নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সময়ের মূল্য দিতে শিখুন।

রুপকথার গল্প

জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। কেননা ক্ষণস্থায়ী এ পৃথিবীতে আমাদেরকে খণ্ডকালীন সময়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আর এ ছোট্ট জীবনে বিধাতার অভিরুচি অনুযায়ী কর্ম করে যাওয়াটাই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক। তাই প্রত্যেকের মনে চিন্তাধারা থাকা উচিত যে, আমারা উত্তম কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। নিজেকে প্রভুর সান্নিদ্ধে রাখতে সচেষ্ট থাকবো। আমিন।

রুপকথার গল্প › বিস্তারিত পোস্টঃ

এবার ঘোড়ার মাংস কেলেঙ্কারিতে নেসলে

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:১৬

ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বিক্রি করার অভিযোগ নিয়ে ইউরোপ-জুড়ে তুলকালাম চলছে।



এই কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়া প্রতিষ্ঠানের তালিকায় সর্বশেষ অভিযুক্ত হিসেবে যুক্ত হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নেসলের নাম। খবর বিবিসি



খাদ্য-পণ্যে ঘোড়ার মাংসের অস্তিত্ব আবিষ্কার হবার পর নেসলে বাজার থেকে বেশ কিছু পণ্য সরিয়ে নিয়েছে।



সুইজারল্যান্ডে নেসলের সদর দপ্তর থেকে প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি বলছে, গরুর মাংসের র‍্যাভিওলি, টরটেলিনি এবং ল্যাসানিয়া-এই তিন ধরণের খাবার তারা বাজার থেকে তুলে নিয়েছে।



এর আগে এক পরীক্ষায় ধরা পড়ে যে এই খাবার গুলোতে শতকরা এক ভাগেরও বেশী ঘোড়ার মাংসের অস্তিত্ব রয়েছে।



নেসলের একজন মুখপাত্র বলছেন, একটি জার্মান সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পাঠানো খাদ্যদ্রব্যে এই সমস্যাটি ধরা পড়েছে।



এখন তারা গরুর মাংস ব্যাবহার করা হয় এমন প্রতিটি খাদ্যপন্য তারা পরীক্ষা করে দেখছে।



একদিন আগেই নেসলে ঘোষণা দিয়েছিলো যে ইউরোপ-জুড়ে তুলকালাম বাধানো ঘোড়ার মাংস কেলেঙ্কারি থেকে মুক্ত তারা।



আর তার একদিন পরেই এই কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে বাজার থেকে তাদের পণ্য তুলে নেবার ঘোষণা প্রমাণ করছে যে গরুর মাংসের নাম করে ঘোড়ার মাংস বিক্রির ঘটনা যতটা ধারণা করা হয়েছিলো তার চাইতেও ব্যাপক।



সমালোচকরা বলছেন, এর দ্বারা একটি বিষয় স্পষ্ট হচ্ছে, যে খাদ্য শিল্প কতটা অনিয়ন্ত্রিত এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।



এখন পর্যন্ত ইউরোপের বারোটি দেশে ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে চালানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে।



এর মধ্যে নেসলের উৎস-দেশ সুইজারল্যান্ডও রয়েছে। সেখানে নির্ভেজাল এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অর্গানিক খাবারের জন্য বিখ্যাত সুইস প্রতিষ্ঠান কুপ সোমবার বাজার থেকে অন্তত নয়টি খাদ্য-পণ্য সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।



সুইস কর্তৃপক্ষ এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ আনতে যাচ্ছে বলেও খবরে জানা যাচ্ছে।



সুত্রঃ http://ctgtimes.com/archives/21333

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.