নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অঘ্রান প্রান্তর

নিতান্তই শিক্ষানবীশ।প্রতিনিয়ত শিখে চলেছি।মানুষকে ভালবাসতে শিখেছি,কোন ধর্ম কিংবা কোন বর্ণকে নয়।

অঘ্রান প্রান্তর › বিস্তারিত পোস্টঃ

পৃথিবীতে প্রাণের বিলুপ্তির নতুন তারিখ নির্ধারন ?

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৯

সাম্প্রতিক এক গবেষনায় বিজ্ঞানীদের মতে, আমাদের গ্রহের সমস্ত প্রানী এবং উদ্ভিদ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে ; যাদের যায়গা দখল করবে কিছু অতি ক্ষুদ্র এককোষী মাইক্রোব্যাক্টেরিয়া যারা পৃথিবীর শেষ প্রানের স্পন্দন ।

বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড বৃদ্ধির সাথে সাথেই বলা যায় আমরা ‘ডে অব জাজমেন্ট’ এর কাছাকাছি চলে যাচ্ছি আমরা।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বেড়েই চলেছে ক্রমাগত।বায়ুমন্ডলের ওজোন স্তরের ফাঁটল ঠেকাতে তাই বিজ্ঞানীরা মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

কিন্তু এসব চেষ্টা কি সফলতা পাবে যেখানে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে সূর্য রশ্মির তীব্রতা ও উষ্ণতা যখন বৃদ্ধি পাবে? সূর্য রশ্মির উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে একেকটা বিরাট অংশজুড়ে খরার কবলে পড়বে। অন্যদিকে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড সহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক গ্যাসের আধিক্যের কারনে বৃষ্টির পানিও দুষিত হয়ে পড়বে ।

বিজ্ঞানীদের মতে, এক বিলিয়ন বছরের ও কম সময়ের মধ্যে সালোক-সংশ্লেষন প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপাদন করে এমন উদ্ভিদের সংখ্যা হবে হাতেগোনা।যখন এমনটা হবে, তখন পৃথিবীতে জীবন ধারন করা মানুষ বা কোন প্রানীর পক্ষে সম্ভব হবে না।

উদ্ভিদকূল ধ্বংশ হবার সাথে সাথে যে সব প্রানী উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল তাদের ও বিলুপ্তি ঘটবে।সর্বশেষ কিছু ক্ষুদ্র এককোষী ব্যাক্টেরিয়া হয়ত টিকে থাকবে,যাদের সংখ্যাও হবে নগন্য।

আরো এক বিলিয়ন বছর পরে পৃথিবীর সব সমুদ্র শুকিয়ে যাবে।স্কটল্যান্ডের সেন্ট এন্ড্রুস বিশ্ববিদ্যালয়ের আস্ট্রোবায়োলজির অধ্যাপক জ্যাক ও’মলি জেমসের মতে, ‘ অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবী জীবন ধারনের জন্য খুব বিপজ্জনক হবে।সমস্ত প্রানীর জীবন ধারনের জন্য পানির প্রয়োজন।এমত অবস্থায় কিছু প্রাণ হয়ত জীবিত থাকবে তুলনামুলক ঠান্ডা পরিবেশে যেখানে পানির উৎস আছে,কিংবা ভূ-গর্ভস্ত গুহায়’। কিন্তু তাদেরকে বেঁচে থাকতে লড়াই করতে হবে প্রচন্ড গরম আর সূর্যের অতিবেগুনী তেজষ্ক্রিয় রশ্মির সাথে।যেটা তাদের টিকে থাকার সংগ্রামকে খুব বেশি দীর্ঘায়িত করতে পারবে বলে মনে করেন না তিনি।

উপোরক্ত ধারনাগুলি নেওয়া হয়েছে একটি কম্পিউটারভিত্তিক গবেষনা থেকে।

বিলিয়ন বছর পরে সূর্যের অবস্থান হয়ত পরিবর্তন হবে না,কিন্তু সূর্য রশ্মির প্রখরতা অনেক বেড়ে যাবে।ক্রমাগত তেজষ্ক্রিয়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে বৈশ্বিক উষ্ণতার চরম পর্যায়ে সাগর মহাসাগর শুকাতে শুরু করবে।

বিজ্ঞানীদের ধারনা অনুযায়ী তাই পৃথিবীর আয়ু আর দুই বিলিয়ন বছরের মত অবশিষ্ট আছে;আপোক্যালিপ্স ফ্যানরা তাই তাদের ডায়েরিতে তারিখ টা লিখতে পারেন - - 2000002013AD ।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩২

ইরফান আহমেদ বর্ষণ বলেছেন: ভালোই........

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৭

অঘ্রান প্রান্তর বলেছেন: ধন্যবাদ :)

২| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ রাত ৯:৩৩

রাতুল রেজা বলেছেন: এখনো ১ বিলিয়ন বছর? :|| এর মানে অতদিন কবরের মধ্যে থাকা লাগবে।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:৩৪

অঘ্রান প্রান্তর বলেছেন: সত্যি বলতে কি, ততোদিনে মানুষ আইনস্টাইনকেও সম্ভবত ভুলে যাবে !!

৩| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৩ রাত ৯:৪৫

অচিন তারা বলেছেন: রাতুল রেজা বলেছেন: এখনো ১ বিলিয়ন বছর? এর
মানে অতদিন কবরের মধ্যে থাকা লাগবে।
.
.
ভালো বলেছেন :) :) :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.