| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত)
আমি ভালবাসি কবিতা, গান, আবৃত্তি------- আর ঘুরে বেড়ানো।জীবনের স্বপ্নগুলো স্বপ্নেই ভেসে বেড়ায়...বাস্তবে ধরা দেয় না!, তবুও স্বপ্ন দেখি...ঘুম থেকে জেগে উঠি আশায় বুক বাঁধি ...ভুল-ত্রুটি শুধরে নতুনে পথ চলার।
ঢাকা সিটিতে সিসিটিভি কি শুধু জরিমানা আদায়ের জন্য?
রাজধানীতে তিন বাসে আগুন
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্দেশ্য শুধু ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ছবি ধারণ করে জরিমানা আদায় করা নয়। এসব ক্যামেরা অপরাধ প্রতিরোধ, অপরাধী শনাক্তকরণ, যানবাহন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত এবং যেকোনো নাশকতার ঘটনায় দ্রুত তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হওয়া উচিত। কিন্তু সড়কে বাস পোড়ানো, ভাঙচুর কিংবা অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটলে প্রশ্ন ওঠে—এত ক্যামেরা, এত নজরদারি ও এত আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও ঘটনাস্থলে কার্যকর প্রতিরোধ কোথায়?
রাজনৈতিক কর্মসূচির আড়ালে যদি আবারও জনসম্পদ ও গণপরিবহন ধ্বংসের পুরনো সংস্কৃতি নতুন কৌশলে ফিরে আসে, তবে তা কেবল পরিবহন মালিক বা শ্রমিকের ক্ষতি নয়; সাধারণ মানুষের জীবন, নিরাপত্তা ও অর্থনীতির ওপর সরাসরি আঘাত। আরও উদ্বেগের বিষয়, ঘটনার পর দায়ীদের শনাক্ত ও বিচারের পরিবর্তে যদি দীর্ঘসূত্রতা দেখা যায়, তাহলে অপরাধীদের মধ্যে দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হয়।
প্রতিকার হতে হবে দৃশ্যমান ও নিরপেক্ষ। সিসিটিভির লাইভ মনিটরিং জোরদার, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল টহল, ফুটেজ সংরক্ষণ ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ, প্রত্যক্ষদর্শীর নিরাপত্তা এবং ভিডিওপ্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে অপরাধীর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। সিসিটিভি শুধু জরিমানার যন্ত্র নয়—এটি নাগরিক নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
এ অবস্থা চলতে পারে না। ৩০ দিনের মধ্যে ডিএমপি, দুই সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক কর্তৃপক্ষকে রাজধানীর সব গুরুত্বপূর্ণ সিসিটিভির কার্যকারিতা যাচাই করে অচল ক্যামেরা সচল করতে হবে। তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিসংযোগ বা নাশকতার ঘটনায় ফুটেজ সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও তদন্তকারী সংস্থার কাছে হস্তান্তরের বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা করতে হবে।
৬০ দিনের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে পুলিশি টহল ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। প্রতিটি ঘটনায় ভিডিও ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি প্রতি তিন মাসে সিসিটিভির কার্যকারিতা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে হবে।
জননিরাপত্তার প্রযুক্তি যদি শুধু জরিমানা আদায়ের যন্ত্রে পরিণত হয়, তবে সেটি রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয়। নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সিসিটিভির প্রথম দায়িত্ব—জরিমানা আদায় তার পরের বিষয়।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৫
কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে আমার কোন অভিজ্ঞতা নেই, তবে ৩৬ জুলাইয়ে বিশেষত পুলিশের আচরণ বুঝিয়ে দিয়েছে তাঁরা জনগণের নেয়! পরবর্তী সময়ের সরকার এ বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে রদবদল অথবা ফিল্টার করার প্রয়োজন ছিলো!
রুপকথা/ উপকথা: দুধ কলা খাইয়েও না-কি মাুনষ সাপ পোষে~ আর পরবর্তীতে নিজেই দংশনের শিকার হয়!
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৭
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: এক দফার প্রস্তুতি?
অকার্যকর পুলিশ বাহিনীর থাকার সুযোগ নিয়ে কি অগ্নি সন্ত্রাস শুরু হয়ে গেলো?