| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এক দেশে ছিলো এক ছাগু। একটু বাঁট ব্যাকা ঘার ত্যার ছাগু। খোয়ারে কাঠাল পাতা খেতো আর ব্যা ব্যা করে মানুষকে বিরক্ত করতো। একদিন তার গোলামন বাপ (বড় বাপ, ছাগুদের আবার বাপের ঠিক নাই সব কয় ডায় বাপ।) তারেধরায়ে দিলো কিছু বই যাতে লিখা আছে কি ভাবে সাচ্চা মুসলিম (আসলে মাদার চোদ হওয়া শিখায়, ইসলাম না) হবেন। তাতে লিখা ছিলো বিধর্মীর বাসায় খাবার খাওয়া পাপ এই খাবার খাইলে ইসলাম যাইবো গা (পাক্কা হিন্ধুত্ত্ববাদী কথা যা তারা শিখায়, কিন্তু নবী বলেছেন তাদের বাড়ির মাংশ খেয়ো না কারণ সে গুলো আল্লাহর নামে কুরবানি হয় না। মিষ্টি জাতীয় দ্রব্য ও সবজি খাওয়া হালাল) সে যাই হোক সে পরতে লাগ্লো বই এর পর বই শেষ করে আল্লামা মুউদুদীর পুরা সব চাইট্টা ফালায়ে সে ছাগু থেকে খাশ গোলামে পরিনত হলো। এর পর সে একদিন খাশ আউমী দালাল টিভি কেকাশে দেখলো। সেখানে দেখে ‘অনেক লোককে জীবনের সকল ক্ষেত্রে আদর্শ হিসাবে মেনে নেওয়াই ভাল। রবীন্দ্রনাথই হচ্ছেন এমন ব্যক্তি।’ এটা দেখে গোলাম ভাবলো দেখি তো এই লোক টা কে নাম রবীন্দ্রনাথ ইসলাম
(!?!?!) দাড়ি দেখে ভাব্লো এটো আল্লাহর ওলী মহান বান্দা মুখে কত্তো বড় দাড়ি। গোলাম এর পর সব রবিন্দ্রনাথের বই পড়া শুরু করলো। এর পর তার বড় বাপেরে কইলো রবীন্দ্রনাথ ইসলাম রে নিয়া। তার বাপে একটা ঠাডানি দিলো ঠাডানি খাইয়া হয় ঘোষ্ণা দিলো ‘রবীন্দ্রনাথ কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন ৫৬টি,ছোট গল্প লিখেছেন ১১৯টি,উপন্যাস ১২টি,ভ্রমন কাহিনী ৯টি এবং শিশুসাহিত্য ৮টি । এগুলো সংগ্রহ করে পনের বছর ধরে পড়েছি । ৩০০ গান সংগ্রহ করেছি আর কি যোগ্যতা দরকার ? কথায় কথায় এক শ্রেণীর আতেলদের মতো কথায় কথায় তার কবিতা আর গান আওরাতে হবে নাকি ?’ এর পর সে আরো ভাষ্য দেয় ‘মনে রাখতে হবে, বাংলাভাষী মুসলিমাদের সংস্কৃতি রবীন্দ্রনাথের বাঙ্গলী সংস্কৃতি বা ভারতীয় সংস্কৃতির নামের কোন হিন্দু সংস্কৃতি নয়। স্মরণ রাখতে হবে, ১৯১৮ সালে রবীন্দ্রনাথ লিখে গেছেন যে, হিন্দীকেই স্বাধীন ভারতের বাষ্ট্রভাষা করতে হবে। ১৯৩৮ সালে তিনি তার শান্তি নিকেতনে হিন্দী ভবনও প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। পাকিস্তান আমলে উর্দু ভাষার বিরুদ্ধে লড়াই করার পর এখন কি আমাদের শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রভাষা হিসেবে হিন্দীকেই গ্রহণ করতে হবে ?’
শালা ছাগুর পো এটা বুঝে নাইক্কা ভারতের সামান্য কিছু মানুষের মায়ের ভাষা হিন্দি, মানুষ হিন্দিতে কথা কয় বাধ্য হয়ে রবীন্দ্রনাথ হিন্ধির কথা কয়েছিলেন কারণ মহত্মা গান্ধীর ভাষা হিন্দি তাই। এটার পেছনে আমাদের জিন্নাহ সাহেবের মতো কোন নেক উদ্দেশ্য ছিলো না। রবীন্দ্রনাথ নিজে কিন্তু বাংলায় কথা বলতো তার পরিবারের উত্তর পুষেরাও বাংলায় কথা বলেন
এর পরে গোলাম বলে ‘এ ধরনের সাক্ষাৎকার ও অযাচিত প্রচার নতুন নয়। এটা স্পষ্টতই উদ্দেশ্যমূলক। যে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম সে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্ম ও সংস্কৃতি পাল্টে ক্রমে অন্য ধর্ম ও সংস্কৃতিতে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ারই একটা সুপরিকল্পিত অংশ এটা। বৈদিক ব্রাক্ষণ শাসিত মনুসংহিতা সমাজের এক জাতিতত্ত্বের ধারণা মোতাবেক বাঙালী সংস্কৃতির নামে আমাদেরকে যে হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতি গ্রহণের পথেই ক্রমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সেটা ইতিহস, ঐতিহ্য, ধর্ম ও সংস্কৃতি সচেতন প্রতিটি নিষ্ঠাবান মুসলমিই বোঝেন। তারা বোঝেন বলেই বাংলাদেশকে সিকিমের মতো হিন্দু প্রধান ভারত তার অঙ্গরাজ্য বানাতে পারছে না । তারপরও মতলবী প্রচার – প্রচারণা থেমে নেই।’ তোমার সোনা বুঝে। হিন্দু মুসলমান ভাই ভাই এই কথা বলে রাখী কে পরিয়ে দিয়েছিলেন মুসলমানদের ? তোমার গোলামন বাপ?
এর পর গোলামের কথা হইলো ‘কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার শান্তি নিকেতনে ব্রাহ্মচর্যাশ্রমে আড়াই হাজার বছর আগের ব্রাক্ষণ শাস্ত্রকারদের অন্যায়, বর্ণগত ও শ্রেণীগত স্বার্থ সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে রচিত জীবন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করেছিলেন । সেই বর্ণভেদাশ্রয়ী জীবন ব্যবস্থা স্পষ্টত অমানবিক এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক সহাবস্থানের পরিপন্থী মাত্রই নয় তা নিন্মবর্ণের হিন্দু নারী- পুরুষদের আর্থ- সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক অধিকার অনুমোদন করে না। এসমাজের সমর্থকরা এবং মুসলিমদের যে কোন রকম আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক অধিকারের বিরোধী রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের মুসলিমদের আদর্শ হন কিভাবে’
প্রথম কথা রবীন্দ্রনাথ হিন্ধু ছিলেন না তিনি ছিলেন একেশ্বরবাদ ব্রাক্ষ। আর তাঁকে বাধ্য হয়েই বর্ণ বোইশম্য চালু করতে হয়েছিলো কারণ তাঁর এখানে যে শিক্ষক ছিলেন তার অধিকাংশই নিচু বর্ণের আর তাঁর স্কুলে উচুঁবর্ণের মানুষ ছাড়া কেউ প্রতে আসেন নাই, কারণ নিচু বর্ণের মাঝে সেই রাজনৈতিক চেতনা তখনো ছিলো না। রবীন্দ্রনাথ নিজেও এর জন্য আক্ষেপ করেছে।
এর পর গোলামের বানী ‘গণমাধ্যমে রবীন্দ্রনাথের একচ্ছত্র আধিপত্য থাপকার পরও বাংলাদেশের তরুণ সমাজ রবীন্দ্র সাহিত্য আত্মস্থ করা তো দূরে থাক, পড়ছেও না। এর কারণ কি? তার উত্তরও রয়েছে বদলে দাও বদলে যাও স্লোগানের পত্রিকা প্রথম আলোতেই । রবীন্দ্র দৃষ্টিতে সখ্যতার সংকট শীর্ষক প্রবন্ধে আবুল কাশেম ফজলুল হক রবীন্দ্রনাথ জীবনে কখনো সরাসরি, অবিসংবাদিত ভাষায় ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ও স্বাধীনতার কথা বলতে পারেননি মন্তব্য করার সাথে সাথে তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের সময়ে যেসব সমস্যা ছিল এখন পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতি ও কাল পরিক্রমায় সেগুলো আজ আর নেই’ কোন হালায় এই গোলাম রে বুঝাইবো রবীন্দ্রনাথ কি এখন সরাসরি বাঙ্গালীর পক্ষে কথা কইয়া পথে বসবে? রবীন্দ্রনাথ কি অখন্ড বাংলা চায় নায়? না কি সেটা তোর গোলামন বড় বাপে চাইছিলো? যদি তোমার নিজের জমিদারি থাক্তো তুমি নিজেও এক ই কাম করতা ক্ষমতা বাঁচানোর জন্য
এদের মাথায় যে কইত্তে কি ঢুকে যা জানে না যা বুঝে না তাই নিয়া ফাল পারে এদের জন্য কি আমাদের নতুন করে রবীন্দ্রনাথ পরতে হবে?
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০০
ফ্রাঙ্কেস্টাইন বলেছেন: ধইন্যা পাতার মুকুট দিলাম
২|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৯
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন:
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১১
ফ্রাঙ্কেস্টাইন বলেছেন: কি অয়েচে গো বাইয়া
৩|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৪
অদ্ভূত উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ বলেছেন:
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৩
ফ্রাঙ্কেস্টাইন বলেছেন: কি হৈচে ভাই
৪|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৮
তির্যক রহমান বলেছেন: যে যা ববোজেনা তারে নিয়া টানা হ্যাচরা করে লাভ কি? দেখ গিয়ে তাল গাছ সে ঠিকি রাখছে।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২১
ফ্রাঙ্কেস্টাইন বলেছেন: হা হা হা। কথা সইত্য এটাই বাংলাদেশ
৫|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২১
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন: আপনি ইতিহাসের তথ্য বিচ্ছিন্নভাবে উপস্হাপন করেছেন ।
আপনি লিখেছেন, "হিন্দু মুসলমান ভাই ভাই এই কথা বলে রাখী কে পরিয়ে দিয়েছিলেন মুসলমানদের ? "
রাখী কখন পড়িয়েছেন এবং কি জন্য পড়িয়েছেন তা লিখেন নি কেন ?
ব্রাহ্ম বলেছেন তা ঠিক আছে আপনি কি এটা অস্বীকার করতে পারবেন তাদের ঐতিহ্য পীরালী ব্রাহ্মণ সমাজের ঐতিহ্য । তার প্রথম অপ্রকাশিত লেখা কি তা জানাবেন কি ? তা কোন ঐতিহ্য বহন করে তা আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি ?
মুর্তি পুজার চেয়ে ভাবমুর্তির পুজা খুব খারাপ । মুর্তি পুজায় ধ্যান,যজ্ঞ আর আরতির ব্যাপার আছে । কিন্তু ভাবমুর্তি রা ব্যক্তিপুজায় এসব নেই বলে ব্যক্তির মানষিক ও জাগতিক উন্নতি হয় না । দেখুন, একটা ছেলে রাবীন্দিক সেজে কথায় কথায় রবীন্দ্রনাথের কবিতা আওরানোতে তার কি কল্যাণ আছে আর তার বাবা-মার কি এমন কল্যাণ আছে , দেশেরই বা কি কল্যাণ আছে ? এই ছেলেটা যদি আজ থেকে তার বন্ধুদের নিয়ে দুরবীন দিয়ে আকাশ দেখে তাহলে আমাদের পরবর্তী বংশধররা চাদে যাবে , মঙ্গলে রকেট পাঠাবে । আজ সে যদি তার বন্ধুদের নিয়ে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে মেতে থাকে, তাহলে আগামীতে আমরা বিল গেটস - এর মতো লোক বাংলাদেশ থেকে বের হবে । আমি ভুল বলছি না , ওডেক্স ওয়েব সাইটে বাংলাদেশ ৪র্থ স্হান অধিকার করেছে । আমাদের কিছু লে এখন এক বিংশ শতাব্দীর লোক হয়ে বেড়ে ওঠছে । আমি চাই বাকী সবাই এক বিংশ শতাব্দীর চোখে বিশ্বকে দেখুক ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৫
ফ্রাঙ্কেস্টাইন বলেছেন: ব্রাহ্ম বলেছেন তা ঠিক আছে আপনি কি এটা অস্বীকার করতে পারবেন তাদের ঐতিহ্য পীরালী ব্রাহ্মণ সমাজের ঐতিহ্য
জীবে দয়া করে যে জন সে জন সেবিছে ইশ্বর স্বামী বিবেকানন্দ।
রাখী কখন পড়িয়েছেন এবং কি জন্য পড়িয়েছেন তা লিখেন নি কেন ?
বাংলার অখন্ডতার জন্য সে টা চান নি লর্ড কার্জন যে টা হলে তোমাদের মতো ধর্মান্ধ মোল্লা শ্রেনীর জন্ম হতো না
ব্রাহ্ম বলেছেন তা ঠিক আছে আপনি কি এটা অস্বীকার করতে পারবেন তাদের ঐতিহ্য পীরালী ব্রাহ্মণ সমাজের ঐতিহ্য । তার প্রথম অপ্রকাশিত লেখা কি তা জানাবেন কি
তাঁর প্রথম অপ্রকাশিত লিখা অ ,আ, ক ,খ ইত্যাদি।।
আর ব্রাক্ষ্ম সমাজ কোন হিসেবে হিন্ধুত্ত্ববাদ ধারণ করে? যারা বিধবা বিবাহ চালায় যার সতীদাহ রোধ করে যারা কালী দুর্গার অস্তিত্ত্ব মানে না যারা নিন্ম বর্নের হিন্ধুকে সাথে বসাতে পারে তারা কিসের অইতিহ্য বহন করে? বুঝাও।
এই ছেলেটা যদি আজ থেকে তার বন্ধুদের নিয়ে দুরবীন দিয়ে আকাশ দেখে তাহলে আমাদের পরবর্তী বংশধররা চাদে যাবে , মঙ্গলে রকেট পাঠাবে । আজ সে যদি তার বন্ধুদের নিয়ে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে মেতে থাকে, তাহলে আগামীতে আমরা বিল গেটস - এর মতো লোক বাংলাদেশ থেকে বের হবে । আমি ভুল বলছি না , ওডেক্স ওয়েব সাইটে বাংলাদেশ ৪র্থ স্হান অধিকার করেছে ।
মচৎকৃত হলেম।
চান্দে গেলে আজান শুনবে পোগ্রামিং করে আল কায়েদার জন্য ভাইরাস বানামে ইত্যাদি তাই না?
আচ্ছা যদি তুমি চিন্তাই করতে না পারো তাইলে তুমি চাঁদে যাবা কি করে? অই যে ইস্লামি সাহিত্য অগুলোও কারো লিখার মাধ্যমে বেরে উঠেছে কুরানিক সাহিত্য শুধু ধর্ম নিয়ে আলাপ করে কিন্তু এ সাহিত্য কথা বলে সবার।
বিশ্বকে দেখার জন্য চোখ দরকার যে চোখ দেয় কবি। রবীন্দ্রনাথ না থাকলে আজ জগদীশের স্যার জগদীশ চন্দ্র বশু হয়ে উঠা হতো না রে পাগলা। ।।
৬|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৭
আমার মন বলেছেন: বড় কঠিন সব কথা!! মাথায় আসেনা রে... ![]()
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৮
ফ্রাঙ্কেস্টাইন বলেছেন: আইবো না কিলায়?
৭|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৪২
বাল্যবন্ধু বলেছেন:
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১৪
ফ্রাঙ্কেস্টাইন বলেছেন: কি ওয়েচে বাইয়া
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৮
সুপান্থ সুরাহী বলেছেন:
খুবই কঠিন বিষয়...
+++