নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বুনোমানুষের ব্লগে স্বাগতম

© তন্ময় ফেরদৌস

তন্ময় ফেরদৌস

একি আজব কারখানা...

তন্ময় ফেরদৌস › বিস্তারিত পোস্টঃ

ড্রাগস নিয়া ব্যাপুক গবেষনা.............. :-<

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৪৯





(আমার একটা রিসার্চের ফলাফল, অনেক তথ্য আছে, তাই পাঠকগন নিজ নিজ দায়িত্বে প্রবেশ করবেন। এই পোস্টের মুল উদ্দ্যেশ্য শুধুমাত্র আপনাদের জানার পরিধীকে বিস্তৃত করার মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি।)





প্রথম আলোতে কোন এক সময় একটা লেখা দেখেছিলাম।শিরনাম ছিল অনেকটা এই রকম-"দেশের কি উপকার করবেন ১৮০০ কোটি টাকা পেলে ?"

এই ১৮০০ কোটি টাকার ব্যাপারটা কোথেকে আসলো ভাবছেন ? আমাদের দেশে প্রতি বছর ১৮০০ কোটি টাকার ড্রাগস ডিলিং হচ্ছে বর্তমানে। শুধুমাত্র লাইসেন্স প্রথার মাধ্যমেই দেশি মদ, ডিনেচারজ় মদ, রেক্টিফাইড স্পিরিট ও বিভিন্ন লাইসেন্স ফি থেকে ট্যাক্স আদায় করা হচ্ছে ৫০ কোটি টাকা যা ব্যাংক চালানের মাদ্ধমে গ্রিহিত হয় [তথ্যসূ্ত্রঃমাদকদ্রব্য নিয়ন্রন অধি.০৮-০৯]।



পরিসংখ্যানঃ



আসুন একটু মাদক গ্রহনকারিদের পরিসংখ্যান দেখি। ২০০৪-০৫ সেশনে WHO[WORLD HEALTH ORG.] এর একটা জরীপে দেখা যায়, মোট জনসংখ্যার ০.৬% মা্নুষ মাদকাসক্ত। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ১৪৭.৮৬ মিলিওন(৯ লাখ), মোট পরিবারের সংখ্যা ছিল ৩.১১ মিলিয়ন। ৪.৬ মিলিয়ন ড্রাগ এডিক্ট যদি ৩.১১% এবং ১৫.৩% পরিবারকে রিপ্রেসেন্ট করে তাহলে প্রতিন ১০০ টি পরিবারের ১৫টি তে একজন করে মাদকাসক্ত পাওয়া যাবে। [তথ্যসূ্ত্রঃwho,survey 06-05,09]।

অন্য মেট্রপলিটন শহরগুলোর জরিপ পাশে রেখে ঢাকা শহরের দিকে একটু তাকাই। ঢাকার বেশ বড় একটা সংখ্যার মাদকসেবিরা আসে বস্তি, সেক্স ওয়ারকার এবং বিভিন্ন ধরনের ভাসমান মানুষ থেকে। ছাত্র সমাজে নতুন ড্রাগসগুলর প্রকোপও কম নয়। ঢাকার মোট জনগোষ্ঠির ১৩ মিলিয়ন যার মাঝে ২.৫ মিলিয়ন হচ্ছে ভাসমান মানুষ ও বস্তিবাসি। ধরে নেয়া হয় এদের মাঝে ৫০% ই মাদকাসক্ত। প্রতি মাসে ঢাকার ৫টি লাইসেন্স করা দোকানে ৪০,০০০ লিটার মদ বিক্রি হয়। অবিশ্যাষ্য মনে হচ্ছে ! [তথ্যসূ্ত্রঃমাদকদ্রব্য নিয়ন্রন অধি.০৯], অন্য ড্রাগস প্রসঙ্গে পরে আসছি।







মাদকসেবিদের প্রোফাইলঃ



বয়স,শিক্ষা,পেশা ইত্তাদির ভিত্তিতে CTS (central treatment center) এর ৮০০ রোগির আ্যনালাইসিস করে দেখা গেছে ৬০% মাদকসেবির বয়স ১৬-৩০, তাদের মাঝে ৫৮.৩% কর্মহীন এবং ২৩% অশিক্ষিত,৫৭% ৫ম-১০ম শ্রেনির মাঝে ২০% হল এইচ.এস.সি. বা তার সমমানের।

আপনি যদি মাদকসেবিদের দুভাগে ভাগ করেন তাহলে দেখবেন সমাজের উচ্চশ্রেনির মাদকসেবিদের চেয়ে নিম্নশ্রেনির মাদকসেবিরা অনেক বেশি অসামাজিক কর্মে লিপ্ত।



প্রকারভেদঃ



১. চেতনানাশক বেদনা উপশমকারী মাদ্রকদ্রব্য : আফিম, মরফিন, হিরোইন এবং ফেন্সিডিল ইত্যাদি।

২. মনোউদ্দীপক বা উত্তেজক মাদকদ্রব্য : কোকেন, এম ফেটামিনস ইত্যাদি।

৩. অবসাদ সৃষ্টিকারী মাদকদ্রব্য : বারবিচ্যুরেটস ও মেথাকোয়ালোন ইত্যাদি।

৪. স্নায়ুবিক উত্তেজনা প্রশমনকারী মাদকদ্রব্য : জায়া জিপাম, নাইট্রাজিপাম ও ক্লোর ডায়াজিপোক্সাইড ইত্যাদি।

৫. বিভ্রম সৃষ্টিকারী মাদকদ্রব্য : ক্যানাবিস গাজা, হাশিশ, মারিজুয়ানা ও ভাং ইত্যাদি।

৬. নাসিকা রন্ধ্রে গ্রহণযোগ্য মাদকদ্রব্য : এরোসোল্স, লাইটার ফ্লুইড, বার্ণিল রিমোভার, নেলপালিশ রিমোভার, পেইন্ট থিনার, স্পট রিমোভার, ক্লিনিং সল্যুশনস্, গুল ইত্যাদি।





সবচেয়ে কমন ড্রাগসঃ



১.হেরইনঃ



দাম ৫০-১৫০ টাকা পুরিয়া,৬০০-৮০০ টাকা গ্রাম।কেজি ৫০,০০,০০০-১ কোটি। ঢাকার কয়েকটা বড় স্পট (মাদক বিক্রির জায়গা) হল- আগারগাও বি.এন.পি. বস্তি, টঙ্গি ব্রিজ, সিটি পল্লি, চৌদ্দটুলি, মহাম্মদপুর টাউন হল।





২.ফেন্সিডিল



দাম ৫০০-৮০০ টাকা। ঢাকার বড় বড় স্পট নাসির স্পট, কমলাপুর, মিরপুর স্টেডিয়াম।তবে বেশিরভাগ সময়ে মোবাইলের মাধ্যমে বিক্রি হয়।







৩.পেথেডিনঃ



দাম ১০০-৪০০ টাকা।সহায়ক হিসেবে সেডিল,এভিল ব্যবহার করা হয়।বিক্রয় স্থান বিভিন্ন ফা্রমেসি এবং চাঙ্খারপুল।







৪.গাজাঃ



দাম ১০ টাকা পোটলা, ৫০-১০০ টাকা রোল, ১৫০০-২৫০০ টাকা কেজি।বিক্রয় স্থান কাওরান বাজার,কমলাপুর রেল লাইন,এবং প্রায় সব বাজার ও রেল ক্রসিং এ।







৫.মদঃ



দেশি মদের দাম,৫০০-১০০০ টাকা(কেরু),লোকাল-৮০-১০০ টাকা,বিদেশি-১৮০০-৪০০০ প্লাস, উপজাতি-২০০-৫০০ টাকা। বিক্রয় স্থান-ঢাকার বিভিন্ন লাইসেন্স করা দোকান যেমন-ওয়াইন ইম্পেরিয়াম,মগবাজার,ওজি করনার,গুলিস্তান ও বিভিন্ন বার এ। বনানি ও এয়ারপোর্ট এ কাস্টমস এর কর্মকর্তারাও বিক্রির সাথে জড়িত।







৬.ইয়াবাঃ



দাম ২৫০-৫০০ টাকা।আগে বিদেশ থেকে আস্লেও এখন দেশে তৈ্রি হয়।মুলত ফোনে বিক্রি হয়।ঢাকায় আসে সাধারনত টেকনাফ- কক্সবাজার হয়ে,বার্মা থেকে।







৭.বারবিচুরেটসঃ



বিভিন্ন ঘুমের ওষুধ যেমন- সেডিল, ট্রিপ্টিন, ডরমিকপ, ইপাম ইত্তাদি।দাম-পাতা ৫-১০০ টাকা।



৮.এক্সটেসিঃ



এর দাম অনেক। প্রতিটা ট্যাব্লেট প্রায় ১৫০০ টাকার উপরে। বানিজ্যিকভাবে এখনো চালু হয় নি। তবে অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর থেকে নিয়ে আসে।



৯.মরফিনঃ



প্যাথেডিনের মত সিরঞ্জ দিয়ে পুশ করে নিতে হয়। সাধারনত ডাক্তাররা লোকাল এনেস্থেশিয়া হিসেবে ব্যাবহার করে। খুব ধ্রুত নার্ভ সাপ্লাই শান্ত করে দিতে পারে। সাধারনত ইন্ডিয়া থেকে ইম্পোর্ট করা হয়। তবে গনস্বাস্থ হতে জি-মরফিন নামে একটা প্রোভাইড করা হয় সরকারি হাস্পাতাল্গুলাতে।

দাম-১২০ টাকা।



এছাড়াও রয়েছে চরস, ভাং, আফিম, ড্রাগন বল, ডেন্ড্রাইট ইত্যাদি আরো হাজারো ড্রাগস।





(এই অংশটুকু ব্লগার কবি রাজ আঙ্কেল সং্যোজন করেছেন। তাকে অনেক ধন্যবাদ)



DRUG DEPENDENCE.অর্থাৎ মানুষ বার বার কেন নেশার দিকে ছুটে যায়?DRUG ADDICTIONকে আমরা সংজ্ঞায়িত করি এইভাবে,"recurring compulsion by an individual to engage in some specific activity, despite harmful consequences to that individual’s health, mental state or social life."



এটা ২ প্রকার।১. Physical Dependence(characterised by symptoms of withdrawal). ২. Psychological Dependence(simply addiction).



অর্থাৎ DRUG DEPENDENCY তখনই develop করবে যখন অই ড্রাগের অনুপস্থিতিতে তার withdrawal symptoms থাকবে।



withdrawal symptoms গুলো হল-



Confusion

Continuing to use drugs even when health, work, or family are being harmed

Episodes of violence

Hostility when confronted about drug dependence

Lack of control over drug abuse - being unable to stop or reduce alcohol intake

Making excuses to use drugs

Missing work or school, or a decrease in performance

Need for daily or regular drug use to function

Neglecting to eat

Not caring for physical appearance

No longer taking part in activities because of drug abuse

Secretive behavior to hide drug use

Using drugs even when alone





কারন ও প্রতিকারঃ



বিশেষজ্ঞরা মনে করেন হাতের কাছে খুব সহজেই বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য পাওয়া যায় বিধায় এটাও মাদকাসক্তের একটা বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত। তাই দেশের অভ্যন্তরে মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে পাশাপাশি মাদক সংক্রান্ত আইন যুগোপযোগী করা এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে।



প্রতিরোধঃ



১. সচেতনতা বাড়ানো: জীবনের যে কোনো ঘটনা বা সাইকো থেরাপির মাধ্যমে এই সচেতনতা আসতে পারে।

২. নিজেকে মূল্যায়ন করার চিন্তা ও আচরণের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তির কি কি দক্ষতা আছে এবং সে আরো কি অর্জন করতে পারে, সে সম্পর্কে নিজেকে মূল্যায়ন করতে পারেন।

৩. সামাজিক ও পরিবেশগত পুনর্মূল্যায়ন: ব্যক্তির সামাজিক ও পরিবেশগত কোন পরিস্থিতি মাদকাসক্তির সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় তা পুনর্মূল্যায়ন করে অবশ্যই পরিহার করতে হবে।

৪. আত্মস্বাধীনতা: অল্প মাত্রায় আসক্ত আচরণ পরিবর্তনের পর ব্যক্তির মধ্যে স্বাধীন অনুভূতি ও আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে এবং ব্যক্তি পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য নিজেকে উপযুক্ত মনে করবে।

৫. সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি: ব্যক্তি সামাজিক দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে সামাজিক কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করবে।

৬. মাদকের চিন্তা প্রতিস্থাপন: মাদকদ্রব্য গ্রহণের পরিবর্তে অন্য যেসব জিনিস ব্যক্তির ভালো লাগে, যেমন বাগান করা, খেলাধুলা বা অন্যান্য কাজে নিজেকে নিযুক্ত করা।

৭. বাহ্যিক উপাদান নিয়ন্ত্রণ: যে সব জিনিসে বা দ্রব্যের উপস্থিতিতে ব্যক্তির মাদক নেয়ার চিন্তা আসে সে সব জিনিস পরিহার উপেক্ষা করা।

৮. নিজেকে উপহার দেয়া: ব্যক্তি যখনই মাদক গ্রহণ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে সক্ষম হচ্ছে তখনই নিজেকে নিজে কিছু উপহার দেয়া।

৯. সাইকোথেরাপির রাষ্ট্রীয় সাহায্যে নাটকীয় প্রশস্তি লাভ সাইকোথেরাপির মাধ্যমে অনেক সময় ব্যক্তির মধ্যে এক ধরনো নাটকীয় প্রশান্তি পেতে দেখা যায়।

১০. যারা দীর্ঘদিন মাদক ব্যবহার থেকে মুক্ত থাকতে পেরেছে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব্ব অটুট রাখা এবং যেসব মনোবিজ্ঞানী তাকে সাহায্য করতে পারেন তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা।



প্রতিটি ড্রাগস স্পটের মালিকরা মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে থাকে কতৃপক্ষকে।আমাদের পরিচিত একজন মন্ত্রিকে ৬০ লক্ষ টাকা দামের গাড়ি কিনে দেয়া হয়েছে গত মাসে।নাম উল্লেখ করলাম না।আর পুলিস থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন ডিলারদের টাকায় কিনা এসি ছেড়ে। বলতে পারেন আমাদের ভবিষ্যতকে আমরা কোথায় নিয়ে যাচ্ছি??



মন্তব্য ১০২ টি রেটিং +২০/-০

মন্তব্য (১০২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৫৫

ফুচকা বলেছেন: Click This Link

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:০১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: B:-) B:-)

২| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৫৬

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: চমৎকার পোস্ট তন্ময় ।

আপনি কি এটা নিয়ে কোন রকম থিসিস করছেন ??

নাকি আপনার পড়াশোনার বাইরে ??

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:০৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ঠিক থিসিস না তানিম ভাই।

একটা সোশাল ইস্যু নিয়ে এড বানানোর জন্য কিছু তথ্য যোগাড় করার দরকার ছিলো।তাই ছোটখাট গবেষনা করার চেস্টা করেছিলাম ।

স্পটগুলাতে ক্যামেরা নিয়া ঢুকতে দেয় না। পরিসঙ্খান্টুকু বাদে পরিচিতি প্রায় পুরাটাই কিন্ত আমি নিজে সার্ভে করে তারপর লিখেছি।

আমার পোড়াশোনার সাব্জেক্ট মিডিয়া এন্ড মাস কমিউনিকেশন।

৩| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৫৭

সমাধানদাতা বলেছেন: ২০০৯ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ১৪৭.৮৬ মিলিওন(৯ লাখ)
এটা ঠিক করেন।তবে পোস্ট ভাল হবে,পড়েই যাচ্ছি।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:০৯

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সমাধানদাতা ভাই, আসলে পোস্ট করে এখনো এডিট করি নাই। ছবি পর্যন্ত দিতে পারলাম না।
নেটের অবস্থা ভয়াবহ। কিউবির উপ্রে অভিশাপ X((

ঠিক করে দিচ্ছি। আরো কিছু ভুল ধরা পড়লে বইলেন তো ভাই। :)

৪| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:০৫

সমাধানদাতা বলেছেন: তথ্যমূলক লেখা।তবে এসবের পেছনে আসলে অনেক বড় বড় হাত থাকায় গতিটার লাগাম টেনে ধরাটা কিছুটা কঠিন,তবে অসম্ভব নয়।
পোস্টে + এবং প্রিয়তে।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:১৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনাকে সবসময় আমার পোস্টে পেয়ে অনেক ভালো লাগে। :)

৫| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:০৭

প্লাগ এন প্লে বলেছেন: ভাই কে আছে ...।। একটু আগুন টা দেন তা বিড়ি তা ধরাই ...।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:১৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ভাই আমার পোস্ট দেয়া স্বার্থক ;)

৬| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:১৫

রাইসুল জুহালা বলেছেন: চমৎকার তথ্যসমৃদ্ধ পোস্টটার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:২০

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: মজাতো,রাইসুল ভাই, আমি আপনার পোস্ট পড়ছিলাম। :)

এই লেখাটা কিন্ত আমার সামুতে প্রথম পোস্টের পরিবর্ধিত রুপ।তখন অবশ্য প্রথম পাতায় এক্সেস পাই নাই।

আপ্নাকেও ধন্যবাদ।

৭| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:৫৪

মাসুদুল হক বলেছেন: প্রিয়তে

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:০১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মাসুদুল ভাই। :)

৮| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:০০

প্লাগ এন প্লে বলেছেন: ভাই ডাইলের আজকের রেইট কত ?...............।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:০৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: এত বড় পোস্ট পইড়া আপনার মনে এই প্রশ্নটাই প্রথমে আইলো ? :|

৯| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:০৪

অণুজীব বলেছেন: B:-) B:-) B:-) B:-)

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:০৮

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ????????????????

১০| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:৫৫

টুকিঝা বলেছেন: নেলপালিশ রিমোভার B:-) হায়রে মানুষ!!!

সুন্দর তথ্যভুল পোস্ট। 8-|

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:৩৪

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সত্যি কিন্ত। আমি ইন্টারভিউও নিয়েছি এমন একজনের।

"তথ্যভুল" ?? :(

১১| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:০৬

টুকিঝা বলেছেন: উপস!!! তথ্যবহুল, তথ্যভুল নহে। :P

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:৩৫

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: =p~ =p~ :) :) :)

১২| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:৫৫

কামরুল হাসান শািহ বলেছেন: মাদক থেকে দূরে থাকতে পরিবারের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।


মিথ্যা যেমন সকল অপরাধের মা, সিগারেট তেমনই সকল মাদকের মা।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১:৫১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: পুরাই সহমত।

১৩| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৬:০৯

ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:

সাবাস মুন্ত্রি.........
চলুক গাড়ী...............

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১:৫৯

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: এটা কিন্তু আসলেও সত্যি কথা হেলাল ভাই।

১৪| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৬:২১

ধীমান অনাদি বলেছেন: দারুন। স্টিকি করা হোক।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:০০

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ভুই পাইসি।

১৫| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৪

ফয়সাল তূর্য বলেছেন: ++++++++

০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:০১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ তূর্য ভাই।

১৬| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:১০

জিসান শা ইকরাম বলেছেন: চমত্‍কার তথ্যসমৃদ্ধ ও পরিশ্রমী লেখা। ভাল লাগলো অনেক অনেক। শুভ কামনা।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৫৫

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জিসান ভাই। :)

১৭| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:৩৯

চশমখোর বলেছেন: খাইছে রে খাইছে। B:-) B:-/

০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৫৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: গবেষনা করার সময় আমারো এটাই প্রথম মনে এসেছে। ;)

১৮| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৭

জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
দারুন তথ্যসমৃদ্ধ পোষ্ট ।

মাদককে না বলি

০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৫৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: মাদককে না বলি

১৯| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৪:৪৭

শিপু ভাই বলেছেন: আসলেই ব্যাপক হৈছে পোস্ট!!
অনেক কস্ট করেছেন- বোঝাই যাচ্ছে। ধন্যবাদ ও শুভকামনা।


মাদককে না বলি।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৫৮

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পুরা পোস্টটি পড়ার জন্য।

মাদককে না বলি।

২০| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১১:০৬

স্নিগ বলেছেন: দারুণ পোস্ট!

যদিও "ভালো লাগলো"-তে ক্লিক করলাম, কিন্তু পড়ে ভালো লাগলো না।মন খারাপ লাগলো :(

০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:৫৯

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

আসুন মাদককে না বলি।

২১| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১২:২৫

ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: পোষ্টে কষে প্লাস !! চমৎকার লাগল। তবে রহস্যের গন্ধ পাই ;)

০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:০২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: বেশি গন্ধ পাওন ভালা না চয়ন ভাই।সাদা চোখে দেখেন। ;)

আসেন মাদককে না বলি।

২২| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:১১

বিতর্কিত উন্মাদ মানব বলেছেন: কেরু হাফ পাইট ৬০০ টাকা X(( আর লিটার ১০০-১২০০।
বিদেশীটার ক্ষেত্রে ৪০০০ এর সাথে আরেকটা ০ লাগান :(( /:) আসলেই "তথ্যভুল" পোস্ট।

ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: পোষ্টে কষে প্লাস !! চমৎকার লাগল। তবে রহস্যের গন্ধ পাই ;)

০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:০৫

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আমি তথ্য যাচাই করে দেখেছি তো উন্মাদ ভাই। মনে হয় ভুল নাই। :)

লেখক বলেছেন: বেশি গন্ধ পাওন ভালা না চয়ন ভাই।সাদা চোখে দেখেন। ;)

আসেন মাদককে না বলি।

২৩| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:১৭

প্লাগ এন প্লে বলেছেন: vai ........dailer dam naki onek baira gache .............. ? chintai asi ............

২৪| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৫:২১

হাসান মাহবুব বলেছেন: জটিল হৈছে গবেষণা। নেইল পালিশ রিমুভার দিয়াও মানুষ নেশা করে! :|

০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১:২৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: হাসান ভাই, সাধারনত যে সব জিনিসে কড়া বা ঝাজযুক্ত গন্ধ থাকে সেগুলা মানুষকে টানে। নেইল পালিশ রিমুভার, জুতার আঠা ডেন্ড্রাইট, লেদার , ইত্যাদি ব্যাভার করা হয় ড্রাগস হিসেবে।

সাধারনত এগুলো বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইনহেল করে নেয়া হয়। যেমন ডেন্ড্রাইট বা ডান্ডি পলিথিনে মেখে মুখের উপর চেপে ধরে ইনহেল করে। অনেক মদের বোতলের মুখ নাকের সামনে এনে এক নাক চেপে ধরে আরেক নাক দিয়ে ইনহেল করে।নিম্ন বিত্তের মানুষদের মাঝে এধরনের নেশা বেশি দেখা যায়।

হাসান ভাই, কমলাপুরে দেখি পিচ্চি পিচ্চি বাচ্চারা এসব নেশা করে।

পুরা পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনি আছেন কেমন ? :)

২৫| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:২০

কবি রাজ বলেছেন: দুর্দান্ত পোস্ট !

একটা জিনিস আমি অ্যাড করতে চাচ্ছি।সেটি হল DRUG DEPENDENCE.অর্থাৎ মানুষ বার বার কেন নেশার দিকে ছুটে যায়?DRUG ADDICTIONকে আমরা সংজ্ঞায়িত করি এইভাবে,"recurring compulsion by an individual to engage in some specific activity, despite harmful consequences to that individual’s health, mental state or social life."

এটা ২ প্রকার।১. Physical Dependence(characterised by symptoms of withdrawal). ২. Psychological Dependence(simply addiction).

অর্থাৎ DRUG DEPENDENCY তখনই develop করবে যখন অই ড্রাগের অনুপস্থিতিতে তার withdrawal symptoms থাকবে।

withdrawal symptoms গুলো হল-

Confusion
Continuing to use drugs even when health, work, or family are being harmed
Episodes of violence
Hostility when confronted about drug dependence
Lack of control over drug abuse - being unable to stop or reduce alcohol intake
Making excuses to use drugs
Missing work or school, or a decrease in performance
Need for daily or regular drug use to function
Neglecting to eat
Not caring for physical appearance
No longer taking part in activities because of drug abuse
Secretive behavior to hide drug use
Using drugs even when alone

ধন্যবাদ। :)

০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:০৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কবি রাজ আঙ্কেল। :)

আমি আপনার নাম যুক্ত করে পোস্টে এড করে দিচ্ছি।

যথাসম্ভব ড্রাগস নেয়ার আগেয়াগে যে উইথড্রল হয়, সেটাকে পোস্ট অরগানাইসিং উইথড্রল বা প বলে। তাই না ?

২৬| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১১:০৭

বিতর্কিত উন্মাদ মানব বলেছেন: আজকে আবার শুনলাম কেরুর লিটার ১৬০০ টাকা। হইতেসে কি এগুলা? X((

০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:১৩

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: উন্মাদ ভাই, আপনি কেরু নিয়া একটা পোস্ট দিয়া দেন। ;)

২৭| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ১১:২৩

নীল-দর্পণ বলেছেন: পোষ্ট ভাল লাগল।

দারুন একটা সাবজেক্টে পড়েন দেখি। একসময় স্বপ্ন ছিলো মাস কমিউনিকেশন & জার্নালিজমে পড়ার :(

০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:১৮

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

পরে কোন সাবজেক্ট এ পড়েছেন ?

২৮| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:৩১

বিতর্কিত উন্মাদ মানব বলেছেন: ভালো কথা বলসেন তন্ময় ভাই :-B নতুন পোস্ট আসিতেসে B-))

০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৪:৩২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম। ;)

২৯| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৪:১৮

নীল-দর্পণ বলেছেন: চাইল্ড ডেভেলাপমেন্ট & সোস্যাল রিলেশনশিপ-এ পড়ছি

০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৪:৩০

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ওহো, আপনার অন্য একটা পোস্টে দেখেছিলাম। মনে ছিলনা। :#>

আপনার সাবজেক্টটাও বেশ ইন্টারেস্টিং। চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট এর উপর বেশ কিছু থিওরি পড়েছিলাম জা ফ্রাঙ্ক এবং পিগেটের । পড়ে বুঝলাম বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থা শিশুদের উপর কতটা বিরুপ প্রভাব ফেলে।

একদিন আলোচনা করা যাবে।

আপনি আছেন কেমন ? :)

৩০| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:০৪

নীল-দর্পণ বলেছেন: বিরুপ প্রভাব ফেললেইবা কি করার আছে...আমার মনে হয়না উনাদের থিওরি এই দেশে বসে ফলানো যাবে ঠিক মতন (এখন অবশ্য কিছু ইংলিশ মিডিয়ামে খেলার ছলে পড়ায় মনে হয়) বাচ্চাদের সঠিক নিয়মে পড়াতে হলে দেশের বাইরে বাচ্চা পড়াতে হবে :(
হমম ভাল বলেছেন আলোচনা করা যাবে একদিন(পরীক্ষাটা শেষ হোক)

আছি...দিন কেটে যায় রক্ত পড়ে না টাইপ(পড়লেও বাইরে থেকে দেখা যায় না আরকি) :P
(আমি কিন্তু আপনার অনেক জুনিয়র, আপনি মনে হয় শেষ করে ফেলেছেন আর আী কেবল শুরু... :P )

০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৪৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ভার্সিটি তে উঠার পর আর কোন জুনিয়র সিনিয়র নাই। :)

আপনি কোন ভার্সিটিতে পড়ছেন ?

পিগটের তার থীওরিতে দেখিয়েছেন বাচ্চাদের কত থেকে কত বয়স পর্যন্ত কি ধরনের শিক্ষা গ্রহন করার ক্ষমতা থাকে। তার বাইরে কিছু দিলে বায়লজিকালি বাচ্চারা তা গ্রহন করতে পারে না।
আমরা না বুঝেই শুধু চাপিয়ে দিয়ে তাদের ব্রেন কে আরো ধংসের দিকে ঠেলে দেই।
আর ফ্রাঙ্ক দেখিয়েছেন কিভাবে ফামিলি ও সোসাইটি শিশুদের মনের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।

অনেক লেকচার দিয়া দিলাম নাকি ? :#>

মন এত খারাপ কেন? খুব ফ্রাস্টেশন এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন নাকি ?

ফেসবুকে একাউন্ট থাকলে এড করে নিয়েন। tanmoy ferdous নামে আছি।

ভালো থাকুন। :)

৩১| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৭

মিথী_মারজান বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। :)

০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:১৫

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অনেক থাঙ্কু আপু। :)

কেমন আছেন ?

৩২| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪১

নীল-দর্পণ বলেছেন: আজিমপুরে হোম ইকোনোমিকস-এ পড়ছি।

আরে না অনেক লেকচার দেন নাই, দরকারীটাই দিছেন :)

মন খারাপ....ভুল বোঝাবুঝি(আম্মার সাথে)....

আইডি আপাতত ডিঅ্যাক্টিভ আছে, অ্যাক্টিভ করলে অ্যাড করবোনে(নীল-দর্পণ নিকে)

০৮ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:১৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ব্যাপার না, ঠিক হয়ে যাবে।

ভালো থাকুন। :)

৩৩| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৪

কাউসার রুশো বলেছেন: অনেক কষ্ট করেছেন পোস্টের জন্য। আপনাকে ধন্যবাদ জানাতেই হয়
অনেক ধন্যবাদ।

মাদকসেবন প্রতিরোধে আসলে সচেতনতাটাই আসল।
আসুন সবাই মাদককে না বলি

আপনার পোস্টটা একদিনের জন্য হলেও স্টিকি করা দরকার ছিলো।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: থাঙ্কু রুশো ভাই। :)

কদিনের মধ্যে ৭০০ ব্লুরে প্রিন্টের মুভি পেতে যাচ্ছি। আপনার পছন্দের কোন মুভি কালেকশনে না থাকলে জানাতে পারেন। হয়তো হেল্প করতে পারবো।

ভালো থাকুন ভাইয়া। :)

৩৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:৩৪

অগ্নিকোণ বলেছেন: ফেন্সিডিল

এখন কি অবস্থা জানি না, তবে এটা আমাদের মফস্বল এলাকায়ও খুব সহজভাবেই পৌছে গিয়েছিল। ফেন্সিডিল ছাড়াও মাঝে মাঝে মহিলাদেরকে দেখতাম ভারতীয় ভিটামিন ওষুধ এর বোতল বাজারের ব্যাগে করে ফেরী করতে। সাধারণত স্থানীয় প্রভাবশালীদের বখাটে ছেলেপেলে নিজেরা ফেনসিডিল খায় এবং অন্যদের কাছে বিক্রি করে। তরুণ সমাজই এর মূল ভোক্তা। স্থানীয় পর্যায়ে পুলিশ প্রশাসন ব্যাবস্থা নিলেই এটা নির্মূল করা সম্ভব বলে মনে করি। রাজধানীর কথা আলাদা। কারণ সকল দেশের সকল রাজধানীই বিশাল সমুদ্রের মত, নেশার দ্রব্য আর জীবনরক্ষাকারী ঔষধ সবই রাজধানীতে থাকবে। কিন্তু অন্যান্য জায়গাগুলোতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কিছু ব্যাবস্থা নিলেই এই ফেনসিডিল থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে আমি মনে করি। কারণ সাধারণ অন্যান্য এলাকার ছেলেপেলেরা রাজধানীর ছেলেপেলেদের মত মরিয়া নয়। তারা ভয় পায় এবং সাবধানে থাকতে পছন্দ করে। সুযোগ পেলে খাবে, সুযোগ না পেলে নাই। ভারত যতই কারখানা বানাক আর রপ্তানী করুক, স্থানীয় পর্যায়ে ফেনসিডিল প্রতিরোধ করা সম্ভব। এর পেছনের অন্যতম কারণ হচ্ছে এই নেশার বস্তুটার আকৃতি। ফেনসিডিল হিরোইনের মত সামান্য কিছু গুড়া নয়, বরং একটি প্রমান সাইজের বোতল। যে কারনে এর এক্সপোজার বেশী এবং বহনযোগ্যতা ঝুকিপূর্ণ। এই কারনেই একে সনাক্ত করা তুলনামূলক সহজ।

পেথেডিন
এইটা ছিল বড়লোকের নেশা। বড়লোকের ছেলেপেলেরা এই দ্রব্য গ্রহণ করত। কিন্তু পোষ্টে আপনার উল্লেখিত দাম দেখে বোঝা যাচ্ছে যে এটা এখন অর্থনৈতিক ভাবে নাগালে এসে গেছে। এইটা আসলে অনেকটা আগ্নেয়াস্ত্রের মত। ঠিক লোকের হাতে থাকলে রক্ষক আর বেঠিক লোকের হাতে গেলে ভক্ষক। আগ্নেয়াস্ত্র উতপাদন বন্ধ করা সম্ভব নয়। জানিনা এটা নিয়ে কিভাবে কি করা যেতে পারে।

গাজা
খুবই দ্বান্দিক বিষয়। আমাদের অঞ্চলের অনেক পুরাতন জিনিস এই গাজা। বাবা চাচার আমলে তো মানুষ নির্দ্বিধায় এই জিনিস সেবন করত শুনেছি। এটা আমদানী করা কোন জিনিস নয়, স্থানীয় বস্তু। স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নাই। ছেলেপেলে সিগারেট থেকে গাজায় যায়, গাজা থেকে হেরোইনে যায়। নেশার প্রথম ধাপগুলোর একটা গাজা। এইক্ষেত্রেও কিভাবে কি করা যায় আমার কোন ধারনা নাই।

মদ
পৃথিবীর বিশাল অংশে বৈধ এই জিনিসটা আমাদের দেশে অবৈধ। এবং আমি মনে করি এর যৌক্তিকতাও আছে।কফি আর সিগারেটও কিন্তু মাদক। সমাজ তার সদস্যদের বিভিন্ন মানসিক চাপ থেকে মুক্তি লাভের সাময়িক উপায় হিসেবে কিছু কিছু মাদক ব্যাবহারের অনুমতি দিয়ে থাকে। মদ ঠান্ডার দেশগুলোতে ঠিক আছে, কিন্তু আমাদের এই উষ্ণ অঞ্চলে মদ একপ্রকার ভয়ংকর সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে পারিবারিক জীবনে অশান্তির উপাদান হিসেবে মদের তুলনা নাই। মদ খেয়ে টাকা উড়ানোর অনেক কাহিনী বাংলা সাহিত্যের পাতায় পাওয়া যায়। শেখ মুজিবের আমলে মদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল বলে জানি। পরবর্তীতে মদের ক্ষেত্রে আইন শিথীল করা হয়। আইন প্রয়োগের মাধ্যমেই মদের বিলুপ্তি সম্ভব। কারণ মদ কোন ভয়ংকর মাদক নয়, এর আসক্তি কাটিয়ে ওঠাও কঠিন কিছু নয়, একমাত্র পাড় মাতাল ছাড়া। আইনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করলে এত টাকা খরচ করে কেউ মদের পিছনে ছুটবে না। আর যেহেতু এটা ভয়ংকর কিছু নয়, সেহেতু ফেনসিডিলের মত সর্বগ্রাসী ক্ষতির ক্ষমতা মদের নাই। যোগান না থাকলে চাহিদাও নাই, আর চাহিদাটাও তেমন জোরাল কিছু নয়। কিন্তু বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যেটা আমার মনে হচ্ছে যে আগামী তিরিশ বছরে হয়তো মদ বরং সিগারেটের মত বৈধ হয়ে যেতে পারে।

ইয়াবা
থাইল্যান্ডে প্রকাশে বিক্রয় হয়। এইটাকে সম্ভবত মেথ বলে আমেরিকায়। আরও অনেক নাম আছে। খুবই ভয়ংকর একটা মাদক। সেবনের প্রথম দিকে সেবনকারী অতিরিক্ত শক্তি ও ক্ষমতা অনুভব করে, কিন্তু আস্তে আস্তে শক্তি ও ক্ষমতার বদলে অবসাদ নেমে আসে এবং বছর ঘুরতেই চুল, দাত পড়ে যায়, মুখের চামড়া নষ্ট হয়ে যায় এবং চেহার ভয়ানক ক্ষতি সাধন করে। ইয়াবা আমাদের মাথায় ডোপোমিন নামক একধরনের স্নায়বিক রাসায়নিকের আধিক্য বাড়িয়ে দেয় যা সুখানুভূতি এবং কর্মোদ্দিপনা সৃষ্টি করে। একসময় শরীর তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যের কারনে অতিরিক্ত ডোপামিন যাতে নিসৃত হতে না পারে সে জন্য যে ছিদ্রগুলো দিয়ে ডোপামিন বের হয় তার অনেকগুলো বন্ধ করে দেয়। ফলে দেখা যায় যে ইয়াবা সেবন করলে প্রথম দিকে ডোপামিনের আধিক্য হেতু শক্তি লাভ করলেও পরবর্তীতে ইয়াবা সেবন না করলে অবসাদ ও দুর্বলতা গ্রাস করে। কারণ ইয়াবার কারনে কিছু ছিদ্র বন্ধ হয়ে গেছে, যেগুলো দিয়ে স্বাভাবিকভাবে ডোপামিন বের হত। ফলে ইয়াবা সেবন না করলে স্বাভাবিকের থেকে কম ডোপামিন বের হয় যা অবসাদ তৈরী করে। আবার ইয়াবা সেবন করলে কম সংখ্যক ছিদ্র দিয়েই অধিক হারে ডোপামিন বের হতে থাকে যা স্বাভাবিক থাকতে সাহায্য করে। খুবই জঘন্য একটা প্রক্রিয়া। ইয়াবার বার্মায় স্থানীয়ভাবে চাষ করা হয়। পারিবারিকভাবে আমাদের ধান চাষের মত ইয়াবার উতপাদন হয় বার্মার এক দুর্গম অঞ্চলে। বার্মার সরকার অনেক চেষ্টা করেও কিছু করতে পারে নাই। এক ত দুর্গম অঞ্চল, তার উপর সেই অঞ্চলের মাটি অনুর্বর। মানুষজন তো আর না খেয়ে থাকতে পারে না। ইয়াবা উতপাদনই তাদের অর্থনীতির পুরোটা জুড়ে আছে। এই দুর্ভাগা মানুষগুলোকে সাহায্য করতে পারলে ইয়াবার রাজ্যে একটা ধ্বস নামানো যেত। ছোট আকৃতির কারনে এর এক্সপোজার খুবই কম। আর শক্তিবর্ধক হিসেবে এর প্রতি আগ্রহেরও কমতি নেই। যতই চেষ্টা করা হোক না কেন, ইয়াবার উতপত্তিস্থলের মানুষদের যতদিন অন্য কোন অর্থনৈতিক সংস্থিতিতে না আনা যাচ্ছে ইয়াবা তার রাজত্ব চালিয়ে যাবে। থাইল্যান্ড দেহজীবি এবং শ্রমজীবিদের মধ্যে ইয়াবা খুবই স্বাভাবিক একটি মাদক। থাই সরকার নিষিদ্ধ করে, গ্রেফতার করেও কিছু করতে পারে নি।

এক্সটেসি আর বারবিচুরেটস সম্পর্কে ধারণা নাই।

মরফিনের ক্ষেত্রে পেথেডিনের কথাই প্রযোজ্য।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:৪৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: এক্সটেসি কে অনেকে এলএসডি এর প্রথম ধাপ ও বলে। প্রচন্ড হেলুশিনেটিং ড্রাগস।

আর বারবিচুরেটস মানে ঘুমের অষুধ।

আপনার চমৎকার ও তথ্যবহুল মন্তব্যের জন্য অসঙ্খ্য ধন্যবাদ।

এই মন্তব্য আলাদা করে একটা পোস্ট দিয়ে দেন না ভাইয়া।

৩৫| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৩:০৫

সোহরাব সুমন বলেছেন: ড্রাগস, সন্ত্রাস আর আমাদের রাজনৈতিক সিস্টেমের মইধ্যে বিরাট একটা লিঙ্ক আছে !

১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:৫৯

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: পুরাই সহমত। একটা আরেকটার সাথে কঠিনভাবে লিঙ্কড।ড্রাগসের কারনে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। আর দুটাই হচ্ছে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায়।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। :)

৩৬| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ ভোর ৪:০৮

অগ্নিকোণ বলেছেন: আসলে মন্তব্যটা একটা আলাদা পোষ্ট হবার মত বৈশিষ্ট্য ধারণ করে না বলে মনে হচ্ছে। কারণ আপনার পোষ্ট ছাড়া কেউ এই মন্তব্যটা আলাদা পোষ্ট হিসেবে পড়লে খাপছাড়া মনে হবে তার কাছে। তাই পোষ্ট হিসেবে দিলাম না।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:৪০

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আইচ্চা, তাইলে নেক্সট টাইম পরিপুর্ন পোস্ট চাই। :)

৩৭| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:২৮

কবির চৌধুরী বলেছেন: নির্ভুল তথ্যবহুল পোস্ট। মন্তব্য গুলাও ইন্টারেস্টিং।

ঢাকায় হেরোইনের পর ডাইল যে পরিমান ক্ষতি করছে তার চেয়ে হাজার গুন ক্ষতি ইয়াবা অলরেডি করে ফেলছে। অনেকের ধারণাই নাই এই ভয়াবহতার মাত্রা। এই জেনারেশন পুরা শেষ!!

চুপি চুপি বলে দেই আমি আপনারে দেয়া লিস্টের সব কয়টাই ট্রাই করছি। :|
কিন্তু কোনটাই কানদে চাপতে পারে নাই! :P

এক্সটেসি ঢাকাতে রেগুলার পাওয়া যায়? মনে হয় না।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৫

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ইয়াবার ভয়াবহতা সম্পর্কে আসলে অনেকেই জানেনা। আমার পরিচিত বেশ কয়েকজন অন্য ড্রাগস থেকে ইয়াবাতে শিফট করেছে। ভবিষ্যতের আশঙ্কায় ভয় লাগে।

আপ্নাকেও চুপি চুপি বলি, আমিও। ;) তবে শুধুই ট্রাই।

কবির ভাই, এক্সটেসি রেগুলার পাওয়া যায় না। থাই অথবা সিঙ্গাপুর থেকে ইম্পোর্ট করতে হয়।

৩৮| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:১৬

আমার- নাম- মেহেদী বলেছেন: শুন মুমিন মুসলমান ও বেশি কইরা ঝিক ঝিক টানো আখিরাইতে সব ই পাইবা ঝিক ঝিক পাইবা না ;)

সিসা বাদ গেল কেলা /:)

১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৯

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: মেহেদী ভাই, সিসারে ঠিক ড্রাগসের পর্যায় ফেলা যায় কিনা বলতে পারছি না। এর কন্টেন্টে সাধারনত ড্রাগস টাইপের কিছু নেই বলেই মনে হয়। আরেকটু পড়াশোনা করতে হবে এই ব্যাপারে।

আমি যখন এটা তৈরি করেছিলাম তখন সিসার প্রকোপ ততটা ছিলনা।

আপনি কবির ভাইয়ের সিসা সঙ্ক্রান্ত পোস্ট টা পড়েছেন ?

৩৯| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৪:১৩

সোহরাব সুমন বলেছেন: ইয়াবার মার্কেটিং হয় খুব সতর্কতার সঙ্গে, যারা খায় -ফোনে পাতানো ভাবিদের বলে রাখে, তারা আবার চাহিদা অনুসারে আনিয়ে রাখে, তাই প্রশাসনের পক্ষে এদের ধরার উপায় নাই। আবার ক্ষেত্র বিশেষে.........ছত্রছায়ায় এই ধরনের কার্যকলাপ চলে। ইয়াবা খায় এমন একজনের সঙ্গে একবার সরেজমিনে দেখতে গিয়েছিলাম ব্যপারটা .........
দু'ইটাকার নোক ফোল্ড করে হুবহু হিরইনের মত- রাংতার উপরে ধরে আগুনের তাপদিয়ে এই নেষা করা হয়, নেষাকারীর দাঁতের দিকে তাকালেই সেটা বোঝা যায়।

১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৪:২৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: এই ভাবে খাওয়ার সিস্টেম কে বলা হয় চেসিং দা ড্রাগন।

হিরোইন শুধু বাংলাদেশে এভাবে নেয়া হয়। আর বাইরে নেয়া হয় ইঞ্জেক্ট করে।

আরেকটা তথ্য দেই। বর্তমানে বাংলাদেশে ইয়াবা তৈরি হচ্ছে। ডাইস বানিয়ে সাথে কিছুটা মেথ, সুডো এফেড্রিন আর কালারের জন্য মিথাইল অরেঞ্জ ব্যাবহার করা হয়।অত্যন্ত ক্ষতিকর জিনিস।

ইয়াবা মার্কেটিং এর জন্য ইয়াবা সেবকদের কাজে লাগানো হয়।ফলে নিজের খাওয়ার টাকা যোগাড় করার উদ্দেশ্যে ব্যাবসা করে যায়।

ইয়াবা একটা ড্রাগস যেটা নারী সমাজেও বহুল সমাদৃত।

আলোচনা করার জন্য অনেক ধন্যবাদ সুমন ভাই। :)

৪০| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১১:২৯

সোহরাব সুমন বলেছেন: হুম যারা খায় তারা আবার খুব সতর্কতার সঙ্গে কাছের সমবয়েসীদের কাছ থেকে যেনে নেয় সে আসলে কী খায় বা এইটা খাবে কিনা, প্রথম প্রথম ফ্রী-অফার করে বা ড্রাগস নেবার পর অন্যান্য বাদাম, চানাচুর, কোমল পানিয় যোগাবার শর্তদেয়। এভাবে তারা এলাকা জুড়ে এই নিছিদ্র এক অশুভ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে। ইদানিং ডাক্তারদের প্রেসক্রাইব করা কিছু লোকাল ওষুধও শুনলাম এই একই কাজে ব্যবহার হচ্ছে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১২:০২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সুমন ভাই আপনি সব দারুন দারুন তথ্য তুলে ধরছেন।

এ নিয়ে একটা আলাদা পোস্ট দিয়ে দেন না।আমরা অনেক কিছু জানতে পারবো। :)

৪১| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:০২

সোহরাব সুমন বলেছেন: রিভট্রিল নামের ওষুধটা এই কাজে ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে কেননা দামে কম আবার কোথাও কোথাও প্রেসক্রপশন ছাড়াও পাওয়া যায়। আলাদা পোস্ট দিলে ঝামেলা হতে পারে ............এদের অনেকেরই আবার ব্লগে অবাধ যাতায়াত..........................বেটার আ........প...নি....

৪২| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:০৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: রিভোট্রিল এর নাম আগে শুনি নাই। তবে ট্যাব্লেট আকারে মরফিন পাওয়া যেতো মিটফোর্ডে। ৭০ টাকা করে।
আর ফেন্সির মেইন উপাদান কোডিনের ট্যাব্লেট ও পাওয়া যায় বলে শুনেছি।
জানেন নাকি এ ব্যাপারে ?

ব্যাপার না, এখানেই আলোচনা চলুক।

৪৩| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:৩৬

সোহরাব সুমন বলেছেন: এইটা খুবই কমদামি আর ছিচকে শয়তার কতগুলা ডাক্তারই এলাকার বন্ধুবান্ধব আর পরারত মাস্তানদের এই সব শেখায় আর সাপ্লাই দেয়, এমন কি সেক্সের ওষুধো ! কেননা মহল্লা বা বাজারের যেকোন ঝামেলায় এদেরই কাছ থেকেই প্রোটেকশন নিতে হয়। এই সব ডাক্তাররা আবার থানা পুলিশো পুষে!

১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:৪৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: হুম, তারমানে সেক্স পিলের চাহিদাও কম না।
ইয়াবা আর এক্সটেসিও সেক্স পিল হিসেবে ইউস হয় বলে শুনেছি।

স্নেক বাইটের কথা জানেন নাকি কিছু ?

৪৪| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:১১

সোহরাব সুমন বলেছেন: মনে হয় শুনেছি। তবে বেশীর ভাগ জায়গাতেই স্থানিয় উল্টি ভাষা ব্যবহার হয়- যেমন ইয়াবাকে বলা হয় বাবা, .....।

সেক্স পিল হিসেবে ভায়াগ্রার কদর থাকলেও এইটার মূল উপাদার সেন্টালিনা এসিটেড সমৃদ্ধ ভারতের এডেগ্রা ও অন্য আরো কিছু নামে পাওয়া যায়, টএই গুলার দাম ৫০ থেকে ১০০টাকা। ডাক্তার-ফামেসি ম্যান-রিপ্রেজেনটেটিভ-আর স্থানিয় চক্র আজব এক বোঝাপরার মাধ্যমে এই সব বিক্র করে। এমনকি এমবিবিএস ডাক্তারদের একজনকে পকেটে রেখে বিক্রি করতে দেখছি এই জিনিস। তার দাবি এই জিনিস নেবার পর খেয়ে এক জন নাকি মারাও গেছে !

১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৪

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সুমন ভাই , আপনার দেয়া তথ্যসূত্রগুলা পেলে রিপোর্ট তৈরি করে ফেলা যেতো। অনেক দারুন দারুন তথ্য তুলে ধরছেন।

আসলে রিপোর্ট লেখার জন্য রেফারেন্স অনেক জরুরী।

৪৫| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:২৫

মামুণ বলেছেন: ড্রাগসের নাম বিবরন দেওয়া ঠিক আছে । কিন্তু কোথায় পাওয়া যায় এটা না দিলেও পারতেন তাতে অনেকে উৎসাহিত হয়ে পরে । তবে পোষ্টটা ভালো হয়েছে ।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৯

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: হুম, এই কারনে প্রথমে সতর্কবানী দিয়ে দিয়েছি।

আসলে রিসার্চের যতটুকু সম্ভব তুলে ধরার চেস্টা করেছি।আর কোথায় পাওয়া যায় তা এখন অনেকেই জানে। এটা এওয়ারনেস হিসেবে জকাজে লাগানো যেতে পারে।

আপনাকে ধন্যবাদ মামুণ। মামুন বানান ণ দিয়ে লেখেন নাকি ?

৪৬| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১৩

রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: আকর্ষণীয় পোস্ট তবে কোন সেন্সে মাদকের স্পট, কোথায় পাওয়া যায় এসব লিখলেন? এটা তো মাদকের বিজ্ঞাপন হয়ে গেলো তাহলে! এমনভাবে রিপোর্ট লিখুন যাতে আপনার মাদকের বিরুদ্ধে আপনার অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১১:০০

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: রিপোর্ট লিখেছি কে বললো ? স্বাভাবিকভাবেই যাদের কো ধারনা নেই তারা শুধুমাত্র জায়গার নাম থেকে মাদক সংগ্রহ করতে পারার কথা না। তাছাড়া পত্রিকাতে অনেক সময় এ সব জায়গার নামে অসংখ্য রিপোর্ট হয়। সেখান থেকে জেনেই তো আমি খবর নিয়েছি।পারলে নিজে গিয়ে দেখার চেস্টা করেছি। না পারলে অথেন্টিক রিপোর্ট থেকে তথ্য নেয়ার চেস্টা করেছি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের বার্ষিক বই ২০১০ এ আরো বিস্তারিত দেয়া আছে। কাজেই জায়গার নাম দিয়ে বড় কোন অপরাধ করেছি বলে মনে হচ্ছে না। আপনি বলুন তো উপরের কোন ড্রাগস টা আপনি এখান থেকে জেনে নিয়ে কালেক্ট করতে পারবেন ?

আর পোস্টে তো সুধু স্পটের নাম উল্লেখ করা নাই, সাথে পরিসঙ্খান, প্রোফাইল, প্রতিকার, প্রতিরোধ অনেক কিছুই উল্লেখ আছে।

পোস্টের প্রথম প্যারায় উল্লেখিত সতর্কবানী খেয়াল করুন। এ পোস্ট টা শুধুমাত্র মাদকের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান না, সবাইকে ক্ষতিকর মাদকগুলার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়াও উদ্দেশ্য ছিলো। যাতে সবাই নিজেরা এবং পরিচিতদের এ ড্রাগস থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিতে পারে।

তারপরো আপনার কাছে এটাকে মাদকের বিজ্ঞাপন বলে মনে হচ্ছে ?

যাই হোক, ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৪৭| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৩

মামুণ বলেছেন: পত্রিকায় লেখালেখির খাতিরে ড্রাগ এডিক্টদের নিয়ে কাজ করেছিলাম কিছু দিন। তখন থেকেই এই বিষয় নিয়ে একটু জানাশোনা হয়। আমাদের লেখালেখির ক্ষেত্রে খুব কঠোর নিয়ম ছিল যে কোন ক্রমেই যেন এমন কোন তথ্য প্রকাশ না পায় যাতে করে অন্যরা ড্রাগসের ব্যবহার বিধি জানতে পারে । আপনার গবেষনা ধর্মী পোষ্টটা অনেক বেশি সমৃদ্ধ ।
আর নামের বানানটা এম্নেতেই একটু উল্টা লেখি।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১১:১০

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আমি মেইনস্ট্রিম কোন মিডিয়াতে লেখলে হয়তো বাদ দিয়ে দিতাম। তবে ব্লগে ডাইরেক্ট মতামত পাওয়া যায় বলে আনুসাঙ্গিক অনেক তথ্য পাচ্ছি।
যেমন সুমন ভাই ও অগ্নিকোন ভাইয়ের সাথে আলোচনা দেখুন।

অন্যান্যরা অব্জেকশন দিলে এডিট করে দিতাম।

৪৮| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১২:৩০

সোহরাব সুমন বলেছেন: সেদিন খবর পড়লাম খোদ পরিবেশ অধীদপ্তরের অধীনে জব্দ করা পলিথিন আবার তাদেরই হাত দিয়ে বাজারে !

মাদকের ক্ষেত্রেও কিন্তু এমনটা অহরহই হচ্ছে বলে শুনেছি, ব্লগ বলেই বল্লাম এইভাবে। নিউজ করলে তো আমিও রেফারেন্স টেনেই বলতাম। আর উপযুক্ত রেফারেন্সের অভাবে নিউজ না হলেও ঘটানা কিন্তু সমান তালে ঘটেই যাচ্ছে.............

১৬ ই অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: হুম,আবারো একটা দারুন বিষয় তুলে ধরলেন। নারকোটিক্স ডিপার্ট্মেন্টের আটককৃত ড্রাগসের প্রায় ৪০% বিক্রি হয়ে যায় স্টকে নেবার আগেই। যেমন- পুলিশের কাছ থেকে অনেক ডিলার ইয়াবা কিনে ১৮০০০/- টাকা শ পিস।

আর স্টকে যাবার পর বছর ঘুরতে না ঘুরতে বাকি ৬০% ের অর্ধেক গায়েব হয়ে যায়। কতৃপক্ষের হাত না থাকলে কিভাবে সম্ভব ?

৪৯| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:০০

রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: আপনার পদক্ষেপকে স্বাগত আমি কিন্তু জানিয়েছি। তবে অনেকক্ষেত্রেই স্পটের নামটা গোপন রাখাই ভালো। অনভিজ্ঞ অনেকেই সংগ্রহ করতে পারে এসব জায়গায় সংশ্লিষ্ট গ্যাংয়ের কাছে গিয়ে।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৩৩

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আচ্ছা, এডিট করে স্পটের নাম মুছে দিলে ভালো হয় নাকি ??
ফিরে এসে কমেন্টস করার জন্য থাঙ্কু। :)

৫০| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:৩৩

মেঘের দেশে বলেছেন: কাশির ঔষুধ এক্সপোটেন এবং ডেক্সপোটেন ও মাদক হিসেবে চলে। ২০০৯ এর দিকে খুব পপুলার ছিলো। এখন কি অবস্থা জানি না। কাশির ঔষুধ হিসেবে খুব সহজলভ্য ছিলো তখন।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৩৮

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: হুম, এটার কথা একেবারেই ভুলে গেসিলাম।

ডেক্সপোটেন এর মেইন উপাদানের নাম ডেক্সট্রোমেথফর্মেন। এটাই নেশার উদ্রেক করে।

আরো কটি কাশির ওষুধ যেগুলা দিয়ে নেশা করা হয়-

অফকফ
এক্সটিল
ডিকফ
ভেন্সিডিল
মিউলিট
এড্রিল
এলারভিল
তুশকা
ইত্যাদি।

আপনাকে ধন্যবাদ মনে করিয়ে দেবার জন্য। :)

৫১| ১৬ ই জুন, ২০১২ রাত ৮:০৪

ফারিআজ বলেছেন: মাদককে না বলি

১৩ ই অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: না বলি

৫২| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:০৯

লিন্‌কিন পার্ক বলেছেন:
আজকালকার অনেক ছেলে মেয়েরাই ড্রাগ নেয়াকে ফ্যাশন মনে করে ।

সিগারেট , মদ , গাঁজা , ইয়াবা ক্রমান্নয়ে চলতেই থাকে !!

১৩ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:৪৯

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: মাদককে না বলি

৫৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:২২

িনর্বাক বলেছেন: ভাই আপনি তো ঠিকানা দিআ দিলেন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.