নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

জুল ভার্ন

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

মতাদর্শের চেয়ে রাষ্ট্রের স্বার্থ বড়....

০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:২৮

মতাদর্শের চেয়ে রাষ্ট্রের স্বার্থ বড়....

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আবেগ দিয়ে নয়, বাস্তবতা দিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন। আমাদের রেমিট্যান্স অর্থনীতির একটি বড় ভিত্তি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রও বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি বাজার, বিনিয়োগের অংশীদার এবং প্রবাসী আয়ের উৎস।

এই বাস্তবতায় মধ্যপ্রাচ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, বাণিজ্যপথ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের অর্থনীতির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামুদ্রিক উদ্যোগে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততাকে শুধু সামরিক বা কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে হবে না; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং কোটি মানুষের জীবিকা।
একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র কখনো আবেগ দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করে না। রাষ্ট্রকে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিতে হয় জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বাস্তবতা বিবেচনা করে।


বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো- কোনো শক্তি বলয়ের অন্ধ অনুসারী না হয়ে, সবার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে নিজের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। রাষ্ট্রনীতি আবেগের নয়, বাস্তবতার শিল্প। আর সেই বাস্তবতার নামই- বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ।

আগামী দিনে জ্ঞানবিজ্ঞানে, সামরিক এবং অর্থনৈতিক শক্তিতে ইরান হবে এশিয়ার অন্যতম নিয়ন্তক। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ইরানের সমর্থক। তারপরও পাবলিক সেন্টিমেন্ট বা মতাদর্শের চেয়ে রাষ্ট্রের স্বার্থ বড়। স্লোগানের চেয়ে জনগণের কল্যাণ বড়। সময়ের বিবেচনায় বাংলাদেশ সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র কখনো আবেগ দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করেনা।
..............................................................................................................
তাহলে এখানে গোলামী চুক্তির কথা সর্ম্পকে বলতে পারতেন । আবেগ বিবেক ছাড়াও
শয়তানী স্বার্থও দেখলাম । এতবড় গোলামী চুক্তি জনগন জানতে পারবেনা, অথচ তিনি
জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে আসেন নাই । যে কোন চুক্তিতে উভয় পক্ষর স্বার্থ দেখতে হয়
এখন ঐ শব্দটা কোথায় ?
...............................................................................................................
দেশ কি কারও বাপ দাদার ???

০১ লা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬

জুল ভার্ন বলেছেন: সেটা আপনিই লিখুন।

২| ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ইরানের সমর্থক।
............................................................................
সে কারনে নিরপেক্ষ ভূমিকায় থাকা উচিৎ ছিল ।

০১ লা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮

জুল ভার্ন বলেছেন: পক্ষ এবং নিরপেক্ষ আপেক্ষিক। কারোর কাছে যা পক্ষ, কারোর কাছে তস বিপক্ষ।

৩| ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আশা করি ইরান ও বিষয়টা বুঝবে ।

০১ লা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৯

জুল ভার্ন বলেছেন: অবশ্যই। তবে বিপদের সময় কেউ পাশে দাঁড়ানোটা সত্যিই স্মরণীয় হয়ে থাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.