নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হৃদয়ে বাংলাদেশ

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তন চায় জনগন

০২ রা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৪২



২৪ এর গনঅভ্যূত্থানে নেতৃত্ব দেয়া বিপ্লবীরা নতুন রাজনৈ্তিক দল গঠনের পর পরই আমাদের দেশের মিডিয়া ঝাপিয়ে পড়ে এনসিপির নেতাদের উপড়। তাদের রাজনৈ্তিক দলের অর্থের উৎস কি? নেতারা দামী মোবাইল কোথা থেকে পেল? গাড়ী নিয়ে শো ডাউন করে কিভাবে? এই ধরনের নানাবিধ প্রশ্ন বিভিন্ন টকশোতে এনসিপি্র নেতাদের উদ্দেশে ছোড়া শুরু হয়। এ-সব প্রশ্নই অত্যন্ত যৌক্তিক প্রশ্ন। এরই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন টার্গেট করা শুরু করেন বিএনপি নেতাদের। বিএনপি নেতাদের অর্থের উৎস কি? তাদের পেশা কি ? রাজনৈ্তিক দল চলে কিভাবে? এই জাতীয় প্রশ্নবানে ত্যক্ত বিরক্ত হয়ে পড়ে বিএনপি নেতা নেত্রীরা। খালেদ মহিউদ্দিন না থেমে গিয়ে এরপর আঘাত হানেন আসল জায়গায়। তিনি জানতে চান লন্ডনে তারেক রহমানের আয়ের উৎস কি ? মির্জা ফখরুলের জামাতা রেগে গিয়ে খালেদ মহিউদ্দিনকে বলেন যে, তারেক রহমানের আয়ের উৎস জানার কোন অধিকার কারো নাই!! এই এক কথাতেই ফেসে যান জামাতা ফাহাম। এখন আর সেই দিন নাই যে , রাজনীতিবিদের অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন করা যাবে না। এনসিপির নেতাদের যদি প্রশ্ন করা যায় তবে বিএনপি নেতাদের নয় কেন?

দালাল মেইনস্ট্রীম মিডিয়ার টার্গেট অবস্য কেবল এনসিপি। সাংবাদিক নামক মাফিয়া লুটেরাদের দালালেরা পরিবারতন্ত্রের মাফিয়া দূবৃত্তায়নের রাজনীতি বজায় রাখার জন্য এনসিপিকে রাজনীতির ময়দান থেকে ছুড়ে ফেলতে বদ্ধপরিকর। তবে সোস্যাল মিডিয়ায় জবাবদিহিতার ট্রেন্ড শুরু হওয়ায় কারনে মেইনস্ট্রীম মিডিয়ার দৌড়াত্ব এখন দিন দিন কমছে। তারেক রহমানের ছবিটা সম্প্রতি সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। জেনজি পোলাপান এই ছবি নিয়ে ব্যপক হাসি ঠাট্টা করে পোস্ট দিচ্ছে, মীম বানাচ্ছে। জেন-জি কাউকেই ছাড়ছে না। নব্য পলিটীশিয়ান নাহিদ সারজিস হোক বা বর্ষিয়ান পলিটিশিয়ান, কাউকেই ছাড় দেয়া হচ্ছে না। ২৪ এর গনঅভ্যূত্থানের পর আমাদের দেশের রাজনীতিতে এসবই অত্যন্ত ইতিবাচক ট্রেন্ড বলেই মনে করি । জামাতের আমীর স্টান্টবাজির উদ্দেশ্যেই হোক , সিঙ্গাপুর বা লন্ডনে না গিয়ে দেশে চিকিৎসা করে প্রসংসায় ভাসছেন। বিভিন্ন জনসভায় মানুষজন এখন প্রকাশ্যে বক্তব্য দেয়া শুরু করেছে যে, রাজনীতিবিদদের দেশে চিকিৎসা নেয়া বাধ্যতামুলক করতে হবে। জামাতের আমীর এর অপারেশন করা বিশিষ্ট চিকিৎসক , ডা. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, জামায়াত আমির ইউনাইটেড বা ডা. জাহাঙ্গীর কবিরের কাছে অপারেশন করিয়েছেন, সেটা মুখ্য নয়। উনি বাংলাদেশে অপারেশন করিয়েছেন সেটাই মুখ্য। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা যে রয়েছে, সেটির দৃষ্টান্ত স্থাপন হলো।

স্বৈরাচার পতনের পর আমরা আবারো কোন মাফিয়া স্বৈরাচারের উত্থান দেখতে চাই না। ক্ষমতায় যেই আসুক , তাদের জনগনের পালস বুঝতে হবে। তারেক রহমান এর পাবলিক বাসে চড়ার ছবি যদি লোক দেখানো কালচারের অংশ হয় তবে তা দিয়ে আগের মত মানুষকে আর ধোকা খাওয়ানো সম্ভব হবে না। ২৪ এর রক্তক্ষয়ী গনঅভ্যূত্থান পরবর্তী রাজনীতিতে জনগন গুনগত পরিবর্তন দেখতে চায় যা আওয়ামিলীগের ভয়াবহ রেজিমের সাথে সুস্পষ্ট পার্থক্য রচনা করতে সক্ষম হবে।

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:২১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পেইড ফটোগ্রাফার দিয়ে ছবি তুলে রাজনৈতিক স্টান্টবাজীর দিন শেষ। সে যেখানে নেমেছে, সেইখানেও ফটোগ্রাফার এসে হাজির!!! বোঝাই যাচ্ছে যে ফটোগ্রাফার তার সাথেই ট্রাভেল করেছে। দুই নাম্বারীও ঠিকমতো করতে পারে না। =p~

তারেক চোরার বিলাসবহুল রেন্জ রোভার কই? আমাগো লগে এইসব ফাইজলামী কইরা কোন লাভ নাই। চোরের চোরত্ব এসবে বিন্দুমাত্র কমবে না। আর লন্ডনের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট মন্ত্রী-মিনিস্টার সবাই ব্যবহার করে। এইটা কোন বিশাল মহৎ কর্ম না। লন্ডনে আবালটারে কে চিনে? কয়েকটা পেইড দালাল ছাড়া!!! ছাগল কুনহানকার!!!! :-B

০২ রা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৪৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপ্নে থাকেন কই? ব্লগেতো একা ফাইট দিতে গিয়া আমি শে্ষ। করুনাধারা আপু, সোহানী আপুরাও একসময় এই দেশের কুৎসিত রাজনীতি নিয়া লিখতো। উনারাও হারায়ে গেলেন। একটা ধামাকা পোস্ট নিয়া দ্রুত হাজির হন।

আরে তসবিহ টিপা তাহাজ্জুতি ইমামের কথা কি আমরা ভুইলা গেলাম? পোলাপান অলরেডি তারেক রহমানের এই ছবি নিয়া হাস্য রসাত্মক মীম বানাইয়া ফেসবুকে ছাড়তেসে। ্তারেক রহমান যদি এখনও জনগনের পালস না বুঝে তাইলে এইবার তাগো খবরই আছে।

২| ০২ রা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:২৩

লোকমানুষ বলেছেন: ফেসবুকের নিউজফিড জুড়েই কেবল এখন এই ছবিগুলো ভাসছে। পক্ষে-বিপক্ষে কিংবা মিম হিসেবে ছবিগুলো ঘুরে-ফিরে তাদের কৃতীত্ব জহির করছে।

কিন্তু প্রথম দর্শনেই খুব সহজেই বোঝা যায় যে ছবি গুলো প্রি-প্লান‍্‍ড শুট করা হয়েছে। উদ্দেশ্য, খুব সহজেই অনুমেয়।
দলটি পুরাতন, হয়তো সাবজেক্ট হিসেবে যাকে ক্যাপচার করা হয়েছে; রাজনীতিতে তার সময়কালও অনেক দীর্ঘ। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় তাদের পদ্ধতিগত রাজনীতি যে আস্তাকুড়ে পতিত হয়েছে, সম্ভবত তারা সেটি বুঝে উঠতে পারছে না।

কিংবা, হয়তো জনমনের প্রকৃত খবরটি কেউ তাদের নিকট পৌছতে দিচ্ছে না। হয়তো বিগত ক্ষমতাসীনদের মত তাদেরও কেউ ভুল বুঝিয়ে এসব করিয়ে নিচ্ছে :P

০২ রা আগস্ট, ২০২৫ রাত ৮:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: সত্যি বলতে কি , এই প্রি-প্ল্যন্ড ফটোশূট তাহাজ্জুতি ইমাম এর কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। তারেক রহমান যদি এখনও জনগনর পালস না বুঝতে সক্ষম হন , তাহলে তার এবার আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবার সম্ভাবনাই বেশি।

সামনের ডাকসু ইলেকশন একটা এসিড টেস্ট । ছাত্রদলের অবস্থা শোচনীয় ঢাবিতে। এরপরে আসছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। বিএনপি তাদের পুরাতন লুটেরা চরিত্র পরিবর্তন না করলে কেবল মার্কা দিয়ে নির্বাচনী বৈতরনী পার হতে পারবে না।

৩| ০২ রা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৩২

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: যেকোনো ব্যাপারেই সবার জবাবদিহিতা থাকা দরকার, বিশেষ করে তারা যদি আমাদের সেবা করার জন্য উদগ্রীব থাকেন। জবাবদিহিতা না থাকায় অনেকেই যা খুশি করে পার পেয়ে যান।

০২ রা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: একমত আপনার সাথে। দেখা যাক জুলাই সনদে সংবিধান ও রাজনীতিতে যেসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে , তাতে আশা করা যায় যে, একটা কাংখিত পরিবর্তনের দেখা আমরা পাব।

৪| ০২ রা আগস্ট, ২০২৫ রাত ৮:০৪

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: একটা প্রবাদ নাকি আছে "নেভার ট্রাষ্ট এ্যাঁ পলেটিশিয়ান"
সেম সেম বাট ডিফারেন্ট স্টোরি-

০২ রা আগস্ট, ২০২৫ রাত ৮:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই সব ছবি দিয়া হাওয়াভবনের ডনের প্রি প্ল্যন্ড ফটোশূট গ্রহনযোগ্য করন যাইবে না। সারজিসের গাড়ি নিয়া শো ডাউন নিয়ে কথা হইতে পারে কিন্তুক এই সব ছবি নিয়া কোন প্রশ্নই হালে পানি পাবে না। সারজিস তার এলাকা পঞ্চগড়ে ব্যপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সে নিম্নবিত্ত ঘরের গ্রামের ছেলে।যত সহজে তারা গাও গেরামের মানুষের সাথে মিশে যেতে পারছে , তাতেই চিন্তার রেখা পড়ছে কথায় কথায় সিঙ্গাপুর , লন্ডনে দৌড়ানো বুইড়া হাবড়া পলিটিশিয়ানদের কপালে। মানুষ এবার নিম্ববিত্ত চাষা ভুষার শিক্ষিত ছেলেদের ক্ষমতায় পাঠাতে চায় বলেই মনে হচ্ছে।

৫| ০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ সকাল ৭:২৯

হাইজেনবার্গ ০৬ বলেছেন: এনসিপিরে নিয়া আমি অনেক আশাবাদী ছিলাম কিন্তু যখন অথেকটিক সোর্স থেকে সার্জিসের নামে ট্রানস্ফার বানিজ্যের কাহিনী শুনলাম, তাবছে মেরা ডিল টুট গায়া। এখনতো আরো অধ:পতন হইছে। ধানের শীষ বাদ দিয়া নিজেরে পূর্ব লন্ডনের স্বঘোষিত 'সমন্বয়ক' ঘোষনা করছিলাম। B-) এখন মনে হইতাছে এইসব ছাপড়িদের চেয়ে বি এন পিই ভালো। তারেক ভাইকে শুধু তার আশে পাশের আচোদা,মূর্খ ল্যাসপেন্সারদের উষ্ঠা দিয়া সরাইতে হবে।

০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাংলাদেশকে তিনবার দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যম্পিয়ন বানানো হাওয়া ভবনের মাফিয়া ডনকে এক ধাক্কায় বেছে নিলেন সারজিসদের ট্রান্সফার বানিজ্য ( সুত্র ঃ নিজেদের অথেন্টীক সোর্স :) :) ) দেখে!!! নিজেদের স্বার্থে আপনাদের মত এলিট ক্লাস খুনী আওয়ামিলীগকে বেছে নিতেও পিছপা হবেন না সারজিসদের কথিত তদ্বিরবানিজ্যর মুলা দেখিয়ে।

৬| ০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ সকাল ৯:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: জামাতের চেয়ে বিএনপি ভালো।

০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনি আবোল তাবোল যাই লিখেন কেন ব্লগে, আপনাকে বহু বছর ধরে ব্লগে দেখছি। ভোট আপনি এনসিপিকেই দিবেন , এতে কোন সন্দেহ নাই।

৭| ০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ সকাল ৯:৫৩

মেঘনা বলেছেন: মানুষ কি চায় সেইটা ভোট হইলে বুঝা যায়।

আপনি যে হাফ - শরীয়া চান সেটা বোঝা যায়।

৮| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১১:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

৯| ১১ ই আগস্ট, ২০২৫ সকাল ৮:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



বাংলাদেশের রাজনীতিতে লোক দেখানো সংস্কৃতি এখন বেশ প্রশ্নবিদ্য হতে দেখা যাচ্ছে। তাই এ্ ডিজিটাল যুগে
লোক দেখানো রাজনৈতিক সংস্কৃতি কিংবা বড় বড় সমাবেশ, মিটিং , মিছিল সর্বশ্য হেড কাউন্ট পদ্ধতি বাদ দিয়ে
সকলে রাজনীতি সচেতন ও জনগনের মঙ্গল প্রচেষ্টায় সচেষ্ট হলে ধীরে ধীরে কাংখিত গুণগত পরিবর্তন আনা
সম্ভব হতে পারে ।

গুণগত পরিবর্তনের জন্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন আনতে হবে প্রথমেই । এ লক্ষ্যে দলীয় আনুগত্যের চেয়ে
নীতিগত আনুগত্য কৃস্টি গড়ে তুলতে হবে । দুর্নীতির প্রতি সামাজিক অসহিষ্ণুতা ও প্রতিরোধ ক্ষমতার শক্তি গড়ে
তুলতে হবে । সহনশীলতা ও যুক্তি তর্কের সংস্কৃতির বিকাশ সাধন করতে হবে । পাশাপাশি আনতে হবে
প্রতিষ্ঠানগত সংস্কার। এ লক্ষ্যে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন ও স্বাধীন বিচার বিভাগ কায়েম করতে হবে ।

শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে সৃদৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে হবে, সেখান হতে যেতে হবে জাতীয় সরকার
গঠন প্রক্রিয়ায় । সরকার কাঠামো হতে হবে পিরামিড আকারের । পিরামিডের ভিত্তিমুলে থাকবে আপামর জনসধারন।
তার উপর স্থানীয় সরকার ও শীর্ষে থাকবে কেন্দ্রীয় সরকার ।

এর অন্যথা হয়ে আগে কেন্দ্রীয় সরকার আর তারপরে স্থানীয় সরকার গঠন হলে সরকার কাঠামোটি হবে উল্টানো
পিরামিড এর মত যেখানে কেন্দ্রীয় সরকার থাকবে নীচে, তার উপর স্থানীয় সরকার আর সাধারণ জনতা থাকাবে
উপরে ।এরকম অবস্থায় সকলের আগে কেন্দ্রীয় সরকার কাঠামো বিনির্মিত হলে অবস্থাটি হবে ভুমির উপরে উল্টানো
ত্রিভুজের মত ।

আর এরকম অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকার দাঁড়াবে দুর্বল ভিতের উপর যার আয়ু হতে পারে ক্ষনস্থায়ী বৈশিষ্ট মন্ডিত ।

তথ্য অধিকার ও মিডিয়ার স্বাধীনতাকে পুর্ণমাত্রায় নিয়ে যেতে হবে । তৃতীয়ত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোতে
গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে । এর প্রথম ধাপ হতে হবে শিক্ষা খাতে সংস্কার, সে সাথে দ্রুত গতিতে দারিদ্র্য হ্রাস
ও বৈষম্য কমানোর পদক্ষেপ নিতে হবে । আর এ লক্ষ্যে অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে যাতে করে দ্রুততম
সময়ে কর্মসংস্থান বাড়ানো যায়।এর জন্য উদ্যোক্তা উন্নয়ন, এবং দুর্নীতিমুক্ত বিনিয়োগ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে ।

নাগরিক আন্দোলন ও প্রযুক্তি উন্নয়ন সহায়ক কর্মসুচী গ্রহণ ও কাস্তবায়ন করতে হবে সর্বাত্তক ঐক্যমতের ভিত্তিতে ।
নাগরিক সমাজ সংগঠনে এনজিও, সামাজিক আন্দোলন, ও কমিউনিটি গ্রুপের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন ও সংগঠিত
করতে হবে । ডিজিটালী স্বচ্ছতামুলক প্ল্যাটফর্ম তৈরী করতে হবে। যুব ও নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণের প্রতি গুরুত্ব
দিতে হবে । মোদ্দা কথা হল রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন তখনই আসতে পারে যখন রাস্ট্রের সকল জনগণ সচেতন
হবে , প্রতিষ্ঠানগুলো নিরপেক্ষ ভুমিকা পালন করবে , অর্থনৈতিক ভিত্তি দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হবে , এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক
স্বচ্ছতা কার্যকর হবে।একথা অনস্বিকার্য যে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন একদিনে সম্ভব নয় । এটা এক প্রজন্মের
ধারাবাহিক ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাস্তবায়ন হতে পারে, জনগনকে ধর্যের সাথে ক্রান্তিকাল পার করতে হবে ।

১০| ১১ ই আগস্ট, ২০২৫ রাত ১১:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: ইউনুস সরকারের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল একটি অথর্ব উপদেষ্টা পরিষদ গঠন এবনং ব্যাপক গণসমালোচনার মুখেও তা সংশোধন না করা। এত বড় উপদেষ্টা পরিষদের মাত্র ৩/৪ জনের পারফরম্যান্স আমার কাছে সন্তোষজনক মনে হয়। বাকিরা বোধকরি কেবলই সরকারি সকল সুবিধাদি গ্রহণ করে 'টাইমপাস' করে যাচ্ছেন।
ইউনুস সরকার অবশ্য সাফল্যের সাথে জনগণ, রাজনীতিবিদ, সামরিক ও বেসামরিক আমলাদেরকে কনফিউজড রাখতে পেরেছেন। দেশে কী হচ্ছে বা দেশ কোনদিকে যাচ্ছে, সে সম্পর্কে সবাই কেবল অনুমান করতে পারে, কিন্তু বিশ্বাসযোগ্যভাবে কোনকিছু জানে না। এ সরকার সম্পর্কে নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবিরের পর্যবেক্ষণ যথার্থঃ এ সরকারটি বোবা এবং বধির। এরা কথাও বলতে পারে না, কানেও শোনে না। তাই এরা জনগণকে কোন কিছু জানাতে পারেনা, আবার জনগণের কথা শুনতেও পায় না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.