| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সে সাধের শৈশবেরে,খুব করি মনে পরে,
নাই সে বৈশাখী মেলা।
বেদিনী বাজাইত বিন,নাচিত যে কালনাগিন,
নাই সে সাপের খেলা।
জ্যৈষ্ঠের খরতাপে,দিন কাটে দৌড়ঝাঁপে,
মার বকুনি, বাবার শাসন।
মাঝ দুপুরে ঘর পালিয়ে,আম খাওয়া নুন মাখিয়ে,
গাছতলাতে পাতিয়া আসন।
আষাঢ়েতে গুঁড়ি গুঁড়ি, বৃষ্টি পড়িত ঝরি,
নিস্তব্ধ হইত যে মন।
এরই মাঝে কাঁদায় হাঁটা, মাঝ গাঙে নৌকায় ছোটা,
ছিলনা যে কোন বাঁধন।
শ্রাবণের ঘন বাদল, বাজাত উদাসী মাদল,
চারিপাশে বিষণ্ণ ঘ্রান।
তুমুল বৃষ্টি মাঝে, উঠিতে কদম গাছে,
আইঢাই করিত যে প্রাণ।
ভাদ্রের গরম আভায়, ঘরেতে থাকাই দায়,
নদীতীরে যাইতাম লইয়া ঘুড়ি।
সাঁঝেতে ফিরিতাম ঘরে, নাটাই-সুতা হাতে করে,
পথ দেখাতো চেনা চাঁদের বুড়ি।
আশ্বিনেতে মন খুলে, মিশিতাম কাশফুলে,
পাড়াগুলোয় বাজিত যে ঢাক।
হাসি-আনন্দ আর গানে, কাটিত সময় একমনে,
ছিল না ধর্মের কোন বাঁক।
কার্তিক মাসের শেষে, দেবী অন্নপূর্ণা বেশে,
আলোকিত হইত মাঠ।
কিষান যেতো কাজে চলে, আহার-নিদ্রা সব ভুলে,
হাটগুলো ছিল জমজমাট।
অঘ্রানেতে সবার তরে, নতুন ধানে ঘর ভরে,
সিদ্ধ হইত বারবার।
গাহিয়া মিষ্টি গান, ঢেঁকিতে ভানিত ধান,
আহা, কি তাল ছিল তার।
পৌষের হিম ভাব, রৌদ্রের ক্ষীণ তাপ,
পিঠা আর পায়েসের জোড়া।
মনের ইচ্ছা যত, ঘন কুয়াশার মত,
জগত অতি রহস্যে মোড়া।
মাঘ মাসের তীব্র শীতে, মন ভরে নৃত্য-গীতে,
যাত্রাপালার বসিত আসর।
জারি; বাংলার শান, আরও আছে পালাগান,
সাহিত্তের অপরূপ বাসর।
ফাগুনেতে জাদুবলে, ফুল-ফল আর আমমুকুলে,
প্রকৃতি ধরিত নতুন সাজ।
কুয়াশার বাঁধা ভেঙ্গে, অরুণের তীব্ররঙে,
খোলস ছাড়ি উঠত নটরাজ।
চৈত্রের ভীষণ খরা, রোগ-ব্যাধি আর জড়া,
চাতক হইত হতাশ।
বিকেলের শেষক্ষণে, লাগিয়ে দোলা প্রাণমনে,
বহিত বসন্ত বাতাস।
০৭ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১১:১৯
ডার্ক বলেছেন: ধন্যবাদ।
২|
২৫ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:৪৮
শব্দহীন জোছনা বলেছেন: জোশ হইছে রে পাগলা... একেবারে আদিম শুদ্ধ ঘ্রাণ বেউরচ্ছে কবিতার গা থেকে...
৩|
২৫ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:১৩
শব্দহীন জোছনা বলেছেন: কবিতায় বাংলার বারোমাস।
............... সহ্য হবে ?!
এবার চাই যউবনের বারোমাস, তাইলে আমরা পাঠকরা
কবির বর্তমান ডাল -চালের কিছুটা খবর পাইতাম ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে জুন, ২০১৪ রাত ৯:১০
বাংলার নেতা বলেছেন: ভাল লাগল! বারোমাসি কবিতা!