| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশে যখন প্রথম গ্রেডিং সিস্টেম চালু হলো তার খেসারত দিতে হলো ২০০২,২০০৩,২০০৪ ও ২০০৫ সালের এস.এস.সি পরিক্ষার্থীদের।শিক্ষকদের সংকীর্ণমনার ধারা থেকে বের হতে আসতে বেশ সময় লেগে যায় ।আমাদের ব্যাচের অনেক মেধাবী ছাত্রদের যে রেজাল্ট হয় তা মেনে নিতে বেশ কষ্ট হয়েছিলো।আজ যখন ছোট ভাইয়েরা প্রশ্ন করে ভাই আপনার এস.এস.সি রেজাল্ট কী?তখন তাদের সামনে বেশ লজ্জায় পড়ে যায়।
ঠিক একই ভাবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ভবিষ্যত নষ্ট করার অভিনব প্রন্থা হলো গ্রেডিং সিস্টেম।আজ আমি এক ছোট ভাইয়ের রেজাল্ট দেখে হতভম্ব হয়ে যায়।কলেজ ওয়াইজ রেজাল্ট সার্চ দিয়ে দেখি অবস্থা ভয়াবহ।তিতুমীর কলেজের ইকোনোমিক্স বিষয়ে পাশের হার-৩৩%।যারা পাশ করেছে তাদের মধ্যে ৩ পয়েন্ট পেয়েছে মাত্র ৪ জন বাকী সবাই ২-১ পয়েন্ট করে পেয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা বি.বি.এ করছে তাদের প্রতিযোগীতা করতে হবে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে।প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে পরীক্ষা দিলেই ৩ এর উপরে পাওয়া যায়।তাহলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কী দোষ করলো?তারা কী মেধা শূণ্য?
সময় থাকতে ছাত্রদের এ বিষয়টি নিয়ে আন্দোলন করা দরকার।নইলে ভবিষ্যত জীবনে এ বোঝা বয়ে বেড়াতে হবে।
©somewhere in net ltd.