নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার রাজ্যে আমি রাজা

আমার বিচ্ছিন্ন ভাবনার চিন্তিত ব্লগে স্বাগতম

চিন্তিত আমি

আমি খুবই চিন্তিত । তাই চিন্তা গুলো প্রকাশ করি ।

চিন্তিত আমি › বিস্তারিত পোস্টঃ

হেফাজতে জামাতে ইসলামের নারী বিষয়ক অবস্থান ও আমার কিছু বিচ্ছিন্ন ভাবনা...

১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:১৭



১। হেফাজতে ইসলামের সমাগমে মহিলা হুজুর দেখলাম না । ক্যানে? ইসলাম ধর্ম কি শুধু কি পুরুষরা হেফাজত করবে? নারীদের ধর্ম নাই? ত্যানাদের কাছে নাই। প্রমাণ ইটিভির নারী সাংবাদিককে পিটানোর সময় বলেছে পুরুষদের প্রোগ্রামে নারী আসবে কেনো? তার মানে ইসলাম হেফাজত করবে পুরুষরা । আর নারীরা ঘরে সেই কাপুরুষদের জন্য অপেক্ষা করবে আরো কাপুরুষ জন্ম দেওয়ার জন্য । ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায় আয়েশা (রাঃ) যুদ্ধ করেছিলেন । কিন্তু ত্যানারা নারীদের চট্টগ্রাম থেকে আনেন নাই । নারীদের প্রতি তাদের চোরাদৃষ্টি দেওয়ার ঈমান দুর্বল কিনা ।

২। হেফাজতের ১৩ দফা দাবীতে নারীদের খেলাধুলার ব্যপারে কিছু বলা নাই । ধরলাম একদিন হেফাজত ক্ষমতায় আসলো । নারীদের খেলাধুলা চলবে কিভাবে? হয় বন্ধ হয়ে যাবে । অথবা যদি চলে তাহলে হয়তো বিষয়টা দাঁড়াবে এমন যে খেলার মাঠে দর্শক সবাইকে মেয়ে হতে হবে এমনকি আম্পায়ার বা রেফারিও মেয়ে হতে হবে । টিকেট বিক্রি করবে মেয়েরা । বোরকা পরে ফুটবল খেলবে এমনকি ক্রিকেটও । বল করার সময় কিংবা বল নিয়ে দৌড়ানোর সময় হোঁচট খাওয়া জায়েজ আছে । খেলাধুলার সামগ্রী আমদানি করতে হবে পাকিস্তান বা আফগানিস্তান থেকে । কোচও আসবে ঐ দুইটা দেশ থেকে । খেলা ভিডিও করা যাবে না ।

৩। হেফাজতে ইসলামের প্রতি উপদেশ । এক কাম করেন । দেশের সব নারী মাইরা ফালান । তারপর শুধু আপনারা থাকেন । দেখুম মধ্যরাতে কি করেন । তা যাই করেন, মাও সে তুং নামক নাস্তিকের লং মার্চ কে যদি নবীর হিজরতের সাথে মিলায়ে জোক্স তো জন্ম দিসেন । তখন মধ্যরাতের ঐ আকাম কুকাম যেন আবার কোন ঐতিহাসিক ডকুমেন্ট দিয়ে হালাল করার ট্রাই করিয়েন না । তাইলে কিন্তু ঘোরায় হাসবো ।

৪। বড় হুজুর বলসে তাই আমরা আসছি । তা বাবারা আসছো ভালা কথা । বড় হুজুর কইলে আবার আকাম কুকামে সারা দিয়ো না ।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:২৬

সৃজনশীলপ্রয়াস বলেছেন:
নারী ও পুরুষের একত্রে বিচরণ বা কমোন জেন্ডারকে ইসলাম সমর্থন করে। যারা হজ্জ পালন করেছেন তিনারা জানেন যে, সেখানকার এবাদত টি কমোন জেন্ডার ভিত্তিতে নারী ও পুরুষ একসাথে পালন করে থাকে। আবার আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রঃ) এর কাছে অন্য সাহবীদের স্ত্রীরা যখন শিক্ষাগ্রহন করতে আসতেন সেখানেও কমোন জেন্ডার বা নারী ও পুরুষ একসাথে শিক্ষাগ্রহন করেছেন বলে জানাযায়। ইসলামই একমাত্র ধর্ম যেখানে নারীর সমঅধিকারের পরিবর্তে নারীর পূর্ণঙ্গ অধিকার নিশ্চিত করার হয়েছে । সে কারনে এটা ভাবলে চলবে না যে, ইসলাম নারী ও পুরুষের একত্রে অবাধ মেলামেশাকে সমর্থন করে অবশ্যয় একত্রে অবাধ মেলামেশাকে ইসলাম সমর্থন করে না । সাথে সাথে বেপর্দা, বেহায়াপনা, অবাধ শারীরিক মিলন, অশ্লীলতাকে সমর্থন করে না।

ইসলাময়ে নারীর আধিকার বলতে কি বোঝানো হয়েছে?
যদি কোন স্থানে প্রাকৃতিক দুর্যোগে অথবা যেকোন কারনে মহাবিপর্জয় ঘটে শুধুমাত্র একজন নারী্‌ ও একজন পুরুষ জীবিত থাকে সে অবস্থায় যদি একটুকরা কাপড় পাওয়া যায় তাহলে, সেটা কিভাবে বন্ঠন করা হবে, অবশ্যয় সেটার সম্পূর্ন ভাবে নারীকে বন্ঠন করা হবে। এটা-ই নারীর অধিকার।

একজন নারীর যে শারীরিক অক্ষমতা রয়েছে সেটাকে বিবেচনা করে সমঅধিকারের পরিবর্তে ইসলাম নারীর পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করেছে। কর্মক্ষেত্রে যেমন নারীর পৃথক বাথরুম থাকা, পৃথক কমনরুম থাকা নারীর অধিকার, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শারীরিক অক্ষমতা বিবেচনা পূর্বক বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থাকরাও নারীর অধিকার। ইসলামীক দর্শনে মনেকরা হয় অভীবাপকহীন নারী খুবই দূর্বল। লম্পট বা সমাজের খারাপ মানুষের খপ্পরে পড়লে তার সর্বচ্চ সম্পদ লুন্ঠন হতেপারে তাই নিদ্রষ্ট কিছুবিষয়ে অভীবাপকের অনুমতি কিছুবিষয়ে অভীবাপকের সাথে ছড়া ভ্রমন/রত্রিযাপন নিষেধ করা হয়েছে। আমাদের বাংলাদেশে কোন নারী যদি বেশিরাত করে বাসায় ফেরে তবে বাবা মা জানতে চাই যে কিকারনে তার রাত হয়। আমার মনেহয়না যে তাতে নারীরা পিছিয়ে যাচ্ছে বা মধ্যজুগে ফিরে যাচ্ছ। এটা ভাবা ঠিক না। হয়ত তার অবাধ মেলামেশার অধিকারে কিছুটা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। আমাদের বাবা মা ও চাই আমাদের বোনদের স্কুলে পৌঁছেদিতে ও নিয়ে আসতে ইত্যাদি নিরাপদ মূরক ব্যবস্থাপনা।

যদি কোন পুরুষ একজনের স্ত্রীর মৃত্যুর কারনে বা তাঁর ব্যাতিক্রমী শারীরিক চাহিদার কারনে একাধিক নারীর সাথে মিলিত হতে চাই তাহলে তাঁর সর্বপ্রথম ইনসাফ প্রতিষ্টা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং তা চারের বেশি হতে পারবে না (দেখুন সুরা নেসা)।

যে সকল মানুষের ইসলামীক জ্ঞান একেবারে শুন্য তিনারা এবং মিডিয়া হেফাজতে ইসলাম ঘোষিত ১৩ দফা দাবীর বিরুদ্ধে অত্যন্ত নগ্নভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে যা অতন্ত দুঃখ্ জনক। আল্লাহপাক আমাদের সঠিক বুঝ দানকরুন আমিন।

২| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৩৪

চিন্তিত আমি বলেছেন: নারীদের একাধিক বিয়ের অনুমতি দেওয়া হলো না কেনো? নারী সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় আপনার ভিউ কি?

৩| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৩৭

নিরব বাংলাদেশী বলেছেন: Click This Link

৪| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৫৩

সৃজনশীলপ্রয়াস বলেছেন: @চিন্তিত আমি এর উদ্দেশ্যে:- এইডস হবার ভয়ে

১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:১১

চিন্তিত আমি বলেছেন: একজন পুরুষ ৪ টা বিয়ে করলে কি এইডস হতে পারে না? আর সেই সময় আরব দেশে কি এইডস আবিষ্কার হয়েছিলো?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.