| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজ বিশ্ব বাঘ দিবস। ২০১৪ বাঘ সুমারি অনুসারে, বিশ্বের মধ্যে বাঘ সংরক্ষণে ভারত বর্তমানে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। বাংলাদেশ বাঘ বলতে আমরা প্রধানত সুন্দরবনের ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার’কেই বুঝি। আর এই বাঘ দিন দিন দুষ্প্রাপ্য হয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা বৃদ্ধিসহ মনুষ্যসৃষ্ট সমস্যার কারণে সুন্দরবনের বাঘ এখন হুমকির মুখে। আবাসস্থল নষ্ট হয়ে যাওয়া, খাদ্য সংকট ও বাঘ শিকারিদের দাপটে সুন্দর বনের বাঘ বিলুপ্তির পথে।
বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম ও রাশিয়াসহ বাঘ রয়েছে বিশ্বের এমন ১৩টি দেশে।
সর্বশেষ বাঘ পরিসংখ্যানে সুন্দরবনের বাঘের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে, আনুমানিক ৩৫০ থেকে ৫০০ বাঘ রয়েছে। তবে বর্তমানে শতাধিক বাঘ আছে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান বাঘ বিশেষজ্ঞরা।
প্রথম বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত হয় ২০১০ সালে রাশিয়ার সেন্টপিটার্সবার্গ শহরে। এই সম্মেলনে ২০২২ সালের মধ্যে বিশ্বে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এখনও বাঘ টিকে আছে এমন ১৩টি দেশে ২০১০ সাল থেকে প্রতি বছর এ বিশ্ব বাঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাঘ টিকে থাকা ১৩টি দেশ হচ্ছে, ভারত (১,৭০৬), মালয়েশিয়া (৫০০), বাংলাদেশ(৪৪০), রাশিয়া(৩৬০), ইন্দোনেশিয়া(৩২৫), থাইল্যান্ড(২০০), নেপাল(১৫৫), মিয়ানমার(৮৫), ভুটান(৭৫), চিন (৪৫), কম্বোডিয়া (২০), ভিয়েতনাম(২০), ও লাওস(১৭)।
১৯০০ সালে বাঘের সংখ্যা ছিল প্রায় এক লক্ষ। বর্তমানে কমে বিশ্বে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭০০টি বা তারও কম। বাঘ বিশেষজ্ঞদের মতে, বাঘের সংখ্যা দ্রুত কমে যাওয়ার এই প্রবণতা চলমান থাকলে আগামী কয়েক দশকে পৃথিবী থেকে এই সুন্দর প্রাণীটির হারিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৮৭ সালে অতি বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী হিসেবে বাঘ কিংবা বাঘের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যবসা নিষিদ্ধ করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাঘ বাঁচাতে নানা উদ্যোগ নিলেও সুন্দরবনে বাঘের মৃত্যু আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গিয়েছে। ১৯৮০ থেকে ২০১২ সালের জুলাই পর্যন্ত গত ৩২ বছরে সুন্দরবন ও তার সংলগ্ন এলাকায় শিকারিদের হানা, গ্রামবাসীর পিটিয়ে ও পাকৃতিক দুর্যোগে ৬৭টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। গত কয়েক দশক ধরে বাঘের সংখ্যা কমে যাচ্ছিল। এছাড়াও অপর বড় একটি কারণ হচ্ছে চীন, তাইওয়ান, কোরিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি ও গৃহসজ্জায় বাঘের চামড়া ও অস্থির অতিরিক্ত চাহিদার ফলে বাঘের পাচারও দিন দিন বেড়ে চলেছে।
চলমান তথ্য-উপাত্ত ও বাঘ বিশেষজ্ঞরা জানান, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করার কোন সুযোগ নেই।
তবে আন্তর্জাতিক ঘোষণা অনুসারে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ধারণ ক্ষমতার মধ্যে রেখে অবৈধভাবে বাঘ হত্যা বন্ধ, আবাসস্থলের উন্নয়ন ও নিয়মিত টহল প্রদান করে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য যথোপযুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
এমদাদুল হক বিপ্লব। 
২|
০৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:০৭
আউলা বাউল বলেছেন: সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারী ভাবেও উদ্যোগ নেবার প্রয়োজন রয়েছে।
ধন্যবাদ।
৩|
০৭ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৪:১১
ডট কম ০০৯ বলেছেন: যেই দেশে রাঘব বোয়াল বাড়ে সেই দেশে বাঘ কমিবে উহাই স্বাভাবিক।
৪|
০৭ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:৩৪
রাবেয়া রব্বানি বলেছেন: বাঘ দিবসে বাঘদের মনোভাব বুঝা গেল না
৫|
০৭ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১১:২৯
শাশ্বত স্বপন বলেছেন: বাঘ না থাকলে সুন্দরবন উজার হয়ে যেত। বাঘের ভয়ে মানুষরা....।
বাঘ না থাকলে সুন্দরবন মূল্য থাকবে কি?
ভাই, আফ্রিকা বা আমাজানে বাঘ নাই?
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১২:৫০
আলম 1 বলেছেন: ভালো লিখেছেন। ধন্যবাদ।