নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Ambivert, Swimmer Against The Stream, But I\'m Not Anti-Social, I\'m Anti-Idiots.

জ্যাক স্মিথ

লিখতে না পড়তে ভালো লাগে, বলতে না শুনতে ভালোবাসি, সেমি-ইন্ট্রোভার্ট।

জ্যাক স্মিথ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাত ৮ টায় বিপণিবিতান-দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ | দেশজুড়ে বইছে গণতন্ত্রের সু-বাতাস

১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৩৫



দেশজুড়ে বহু বহু করে বয়ে যাচ্ছে গণতন্ত্রের সু-বাতাস, চারিদিকে পতপত করে উড়ছে গণতন্ত্র নামক শান্তির পতাকা- সারা বংলায় এমন শান্তিময় পরিবেশ স্বাধীনতা পরবর্তীকালের ইতিহাসে আর দেখা যায়নি কখনো; এরই ধারাবাহিকতায় আজ থেকে সারা দেশে রাত আট ঘটিকার পর বিপণিবিতান-দোকানপাট সব বন্ধের কড়া নির্দেশ জারি করা হইয়াছে।

বিস্তারিত- বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দেশের সব বিপণিবিতান, মার্কেট ও দোকানপাট খোলার সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন নিয়মে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে।

একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের আলোকসজ্জা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নতুন এ সিদ্ধান্ত আজ বুধবার থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক আদেশে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ও অনুষ্ঠেয় বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবাসমূহ এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানায়, গত ১১ জুন জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বিপণিবিতান, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এখন নতুন সিদ্ধান্তে সেই সময় কমিয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত করা হয়েছে।

একই সঙ্গে দোকানপাট ও শপিং মল (বিপণিবিতান) সন্ধ্যা ছয়টার সময় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়, পরদিন থেকেই যা কার্যকর হয়। যদিও পরে দোকান ব্যবসায়ী সমিতির অনুরোধে সেই সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়।

ঈদুল আজহার আগে দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলার সময়সীমা শিথিল করে সরকার। ঈদের পর আবার সন্ধ্যা ৭টায় দোকানপাট ও বিপণিবিতান বন্ধে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। তবে ব্যবসায়ীরা দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার দাবি করেন। ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ জুন দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার সময় বাড়িয়ে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত করে সরকার। এখন সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে আবার দোকান খোলা রাখার সময় রাত ৮টা পর্যন্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র-প্রথম আলো।
---------------------------

এতকাল যাবৎ শুনিয়া আসিয়াছি বিদ্যুৎ, গ্যাস, ইন্টারনেট, ইলিশ মাছ থেকে শুরু করে পেঁয়াজ- কাঁচামরিচ পর্যন্ত নাকি ভারতে দেদারছে পাচার করা হচ্ছে সেই জুজু তুলে টানা ৬০/৬৫ দিন যুদ্ধ করে দেশকে ভারতের কাছ থেকে স্বাধীন করা হলো, ফলাফল? লাউ এর বদলে আমরা পেলাম মস্ত বড় এক অস্ব ডিম্ব!! ন্যাশনালিজম নামক ড্যান্জারাস ড্রাগ কোমলমতিদের মাথায় পুশ করে, হাজার হাজার কচি কাঁচাদের হত্যা করা হলো। কে নেব এর দায়ভার? এখন দেশে বিদ্যুৎ যায় না মাঝে মাঝে আসে, গ্যাসের জন্য পম্প গুলোতে লম্বা সিরিয়াল, বাসাবাড়িতে এখন মাঝে মাঝে গ্যাস পাওয়া যায়- ইন্টারনেটের দাম এখন আকাশ চুম্বী, ইলিশ মাছ? সে তো সাধারণ জনগণের বহু দূরের স্বপ্ন, কাঁচা মারিচের ঝাল আর পেঁয়াজের ঝাঝে এর কাছে ঘেষা দুরুহ।

অপরদিকে দেশজুড়ে ভারতীয় পণ্যে সয়লাব, থ্রী-পীস, লেহেঙ্গা থেকে শুরু করে, নারিকেল তেল, প্রসাধনী, তেল-মসলা, সেই সাথে মেডিক্যাল ইকুইপমেন্টস, যানবাহনের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি ভারতীয় পণ্যে সয়লাব আজ পুরো দেশ- এই জন্যই কি আমরা হাজারো কোমলমতিদের রক্তের বিনিয়মে দেশকে ভারতের হাত থেকে স্বাধীন করলাম? ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দেয়া সেই সকল তথাকথিত ন্যাশনালিস্টরা কি আজ ভারতীয় তেল নাকে দিয়ে ঘুমাচ্ছে? ;)



বিশ্বায়নের এই যুগে
ইন্টারকানেক্টেড এই ওয়ার্ল্ডে
ন্যাশনালিজমের পোঁকা যাদের মাথায় ঢুঁকে
তারাই তো ধুকে ধুকে মরে।


বাই দ্যা ওয়ে- দেশে নাকি লক্ষ লক্ষ ভারতীয় নাগরিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে বাংলাদেশীদের জবের বাজারে হাহাকার ফেলে দিয়েছিলো- তো দেশ স্বাধীন হবার পর এখন পর্যন্ত কত লক্ষ ভারতীয়দের আটক করা হয়েছে বা কত লক্ষ ভারতীয়দের নিজ দেশে ফেরৎ পাঠানো হইয়াছে? তথাকথিত ন্যাশনালিস্টরা কি এর জবাব দেবেন? প্রতিদিন কত হাজার বাংলাদেশি বিভিন্ন বর্ডার ক্রস করে ভিসা-পাসপোর্ট ছাড়াই ভারতে পারি জমায় তার কোন ডাটা আছে বিজ্ঞ মহাশয়দের কাছে?

সে যাই হোক- এখন আবার আকাশে বাতাসে শুনিতে পাই- নতুন কোন জুজু তুলে নাকি এবার বিএনপি সরকারকেও হঁটানো হইবে অতঃপর জমায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আইবে, ইহাতে যদি হাজরো প্রাণ ঝড়ে ঝড়বে নো প্রবলেম (ইহাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য :-B )। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে দেশে এখনো সহীহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠীত হয় নাই আর তাই জামায়েত ক্ষমতায় এসে দেশে চুরান্ত ভাবে গণতন্ত্র কয়েম করিবে, অতঃপর বাংলার জনগণ সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে থাকিবে। :-B

জামায়েতে ইসলামী জিন্দাবাদ।

আরো পড়ুন: শেখ হাসিনার মত তারেক জিয়াও কি ভারতে ইলিশ পাচার করছে?

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.