নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

িড.আই.রহমান

িড.আই.রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডান্ডাবেড়ী

১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১০:৪৩

আমার তখন থার্ড ইয়ার মেডিসিন ওয়ার্ড শুরু হয়েছে। নতুন নতুন মেডিসিন ওয়ার্ড। নতুন নতুন রোগী দেখার উত্তেজনা। মনে মনে ডাক্তার ডাক্তার ভাব। মেডিসিন ওয়ার্ডের দিন গুলো ভালোই যাচ্ছিল। ঘটনার শুরু ৩ মাসের ওয়ার্ডের মাঝামাঝি সময়ে। হঠাত করে একদিন সকালে দেখি বেড ১৫ তে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাকে পাহাড়া দিচ্ছেন দুজন কারারক্ষী। আর এই অসুস্থার মাঝেও তার পায়ে ডান্ডাবেড়ী। বেপারটা আমার মোটেও ভালো লাগল না। হাসপাতালে রোগীর হাতে পায়ে ডান্ডাবেড়ী লাগানো থাকবে, এ কেমন কথা ! আমার কিছু অতিউতসাহী সহপাঠী ইতোমধ্যে জেনে নিয়েছে উনি একজন খুনের আসামী। এবং আরও অতিউতসাহী একদল সকালের ওয়ার্ডের রুটিন history হিসাবে উনার হিসট্রি নিয়ে ফেলল।

যাই হোক পরদিন যথারিতী সকাল বেলা ৯ টার ওয়ার্ডে ৯.৪৫ মিনিটে স্যান্ডাল পায়ে উপস্হিত হয়ে দেখতে পেলাম প্রফেসর ওয়ার্ড রাউন্ড শুরু করেছেন। এবং যেকোন সময় আমি তার সামনে পড়ে যেতে পারি। আর যাই হোক স্যান্ডাল পায়ে ৯.৪৫ এ ওয়ার্ডে আসার অপরাধে স্যারের ঝাড়ি খেয়ে দিনটা মাটি করার কোন ইচ্ছাই ছিল না। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই অনিচ্ছা সত্ত্বেও ১৫ নম্বর বেডের দিকে এগিয়ে গেলাম।মনে মনে ভাবলাম কি আর করা, ঝাড়ির চাইতে খুনীর হিসট্রি নেয়াই ভাল। রোগীকে ভালো করে একবার চেয়ে দেখলাম। ৬ ফুটের বিশাল কালো শরীর। আর মাখা ভর্তি সাদা ঝাকড়া চুল, সাদা গোফ আর গাল ভর্তি অনেকটাই জঙ্গুলে সাদা দাড়ি। তার চোখের দিকে চোখ পড়তেই আমার ভিকরটা যেন কেমন করে উঠল। এত স্থির, শান্ত, মৌণ চোখ কি কোন খুনীর হতে পারে। তার দৃষ্টি যেন অন্তর্ভেদী, শীতল। অজানা ভয়ে আমার গা শিউরে উঠল। তবুও স্যারের বকুনির কথা মনে পড়তেই ভয়টাকে পাশ কাটিয়ে হিসট্রি নেয়া শুরু করলাম। হিসট্রি নেবার সময় এমন কিছু জিঞ্জাসা করা যাবে না যা রোগীর একান্তই ব্যক্তিগত, ব্যপারটা জানা ছিল। কিন্তু কেন জানি সেদিন আমার প্রথম প্রশ্নটাই ছিল “আপনি কি কারণে জেলে?” নিজের প্রশ্নে নিজেই বিরক্ত। বিরক্তি অপমানে পরিণত হলো যখন তিনি শীতল গলায় বললেন “আমি তোমার সাথে কথা বলবো না।” যাহ শালার দিনটাই মাটি। টের পাচ্ছিলাম কান লাল হয়ে যাচ্ছে অপমানে। নাহ ওয়ার্ডেই থাকা হলেো না সেদিন। এরপর যতবার ওয়ার্ডে গেছি বেড-১৫ এর ধারে কাছে ঘেষিনি। তিনি যখনই হেঁটে যেতেন ডান্ডাবেড়ীর একটা ‘ঝমঝম’ শব্দ হতো। শব্দটা শুনলেই যেন কেমন লাগতো। ওয়ার্ড থেকে বের হবার সময় যখনই তার চোখাচোখী হয়েছি শিউরে উঠেছি। এতটা নির্লিপ্ত, এতটা প্রাণহীন দৃ্ষ্টি মানুষের হয় কিভাবে! সেই দৃষ্টিতে কোন উচ্ছ্বাস নেই, কোন ক্ষোভ নেই, নেই কোন হিংস্রতা, আছে শুধু একরাশ শূন্যতা। যেন এই পৃথিবীতে থেকেও, অপার্থিব।



দেখতে দেখতে ঈদের ছুটি চলে এলো। কলেজ ছুটি হবার দু-একদিন আগেই সবাই বাড়ি চলে গেলো। সিলেটী হওয়ায় আমি থেকে গেলাম। আতেলদের একদিনের Percentage miss করানোর লোভ সামলাতে পারলাম না। সেদিন একলাই রাতের ওয়ার্ডে হাজির। ফঁাকা ওয়ার্ড। হঠাত করেই বেড-১৫ র সামনে এসে থমকে দঁাড়াতে হলো। বেডটা ফঁাকা। পাশের বেডের রোগী বললেন, “তাইন আইজ বিয়ানে মারা গেছইন। বুকের ভিতরটা ধক করে উঠল। ওয়ার্ডের এই অল্প কিছু দিনেই, মৃত্যু বেপারটা এখন অনেকটাই গা সওয়া।তবুও কেন এমন লাগল জানিনা হয়তোবা অপমানিত হওয়া, ডান্ডাবেড়ীর ঝমঝম শব্দ, কিংবা ওই শীতল চাহনী মনের অজান্তেই দাগ কেটে গেছে। মন খারাপ করে বাসায় আসতে হলো।



রুটিন জীবনের ভীড়ে ঘটনাটা ভুলেই গিয়েছিলাম। আমাদের ২....... পরীক্ষা শুরু হবে। রাত ৩ টা। জানালার পাশে পড়ার টেবিলে পড়ছিলাম। পূর্ণিমার রাত। হঠাত মনে হলো ঝমঝম শব্দ করে একটা ছায়া যেন এপাশ হতে ও পাশে সরে গেল। পাত্তা দিলাম না। মোবাইলে ফেসবুক খুলে স্ট্যাটাস আপডেট পড়তে লাগলাম। আবার ঝমঝম শব্দ। ঠিক যেন সেই ডান্ডাবেড়ীর আওয়াজ এবং তা যথেষ্ট স্পষ্ট। বুঝতে পারলাম রাতের ক্লান্ত ব্রেইন হ্যালুসিনেসন এর জন্ম দিচ্ছে। ঘুমিয়ে পড়লাম। পরের রাতেও একই ঘটনা, তারপরের রাত এবং তার পরের রাতেও। নব্য শেখা Pharmacology জ্ঞান প্রয়োগ করে ফার্মেসি থেকে ঘুমের বড়ি জলিয়াম ০.২৫ নিয়ে এলাম। কোন কাজ হলো না। ব্রেইন তো ঠান্ডা হলোই না, ঘুম ও এলোনা। ভয়ে এখন আমি রাতে ঘুমাতে পারি না। জলিয়াম ০.২৫ থেকে ০.৫০ হলো তবুও না। রাতভর আমি সজাগ। তন্দ্রা আসে, সাথে আসে দুঃস্বপ্ন। একদিন দেখলাম আমি আগুনে পুড়ে যাচ্ছি, বাড়ির চাল ভেঙ্গে আমার উপর পড়ছে। আর করুন দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে একজোড়া চোখ। কোনদিন স্বপ্ন দেখছি, চারিদিকে আগুন কিন্তু আমি পালাতে পারছিনা, কারণ আমার পায়ে ডান্ডাবেড়ী। অবস্থা ভয়াবহ রূপ ধারণ করলো। রাতে একফোঁটা ঘুম নাই, সকালে কলেজ মিস। সারাদিন ঘুমাই রাতের ঘুমের বড়ির এফেক্ট এ। Situation পুরা out of control । বাসায় বলতেই হলো। যথারিতী হুলস্থুল বেজে গেল। কেউ বললেন মানসিক রোগ, কেউবা খারাপ জ্বীণ। কেউ কেউ বললেন বাতাস লাগছে। কেউ Psychiatrist এর কাছে নিয়ে যান, তো কেউ আবার মাজার ধোয়া পানি এনে দেন। এক বিতিকিচ্ছিরি কান্ড। আমার বাহু আর গলা যেন তাবিজের দোকান যদিও জিনিস গুলোতে কোন বিশ্বাস আমার কোন কালেই ছিল না, কিন্তু ভালোবাসার মানুষগুলোর ভালোবাসাতো উপেক্ষা করা যায় না। কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। বরং ক্রমেই অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছিল। আগে দিনের বেলা ঘুমাতে পারতাম, এখন দিনের বেলাও দুঃস্বপ্ন দেখা শুরু হলো। ঘুমের পরিমাণ কমতে কমতে প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এল। মাঝে মাঝে মনে হতো মরে যাই। ঝুলে পড়ি সিলিং ফ্যানে কিংবা কেটে ফেলি ক্যারোটিড আর্টারি। চিতকার করে কঁাদতাম, কখনও চিতকার করে তন্দ্রা থেকে যেগে উঠতাম, “কি চাও আমার কাছে? ওই চোখ দিয়ে আমার দিকে আর তাকাবে না। চলে যাও।”



কতদিন ওয়ার্ডে যাই না। ওয়ার্ডের হিসট্রি খাতাটা দেখছিলাম। হঠাত করে চোখ আটকে গেলো একটা পাতায়।

Date: 23.10.2010

Particulars of the patient:

Name: Gani Miah

হঠাত করে মনে হলো পেজটার বাকিটুকু খালি কেন। কারণ এটাই বেড-১৫ র রোগীর হিসট্রি, যা আমার কোনদিনই নেয়া হয়ে উঠেনি।

হঠাত করেই কি যেন মনে হলো। উত্তেজনায় আরেকটা ঘুমহীন রাত। মেডিকেল ছাত্রের পক্ষে বেড-১৫ এর রোগীর রেকর্ড থেকে জেলের ঠিকানাটা বের করা মোটেও কঠিন ছিল না। দুপুরেই সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে উপস্থিত। প্রথমে অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও জেলকর্মকর্তা কথা বলতে না চাইলেও বাংলাদেশী উপায় অবলম্বন করতেই হাস্যমুখে বললেন, “কি জানতে চান আপনি?”



ফাইলের উপরে লিখা, গনি মিয়া কয়েদী নং# ১০০৭।

পরদিন সকাল, গন্তব্য মৌলভীবাজার জেলার কুলাইড়া থানা। থানার অভিজ্ঞতা এই প্রথম। এককোনে দেখলাম বিশাল বপুর হাবিলদার সাহেব ঝিমুচ্ছেন। তার কাছে ব্যাপারটা খুলে বলতেই বললেন, “অত বছর আগের কথা...., তবে...।” তার ‘তবের’ মানে আমি বুঝে নিলাম। “আকলমন্দ ক্যা লিয়ে ইশারাই কাভি হ্যায়।” ‘বঁা হাতের কাজ’টা সেরেই বললেন, “একটু বসুন।” এবা অপেক্ষার পালা। প্রায় ঘন্টা-তিনেক পর তিনি ফিরে এসে গদগদ মুখে বললেন, “বুঝলেন ভাই, অফিসের দরজার সামনেই এত সুন্দর মাছ নিয়ে এলো, আপনার ভাবীর কাছে দিয়ে এলাম বলেছি দুপুরে এক সাথে খাব।” মিনমিনে গলায় বললাম, “আমার কাজটা?” “ও তাইতো ভুলেই গিয়েছিলাম, এই নিন।” বলে একটা ধুলোর স্তুপ জমে থাকা ফাইল এগিয়ে দিলেন।

দ্রুত ফাইলটাতে চোখ বোলাতে লাগলাম। তদন্ত কর্মকর্তা লিখে গেছেন, বড়লেখার এক প্রত্যন্ত গ্রামে তিনটা খুন হয়েছে খবর পেয়ে তিনি তদন্তে যান। তিনি জানতে পারেন গণি মিয়া নামক এক ব্যক্তি তার স্ত্রী, পুত্রসহ তিনজনকে হত্যারপর সারা বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে গ্রামবাসী তাকে আটক করে পুলিশে খবর পাঠায়। কর্মকর্তাকে দেখেই মাতব্বর শ্রেণীর একজন এগিয়ে এলেন। লোকটার মুখভর্তি পান। ঠেঁাটের কোন দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে পানের পিক। পানের পিকে সাদা পাঞ্জাবীর বুক পকেটটা লাল। মোসাহেব গোছের একটা লোক অতিউতসাহী মানুষগুলোকে সরিয়ে দিল তার সামনে থেকে, “ অই কম্বল হরা ....পুত, দেখরেনানী চ্যায়ারম্যান সাব আইছইন।” চ্যায়ারম্যান সাহেবকে বেশ বিরক্তই মনে হলো। তিনি বললেন, “স্যার, বইন অন। অই চুতমারানীরপুয়াইন, স্যাররে বাতাস করছ না কেনে!” “স্যার আফনে আইছইন, আমি নিজে গেলামনে। একটা মামলাতো করা লাগে। আমার লাগা ঘরর বেটা, কতো কইছি তোর বউরে দেখিয়া রাখিছ। গরীবের সুন্দর বউ হক্কল দাদার বউ। কে হুনে কার কতা। বেটীর স্বভাব চরিত ও ভালা আছিল না। যা হওয়ার তাই হইলো। গত রাইত বাড়ীত আইয়া যেমনে গণি এ দেখছে আরকে বেটা বওয়া, মাথা কিতা ঠিক থাকে নি। মারি লাইলো, বউরে মারলো, পাষাণটা নিজের পুয়ারেও রাখলো না। তারবাদে আগুন দিলাইলো আস্তা ঘরো। স্যার অত আগুন, একটা লাসও আস্তা পাইছি না। সব পুরিয়া ছাই।” তদন্ত কর্মকর্তা গণি মিয়ার কোন Statement নিতে ব্যর্থ হন, এবং আলামত সংগ্রহ করেন যার অধিকাংশই আগুনে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে গণি মিয়াকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। গণি মিয়া কোন উকিল নিয়োগে অপারগতা প্রকাশ করেন। হয়তোবা এর সামর্থ বা ইচ্ছা কোনটাই তার ছিল না। এক মহলের অতিউতসাহে হত্যা মামলায় গণি মিয়ার ফঁাসি হয়ে যায়। পরবর্তীতে অপর তদন্ত কর্মকর্তা পূণরায় তদন্ত চালু করলে জানতে পারেন চ্যায়ারম্যান সাহেবের বহুদিন ধরেই গণি মিয়ার ভিটে মাটি আর সুন্দরী স্ত্রীর প্রতি একটা লোভ ছিল। কেউ কেউ সন্দেহ প্রকাশ করে সম্পুর্ণ ঘটনাই চ্যায়ারম্যানের সাজানো ও পূর্বপরিকল্পিত। কিন্তু গ্রামের কেউই সাক্ষী দিতে প্রস্তুত ছিল না। কারণ কারও বোধহয় নতুন গণি মিয়া হওয়ার ইচ্ছা ছিল না। গণি মিয়াকে নতুন করে আপিল করার অনুরোধ করা হয়েছিল। গণি ময়িা বলেছিলেন, “ পুয়াটা বড়ই সুন্দর আছিল, ঠিক তার মা’র লাখান। কান্দিয়া কান্দিয়া কইছিল আব্বা আমারে বঁাচাও, আমি পারছি না কুনতা করতাম।” ফঁাসী কার্যকর হয়নি ২৫ বছর। গণি মিয়া হয়তো পৃথিবীতেই পেয়ে গেছেন নরক যন্ত্রনা।



বাসস্ট্যান্ডে নেমেই একটা রিক্সা নিলাম। মধ্যবয়সী রিক্সাচালক। তাকে চ্যায়ারম্যান সাহেব এর বাড়ি নিয়ে যেতে বলতেই, তিনি প্রায় পেছনে ফিরে বললেন, “হালা, মাতাল পুঙ্গার পুত তো গত পূর্ণিমার রাতে আগুনে পুড়িয়া মারা গেছে।” আমি চিতকার করে উঠলাম, “সামনে তাকান... !!” রিক্সা খাদের ইঞ্চি খানেক দূরে গিয়ে থামলো। রিক্সাওয়ালা তার পানে লাল দাতগুলো বের করে বললেন, “দেখলানি সাব কিজাত কন্ট্রোল”



জানা গেলো গত পূর্ণিমার রাতে বরাবরের মতোই চ্যায়ারম্যান তার বাংলোতে মদের নেশায় বুদ হয়ে রঙ্গ তামাশায় মেতে ছিলেন। হঠাত করেই যেনো কিভাবে সেদিন বাংলোতে আগুন লেগে যায়। সবাই পালাতে পারলেও মদের নেশায় বুদ চ্যায়ারম্যান বেড়িয়ে আসতে পারেননি। সেদিন যারা পালাতে পেরেছিলো তারা নাকি দেখতে পেয়েছিলো ঝাকড়া চুলের একটা কালো ছায়া, আর ঝমঝম একটা শব্দ।



আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ির কিছুই নেই। আমি নিশ্চিত হলাম এটাই সেই বাংলো যা কিনা এককালে গণি মিয়ার ছিল। ভিটার সামনে দাড়িয়ে মনে হলো।হয়তো আমার প্রশ্নের উত্তর আমাকে গণি মিয়া দিতে চেয়েছিলেন। হয়তোবা বলে যেতে চেয়েছিলেন অপরাধী না হয়েও আইনের চোখে অপরাধী হয়ে কতো গণি মিয়ারা বিনা অপরাধে শাস্তি পেয়ে যাচ্ছেন।



[পুনশ্চঃ সেদিন রাতে প্রায় মাসখানেক পর রাতে ঘুমাতে পেরেছিলাম। এরপর কোনদিন রাতে আমি ডান্ডাবেড়ীর আাওয়াজ শুনিনি। কোন শীতল, অর্থহীন দৃষ্টি আমার রাতের ঘুম কেড়ে নেয়নি।]







মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১০:৫৪

স্বপনবাজ বলেছেন: গল্প না বাস্তব? ভালো লিখেছেন! একবার মনে হলো হ্যালুসিনেশন পরে আত্বার ছায়া টাইপের ব্যাপার আনতে চেয়েছেন!

১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১০:৫৫

িড.আই.রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ

১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:৩৭

িড.আই.রহমান বলেছেন: Click This Link অনুরধ রইল সময় পেলে পড়ে দেখার।

২| ১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১০:৫৯

সরলপাঠ বলেছেন: গল্পটা ভালই হইছে, তবে শেষের ফিনিশিংটা একটু বেশী দ্রুত হইছে মনে হল। ভাল লাগল....

১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:০৫

িড.আই.রহমান বলেছেন: চেষ্টা করবো আগামীতে আরও ভালো করার।

১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:৩৭

িড.আই.রহমান বলেছেন: Click This Link অনুরধ রইল সময় পেলে পড়ে দেখার।

৩| ১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:০২

শান্ত কুটির বলেছেন: valo laglo

১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:০৬

িড.আই.রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

৪| ১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:১৬

আরমিন বলেছেন: গল্প না সত্যি? :-*

খুব চমৎকার করে লিখেছেন! ++

১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:২৩

িড.আই.রহমান বলেছেন: না রে ভাই, নিছক গল্প।

ধন্যবাদ + + এর জন্য। :) :)

১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:৩৭

িড.আই.রহমান বলেছেন: Click This Link অনুরধ রইল সময় পেলে পড়ে দেখার।

৫| ১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:২৩

আখতার হামিদ পারভেজ বলেছেন: লেখার হাত খুব ভালো।
ভালো লাগলো পড়ে।
যোগাযোগ করবেন [email protected]

১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:৩২

িড.আই.রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ, অবশ্যই যোগাযোগ করবো।

১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১১:৩৮

িড.আই.রহমান বলেছেন: Click This Link অনুরধ রইল সময় পেলে পড়ে দেখার।

৬| ১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১২:২৯

সানফ্লাওয়ার বলেছেন: অনেক সুন্দর লিখেছেন, বুঝতেই পারিনি এটা সত্যি ঘটনা না। চমৎকার।

১৬ ই মে, ২০১৩ রাত ১২:৩৭

িড.আই.রহমান বলেছেন: :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.