| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজকাল রাস্তায় চলার সময় বিভিন্ন রকম ঠকবাজ হকার বা ঔষধ বিক্রেতাকে দেখা যায়। যাদের কথাগুলো প্রায় একই রকম অর্থাৎ তারা যে ঔষধ বিক্রয় করে তা দিয়ে দুনিয়ার সকল রোগ ভাল হয়। এদের দ্বারা প্রতিনিয়ত অশিক্ষিত কতশত মানুষ যে প্রতারিত হচ্ছে তার কোন ইয়েত্তা নাই। চলার পথে এসব ঠকবাজ সামনে পরলেই একটা কথা মনে পরে।যা নিন্মরূপ:
একদিন সকালে এক মাহুত তার হাতিটাকে নিয়ে কবিরাজ বাড়িতে উপস্থিত হলেন। কবিরাজ বাড়িতে আসার কারণ হল গতরাতে তার হাতিটা শেকল ছিড়ে পাশের তরমুজ ক্ষেতে গিয়ে অনেক তরমুজ খেয়েছে। যার একটা বড় সাইজ তরমুজ হাতির গলায় আটকে গেছে। যেটি কোনভাবেই হাতির গলা থেকে খুলছে না। কবিরাজ হাতিটাকে ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করলেন এবং বিভিন্নভাবে তরমুজটাকে হাতির গলা থেকে সরানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেন। অবশেষে কবিরাজ হাতির মাহুতকে হাতিটাকে শোয়ানোর নির্দেশ দিলেন। তারপর কবিরাজ হাতির গলার নিচে একটা বড় কাঠ দিলেন এবং আর একটা কাঠ দিয়ে গলার উপর হালকা চাপ দিলেন। এতে ভেতরের তরমুজটা ভেঙ্গে গেল । তখন হাতিটা সহজেই তরমুজটা চিবিয়ে খেয়ে ফেলল। এতক্ষণ পর্যন্ত কবিরাজের সহকারী কবিরাজের পাশে দাড়িয়ে এই অভিনব কবিরাজি পদ্ধতি দেখছিল। আসল ঘটনা ঘটলো আরও কিছু দিন পর। কবিরাজের সেই সহকারী এখন নিজেই অভিজ্ঞ কবিরাজ। "এখানে গলগন্ড রোগের সুচিকিৎসা করা হয়" শিরোনামে সাইনবোর্ড লাগিয়ে তিনি এখন বড় কবিরাজ। দু'দিন পর এক মহিলা রোগী গলগন্ড সমস্যা নিয়ে আসলো সহকারী কবিরাজের চেম্বারে। সহকারী কবিরাজ তার দেখা হাতির গলগন্ড সারানোর পদ্ধতি অবলম্বন করে একই কায়দায় মহিলা রোগীর গলগন্ড সারানোর চেষ্টা করলো। ফলে যা ঘটার তাই ঘটলো। রোগী সোজা ইন্নানিল্লাহ ! সহকারী কবিরাজ আসন্ন বিপদের হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য তার ওস্তাদ কবিরাজের সামনে হাজির হয়ে সব ঘটনা খুলে বলল। "ওস্তাদ আমি তো আপনার শেখানো পদ্ধতিতেই চিকিৎসা করেছি। আপনি তো এভাবেই হাতির গলগন্ড সারিয়ে তুলেছিলেন"। কবিরাজ তার সহকারীর সব কথা শুনে নিজের মাথা নেড়ে বললেন "একই পদ্ধতিতে সকল রোগের চিকিৎসা করা যায় না রে পাগলা"।
©somewhere in net ltd.