নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তরল মৃত্যু পান করে সক্রেটিস যে'দিন অমর হলেন, সে'দিন থেকে আমি দার্শনিক !

তরল মৃত্যু পান করে সক্রেটিস যে'দিন অমর হলেন, সে'দিন থেকে আমি দার্শনিক !

দার্শনিক্‌

তরল মৃত্যু পান করে সক্রেটিস যে'দিন অমর হলেন, সে'দিন থেকে আমি দার্শনিক !

দার্শনিক্‌ › বিস্তারিত পোস্টঃ

এইবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁশ দিল বরাহশাবক আফসান চৌধুরী : তবু সবাই চুপ কেন?

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৪৫

সামহোয়্যারের ব্লগাররা ইংরেজীতে প্রচন্ড দূর্বল । নইলে তাদের বরাহশাবক আফসান চৌধুরীর লেখাটা নিশ্চয়ই চোখে পড়ত এবং ব্লগে ঝড় তুলে দিত। অন্তত যেকোন প্রসংগে পাবলিক এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ইস্যুতে তা'ই হতে দেখেছি। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে আফসান চৌধুরী দেখেছেন গাধার খোঁয়াড় হিসেবে। তার লেখার শিরোনামটাই আপত্তিকর : Public universities in Bangladesh: Asking a donkey to give cow’s milk।লেখাটা বেশ পুরনো। অথচ,সামহোয়্যার ঘেঁটে এই বিষয়ক একটাও প্রতিবাদ জানানো পোস্ট পেলাম না। আফসোস!



আমিও নিজেও মুর্খ মানুষ । তাই অন্য একটি ব্লগের সূত্রে ঘটানা জানতে পারলাম ।.নিচে মুল লেখার উল্লেখযোগ্য কিছু লাইন দিলাম।



The public university system has not produced any great thinker in the last half century and as trends go will not do so in the next either.




It is not fair to ask a donkey to give cow’s milk.



বাংলাদেশের হাজার গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা থাকা স্বত্বেও কেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গাধা গরুর সঙ্গে তুলনা করে আফসান চৌধুরী লিখলেন? যেখানে অনেক প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি বিল্ডিং ভাড়া করে সার্টিফিকেট ব্যবসা করছে । ঢাকায় এমন অনেক প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পাওয়া যাবে যার উপরতলায় গার্মেন্টস কারখানা, নিচে বাজার, কাপড়েরর দোকান, সেলুন, বিউটি পার্লার, হটডগ জাতীয় খাবারের দোকান। আরও কতো সমস্যা !! এসব কিছুই কেন আফসান চৌধুরীর চোখে পড়লো না??চিন্তার বিষয়।অবশ্য একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে জড়িত একজন যখন এই ধরণের একটা লেখা লিখেন তখন ব্যপারটা অনেকটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে এই লেখার পেছনে কারণটা কী।



বরাহশাবকের প্রোফাইলটা একবার দেখা যাক:

“সাংবাদিক, কথাসাহিত্যিক ও গবেষক আফসান চৌধুরীর জন্ম ১৯৫৪ সালে ঢাকা শহরে। পড়াশুনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসে বিভাগে। ঢাকা কুরিয়ার, দ্য ডেইলি স্টার, এবং বিবিসিতে কাজ করেছেন। হাসান হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র প্রকল্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর একটি হচ্ছে ‘তাহাদের কথা’ নামে একটি ভিডিও ডকুমেন্টরি।”





এই প্রসংগে একজন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া পাঠকের বক্তব্য তুলে দিচ্ছি:



'' আপনার মূল কথাগুলো ছিল এরকম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বুদ্বিবৃত্তিক ঐতিহ্য গড়ে ওঠে নি। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত এবং তার উপরের স্তরের জন্য যেসকল বোর্ডবই এবং জনপ্রিয় পাঠ্যবই আছে সেগুলোর শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা। আমরা সবাই এই লেখকদের বই পড়েই লেখাপড়া করছি। আপনার ভাষ্যমতে এগুলো রাজনৈতিক কাজকর্ম কারণ আপনি লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি সফল রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যর্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যেহেতু আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন কাজেই আপনার পড়ালেখা ব্যর্থ এবং ঐ ধাঁচ অনুযায়ী লেখাটি লিখেছেন। আসলেই আপনি ঠিক বলেছেন গাধার কাছ থেকে গরুর দুধ চেয়ে লাভ নইে।



বাংলাদেশের বড় বড় কবি-সাহিত্যিক, ভাষাবিদ, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষকরা কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়েছেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, মুনির চৌধুরী, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লা‌হ্‌ থেকে শুরু করে হুমায়ূন আহমেদ, শামসুর রাহমান, তারেক মাসুদ, মিশুক মুনীর, হুমায়ূন আজাদ, ড. ইউনুস (আরো অনেকে আছেন। নাম না জানলে বলবেন) এরা কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই সদস্য। আপনার ভাষ্যমতে এরা বুদ্ধিবৃত্তিক সফল মানুষ নয় কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রাজনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক নয়।



কিছুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. মকসুদের নেতৃত্বে প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের গবেষণায় পাটের জন্মসূত্র রহস্য আবিষ্কৃত হয়েছে। গ্লোবাল সোশ্যাল ভেনচার প্রতিযোগিতার (জিএসভিসি)-২০১২ আফ্রো-এশিয়া অঞ্চলের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় ৫০টি দেশের বাঘা বাঘা মেধাবী তরুণের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স ও অ্যাকাউন্টিংয়ে পড়ুয়া সাইমুম হোসেন, বাঁধন মজুমদার, সাগর মেহেদী হাসান ও হাসানুল কাদেরের সংগঠন ‘গ্রীনোনোভশেন টেকনোলজসি’ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সেদিন বাংলাদেশের এই তরুণরাই হেসেছিলেন শেষ হাসি। ১৮ এপ্রিল,২০১২ ইউনিভিার্সটি অব ক্যালফিোর্নয়িা, বার্কলে, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল সোশ্যাল ভেনচার প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৃথিবীর ৩৭৪টি বিশ্ববদ্যিালয়ের তিন সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে লড়াইয়ে রানারআপ হয়ে সাইমুম-বাঁধনরা জিতে এনেছেন ১০ হাজার ডলার মূল্যমানের (বাংলাদশি টাকায় প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকা) পুরস্কার।বয়ে এনেছেনে দেশের জন্য সম্মান।

এরকম আরো অর্জন রয়েছে সেটা আপনি নিজেও জানেন। আপনার লেখা অনুযায়ী এগুলো রাজনৈতিক ব্যাপার, লেখাপড়া বা জ্ঞানচর্চা নয়।''







একজন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সমর্তহকের বক্তব্য দেখা যাক:



। এখন নিউজপেপারে ব্যাংক জবের সার্কুলেশনে বিবিএ ডিপার্টমেন্ট থেকে শুধু বাংলাদেশের টপ ফাইভ ইউনিভার্সিটি থেকে আবেদন করতে পারে? সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুধু আইবিএ-র ছেলেমেয়েরা দরখাস্ত করতে পারে। বিভিন্ন ব্যাংক ঢাবির আর কোনো বিভাগ থেকে আাবেদনের সুযোগ দিচ্ছে না।



আগের দিন আর নাই। এখন প্রাইভেটের যুগ। পৃথিবীর ৯৯ বাগ ভালো ভালো বিশ্ববিদ্যালয় প্রাইভেট। আর সাম্প্রতিকের ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিং-য়ে আমাদের ঢাবি বাংলাদেশের একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ( ব্র্যাক) পরের অবস্থানে আছে। আপনি কখনও পাবলিক আর প্রাইভেট তুলনা করতে পারবেন না। প্রাইভেটের ছেলেমেয়েরা শিখতেছে বেশি। এখন সার্টিফিকেট বিক্রির দিনও শেষ। কয়েকটা প্রাইভেটকে দিয়ে সব প্রাইভেটকে মাপবেন না। তাহলে তারাও বলবে পাবলিকে ভর্তিপরীক্ষার দুর্নীতির কথা।





মোদ্দা কথা, বাংলাদেশে এখন থেকে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ব বিদ্যালয়ের দ্বন্দ চলবে আর এই দ্বন্দে কিছু কিছু মাথা বেচে দেয়া বুদ্ধিজীবি প্রাইভেটের হয়ে লড়বে। বুর্জোয়াশাসিত এই দেশে প্রাইভেটরা একসময় জিতে যাবে। হাভাতের মত পাবলিকেরা স্বপ্ন বেচে খাবে।

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৫০

নগত টাকা বলেছেন: just fuck him.

২| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:০৬

ফারজুল আরেফিন বলেছেন: ভালো লাগলো পোস্ট। +++

৩| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:১৮

ইন্সিত বলেছেন: ফাউল লোক। পেইড লেখনী.......

৪| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:১৮

জনৈক গণ্ডমূর্খ বলেছেন: কুকুরের কর্ম কুকুরে করেছে কামড় দিয়েছে পা'য়
তাই বলে কি কুকুরকে কামড়ানো মানুষের শোভা পায়।

আর কিছু বললাম না B:-/ B:-/ B:-/

৫| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:২০

মুন্তাসীর আর রাহী বলেছেন: এইসব আবালরে থাপড়ান উচিৎ X(( X(( । নিজের স্বার্থে ষোলআনা। । শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই।

৬| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:২২

মাক্স বলেছেন: এইতো আপ্নে একটা প্রতিবাদ পোস্ট দিলেন।
সামুর ব্লগাররা হয়তো ইংরেজিতে দুর্বল তাইতো দেখি সবাই বাংলায় ব্লগিং করেB-)
কিছু লোক থাকে যারা সবসময় গালাগালি করে নজরে পরতে চায় হয়তো উনি এই টাইপের লোক তাই এমন একটা পোস্ট দিয়েছে। আর সামুর ব্লগাররা এখন অনেক ভদ্র তারা গালাগাল দিতে চায় না সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিতে চায় যেমনটা আপনি দিয়েছেন।+++
আমি নিজেও পাবলিক ভার্সিটির ছাত্র একসময় অনেকের সাথে পাবলিকের মাহাত্ম নিয়ে গলাবাজি ঝাড়ছি। কিন্তু এখন ঠিক এই মুহুর্তে আমি বিরক্ত পাবলিক ভার্সিটির উপর। কারন আমাদের স্যাররা। কিছুসংখ্যক স্যাররা পরীক্ষার আগের রাতে রাজনীতি করুয়া ছাত্রদেরকে প্রশ্ন দিয়ে দিচ্ছে এবং নতুদের উদ্বুদ্ধ করছে এইভাবে নোংরা পলিটিক্স করলে পড়া লাগবে না। প্রশ্ন হাতে চলে আসবে পরীক্ষায় পাস নিশ্চিত। পাবলিক ভার্সিটির ২৫ ভাগ পড়াশোনা করে ২৫ ভাগ আমাদের মত টোটালি পড়ালেখা করে না। শুধুমাত্র পরীক্ষার আগের রাত পড়ে পাস করে আর বাকী ৫০ ভাগ পলিটিক্স করে। ভার্সিটি ভেদে এই পরিসংখান চেন্জ হইতে পারে।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৫৯

দার্শনিক্‌ বলেছেন: আমি কিনত সেই অর্থে প্রতিবাদী পোস্ট দিই নাই । জাস্ট ইনফরমেশন শেয়ার করসি।

৭| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:২৫

সূর্য বলেছেন: বরাহ শাবক? শব্দগুলোর মানে জানেন? এক লেখাতেই এতবড় একজন লোককে বরাহ শাবক করে দেয়া যায়, তাই না? বেশ বেশ!

আপনার মত দার্শনিক যদি কোনদিন আফসান চৌধুরির পায়ের যোগ্য হইতে পারেন তখন কথা বলতে আইসেন।

ইংলিশ ইডিওমেটিক এক্সপ্রেশান সম্পর্কে যার ন্যূনতম ধারণা নাই সে আইছে আফসান চৌধুরির ভুল ধরতে।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:১৪

দার্শনিক্‌ বলেছেন: আহারে বলদ ভাই, বরাহ শাবকের অর্থ জানি বইলাইতো গালিটা দিতে পারলাম।
সমালোচনা করতে হইলে পায়ের যোগ্য হতে হয় এই প্রথম শুনলাম। এই যেমন অনেক ব্লগার-কলামিস্ট এখন অর্থমন্ত্রির সমালোচনা করতাসে, তাদের কারো কী অর্থমন্ত্রীর মত হার্ভার্ড আর অক্সফোর্ডের ডিগ্রি আছে? তারমানে কী অর্থমন্ত্রীর আপত্তিকর কথায় সমালোচনা করতে হার্ভাড-অক্সফোর্ডের ডিগ্রী লাগবে? আফসানের ক্ষেত্রেও সেইম কথা। এই যে, আপনি আমার সমালোচনা করতেসেন, আপনি কী আমার নখের যোগ্য?
আর বলদের বাচ্চা, ইংলিশ ইডিওমেটিক এক্সপ্রেশানের কোন ভুল থাকলে সেইটা আমার না, আপনার আদরের আফসানের। কারণ এইখানে প্রত্যেকটা ইংরেজী শব্দ আফসানের লেখা থেকে কোট করা।

৮| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:২৮

ডজ বলেছেন: আমার মনে হয়, কিছু ক্ষেত্রে তিনি সত্য বলেছেন, কিছু ক্ষেত্রে ভুল।

>>>যেসব বিষয়ে তিনি সত্য বলেছেন:
১. বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিম্নমূখী। এর অনেকগুলো কারণগুলোর কয়েকটা হচ্ছে-

ক) ক্লাস ঠিক মত না হওয়া। আমি শাবির ছাত্র। আমি জানি মোট ক্লাসের সিকি ভাগও
আমরা পাইনি সেসময়। আমার ঢাবি আর চ,বি-এর বন্ধুরাও একই কথা বলতো সেসময়। কয়েক দিন পরপরই বন্ধ। খোলা থাকার সময়ও ক্লাস ভালো মত হতো না।

খ) শিক্ষকতার মান টপ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে কম হওয়া। এটা সত্যি। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নেন আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মানের শিক্ষকরা। সেই সাথে, প্রাইভেটে পড়াতে আসেন বিদেশের অভিজ্ঞ শিক্ষকরা।

এখানে মনে রাখা জরূরী, মেধা কোন অলৌকিক ব্যাপার নয়। এটা তৈরী করা যায়। আবার, সঠিক ভাবে নারচারের ব্যবস্থা না থাকলে, মেধা ক্ষয়ে যেতেও সময় লাগে না। আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে-মেয়েরা মেধাবী। কিন্তু, সঠিক নারচারের অভাবে তাদের বেশির ভাগই ক্ষয়ে যান। অন্যদিকে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একই সময়ে সঠিক দিক-নির্দেশনা পেয়ে সমমানে পৌছে যান, অনেক ক্ষেত্রে এগিয়েও যান


>>>যেসব বিষয়ে তিনি ভুল বলেছেন:

১. তিনি যদি সব প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তুলনা দিয়ে থাকেন এটা ভুল। অনেক 'বি' ও 'সি' গ্রেডের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চেয়ে নিঃসন্দেহে পাবলিকগুলো এগিয়ে।

২. পাবলিক থেকেও কিছু কিছু মেধাবী বের হোন।

৩. আই,টি ছাড়া অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের ক্ষেত্রে ও মেডিক্যালের শিক্ষার মানের সাথে তুলনা দেওয়ার সময় এখনো প্রাইভেটগুলোর সময় আসেনি বলেই আমার ধারণা।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:১৬

দার্শনিক্‌ বলেছেন: সহমত

৯| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:২৯

জাহাঁপনা। বলেছেন: বরাহ শাবক? শব্দগুলোর মানে জানেন? এক লেখাতেই এতবড় একজন লোককে বরাহ শাবক করে দেয়া যায়, তাই না? বেশ বেশ!

আপনার মত দার্শনিক যদি কোনদিন আফসান চৌধুরির পায়ের যোগ্য হইতে পারেন তখন কথা বলতে আইসেন।

ইংলিশ ইডিওমেটিক এক্সপ্রেশান সম্পর্কে যার ন্যূনতম ধারণা নাই সে আইছে আফসান চৌধুরির ভুল ধরতে।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:১৮

দার্শনিক্‌ বলেছেন: আহারে বলদ ভাই, বরাহ শাবকের অর্থ জানি বইলাইতো গালিটা দিতে পারলাম।
সমালোচনা করতে হইলে পায়ের যোগ্য হতে হয় এই প্রথম শুনলাম। এই যেমন অনেক ব্লগার-কলামিস্ট এখন অর্থমন্ত্রির সমালোচনা করতাসে, তাদের কারো কী অর্থমন্ত্রীর মত হার্ভার্ড আর অক্সফোর্ডের ডিগ্রি আছে? তারমানে কী অর্থমন্ত্রীর আপত্তিকর কথায় সমালোচনা করতে হার্ভাড-অক্সফোর্ডের ডিগ্রী লাগবে? আফসানের ক্ষেত্রেও সেইম কথা। এই যে, আপনি আমার সমালোচনা করতেসেন, আপনি কী আমার নখের যোগ্য?
আর বলদের বাচ্চা, ইংলিশ ইডিওমেটিক এক্সপ্রেশানের কোন ভুল থাকলে সেইটা আমার না, আপনার আদরের আফসানের। কারণ এইখানে প্রত্যেকটা ইংরেজী শব্দ আফসানের লেখা থেকে কোট করা।

১০| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৪৬

মাক্স বলেছেন: গেছিলাম ঐ লিংকে। আগে যে মন্তব্য করছিলাম ঐটা রিভার্স করলাম।

১১| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৪৭

পুরাতন কথা বলেছেন: বুঝাই যায় জনাব আফসান চৌধুরী কোথায় কোথায় কাজ করেছেন। যেগুলো খাঁটি প্রাইভেটাইজেশনের প্রপাগান্ডা ছড়ানোর কারখানা। ঢাকা কুরিয়ার, ডেইলি স্টার ও বিবিসি। এখন লিখেন বিডিনিউজে। এটাও প্রথম আলো, ডেইলি স্টারের এক্সটেনশন।

উনার মতো অলীক কল্পনাবাজদের মুল্যায়ন দিয়ে এদেশ চলবেনা। কারন উনার পক্ষে বাংলাদেশকে চেনা অসম্ভব বলেই মনে হয়েছে।
লেখক আপনি কিছু নাম উল্লেখ করেছেন। সেগুলোর সঙ্গে যোগ করছি অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, সরদার ফজলুল করিম, আহমদ শরীফ, বদরুদ্দিন উমর, রেহমান সোবহান, আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস, বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, গোলাম মুর্শিদ, আহমদ ছফা প্রমুখ। আরো অসংখ্য নাম আছে। আমার মতে নামোল্লেখেরই প্রয়োজন নেই।

পোষ্ট লেখককে ধন্যবাদ।

১২| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:০০

মুহাই বলেছেন: পাবলিক বস । লেখককে ধন্যবাদ

১৩| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৩৪

সম্রাট আকবর বলেছেন: মন্তব্য করার আগে বলে নেই আমি দেশের সেরা স্কুল কলেজ এবং ইউনিভার্সিটিগুলোতে পরার সুযোগ পেয়েছি যার ভিতর আছে - মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল, রাজউক কলেজ, বুয়েট, ঢাকা ইউনিভার্সিটি এবং এ আই ইউ বি। আমি পেশায় ইঙ্গিনিয়ার, এম বি এ সহ মোট তিনটি মাস্টার্স ডিগ্রী আছে আমার। যেহেতু প্রাইভেট এবং পাবলিক দুই রকম ভার্সিটিতে পড়ার অভিজ্ঞতা আছে আমার, আমি তাই আমার কিছু ব্যাক্তিগত মতামত দিতে চাইঃ

পড়ার পরিবেশঃ

ক্লাশরুমের পরিবেশ এবং সুযোগ সুবিধা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে বেশী

গ্রুপে কাজ করার জন্য পাবলিক ইউনিভার্সিটি ভাল

লাইব্রেরীর পরিবেশ প্রাইভেট এ বেশী

পড়ার আনুসংগীক জিনিসপত্রঃ

লাইব্রেরীর বই পাবলিক ভার্সিটিতে বেশী কিন্তু অনেক পুরাতন সংস্করনের সংগ্রহই বেশী। বিষয়ভিত্তিক এবং জনপ্রিয় বই গুলো খুব একটা পাওয়া যায় না এখানে। বই খোজা এবং ধার নেয়ার পদ্ধতি খুবই সমস্যাকর প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির তুলনায়। এখানে প্রযুক্তির ব্যাবহার বলতে গেলে করাই হয় না।

প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে লাইব্রেরীর জায়গা তুলনামুলক কম হলেও তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হয়। প্রযুক্তির ব্যাবহার লাইব্রেরী ব্যাবহারকে খুবই আনন্দদায়ক কয়রে তোলে এখানে।

প্রাইভেট ভার্সিটিতে কম বিষয় পড়ানো হয় তাই ল্যাব এর সংখ্যা কম থাকে। যেহেতু হেভী অয়েট ল্যাব যে বিষয়ে লাগে তা কোন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি এখন পরানো হয় না তাই বিশাল যন্ত্রপাতির ল্যাব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি তে নাই। কিন্তু আমার ব্যাক্তিগত মতামত, যে যে বিষয় এখানে পড়ান হয় তার সর্বোচ্চ মানের ল্যাবই এদের আছে। পাবলিক ইউনিভার্সিটির ল্যাবগুলো থেকে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির ল্যাব অনেক আধুনিক এবং কাজের পরিবেশ ভাল।


শিক্ষকের মান

কম বেশী একই মানের। পাবলিক ইউনিভারসিটির ভাল শিক্ষকদের প্রায় সবাই প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ানর সুযোগ পায়। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির একটি সুবিধা হল এতে এনেক বিদেশী ভাল মানের শিক্ষক খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কাজ করে। এটি এখানকার বাড়তি পাওনা।

শিক্ষকদের নিষ্ঠাঃ

একই শিক্ষককে দেখা যায় প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে খুব নিষ্ঠার সাথে পড়ায় কিন্তু পাবলিকে তারা খুব হাম্বরা ভাব দেখায় এবং কোন রকম সাহায্য সহযোগীতা তারা করে না ছাত্রদের সাথে। এটি হওয়ার মূল কারন পাবলিকে তাদের জবাবদিহীতার অভাব।

সিলেবাসঃ

পাবলিক ভার্সিটির সিলেবাস থেকে প্রাইভেটের সিলেবাস যুগোপযোগী। আর নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা নিতে হয় বলে সিলেবাসের পড়া ক্লাসেই শেষ করা হয়। আর প্রত্যেক বিষয়ে প্রজেক্ট এ মার্ক থাকায় ছাত্রদের বাধ্য হয়েই বিষয় সম্পর্কিত জ্ঞ্যান নিতে হয়।

সময়ঃ

সেসন জট না থাকায় সময় মাফিক পড়ালেখা করতে ছাত্ররা বাধ্য হয় এবং যথা সময়ে কোর্স শেষ করে।

তাই ব্যাক্তিগত ভাবে আমি মনে করি সমগ্রীক ভাবে প্রাইভেট ভার্সিটির পড়ালেখার মান পাবলিক ভার্সিটি থেকে ভাল।

১৪| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৪৮

দার্শনিক্‌ বলেছেন: সহমত।

কিন্তু আপনার মত প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ার সুযোগ সবার নেই। আর সার্বিক হিসেবে দেশের সবচে ভাল ছাত্ররা পাবলিক ভার্সিটিতেই পড়ছে।সুতরাং, পাবলিক ভার্সিটিকে ছোট করা একটা বিশাল অপরাধ।

১৫| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:০৯

নগরের ধনেষ বলেছেন: সম্রাট আকবর বলেছেন: আমি পেশায় ইঙ্গিনিয়ার

জ্বী ভাই অনেক ডিগ্রী আপনার।বাংলাটা ভালভাবে লিখেন।
দুই একটা বিষয় ছাড়া প্রাইভেটের পড়ার মান পাবলিকের চেয়ে অনেক খারাপ।

১৬| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:২৫

সম্রাট আকবর বলেছেন: ভাই আমি বাংলা লেখাতে খুব পটু না। তাই কিছু ভুল হয়ে থাকতে পারে। ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরধ রইলো।

১৭| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: @ সম্রাট আকবর, বুঝলাম না, আপনে লেখছেন " বুয়েট, ঢাকা ইউনিভার্সিটি এবং এ আই ইউ বি। আমি পেশায় ইঙ্গিনিয়ার, এম বি এ সহ মোট তিনটি মাস্টার্স ডিগ্রী আছে আমার।"

ধরেন বুয়েটে পাশ করতে গিয়া ন্যুনতম ৫ বছর, ঢাকার মাস্টার্স করতে গিয়া দুই বছর, এআই ইউবি আরও ২ বছর, কিন্তু যেহেতু আপনে তিনটা মাস্টার্স সেহেতু ধইরা নিলাম আপনের আরও ২ বছর মানে ১১ বছর। আপনে যদি ১৮ বছর বয়সে ইন্টার পাশ দেন আপনের পড়ালেখা শেষ করতে লাগছে ২৯ বছর।যেহেতু পেশা বলছেন সেহেতু আরও ২-৩ বছর যোগ করতেই পারি। তার মানে ন্যুনতম ৩২ বছর।

ভাই, মানুষ দেশে থাইকা কেমনে এতো পড়ালেখা করলো বুঝলাম না। ভালা কথা, ধরেন লাইব্রেরীর ভালা পাই, ভালা টিউটর ভালা সবকিছু কিন্তু যেই মগজগুলান আছে সেগুলান মগজ না। তাইলে? আবার ধরেন যেই ভালা ল্যাব সেই ভালা ল্যাব শো পিস আর ডাউনলোডের জন্য তাইলে? অথবা যেই ভালো ভালো শিক্ষক ঐখানে পড়ায় গিয়া তারা বুয়েটের পোলাপান গো ৪ দিলো খাতা দেইখা আর ঐখানে গিয়াও গণ ৪ দিলো, তাইলে দুইটার ডিফারেন্স কতখানি?

বেসিক কি ক্লিয়ার?

১৮| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৫০

সম্রাট আকবর বলেছেন: আমি আমার পোষ্টে বলেছি প্রাইভেট ভার্সিটিতে অল্প কিছু বিষয়ই পড়ান হয়। এই সিমাবদ্ধতার ভিতরে তারা ভালো কিছু দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং সফলও হচ্ছে। তবে আবার বলে রাখি আমি কিন্তু শুধুমাত্র যে ভার্সিটিগুলোতে পড়েছি তা থেকে তুলনা করেছি। অন্য ভার্সিটি সম্পর্কে আমি মন্তব্য করার মত যোগ্য নই।

আর সরকারী মানে যেমন শুধুমাত্র বুয়েট বা ঢাকা ভার্সিটি না তেমনি প্রাইভেট ভার্সিটি মানে এ আই ইউ বি বা নর্থ সাউথ না। সব দিকে ভালো খারাপ আছে তবে প্রাইভেট ভার্সিটির ভাল করার আগ্রহ বেশি কারন তাদের ব্যাবসাও করতে হয়। উপরে উল্লেখিত দুটি পাবলিক ভার্সিটির মান তাও কিছুটা ভাল বাকিদের নিয়ে আসলেই চিন্তা করার সময় এসেছে। শুধুমাত্র মিথ্যা আত্মতৃপ্তিতে ভুগে গেলে চলবে না আর।

আর একটা মন্তব্য পেলাম "দুই একটা বিষয় ছাড়া প্রাইভেটের পড়ার মান পাবলিকের চেয়ে অনেক খারাপ।"

এটি নিয়ে বলতে চাই। প্রাইভেট ভার্সিটিতে তো পড়ানই হয় ২/৩ টা বিষয়। আর এতেই তারা বেশীভাগ পাবলিক ভার্সিটি থেকে ভাল করছে। বাকিগুলা শুরু করলে তাতেও হয়ত করবে।

কিন্তু আমি তা আসলেই চাই না। যেখানে সব ছাত্রের ভর্তি হওয়ার অধিকার আছে তার অন্তত একটি গ্রহনযোগ্য মান থাকতে হবে। আমি পাবলিক, প্রাইভেট দুই টাইপের ভার্সিটিতে পরেছি কিন্তু পাবলিকে পরতেই বেশী ভাল লেগেছে কারন এখানে ক্রেডিট মাত্র ১০০ টাকা আর প্রাইভেট এ ৩৫০০ !! টাকা। কে চায় অযথা খরচ করতে।

১৯| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:১৪

সম্রাট আকবর বলেছেন: আমার বয়স ৩২
আমার চাকরীর বয়স ৭ বছর।
আমি মার্স্টারস গুলা চাকরী করেই করেছি।
আর আমারও আপনার মত ভুল ধারনা ছিল যে প্রাইভেট এ শুধু খারাপ ছাত্ররাই পড়ে। আসলে তা না। প্রাইভেট এ ~১৫% খুব ভাল ছাত্র- যারা ভাগ্যদোষে টাকা খরচ করে পরতে বাধ্য হয়েছে কিন্তু যেকোন পাবলিক ভার্সিটির টপ স্টুডেন্টদের সাথে তাদের তুলনা চলে , ~ ১০% সাধারন মানের আর বাকিরা খুব খারাপ মানের। জিপিএ ৪ ওই ১৫% স্টুডেন্ট এর ভিতরে ৫% পায় আর বেশীভাগ স্টুডেন্ট ই ৩, ২ পায়। আমি ভাল কিছু করা নিয়ে কথা বলছি তাই আমার বিবেচ্য গ্রুপ হল ওই ১৫% + ১০% = ২৫% ।
বাকিদের নিয়ে আমার চিন্তা নাই। পাবলিক এ এই ২৫% এর জায়গায় ৬০% এই মানের স্টুডেন্ট থাকা সত্তেও তারা পিছিয়ে কেন, এটাই আমার প্রশ্ন। কারন আমি আমার ছেলেকে প্রাইভেট এ পড়াতে চাই না। চাই ফ্রিতে পড়াতে আবার চাই সে ভাল পড়ালেখাও করুক।

২০| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৩

দুলাভাইের বলেছেন: শুরু হইল কি দিয়া আর যাচ্ছে কোনখান দিয়া।পাবলিক ভার্সিটির মান তো আসলেই কমে যাচ্ছে এটা অস্বীকার করে সময় নষ্ট না করে কিভাবে হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা যায় তা নিয়ে আলোচনা করলে ভাল হয়।আবারও পাবলিক, প্রাইভেট ক্যচাল না করি।আমি যদি বুঝতে পারি আমি খারাপ হয়ে যাচ্ছি তাহলেই হল।আমার নিজেকে ভাল করতে হবে।আরেকজন কত ভাল এইটার কোন দকার নাই।যে যা বলে বলতে থাক।দেশের সব ভাল মেধা গুলোরে নিয়া পাবলিকে ভর্তি করাবে সরকার তারপর সেইগুলারে যত্ন না নিয়া নষ্ট করার অধিকার কারও নাই।

২১| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৯

নগত টাকা বলেছেন: লেখক বলেছেন: আহারে বলদ ভাই, বরাহ শাবকের অর্থ জানি বইলাইতো গালিটা দিতে পারলাম।
সমালোচনা করতে হইলে পায়ের যোগ্য হতে হয় এই প্রথম শুনলাম। এই যেমন অনেক ব্লগার-কলামিস্ট এখন অর্থমন্ত্রির সমালোচনা করতাসে, তাদের কারো কী অর্থমন্ত্রীর মত হার্ভার্ড আর অক্সফোর্ডের ডিগ্রি আছে? তারমানে কী অর্থমন্ত্রীর আপত্তিকর কথায় সমালোচনা করতে হার্ভাড-অক্সফোর্ডের ডিগ্রী লাগবে? আফসানের ক্ষেত্রেও সেইম কথা। এই যে, আপনি আমার সমালোচনা করতেসেন, আপনি কী আমার নখের যোগ্য?
আর বলদের বাচ্চা, ইংলিশ ইডিওমেটিক এক্সপ্রেশানের কোন ভুল থাকলে সেইটা আমার না, আপনার আদরের আফসানের। কারণ এইখানে প্রত্যেকটা ইংরেজী শব্দ আফসানের লেখা থেকে কোট করা।১০০০০০০% right

২২| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:০৩

সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
পদার্থবিদ সত্যেন্দ্রনাথ বসু, জগদীশ চন্দ্র বসু, শ্রী নিবাস রামানুজন, কুদরত ই খুদা, ইন্জিনিয়ার এফ. আর. খান, এনাটমিস্ট ড: আব্দুল মান্নান, স্থপতি মাজহারুল ইসলাম, হুমায়ুন আহমেদ, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ওনারা যেন কোন প্রাইভেটে পড়তেন?

দূর্ভাগ্য, অশ্লীল রাজনীতির কালো বিষে সবভালোই নস্টদের অধিকারে চলে যাচ্ছে।

@লেখক,

যাক তবুও আপনিতো অন্তত একটা পোস্ট দিয়ে ব্যাপারটা গোচরে আনলেন। অনেক ধন্যবাদ।

২৩| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:৫৯

মাহাবুব হাসান রািবব বলেছেন: ভাল লাগছে

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.