদের ফাইজলামী। আপনি আয়াতের অর্ধেক দিয়া মাজহাব প্রমাণের চেষ্টা চালাইছেন। এই আয়াত যদি নামে নামে মাজহাব তৈরী করতে বলে তবে সাহাবারা নিজেদের নামে মাজহাব না তৈরী করে কি গুনাহের কাজ করেছেন? (নাউজুবিল্লাহ)। রাসুল সাঃ এর সাহাবারা যারা জান্নাতের গ্যারান্টি প্রাপ্ত তাদের নামে মাজহাব হলো না, আর যাদের কোন জান্নাতের গ্যারান্টিই নাই তাদের নামে মাজহাব তৈরী হয়ে গেল। রাসূল সাঃ এর সাহাবারা কোরআনে মাজহাবের দলিল পেলেন না, আর মাজহাবের মুরিদরা মাজহাবের দলিল পেয়ে গেছে।

আর উপরোক্ত আয়াতটি যদি পুরোটা দেখি তো সেখানে দেখবো -

হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে মতবিরোধে লিপ্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।

এই আয়াতে আল্লাহ বলছেন মতবিরোধ থাকবে না। আজ মাজহাবীদের মধ্যে অসংখ্য মতবিরোধ রয়েছে। এই আয়াতটি মতবিরোধ বাদ দিয়ে কোরআন ও সহীহ হাদিসের দিকেই আসতে বলা হইছে।

এই আয়াতটি দিয়ে কোনভাবেই মাজহাব প্রমাণিত হয় না বরং নামে নামে মাজহাব তৈরী না করতেই বলা হইছে।

=========================================


শুধু মুসলিম বলেছেন: ২য় একটি দলিল দেওয়ার চেষ্টা করলেন ১৮ নং কমেন্টে। মাজহাবকে জায়েজ করতে এটি আপনার ২য় দলিল।
------------------------------------------------------------------
বি.দ্র: এখানে আরো একটি প্রশ্ন ক্লিয়ার হওয়া প্রয়োজন মাযহাব কাকে বলে ?
প্রথমে একটি হাদীস দেখি,
عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- « إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ فَأَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ وَإِذَا حَكَمَ فَاجْتَهَدَ فَأَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ
হযরত আমর বিন আস রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-“যখন কোন বিশেষজ্ঞ হুকুম দেয়, আর তাতে সে ইজতিহাদ করে তারপর সেটা সঠিক হয়, তাহলে তার জন্য রয়েছে দু’টি সওয়াব। আর যদি ইজতিহাদ করে ভুল করে তাহলে তার জন্য রয়েছে একটি সওয়াব।
{সহীহ বুখারী, হাদিস নং-৬৯১৯, সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-৩৫৭৬, সহীহ মুসলিম, হাদিস নং-৪৫৮৪}

মুজতাহিদ হল কুরআন সুন্নাহ, সাহাবাদের ফাতওয়া, কুরআন সুন্নাহ সম্পর্কে বিজ্ঞ ব্যক্তিদের ঐক্যমত্বে এবং যুক্তির নিরিখে কুরআন সুন্নাহ থেকে মাসআলা বেরকারী গবেষক দলের নাম। যারা নিষ্ঠার সাথে বিভিন্ন মূলনীতি নির্ধারণ করে কুরআন সুন্নাহর বাহ্যিক বিপরীতমুখী মাসআলার মাঝে সামাঞ্জস্যতা এনেছেন। কুরআন সুন্নাহর একাধিক অর্থবোধক শব্দের নির্ধারিত পালনীয় অর্থকে নির্ধারিত করে দিয়েছেন। নতুন উদ্ভূত মাসআলার শরয়ী মূলনীতির আলোকে সমাধান বরে করেছেন। সেই সাথে নতুন নতুন মাসআলার কোন মূলনীতির আলোকে হুকুম আরোপিত হবে যার বিধান সরাসরি কুরআন সুন্নাহে বর্ণিত নেই, সেই মূলনীতিও নির্ধারিত করেছেন। মূলত সেই গবেষক দলের নাম হল মুজতাহিদ। আর তাদের উদ্ভাবিত মূলনীতির আলোকে বের হওয়া মাসআলার নাম """"মাযহাব"""।
------------------------------------------------------------------

=> উপরোক্ত হাদিসটি বলছে যে মুজতাহিদ ইজতিহাদ করার কারণে সওয়াব পেয়ে যাবেন। হাদিসটি দিয়ে মাজহাব প্রমাণ হয় না। দুনিয়াতে কিয়ামত পর্যন্ত অসংখ্য মুজতাহিদ আসবেন। তারা সবাই সত্য সম্পর্কে গবেষনা করবেন। নতুন নতুন তথ্য তুলে ধরবেন।

মাসআলা বের করার নাম মাজহাব। এরকম নিবোর্ধের মতো কথা বলতে কি মুখে বাজে না? এখনও অনেক মুজতাহিদ অনেক কিছু গবেষনা করেন। যেমন জিহাদের ময়দানে আত্মঘাতি হামলা জায়েজ নাকি হারাম? মাসআলা বের করার নাম যদি মাজহাব হয় তাহলে দুনিয়াতে তো কোটি কোটি মাজহাব থাকার কথা। এমন ফালতু লজিক দিতে গেলে যে নূ্ন্যতম জ্ঞান থাকা দরকার সেটাও আপনার নাই। অতএব হুজুর পুজা, আলেম পুজা আজই বাদ দেন। গোড়ামী ছাড়েন।

আমরা আশ্চর্য্য হই যখন শুনি যে মাসআলা বের করার নাম নাকি মাজহাব। কত বড় জাহেল হলে একজন মানুষ এমন কথা বলতে পারে? আল্লাহ হেদায়েত না দিলে এই মাজহাবীদের কেউ হেদায়েত দেওয়ার নাই।

==============================================


শুধু মুসলিম বলেছেন: ১ম প্রমাণ ঃ মাজহাবীরা মুশরিক

সূরা রূম-৩১-৩২> মুশরিকদের অন্তর্ভূক্ত হয়ো না যারা নিজেদের দ্বীনকে বিভক্ত করেছে এবং দলে দলে ভাগ হয়েছে। প্রত্যেকেই নিজ নিজ দল নিয়ে উল্লসিত।

উপরোক্ত আয়াতে আল্লাহ ২ শ্রেণীর লোকদের মুশরিক বলেছেন।
১। যারা দ্বীনকে বিভক্ত করে
২। বিভক্তির ফায়সালা মেনে নিয়ে অতঃপর দলে দলে ভাগ হয়।

কোন সাধারণ মানুষ দ্বীনকে ভাগ করে না। বরং আলেমরাই দ্বীনকে ভাগ করে থাকে। খারেজীরা ইসলামকে ভাগে বিশ্বাসী নয়। তারা বলে তারা হক্ব আর সব বাতিল। কিন্তু এই মাজহাবীরা আলেমরা দ্বীনকে ভাগ করে। তারা বলে ইসলামে ৪ টা মাজহাব আছে। ৪টাই হক্ব। যেকোন একটায় প্রবেশ করতেই হবে।

তাদের মতে যদি কেউ হানাফী হয় তার অজুর ফরজ ৪টি। আবার যদি জানতে পারে যে সে হানাফী নয় শাফেয়ী। তখন বলে তোমার অজুর ফরজ ৬টি। মানুষকে ভাগ করার এই নীতি খারেজী জাহমিয়ারা করে নাই। করেছে একমাত্র মাজহাবী আলেমরা।

সুতরাং মুসলিমদের বিভক্ত করার দায়ে মাজহাবীরা আলেমগণ মুশরিক।

এই মাজহাবী আলেমগণ এর মুরিদ কিছু ছাত্র এবং অনুসারীরাও মুশরিক। কারণ তারা তাদের আলেমদের ফাতওয়া মেনে দলে দলে বিভক্ত হয়েছে। বরং এখন তারাই মুসলিমদের বিভক্ত করার জন্য সর্বত্র চেষ্টা চালাচ্ছে।

উপরোক্ত আয়াত দ্বারা আমি প্রমাণ করলাম যে মাজহাবী আলেমগণ ও মাজহাব যারা করে অর্থ্যাৎ হানাফী, শাফেয়ী, হাম্বলী, মালেকী এরা সবাই মুশরিক।

এদের মুশরিক না ভাবলে আল্লাহর উপরোক্ত আয়াত অস্বীকার করা হবে। তবে যারা অজ্ঞ মাজহাবী তারা মুসলিম। কারণ তারা জানেই না। তারা অজ্ঞতার মাসআলাতে পড়বে। কিন্তু যাদের সামনে সত্য তুলে ধরার পরও মাজহাবে অটল থাকে তারাই মুশরিক।

অতএব আমি মাত্র ১টি দলিল দিয়ে প্রমাণ করলাম যে মাজহাবী আলেমগণ মুশরিক দ্বীনকে বিভক্ত করার জন্য এবং মাজহাবী আলেমদের ফাতওয়া মেনে যারা দলে দলে ভাগ হয়েছে তারাও মুশরিক সূরা রূমের ৩১-৩২ নং আয়াত অনুযাযী।

এবার আপনি প্রমাণ করেন যে মাজহাবীরা মুসলিম। আমি মুশরিক প্রমাণ করেছি আপনি মুসলিম প্রমাণ করেন।

==============================================

আপনার প্রশ্ন মাজহাবীরা যদি মুশরিক হয় তো ইমাম আবু হানিফা রহ., ইমাম বুখারী রহ., ইমাম মুসলিম রহ. ইবনে মাজাহ রহ., ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ রহ. উনারা মুশরিক কি না?

আমি মাজহাবীদের মুশরিক বলেছি আম তথা ব্যাপক অর্থে। আপনি আম বিষয়কে খাস হিসেবে লাগাচ্ছেন। এই ফাতওয়া যখন কোন একক ব্যক্তির উপর প্রয়োগ করতে যাবেন তখন অজ্ঞতার মাসআলা (যদি অজ্ঞতার মাসআলা আপনার জানা থাকে) আসবে। তখন দেখতে হবে-
=> যাকে মাজহাবী বলা হচ্ছে সে আসলেই মাজহাবী কি না?
=> মাজহাবের অনুসারী ব্যক্তি কোন দলিলের উপর ভিত্তি করে নিজেকে মাজহাবীদের অন্তর্ভূক্ত করেছে।
=> তার পক্ষে কি কোন দলিল আছে?
=> দলিল থাকলে সেটা শক্ত দলিল কি না?
=> আরও দেখতে হবে তার নিকট কি কেউ সত্য প্রকাশ করেছে কি না?
=> তার ভূল ভাঙ্গায়া দিয়েছে কি না?
=> নাকি সে এটি সওয়াবের নিয়তে করে থাকে?

আপনার বুঝার জন্য আরো ব্যাখ্যা করছি, যেমন পীরের পায়ে সিজদা কারীরা মুশরিক। এটা ব্যাপক অর্থে বলা হয়। কিন্তু যখনই এটা কোন একক ব্যক্তির উপর প্রয়োগ করতে যাবেন তখন দেখতে হবে তার এই সিজদা করার পক্ষে কোন দলিল আছে কি না? দলিল থাকলে তাকে কেউ সেটা ভাঙ্গিয়ে দিয়েছে কি না?

আপনার আরও বুঝার জন্য বলছি, জ্ঞান অর্জন করুন- কিছু সংখ্যক পীর আছে যারা মুসলিমদের থেকে সিজদা আদায় করে থাকে। তারা মুরিদদের সিজদা করতে বলে ইসলামিক দলিল দিয়ে। তারা বলে, আদম আঃ এর জ্ঞান বেশী হওয়ার কারণে ফেরেশতারা সিজদা করেছিল উনাকে। এই দুনিয়াতে মুরিদের থেকে পীরের জ্ঞান বেশী তাই পীরকে সম্মানের সিজদা করা জায়েজ। এমন ব্যক্তিকে আমরা মুশরিক বা কাফির বলি না। কারণ এরা অজ্ঞ।

=> এক্ষেত্রে আমরা পীরের পায়ে সিজদা কারীর নিকট সত্য প্রকাশ করি এভাবে যে, জ্ঞান বেশী হওয়ার জন্য কেউ যদি সম্মানের সিজদা পেত তবে সেটা হতেন রাসূল সাঃ নিজে। কিন্তু তিনি কি সাহাবাদের থেকে সম্মানের সিজদা নিয়েছেন? নেন নি। সুতরাং এই যুক্তি দিয়ে আমরা পীরের পায়ে সিজদাকারী মুরিদদের সত্যের দিকে ডাকি।

আমরা দ্বিতীয় আরেকটা দলিল দেই যেটা আছে সুনান আবু দাউদ এ। সুনান আবু দাউদ, ৩য় খন্ড, ২১৩৭ নং হাদিস। এখানে রয়েছে এক সাহাবা রাসূল সাঃ কে বললেন, যে অন্যান্য দেশের রাজারা সাধারণ মানুষ থেকে সিজদা নেয়। তারা তো দুনিয়াতে সম্মানিত কিন্তু পরকালে অসম্মানিত। কিন্তু হে মুহাম্মদ সাঃ, আপনি তো দুনিয়াতে ও আখিরাতে উভয় জগতে সম্মানিত। তবে কেন আমরা আপনাকে সিজদা করব না? উত্তরে রাসূল সাঃ বললেন, সিজদা একমাত্র আল্লাহরই প্রাপ্য।

তো কোন একক ব্যক্তির উপর "কাফির" ফাতওয়া ফেলার আগে দেখতে হবে সেই ":একক ব্যক্তির" নিকট সত্য প্রকাশ করা হয়েছে কি না। তানা হলে যাকে কাফির বলা হয়েছে সে যদি কাফির না হয়, তবে যে কাফির বলেছে সে নিজেই কাফির হয়ে যাবে।

আর মুসমিল আক্বিদা হলো এক মুসলিম আরেক মুসলিমের ব্যাপারে ভাল ধারণা রাখবে। আমরা উপরোক্ত আলেমদের ব্যাপারে ভাল ধারণাই রাখি। আমরা তাদের মুসলিম মনে করি।

অতএব, যদি জ্ঞান খাটিয়ে থাকেন তো আশা করি বুঝবেন যে, কাফির আমভাবে বলা যায়। তবে কোন ব্যক্তির উপর প্রয়োগ করতে গেলে কিছু শর্ত রয়েছে। অজ্ঞতার মাসআলা রয়েছে। কাফির তো তাদেরও বলি যাদের কাছে সত্য প্রকাশ করা হয় অতঃপর মানে না। জানি না আপনি মানবেন কি না। তবে আল্লাহ হেদায়েত দিলেই মানবেন।

===========================================

আর আপনি আবারও নিয়ম ভেঙ্গে ছেন যে, আমি শুরুতেই বলেছি,

অন্যান্যঃ

৩। যারা অজ্ঞ তারা মুসলিম হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এই আলোচনার বাহিরে থাকবে।
৪। মাজহাবীরা কাফির মুশরিক বলতে সেই মাজহাবীদের বুঝানো হয়েছে যাদের নিকট সত্য প্রকাশ করা হয়েছে কিন্তু তারা তা মানছে না। সত্য প্রকাশের পর যারা সত্য মানে না তাদেরকেই কাফির মুশরিক বলা হইছে।

আশা করি নেক্সট এ মন্তব্য করার সময় নিয়মাবলী পড়ে নিবেন কারণ ১ নং কমেন্টে আপনিই নিয়ম মানবেন বলে স্বীকারুক্তি দিয়েছেন।

নেক্সট এ যদি আবারও আলেমদের ফাতওয়া বা মন্তব্য দেন বা তাদের আমল তুলে ধরেন, তবে সেটা নিয়ম ভাঙ্গার কারণে ডিলেট করা হবে।


============================================


--------------এটি আপনার ৩য় দলিলঃ--------------

=> উত্তর ঃ এখানে আপনি একটি হাদিস উল্লেখ করলেন। জানতে চাইলেন, বিবাদমান দুটি দলকে কেন রাসূল সাঃ মুসলিম বললেন?

দুটি দল বিবাদ করে বিভক্ত হয়ে গেলে কাফির হয়ে যায়, এই থিউরী আপনি কই পাইলেন? অথবা আমি কি কোথায় বলছি যে ""বিবাদ করে দুটি দল বিভক্ত হয়ে গেলে কাফির হয়""? ইনশা আল্লাহ কিয়ামত পর্যন্ত এমনটি দেখাতে পারবেন না।

=> দুটি দল ঝগড়া করে আলাদা হওয়া এবং নামে নামে মাজহাব তৈরী করা কি এক জিনিস? আশ্চর্য্য।

=> আলী রাঃ ও মুয়াবিয়া রাঃ ঝগড়া করে আলাদা হয়েছিলেন। তাদের নামে কি আলাদা মাজহাব তৈরী করা হইছিল? হয় নাই।

সাহাবাদের বিবাদ দ্বীনকে ভাগ করে নাই। কিন্তু আপনাদের মাজহাবী আলেমরা দ্বীনকে ভাগ করেছে। তাদের মতে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করলেও ঈমাণ পূর্ণ হয় না যতক্ষণ পর্যন্ত ৪ দলের ১টায় বিভক্ত না হয়। আপনাদের মাজহাবী আলেমরা ইসলামকে ৪ টুকরা বানাইছেন।

মূলত তারাই দ্বীনকে ৪টা দলে বিভক্ত করছে এবং আপনারা সেই দলে দলে বিভক্ত হওয়া যাওয়া ব্যক্তি বর্গ।

এজন্যই আল্লাহ বলেছেন
সূরা রুম-৩০/৩১-৩২> মুশরিকদের অন্তর্ভূক্ত হয়ো না যারা দ্বীনকে বিভক্ত করে এবং দলে দলে বিভক্ত হয়, প্রত্যেকে নিজ নিজ দল নিয়ে উল্লসিত।

কারা দ্বীনকে ভাগ করেছে? উত্তর ঃ এই মাজহাবী আলেমরা। তারা ৪ টুকরা করছে।
কারা বিভক্ত হইছে? উত্তরঃ এই মাজহাবী আলেমদের ফতোয়া মেনে যারা দলে দলে প্রবেশ করছে।

মুশরিক কারা? যারা দ্বীনকে ভাগ করছে অর্থ্যাৎ (১) মাজহাবী আলেমরা এবং (২) ফতোয়া মেনে বিভক্ত হওয়া ব্যক্তিরা।

সুতরাং মুসলিম হতে হলে মাজহাবী বিভক্তি ছেড়ে মুসলিম হতে হবে। কোরআন ও সহীহ হাদিস এর অনুসরণ করতে হবে। হেদায়েত আল্লাহ হাতে। আমার দাওয়াত দেওয়ার কাজ। দাওয়া দিছি।

২৭| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩৫

সুলাইমান আল উমাইর বলেছেন: যাযাকাললাহ

২৮| ১১ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:০৯

শুধু মুসলিম বলেছেন: আপনি বললেন সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. এর মাজহাব আছে। যায়েদ বিন সাবিত রাঃ এর মাজহাব আছে। আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. এর মাজহাব আছে।

আপনার নিকট প্রশ্ন তাদের মাজহাবগুলো নাম কি? মাজহাবকে জায়েজ বানানির জন্য এখন সাহাবাদের নামেও মিথ্যা রচনা শুরু করছেন।

আলেমদের মতামত মানা এবং তাদের নামে মাজহাব বানানি কি এক জিনিস?

ধরে নিলাম তাদের মাজহাব ছিল রাসূল সাঃ এর সাহাবাদের মাজহাব থাকার পরেও আপনারা কেন নতুন করে ৪ টা মাজহাব বানাইছেন? আপনারা এত বেয়াদপ কেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.