নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অচেনা মানুষ

সাত কোটি সন্তানেরে হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করনি

আমি অচেনা মানুষ

আমি অচেনা মানুষ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্লগীয় গিয়ানী সমাজের জন্য কিছু কথা

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩০

দেশি_মানুষ একটা খুব ইনফরমেটিভ পোস্ট দিয়েছিলেন, কিন্তু এই পোস্টে ব্লগীয় গিয়ানী সমাজের মন্তব্য কই? তারা কি ভালো পোস্ট কোনটা ফালতু পোস্ট কোনটা আইগুলা বুজে না নাকি??



আমি আবার দেশি_মানুষ এর পোস্ট টা এখানে দিলাম। কমেন্ট করলে দয়া করে উনার পোস্ট এ গিয়ে করুন।



===================

"Do not teach us what to wear, teach your sons

not to rape"

ভালো লাগলো কথাগুলা ৷



একটু পরে ভাবলাম একটু দেখি তো কোথায় কোথায় ধর্ষণ এর Rate কেমন? তাতে দেখলাম Ranking এর শীর্ষ তালিকায়আছেঃ



১) South Africa: এই দেশে প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে১১৯৫

জন ধর্ষিত হয়। সেখানে সমাজ বেবস্থা খুব খারাপ। অবাধ

যৌনাচার, AIDS এর ছড়াছড়ি, মেয়েদের অর্ধ উলঙ্গ অবস্থা।

শিক্ষার দিক থেকে ভাল না।



২) Australia: South Africa এর পর এর অবস্থান।

এখানে প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ৭৭৭ জন ধর্ষিতহয়। High

Standard সমাজ বেবস্থা। শিক্ষা বেবস্থাও অনেক

Developed। Morality এর দিক থেকেও so called

developed। সেখানে মেয়েদের যে কোন Dress up

allowed. কোথাও কোথাও পর্দা নিষিদ্ধ।



3) Canada : এর পরের অবস্থান।এখানে প্রতি ১০ লক্ষ

নারীতে ৭৩৩ জন নারী ধর্ষিত হয়। সেখানের সমাজ বেবস্থা,

শিক্ষা বেবস্থা, Morality so called developed।

অবশ্যই তারা তাদের সন্তানদের শিক্ষাদেয় Rape না করার।

মেয়েদেরDress up as they wish. কোন বাঁধা নেই।



৪) Zimbabwe: এর পরের অবস্থান । এখানে প্রতি ১০ লক্ষ

নারীতে ৪৫৭ জন নারী ধর্ষিত হয়। সমাজ বেবস্থা,

শিক্ষা বেবস্থা, Morality খুবখারাপ।এখানেও মেয়েদের

Dress up এ কোন বাঁধা নেই। যাখুশি কাপর পরে।



৫) U.S.A: এর পরের অবস্থান। এখানে প্রতি ১০ লক্ষ

নারীতে ৩০১ জন নারী ধর্ষিত হয়। বাকি অংশআর নাই

বললাম। অবশ্যই এখানে মেয়েদের Rape শিক্ষা দেয়া হয় না।

মেয়েদের Dress up না ই বলি। Being Naked is allowed

is some states. কোথাও কোথাও পর্দা নিষিদ্ধ।



৬) New Zealand: এর পরের অবস্থান। এখানে প্রতি ১০

লক্ষ নারীতে ২১৩ জন ধর্ষিত হয়। শিক্ষা বেবস্থা, সমাজ

বেবস্থা, Morality so called developed. নারীদের

dress up free. কোথাও কোথাও পর্দা নিষিদ্ধ।



৭) U.K: এর পরের অবস্থান। এখানে প্রতি ১০ লক্ষ

নারীতে ১৪২ জন ধর্ষিত হয় বাকি আমার কিছু বলারনাই। সব

ই জানা।



এবার আসি শেষের দিকে কারা আছেঃ

১) Saudi Arabia: শেষের দিক থেকে ১ নম্বর।

এখানে প্রতি ১০লক্ষ নারীতে ৩ জন ধর্ষিত হয়।

শিক্ষা বেবস্থা so called developed না। শরিয়া আইন এ

চলে। মেয়েদের পর্দা না করে এবং একা বাইরে বের হওয়া মানা।

বের হতে চাইলে স্বামী, বড় ভাই কাউকে নিএ বের হতে হবে।



২) Azerbaijan: শেষের দিক থেকে ২ নম্বর। ৯৫% মুসলিম।

এখানে প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ৩জন ধর্ষিত হয়।

শিক্ষা বেবস্থা, Morality so called developed না।

মেয়েদের পর্দা করে বের হতে হয়।



৩) Yemen: শেষের দিক থেকে ৩ নম্বর। মুসলিম দেশ।

West এর তুলনায় শিক্ষা বেবস্থা, সামাজিক বেবস্থা so

called developed না । মেয়েদের পর্দা করে বের হতে হয়।



৪) Indonesia : শেষের দিক থেকে ৪ নম্বর।

এখানে প্রতি ১০লক্ষ নারীতে ৫ জন ধর্ষিত হয়.

শিক্ষা বেবস্থা, সামাজিক বেবস্থা so called developed

না। মেয়েদের পর্দা করতে হয়।



৫) Oman: মুসলিম দেশ। এখানে প্রতি ১০ লক্ষ নারীতে ১৮

জন ধর্ষিত হয়। শিক্ষা বেবস্থা, সামাজিক বেবস্থা so

called developed না। মেয়েদের পর্দা করতে হয়।

এটা কোন মধ্যযুগীয় তথ্য না। ২১ শতকে যেখানে সভ্য

জাতিগুলার তথ্য।



+++

বাড়িতে আগুন লাগলে আগে কি করবেন?

আগে নিজে নিভানোর চেষ্টা করবেন না ?

++

তবে শুধু মেয়েদের পোশাকের দোষ দিয়ে ছেলেদের দোষ ঢাকা যায়ে না, ছেলেদের ও নৈতিক শিক্ষা দেয়া দরকার

- চটি, অশ্লীলতা বাদ দেয়া দরকার



আপনারাই চিন্তা করেন এবং আবার চিন্তা করেন....

===================

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:১৬

আকাশ_পাগলা বলেছেন: তুলনাটা বড্ড সেকেলে হয়ে গেলো।
আমি চেষ্টা করছি কিছু কনসেপ্ট পরিষ্কার করার।

একেক দেশে ধর্ষণের সংজ্ঞাই একেক রকম।

মেয়ের অনিচ্ছায় কিছু করলেই যদি রেইপ ধরা হয়, তাহলে বাংলাদেশে গ্রামে আর শহরে প্রচুর বিয়েও মেয়ের অনিচ্ছায় গার্জেনরা দেয়।
মেয়েকে অজ্ঞান করে বা সেন্স না রেখে যৌন মিলনে জোর করলেই রেইপ ধরা হলে, বাংলাদেশে প্রচুর বাল্য বিবাহ হয় যেখানে মেয়ে সচেতন না তার জীবনের ব্যাপারে।

মানবিক আর নৈতিক ভাবে ধরতে গেলে এগুলা অবশ্যই রেইপের ভিতর পড়ে। কিন্তু আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় এগুলা বৈধ।
এখন যদি আপনি পরিসংখ্যান দেখান যে রেইপ হচ্ছে ১০০ তে ১টা, তাহলে ভুল। তাই না?

পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী, কেউ জিনার বিচার দিলে তার মিনিমাম স্বাক্ষী থাকতে হয় ৪ জন (যতদূর মনে পড়ে)। অর্থাৎ একটা মেয়ে কারও বিপক্ষে বিচার দিলে মেয়ের পক্ষে ৪জন স্বাক্ষী লাগবে যারা ঘটনা দেখেছে। এখন, পরে এই ৪ জনের আবার বিচার হবে যে তারা ঘটনা দেখেও কেন প্রতিবাদ করেনি, বাঁধা দেয় নি। তাহলে, কে এগিয়ে স্বাক্ষী হতে এগিয়ে আসবে ??
তখন সেখানে রেইপ ""কেসের"" সংখ্যাই কমবে, কিন্তু রেইপ কমবে না।একইভাবে আপনাকে সৌদি আর অন্যান্য দেশের রেপ "কেইস" এর আইন গুলো দেখতে হবে। সৌদিতে সহজেই একটা ছেলে কম বয়সে বিয়ে করতে পারে, কয়েকটা বিয়ে করতে পারে। সৌদির রাজা আর প্রিন্স রা ২০টারও বেশি বিয়ে করে গড়ে। তাদের বাচ্চা কাচ্চা তথা প্রিন্স আর প্রিন্সেসের সংখ্যাও এত বেশি। সাধারণ সৌদি নাগরিকদেরও বিয়ের প্রবণতা তুলনামূলক ভাবে বেশি। সেখানে অন্য মেয়েদের দিকে তাদের নজর দেয়ার দরকার পড়ে না।

আবার অনেক শিয়া স্টেটে নিকাহ মুয়াত্তাহ প্রচলিত। যেখানে আপনি চুক্তি অনুযায়ী ২০ দিন বা ৩০ দিন এমনকি ৩ দিনের জন্যেও বিয়ে করতে পারবেন। সরকারি স্ট্যাম্প দিয়ে কাজি দিয়ে বিয়ে হবে, সরকার ট্যাক্সও পাবে। সামাজিকভাবে বৈধ। স্বাভাবিক ভাবেই সেখানকার ছেলেদের মেয়েদের উপর চড়াও হওয়ার প্রবণতা কম হবে, কারণ তারা না চাইতেই মেয়েদের সঙ্গ পাচ্ছে।

পরিসংখ্যানে ইউরোপ আমেরিকার ধর্ষণের যে চিত্র দেখা যায়, বাস্তবে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। কারণ, ওখানে তুলনামূলক ভাবে সহজেই মেয়ে পাচ্ছে, সহজেই ব্রোথেলে যেতে পারতেছে, বারে বা অনলাইন সাইট থেকে ভাড়া করতে পারতেছে -- তারপরেও সেখানে রেইপের সংখ্যা এত্ত বেশি। এটা কেন?রেইপ শুধু সেক্সুয়াল বিষয় হলে ওখানে রেইপ সবচেয়ে কম হত।

সাইকোলজিস্টদের হিসাব অনুযায়ী রেইপ হয় ভায়োলেন্সের ফসল। সারাদিনে বিভিন্ন কারণে আপনার অনেক মানুষের উপর অনেক রাগ হয়। মাঝে মাঝে কাউকে ফাটায়া ফেলতে ইচ্ছা করে, মাইর দিতে ইচ্ছা করে। সত্যি সত্যি দিয়ে দেন? ইচ্ছা হওয়া আর করা দুটা কত্ত আলাদা বুঝতেছেন?
একই ভাবে, কোন মেয়ের জন্য শারীরিক আকর্ষণ হওয়া আর সত্যি সত্যি তাকে ধরে নিয়ে রেইপ করা- দুটা একেবারেই আলাদা ব্যাপার। এখন কথা হল, রেপিস্টরা এটা করে কীভাবে?
১) সাহস পায় পরিবেশ থেকে। দেখতেছে যে, বিচার হচ্ছে না। তারাও পার পেয়ে যাবে (দেশের সার্বিক ব্যবস্থা)।
২) মেয়েটার/মেয়েদের/কোন বিশেষ কিছুর প্রতি ঘৃণায় অন্ধ থেকে করে (চারপাশের অসুস্থ্য পরিবেশ)।
৩) ড্রাগ এডিক্টেড (৯০% ক্ষেত্রে রেপিস্টরা ড্রাগ নেয়।)
৪) প্রফেশনাল
৫) ভয়াবহ মানসিক রোগী।

আশা করি আপনি পুরা ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.