| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কন্সট্যান্ট শেখ
নষ্ট অতীত, নষ্ট সময় থাক না পড়ে আস্তাকুড়ে চার দেওয়ালে বন্দি বিবেক আজ তোমাকে সে গ্রাস করে তবে কেন এই নিস্তব্ধতায় তোমার পথ চলা.।.।.।.।.।.।
১.
রাস্তার পাশে নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকা ল্যাম্পপোস্ট, একঘেয়ে জীবনটা তার ভালো লাগে না। তবুও নিষ্প্রাণ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, নিজের ভেতর অন্ধকার লুকিয়ে কৃত্রিম আলোয় আলোকিত করতে হয় এই মফস্বল শহরকে। প্রতিদিন কিছু মানুষের ভোর সকালে কাজের জন্য দৌড়াদৌড়ি আবার সন্ধ্যায় নিড়ে ফেরার একঘেয়ে বাড়াবাড়ি দেখে নিজের কষ্টকে কিছুটা প্রশমিত করে আর হো হো করে হেসে উঠে। একবার একরাতে এক ছোট্ট জোনাকির জ্বলে উঠা ফসফরাস আলো তার কৃত্রিম নিয়ন আলোর নিচে ঢাকা পড়ে, সেই জোনাকি একরাশ হতাশা নিয়ে হারিয়ে যায় আলোর মাঝে, কেউ এখন তাকে জোনাকি মনে করে না কারন তার ধার করা তারার আলোর আর প্রয়োজন নেই। অন্য পরিচয়ে বেঁচে থাকারও আর কোন মানে নেই তাই সে পাড়ি দিয়েছে অজানার পথে, হয়তো হারিয়ে গেছে এই চেনা আলোর মাঝে..............
২.
জোনাকি দম্পতির ছোট্ট পরিবার, তাদের সন্তান এইতো সবেমাত্র উড়তে শিখেছে। কিন্তু সেই জোনাকি দম্পতি তাকে উড়তে দেয়না। দম্পতির ভয় তার ছোট সন্তান যদি উড়তে উড়তে লোকালয়ের কাছে চলে যায় তাহলে খুব বিপদের আশংকা আছে। ছোট্ট জোনাকির খুব উড়তে ইচ্ছে করে, বন্ধুদের সাথে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াতে মন চায়। ছোট্ট জোনাকি ভাবে যে করেই হোক তার পিতা-মাতাকে রাজি করাতেই হবে। এভাবে একঘেয়ে জীবনের কোন মানেই হয়না। অনেক কষ্টে তার পিতা-মাতাকে রাজি করাই কিন্তু শর্ত একটাই ঝোপের পার্শ্ববর্তী লোকালয়ে যাওয়া যাবে না। ছোট্ট জোনাকি মনের আনন্দে ফসফরাস আলো জ্বালিয়ে উড়ে চলল। বন্ধুদের সাথে একঝোপ থেকে অন্য ঝোপে ঘুরে বেড়াতে লাগলো। কখনো তারা সবাই পাতার উপর জিরিয়ে রাতে জ্বলে উঠা ফসফরাস আলো নিয়ে কথা বলতে লাগলো, কার আলো কতো বেশী উজ্জ্বল তা নিয়ে ঠাট্টাতামাসা করছিলো হঠাৎ পাশের লোকালয় থেকে কতগুলো ছোট শিশুর চিৎকার শুনতে পেলো
-- ওই দেখো তারার আলো, মাটিতে মিটমিট করছে!!!!
জোনাকিরা সেই শিশুদের কথা শুনে হাসতে লাগলো, আর নিজেদের জ্বলে উঠা আলো আরো তীব্রতর করার প্রচেষ্টা করতে লাগলো।
ছোট্ট জোনাকি বলল" চল সবাই ওই লোকালয় থেকে ঘুরে আসি?" সবাই তার কথায় সম্মতি দিলো না, কেউ কেউ বললো সেখানে যেতে বড়রা নিষেধ করছে।
--চল, ধুর কিচ্ছু হবে না।
এরপর জোনাকিরা দ্বন্দ্ব নিয়ে লোকালয়ের দিকে উড়ে চলল। লোকালয়ে পৌছাতেই সেই ছোট্ট শিশুরা জোনাকিদের পটাপট হাতের মুঠোয় ভরতে লাগলো, এরপর সবাইকে একেক করে সচ্ছ কাচের বোতলে বন্ধি করে বোতলের মুখটা আটকে দিলো। তারপর সেই সচ্ছ বোতলটিকে মাটিতে গড়াগড়ি দিতে দিতে আনন্দে লাফাতে লাগলো। ভেতরে ছোট্ট জোনাকি ও তার বন্ধুদের অবস্থা ত্রুমেই খারাপ হয়ে লাগলো, দম নিতে তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে, আর দম আটকে অনেকেই বোতলের ভিতর ছটফট করতে লাগলো। কিছুক্ষণ পর এক মানুষ এসে বাচ্চাদের ধমকিয়ে বোতলের মুখ খুলে দিলো। এ যাত্রায় জোনাকিরা প্রানপন উড়াল দিয়ে নিজেদের প্রান রক্ষা করলো।
৩.
সিন্ধ সকাল, সূর্যমামা তার মিষ্টি আভা পৃথিবীতে বিলিয়ে দিচ্ছে সাথে সাথে তার তাপের প্রভাবও আস্তে আস্তে বৃদ্ধি করছে। এই সুন্দর সকালে ছোট্ট জোনাকি মনের আনন্দে খাবারের সন্ধানে বেড়িয়ে পড়লো। উড়ে যেতে যেতে রাস্তার পাশে দেখলো, অনেক লম্বা একখুটি যার উপরের প্রান্ত বাকাঁনো সেই বাঁকানো প্রান্তের অগ্রভাগে কাঁচের আবন্ধনে বন্ধি আরেক নিষ্প্রান কাচ। ছোট্ট জোনাকি অবাক হয়ে দেখতে লাগলো। কেন এই সচ্চ কাঁচের ভেতরে দুধের ন্যায় সাদা কাচের বন্ধিত?? এই চিন্তা করতে করতে তার কাজের উদ্দেশ্য বেড়িয়ে পড়লো।
সূর্য দিগন্তে মিলিয়ে যেতেই কৃত্রিম আলোর তীব্র ঝলকানিতে ঝলসে গেলো ছোট্ট জোনাকিদের বাসস্থান, সেই কৃত্রিম আলোর উৎস রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা সেই ল্যাম্পপোস্ট। এরপর থেকে জোনাকিদের আর দেখা যায় না। কেউ বলে না আর ওই দেখো তারার আলো মাটিতে এসে পড়ছে।জোনাকিরা চলে গেছে গাঢ় অন্ধকারের খোঁজে যেখানে সোডিয়াম আলোয় আলোকিত হবে কোন না রাত। সেইরাতের গাঢ় অন্ধকারের আলোর একমাত্র দিশারী হবে জোনাকি।
১৫ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১০:৩০
কন্সট্যান্ট শেখ বলেছেন: কমেন্টাইনের জন্য অনেক ধন্যবাদ আমিনুর রহমান ভাই।
মোবাইল থেকে পোষ্টগুলো রিমুভ করা যাচ্ছে না।
২|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ৯:৩৩
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: ভালো লিখেছেন +
পোস্ট চারবার এসেছে ।
শুভেচ্ছা
১৫ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১০:২৭
কন্সট্যান্ট শেখ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাইহান ভাই
৩|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১০:২৬
কন্সট্যান্ট শেখ বলেছেন: মোবাইল থেকে এই পোষ্ট করছি। কিন্তু এই পোষ্ট চারবার কিভাবে পোষ্ট হলো জানিনা। কিন্তু মোবাইল থেকে পোষ্ট মুছা বা ড্রাফট করা যাচ্ছে না।
কি করবো এখন????
৪|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৬
কলমের কালি শেষ বলেছেন: সুন্দর বাস্তবিক ভাবনা । ![]()
১৭ ই অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ১০:৫৭
কন্সট্যান্ট শেখ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ @কলমের কালি শেষ
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১:৪০
আমিনুর রহমান বলেছেন:
একই পোষ্ট চার বার এসেছে। একটা রেখে তিনটা ড্রাফট অথবা মুছে দিন।