| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাইবার সোহেল
আমি একজন অতি সাধারন বাংলাদেশী। আমি আমার দেশ ও দেশের মানুষকে খুব ভালবাসী। আগ্রহী যে কেউ আমার সাথে বন্ধুত্ব করতে পারেন।
আমরা বাঙালি বা বাংলাদেশীরা আজীবনই লোভী, স্বার্থপর.. প্রতিবারই কোন না কোন একটা জঘন্য ঘটনা ঘটে সারা দেশ প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে বিচারের দাবিতে.. কিছুদিন পর অন্য কোন একটা ঘটনায় আগের ঘটনাটি বিস্মৃত হয়ে যায়। তারপর আবার আরেকটা ঘটনা আসে, আবার প্রতিবাদ, বিচার চাওয়া, তারপর যথারীতি ভুলে গিয়ে নতুন ঘটনার জন্য অপেক্ষা করা। এইতো কয়েক বছর আগে মাগুরার আসিয়াকে নিয়ে সবাই প্রতিবাদে তার হয়ে উঠল কিন্তু, যথারীতি আমরা তাকে ভুলে গিয়েছি। এই যে যেমন তনু হত্যাকান্ড বা সাগর রুনির হত্যাকান্ড। এই যে নতুন যুক্ত হয়েছে রামিসার বিষয়টা। কিন্তু অন্য ঘটনাগুলো যদি বা ১৫ দিন বা এক মাস মানুষ মনে রাখে বা প্রতিবাদ করে, কিন্তু এবার রমিসার ব্যাপারে সম্ভবত সেটাও হবে না। কারণটা খুবই সাধারণ, সামনে আর এক সপ্তাহ পরে আসছে কোরবানি ঈদ। এখন সকল ডিজিটাল মিডিয়া ফেসবুক সংবাদ মাধ্যম সবকিছু মুখর হবে গরু নিয়ে আলোচনা বিষয়ে। যা ইদানিং চলছেই ট্রাম্প ,মোদি , নেতা নেতানিয়াহু এদের নামে বিভিন্ন গরুর নামকরণ করা হয়েছে। কয়েকদিন পর খবরের শিরোনামে আসবে গরুর দাম এবং, বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপনে প্রচারের নানা রকম কৌশল। তখন আমরা সেগুলো নিয়েই মাতামাতি করব। আছিয়ার মত রামিসাকেও আমরা ভুলে যাব আরও দ্রুত। আর এদেশে ন্যায় বিচারের সংস্কৃতি নেই। বহুকাঙ্খিত স্বাধীন একটা বিচার ব্যবস্থা জন্য গঠিত মন্ত্রণালয় যখন বিলুপ্ত করে আবার আগের আইন মন্ত্রণালয় সংযুক্ত করা হয়, সেখানে ন্যায় বিচার বা সুবিচার প্রত্যাশা করাটাও, কুঁজোর চিৎ হয়ে শোয়ার স্বপ্নের মতোই অলীক কল্পনা, চাইলে বা চেষ্টা করলে হয়তো ডাইনোসরের দুধও মিলতে পারে, কিণ্তু এদেশে দ্রুত বা সময়মতো ন্যায় বিচার এর চেয়েও অনেক বেশী সোনার পাথর বাটির মতো বিষয়...
। এখন কেউ আর শাহবাগ দখল করছে না আর যমুনা ঘেরাও করার হুমকি ও দিচ্ছে না। আর আমাদের সংবিধান বিশেষজ্ঞ উনি নিশ্চয়ই এখনো সাংবিধানিকভাবে , অপরাধীর সাংবিধানিক অধিকার যেন নষ্ট না হয় সে বিষয়েটা নিয়েই ব্যস্ত...
আসলে এদেশে জন্মানোটাই সবচেয়ে বড় পাপ, আর ন্যায় বিচার চাওয়া তারচেয়েও বড় জঘন্যতম অপরাধ। যে দেশে লক্ষ কোটি টাকা পাচার করার পরেও, কোন শাস্তির বালাই নেই, অথচ মসজিদের জুতা চোর, বা ছিচকে পকেটমারকে আমরা তাৎক্ষণিক গণধোলাই দিয়ে মেরে ফেলি প্রায়শই.. সেখানে আর ন্যায় বিচার চাওয়ার কোন কথাই থাকতে পারে না। বাঙালির একমাত্র আদি এবং অকৃত্রিম ভরসা স্রষ্টার আদালত। এভাবেই চলছে আর হয়তো চলবেও অনন্তকাল...

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ২:০১
সাইবার সোহেল বলেছেন: আমি আমার মায়ের কাছে এসব কথা শুনতাম, কারণ তখন শিক্ষার মান অনেক উন্নত ছিল আর মার্জিত পারিবারিক শিক্ষা ছিল. .. বর্তমানে যার প্রচন্ড অভাব। কিন্ত তখনও অর্থ সম্পদ নিয়ে পারিবারিক কোন্দল ছিল, আর বর্তমানেও যা বিদ্যমান আছে.. আগেও মানুষ প্রতিপক্ষকে ফাসাতে নানা কুট কৌশল অবলম্বন করতো নিজের পরিবার বা নিকটজনের চরমক্ষতির মাধ্যমে যা এখনও চলমান। কিন্তু সবাই তো আর এক নয়, এই যে ঢাকা জুড়ে বিভিন্ন স্থানে ভালো কাজের হোটেল আছে, যেখানে সকল স্তরের মানুষ পেট ভরে খেতে পারে সামান্য একটি ভালো কাজের বিনিময়ে। এর এই তো সেই দিনের কথা নোয়খালি সহ ঐদিকের অঞ্চলে যে ভয়াবহ বন্যা হলো দেশের সকল স্তরের মানুষই তো নিঃস্বার্থ ভাবে সামর্থ অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল...। খারাপ মানুষ আগেও ছিল, এখনও আছে...। কিন্তু আগে ঐ সকল খারাপ মানুষকে সমাজ খারাপ নজরেই দেখতো, কিন্তু এখন সেটা আর তেমনটা নেই। আর অপরাধ ও অপরাধীর পৃষ্ঠপোষোক আগে ছিল না, কিন্তু বর্তমানে অভাব নেই তাদের। আর সর্বোপরি ভুরাজনৈতিক কারনে, বিভিন্ন ভাবে আমাদের সামাজ ও শিক্ষা ব্যাবস্থাকে পরিকল্পিত ভাবে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলমান, আর তাতে ইণ্ধন যোগাচ্ছে স্বার্ধন্বেষী বিভিন্ন মহল...। আর এজন্যই একথা বলা...
![]()
২|
২২ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:১০
রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।
২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ২:০৫
সাইবার সোহেল বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইজান, আমি কৃতজ্ঞ... ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে মে, ২০২৬ রাত ২:১২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাঙালি বা বাংলাদেশীরা আজীবনই লোভী, স্বার্থপর..
...............................................................................
ভূল ধারনা ।
আপনি কি ষাট/সত্তর দশক দেখেছেন ?
পারস্পরিক সহর্মমিতা ও মানবতা আমি দেখেছি ।
এমন শিক্ষাও দেখেছি, রাস্তায় কোন টাকা পড়ে থাকলে
তার সমপরিমান টাকা যোগ করে , গরীব অনাহারীকে দেয়া হতো ।
.....................................................................................
নানা চক্রে পড়ে আমাদের সমাজ বর্তমানে অধ:পতনের দিকে যাচ্ছে
এর সংস্কার জরুরী, কিন্ত সে রকম কান্ডারী দেখছিনা ।
আমাদের মানবতাবোধ ফিরায়ে আনতে হবে, অন্যর প্রতি সহনশীল
আচরন শিখতে হবে, সর্বোপরি আমানতের খেয়ানত করা যাবেনা ।