| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?
মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”
গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে। তবে আধুনিক যুগে এসে মনে হচ্ছে - আপনি সময়ের চেয়ে একটু পিছিয়ে ছিলেন!
এখন আদালতে ধর্মগ্রন্থ ছোঁয়ার আগেই উকিল সাহেব বলে দেন,
“মাননীয় আদালত, আমার মক্কেল নির্দোষ।”
মক্কেল পাশে বসে মনে মনে বলে,
“আল্লাহ জানেন, আমি কী করেছি!”
আর পানশালায় গ্লাস হাতে লোকটি বলে,
“ভাই, আজকে কিন্তু আমি একদম সত্য কথা বলব!”
পাশের বন্ধু সঙ্গে সঙ্গে চেয়ার সরিয়ে ভোঁ দৌড় মারে। কারণ সে জানে - সত্য কথার চেয়ে বিপজ্জনক হলো মাতাল অবস্থায় বলা সত্য কথা!
স্বাভাবিক অবস্থায় যে স্বামী স্ত্রীকে বলে,
“তোমাকে আজ অসাধারণ সুন্দর লাগছে।”
দুই পেগ পরে সে বলে,
“তুমি বিয়ের দিনও কিন্তু এমন সুন্দর ছিলে না!”
ব্যস!
পরদিন সকালে লোকটির মাথাব্যথা নয় - বিবাহিত জীবনের ভবিষ্যৎটাই মাথাব্যথা!
আবার আদালতের সাক্ষীকে জিজ্ঞেস করা হলো,
“আপনি সত্য বলছেন তো?”
তিনি বললেন,
“জি।”
উকিল বললেন,
“শপথ করে?”
“জি।”
“নিশ্চিত?”
“জি।”
“আপনার আগের বক্তব্যের সঙ্গে এটা মিলছে না কেন?”
সাক্ষী একটু চুপ করে বললেন,
“স্যার, সত্যটা একই আছে। স্মৃতিশক্তিটাই একটু পরিবর্তনশীল!”
তাই গালিব সাহেব, শেষ কথা হলো -
ধর্মগ্রন্থ, আদালত, পানশালা - সব জায়গাতেই মানুষ মানুষই।
শুধু পার্থক্য একটাই -
আদালতে মিথ্যা বললে বিচারক সন্দেহ করেন, আর পানশালায় সত্য বললে বন্ধুরা!
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯
রাজীব নুর বলেছেন: সব মিথ্যা ক্ষতিকর নয়।
যেসব মিথ্যা মানুষের ক্ষতি করে না, সেসব মিথ্যা বলা যেতে পারে। তাতে গুনাহ হবে না।
গালিব সাহেব গ্রেট।