নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের সন্ধানে

আমি আমার স্বল্প জ্ঞান থেকে আপনাদেরকে কিছু শেয়ার করতে চাই এবং আপনাদের কাছ থেকে মূল্যবান কিছু নিতে চাই।

হেডমাষ্টার সাহেব

অনুসন্ধান

হেডমাষ্টার সাহেব › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামী শরীয়াতে টাখনুর নীচে কাপড় ঝুলিয়ে পরার শাস্তি।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২০



"বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম"



লুঙ্গি, পায়জামা, প্যান্ট ইত্যাদি কাপড় যদি পায়ের টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে

পরিধান করা হয় এবং তার উদ্দেশ্য হয় অহংকার করা, তবে তার শাস্তি হল

কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তা"আলা তার দিকে তাকাবেন না, তার সাথে কথা বলবেন না,তকে পবিত্র করবেন না এবং তার জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি। আর যদি অহংকারের সাথে নয় বরং সাধারনভাবে কাপড় ঝুলিয়ে পরে, তবে তার জন্য শাস্তি হল - তার টাখনুদ্বয়কে জাহান্নামের আগুনে পোড়ানো হবে।



রসুল (সঃ) বলেছেন, "কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তা"য়ালা তিন ব্যক্তির দিকে তাকাবেন না,তাদের সাথে কথা বলবেন না,তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি। সেই তিন ব্যক্তি

হল -১)পায়ের টাখনুর নীচে কাপড় ঝুলিয়ে পরিধানকারী্ (২) দান করে খোটাদানকারী এবং (৩)মিথ্যা শপথ করে পণ্য বিক্রয়কারী।" সহীহ মুসলিম



অনেকে কাপড় ঝুলিয়ে পরিধান করে এবং যুক্তি দেখায় যে আমিতো

অহংকারবশতঃ কাপড় টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে পরি নাই, সুতরাং এতে তেমন কোন অসুবিধা নেই। উল্লেখিত হাদিস থেকে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, এ ব্যক্তির যুক্তি সম্পূর্ণ অসার ।

অতএব অহংকারের উদ্দেশ্য ব্যতীত এমনিই সাধারনভাবে কাপড় টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে পরলেই জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে হবে । আর

তার সাথে যদি অহংকারযুক্ত হয় তবে তার শাস্তি আরও কঠিন, আর তাহল - আল্লাহ তার সাথে কথা বলবেন না, তার দিকে তাকাবেন না,

তাকে পবিত্র করবেন না এবং তার জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।



এ প্রসংগে অনেকে হযরত আবু বকর (রাঃ) এর হাদীস দ্বারা দলীল দিতে চান । দুদিক থেকে তাদের যুক্তি ভিত্তিহীন ।

প্রথমতঃ আবু বকর (রাঃ) বলেছেন , "আমার কাপড়ের এক পার্শ্ব(অনিচ্ছাকৃত) ঝুলে পড়ে কিন্তু আমি তা বারবার উঠিয়ে নেয়ার চেষ্টা করি।"

(আহমাদ, আবু দাউদ)। অতএব তিনি ইচ্ছাকৃত একাজ করতেন না। বরং তার শরীর অধিক ক্ষীন হওয়ার কারনে অনিচ্ছাকৃত কাপড় খুলে যেত। তা

ছাড়া তিনি তা উঠিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতেন ।কিন্তু যারা কাপড় ঝুলিয়ে

পরে এবং ধারনা করে যে, তারা অহংকার করেনা, তারা তো ইচ্ছাকৃত এ

কাজ করে ।

দ্বিতীয়তঃ রসুল(সঃ) নিজেই আবু বকর (রাঃ)কে পরিশুদ্ধ করেছেন এবং সাক্ষ্য দিয়েছেন যে,তিনি সেই সকল লোকদের অর্ন্তভুক্ত নন, যারা অহংকারবশতঃ একাজ করে থাকে। অতএব বর্তমানের এরা কি নবীজীর

এ পরিশুদ্ধি লাভ করেছে? কিন্তু শয়তান প্রবৃত্তির অনুসারী লোকদেরকে

কুরাআন-সুন্নাহ থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ উক্তিসমূহকে খেয়াল-খুশির উপর ব্যবহার করতে উদ্ধুদ্ধ করে। তখন তারা বিভ্রান্ত হয়।



আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সঠিক পথে পরিচালিত করে থাকেন।

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +৬/-৬

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৩

মুভি পাগল বলেছেন: +++++++++++

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৮

হেডমাষ্টার সাহেব বলেছেন:
অ.............নে...........ক
অনে.........................ক
ধ....ন্য.........................বাদ।

২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩১

কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: +++++++++

৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: লুঙ্গি, পায়জামা, প্যান্ট ইত্যাদি কাপড় যদি পায়ের টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে
পরিধান করা হয় এবং তার উদ্দেশ্য হয় অহংকার করা, তবে তার শাস্তি হল
কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তা"আলা তার দিকে তাকাবেন না, তার সাথে কথা বলবেন না,তকে পবিত্র করবেন না এবং তার জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।

এই তাইলে মহান দয়াময় আল্লাহর অবস্থা?

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩

হেডমাষ্টার সাহেব বলেছেন: সম্ভবতঃ পরীক্ষা ছাড়া ছাত্র-জীবন চাচ্ছেন?
কে না চায় বলুন?

৪| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৪

শয়তান বলেছেন: কাপর এর আবিষ্কার কবে হৈসিল ?? তার আগের মানুষদের কি হবে ?

৫| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫২

আইলা বলেছেন: হমম ... পোলাপাইন এইজন্যই ৩ কোয়ার্টার প্যান্ট পড়ে.. বলেন সোবহানআল্লাহ। অথচ আমরা তাদের ভুল বুঝি ;)

আচ্ছা মেয়েদের জন্য কি ব্যবস্হা ?

৬| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: কথা ঘুরান ক্যান? আমি জিগাইলাম যে সামান্য ঝুলায় কাপড় পরার কারণর যেই স্রষ্ঠা আমারে আগুনে জালায়া দিবে তার প্রতি আমি স্রদ্ধা আইবো কেমনে? কথায় কথায় জালায়া দাও পুড়ায় কাবাব বানাও, এইটা কিরকম নিষ্ঠুরতা আর প্রতিহিংসাপরায়ণতার লক্ষণ না? ভাইবা জবাব দেন। মানে আমি কই যে, বলা হয় আল্লাহ সবচেয়ে দয়ালু, এইডা কি দয়ার নমুনা?

৭| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩

রাজিব খান০০৭ বলেছেন: শ্রদ্ধা না আসলে নাই।এত চেচান কেন? আপনাকে শ্রদ্ধা করেন না করেন না তা নিয়ে তো কেউ মাথা ঘামাতে যাচ্ছে না।@gf

৮| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩

অরণ্য আশরাফ বলেছেন: শয়তান বলেছেন: কাপর এর আবিষ্কার কবে হৈসিল ?? তার আগের মানুষদের কি হবে ?


লেখকের কাছে জানতে চাই মোজা পরার ব্যাপারে কি বিধান?

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২০

হেডমাষ্টার সাহেব বলেছেন:

মহান আল্লাহ বলেছেন," কোন জাতিকে তার নির্ধারিত শরীয়তের বাইরে কোন প্রশ্ন করা হবে না ।" শরীয়তের নির্ধারিত ইবাদত পালন করতে অসুবিধা হবে, এরকম ক্ষেত্রে অনেক ছাড় রয়েছে আমাদের জন্য । শুধু আমরা জানিনা এই যা। জানার ইচ্ছা থাকলে নিদির্ষ্টভাবে প্রশ্ন করতে পারেন। আমার জানা থাকলে সাধ্যানুযায়ী চেষ্টা করবো জানানোর। একটা উদাহরন দেই,সমুদ্র বা পানি পথের যাত্রায় দুর্ঘটনাবশতঃ কোন নৌযান ডুবে যাওয়ার প্রেক্ষিতে যদি যাত্রীর পরিধানে কোন বস্ত্র না থাকে তাহলে বস্ত্রহীন অবস্হাতেই তার সলাত আদায় হয়ে যাবে।

মোজার সাথে আলোচ্য আলোচনার কোন সম্পর্ক নেই। মোজায় কোন সমস্যা নেই।

৯| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪

রাজিব খান০০৭ বলেছেন: আপনাকে নয় আপনি লেখতে চেয়েছিলাম

১০| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৭

ধ্রুব তারা বলেছেন: টাখনু অর্থ কী? (অর্থটি সত্যিই জানি না। ঠাট্টা করে লেখছি না)

১১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৬

ঝড়১২৩ বলেছেন: এইসব ভুয়া, মিথ্যা কথা কেন হাদিসের নাম দিয়ে চালানো হচ্ছে বুঝতেছিনা। আর এইসব কারনেই বিশ্বের জ্ঞানীরা এই মুসলমানদের দেখলে হাসে, ধিক্কার দেয়, ঠাট্টা করে। কেন ভাই শুধু শুধু নবী (সঃ) সাথে মিথ্যা আরোপ করছেন? যদি বলেন মুসলিম হাদিসে আছ বোখারীতে আছে। তাহলে ছিড়ে ফেলুন ঐ সকল হাদিস বই। নয়ত এসব নবী (সঃ) এর সাথে বেয়াদবী করা হয়, আর আল্লাহর সাথে বেয়াদবী হয়।
ধর্মের নামে যতসব কুৎসা রটানো।

ভালো থাকবেন।

১২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪১

নাগরিক বলেছেন: গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: সামান্য ঝুলায় কাপড় পরার কারণে যেই স্রষ্ঠা আমারে আগুনে জালায়া দিবে তার প্রতি আমার স্রদ্ধা আইবো কেমনে? কথায় কথায় জালায়া দাও পুড়ায় কাবাব বানাও, এইটা কিরকম নিষ্ঠুরতা আর প্রতিহিংসাপরায়ণতার লক্ষণ না? ভাইবা জবাব দেন। মানে আমি কই যে, বলা হয় আল্লাহ সবচেয়ে দয়ালু, এইডা কি দয়ার নমুনা?

১৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: আজাইরার একশেষ পোস্ট।

১৪| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৫

পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন:
@ধ্রুব তারা- টাখনু মানে পায়ের গিরা। নিচের ছবির fulcrum axis

১৫| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

সত্য কথায় যত দোষ ! বলেছেন: ঝড়১২৩@ বলেছেন; এ সব ভুয়া মিথ্যা কথা কেন হাদীসের নাম দিয়ে চলানো হচ্ছে তাহা বুঝতে পারছি না। এ কারনেই বিশ্বের জ্ঞানীরা মুসলমানদের দেখলে হাসে।

লেখক আপনার মন্তব্যের উত্তর দেবার আগে আমি সংক্ষেপে একটু আলোচনা করতে চাই। রাগ করবেন না ভাই/বোন ঝড়১২৩। আপনার নাম শুনে বুঝতে পারছি না আপনি মুসলিম, অমুসলিম নাকি নাস্তিক। তাহলে আলোচনাটা করতে সুবিধা হতো। একজন মুসলিমকে বোখারী ও মুসলিম শরীফের সংগা বোঝানো যত সহজ অমুসলিমকে ততোটা সহজ না। আবার নাস্তিককেতো ধর্মই বোঝানো যায় না; হাদীসতো পরের কথা। যাই হোক............

০১) লেখক যে হাদীসটার বর্ণনা করেছেন তাহা আমিও স্বচক্ষে পড়েছি। সুতরাং মুসলমান হলে বোখারী ও মুসলিম শরীফের হাদীসকে ভুয়া বলার হিম্মত কোন ঈমানদার মুসলমানের নাই এবং কোন বেঈমান মুসলমানেরও নাই। আপনি সম্ভবত এ দু'টোর কোনটাই নন।

০২) আল কোরআনের বাণী এবং সহীহ হাদীস শুনে যারা হসে, মুসলমানদের ঠাট্টা,বিদ্রুপ করে তারা আপনার চোখে জ্ঞানী বা মহাজ্ঞানী হতে পারে; আল্লাহর কাছে তিনি মাহ মূর্খ্, কাফের এবং গরীব। যেমন রুশদী, কোরআনের বিপক্ষে লিখে বিশ্বে আড়োলন তুলেছিলেন। আপনি হয়তো অধিক দামে তার কপিটা সংগ্রহ করে পড়েছেন অথচ ঘরে যদি কোরআন থাকে তাহার পাতা খুলেও দেখননি, অবশ্য যদি মুসলমান হয়ে থাকেন।

০৩) নবীর কোন সহীহ হাদীস আপনার মত জ্ঞানীদের চলাচলের বিপক্ষে গেলে, তা কি ছিড়ে ফেলতে হবে? আমার জানা মতে উন্নত বিশ্বে জ্ঞানীরা শুকরের মাংস খায়, অবৈধ্য মেলা-মেশা করে, মদ খায়। যেহেতু আল কোরআনে এগুলো সবই হারাম, তাহলে আপনিকি জ্ঞানীরা শুনে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে বলে আল-কোরআনের পাতা ছিড়তে বলবেন?

০৪) বোখারী মুসলিম কোন পর্যায়ের হাদীস আপনি জানেন কি? না জানলে জানার চেষ্টা করুন। এই দুইটা হাদীসের বই ছিড়তে বলে আপনি অলরেডি আল্লাহ এবং তাঁর প্রিয় নবীর সাথে যে বেয়াদবী করেছেন তা হতে পরিত্রান পেতে চাইলে এক্ষনি তওবা পড়ে ক্ষমা চান।

০৫) ধর্ম কি, আপনিতো ভাই সেই সংগাই জানেন না। তাহলে কুৎসার সংগা জানবেন কি করে?

যারা সত্যিকারের বিশ্বাসী তারা বোখারী, মুসলিমের নাম শুনলেই চুপ মেরে যায়। বিতর্ক তারা করে যারা এই দু'টো হাদীসের নাম এবং এর মর্যাদা সম্পর্কে অজ্ঞ/তাদের মত জ্ঞানী।

আল্লাহ পুরুষদের টাখনুর নীচে কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন অথচ পুরুষরা প্যান্ট পরে জুতার নীচঅব্দি। অন্যদিকে মেয়েদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পায়ের পাতা ঢাকতে অথচ তারা পাজামা পরে টাখনুর উপরে! হয়তো এই বাংলাদেশে একদিন দেখবেন ছেলেরা বোরখা পরে হাটছে আর মেয়েরা স্যান্ডোগেঞ্জি গায়ে চুলে আর্মি ছাট দিয়ে প্যান্ট পরে হাটছে।

উন্নত বিশ্বের জ্ঞানী মেয়েরা ট্যাং টপ পরে চলা ফেরা করে আর তাই দেখে আমাদের দেশের উর্বর মস্তিস্কের জ্ঞানীরা ভাবে, আহ্ কি চিজ! এটাই হওয়া উচিত সারা বিশ্বের কালচার।
মুসলিম নারীদের হিজাব পরতে দেখলে উন্নত বিশ্বের জ্ঞানীরা সমালোচনা করে এবং তার সাথে কন্ঠ মিলিয়ে ঝড়১২৩@ এর মত জ্ঞানীরা বাহাব দেয়।

পরিশেষে লেখককে ধন্যবাদ এই সহীহ হাদীস ব্লগে প্রকাশ করার জন্য। তবে ভাল হত যদি হাদীস নম্বর এবং পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকত।

১৬| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৫

সত্য কথায় যত দোষ ! বলেছেন: নাগরিক এবং গ্রাউন্ড ফ্লোর @ বলেছেন; কথায় কথায় জ্বালায়ে দাও পোড়ায়ে দাও এমন হইলে আল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা আইবো কেমনে?

ব্রাদার আপনাকে একটা কথা বলি, আল্লাহকে আপনি শ্রদ্ধা করেন বা না-ই করেন তাহাতে আল্লাহর কিছুই যায় এসে না। কারন তিঁনি কারো মুখাপেক্ষি নন। মহান আল্লাহ পাক কাল কেয়ামতের মাঠে কারো সাথে অনু পরিমানও অবিচার করবেন না। তিনি তাঁর পবিত্র কোরআনে মানব জাতির জন্য চমৎকার গাইড লাইন দিয়ে দিয়েছেন মহানবী (সঃ) এর মাধ্যমে। এখানে ভাল কাজের ফল এবং মন্দ কাজের ফল দু'ই বর্ণিত আছে। আল্লাহ যদি দয়ালু না-ই হতেন তাহলে আপনার আমার অস্তিত্বই থাকতো না। হয়তো কোন পাপর ফল স্বরূপ নিশ্চিহ্ন করে দিতেন। যেমন দিয়েছিলেন সামুদ ও আ'দ জাতীকে।

যাদের ভাল কাজের পুরষ্কারের কোন লোভ নাই, তাদের মন্দ কাজের শাস্তিরও কোন ভয় নাই। সুতরাং তাদের জন্য উপদেশ হচ্ছে, মাস্তি কর, আয়েশ কর, যা খুশী তা-ই খাও,যা খুশী তা-ই কর আর মৃত্যুর পরে জাহান্নামে যাও।

১৭| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৫

রহমানরক্তিম বলেছেন: সত্য কথায় যত দোষ !আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ.....কারন লিখক বিষয়টি ক্লিয়ার করতে পারেনি যতটা আপনি পেরেছেন.........

১৮| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯

পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: আপনার সন্তান নাস্তিক হলে তা মেনে নেবেন কি? (একটি জরিপ পোস্ট)

১৯| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০১

পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন: আপনার সন্তান নাস্তিক হলে তা মেনে নেবেন কি? (একটি জরিপ পোস্ট)

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২১

হেডমাষ্টার সাহেব বলেছেন:

মহান আল্লাহ যেন এমনটি না করেন।

২০| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৫

দ্রীঘাংচু বলেছেন: মাস্টর্সাব টাখনু কি আর্বী ওয়াড?

না না হেডি কেম্মে হৈ? আর্বীত্তো "ট" ওয়াডৈ নাই। তৈলে???

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.