নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

rm -rf /

আর্কিওপটেরিক্স

Cyber Security

আর্কিওপটেরিক্স › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভবিষ্যতের এক কিশোরীর ডায়েরি থেকে......

২৫ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:১১


২৬শে জুলাই, ২৯৯০

আজ আমার বয়স ১৮ হলো। দেহ মনে যেন এক নতুন অনুভূতি ! যা ভাষায় লিখতে পারছিনে। মা বলেছেন সাবধানে চলতে। হাইপারস্পেসে নাকি মেয়েরা নিরাপদ না। সুযোগ পেলেই ঝাঁপিয়ে পড়ছে হায়েনারা। কেউ নিরাপদ নয় তাদের কালো থাবা থেকে। কি ছোট্ট বাচ্চা, কি শত বছরের বৃদ্ধা সবাই তাদের হিংস্রতার শিকার !

আমাকে মা একটি প্রটেক্টটিভ ভেস্ট কিনে দিয়েছেন। আগে যেগুলো পরতাম তার থেকেও বড়। তবুও আমি নিজেকে নিরাপদ মনে করি না। রাস্তায় বেরোলেই দেখি কিছু মানুষ নামক জন্তু আমাকে খারাপ নজরে দেখছে। কিন্তু কিছুই বলতে পারিনে ! বান্ধবীদের সাথে চলার চেষ্টা করি। একলা চলাচল নাকি নিরাপদ নয় !

দেশ নাকি উন্নয়নের হাইপারলুপে। সবখানেই হাইপারনেটের ছোঁয়া। তবুও কেন এ হাল ? এসব দেখতে দেখতে কি সবার চোখ সয়ে গেছে ? কেউ কি কিছু বলার নেই ?

বোধহয় সেদিন তাদের চোখ খুলবে, যেদিন নিজের মেয়েটা শিকার হবে !

মন্তব্য ৩১ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৩১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:২৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি এক জায়গায় লিখেছেন, "রাস্তায় বেরোলেই দেখি মানুষ নামে কিছু জন্তু আমাকে খারাপ নজরে দেখছে"।

-আপনার মতে, খারাপ নজর কোনটা?
-আমি ব্যক্তিগতভাবে, রাস্তাুয় বেরুলে, আমার সামনে-পড়া প্রতিটি মেয়েকে দেখি, আমি অন্ধ নই! আমার কাছে প্রতিটি মেয়ে সুন্দরী, আমি কি চোখ বন্ধ করে হাঁটবো? আপনি আজকাল গার্বেজ লেখার শুরু করেছেন।

২৫ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: রাস্তায় বেরোলেই দেখি কিছু মানুষ নামক জন্তু আমাকে খারাপ নজরে দেখছে। আশাকরি কিছু শব্দটা এবার চোখে পড়ে !

আমার মতে খারাপ নজর সেটা, যেটার কারনে কোনো মানুষ অস্বস্তি বোধ করে বা অনিরাপদ মনে করে। আশাকরি আপনাকে পাক হায়েনা চেনাতে হবে না !

সবাই দেখে। ছেলেরা মেয়েদের দেখবে, মেয়েরা ছেলেদের। এতে অন্ধত্বর প্রশ্ন আসে না। চোখ থাকলেই নজর খারাপ হয় না।

আপনি আজকাল গার্বেজ লেখার শুরু করেছেন। - দেশে যখন গার্বেজ হয় তখন তার প্রভাব বিদেশেও পড়ে !

২| ২৫ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি ম্যাঁওপ্যাঁও ব্লগারদের সমান হওয়ার চেষ্টা করছেন! বাংলাদেশে পাকী নেই, ১৮ বছরের বাংগালী মেয়েকে অন্য বাংগালীরা দেখছেন; একটা মেয়ে ১ জন পুরুষের কাছে রহস্য, সুন্দর, একটা প্রজাপতি, একটা রংধনু; মানুষ সুন্দরকে দেখেন; প্রকৃতির বাহিরে গিয়ে ব্লগিং করার চেষ্টা করিয়েন না; অকারনে পুরুষ মানুষকে টেনে নীচে নিয়ে যাওয়া ব্লগিং'এর অংশ নয়; সব মানুষই সমান; আপনি হঠাৎ করে ফেরেশতা হয়ে যাননি; কোন মানুষ ফেরেশতা নন; মানুষ সব সময় মানুষ।

২৫ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: মেয়েরা তাদের ভালোমন্দ ভালোই বুঝতে এবং অনুভব করতে পারে।

বাংলাদেশে পাকির কথা বলিনি। এটা জাস্ট এক্সাম্পল।

একটা মেয়ে ১ জন পুরুষের কাছে রহস্য, সুন্দর, একটা প্রজাপতি, একটা রংধনু; মানুষ সুন্দরকে দেখেন - ঠিকই বলেছেন।

প্রকৃতির বাহিরে গিয়ে ব্লগিং করার চেষ্টা করিয়েন না - ধর্ষকরা প্রকৃতির বাইরে যাওয়া জন্তু মাত্র। এখানে কোনো পুরুষকে টেনে নীচে নিয়ে যাওয়া হয়নি। আপনার বোঝায় ভুল রয়েছে।

আপনি হঠাৎ করে ফেরেশতা হয়ে যাননি; কোন মানুষ ফেরেশতা নন; মানুষ সব সময় মানুষ - আমি নিতান্তই সাধারণ একজন মানুষ, ঠিক আপনার মতো ;)

গুণে গুণে ১ ঘন্টা পরে মন্তব্য করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ B-))

৩| ২৫ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন: ---- একটা মেয়ে ১ জন পুরুষের কাছে রহস্য, সুন্দর, একটা প্রজাপতি, একটা রংধনু; কাব্যিক মন্তব্য!!

২৫ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: উনার একটা বিশাল মন আছে !

৪| ২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:৩৭

শেহজাদী১৯ বলেছেন: সকল পুরুষ হায়েনা নয়। সকল হায়েনা পুরুষ নয়।

২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৩

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: একমত :)

৫| ২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: এই সমস্যা আদি কালের সমস্যা। আজীবন এই সমস্যা থাকবেই।

২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: মতামতের জন্য ধন্যবাদ রাজীব ভাই।

৬| ২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:০৮

কালো যাদুকর বলেছেন: আজ থেকে অনেক বছর পরেও এই একই সমস্যা থাকবে। লেখব বোধহয় এটা বোঝাতে চেয়েছেন।

২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:১৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: শেষমেশ আপনি আর ব্লগার রাজীব নূর বুঝতে পারলেন ! বাকিরা তো পুরুষ অধিকার নিয়ে .....

এই সমস্যার শেষ কোথায় ! দেশের পত্র-পত্রিকা খুললে তাকানো যায় না। দেশের বাইরে থাকলে অনলাইন পত্রিকার হেডলাইনে। কি করা যায় ? সমাজের এ পচন চোখে দেখা যায় না :(

৭| ২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:২১

কালো যাদুকর বলেছেন: একমাত্র সমাধান কঠিন আইন প্রয়োগ।

২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:২৩

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: কে করবে ? উগান্ডায় এতোগুলো নারী প্রধান প্রধান পদে থাকার পরেও এসব আমাদের দেখতে হয়। তাঁরা কি পেপার পড়ে না !

৮| ২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:৪১

অপু তানভীর বলেছেন: অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারন হচ্ছের বিচারহীনতা । অপরাধী তখনই অপরাধ বেশি বেশি করে যখন সে জানে যে তার বিচার হবে না কিংবা সে ফাক গলে বের হয়ে যেতে পারবে । "ক্ষমতা থাকলেই অপরাধের শাস্তি থেকে বাঁচা যায়" উগান্ডায় এই নীতি চলে আসছে অনেক দিন থেকেই । ছয়/সাত হাজার ধর্ষন মামলায় যেখানে মাত্র ৫ মালমারর নিস্পত্তি হয়, সেখানে মেয়েদের ভয়ে ভয়ে না চলে উপায় কি !!

২৬ শে মে, ২০১৯ সকাল ৮:০২

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: উগান্ডায় তো দুটি শব্দের প্রচলনই হয়ে গেছে, "বিচারহীনতার সংস্কৃতি "। কতটা নীচে নামলে বিচারহীনতা সংস্কৃতির উপাধি পায় !

"ক্ষমতা থাকলেই অপরাধের শাস্তি থেকে বাঁচা যায়" উগান্ডায় এই নীতি চলে আসছে অনেক দিন থেকেই - যেদিন নিজের মাঠের ধান খেতে আসবে সেদিন বুঝবে ভয়াবহতা !

ধর্ষণের মামলা দ্রুত বিচার করা উচিত। সুনিশ্চিত করা উচিত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। যাতে আর কেউ এ কাজ করতে পিছপা হয়। গড়ে তোলা দরকার সম্মিলিত আন্দোলন। কোটা নিয়ে কথা হয়, মেয়েদের নিয়ে নয় কেন !!!!

৯| ২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ২:৩৯

মুক্তা নীল বলেছেন:
জানিনা এ সমাজে কবে আমরা নিরাপদ হবো। কথা তো সত্যি ছোট বাচ্চা থেকে বৃদ্ধা অনেকে হিংস্রতার শিকার। আর কিছুলোকের দৃষ্টিও এমন যেন চোখ দিয়ে অশ্লীলতা প্রকাশ করে। এর কোনো পরিবর্তন হবে না?

২৬ শে মে, ২০১৯ সকাল ৮:০৪

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: পরিবর্তনই তো চাই চাই চাই !!!!!

এতো এতো ঘটনার পরেও কারো টনক নড়ে না। নেই কোনো আন্দোলন। এ অবস্থার আশু পরিবর্তন প্রয়োজন !

১০| ২৬ শে মে, ২০১৯ ভোর ৪:২৯

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: কি বলবো,,,ভাষা নেই কিছু বলার,আইন ব্যবস্হা কঠোর না হলে এরা সতর্ক হবেনা। মৃত্যু দন্ডে দন্ডিত করা দরকার এদেরকে জনসম্মুখে।

২৬ শে মে, ২০১৯ সকাল ৮:০৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ভাষাহীন হয়ে পড়ি, কিন্তু এ যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ! নেই কোনো বিচার, তাই পার পেয়ে যায় অপরাধী।

আইনের কঠোরতা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই বোধহয় এ সমস্যার একমাত্র সমাধান !

১১| ২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:১২

বলেছেন: সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এমন পোস্ট।।।

দৃষ্টিভঙ্গি বদলান জীবন বদলে যাবে।।।।

২৬ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:১৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: দৃষ্টিভঙ্গি বদলান জীবন বদলে যাবে - সহমত :)

১২| ২৭ শে মে, ২০১৯ রাত ৩:৪০

শান্তির দেবদূত বলেছেন: লেখার মেসেজটা ধরতে পেরেছি। কিন্তু এতো ছোট কেন? আরেকটু বড় করে লেখার চেষ্টা করে দেখুন না। পড়ার জন্যে আমরা তো আছিই। শুভকামনা রইল।

২৭ শে মে, ২০১৯ সকাল ৮:২৩

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: লেখার মেসেজটা ধরার জন্য অভিনন্দন ! অনেকেই না বুঝেই অনেক কিছু কমেন্ট করে ফেলেছে। এতো ছোট কারন এটা জাস্ট ক্ষণিকের ভাবনার ফসল। তাই দীর্ঘায়িত করিনি। এর পরে চেষ্টা করবো বড় করে লিখতে। শুভকামনা নিরন্তর ......

২৭ শে মে, ২০১৯ সকাল ৮:২৬

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: আর বড়ো হলে পাঠক সংখ্যা কমে যেতো। আমি চাচ্ছিলাম বেশি সংখ্যক মানুষকে সচেতন করতে। তাই ছোটই রেখেছি !

১৩| ২৭ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:৩৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনি বেগম রোকেয়ার আমল লিখলে ও এমন ই লেখা যেত ;
সময়ের সাথে দৃষ্টিভঙ্গি এবং বোধের পরিবর্তন হয়, পালটায় না কদর্যতা। এ জন্যই প্রয়োজন হয় আইনের প্রয়োগ কঠোর ও কঠিন ভাবে। প্রয়োজন হয় পারিবারিক শিক্ষার।

২৭ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:৪৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: সময়ের চাকা ঘুরে চলেছে, তবুও নেই কতিপয় বিষয়ের পরিবর্তন। ঠিকই বলেছেন, বেগম রোকেয়ার আমল নিয়ে লিখলেও এমনই এক চিত্র ফুটে উঠত :(

সময়ের সাথে দৃষ্টিভঙ্গি এবং বোধের পরিবর্তন হয়, পালটায় না কদর্যতা। এ জন্যই প্রয়োজন হয় আইনের প্রয়োগ কঠোর ও কঠিন ভাবে। প্রয়োজন হয় পারিবারিক শিক্ষার - সুন্দর করে নিষ্ঠুর সত্যটাকেই লিখেছেন। আইনের কঠোরতা এবং পারিবারিক মূল্যবোধের প্রসার প্রয়োজন। সাথে দরকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি !

১৪| ২৭ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:১৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স,





ভবিষ্যতের কিশোরীরা এমন কথা ডায়েরীতে লিখবেনা।
তারা লিখবে, আজ ২৭শে মে'২৯৯০ রাস্তায় শত রোবট মানুষের ভীড়ে একটা সত্যিকারের পুরুষ মানুষ দেখা গেল। মানুষটি মনে হয় জাদুঘর থেকে পালিয়েছে। রোবোটিক কপ'য়েরা এখনও তাকে ধরতে বায়োনিক ক্যাচার নিয়ে আসেনি। আমি অনেকক্ষন ধরে পুরুষটিকে দেখছিলুম- সত্যিকারের মাংশ দিয়ে তার দেহ গড়া। নীল নীল শিরাগুলো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিলো তার পাতলা চামড়া ভেদ করে। সেখানে উষ্ণ রক্ত বইছিলো মনে হয়। আমাদের মতো তারের কারুকাজ নয়। একটু ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে করছিলো আমার পূর্বপুরুষকে......................
:|

২৭ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:২৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ভবিষ্যতে রোবট মানুষ থাকলে, রোবট কিশোরী হবে। কিশোরীরা মানুষই থাকবে আর পুরুষরা রোবট তা হয় না। যুগযুগ ধরে আছে এক দৈহিক সমতা। যার ধারা বয়ে চলবে।

আপনিই তো লিখেছেন, আমাদের মতো তারের কারুকাজ নয় ! বায়োনিক মানুষ হলে, পুরুষ ও মহিলাও হবে বায়োনিক।

সভ্যতার শুরু থেকেই চলে আসছে এ ধর্ষণের ধারা। যা কিনা বায়োনিক মানুষেও থাকবে বলে মনে হয় ! যদি না উপর্যুক্ত আইন প্রয়োগ এবং নৈতিকতার প্রচলনের কারনে ধর্ষণ বিলুপ্ত হয়ে যায়।

বর্তমানের এআই গুলো তো দেখেছেন। সেগুলো অনেক সময় রেসিস্ট এবং নারীবিদ্বেষী হয়ে যায়। কারনটা হলো বেশিরভাগ এআই তেরীর টিমে পুরুষদের আধিক্য। তাই এগুলো ভবিষ্যতেও থাকবে বলে মনে হয় আমার !

সবশেষে বলতে চাই, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির সাথে উপুর্যুপরি নৈতিকতার চর্চাই পারে এই সামজিক অবক্ষয় থেকে আমাদের বাঁচাতে !

১৫| ২৮ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:১৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স,




বুঝতে ভুল করে ফেলেছেন। লিখেছি - মানুষটি মনে হয় জাদুঘর থেকে পালিয়েছে।
তাই হয়তো বলেছেন - "কিশোরীরা মানুষই থাকবে আর পুরুষরা রোবট তা হয় না। যুগযুগ ধরে আছে এক দৈহিক সমতা। যার ধারা বয়ে চলবে।"
২৯৯০ সালে মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবেনা আর তার ধারাও বহাল থাকবেনা। হয়তো প্রযুক্তি সে সময় এমন যায়গায় চলে যাবে (আর্টিফিসিয়াল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বানানো শিখেছে মানুষ ইতিমধ্যেই। কমার্শিয়ালিও বাজারে এসে যাবে অদূর ভবিষ্যতে।) যে মানুষ তার পচনশীল মাংশপেশীকে পাল্টে ধাতব করে ফেলবে। প্রজননের দরকার হবেনা, ল্যাবরেটরীতে মানুষ পয়দা হবে ( টেষ্টটিউব বেবীদের কথা স্মরণ করুন)। ৯০০বছর পরে তা‌ই বর্তমানের মানুষের জাদুঘরেই থাকার কথা। যেমন ক'বছর পরে আমাদের ইলিশের হাল হবে।
যেহেতু প্রজনন থাকবেনা তাই নারীপুরুষের মিলনেরও প্রয়োজন হবেনা। শারীরিক চাহিদা থাকবেনা। ধর্ষন হবার বা তা চিন্তা করারও কোনও কারন থাকবেনা। তা, হাইপারষ্পেসে সাইবার নারী ও পুরুষ আলাদা আলাদা হলেও।

এতো কথা লিখতে হলো, যেহেতু আপনি ২৯৯০ সালের কিশোরীর ডায়েরীতে ভয়ের কথা লিখেছেন রক্তমাংশের মানুষ দেখিয়ে তাই। আবার আপনিই এখানে আমার মন্তব্যে লিখেছেন - ভবিষ্যতে রোবট মানুষ থাকলে, রোবট কিশোরী হবে। এটাই তো হবার কথা।
তা হলে কেন ২৯৯০ শালের কিশোরীটি লিখবে ----"তবুও আমি নিজেকে নিরাপদ .............রাস্তায় বেরুলেই দেখি........খারাপ নযরে দেখছে...........।" ?????

কেম্মে কি ? :( :P

২৮ শে মে, ২০১৯ সকাল ৯:৫৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: আহা, লাইনটা চোখে পড়েছে তো।

এখানে, আপনিও একটা ভুল করছেন। এটা সাইন্স ফিকশন নয়। উগাণ্ডার দৈনন্দিন কার্যকলাপের বর্ণনা মাত্র। জাস্ট সালটা ভবিষ্যতে নিয়ে গেছি।


আর্টিফিশিয়াল বডি পার্টস পুরোপুরি ভাবে আসতে সময় লাগবে না। ৩ ডি প্রিন্টার তো আছেই। টেস্টটিউব বেবী আরো বেশি দেখা যাবে। উন্নতি হবে স্টেমসেল এবং জৈব প্রযুক্তির।

নারী - পুরুষের মিলনের ব্যাপারটা থাক। দেখা যাবে সময় মতো। এর চেয়ে চমৎকার কিছু পেতে সময় লাগবে :`>

আশাকরি এবার বুঝেছেন :P

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.