নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কবি ও সম্পাদক-\nকুয়াশা

দ্বীপ ১৭৯২

দ্বীপ সরকার। জন্মঃ ১লা মার্চ ১৯৮১ ইং। গ্রাম-গয়নাকুড়ি। বগুড়া জেলার শাজাহানপুর থানা। পিতা-মৃত হাবিবুর রহমান। মাতা-আলহাজ্ব আছিয়া বিবি। মুসলিম পরিবারে জন্ম। গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন ১৯৯৯ ইং। সম্পাদিত লিটেল ম্যাগ, কুয়াশা। প্রকাশিত বই ৫টি। ভিন্নভাষার গোলাপজল ২০১৮। ডারউইনের মুরিদ হবো ২০১৯। ফিনিক্স পাখির ডানা ২০২০। জখমগুচ্ছ ২০২৩। বুবুন শহরের গল্প ২০২৪। ব্যক্তিগত আর্কাইভ =দ্বীপ সরকার সাহিত্য আর্কাইভ। লিংক https://dweep81.blogspot.com/

দ্বীপ ১৭৯২ › বিস্তারিত পোস্টঃ

নদীর আছে জল

০১ লা আগস্ট, ২০১৫ সকাল ১০:৪০

একদা হাঁটছিলাম নদীর তীরে..
তীর বোঝাই অজস্র রোদ,
নদীটা বালুচরে গা ভাসিয়ে
দৈনন্দিন চৌচির হচ্ছে।
কি যে খটখটে তাম্রলিপির বালুকাময়
অজৈবিকতার চিকচিকে দাবদাহ!
নৌকোর মাস্তল আটকে অাছে ভাগ্য নিয়ে- তীরে।
ছাগল ভেড়ার ছুটোছুটি দিনমান,
ঘাটের ভিখিরি আস্তিন ঝেড়ে
ছায়া খোঁজে অগত্যা।
|
মন ভালো নেই নদীর।
নাব্যতা হারিয়ে মেহনতি মেজাজে
ঘুমহীন নদী বেশ্যার মতন
একলা পড়ে থাকে।
কেউ নেই। মাঝি নেই, ইলিশ নেই,
বহমান স্রোত নেই।
|
তৈলাক্ত কষ্টেরা নিছক পিচ্ছিল অনুভবমাত্র!
উপলব্ধির পিঠে এখন ভিজে যাওয়া সুখজ শ্রাবণ।
|
হে ভেড়া ও ছাগলের দল!
তোমরা ঘাঁস চিবিয়ে জীবন বাঁচাও,
নদীর বুক মাড়িয়ে, চৌচির শরীরে
ছুটোাছুটি করে তাবৎ
সবুজ গিলে খাও অনায়াসে,
এখন তোমাদের দিন শেষ -
নদীরও আছে জল,
সুখ প্রবল
শ্রাবণ এসে ঢেউ নাচাবে,
গভীর অতল।
|
লেখাঃ ১০/০৭/১৫ইং

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.