নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাংলালাভ

বাংলালাভ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আ গুড হসপিটাল, একটি ভাল হাসপাতাল

০৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:১০

ঢাকার অভিজাত এলাকায় হোটেল রেডিসন এর ঠিক উল্টো দিকে অার্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের গা ঘেষে গড়ে উঠেছে চকচকে এক বিশাল ভবন। এখানে মাত্র ১০ টাকায় উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। হাসপাতালটির নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। কিন্তু এ হাসপাতালটিতে রোগী আসেনা তেমন কারন এর যথাযথ প্রচারের অভাব । এখানে মাত্র ১০ টাকা ফি দিয়ে ডাক্তার দেখানো যায়। ১৫ টাকায় মেলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। ঔষধপত্র সব ফ্রি। এছাড়া কম খরচে আছে বিভিন্ন টেষ্ট এবং অপারেশন এর সুবিধা।



আমাদের চারপাশে অনেক খেটে খাওয়া মানুষ আছে তাদের কাছে এ হাসপাতালটির তথ্য পৌছে দিতে পারলে তারা উপকৃত হবে, চিকিৎসার অভাবে অসহায় গরীব মানুষ গুলো হয়ত আলোর মুখ দেখবে।



আপনার একটা শেয়ার তথ্যটি বহুল প্রচারে সাহায্য করবে

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:২৪

শেখ মেসবাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন: এটি যে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত, তা আমি জানতাম না। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

২| ০৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:২৯

ভোরের সূর্য বলেছেন: ভাল লিখেছেন।আমিও চাই মানুষ এই হাসপাতাল সম্বন্ধে জানুক এবং এই হাসপাতালের সুবিধা নিক।

তবে সাথে সাথে এটাও উল্লেখ করতে চাই যে মানুষ যেন এখানে চিকিৎসা সুবিধার জন্য যেয়ে হয়রানিতে না পড়ে।
এই হাসপাতাল নিয়ে বেশ কয়েকবার পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে কিন্তু আসলে তেমন কোন উন্নতি হয় নাই।
এখানে ১০টা ফি দিয়ে ডাক্তার দেখানো যায় ঠিকই কিন্তু ডাক্তার রয়েছে হাতেগোনা।সাথে সাথে ১৫ টাকা দিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর কথা বলা হলেও আসলে তেমন কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নাই।কম খরচে টেষ্ট এবং অপারেশনের সুবিধার কথা বলা হলেও এখনও সব সুবিধা চালু হয় নি অথচ হাসপাতালটি উদ্বোধনের বেশ কয়েক বছর হয়ে গেল।যারা এখানে চিকিৎসা সুবিধা নিতে যান তাদেরকে আগে খোঁজ নিয়ে যাবার অনুরোধ করছি।

৩| ০৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৪৬

তুষার মানব বলেছেন: কাজের পোস্ট

৪| ০৯ ই জুন, ২০১৪ রাত ৩:৫০

কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: মজার বিষয় হচ্ছে এখানে ইমার্জেন্সী নাই। আমি একবার আহত একজনকে বনানীতে রাস্তায় পেয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম।সিনএনজিতে তোলার সময়, এমনকি হাসপাতালে পৌছে ষ্ট্রেচারে তুলেছি আমি আর সিএনজি চালক মিলে। কোন সাহায্য পাইনি। উনি মারা গিয়েছিলেন, সম্ভবত আমার কোলে সিএনজিতে থাকা অবস্থায়। পরে ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ এসে বেশ ঝামেলা পাকাতে চেষ্টা করেছিল। প্রায় আট নয় ঘন্টা লেগেছিলো সে ঘটনা থেকে নিস্কৃতি পেতে। মৃত ব্যক্তির স্ত্রী-সন্তান না আসা পর্যন্ত ডেডবডি নিয়ে বসে ছিলাম পুলিশ প্রহরায়। কারো মৃত্যুর খবর স্বজনদের কিভাব দিতে হয় তার ন্যুন:তম জ্ঞান ওখানকার সেবিকাদের ছিলনা। সে এক দু:খ আর রাগের অভিজ্ঞতা।

তবে হ্যাঁ সঠিক দেখভালের মাধ্যমে এই হাসপাতালটি হতে পারে ঢাকা মেডিক্যালের সবচে ভাল বিকল্প।

৫| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:০২

তারাবেষ্ট বলেছেন: আমাদের যাদের কোন উপায়ই নেই- তারা আমরাত যাবই!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.