নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

rm -rf /

আর্কিওপটেরিক্স

Cyber security

আর্কিওপটেরিক্স › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভঙ্গুর

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৩


য়নার সামনে দাড়িয়ে নিজেকে ঘুষি মারলাম। হাতটা খসে পড়ে গেল গভীর অতলে, মেঝে ফুঁড়ে। নাকটা ফেঁটে রক্ত গড়াচ্ছে। চোখ দুটো পায়ের উপর পড়ে আছে। দৃষ্টি শূন্যে।

আরেকটি ঘুষি ! মাথাটা খুলে লাফাচ্ছে স্প্রিং এর মতো। এই সামনে এই পিছনে। যেন এক অসীম দোদুল্যমান সরল দোলক।

এই হাতটাও ঝরে গেল ! চোখ পিট পিট করলাম। চোখগুলো এখন হাতটাকে দেখছে। আরও দেখছে মেঝের বড়ো ফুটোটাকে। আগের হাতের গমন পথের ছাপ রয়েছে সেখানে। সাথে জবজবে রক্ত !

এরপর..... নিজেকে একটা লাথি দিলাম। ঝুরঝুর করে খসে গেল বাকি দেহ। একটু আগেও যা ছিলো তা ধূলিসাৎ হয়ে গেল।

এখন, আয়নাটা আমাকে দেখছে। আমি তাকে দেখেছিলাম, এখন সে আমাকে। শুধু কয়েক মুহূর্তের পার্থক্য !

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৫

ইসিয়াক বলেছেন: এটা কবিতা হতে পারতো।
ভাবনাটা ভালো লাগলো ।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪৬

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ :)

২| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫১

হাবিব স্যার বলেছেন: হরর ফিল্ম দেখছিলেন?

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: নাহ ! এলোমেলো ভাবনার প্রতিফলন

৩| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: সবই ভেংগে খানখান

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: হুমমম

৪| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩০

কিরমানী লিটন বলেছেন: হৃদয়ের গভীর অনুবাদ - ভালোলাগা রইলো.....

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: সত্যি কি তাই ?

৫| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: আয়নার দিকে তাকানোর সময় সাবধান থাকবে। আয়না ভালো জিনিস নয়।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: তাই নাকি !!

৬| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪২

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ইসিয়াক বলেছেন: এটা কবিতা হতে পারতো।


আয়নার সামনে দাড়িয়ে নিজেকে ঘুষি মারলাম।
হাতটা খসে পড়ে গেল গভীর অতলে, মেঝে ফুঁড়ে।
নাকটা ফেঁটে রক্ত গড়াচ্ছে।
চোখ দুটো পায়ের উপর পড়ে আছে।
দৃষ্টি শূন্যে।

আরেকটি ঘুষি !
মাথাটা খুলে লাফাচ্ছে স্প্রিং এর মতো।
এই সামনে এই পিছনে।
যেন এক অসীম দোদুল্যমান সরল দোলক।

এই হাতটাও ঝরে গেল !
চোখ পিট পিট করলাম।
চোখগুলো এখন হাতটাকে দেখছে।
আরও দেখছে মেঝের বড়ো ফুটোটাকে।
আগের হাতের গমন পথের ছাপ রয়েছে সেখানে।
সাথে জবজবে রক্ত !

এরপর..... নিজেকে একটা লাথি দিলাম।
ঝুরঝুর করে খসে গেল বাকি দেহ।
একটু আগেও যা ছিলো তা ধূলিসাৎ হয়ে গেল।

এখন, আয়নাটা আমাকে দেখছে।
আমি তাকে দেখেছিলাম, এখন সে আমাকে।
শুধু কয়েক মুহূর্তের পার্থক্য !

আমি কিন্তু এভাবেই কবিতা লিখতাম / লিখি। :)

আয়না কিন্তু ভালো জিনিস না। আমি ভয় পায়। লেখা ভালো লাগলো।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: দিলেন তো কবিতা বানিয়ে ... ;)


পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.