নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে... যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে।

সোহানী

আমি অতি বিরক্ত হয়ে আমার অনেক লিখাই ড্রাফটে নিয়েছি কারন সামুতে আমার কিছু ভাবনা শেয়ার করছি, আর এ ভাবনা গুলো আমার অনুমতি ব্যাতিরেকে কপি না করার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু যত্রতত্র আমার লিখার কপি পেস্ট দেখেই যাচ্ছি দিনের পর দিন।

সোহানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ষন বা তেতুল তত্ত্ব বিতর্ক আর মাঝখানে শিশুদের পান্না বা পরিমলদের হাতে বর্গা .......

৩১ শে জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:১২





আমি এ লিখায় প্রথমেই একটি চমৎকার মেয়ে শিশুর ছবি দিয়েছি, তাকিয়ে দেখুন কি নিস্পাপ দুটি চোখ কাল যদি এ মেয়েটি ধর্ষিত হয় আপনার কঠিন হ্রদয়ে কি একটু কষ্টের রেখা দেখা দিবে না ............????



প্রতিটি আলোচিত ধর্ষনের ঘটনার পর হালের পান্না মাস্টার বা পরিমলের ঘটনা বা ভারতে মেডিকেল ছাত্রী দামিনীর গনধর্ষনের ঘটনার পর আমরা শুশীল সমাজ একটু নড়ে চড়ে বসি..... ফেইসবুক বা ব্লগে কয়দিন জোর আলোচনা হয় যেন আগে কখনও কেউ এ অপরাধের খবর জানতো না এইবারেই প্রথম জনসম্মুখে এ ধরনের অপরাধের বিবরন পাওয়া যাচ্ছে।তারপর আবার সব চুপ.... খবরের স্তুপের পরে চাপা পড়ে যায়....। কয়দিন পর



আমরা কতজন দামিনীর খোজঁ রাখি?? কত রীমা সীমা জোবেদা হালিমা সাজিয়া আলেয়ারা দিনের পর দিন এ অত্যাচার সহ্য করেছে .... কিন্তু কিছু বলতে পারেনি সমাজের ভয়ে, তথাকথিত লোকলজ্জার ভয়ে। সমাজ তাকে শিখিয়েছে সহ্য করতে, মুখ বুজে সহ্য করতে কারন ধর্ষনের কথা মেয়েটির জীবনে নিয়ে আসবে আরো শতবার ধর্ষন। আর এ সুযোগে চলছে নীরব ধর্ষন দিনের পর দিন। একটি আট বছরের ছেলেটির এ উত্তর জানা না থাকলে একটি আট বছরের মেয়ের জীবনে হয়তো ঘটে গেছে এর থেকেও ভয়াবহ ঘটনা.. তাকে হয়তো আজ এতটুকু বয়সে উত্তর খুজতে হয়না কারন সেই এর শিকার....।



প্লিজ আমার শিশুটিকে বাঁচতে দিন কখন কার শিশুটির জীবনে যে পরিমল বা পান্না মাস্টাররা এসে তার চমৎকার শৈশব কেড়ে নিবে না তার গ্যারেন্টি কোথায়??? তার শৈশব শুরু না হতেই নরপশু শিশুলোভী হায়েনাদের থাবা থেকে আমার আপনার শিশুটিকে বাঁচবে কিনা তার নিশ্চয়তা কোথায়? শৈশবের আনন্দ আমরা তাকে দিতে পারিনি তাই বলে বাঁচার অধিকারটুকু তো কেড়ে নিতে পারিনা। যে ফুল বিক্রেতা আজ ধর্ষিত হলো কাল স্কুলে যাওয়ার পথে আমার মেয়েশিশু হয়তো ধর্ষনের হাত হতে বাঁচতে পারবে না..... পরশু আপনার শিশুটি কোথাও একা যাওয়ার পথে কিভাবে তাকে বাঁচাবেন হায়েনাদের থাবা থেকে? কারন কোথাও সে নিরাপদ নয়.....



আজ আমি আপনি সবাই শুনছি কিন্তু এর কি কোন প্রতিকার করতে পেরেছি........?????? প্রতিদিনের নিউজে হেডিং আসা কি বন্ধ হয়েছে....????? আমার আপনার শিশুটি কি নিরাপদে স্কুল থেকে বাসায় আসতে পেরেছে, কোন পরিমল, জয়নাল, রসুলরা কি তাদের পথ আটকায়নি????? উত্তর......হাঁ আটকিয়েছে... প্রতিটি স্থানে, শহরে কি গ্রামে.....পথে ঘাটে স্কুলে কলেজে প্রাইভেট টিচারের কাছে অফিস আদালতে হাসপাতালে...... কিন্তু আমাদের মেয়েরা চুপ থেকেছে, সহ্য করেছে কারন আমরা তাকে শিখিয়েছি এসব কথা বলতে নেই তোমারই খারাপ হবে, তোমাকে খারাপ বলবে, তোমার বিয়ে হবে না, সমাজ তোমাকে দোষ দিবে...শালিসের নামে তোমাকে দোড়রা মারবে, পুলিশ তোমার কেস নিবেনা বরং তোমাকে শতবার ধর্ষন করবে, আদালতে তোমার বিচারের নামে প্রহসন হবে, আবারো তোমাকে ধর্ষিত হতে হবে কাঠগোড়ায়, পুলিশ কাস্টোডিতে... জেলে। কারন তুমিতো মানুষ নও তুমি মেয়েমানুষ ...তোমাকে ভোগ করার...অপমান করার.... মেরে ফেলার অধিকার তাদের আছে। তোমার বিচার চাওয়ার অধিকার নেই...... তোমার এত বড় সাহস ....... তাইতো ধর্ষনের বিচার চেয়েছো বলে জেল থেকে ছাড়া পেয়েই তোমাকে মেরে ফেলা হয়েছে। হাঁ মেরে ফেলা হয়েছে....... কিন্তু আর কতদিন আমরা সহ্য করবো..... রুখে দাড়াবার কি সময় হয়নি.....সময় হয়নি কি বিচার চাইবার?????



আমাদের কি একটু ও টনক নড়ে না ...... ???? আমরা কি একটুও এই অপরাধের গুরুত্ব বুঝতে পারছি না .......????? আমাদের কি আর কোন ক্ষমতা নেই ...........???? আমরা কি একটু বুঝতে পারছিনা এ শিশুটির মানষিক অবস্থা..??? কি নিদারুন কষ্টে তার দিন কাটে... তার শৈশব কাটে...



আমার আপনার শিশুটিকে বাঁচাতে হবে....তাকে একটি চমৎকার শৈশব দিতে হবে..... তাকে একটি সুষ্ঠ পরিবেশ দিতে হবে..... তাকে একটি নিরাপদ সমাজ দিতে হবে.........। রাষ্ট্র যদি আমার আপনার শিশুটিকে নিরাপত্তা দিতে না পারে, সমাজ যদি তাকে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দিতে না পারে তাহলে আমাকে আপনাকেই এগিয়ে আসতে হবে ওদেরকে বাঁচাতে। ওদের ফুটফুটে মুখের দিকে তাকিয়ে আমার আপনার প্রতিবাদ করার সময় এখনই.... আজ আমরা রুখে না দাড়ালে কাল কি পারবো আমার আপনার ফুটফুটে সন্তানটিকে বাচাতে?????

মন্তব্য ৩৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩৭) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:১৫

তানজিয়া মোবারক মণীষা বলেছেন: কেউ বদলাতে চায় না ভাইয়া, কেউ বদলে দিতে চায় না, কেউ বদলাবেও না। ছোট চিন্তায় গন্ডিবদ্ধ থাকতেই সবাই অভ্যস্ত। মেয়েদেরকে পণ্য হিসেবে চিন্তা করলে, পরিবারেও সেভাবেই তাদের গড়ে তুললে একটা মেয়ের মেরুদন্ড কিভাবে শক্ত হবে। সবার আগে তো পরিবারে তার মর্যাদা থাকবে, একটা সাধারণ বাঙ্গালী পরিবারেই কয়টা মেয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার বা ইচ্ছে প্রকাশ করার ক্ষমতা রাখে? পান্নার মত জানোয়ারগুলোকে যতদিন পর্যন্ত মৃত্যুদন্ড না দেয়া হচ্ছে ততদিন আর কোন মেয়ের নিরাপত্তা জোরদার হবে না। অপরাধের সময় অপরাধীর হাত কাঁপবে কেবল শাস্তির ভয়ে, বিবেকের দংশনে নয়। আমি সবচেয়ে বেশী অবাক হয়েছি যে, যেই মিডিয়া রাজনীতিবিদদের হাঁচির খবরও ব্রেকিং নিউজে প্রচার করে, সেই মিডিয়া আজ এত বড় ব্যধি হলো তবু নিরব কেন।

০১ লা আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯:২৫

সোহানী বলেছেন: মনের গভীরের কথাগুলো বলেছেন। হা পরিবারের ভূমিকা অনেক বড় কারন পরিবার থেকেই তার মর্যাদা তৈরী হতে হবে.........পরিবারই সবচেয়ে বড় ভিত্তি। আর শাস্তির কথা বলছেন.... সেটার অপেক্ষায় আছি কবে আমাদের উপরওলাদের টনক নড়বে।

২| ৩১ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৪০

কসমিক রোহান বলেছেন: আল-কুরআন এবং হাদীস এর আলোকেই তিনি (আল্লামা শফী) তার বক্তব্য দিয়েছেন। আমাদের আল-কুরআন এবং হদীসকে জানতে হবে রুট লেভেল থেকে বিশুদ্ধভাবে, অতপর নিজেই বুঝতে পারবেন ইনশা আল্লাহ্‌।
ইসলাম কে গোড়া বা রুট লেভেল থেকেজানতে হবে, মাঝখান থেকে ইসলাম কে বোঝা যাবেনা।
আলিফ , বা , তা, ছা থেকে শুরু করা যেতে পারে, বুঝতে পারবেন।
মাঝখান থেকে বুঝা যাবেনা কিছুই।
ইসলাম কে শিখতে হবে এমন কারো কাছে থেকে যার ইসলামী ইলম এসেছে উর্দ্ধক্রমে স্বয়ং রাসুলাল্লাহ (সাঃ) কাছ থেকে।
আপনি কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে যেতে পারেন। একদম রুট লেভেল থেকেশিখতে পারবেন।
অন্যথায় একজন আলেম এর কাছে যান, যিনি রুট থেকে ইসলাম জেনেছেন।
আমরা যারা জেনারেল সাবজেক্ট এর স্টুডেন্ট তাদের মেন্টালিক সেটাপ এবং লজিক তৈরী হয়েছে আলাদাভাবে যা আমাদেরকে আমাদের নিজেদের পছন্দমত লজিক গ্রহণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। আমাদের সুবিধা অনুযায়ী লজিক আমরা মানি।
কোন কিছুর উপর ভাসা ভাসা জ্ঞান নিয়ে অনুমান করে লজিক স্থাপন করলে সেটা অধিকাংশ সময়েই ভুল হয়।
একটা ছোট্ট ভুলেই অনেক বড় ক্ষতি হতে পারে।
তাই সাবধানী থাকা শ্রেয়।

ইসলামিক আইন প্রয়োগই কেবলমাত্র সকল সঙ্কট নিরসনের একমাত্র উপায়।

০১ লা আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯:২৯

সোহানী বলেছেন: আপনার কথা ঠিক বুঝতে পারলাম না। আপনি মনে হয় আমার লিখা না পড়ে মন্তব্য করেছেন। আমিতো কোথাও ইসলামের সাথে মতবিরোথের কথা বলিনি!!!!!!!

হা ইসলামে অনেক কিছুর সমাধান দেয় কিন্ত সমাজের ওই নরপশুদেরকে আগে থামাবেন কিভাবে????

৩| ৩১ শে জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:৩৫

কালবৈশাখী ঝড় বলেছেন: এখন এদের বিরুদ্ধে সহিংস হবার সময় এসেছে................ নইলে কাল আমার-আপনার বোন শিকার হবে এই কুকুরদের

০১ লা আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯:৩১

সোহানী বলেছেন: হা ঠিক... সমাজ যদি আমার আপনার নিরাপত্তা দিতে না পারে.......আমাকে নিজেকে বাচাতে নিজেকেই এগিয়ে আসতে হবে....

৪| ৩১ শে জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:০০

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:

আইন আছে দরকার সঠিক প্রয়োগ

০১ লা আগস্ট, ২০১৩ সকাল ৯:৩২

সোহানী বলেছেন: না কথাটা ঠিক নয়, আইন আছে তবে খুব দূর্বল... দরকার কঠিন আইন আর কঠিন প্রয়োগ....

৫| ৩১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ৯:৪৬

নাজিম-উদ-দৌলা বলেছেন:
সমস্যা হচ্ছে কি জানেন? পরিমল একটা মেয়ের সাথে কাহিনী করে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গেল, কিন্তু পান্না ১৫০ মেয়ের লাইফ হেল করে এখনও দাঁত কেলিয়ে হাসছে। পত্রিকা , অনলাইন কথাও খুব বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে না!

০১ লা আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:০০

সোহানী বলেছেন: পরিমল রাজধানীতে বলে গুরুত্ব পাচ্ছে অথচ কত পরিমল সারাদেণে ছড়িয়ে আছে আমরা তাদের কিছুই করছি না.... প্রয়োজন কঠিন আইন আর কঠিন বাস্তবায়ন।

৬| ৩১ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:০০

একজন ঘূণপোকা বলেছেন: তানজিয়া মোবারক মণীষা বলেছেন: কেউ বদলাতে চায় না ভাইয়া, কেউ বদলে দিতে চায় না, কেউ বদলাবেও না। ছোট চিন্তায় গন্ডিবদ্ধ থাকতেই সবাই অভ্যস্ত। মেয়েদেরকে পণ্য হিসেবে চিন্তা করলে, পরিবারেও সেভাবেই তাদের গড়ে তুললে একটা মেয়ের মেরুদন্ড কিভাবে শক্ত হবে। সবার আগে তো পরিবারে তার মর্যাদা থাকবে, একটা সাধারণ বাঙ্গালী পরিবারেই কয়টা মেয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার বা ইচ্ছে প্রকাশ করার ক্ষমতা রাখে? পান্নার মত জানোয়ারগুলোকে যতদিন পর্যন্ত মৃত্যুদন্ড না দেয়া হচ্ছে ততদিন আর কোন মেয়ের নিরাপত্তা জোরদার হবে না। অপরাধের সময় অপরাধীর হাত কাঁপবে কেবল শাস্তির ভয়ে, বিবেকের দংশনে নয়। আমি সবচেয়ে বেশী অবাক হয়েছি যে, যেই মিডিয়া রাজনীতিবিদদের হাঁচির খবরও ব্রেকিং নিউজে প্রচার করে, সেই মিডিয়া আজ এত বড় ব্যধি হলো তবু নিরব কেন।

০১ লা আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:০৪

সোহানী বলেছেন: হা এটাই সত্য..... পান্নার মত জানোয়ারগুলোকে যতদিন পর্যন্ত মৃত্যুদন্ড না দেয়া হচ্ছে ততদিন আর কোন মেয়ের নিরাপত্তা জোরদার হবে না। অপরাধের সময় অপরাধীর হাত কাঁপবে কেবল শাস্তির ভয়ে, বিবেকের দংশনে নয়।

আর মিডিয়ার কথা কি বলবো.... কার পিছনে লাগলে কিভাবে লাভ হবে সেটাই মূখ্য বিষয়।

৭| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:১৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আমরা ধর্ষকদের প্রতি তীক্র ঘৃণা প্রকাশ করতে পারি আর পারি সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে যাতে ধর্ষকদের জন্য কঠিন শাস্তির বিধান করতে পারে।ধর্ষকদের সামাজিকভাবে বয়কট করা। এরজন্য ধারাবাহিক ভাবে লেখালেখি..মতবিনিময় প্রয়োজনে যেখানেই ধর্ষক সেখানেই প্রতিরোধ মতন কর্মসূচি। তাছাড়া আর কি করার আছে। ধর্মীয় অনুশাসনে তো মিচুয়াল সেক্স ও ঘৃণ্য অপরাধ। আর ধর্ষণ তো আরো খারাপ। সবার বিবেক জাগ্রত হোক। মানবতার জয় হোক। রিপু শক্তি বিনাশ হোক।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৫৭

সোহানী বলেছেন: আমাদের তীব্র ঘৃনায় বা সামাজিক বয়কটে কিছু হবে না যতক্ষন না কঠিন আইন হচ্ছে.......। ধর্মীয় অনুশাসন এবং পরিবার ও হতে পারে সহ সমাধান।

ধন্যবাদ...

৮| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:১২

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: ১৯৭১ সালে ৩ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমহানি করার পরও পাকিস্তানিদের সসম্মানে নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যে দেশের জন্মই হয়েছে এতবড় একটি গণধর্ষণের মতো ঘটনাকে প্রোশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে সে দেশে ধর্ষণ সহজলভ্য হবে নাতো কোথায় হবে? বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই ধর্ষক মানিক, শাকিল, মাহবুব, পরিমল, পান্নাসহ নামহীন অসংখ্য রিপুতাড়িত নৃশংস মানুষরূপী হিংস্র ধর্ষকরা জানে যে এদেশে মেয়েদের অবাধে ধর্ষণ করা যায়। দু’একজন হয়তো কপাল খারাপ হলে বিচারের আওতায় আসে কিন্তু বাকী ৯৯ শতাংশের কোন বিচার হয় না। যতদিন পর্যন্ত না এদেশের আইন বিচারব্যবস্থার কোন পরিবর্তন হবে ততদিন পর্যন্ত আমার আপনার ছোট ছোট নিষ্পাপ মেয়েদের কোন নিরাপত্তা নেই।

সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার হলো গত ২৪ বছর যাবৎ আমাদের দেশ চালাচ্ছে দু’জন মহিলা। অথচ তাদের সময়গুলোতে মেয়েরা কিভাবে নির্যাতিতা হচ্ছে, ইভটিজিং এর শিকার হয়ে আত্মহত্যা করছে, ধর্ষিতা হচ্ছে, ধর্ষণের পর হত্যা করা হচ্ছে তাতে তাদের কোন মাথাব্যাথা নেই। এ থেকেই বুঝা যায় তারা কতটা জনবিচ্ছিন্ন। একজন মেয়ে হয়ে তারা আরেকজন মেয়ের কষ্ট বুঝতে পারছে না, আইনকে কঠোর করছে না, বিচার ব্যবস্থাকে নিরপেক্ষ করছে না, ধর্ষককে ফাসির মতো চূড়ান্ত দন্ডে দন্ডিত করছে না যে কারণে আজ মানুষের চেহারারূপী বর্বররা ধর্ষণ করতে উৎসাহিত হচ্ছে, তা ভিডিও করে আবার সকলের সামনে প্রকাশও করছে।

একটি দেশের সরকার চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী। একমাত্র তার পক্ষেই সম্ভব এমন অপরাধের প্রতিকার করতে কঠোর আইন ও শাস্তির ব্যবস্থা করা। সাধারণ জনগনের হাতে আসলে শাস্তি বা বিচার করার কোন ক্ষমতা নেই। গনতান্ত্রিক দেশে জনগণকে সকল ক্ষমতার উৎস বলা হলেও আসলে জনগণের ক্ষমতাই সবচেয়ে কম। তাই আমরা কোন ধর্ষণ হলে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে প্রতিবাদ জানাই, বড়জোড় মানব বন্ধন করি আর সৃষ্টিকর্তার কাথে প্রার্থনা জানাই যেন ঐ মেয়েটির মতো আমার মেয়েটির কোন ক্ষতি না হয়।

বলা হয় শিক্ষা মানুষের মধ্যে সচেতনতা, নৈতিকতা ইত্যাদি তৈরি করে, জীবসত্ত্বার ঘর থেকে মানবসত্ত্বার ঘরে উঠায়। বাংলাদেশে আমরা এখনও কোন পূর্ণাঙ্গ শিক্ষিত প্রজন্ম পাইনি। যখন দু’একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষিত প্রজন্ম পাব তখন আশা করি অধিকাংশ মানুষ মানবসত্ত্বার ঘরে উঠবে এবং এ ধরণের ধর্ষণের ঘটনা কমে আসবে। ততদিন পর্যন্ত কঠোর আইন আর বিচার দিয়ে মেয়েদের রক্ষা না করলে মেয়েদের ধর্ষণ শিকার হওয়াটা বন্ধ করা যাবে না।

হে ধর্ষিতা শিশু, আমরা তোমাদেরকে রক্ষা করতে পারিনি। তোমরা আমাদের কোনদিন ক্ষমা কোর না। আর যারা সামনে ধর্ষণের শিকার হতে যাচ্ছ, তোমরাও আমাদের কোনদিন ক্ষমা কোর না।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:০১

সোহানী বলেছেন: এতো চমৎকার ভাবে মনের কথাগলো লিখেছেন... হা ঠিক ৭১ এ ধর্ষনের বিচার হলে আজ এতটা বাড়তে পারতো না শয়তানগুলো।

আপনাকে পূর্ন একটি লিখার জন্য অনুরোধ থাকলো।

৯| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৪৬

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: আমার আপনার শিশুটিকে বাঁচাতে হবে....তাকে একটি চমৎকার শৈশব দিতে হবে..... তাকে একটি সুষ্ঠ পরিবেশ দিতে হবে..... তাকে একটি নিরাপদ সমাজ দিতে হবে.........। রাষ্ট্র যদি আমার আপনার শিশুটিকে নিরাপত্তা দিতে না পারে, সমাজ যদি তাকে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দিতে না পারে তাহলে আমাকে আপনাকেই এগিয়ে আসতে হবে ওদেরকে বাঁচাতে
একমত
ঈদ শুভেচ্ছা

০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:২৪

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ ঈদ শুভেচ্ছা .........

১০| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:০২

সোহানী বলেছেন: .ঈদ শুভেচ্ছা ............

১১| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৭

মাগুর বলেছেন: অর্থনীতিবিদ ভাইয়ের ৮ নং কমেন্টের সাথে ১০০% সহমত।

আর ধন্যবাদ লেখককে ধর্ষনের মতো একটি সামাজিক ব্যাধি বিষয়ে গুছিয়ে পোস্ট করার জন্য।

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১২:০২

সোহানী বলেছেন: হা আমিও সহমত পোষন করি। ধন্যবাদ লিখাটি পড়ার জন্য।

১২| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:১৩

নির্জন শাহরিয়ার বলেছেন: ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললে কারও সাহস হতো না মেয়েদের দিকে লুলুপ দৃষ্টিতে থাকাতে।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:২৭

সোহানী বলেছেন: সহমত.........

১৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১১:০০

আহমেদ আলিফ বলেছেন:
এই সমস্যার প্রতিকার খুব সহজ নয় । তাই আমাদের সর্বাত্মক ভাবে এগিয়ে আসতে হবে । আমি যে বিষয়ের দিকে জোর দিবো সেটা হচ্ছে-

প্রত্যেক ধর্ষকই কোনো না কোনো মায়ের গর্ভে জন্ম নিয়েছে ! তার ছোট বেলার মাতৃ শিক্ষাকালীন সময়ে সে কি সঠিক শিক্ষা পেয়েছিলো ?
আমি বিশ্বাস করি "মা" রাই পারে একটি নতুন সমাজ উপহার দিতে !

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ৯:২৪

সোহানী বলেছেন: হা মা ই পারে একটি নতুন সমাজ উপহার দিতে কিন্তু সেই মায়েরা কি অবস্থায় আছে এ সমাজে সেটাতো আগে দেখতে হবে। কয়টা মায়ের আছে বাক স্বাধীনতা বা সংসারে অধিকার???? না নেই..... শুধু মা নয় ...বাবা/কঠোর আইন/সমাজ সব কিছুরই পরিবর্তন দরকার....

ধন্যবাদ

১৪| ২১ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২২

বাকপ্রবাস বলেছেন: এসব বিষয়ে চিন্তা করলে কুল কিনারা পায়না, রাষ্ট্র এগিয়ে আসেনা, সমাজ ভাবেনা, পরিবার আর ভুক্তভুগী নিরবে সয়ে যায় উল্টো সমাজের লোক লজ্বার ভয়ে, তবুও চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে, লিখালিখি, ব্লগ, ফেইসবুক, মিডিয়া সব ক্ষেত্র ব্যাবহার করে সচেতনতা বাড়াতে হবে

২৪ শে আগস্ট, ২০১৪ সকাল ১০:০৭

সোহানী বলেছেন: হাঁ সত্যিই তাই।

এ যেন রাস্ট্র, সমাজ, তথাকথিত বুদ্ধিজীবি বা সর্বোপরি মিডিয়ার কোনপ্রকার দায় নেই। কিছুদিরন পরপর একটি ঘটনা ঘটে... তারপর মিডিয়া কোমর বেধেঁ লাগে, অনলাইন এ্যাক্টিভিস্টরা চেঁচিয়ে গলা ফাটায়... তারপর আবার চুপ পরবর্তী কোন ঘটনা ঘটা পর্যন্ত............. এভাবে চলছে..চলবে......

১৫| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:১৮

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: +++++++++++

'' ধর্ষকদের জন্য একটাই আইন চাই , ৯০ দিনের মধ্যে ফাঁসী চাই । যাবজ্জীবন কিংবা জরিমানা নয় । কোন প্রকার ক্ষমা / বিশেষ ক্ষমা / সাধারণ ক্ষমা নয় । ''


ভালো থাকবেন ।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৪

সোহানী বলেছেন: হাঁ সহমত....

'' ধর্ষকদের জন্য একটাই আইন চাই , ৯০ দিনের মধ্যে ফাঁসী চাই । যাবজ্জীবন কিংবা জরিমানা নয় । কোন প্রকার ক্ষমা / বিশেষ ক্ষমা / সাধারণ ক্ষমা নয় । ''

১৬| ১৯ শে মে, ২০১৭ দুপুর ১২:৫০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: বিভিন্ন পরিস্থিতিতে মনে হয় ধর্ষণ সম্পর্কে কিছু লিখা প্রয়োজন। কিন্তু সময় বেচারা সঙ্গ দেয় না!

খুব গুরুত্বপূর্ণ লিখা লেখেছেন ধন্যবাদ।

২১ শে মে, ২০১৭ সকাল ৯:১৩

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হাবিবী পড়ার জন্য। অবশ্যই লিখবেন। যত লিখবেন তত বেশী সচেতনতা তৈরী হবে....

১৭| ১৯ শে মে, ২০১৭ দুপুর ১:১৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট, আমাদের সচেতন হবার এখনি সময়।

২১ শে মে, ২০১৭ সকাল ৯:১৪

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ লিটন ভাই.............

১৮| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৩১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সোহানী, এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বেশ গুছিয়ে একটা পোস্ট লিখার জন্য।
দেশে ধর্ষকদের বিচারের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড এবং সর্বনিম্ন শাস্তি দশ বছরের কারাদন্ডের বিধান রেখে ট্রাইবুনালে গঠন করে সামারী ট্রায়ালের মাধ্যমে ৯০ দিনের মধ্যে বিচার কার্য শেষ করতে হবে। ধর্ষকদের মৃত্যুদন্ড যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর করতে হবে।
সমাজ সচেতনতামূলক এ পোস্টে ভাল লাগা + রেখে গেলাম। ১নং ও ৮নং মন্তব্যদুটোও ভাল লেগেছে। সেগুলোতেও প্লাস +।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৩৩

সোহানী বলেছেন: আমার অনেক কষ্টের কিন্তু প্রিয় লিখা এটি। পরপর কয়েকটি পত্রিকায় নিউজ দেখে সহ্য করতে পারছিলাম না। নিজেকেই অপরাধী মনে হচ্ছিল। কারন এ শিশুগুলোকে রক্ষার দায়িত্ব আমার, কিন্তু কিছুই করতে পারছিলাম না। এক সময় জার্মান একটা অর্গানেজেশানে কাজ করছিলাম কিছু মাস। উত্তর বঙ্গের অনেকগুলো লোকাল এনজিওর দায়িত্বে ছিলাম তখন। প্রায় সেখানে ট্রেনিং দিতে বা ভিজিটে যেতে হতো। এবং প্রতিটি ট্রেনিং বা ভিজিট মিটিং এ আমি মূল বিষয় থেকে প্রায় সরে যেতাম। শিশু বা জেন্ডার বিষয় নিয়ে আসতাম। পরে ইর্ন্টান্যাশানাল অফার পেয়ে ওটা ছেড়ে দিতে খুব খারাপ লাগছিল। মনে হচ্ছিল ওটাই আমার আসল কাজ।

"দেশে ধর্ষকদের বিচারের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড এবং সর্বনিম্ন শাস্তি দশ বছরের কারাদন্ডের বিধান রেখে ট্রাইবুনালে গঠন করে সামারী ট্রায়ালের মাধ্যমে ৯০ দিনের মধ্যে বিচার কার্য শেষ করতে হবে। ধর্ষকদের মৃত্যুদন্ড যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর করতে হবে।"................. হাঁ এর কোনই বিকল্প নেই।

অনেক ভালো থাকুন প্রিয় লেখক।

১৯| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০২

নতুন বলেছেন: সমাজের মানুষই কিন্তু ধষকের সাজা দিতে তত ততপরনা যতটানা তাকে বাচায়।

সমাজের মাতুব্বর, প্রভাবসালী, পুলিশ,উকিল সবাই মিলে ধষকের পক্ষে কাজ করে যদি সে ঠিক মতন টাকা খরচ করে।

সমাজের ভন্ডামীর উপরে ভর করে এই রকমের অপরাধীরা পার পেয়ে যায়।

তাই ৯০ দিনে বিচার শেষ করার বিষয়টা নিশ্চিত করতে পারলে ভালো হবে।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:১৮

সোহানী বলেছেন: টাকা ভাই টাকা....... টাকা যার দুনিয়া তার।

ওই সামান্য মেয়ের পিছে দাড়িঁয়ে কি কোন টাকা আয় হবে??? না হবে না বরং ধর্ষকের পিছনে হাটলে পকেট ভারী হবে।

আসলে পুরো সিস্টেমই গলদ, এক এক করে অনেক কিছুই পাল্টাতে হবে।

অনেক ভালো থাকেন....... আরো দীর্ঘ সময় আমাদের সাথে থাকুন!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.