নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমিই রাজা

বাশের কলম

বাশের কলম › বিস্তারিত পোস্টঃ

তাহাজ্জুদ সালাতের বিধিবিধান

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১২:১০

তাহাজ্জুদ সালাতের বিধিবিধান



ফযীলত: ফরজের পরে তাহাজ্জুদের সালাত আল্লাহ তায়ালার নিকট সবচেয়ে প্রিয়। এটি নিরাপদে জান্নাত লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।



সময়: অর্ধ রাতের পরে। রাতের শেষ তৃতীয়াংশে পড়া উত্তম। তবে ঘুম থেকে না জাগার সম্ভাবনা থাকলে ইশা সালাতের পর দু রাকআত সুন্নতের পর ও বিতরের আগে তা পড়ে নেয়া জায়েজ আছে।



রাকআত সংখ্যা: সর্ব নিম্ন দু রাকআত। আর সর্বোচ্চ ৮ রাকায়াত পড়া উত্তম। তবে আরও বেশী পড়া জায়েজ আছে। এরপরে বিতর নামায পড়া।



তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ম: দু রাকআত দু রাকআত করে যথা সম্ভব লম্বা কিরাআত, লম্বা রুকু ও সেজদা সহকারে একান্ত নিবিষ্ট মনে পড়া।



পড়ার স্থান: ঘরে পড়া উত্তম। তবে মসজিদে পড়াও জায়েজ আছে।



কিরাআত: উঁচু বা নিচু উভয় আওয়াজে পড়া জায়েজ আছে। তবে কারো কষ্টের কারণ হলে চুপিচুপি পড়া কর্তব্য।



ছুটে গেলে: তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত ব্যক্তি কোন কারণ বশত: রাতে পড়তে না পারলে সূর্য উঠার পর ও যোহরের সময় হওয়ার পূর্বে তা পড়ে নিতে পারে।



জামায়াতে পড়া: রামাযান ছাড়া অন্য সময় মাঝে-মধ্যে জামায়াতে পড়া জায়েজ আছে। তবে নিয়মিতভাবে নয়। রামাযানে তারাবীহ জামাআতে পড়া সুন্নত।



নিয়মিত পড়া: নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়াআল্লাহ তায়ালার নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয় আমল।



আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তার পছন্দীয় আমল গুলো সম্পাদন করে তাঁর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত করে নিন। আমীন।

Photo: তাহাজ্জুদ সালাতের বিধিবিধান ফযীলত: ফরজের পরে তাহাজ্জুদের সালাত আল্লাহ তায়ালার নিকট সবচেয়ে প্রিয়। এটি নিরাপদে জান্নাত লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। সময়: অর্ধ রাতের পরে। রাতের শেষ তৃতীয়াংশে পড়া উত্তম। তবে ঘুম থেকে না জাগার সম্ভাবনা থাকলে ইশা সালাতের পর দু রাকআত সুন্নতের পর ও বিতরের আগে তা পড়ে নেয়া জায়েজ আছে। রাকআত সংখ্যা: সর্ব নিম্ন দু রাকআত। আর সর্বোচ্চ ৮ রাকায়াত পড়া উত্তম। তবে আরও বেশী পড়া জায়েজ আছে। এরপরে বিতর নামায পড়া। তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ম: দু রাকআত দু রাকআত করে যথা সম্ভব লম্বা কিরাআত, লম্বা রুকু ও সেজদা সহকারে একান্ত নিবিষ্ট মনে পড়া। পড়ার স্থান: ঘরে পড়া উত্তম। তবে মসজিদে পড়াও জায়েজ আছে। কিরাআত: উঁচু বা নিচু উভয় আওয়াজে পড়া জায়েজ আছে। তবে কারো কষ্টের কারণ হলে চুপিচুপি পড়া কর্তব্য। ছুটে গেলে: তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত ব্যক্তি কোন কারণ বশত: রাতে পড়তে না পারলে সূর্য উঠার পর ও যোহরের সময় হওয়ার পূর্বে তা পড়ে নিতে পারে। জামায়াতে পড়া: রামাযান ছাড়া অন্য সময় মাঝে-মধ্যে জামায়াতে পড়া জায়েজ আছে। তবে নিয়মিতভাবে নয়। রামাযানে তারাবীহ জামাআতে পড়া সুন্নত। নিয়মিত পড়া: নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়াআল্লাহ তায়ালার নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয় আমল। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তার পছন্দীয় আমল গুলো সম্পাদন করে তাঁর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত করে নিন। আমীন।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১:২৫

পে পোঁ কইরেন না, যান। বলেছেন: apnar ai post ta khob e sondor.


Apnar ai post ta pore amra onke e onek kicho jante perechi.r amaderke ai jananor fole allah tayala apnake uttom protidan dan koron.

Apnar ai post ta amar khob valo legeche,tai ato long comment korlam.

২| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১:৩৪

বাশের কলম বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.