নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্ত্যজ বাঙালী, আতরাফ মুসলমান ...

বাংলার মাটি বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুন্য হউক, পুন্য হউক, পুন্য হউক, হে ভগবান। বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ, পুর্ন হউক, পূর্ন হউক, পূর্ন হ্‌উক, হে ভগবান।রবীন্দ্রনাথ

ইমন জুবায়ের

জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/ জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন। [email protected]

ইমন জুবায়ের › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রাচীন মিশর: যুগবিভাগ

১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৪

মিশরের মানচিত্র। মিশর, বিশেষ করে প্রাচীন মিশর নিয়ে মানুষের কৌতূহল যেন শেষ নেই । সেই সঙ্গে, ইন্টাররেটে কিংবা ছাপা অক্ষরে প্রাচীন ইতিহাস পাঠের প্রতিও রয়েছে গভীর আগ্রহ । বিশ্বের ওই সুপ্রাচীন সভ্যতাটির ব্যাপ্তি প্রায় ৫০০০ বছর।। কাজেই এই সুদীর্ঘকালের ইতিহাস অধ্যায়নের জন্য আবশ্যক পদ্ধতিগত এবং পর্যায়ক্রমিক পাঠ । খাপছাড়া ভাবে মিশরের ইতিহাস সম্বন্ধে পরিপূর্ণ জ্ঞানলাভ সম্ভব নয়। এই কারণেই প্রয়োজন প্রাচীন মিশরের যুগবিভাগ সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণা । মিশরবিদগন প্রাচীন মিশরের সুদীর্ঘ ৫০০০ বছরের ইতিহাস কে বেশ কয়েকটি পর্যায়ে বিভক্ত করেছেন। এই পর্যায়গুলি মনে রাখলে প্রাচীন মিশরের ইতিহাস আরও পরিস্ফুট হয়ে উঠবে ...







খাফরি পিরামিড । খাফরি পিরামিড-এর অভ্যন্তরে ফারাও খাফরির সমাধি রয়েছে। খাফরি ছিলেন প্রাচীন মিশরের চতুর্থ রাজবংশের ফারাও । তার শাসনকাল ২৫৫৮ থেকে ২৫৩২ খ্রিস্টপূর্ব। এভাবেই প্রাচীন মিশরের কোনও ফারাও এর পরিচয় কিংবা ঘটনাকে উপস্থাপন করা হয়। কাজেই প্রাচীন মিশরের ইতিহাস পঠনপাঠনে প্রাচীন মিশরের যুগবিভাগ সম্বন্ধে ধারণা অনিবার্য ...



মিশরবিদগন দীর্ঘদিন গবেষনা করে প্রাচীন মিশরের ইতিহাসকে চারটি যুগে ভাগ করেছেন। পুরাতন, মধ্য, নতুন এবং পরবর্তী।

তো, এই যুগবিভাগের পক্ষে যুক্তি কি?

এই প্রসঙ্গে প্রখ্যাত মিশরতত্ত্ববিদ Jacques Kinnaer লিখেছেন:

The more than 3000 year long history of Ancient Egypt has been divided into 8 or 9 periods, sometimes called Kingdoms. (সব মিলিয়ে ২৬ টি রাজবংশকে চিহ্নিত করা গেছে) This modern-day division is somewhat arbitrarily based on the country's unity and wealth and the power of the central government. The Ancient Egyptians themselves did not group their rulers according to such criteria. They rather seem to have developed the notion of dynasties throughout their history...

যা হোক। পুরাতন যুগের পূর্বে অবশ্য আরও দুটি পর্যায় রয়েছে।

এক. রাজবংশ-পূর্ব যুগ এবং

দুই. আদি রাজবংশ

যা হোক। এসব যুগ আবার প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয়-এই তিনটি মধ্যবর্তী পর্যায়ে বিভক্ত। এই মধ্যবর্তী পর্যায়ের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল সা¤্রাজ্যে রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি হওয়া, দূর্বল শাসক কর্তৃক কেন্দ্রীয় সরকার-এর অখন্ডতা বিনষ্ট করা এবং সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তৃত্ব অস্বীকার করা।



রাজবংশ পূর্ব যুগ (Pre-Dynastic Period) : রাজবংশ পূর্ব যুগের সময়কাল: ২৫০০০-৩০০০ খ্রিস্টপূর্ব। এই পর্যায়ের প্রাপ্ত প্রতœনিদর্শন এই ইঙ্গিতই দেয় যে-২৫০০০ বছর আগেও নীল নদের তীরে মানুষ বাস করত। এবং সে উপত্যকাজুড়ে ছিল বিস্তির্ণ বৃক্ষশূন্য সবুজ তৃণভূমি। সেই তৃণভূমিতে গড়ে উঠেছিল প্রাগৈতিহাসিক মানববসতি । প্রাচীন মিশরে রাজবংশ গড়ে উঠবার আগে অবশ্য নীল নদীর পাড়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ট্রাইবাল রাজ্য গড়ে উঠেছিল। এসব ট্রাইবাল রাজ্য ভেঙে গড়ে উঠেছিল রাষ্ট্র-যার জন্য প্রয়োজন ছিল ধর্মের। সে কথাও আমরা জানি।







নীল নদের ছবি। এই নদের পাড়েই গড়ে উঠেছিল সুপ্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা।



আদি রাজবংশ (Early Dynasty)



আদি বা প্রাথমিক যুগের রাজবংশের সময়কাল ৪০০০ থেকে ২৬৮০ খ্রিষ্টপূর্ব। এই সময়েই প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার সাংস্কৃতিক জগতের প্রাথমিক রূপটি গড়ে উঠেছিল, যা পরবর্তী ৩০০০ বছর অবধি সমগ্র অঞ্চলে অপরিবর্তনীয় রয়ে গিয়েছিল। এই সময়কালে প্রাচীন মিশরীয় ভাষার বিকাশ হয়েছিল। এই বিষয়ে মিশরতত্ত্ববিদদের মূল্যায়ন হল: ... Writing evolved from a few simple signs mainly used to denote quantities of substances and their provenance, to a complex system of several hundreds of signs with both phonetic and ideographic values...





মেনেস। আদি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ফারাও মেনেস। মেনেস এর ক্ষমতা গ্রহনের পূর্বে মিশর আপার (উচ্চ) এবং লোয়ার (নিম্ন) অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। মেনেস আপার ও লোয়ার মিশরকে একীভূত করে ঐক্যবদ্ধ একটি সাম্রাজ্যে পরিনত করেন। ফারাও মেনেস-এর রাজধানী ছিল মেমফিস নগর । এই যুগান্তকারী ঘটনাই প্রাচীন মিশরে রাজবংশের শাসনের সূচনা করে।



পুরাতন রাজবংশ (Old Kingdom)



পুরাতন রাজবংশের সময়কাল ২৬৫০-২১৫০ খ্রিস্টাব্দ। পিরামিড নির্মানই এই যুগের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বিশেষ করে এ যুগে নির্মিত সাককারার স্টেপ পিরামিডটি আজও পর্যটকের মনে বিস্ময়ের উদ্রেক করে। পুরাতন রাজবংশের সময়কালে শিল্পকলায় অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছিল। মিশরীয় শিল্পীরা নিবিড়ভাবে প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে তা উপসনাগৃহ এবং সমাধিসৌধের দেওয়ালে এঁকেছিল-যা আজও পর্যটকের মনে বিস্ময়ের সৃষ্টি করে। যা হোক। ৬ষ্ট রাজবংশের শেষে মিশরজুড়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাদেশিক রাজ্য গড়ে ওঠে এবং ফারাও-এর একচ্ছত্র আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করে।







সাককারার স্টেপ পিরামিড। পুরাতন রাজবংশ আমলে নির্মিত।



প্রথম মধ্যবর্তী পর্যায় (First Intermediate periods)



প্রথম মধ্যবর্তী পর্যায়ের সময়কাল: ২১৫০-২০৬০ খ্রিস্টপূর্ব। এই সময়টি মিশরের ইতিহাসে অন্ধকার যুগ বলে চিহ্নিত । এই সময়য়ে বৈশিষ্ট্য হল বিপন্ন কেন্দ্রীয় শাসন, গৃহযুদ্ধ এবং মিশরের ক্ষমতা দখলের জন্য প্রতিদ্বন্দি রাজ্যসমূহের সংঘাত। এই সময়ে সপ্তম, অস্টম, নবম, দশম এবং একাদশ রাজবংশের শাসন অব্যাহত ছিল। অন্ধকারের মধ্যেও থাকে আলোর সম্ভাবনা। মিশরীয সাহিত্যে প্রথম স্ফুরণ ঘটেছিল এই মধ্যবর্তী পর্যায়েই।







আইপুওয়ের প্যাপিরাস। প্রাচীন মিশরীয় কবিতা। এর প্রকৃত নাম: ‘সর্বশক্তিমান এবং আইপুওয়ের -এর মধ্যে সংলাপ’। কাব্যটি দশম অথবা একাদশ রাজবংশ-এর সময়কালে রচিত।



মধ্য পর্যায়ের রাজবংশ (Middle Kingdom)



মধ্য পর্যায়ের রাজবংশের সময়কাল ২০৫৫-১৯৯১ খ্রিস্টপূর্ব। ফারাও Mentuhotep 2 রাজনৈতিক এবং সামাজিক বিশৃঙ্খলা দূর করেন। এবং মধ্য পর্যায়ের রাজবংশের আমলে মিশরের ইতিহাসের শেষ বারের মতো পিরামিড তৈরি হতে থাকে। ১৯৯১ খ্রিস্টপূর্বের পরে আর পিরামিড তৈরি হয়নি। এই ঐতিহাসিক যুগে বহিরাগত এশিয়রা নীল নদের বদ্বীপে বসতি স্থাপন করতে থাকে। এদের সংখ্যা ক্রমে বৃদ্ধি পেয়েছিল। এবং তাদের নির্বাচিত নেতা স্থানীয় প্রশাসক নির্বাচিত হয়।







ফারাও দ্বিতীয় মেনতুহোতেপ



দ্বিতীয় মাধ্যমিক পর্যায় (Second Intermediate periods)



দ্বিতীয় মাধ্যমিক পর্যায়ের সময়কাল ১৮০০-১৫৫০ খ্রিস্টাব্দ। ১৬৭৪ খ্রিস্টপূর্বে মিশরে হাইকসস-রা আক্রমন করে। মিশরীয় সৈন্যরাও রুখে দাঁড়িয়েছিল। সে যাইই হোক। হাইকসস- রা ছিল পশ্চিম এশিয়ার সেমেটিক যাযাবর। এদের কাছ থেকে মিশরীয়রা ব্রোঞ্জ, নতুন অস্ত্র এবং ঘোড়াটানা রথে ব্যবহার শিখেছিল।







এই ছবিতে মিশরীয় ফারাও প্রথম আহমোসে হাইকসস দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন



নতুন সাম্রাজ্য (New Kingdom)




নতুন সাম্রাজ্যের সময়কাল ১৫৫০-১০৬৯ খ্রিস্টপূর্ব। নতুন সা¤্রাজ্যে অস্টাদশ, উনবিংশ এবং বিংশ রাজবংশ শাসন করেছিল । জনৈক মিশরবিদের মতো, It was Egypt’s most prosperous time and marked the peak of its power. এই সময়ে মিশর প্রথমবারে মতো বর্হিবিশ্বে সামরিক অভিযান প্রেরণ করে। মিশরীয় সৈন্যরা সিরিয়া এবং ফিলিস্তিন আক্রমন করে । অবশ্য আমুন দেবতার পুরোহিতের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে সাম্রাজ্যটি বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং পতন ঘটে।







দ্বিতীয় রাসেমেসস (১২৯০/১২২৪) উনিশতম রাজবংশের তৃতীয় শাসক। ইনি ৬৭ বছর শাসন করেছেন। ফারাও দ্বিতীয় রাসেমেসস কে মিশরের ফারাওদের মডেল বলা হয়।



তৃতীয় মাধ্যমিক পর্যায় (Third Intermediate periods)



তৃতীয় মাধ্যমিক পর্যায়ের সময়কাল: ১০৬৯-৭৫২ খ্রিস্টপূর্ব; এই সময় কাল ১০৭০ খ্রিস্টপূর্বে ফারাও ষষ্ঠ রামেসেস এর মৃত্যু থেকে ৬৬৪ খ্রিস্টপূর্বে প্রথম সামতিক প্রতিষ্ঠিত ছাব্বিশতম রাজবংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। এর পূর্বে অবশ্য পঁচিশতম রাজবংশের নুবিয় রাজাদের নির্বাসিত করা হয়েছিল। এই সময়ে অর্থনৈতিক সমস্যা এবং গৃহযুদ্ধ মিশরকে দূর্বল করে ফেলেছিল। একই সময়ে সাম্রাজ্যে চার জন ফারাও শাসন করতেন।







প্রাচীন মিশরের থিবস নগরের দেবতা আমুন এর প্রধান পুরোহিত। এই সময়রের রাজনীতিতে বিশেষ ভূমিকা ছিল।



পরবর্তী রাজ্য (Late Kingdom)



পরবর্তী রাজ্য-এর সময়কাল: ৭৫২-৩৪৩ খ্রিস্টপূর্ব; এই পর্যায়ে মিশরে বিদেশি শক্তির আগ্রাসন সংঘটিত হয়। এই সময়ে আসিরিয়, ব্যাবিলনিয় এবং পারসিক সৈন্যরা মিশর আক্রমন করে।ফারাও Nectanebo 2 -এর শাসনামলে পারস্যের নিয়ন্ত্রনে চলে যায় মিশর । সেই সঙ্গে মিশরে স্থানীয় মিশরীয়দের শাসনের অবসান ঘটে। মিশরের পরবর্তীকালের শাসকগন অ-মিশরীয় ।







৩৩২ খ্রিস্টপূর্বে গ্রিক সম্রাট আলেকজান্দার এর সামরিক অভিযান মিশরে পারসিক শাসনের অবসান ঘটায়। এর পর মিশরে টলেমিয় বংশের শাসন সূচিত হয়।



ছবি: ইন্টারনেট।



তথ্যসূত্র:



http://www.guardians.net/hawass/chronology.htm



http://www.ancient-egypt.org/



Click This Link



মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৮

পাগলমন২০১১ বলেছেন: ভালো লাগলো।ভালো থাকবেন।আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী সাবরিনা আপুকে শুভেচ্ছা জানান প্লীজ Click This Link

১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
দেখছি।

২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪২

এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: ২য় বর্ষে এই বিষয়ের উপর ৩২ পৃষ্ঠার একটা এসাইমেন্ট তৈরি করেছিলা।

আমাকে সিন্ধু সভ্যতার পর প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা খুবই আর্কষণ করে।

চার বছর ধরে তো পড়লাম, এখন এই বিষয়ের উপ্রে মার্ষ্টাস চলছে।
ইচ্ছে আছে কিছু বিষয় নিয়ে লেখার, তবে সময়ের বড্ড অভাব। এসব লেখা লিখতে হলে অনেক কিছু ঘেটে লিখতে হয়।
++

১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ। তবুও লেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
নববর্ষের শুভেচ্ছা রইল।

৩| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ৮:১৮

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: +++++++

১৩ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ৮:৩৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: নববর্ষের শুভেচ্ছা রইল।

৪| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:৩০

শব্দহীন জোছনা বলেছেন: বরাবরের মত আরেকটি ভাল ইনফম্যাটভ লেখা পড়লাম । B-)

অনেক কিছু নুতুন জানলাম। মিশরের কথা মনে হলেই পিরামিডের ছবি চোখে ভেসে উঠে।কত না রহস্য।৫০০০ বছরের এক সভ্যতা অথচ মধ্য পর্যায়ের রাজবংশের আমলে মিশরের ইতিহাসের শেষ বারের মতো পিরামিড তৈরি হতে থাকে এটা সময়ের সাথে সাথে ওঁদের অনভুতি পরিবতনের কারনে নাকি পরবর্তী রাজবংশের অনীহার কারনে।

যাই হোক ভাল থাকবেন এবং আশা করি এই রকম আরও সুন্দর সুন্দর পোস্ট দিতে থাকবেন।অনেক অনেক শুভকামনা এবং নববর্ষের শুভেচ্ছা।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:০৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ... মধ্য পর্যায়ের রাজবংশের আমলে মিশরের ইতিহাসের শেষ বারের মতো পিরামিড তৈরি হতে থাকে ...

সময়ের সাথে সাথে ওঁদের অনভুতি পরিবতনের কারনে + পরবর্তী রাজবংশের অনীহার কারনে।

নববর্ষের শুভেচ্ছা।


৫| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:৫৩

যীশুমন বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভালো লাগলো ।
আপনাকে শুভকামনা এবং নববর্ষের শুভেচ্ছা রইল ।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:০৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনার জন্যও রইল নববর্ষের শুভেচ্ছা ।

৬| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪১

হাসিনুল ইসলাম বলেছেন: শুভ নববর্ষ!
নতুন বছরে আরো আরো ইতিহাস নির্মাণ হোক।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৯

ইমন জুবায়ের বলেছেন:

৭| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১১ সকাল ৮:৪২

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: আরেকটি প্রিয়তে নেয়া পোস্ট সন্দেহাতীত ভাবেই । ইমন ভাই আপনাদের প্রেরণায় আমি খুব শীঘ্রই পুরাণ বিষয়ে পোস্ট দিতে যাচ্ছি । ভাল থাকবেন ইমন ভাই । শুভ নববর্ষ ।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১১ সকাল ৯:৫৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: পুরাণ বিষয়ের পোস্ট -এর অপেক্ষায় রইলাম।
শুভ নববর্ষ।

৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৪:৫৭

anisa বলেছেন: ইমন যদিও অনেক আগে থেকেই এ বিষয় নিয়ে শুনেছি পরেছি কিন্তূ এভাবে কেউ বুঝিয়ে দেয়নি
আবার পড়ব আগে বুঝি তো
আর লেখা তো সবসময় সুন্দর....

১৬ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২১

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ৮:৩৪

এ্যরন বলেছেন: ....অসাধারণ....

১৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ৯:০২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ৯:২০

রুবাইয়াৎ রহমান বলেছেন: আপনার পোস্টগুলো এক কথায় অসাধারণ। আপনার প্রতিটি তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ৯:৫৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:১৩

নষ্ট কবি বলেছেন: ++++++++++++++++

বরাবরের মতই হিট

১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:২৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:১৪

নষ্ট কবি বলেছেন:

১৭ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৩:২৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন:

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.