নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে। যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে। আমার ফেসবুক এড্রেস: https://www.facebook.com/sohani2018/

সোহানী

আমি অতি বিরক্ত হয়ে আমার অনেক লিখাই ড্রাফটে নিয়েছি কারন সামুতে আমার কিছু ভাবনা শেয়ার করছি, আর এ ভাবনা গুলো আমার অনুমতি ব্যাতিরেকে কপি না করার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু যত্রতত্র আমার লিখার কপি পেস্ট দেখেই যাচ্ছি দিনের পর দিন।

সোহানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুভি "হক" : ডিভোর্সীর হক আবার কি জিনিস, খায় না মাথায় দেয়! :P

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫



একটা ঘটনা শেয়ার করি। আমার কলিগ মারিয়া, মধ্য বয়সী সিঙ্গেল মাদার। চৈাদ্দ ও সাত বছরের দু'টো বাচ্চা তাঁর। স্কুল জীবনের সুইটহার্টের সাথে পনেরো বছর সংসার করার পর ডিভোর্সের পর হাঁটে দু'জনে। স্কুল গ্রেজুয়েশানের পর সংসার বাচ্চা পালনে পুরোপুরিই সময় দেয় তাই পড়াশোনা বা চাকরী কিছুই করা হয়ে উঠেনি মারিয়ার। স্বামী কঠিন পরিশ্রম করে পড়াশোনা, চাকরী, সম্পত্তি, বাড়ি, গাড়ি সবই সামলেছে এক হাতে। তারপর ডিভোর্সের পর কানাডার আইন অনুযায়ী স্বামীর করা সমস্ত সম্পত্তির অর্ধেক মারিয়া পায়। সাথে প্রতি মাসের ভরনপোষন, বাচ্চার জন্য চাইল্ড সাপোর্ট তো আছেই।

কানাডার আইন অনুযায়ী স্বামী স্ত্রী ডিভোর্সের ক্যাচাল বা মারামারি কাটাকাটি যাই করো না কেন বাচ্চাদের ব্যাপারে নো কম্প্রোমাইজ। বাচ্চা মানেই দু'জনের দায়িত্ব। দু'জনেই তাদের দেখভাল ও খরচ দিতে বাধ্য। তবে যে ইনকাম বেশী করে সে বেশী টাকা দিবে আর যার কাছে বাচ্চা থাকবে সে বাচ্চার ফাইনানন্স মেইনটেইন করবে।

যা বলছিলাম, মামলায় আরো রায় হয় যে যেহেতু মারিয়া তার কেরিয়ার সেক্রিফাইস করেছে স্বামীর পড়াশোনা ও চাকরীর জন্য তাই স্বামীর চাকরীর টাকার উপরও তার অধিকার আছে। তাই মারিয়া আবার তার কেরিয়ার শুরু করবে এবং স্বামী তার সব পড়াশোনার খরচ বহন করবে যতদিন পর্যন্ত না সে আয় শুরু করে।

আর আমাদের দেশ ঠিক তার উল্টা। বাচ্চা মানে একাই মায়ের দায়িত্ব, বাচ্চা পয়দা করেই বাপের দায়িত্ব শেষ। একমাত্র সংসার টিকলেই দায়িত্ব তায়িত্বের কথাবার্তা হবে, সংসার না টিকলে কিসের পোলাপাইন আর কিসের স্ত্রী। যখন খুশী স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়া ঘাড় ধরে বিদায় করলেই স্বামী বা বাবার দায়িত্ব শেষ। সমাজ ধর্ম রাস্ট্র স্বামীদেরকে দায় মুক্তি দেয় তালাকের সাথে সাথেই।

ইসলামের শরিয়া অনুযাী তিনমাসের ইদ্ধতকালীন কিছু খরচাপাতি দেয়ার কথা বা দেনমোহরের টাকাও দেয়ার কথা এবং বেশীর ভাগই পুরুষ তা দেয় না। এবার তালাকের পর বউ বাচ্চাগুলা মরলো নাকি বাঁচলো এ নিয়া বাপু বাপেরই মাথা ব্যাথা নাই সেখানে রাস্ট্র সমাজের কি আসে যায়। বাচ্চাদের ভরনপোষন দেবার বিধান হয়তো আছে কিন্তু বেশীর ভাগ বাপই এর ধার ধারে না।

গত বছর মুক্তি পেলেও এ বছর নেটফ্লিক্সে আসার কারনে আবারো আলোচনায় আসে ইমরান হাসমি ও ইয়ামি গৈাতম অভিনিত হিন্দি মুভি "হক"। ১৯৭৮ সালে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের সাহা বানু ও মোহাম্মদ আহমেদ খান মামলার সত্য ঘটনার উপর নির্মিত ছবিটি। একজন অসহায় মা বাচ্চাদের খরচের প্রাপ্য হক আদায়ের জন্য লড়াইয়ে নামে। যেখানে তাঁর স্বামী তথা বাচ্চাদের বাবা স্বনামধন্য ধনী উকিল অথচ খরচের সামান্য ক'টা টাকা দিতেও তার আপত্তি। ভদ্রলোক কোনভাবেই চিন্তা করেনি এ বাচ্চাগুলো তার, তাদের দেখভালের দায়িত্ব সম্পূর্ন তার, উপার্জনহীন সামান্য শিক্ষিত অসহায় এ মায়ের নয়।

কিন্তু বাস্তবতা হলো সাত সাতটা বছর একজন অসহায় মা এ ন্যায্য অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের কারনে অপমান অপদস্থ হতে হয় সমাজ, আদালত, রাস্ট্র, ধর্ম, আলেম সমাজ সহ প্রতিটি স্থানে। এমন কি উকিল স্বামী তাঁর জীবনকে আরো বিষিয়ে তোলার সব বন্দোবস্ত করে প্রতিটি ক্ষেত্রে। আজ থেকে ৫৫ বছর আগে একজন নারী কিভাবে এতো অসামন্জস্য, এতো এতো অন্যায়ের বিরুদ্ধে একা লড়াই করেছে তা এ যুগেও চিন্তা করা যায় না। যদিও যুগ প্লাটেছে কিন্তু নারীর এ হেনেস্তা একই রকম আছে উপমহাদেশগুলোতে।

ধর্মকে ব্যবহার করে কিভাবে পুরুষশ্রেনী অন্যায় করে যাচ্ছে তা দেখিয়েছে এ মুভিতে। প্রথম স্ত্রীর আবেগ ভালোবাসা দায়িত্বশীলতাকে তোয়াক্কা না করে দ্বিতীয় বিয়ে, প্রতিবাদী হলেই তিন তালাক, ডিভোর্সী মানেই সমাজ সংসারে অচ্ছুৎ, সন্তানদের প্রতি দায়িত্বহীনতা, অমানবিকতা এমন অনেক অসাম্জস্য অন্যায় চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে মুভিতে।

তারপর এ মুভি দেখে আমাদের সমাজ জেগে উঠে হইহই করে উঠলো যেন এরকম কিছু যে সমাজে ঘটে তা এ প্রথম জানলো। কি ভয়ংকর অন্যায় চলছে নারীর প্রতি!!!! তারপর.... লেপ মুড়ি দিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়লো আর বিবি তালাকের ফতুয়া খুঁজতে লাগলো।


সোহানী
জানুয়ারী ২০২৬

বি:দ্র: ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি অনেকদিন পর ব্লগে আসার জন্য। ব্যাস্ততায় ব্লগে আসা সত্যিই কঠিন। তারপরও সবাইকে ধন্যবাদ আমাকে না ভুলে যাবার জন্য। :P

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




অনেক দিন পরে ব্লগে আসলেন । গতকাল তব ব্লগে গিয়ে লেখা নিয়ে ফিরে আসাতে বলার ফল কিনা তা জানিনা।
যাহোক ভাইরাল হয়ে যাওয়া একটি মুভি “হক” এর সুবাদে মুসলিম সমাজের বিশেষ করে ডিবর্সী মেয়েদের করুন
জীবন গাথা আর সমাজের এক শ্রেণীর মানুষের আচরণধারা সুন্দর করে তুলে ধরেছেন লেখাটিতে ।

নেট ফ্লিক্সের কল্যানে ছবিটি দেখেছি । হক ছবিটা নিয়ে চারপাশে এত প্রশংসা, এত রিভিউ স্বাভাবিকভাবেই এটা নিয়ে এক্সপেকটেশন আকাশছোঁয়া। এখন এই পোস্টেও দেখলাম এইটা শুধু ভালো সিনেমা না, এইটা একটা চুপচাপ চিৎকার।
“হক” শুধু একটি সিনেমা নয়,এটি একটি সামাজিক প্রতিফলন, যেখানে ব্যক্তিগত বেদনা থেকে শুরু করে সমাজের আইনি
ও নৈতিক কাঠামো পর্যন্ত বিস্তৃত একটি আলোচনার সূচনা হয়। শান্ত, গভীর এবং শক্তিশালী বার্তা বহনকারী এই ছবি
দর্শকের মনে দীর্ঘদিন প্রতিধ্বনিত হয়।

কোনো অযথা মসালা নেই, বাড়াবাড়ি নাটক নেই। খুব সিম্পল ভাবে দেখানো হয়েছে একটা মেয়ের জীবনের যুদ্ধ
আসলে কতটা নীরব, কতটা একা, আর কতটা নির্মম হতে পারে।

আমি এই ছবিটার চরিত্রগুলি নিয়ে নিয়ে লিখবো না।আমি লিখবো একটা জিনিস নিয়ে যেটা পুরো ছবিটা জুড়েই
আমাকে নারিয়ে নাড়িয়ে দিয়েছে।

পুরো ছবিটা জুড়ে একটাই কথা ঘুরেছে, এই মেয়েটা শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার শক্তি পেলো কীভাবে? উত্তর একটাই,
তার বাবা। যখন তার বাবা বলে,“যাই হোক না কেন, আমি আছি তোমার পাশে।” এই এক লাইনের শক্তি যারা বোঝে,
তারা জানে এই বাক্য একটা মেয়েকে নতুন করে বাঁচতে শেখাতে পারে।

এই বাক্য একটা ভেঙে যাওয়া মেয়েকে দাঁড় করাতে পারে।এই বাক্য একটা মেয়েকে বলে দেয়, তুমি একা না।

আমরা যারা এই সমাজে বড় হয়েছি, তারা জানি বিয়ের পর মেয়েরা কেমন করে নিজের পরিবারের কাছেই “বোঝা”
হয়ে যায়।যাই হোক না কেন, মানিয়ে নেয়, সয়ে যায়, লাইফ তো শেষই, এখন আর বাপের বাড়ি না।

মেয়েটা প্রতিদিন একটু একটু করে মরছে কিনা, সে সুখে আছে কিনা, সে নিরাপদ কিনাএই প্রশ্নগুলো কেউ করে না।

একটা মেয়ে যখন ভাঙে, সে আগে ভাঙে নিজের মানুষের কথায়।শ্বশুরবাড়ির আগে সমাজের আগে, সে ভাঙে নিজের
পরিবারের এই মানসিক চাপের নিচে। সহযোগিতা পাওয়ার বদলে আমরা শুনে “লাইফ তোর শেষ!”

এই কথাগুলো মারধরের থেকেও ভয়ংকর। কারণ এগুলো আত্মাকে মেরে ফেলে।একজন বাবা, একজন মা, একটা
মেয়ের জীবনে যে কত বড় সাপোর্ট সিস্টেম হতে পারে, সেটা শুধু একটা মেয়েই জানে।

প্রতিটা মেয়ের জীবনে তার প্রথম হিরো আসলেই তার বাবা।হক মুভিটার সবচেয়ে সুন্দর দিক আমার কাছে এইটাই!
একটা সময়ে দাঁড়িয়ে, যে সময়ে মেয়েদের সত্যিই বোঝা মনে করা হতো,সেই সময়ে একজন বাবা নিজের মেয়ের পাশে দাঁড়ানোর সাহস দেখিয়েছে।

কেও যদি বাবা হয়ে থাকেন এই মুভিটা তাকে মনে করিয়ে দেবে,আপনার একটা “আমি আছি” এই কথাটি
তার মেয়ের পুরো জীবন বদলে দিতে পারে।

শুভেচ্ছা রইল

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:২২

সোহানী বলেছেন: হাঁ, আপনার ও খায়রুল ভাইয়ের আহবান উপেক্ষা করা কঠিন :`> । আসলে ইদানিং ব্যাস্ততা ও বেড়েছে সাথে অলসতাও। তাই লিখা হয় কম বা ব্লগেও আসা হয় না।

আপনার সাথে পুরোপুরি একমত। এখানে সাজিয়া বানুর বাবার ভূমিকা বিশাল। উনার সাপোর্ট না থাকলে সাজিয়া বানু এতাে দূর যেতে পারতো না। এ মুভিতে এতো এতো বিষয় আছে যে প্রতিটাই বিশাল আলোচনার দাবী রাখে। আর আমি শুধু ছোট্ট একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। ডিভোর্সের পর পিতার ভূমিকা প্রাক্তন স্ত্রী বা সন্তানদের কি হতে পারে বা কি হচ্ছে সেটা তুলে ধরার চেস্টা করেছি। কানাডার প্রসঙ্গ আনলাম যাতে পাঠক পার্থক্যটা ধরতে পারে।

এটা ভীষণ দু:খজনক যে আমাদের দেশে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক শেষ হবার সাথে সাথেই পিতার ভূমিকাও শেষ হয়ে যায়।

আপনার কি মনে আছে এক মহিলা সাংবাদিক জয়স্রীর দুই সন্তান এক সাথে আত্মহত্যা করেছিল। কারন ডিভোর্সের পর মা কোনভাবেই সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারছিল না। আর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে সে সন্তানদেরকে নিয়ে দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছিল। সে ঘটনা আমার মনে মারাত্বক প্রভাব পড়েছিল।

আসলে আমাদের দেশের পুরুষরা ভয়ংকর প্রতিশোধপরায়ন ও ভয়ংকর অমানবিক। স্ত্রীর উপর প্রতিশোধ সন্তানদেরকেও বহন করতে হয়। তারা তাদের স্ত্রীদের বোঝাতে চায় দেখ আমাকে ছাড়া তোর কি হাল। কারন বাবা সন্তানদেরকে ছুঁড়ে ফেললেও মা কখনই ছাড়ে না।

গত বছর নিউ ইয়ারে আমেরিকার ১০টা সিটি ঘুরেছিলাম। সরি যাবার আগে আপনাকে নক দিতে ভুলে গেছিলাম। কানাডা টরেন্টোর আশে পাশে আসলে নক দিবেন, দেখা হবে নিশ্চয়। অনেক ভালো থাকেন।

২| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬

নতুন বলেছেন: আমাদের দেশের প্রতিটা নারীর উচিত তার ছেলেদের নারীর প্রতি সন্মান করার বিষয়টা শিক্ষা দেওয়া।

আর সমাজে স্ত্রীর গায়ে হাত তোলাও বড় অপরাধ মনে করে না।

হক বাবার ভুমিকা যেমন দেখিয়েছে, বাস্তবেও বাবার উচিত এমন ভাবেই মেয়ের পাশে থাকা।

আমার মেয়ের জামাই কে আমি বলে দেবো বাবা আমার মেয়ের গায়ে হাত তুললে আমি তোমারে গুলি করবো B-)

ঝামেলা হইলে আলোচনা করবা, কিন্তু কারুর গায়ে হাত তোলা ফৌজদারী অপরাধ সেটা সবার জানা উচিত।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:২৫

সোহানী বলেছেন: সব বাবা যদি আপনার মতো কিংবা সাজিয়া বানুর বাবার মতো হতো তাহলে পৃথিবীর সব অপরাধ ধুয়ে মুছে যেত।

সাজিয়া বানুর বাবার ভুমিকা বিশাল। এ নিয়ে অন্য কোন লিখায় আলোচনা করবো নিশ্চয়। আজ শুধু ডিভোর্সের পর পিতার ভুমিকা নিয়ে কথা বলি।

অনেক ভালো থাকেন।

৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৯

নতুন নকিব বলেছেন:



ইসলাম যখন সত্যিকারের হৃদয় দিয়ে পালন করা হয়, তখন সে সমাজকে শুধু ধর্মীয়ভাবে পরিপূর্ণ করে না, একেবারে ন্যায় আর মানবতার আলোয় ভরিয়ে দেয়। বৈষম্যের কালো ছায়া সরিয়ে দেয়, মানুষকে মানুষের মতো সম্মান করতে শেখায়।

নারীর প্রতি যে সহিংসতা, অবমাননা, লাঞ্ছনা আমরা চারপাশে দেখি, ইসলাম এসেছিল ঠিক সেগুলোর মূলোৎপাটন করতে। নারীকে সে মা বলে শ্রদ্ধা করতে শিখিয়েছে, বোন বলে রক্ষা করতে বলেছে, স্ত্রী বলে ভালোবাসার যোগ্য মনে করতে আদেশ করেছে। ইসলাম নারীর অশ্রুকে হারাম করে দিয়েছে, তার সম্মানকে আকাশের মতো উঁচু করে দিয়েছে।

কিন্তু আজকে আমাদের সমাজের অধিকাংশ দৃশ্য এর বিপরীত। এটা ইসলামের দোষ নয়। এটা আমাদের নিজেদের তৈরি করা অন্ধকার। আমরা ধর্মের নামে মুখোশ পরেছি। আয়াতের আড়ালে লুকিয়ে নিজেদের পশুত্ব ঢেকেছি। ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে, স্বার্থের মোহে আল্লাহর রহমতের ধর্মকে নির্যাতনের হাতিয়ার বানিয়েছি।

তাই দোষ ধর্মের নয়। দোষ অবশ্যই আমাদের। আমরা যদি সত্যিকারের ইসলামকে নিজেদের জন্য অপরিহার্য করে নিতাম, যদি কুরআনের আলো আর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্দর আদর্শ হৃদয়ে ধারণ করতাম, তাহলে আজ আর কোনো মায়ের চোখে ভয়ের ছাপ থাকতো না। ডিভোর্সী নারীদের অসহায়ত্ব আর দেখতে হতো না। কোনো বোনের গলায় কান্নার আওয়াজ দেওয়াল ভেদ করে বের হতো না।

সত্যিকারের ইসলামের শিক্ষা যদি ফিরে আসে, খাঁটি ইসলাম, নরম হৃদয়ের ইসলাম, ন্যায় আর ভালোবাসার ইসলাম, তাহলে দেখা যাবে এই সমাজ আবারও হেসে উঠবে। নারী নির্ভয়ে পথ চলবে। মা-বোনের মুখে আবার হাসি ফুটবে। আর সেই হাসিই হবে সবচেয়ে বড় সাক্ষ্য যে, ইসলাম কখনো নারীর শত্রু ছিল না। বরং সে ছিল নারীর সবচেয়ে বড় আশ্রয়, সম্মান আর ভালোবাসার ঠিকানা।

আমরা যদি শুধু নিজেদের বদলাই, ইসলামকে সঠিকভাবে অনুসরণ-অনুকরণ করি, তাহলে এই পৃথিবীটা আবারও সুন্দর হবে। ইনশাআল্লাহ।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৩১

সোহানী বলেছেন: চমৎকার এ মন্তব্যে ধন্যবাদ।

আমাদের ইসলাম নারীদের সর্বোচ্চ সন্মান দেবার চেস্টা করেছে। এর সামান্যতমও যদি মানুষ পালন করতো তাহলে এতো অন্যায় বৈষম্য পৃথিবীতে থাকতো না।

আমার লিখায় কোথাও ধর্ম বিষয় নিয়ে কথা বলিনি, সন্তানের প্রতি পিতার ভূমিকা ও মানবিক দিক থেকে বিচারের নিয়ে কথা বলেছি।

ভালো থাকুন সবসময়।

৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: মুভিটা দেখি নাই। দেখিবও না। আজকাল মুভি দেখি না। সময় নেই। ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৩২

সোহানী বলেছেন: দেখে ফেলুন, ভালো লাগবে আশা করি।

৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

আলামিন১০৪ বলেছেন: কানাডা'র আইনে দেনমোহরের মতো কি কিছু আছে? কেউ যদি দেনমোহর না দেয় তাহলে কি সেটা ধর্মের দোষ?
আরেকটা খবর দিই যা বোধ হয় আপনি জানেন না, ইসলামে পরিবারের সমস্ত খরচ নির্বাহ করার দায়িত্ত্ব স্বামীর আর স্ত্রীর আয় একান্ত তাঁর । কানাডার আইনে কি এটা আছে? ডিভোর্স হলে স্ত্রীর সম্পদের অর্ধেক তো স্বামীরও পাওয়ার কথা , আমাদেন দেশে কি তা পায়? স্বামীদের অধিকারের বিষয়েও কিছু বলুন।

মুভির পরিবারে বোধ হয় দুইজন বাচ্চা আছে, এরা বড় হয়ে কার এসেট হবে? বাবা নাকি মা'এর? ইসলামে মায়ের কী মর্যাদা দেয়া হয়েছে তা জানতে একটু পড়াশুনা করে নিয়েন।

আর কোন মা যদি শুধু স্বামীর(সন্তান নয়) কারণে তার পড়াশুনা/ক্যারিয়ার বিসর্জন দেয় আর পরবর্তীতে সে স্বামী তাকে তালাক দেয় (অন্যায়ভাবে) তাহলে ইসলামী আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা করলে বিচারক যে তা আমলে নিবেন না, এটা আপনি কোথায় পেলেন?

একটু জেনে বুঝে লিখবেন। ধর্ম নিয়ে অহেতুক চুলকানী হলে তো তা ভালো দেখায় না।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪

সোহানী বলেছেন: ধর্ম নিয়ে আপনার চুলকানীই বেশী। একটু মলম লাগায়ে লিখাটা আবার পড়েন। কি বলতে চাইছি আর কি বুঝছেন B-))

আপনার প্রশ্নের উত্তর দিলাম।

"কানাডার আইনে কি এটা আছে? ডিভোর্স হলে স্ত্রীর সম্পদের অর্ধেক তো স্বামীরও পাওয়ার কথা"

উত্তর: অবশ্যই পাবে। এখানে স্বামী স্ত্রী মূল বিষয় নয়, মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। স্বামী যদি ঘরের কাজ করে ও কোন উপার্জন না করে তাহলে স্ত্রী ডিভোর্সের পর সব খরচ দিতে বাধ্য।

"স্বামীদের অধিকারের বিষয়েও কিছু বলুন।"

উত্তর: অধিকার সবার সমান। স্বামী স্ত্রী মূল বিষয় নয়, মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়।

"মুভির পরিবারে বোধ হয় দুইজন বাচ্চা আছে, এরা বড় হয়ে কার এসেট হবে? বাবা নাকি মা'এর? "

উত্তর: বাচ্চারা এসেট?? বাচ্চারা কি বাড়ি গাড়ি যে এরা বড় হলে কে এর মালিকানা পাবে তা নিয়ে মারামারি করবে? মূর্খদের চিন্তা থেকে বের হয়ে আসেন। বাচ্চারা মানুষ, তারা কারো এসেট না। তাদেরকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে বাবা মায়ের দু'জনের ভুমিকাই আছে। আর সেটা নিয়েই আলোচনা করেছি।

"ইসলামে মায়ের কী মর্যাদা দেয়া হয়েছে তা জানতে একটু পড়াশুনা করে নিয়েন।"

এখানে মাইতো দেখি সব পালন করছে আর বাপ সামান্য কিছু টাকাও দিতে অস্বীকার করেছে। মায়ের মর্যাদা নিয়ে পড়াশুনা না কইরা একটু বাপের দায়িত্ব নিয়া পড়াশুনা করেন।B-))

শুনেন ভাই, গোয়াল থেকে বের হয়ে একটু পড়াশুনা কইরা মন্তব্য কইরেন। অনেক সময় নষ্ট করসি আফনেরে উত্তর দিতে। এতো সময় নাই। আল্লাহ হাফেজ B-))

৬| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ডিভোর্সীর হক আবার কি জিনিস,
.................................................................
ছবিটির সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিতে হবে,
যেখানে ইসলামের সূতিকাগারে ও আমরা অনেক
অসঙ্গত বিষয় দেখি , তাছাড়া ইউরোপ , কানাডার আইনে
যে সকল সুবিধা বা বিচার করে তা গ্রহনের জন্য প্রস্তত নই ।
ইসলামিক অনুশাসনের জীবন আমরা সঠিক ভাবে অনুধাবন করতে পারিনা
সেখানে যদি ধর্মহীন দেশের কোন সুবিধার কথা চিন্তা করি তা কোনভাবেই
প্রযোজ্য হবেনা ।
.......................................................................................................
মুসলিম সমাজের ভিতর থেকে আমরা কি পারব স্বামী ঘরে থাকতে এক্স-বয়
ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরে বেড়াতে বা রাত কাটাতে ???

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯

সোহানী বলেছেন: ধর্মহীন দেশের কোন সুবিধার কথা বলা মানেই রাতারাতি চেইন্জ এর কথা বলছি না। বলা হচ্ছে যেকোন কিছুই বিচারের আগে মানবিক দিকটা দেখা হয় উন্নত বিশ্বে। আর আমরা কিভাবে অমনাবিক হতে পারি, কিভাব ঠকাতে পারি তার সব কলা কৈাশল বের করি। ধর্ম, সমাজ, আইন, কালচার এর সব অনাচার বের করি অনাচার করার জন্য।

আপনিই বলুন, একজন অশিক্ষিত মা টা বাচ্চার ভরন পোষন একা টেনে নিয়ে যাচ্ছে যেখানে সে তার জীনটাই উৎসর্গ করেছে সংসারের জন্য। অন্য দিকে বাবা বা স্বামী হাজার হাজার টাকা আয় করেও এটুকু চিন্তা আসলো না এ বাচ্চাগুলো কিভাবে খাবে কিভাবে চলবে।

কোন মানবিকতা এখানে কাজ করছে???

"মুসলিম সমাজের ভিতর থেকে আমরা কি পারব স্বামী ঘরে থাকতে এক্স-বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরে বেড়াতে বা রাত কাটাতে ???"

মুসলিম সমাজতো মেয়েদের বাঁশ দিতেই ব্যাস্ত থাকে। তো কয়টা মেয়ে এরকম এক্স-বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরে বেড়াতে বা রাত কাটায়??? ১%-২%!!!

আর কয়টা ছেলে বাসায় বাু রেখে অন্য মেয়ের সাথে সম্পর্কে যায়? ৭০-৮০%???

পরিসংখ্যানটা জানা নেই, জানা থাকলে জানাবেন।

৭| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮

ক্লোন রাফা বলেছেন: ছবি’টি দেখার ইচ্ছা আছে/ নেটফ্লিক্সে অনেকবার সামনে এলেও দেখি নাই। সময় স্বল্পতার কারনে!

আমার মন্তব্য করার মুল কারণ সব কিছুতে ইসলাম টেনে আনে যারা তাদের জন্য! নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমাদের দেশের ইসলামিক শিক্ষার মান কি পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে ‼️রাজনীতিতে ইসলামের অবস্থা আরো করুণ। এটা ইসলামের জন্য নয়। যারা মূলত ইসলামকে টেনে হিচরে নিয়ে আসে। আমি এরিয়ে যাই, ধর্ম নিয়ে বিতর্ক। কারণ ইসলামের কতটুকু আমি জানি বা বুঝতে পারি।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৩

সোহানী বলেছেন: এক্সাক্টলি। নিজেদের প্রয়োজনে ধর্মকে অপব্যাখ্যা করে। যেখানে দরকার সেখানে একটা ভুলভাল হাদিস বের করে ব্যাখ্যা দেয়। ইসলাম ইস্যু না, ইস্যু হলো এদের মানসিকতা। মেয়েদেরকে ঠকানোর কৈাশল।

ধর্মের বিতর্কে আমি যাইনা। এটা আমি কোনভাবেই পছন্দ করি না। লিখায় ধর্ম এর কোন ব্যাখ্যায় যাইনি কিন্তু সবাই এটাকে টেনে হিছঁড়ে ধর্মের কোটায় নিয়ে আসার চেস্টা করে। কারন তাদের যখন যুক্তি থাকে না তখন একটাই অস্র ইউজ করতে পারে।

৮| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৯

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: পোসটি পড়লাম। অনেক দিন পরে ব্লগে দেখে খুশি হলাম। সময় করে আসবে ব্লগ পাড়ায়। পুরাতনরা হারিয়ে যাচ্ছে ব্লগ শুণ্য হয়ে যাচ্ছে। নতুনদের আগমন তেমন নেই। আবারো ব্লগে হৈ চৈ শুরু হউক। শুভ কামনা রইলো।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭

সোহানী বলেছেন: অনেকদিনতো কাটালাম ব্লগে, প্রায় ১৯-২০ বছর। নতুনদের এখন হৈচৈ করার সময়।

কিন্তু সারাদিন ফেসবুক আর রিলে বা কন্টেন্ট তৈরীতে এরা ব্যাস্ত। এদের সময় হয়তো নেই ব্লগ পড়ার। তবে ব্লগ কর্তৃপক্ষের তেমন আগ্রহও দেখছি না ব্লগকে পূর্নজীবিত করার।

আবারো ব্লগে হৈ চৈ শুরু হউক। এ প্রত্যাশায়।

৯| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮

সোহানী বলেছেন: ধন্যবাদ। সবার হাতে সময় কম তাই মন্তব্য শূণ্য।

১০| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: এবং আপা আপনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০

সোহানী বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমি জন্মদিনটা খুব উপভোগ করি। কারন এ দিনটায় সবার সাথে যোগাযোগ হয়। হোকনা বছরে একটা দিন, তারপরও সবার সাথে কথা হয় হাজার হাজার মাইল দূর থেকে, বিভিন্ন দেশ থেকে......... এটাইতো বিশাল কিছু।

১১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: লেখক বলেছেন: অন্য দিকে বাবা বা স্বামী হাজার হাজার টাকা আয় করেও
এটুকু চিন্তা আসলো না এ বাচ্চাগুলো কিভাবে খাবে কিভাবে চলবে।

.........................................................................................................
আমি এখন ইউরোপ ভ্রমনে আছি ।
এখানকার চাল চলন, জীবন যাত্রা খুব নিকট থেকে পর্যবেক্ষণ করছি ।
অলসতা কাটায়ে কিছু লিখব আশাকরি ।
প্রাসঙ্গিক একটি বিষয় অবতারনা করতে চাই ,
এখানে জন্মের পর থেকেই ছেলে বা মেয়ের একটি ব্যংক একাউন্ট করতে হয় ।
প্রতি বৎসর বাবা মা তাতে নির্দিষ্ট পরিমান একটি অর্থ জমা রাখেন ।
উপযুক্ত সময়ে ট্যাক্সও প্রদান করতে হয় । ডিভোর্স হয়ে গেলেও বাবা এবং মা
মেয়েটির দেখভাল ও সমস্ত সামাজিক নিয়ম কানুন পালন করে আসছে ।
তাহলে বলুন এটি তো মুসলিম দেশ নয় , আসলে আমরা মুসলিম আইনের কিছুই করিনা
বরখেলাফ করতে করতে সবাই মুনাফেক হয়ে গেছি ।
.................................................................................................................
সমাজ যদি ঠিক না থাকে আর সমাজের মানুষ যদি অমানুষ,
বে-ঈমান হয় তবে,
কোন আইন মানুষকে মানবতা শিখাতে পারেনা ।
যুগে যুগে একারনে বিভিন্ন জাতি ধংশ হয়ে গেছে ।



১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৯

সোহানী বলেছেন: জন্মের পর থেকেই ছেলে বা মেয়ের একটি ব্যংক একাউন্ট করা বা বাবা মায়ের অর্থ জমা রাখাটা বাধ্যতামূলক না। এটা এডুকেশনাল সেভিংস একাউন্ট। তবে কেউ এ ধরনের সেভিংস একাউন্ট খুললে সরকার একটা নির্দিষ্ট পরিমান টাকা দেয়। বাবা মা এ টাকা তুলতে পারে না। বাচ্চারা ইউনিভার্সিটিতে গেলেই সে টাকা তুলতে পারে।

উন্নত বিশ্বে শিশুরা হলো প্রথম প্রায়োরিটি। তাদের জন্য সরকার কঠিন আইন কানুন করে রেখেছে। তাই ডিভোর্স বা কোন কিছুই তাদেরকে এফেক্ট করে না।

আর আমরা মুসলিমরা তো আছি কিভাবে চার বিয়া করবে, বউদের ঠকাবে আর মেয়েদের বাঁশ দিবে। এদের মতো অমানবিক মনে হয় আর হয় না।

১২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমরা মুসলিমরা তো আছি কিভাবে চার বিয়া করবে, বউদের ঠকাবে আর মেয়েদের বাঁশ দিবে।
....................................................................................................................................
সৌদি আরবে এ বিষয় ডাল ভাত, টাকার ও অভাব নেই,
তারপরও কণ্যা সন্তান জীবন্ত কবর দেবার ইতিহাস আছে ।
এখনও ৪ বিয়ের পর , মুতা বিবাহ চালু আছে ,
কে করেছে এই আইন ও প্রথা ???

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৩৩

সোহানী বলেছেন: সৈাদিতো ৪ বিয়ে করে না, ৪০০ বিয়ে করে। আর এরা শেখায় ধর্ম।

আচ্ছা, মুতা বিবাহ নিয়ে আমার প্রশ্ন, শুধু মেয়েদের বেলায় কেন প্রযোজ্য!!! ছেলেদের জন্য নয় কেন??? শাস্তি শুধু মেয়েরা কেন ভোগ করবে? মৃদু প্রহার কেন মেয়েদেরকে দিতে হবে?? .................

১৩| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: "হক" এর বরখেলাপের বোঝা যে কতটা ভারী, মানুষ সেটা আন্দাজ করতে পারলে কখনোই কারও হক পদদলিত করতো না।

প্রথম মন্তব্যেই ডঃ এম এ আলী তার সংবেদনশীল বিশ্লেষণে একজন পিতা হিসেবে আত্মজার হক সংরক্ষণে আমাদের করণীয় কী, তা স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছেন। এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

ব্লগে প্রত্যাবর্তনে সুস্বাগতম!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.