| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা....
বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ যে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি, তা একদিনে সৃষ্টি হয়নি। দীর্ঘ দুই দশকের দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থপাচার এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত আর্থিক অব্যবস্থাপনার ফল আজ রাষ্ট্রকে বহন করতে হচ্ছে।
একের পর এক ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। খেলাপি ঋণের পাহাড় তৈরি হয়েছে। জনগণের আমানতকে কিছু সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত করা হয়েছে। ফলে দেশের ব্যাংকিং খাত আজ আস্থার সংকটে, তারল্য সংকটে এবং কার্যত দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে।
বর্তমান সরকার এই সংকট উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তা এবং বিশ্ব অর্থনীতির টালমাটাল পরিস্থিতি। ফলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
বাস্তবতা হলো- এই সংকট থেকে রাতারাতি মুক্তির কোনো জাদুকরী সমাধান নেই। জনগণকে বিভ্রান্ত করে, অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিংবা পরিসংখ্যানের কারসাজি করে সমস্যার সমাধান করা যাবে না। বরং সরকারের উচিত সাহসের সঙ্গে দেশের মানুষের সামনে প্রকৃত অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরা।
একটি রাষ্ট্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন সরকার ও জনগণ সত্যের উপর দাঁড়িয়ে একসঙ্গে সংকট মোকাবিলা করে। দেশের মানুষকে বাস্তবতা জানানো হোক, কেন এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা ব্যাখ্যা করা হোক এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সংগ্রামে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা আহ্বান করা হোক।
কারণ অর্থনৈতিক সংকট লুকিয়ে রাখা যায়, কিন্তু তার পরিণতি লুকিয়ে রাখা যায় না। সত্য বলার সাহসই হতে পারে জাতীয় পুনরুদ্ধারের প্রথম পদক্ষেপ।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার সাথে সহমত ।