| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজনৈতিক দলগুলোর অদুরদর্শিতার কারণে আজ থেকে ৪২ বছর আগে যুদ্ধকালীন সময় ঘটে যাওয়া বর্বচিত হত্যাকান্ডের বিচার এমন সময় হচ্ছে যখন জাতির এগিয়ে যাওয়ার সময়, অথচ কিছুদিন থেকে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো দেশকে কম করে হলেও ২০ টি বছর পেছনের দিকে নিয়ে গেছে। সবাইকে মনে রাখতে হবে তারুন্যের ঐক্যতার মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে জাতি কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব।
ত্রুটি-বিচুত্তিপূর্ণ ট্রাইবুনালের কারণে বাদী বিবাদী কোনো পক্ষের কাছেই রায় গ্রহণ যোগ্য হচ্ছে না। যার ফলস্বরূপ এক দিকে গড়ে উঠেছে গণজাগরণ মঞ্চ যারা কিনা সরকারের বিরোধিতা না করে সরকারের মদদে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় নির্বিহ্নে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে, যেখান থেকে বিভিন্ন সময় নানারকম কর্মসূচি ঘোষণা করা হচ্ছে এবং তা একটি দলের লোকজন হুকুমের গোলামের মত তাদের সেই কর্মসূচি পালন করছেন ও অন্যদেরকে পালন করতে বাধ্য করছেন - যা কিনা অগণতান্ত্রিক। অহিংস আন্দোলনের নামে সহিংস ও নানারকম উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে, রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলনকে প্রতিরোধেরও ডাক দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে জামাত শিবির রায়ের বিপক্ষে গিয়ে হরতাল দিচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সহিংসতায় লিপ্ত হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রায় অর্ধ শতাধিক লোকের মৃত্যু হয়েছে গত ২ দিনের সহিংসতায় । এর দায় কে নিবে?
অথচ আজ যদি ট্রাইবুনাল আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নিরপেক্ষ ভাবে বিচার কার্য চালাত তাহলে তা সবার কাছেই গ্রহণযোগ্য হত এবং জাতি এতটা বিভক্ত ও সহিংস হত না।
দেশ আজকে ক্রান্তিকালের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করছে, রাজনৈতিক অস্তিতিশীলতা, দুর্নীতি, সহিংসতা, সন্ত্রাসের কারণে অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে, বেবসা বানিজ্যে ধ্বস নামছে, সেদিকে তারুন্যের সজাগ হওয়া আজকে সবচেয়ে বেশি জরুরি।
আজকের তরুণরাই আগামীর সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলবে এটা বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসাবে আমি সপ্ন দেখতেই পারি। কিন্তু যখন তাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতাদর্শের পার্থক্যকে কেন্দ্র করে হানাহানি হয় সংঘাত হয় তখন আমার স্বপ্ন হোচট খায়। আজকের তরুনদের মধ্যে ভালবাসার প্রচন্ড অভাব দেখতে পাই। তাই শেষে বলতে চাই।
ভালবাসার বিকল্প নাই, ঐক্যবদ্ধ জাতি চাই ।
©somewhere in net ltd.