| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিস্মিল্লাহির রহমানির রাহীম।
ধাপ ১:-
সূর্য্য পূর্ব দিকে উঠে -- আমি আপনাকে যে কথাটা লেখার মাধ্যমে বুঝাচ্ছি আসলে এটা দ্বারা আপনি যা বুঝেছেন সেটা তো ঠিকি আছে।
আল্লাহপাক কোরআনের আয়াতগুলোতে যা বলেছেন সেটাতো ঠিকি আছে।
চলুন আমরা আর একটু ভাবি।
ধাপ:-২
সূর্য্য পূর্ব দিকে উঠে-এটা লেখতে আমাকে surzo puurbo Dike Uthe কী-বোর্ডের এই কী গুলো চাপতে হয়েছে। তো ১ম ধাপের টা যেমন সত্য তার চেয়ে অধিকতর সত্য ২য় ধাপের এই কী গুলো চাপা (যেমন s,u,r ইত্যাদি)
তো এই সব s,u,r ইত্যাদি যদি আপনার চোখের সামনে আসত তাহলে আপনার বুঝতে একটু সমস্যা হতো। ধরলাম আপনি অনেক চালু। আপনি ২য় ধাপেও সহজে বুঝতে পারেন। আসেন ৩য় ধাপে যাই
ধাপ:-৩
এই ধাপে কিনতু আর s,u,r এসব নাই। এখানে আছে u05a u023 u566 এই জাতীয় কিছু। এগুলো আপনার মনিটরে ভাসলে আপনি ভোঁ দৌড় দিতেন। চলুন আরো ভিতরে যাই
ধাপ:-৪
এখানে CPU এর জন্য কিছু ইনস্ট্রাক্টর সেট তৈরি হয়। উপরের u05a u023 u566 গুলোর জন্য ০১০০১১০১১০১১ এই জাতিয় কিছু তৈরি হয়। লক্ষ্য করুন এখানে শুধু মাত্র ০ আর ১ ছাড়া আর কিছুই নাই। সূর্য্য পূর্ব দিকে উঠে এর পরিবর্তে এগুলোও (০১০০১১০১১০১১ ) যদি আপনার ব্লগে ভেসে উঠে তাহলেও আপনার মাথা খারাপ হয়ে যাবে। মাত্র দুটি জিনিস (০ আর ১) এর কি কারিশমা-তাই না? চলুন আর একটু ভাবি
ধাপ:-৫
আসলে কি দুটি (০ আর ১)? আসলে না। সঠিক কথা হলো একটি। একটি নির্দিষ্ট রেন্জের ভোল্টেজের উপস্থিতি অথবা অনুপস্থিতি।
ফলাফল যা দাড়ালো সেটি এই একটি নির্দিষ্ট রেন্জের ভোল্টেজর কারিশমা
তো ভাই পবিত্র কোরআনে আল্লাহপাক অনেক সহজ সরল কথা বলেছেন, সহজ সরল উদাহরণ দিয়েছেন (যেমন খেজুর গাছ, যয়তুনের কসম ইত্যদি) যা আপনার কাছে অনেক সাধারণ মনে হয়। কিন্তু ভাই আপনি কি এর অন্যান্য ধাপ গুলো জানেন?
আল্লাহ পাক বলেছেন তিনি এই কিতাবে কিছুই লেখতে ছাড়েন নি। আপনি কি ভাবছেন ৩০ পারার এই কোরআনে কিভাবে মহাবিশ্বের সব কিছু লেখা হলো? মনিটরে ত ৬৫০০ এর আশেপাশে আয়াত দেখছি?
আপনার সামনে যে লেখাটা দেখছেন (শুধু লেখা না বিচিত্র এই কম্পিউটারের যা কিছুই দেখেন ) সেটা যেমন একটা জিনিস থেকে এসেছে-তেমনি বিচিত্র এই দুনিয়া ও মহাবিশ্বে যা কিছু দেখেন বা না দেখেন সেগুলোও এক আল্লাহ পাক থেকে এসেছে।
তাই মন থেকে বলুন - লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ্
(আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নাই-হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম আল্লাহর প্রেরিত রাসূল)
নাই, নাই, নাই কিছুই নাই-আমিও নাই, এক আল্লাহ তুমি ছাড়া আর কিছুই নাই।
এই লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ এক পাল্লায় রাখলে আর দুনিয়া ও মহাবিশ্বের সবকিছু অন্য পাল্লায় রাখলে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ এর পাল্লা ভারি হবে--- একথা কেন হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম আমাদের জানিয়েছেন সেটা হয়তো এ লেখা থেকে কিছুটা বুঝা যাবে।
এসবই আমার ক্ষুদ্র মস্তিস্কের ভাবনা। ভুল হতে পারে- সঠিক একমাত্র আল্লাহ পাক জানেন
(বি. দ্র. : এখানে যে ধাপ গুলো উল্লেখ করা হয়েছে তা সহজ করে বুঝানোর জন্য বলা হয়েছে। যেমন s এর ইউনিকোড কত সেটা বের করে এনে উদাহরন দেইনি-ঠিক তেমনি সিপিউ ইন্সট্রাকশন সেটও দেখে আসিনি। আমার উদ্দেশ্য কম্পিউটার সায়েন্স পড়ানো নয়- তাই দয়া করে এই জাতীয় কোন ভুল ধরবেন না)
লেখাটি সংরক্ষনের জন্য এই ব্লগেও প্রকাশ করেছি link
২|
০২ রা জুন, ২০১৪ সকাল ১১:৩৭
অন্ধ পাঠক বলেছেন: ওয়া আলাইকুমুস্ সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আপনি তো অনেক দিন ধরেই এরুপ খিদমত করেই চলেছেন। আল্লাহ্ পাক আপনাকে কবুল করুন। আমার জন্য দুয়া করবেন।
৩|
০২ রা জুন, ২০১৪ দুপুর ২:২৫
নতুন বলেছেন: চমতকার ... ভাল লাগলো আপনার ব্যক্ষা...
আপনি যেহেতু যুক্তি দিয়ে চিন্তা করেছেন তাই প্রশ্নটা আপনাকে করছি...
চাদ দুই টুকরা হয়ে আবার যোড়া লাগতে কি কি প্রকৃিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়?
সেই প্রকৃিয়া হিসাব করলে চাদ দ্বীখন্ডীত হবার কাহিনি কতটা বাস্তব বা সম্ভব বলে আপনার কাছে মনে হয়??
০২ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৬
অন্ধ পাঠক বলেছেন: আল্লাহ পাক যেহেতু বলেছেন চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়েছে- তাহলে অবশ্যই তা হয়েছে। কোনই সন্দেহ নেই।
সন্দেহ টা কোন জায়গায় জানেন? সেটা আমার এবং আপনার বোঝার ক্ষমতার উপর সন্দেহ। আমরা কতটুকু বোঝার ক্ষমতা রাখি?
কম্পিউটারের ফিফা গেম টার একটা প্লেয়ার যদি লাথি দিয়ে মনিটরের কাচ ভাংতে চায় সেটা সেটা তার পক্ষে সম্ভব না। তেমনি আমি /আপনি কাচটা ভেংগে তার কাছে খবর পাঠালেও সে পাশের আর এক প্লেয়ারকে বলে উঠতে পারে এটা পারে এটা কতটা বাস্তব সম্মত?
ভাই কম্পিউটারে যেমন ০/১ ছাড়া কিছুই নাই-ঐযে আপনার দেখা লাস্ট মুভিটায় বড় বড় বিল্ডিং দেখেছেন সেটাও কিন্তু আসল রুপ না
ঠিক তেমনি যে চাদ দেখছেন সেটা যে আসলে কোন কনিকা বা এনার্জির স্ট্রিং তা যেমন আমিও জানি না তেমনি আপনিও হয়ত জানেন না-একমাত্র যিনি বানিয়েছেন সেই আল্লাহই জানেন।
৪|
০২ রা জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:০৫
নতুন বলেছেন: ঠিক তেমনি যে চাদ দেখছেন সেটা যে আসলে কোন কনিকা বা এনার্জির স্ট্রিং তা যেমন আমিও জানি না তেমনি আপনিও হয়ত জানেন না
তাহলে মানুষের চাদে যাওয়ার ঘটনা মিথ্যা...
কারন ফিজিক্সের নিয়মে চাদ দুইটুকরা হওয়া সম্ভবনা..
০২ রা জুন, ২০১৪ রাত ৯:২৯
অন্ধ পাঠক বলেছেন: ফিজিক্স কি? ফিজিক্সের নিয়মটা কে বানালো ? আইনস্টাইন কি e=mc2 বানাইছে না ডিসকভার করছে বা করার চেস্টা করছে? ১+১=২ হয় কেন? ৩ বা ৪ বা অন্য কিছু হয়না কেন? কে এই অমোঘ নিয়ম বানালো।
সৃস্টি করলেন আল্লাহ্ পাক, নিয়ম তৈরি করলেন তিনি সেই নিয়ম ডিসকভার করার নেশায় মত্ত সায়েন্টিষ্টকেই রেফারেন্স হিসাবে ধরছেন। জিনিসটা অনেক হালকা চালের হলো না?
কিন্তু প্যারাডক্স এটাই যে এই হালকা চালের জিনিসটাই এখন দুনিয়ার অবিশ্বাসীদের মোক্ষম অস্ত্র।
আমাকে বলুন -- আজ পর্যন্ত সাইন্স কয়বার ডিগবাজি খেয়েছে? কতবার সে তার পুরোনো নিয়মকে পরিত্যক্ত ঘোষনা করেছে?
৫|
০২ রা জুন, ২০১৪ রাত ১০:৫৫
নতুন বলেছেন: যদি আপনি সব বিশ্বাসই করেন তবে তো আর যুক্তির প্রয়োজন নেই...
তাই ধমের কোন বিষয়ে যুক্তি দিয়ে প্রমানের দরকার দেখি না...
আমাকে বলুন -- আজ পর্যন্ত সাইন্স কয়বার ডিগবাজি খেয়েছে? কতবার সে তার পুরোনো নিয়মকে পরিত্যক্ত ঘোষনা করেছে?
কারন সাইন্স কখনোই বলেনা যে কোন জিনিস ১০০% ঠিক এবং এই জিনিসের পরে কোন পরিবত`ন নাই...
কিন্তু ধম` বলে যে ১০০% ঠিক এবং কোন প্রশ্ন করা যাবেনা...
এখন আপনি কিভাবে সিউর হইলেন যে আফ্রিকার জুজুউমাগুগা এই মহাবিশ্ব সৃস্টি করেনাই?? ( তাদের বিশ্বাস এবং তাদের কিতাবেও তাই বলা আছে..)
০৩ রা জুন, ২০১৪ রাত ৩:০০
অন্ধ পাঠক বলেছেন: অগণিত প্রমাণ আছে। যাদের তকদীরে হেদায়াত মতের এত বড় অনুগ্রহ লেখা আছে তারা বুঝে বা পায়।
মূসা ( আ: ) এর সাথে থেকে নিজ চোখে সমুদ্র দুভাগ হতে দেখেও-তার মাঝ দিয়ে নিজ পায়ে হেটে পার হয়েও ও পাড়ে গিয়ে আবার বাছুর পূজা শুরু করল।- কি বলবেন? মানুষ কি প্রমাণ পেলেও হেদায়াত পায়?
আপনি কি পান নি? ফেরআউনের লাশটা? যেটা নিয়ে আল্লাহপাক ওয়াদা করেছিলেন-যে তিনি সেটা সংরক্ষণ করবেন অবিশ্বাসীদের জন্য। যান না মিশরের জাদুঘরে। দেখে আসুন।
আপনি কি ইতিহাস পড়েননি? রূমের যুদ্ধের ইতিহাসটা পড়ে দেখুন। যদি ইতিহাসের উপর বিশ্বাস থাকে তবে মিলিয়ে দেখুন আল্লাহ পাকের অনেক ভবিষ্যত বাণীর মধ্য থেকে সূরা রূমের নিচের কয়েকটি আয়াত
"
(1) রোমকরা পরাজিত হয়েছে, (2) নিকটবর্তী এলাকায় এবং তারা তাদের পরাজয়ের পর অতিসত্বর বিজয়ী হবে, (3) কয়েক বছরের মধ্যে। অগ্র-পশ্চাতের কাজ আল্লাহর হাতেই। সেদিন মুমিনগণ আনন্দিত হবে।
"
http://tanzil.net/#trans/bn.bengali/30:1
আল্লাহপাক যখন বলেছেন তখন রূমরা পরাজিত হয়নি। তিনি বলার পর পরাজিত হয়েছে আবার তিনি শীগ্রই তাদের পুনরায় জয়ের কথাও বলে দিয়েছেন। জান না মিলিয়ে দেখুন এসব। তথ্য ত এই যুগে হাতের নাগালেই আছে। প্রমাণও আছে ভুড়ি ভুড়ি।
আল্লাহপাক আমাকে ক্ষমা করুন
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা জুন, ২০১৪ সকাল ১১:২৭
মুদ্দাকির বলেছেন: যৌক্তিক লেখা, সংশয়বাদীরা যারা বুঝবে এটুকুতেও অনেক কিছু বুঝবে, এই রকম লেখার খুবখুব দরকার ।
আসসালামুয়ালাইকুম !!