| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাশিদুল ইসলাম লাবলু
প্রকৃত সত্যকে উপলদ্ধি করতে হবে খোলা মন নিয়ে।
র্দীঘদিন ধরে ইহুদীরা মুসলিমদের সন্ত্রাসী পরিচয় তকমা দিয়ে বিশ্ব দরবারে ঘৃন্য জাতি সত্ত্বাতে পরিনত করার অপেচেষ্টায় রত ছিলো। মুসলমান মানেই সন্ত্রাসী প্রথমেই ধারনা দিতে তৈরি করা হল আল কায়দা। স্বাদও মিটল না সার্থকতাও এলো না। এরপরে শুধু সন্ত্রাসী না ভয়ঙ্কর অত্যাচারী, নৃশংস আর মানবতা বিরোধী রূপে তৈরি করা হল আই এস। শুধু তৈরি করলে তো হবে না। তাদের নৃশংসতার সচিত্র প্রতিবেদন তৈরি করে তা প্রচার করা হল বিশ্বব্যাপী। তারা অজেয় এটা প্রমাণের জন্য বছরের পর বছর ধরে বিমান হামলা চালানো হল। ব্যস বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়ে গেল যে মুসলমানরা সন্ত্রাসী। শুধু কি সন্ত্রাসী? তারা সব ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী। শান্তির ধর্ম ইসলাম রাতারাতি হয়ে গেল সন্ত্রাসী আদর্শ! ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদীরা এ তো পূর্ব ঘোষিত এবং প্রমাণিত। কাজেই কাজটি যে ইসরাইলের তা আগেই আঁচ করা গিয়েছিল। কেননা প্রথম থেকেই দেখা গেছে আই এস কর্তৃক নির্যাতিত হচ্ছে কেবলমাত্র মুসলমানরাই। খিলাফতের নামে তারা যা করছে তার বিন্দুমাত্র ইসলাম সমর্থন করে না। আই এস আসলে ইহুদিদের পরিচালনা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ প্রযোজনায় তৈরি একটি মিথ। যা ধর্ম হিসেবে ইসলামকে কলঙ্কিত করতে আর বিশ্ব ব্যাপী মোড়লি পনা অক্ষুণ্ণ রাখতেই করা হয়েছিল। কিন্তু এত বড় একটি প্রতারণা কখনোই বাস্তবায়িত হতে পারে না। স্রষ্টা এক সময় সব ষড়যন্ত্রই নস্যাৎ করে দেন। বিশেষত ইসলামের বিরুদ্ধে শুরু থেকে যত ষড়যন্ত্রই পরিচালিত হয়েছে তাতে ধরনীর বুকে এ পর্যন্ত ইসলামের নাম গন্ধও থাকার কথা নয়। অথচ তা ঘটে নি। এটা একমাত্র মহান সৃষ্টি কর্তার অপার মহিমা যে ইসলামের পতাকা সর্বদাই সব ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দিয়ে তবেই বার বার সবার ঊর্ধ্বে স্থান করে নিয়েছে। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দুনিয়াব্যাপী 'ইসলামী খেলাফত' প্রতিষ্ঠার যুদ্ধের স্বঘোষিত খলিফা ও সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) নেতা খলিফা আবুবকর আল বাগদাদি মুসলমান নন। তিনি একজন ইহুদি। তার আসল নাম আকা ইলিয়ট শিমন। এর চেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হচ্ছে, বিশ্বব্যাপী 'ইসলামী শাসনব্যবস্থা' কায়েমের আদর্শে মত্ত আইএস ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সৃষ্টি। এ জঙ্গিগোষ্ঠীর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের প্রত্যেকেই মোসাদের কাছে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। মোসাদের প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতেই আইএস জঙ্গিদের 'যুদ্ধকৌশল' শেখানো হয়। সুসংগঠিত এ জঙ্গিগোষ্ঠীটি 'ইসলামিক স্টেট' নামে আত্মপ্রকাশের আগে যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের সিনিয়র সিনেটর ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী জন ম্যাককেইনের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছে। গোড়ার দিকের ওই গোপন বৈঠকগুলোতে মোসাদের বেশ কয়েকজন সদস্য ও আইএসপ্রধান বাগদাদি উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম ও গবেষণা প্রতিবেদন ঘেঁটে বিশ্বব্যাপী আতংক সৃষ্টি করা ইসলামিক স্টেট ও এর প্রধান খলিফা আবুবকর আল বাগদাদির পরিচয় নিয়ে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।"
আরেকটি ঘটনা ইসরাইলের গোপন পরিকল্পনাকে সামনে আনতে থাকে।২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর একজন অজানা ব্যক্তি বেনগাজিতে আসেন এবং বসতি স্থাপন করেন তার নাম "আবু হাফস"। তিনি কুরআনে হাফিজ, হাজার হাজার হাদিস জানা এবং সুন্দর আরবি উচ্চারণের মাধ্যমে স্থানীয়দের মধ্যে ধার্মিকতার খ্যাতি অর্জন করেন। পরে তিনি বেনগাজির একটি বড় মসজিদের ইমাম ও খতিব হন, এমনকি মুফতি হিসেবেও ফতোয়া দিতে শুরু করেন। আবু হাফস গোপনে লিবিয়ায় I$I$ কে সংগঠিত করেন। প্রায় দুইশো জন সদস্য রিক্রুট করতেও সক্ষম হন। টার্গেট এই অঞ্চলে i$i$ প্রতিষ্ঠা করে একটা শক্তিশালী কাঠামোয় রুপ দেওয়া। এই গ্রুপ "আবু হাফস গ্রুপ" নামে পরিচিত হয় এবং লিবিয়ার বাইরেও অপারেশন চালায়। লিবিয়া ছাড়িয়ে দ্রুতই প্রতিবেশী দেশগুলোয় আবু হাফসের বাহিনী হামলা শুরু করে, কিন্তু মুলচক্রী আবু হাফস তখনো সাদামাটা বেশভূষায় যেন কিচ্ছুই জানেন না। ২০১৭ সালে লিবিয়ান বাহিনী "আবু হাফস"কে গ্রেপ্তার করে। তারপর যা পাওয়া যায় তা অবিশ্বাস্য। আবু হাফস মুসলিম নন । স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়া (যেমন স্প্যানিশ পত্রিকা El Pais) এটি প্রকাশ করে। তদন্তে জানা যায়, তাঁর আসল নাম বেনজামিন এফ্রাইম (Benjamin Ephraim), তিনি ইসরাইলের মুস্তা'রাবিম (Musta’rabim ) ইউনিটের একজন অফিসার। তার উদ্দেশ্য ছিলো মুসলিমদের একটি সন্ত্রাসী জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং পাশ্চাত্য দেশ দ্বারা বিমান হামলা এবং দখলের মাধ্যমে খনিজ সম্পদের দখল নেওয়া।
আমেরিকা এমন একটি রাষ্ট্র যারা সমগ্র বিশ্ব জুড়ে যুদ্ধ পরিচালনা করে এসেছে। আজকের বিশ্বে যখনই কোনো যুদ্ধ এবং সামরিক হস্তক্ষেপের কথা আসে, তখনই একটি দেশের নাম সর্বদা শীর্ষে উঠে আসে। তা হলো- আমেরিকা। যে দেশটি তার ২৪৮ বছরের ইতিহাসে ২৩২ বছরই যুদ্ধে কাটিয়েছে। অর্থাৎ আমেরিকানরা তাদের ইতিহাসের শতকরা মাত্র ৬ ভাগ সময় যুদ্ধ ছাড়া কাটিয়েছেন। মার্কিন ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে দেখেন এমন কোন স্থান নেই যেখানে মার্কিনীরা যুদ্ধ করে নাই।প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের শাসনামলে রবার্ট জার্ভিস এবং স্যামুয়েল হান্টিংটনের মতো নেতৃস্থানীয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা মন্তব্য করেছিলেন যে, বিশ্বের অধিকাংশ দেশই যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের ‘প্রধান সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ এবং ‘তাদের সমাজের জন্য একক বৃহত্তম বহিরাগত হুমকি’ বলে মনে করে। বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন আন্তর্জাতিক জরিপে দেখা গেছে যে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব-শান্তির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি বলে বিবেচিত হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্র ইতিহাসের সবচেয়ে নীতিহীন যুদ্ধে মেক্সিকোর অর্ধেক দখল করে নিয়েছে।’ যুক্তরাষ্ট্র পেশীর জোরে এবং ছলচাতুরি করে হাওয়াই এর অধিবাসীদের কাছ থেকে তাদের প্রাকৃতিক সীমানা ছিনতাই করেছে। একটি বড় গণহত্যার মধ্য দিয়ে ফিলিপাইনে প্রথম বিজয়ের সাথে মার্কিন শক্তি এশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। পরবর্তী বছরগুলো ধারাবাহিক মার্কিন হস্তক্ষেপের সাক্ষী, যা প্রায়শই চরম বর্বরতার সাথে যেমনটি প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসনের অধীনে হাইতিতে ঘটেছিল।
আমেরিকা মধ্যপ্রাচের অসংখ্য দেশে হামলা দখল নিয়ে মুসলিমদের উপর অত্যাচার নির্যাতন করে গেছে। মধ্যপ্রাচের খনিজ সম্পদ দখলে বা এসকল কর্মকান্ডে কিছু কিছু মুসলিম রাষ্ট্র আমেরিকাকে সহায়তা করেছে। ইরাক. আফগানিস্থান, লিবিয়া হামলা করতে মুসলিমরাই ঘাটি দিয়েছে।ঠিক এমনই ঘটনা ঘটছে ইরানের হামলার ঘটনায়। মধ্যপ্রাচ্যের ঘাটি গুলো থেকে ইরানে হামলা হয়েছে।যারা কখনও মুসলিমদের উন্নয়ণ চাই না তাদের মুসলিমরা সমর্থন করে কিভাবে সেটিই এখন প্রশ্ন? আল কোরআন মুসলিমদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে বলা হয়েছে “হে মুমিনগণ, ইয়াহূদী ও নাসারাদেরকে তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে নিশ্চয় তাদেরই একজন। নিশ্চয় আল্লাহ যালিম কওমকে হিদায়াত দেন না। আল কোরআন ৫:৫১। ইরান একটি ইসলামী রাষ্ট্র।আধুনিক ইসলামী আইন দ্বারা পরিচালিত ইরানের হামলায় আমেরিকা সহ ইসরাইল যে ব্যপক ভাবে ধ্বংশযজ্ঞর শিকার হচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে ইরান তার প্রযুক্তিগত জ্ঞান যথেষ্ট পর্যায়ে উপনীত করতে পেরেছে যা দ্বারা তারা এবার আমেরিকা ও ইসরাইল কে দেখিযে দিতে পারবে।কিন্তু বাধাগ্রস্থ হয়ে যাচ্ছে মুসলিমদের কিছু রাষ্ট্র যারা আমেরিকার এবং ইরানের সাথে লুকোচুরি খেলছে।যে আমেরিকা বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ করে বেড়ায় বা ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায়।বিভিন্ন দেশের মধ্যে যুদ্ধ বাধিয়ে দিয়ে অস্ত্র বিক্রী করে যারা নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করে অথচ তাদের জন্য মুসলিম কিছু রাষ্ট্রের গোপন ইন্ধন বা সহায়তা ঘাটি দান প্রশ্নের সম্মুখিন করে তুলছে। আর কোরআনের একটি আয়াত সত্যিই এখানে চমকপ্রদ তথ্য দেয়।“আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘তোমরা যমীনে ফাসাদ করো না’, তারা বলে, ‘আমরা তো কেবল সংশোধনকারী’। সাবধান! এরাই ফাসাদ সৃষ্টিকারী, তা কিন্তু তারা তা বুঝে না। আর যখন তাদেরকে বলা হয়, ‘তোমরা ঈমান আন যেমন লোকেরা ঈমান এনেছে’, তারা বলে, ‘আমরা কি ঈমান আনব যেমন নির্বোধরা ঈমান এনেছে’? জেনে রাখ, নিশ্চয় তারাই নির্বোধ; কিন্তু তারা জানে না। আর যখন তারা মুমিনদের সাথে মিলিত হয়, তখন বলে ‘আমরা ঈমান এনেছি’ এবং যখন তাদের শয়তানদের সাথে একান্তে মিলিত হয়, তখন বলে, ‘নিশ্চয় আমরা তোমাদের সাথে আছি। আমরা তো কেবল উপহাসকারী’। আল্লাহ তাদের প্রতি উপহাস করেন এবং তাদেরকে তাদের অবাধ্যতায় বিভ্রান্ত হয়ে ঘোরার অবকাশ দেন। (আল কোরআন=২:১৫) আল কোরআনের ২য় সূরা আল-বাকারার ১৪ নম্বর আয়াতটি মদিনায় অবতীর্ণ (মাদানী) হয়েছে। এই আয়াতে মদিনার মুনাফিকদের কপটতা ও আচরণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এটি হিজরতের পর মদিনার প্রাথমিক যুগে নাজিল হওয়া সূরাগুলোর অন্তর্ভুক্ত, যা রাসূল (সা.)-এর মদিনা জীবনের প্রথম দিকে নাজিল হয়।আল কোরআনের এই আয়াতটি তুলে ধরলাম এই কারনেই যে আল কোরআনের এই আয়াতের মধ্য দিয়ে মোনাফেকের চরিত্র তুলে ধরা হয়েছে।আবার শয়তানের চরিত্র তুলে ধরা হয়েছে।মোনাফেক ও শয়তান সম্পর্কে একটি ধারনা দেওয়া হয়েছে।এই আয়াতটির সাথে যদি বিশ্বের বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করেন।শয়তান চরিত্র রুপে অবশ্যই আমেরিকা্কেই দেখবেন।আরবী ভাষায় সীমালংঘনকারী, দাম্ভিক ও স্বৈরাচারীকে শয়তান বলা হয়।কারন বিশ্বব্যাপী তারাই ফ্যাসাদ সৃষ্টি করছে।চীনের চারপাশে যুক্তরাষ্ট্রের ৪০০ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে রয়েছে বিশাল ঘাটি। ইতিপূর্বে ভিয়েতনাম কিউবা সহ অসংখ্য দেশের সাথে রয়েছে যুদ্ধের ইতিহাস।যৌথবাহিনী নিয়ে লিবিয়া, ইরাক, আফগানিস্থান সহ অসংখ্য দেশে ফ্যাসাদ সৃষ্টির পর এবারে ইসরাইলের ইন্ধনে এসেছে ইরানের যুদ্ধে।যে আমেরিকা বিশ্ব জুড়ে মুসলিমদের অসম্মান করে বেড়ায় দেয় যে ইসরাইল আমেরিকার বোমাতে গাজার মুসলমানদের নির্মম ভাবে হত্যা করেছে অথচ সেই আমেরিকার সাথে আতাত করে কতিপয় মুসলিম দেশ।আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত ও সৌদিআরব।তারা একবার ইরানকে বলে আমরা তোমার সাথে আছি আরেকবার আমেরিকাকে বলে ওদের ধ্বংস করে দাও। আমেরিকার এই হামলার পিছনে নাকি সৌদি আরবের উস্কানী আছে ট্রাম্প তার বক্তব্যে এই বিষয়টি অবহিত করেছেন।
ইসরায়েলে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূত মাইক হাকাবি। সাংবাদিক টাকার কার্লসনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন-“বাইবেলের বর্ণনা অনুসারে, প্রায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ওপর অধিকার রয়েছে ইসরায়েলের।” হাকাবির এমন মন্তব্য প্রতিবাদে আরব বিশ্বের দেশগুলো তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।ইহুদীদের এই দাবী এ্কটি স্ববিরোধী বিষয় বলেই গণ্য হয়। বাইবেলে প্রতিশ্রুত ভূমির সীমানার একদম চার দিক নিয়েই বিভিন্ন রকমের পরস্পরবিরোধী তথ্য রয়েছে। একেক জায়গায় একেক রকম তথ্য, একেক মানচিত্রে একেক রকম এলাকা। প্রশ্ন উঠতেই পারে এ কেমন “ঈশ্বরের বাণী” যেখানে প্রতিশ্রুত ভূমি নিয়ে এইভাবে সাংঘর্ষিক তথ্য থাকে।এই রকম স্ববিরোধিতা যেসব গ্রন্থে থাকে, সেসব গ্রন্থের ন্যুনতম গ্রহণযোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং প্রমিজড ল্যান্ডের গোটা দাবিকেই অসার বলে সাব্যস্ত করে।বিষয়টা অনেকটা জাল দলিল নিয়ে জমি দখলের চেষ্টার মতো। এই ‘জাল দলিল’ এর উপর ভিত্তি করেই জায়নবাদের মতাদর্শ গড়ে উঠেছে। এই ‘জাল দলিল’ এর উপর ভিত্তি করেই পৃথিবীর পরাশক্তিগুলো গায়ের জোরে ইস্রায়েল রাষ্ট্রকে ফিলিস্তিনিদের ভূমি জবর-দখল করায় মদদ দিচ্ছে।
(ইশ্বরের প্রতিশ্রতিভূমী নিয়ে পরবর্তীতে প্রবন্ধ লেখা হবে)
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:২৩
গহীনে রক্তক্ষরণ বলেছেন: তারা মুসলিম জাতির বিরুদ্ধে এই সাহস অর্জন করেছে কিভাবে ? এক কথায় উত্তর - তাদেরকে সহজ করে দিয়েছি, আমরা সো-কল্ড মুসলিমরাই ( সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিমরা ) ।
প্রমাণঃ এক ইসরাইলী সামরিক গোয়েন্দা অফিসারের একটা গ্রুপ চ্যাট ফাঁস হয়েছিল । যা পরে ডিলিট করা হয় । আমার কাছে সেইভ করা ছিল । কিন্তু ল্যাপটপটি ক্র্যাস হয়ে যাওয়ায় সব হারিয়েছে । আমি তার বংগানুবাদ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করেছিলাম ।
তিনি লিখেছিলেন, “ মুসলমানদের যে পরিমাণ মানষ জুম’আর জামাতে ভিড় করে, যতকাল ঐ পরিমাণ মানুষ ওদের ফজর জামাতে ভিড় না করবে, ততকাল আমরা ওদের উপর বিজয়ী থাকব এবং পৃথিবী থেকে মুসলমান জাতিকে বিলুপ্ত করে ফেলা আমাদের জন্য খুব সহজ হবে।”
রামাদান গিয়েছে । সব গিয়েছে । পাশে নামায হচ্ছে - এক কাতারও লোক নেই, কিন্তু সেই মসজিদের পাশেই ঈদ মেলায় হাজার হাজার সো-কল্ড মুসলমান নারী পুরুষের আহারে কী যে আনন্দ চলছে ! সেই আনন্দ মিছিলের ভিড় ঠেলে মসজিদে ঢুকতে হচ্ছে কয়েকজন তথাকথিত বোকা, ব্যাকডেটেড, খ্যাত মুসলমানদের, যারা মসজিদের গিয়ে দেখেন, এক কাতারও লোক নেই ।
আর তাই ভারতও আমাদের মত বাংলাদেশের তথাকথিত ৯২% মুসলমানদের দেশকে এভাবেই ট্রিট করে চলেছে । মৃণালকান্তি ( হাসু বু এর বয় ফ্রেইন্ড ) ডামি নির্বাচনের ক্যাম্পেইনের সময় মসজিদের পাশ দিয়ে যাবার সময় তার এক কর্মী যখন তাকে থামতে বলেছিল এই বলে যে, “ সামনে মসজিদে নামায হচ্ছে” । তখন তিনি প্রকাশ্যে মুখ খরাপ করে নামাজীদের উদ্দেশ্যে কি বলেছিলেন ? জানেন তো ? নামায চো---য় ??
কে দিয়েছে তাকে সেই সাহস ? বলেন তো ? হিসেবটা ক্লিয়ার করতে পেরেছি কি ?
মুসলিম জাতিকে তওবা করে সেই মুসলিম হতে হবে যা আল্লাহ সূরা আল্-বক্ব’রহ্ এর ২০৮ আয়াতে বলেছেন । মুসলিম মানে পরিপূর্ণরূপে আল্লাহর কাছে আত্ম সমর্পণকারি মানুষ । হোক সেই মানুষের জন্ম সলিমুদ্দিনের ঘরে, অথবা অজয় রায়ের ঘরে, অথবা ডন মিলারের ঘরে । সলিমুদ্দিনের ছেলেই যে “মুসলিম” হয়ে কবরে যেতে পারবে, এর কোন গ্যারান্টি ঐ আয়াত মোতাবেক নেই । আল্লাহ যে ফিত্বরাতে “মানুষ”কে সৃষ্টি করেছেন, সেই “ফিত্বরাত” ভিন্ন ধর্মের মানুষরা যারা বুঝতে পারছেন , তাদের ভেতর থেকে কিছু কিছু মানুষ “ইসলামে” ফিরে আসছেন কি না ? সুতরাং ওভাবেই তওবা করে ফিরে আসতে হবে আমাদের মত মোনাফেকদেরও । নইলে ----