নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মেইল ঠিকানা: [email protected]

ইমানের পরীক্ষা হয় সংকট কালে। ইমানের পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত থাকুন।

দুরন্ত ইসলাম

আমি দিদারুল ইসলাম দুরন্ত। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে চাই। অন্যায়ের প্রতিবাদ করুন। সাহস না পেলে আমাকে মেইল করুন। আমি প্রতিবাদ করব, ব্লগে, পত্রিকায়, রাজপথে। আমার মেইল ঠিকানা: [email protected]

দুরন্ত ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর কর্মকর্তা কারা?

২৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০২

বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতে কর্মকর্তা কারা?

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মোট ২৯ টি ক্যাডারের মধ্যে ধরে নেয়া হয় যে, পররাষ্ট্র ক্যাডারে সব চেয়ে মেধাবীরা তরুণরা আসে। পৃথিবীর সব দেশেই তাই হয়। ফরেন সার্ভিসে সব চেয়ে মেধাবীরাই আসে।। এ সার্ভিসে প্রবেশের শুরু থেকেই নানা প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে এক জন তরুণ সবশেষে এক জন দক্ষ কুটনীতিক হিসাবে তৈরী হয়। সুতরাং এ ক্যাডারের মাঝ দিয়েই দেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রদূত বের হয়ে আসেন। তাই তাদের কাছ থেকে জাতির প্রত্যাশা অনেক। সেই প্রত্যাশাকে বাস্তবায়নের জন্য দেশের নীতি নির্ধারকদের ভেবে চিন্তা এগিয়ে যেতে হবে। সব জায়গায় যোগ্য লোককে পদায়ন করতে হবে। নইলে সব মহত উদ্দেশ্যই তো ব্যর্থ হতে পারে। যেমনটা হচ্ছে আমাদের দেশে ।



কিন্তু বিদ্যমান বাস্তবতা দেখে মনে হয়, পররাষ্ট্র ক্যাডার নয়, যে কোন ক্যাডারের লোক দিয়েই কূটনৈতিক কাজ চালানো যেতে পারে। বর্তমানে বিভিন্ন দূতাবাসের নিয়োগের ধরন দেখে মনে হয় যে, বিসিএস-এ পররাষ্ট্র ক্যাডার রাখার কোন দরকার নেই। বর্তমানে অনেক দূতাবাসেই (ডিপ্লম্যাটিক পোস্টে) অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পোস্টিং - এর হার বেড়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি হয় এবং পরে দূতাবাসে পোস্টিং নেয়। সরকারের সময় এর হার অনেক বেশী ছিল। বর্তমানে এই ধারা বহাল রয়েছে। দূতাবাসগুলোতে পদায়নের হাল দেখে মনে হয়, পররাষ্ট্র ক্যাডারে সব চেয়ে মেধাবীরা তরুণরা আসেনা। যে কোন লোক দ্বারাই পররাষ্ট্র ক্যাডারের কাজ চালানো যায়। তা নাহলে যে সে লোক দূতাবাসে পদায়িত হয় কি করে? যাকে তাকে দিয়ে কি ভাবে কুটনীতি হতে পারে? যদি হয় তাহলে পররাষ্ট্র ক্যাডার তুলে দেয়া হোক। এটা আর রাখার কি দরকার।



প্রায় ২০/২২ বছর দায়িত্ব পালনের পর একজন পররাষ্ট্র ক্যাডারের কর্মকর্তা রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বপালনের সুযোগ পান। এ কাজে তিনি তার ২০/২২ বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অগ্রসর হন। কিন্তু যখন এক জন রাজনৈতিক নেতা কিংবা অন্য কোন পেশার লোক যদি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পান তাহলে তিনি কি ভাবে কাজ করবেন। একথা যেমন রাষ্ট্রদূতের পদের জন্য প্রযোজ্য তেমনি এর নীচের দিকের পদগুলোর জন্যও প্রযোজ্য।



বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ মিশনগুলোতে রাষ্ট্রদূত পদে নিয়োগ দেয়া হয় অকূটনৈতিক ব্যক্তিদেরকে। লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে যে , যে মিশনগুলো বেশী গুরুত্বপূর্ণ সেখানে হয় সেনাবাহিনীর কর্মরত কিংবা অবসরপ্রাপ্ত কাউকে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হয়। আবার যে দল ক্ষমতায় থাকে সে দলের যারা নির্বাচনে মনোনয়ন পায়না কিংবা মন্ত্রীত্ব পায় না তাদেরকে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করে পুরস্কৃত করা হয়। আমি বুঝতে পারি না রাষ্ট্রদূত পদটি কি আসলেই পুরস্কৃত করারর মতো কোন পদ না অনেক বছরের অভিজ্ঞতার পরে পালন করার মতো একটি দায়িত্ব পালন করার মতো একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ পদ। আমার মতো অতি অল্প বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তিদের পক্ষে এটা কখনোই বোধগম্য নয়। বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিদেশের মিশনে বেশ কিছু পদে দায়িত্ব পালন করতে পোস্টিং পেয়েছে অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তা। যাদের কোন ট্রেনিংই নেই এই বিষয়ে। এটা কোন ধরণের কাজ বুঝতে পারা কঠিন।



আমি মনে করি যাদের যা কাজ তাদের সেই কাজই করা উচিত। এক ক্যাডারের লোক দিয়ে অন্য ক্যাডারের কাজ হয় তো কোন রকমে চালানো যায় তবে তা যে কত খানি নিখুত ভাবে হবে তা আর বুঝিয়ে বলার অবকাশ রাখেনা । আমার মনে হয় সরকারের উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের বিষয়টি ভেবে দেখার প্রয়োজন আছে। যার যে কাজ তার সেই কাজ করা ই ভাল । কেননা, তাকে সেই কাজের উপযুক্ত করেই প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। বাংলাদেশের মতো দেশে এটা অনেক বেশী প্রযোজ্য হওয়া উচিত।



১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডের পর শোনা যায় হত্যাকান্ডে জড়িতদেরকে দূতাবাসগুলোতে পোস্টিং দেয়া হয়েছিল। একই ঘটনা ঘটে আলোচিত সমালোচিত ১/১১ এর পরেও। সেই সময় সেই সময় সেলিনা মোহসীন নামে এক মহিলাকে মালদ্বীপে, ঢাকার একটি স্কুলের সাবেক শিক্ষিকাকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বানানো হয়। পরবর্তীতে প্র্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ফাহিম ফিরোজকে ইন্দোনেশিয়াতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হয়। যদিও তিনি যোগদানের আগেই নতুন সরকার আসে। তার আর ইন্দোনেশিয়া যাওয়া হয়নি। তাহলে কি ধরে নিতে হবে যে, দূতাবাসগুলোতে পদায়ন এক ধরনের পুরস্কার? ২০০১ এর নির্বাচনের পর সাবেক স্পিকার শেখ রাজ্জাক আলীকে লন্ডনে রাষ্ট্রদূত করা হয়। গর্বিত হন তিনি। আজীবন যিনি ওকালতি করেছেন তিনি হয়ে গেলেন রাষ্ট্রদূত।



কোন ব্যক্তি সেনাবাহিনীতে প্রবেশ করে উচ্চ মাধ্যমিকের পর। এর পর যত ধরনের প্রশিক্ষণ হয় সবই প্রতিরক্ষা বিষয়ক। এই প্রশিক্ষণ কাজে লাগে সমরাঙ্গনে। তারা জানে যুদ্ধ। এর পর তাকে যখন রাষ্ট্রদূত করা হয় তখন কিভাবে তার দায়িত্ব পালন করবেন। যদি তিনি তা করতে পারেন তাহলে যিনি পররাষ্ট্র ক্যাডার থেকে এসেছেন, আমি মনে করি, তার কোন প্রয়োজন নেই। ২০ বছর পররাষ্ট্র বিষযক চাকরি করে একজন যা পারে সেনাবাহনীর এক জন তা এমনিতেই যদি পারে তাহলে আর পররাষ্ট্র ক্যাডার রাখার দরকার আছে বলে তো মনে হয় না। বর্তমানে রাষ্ট্রদূতসহ অন্যান্য পদে প্রায় ৩০ জন অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তা এই মন্ত্রণালয়ে ডেপুটেশনে আছেন। অন্যমন্ত্রণালয়ের কেউ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এলে ডেপুটেশনে আসতে হয়। সে ক্ষেত্রে ঐ লোক ২৫% অতিরিক্ত বেতন পাবে। ফলে সরকারের অযথা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। সরকারের টাকার অপচয় কারোই কাম্য নয়। ফরেন ক্যাডারে অফিসার থাকতে কেন অন্য বিভাগের অফিসারকে ২৫% বেশী বেতন দিয়ে দূতাবাসে আনতে হবে?দেশের টাকার অপচয় কেন করা হবে? দেশে কি টাকা বেশী হয়ে গেছে? বেশী হয়ে গেলে দরিদ্র মানুষদেরকে দান করা হোক।

দূতাবাসগুলোতে পদায়ন হলে বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। সে জন্যে বিভিন্ন সরকারী দফতরের লবিংশালী সরকারী কর্মকর্তারা সরকারী দলের নেতা ধরে তদবির করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসে কেবল মাত্র দূতাবাসে পদায়ন পাবার জন্য। এই দৌড়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাই সব সময় এগিয়ে থাকে। তবে অন্য মন্ত্রণালয়ের অফিসাররাও কম যাননা। এখানে আসার সব চেয়ে দূতাবাসের চাকরিতে বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। যেটা অন্য কাডারের চাকরিতে সম্ভব হয় না। তাই লবিং চলতে থাকে সব সময়।



সবারই জানা, পররাষ্ট্র ক্যাডারে সব চেয়ে মেধাবীরা তরুণরা আসে। তারা অনেক মেধাবী হওয়াতে প্রশিক্ষণ শেষে বিদেশে কুটনৈতিক তৎপরতা চালাতে পারেন। তাদেরকে সেই প্রশিক্ষণ দেয়া হয় অনেক বছর ধরে। তার পর মন্ত্রণালয়ে কাজ করার পর দূতাবাসে পদায়ন করা হয়। তারা আসলেই যোগ্য। অন্য কাডারের অফিসার যাদের কোন ডিপ্লোম্যাটিক প্রশিক্ষণ নাই তারা পদায়িত হচ্ছে বলেই আজ দূতাবাসগুলো কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। এ অবস্থা চললে এক সময় পররাষ্ট্র ক্যাডার না রাখলেও চলবে।



কিন্তু যে বর্তমানে যে সব চেয়ার টেবিল কে পদায়ন করা হচ্ছে তাতে তারা কি ভাবে কাজ করছে ভাবতেই খারাপ লাগছে। দেশে মেধাবী তরুণ-তরুনীদের কি এতোই আকাল যে চেয়ার-টেবিল কে পর্যন্ত দূতাবাসে পদায়ন করতে হবে। মালদ্বীপের দূতাবাসে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লাইব্রেরীয়ানকে পদায়ন করা হয়েছে তৃতীয় সচিব পদে। ভেবে দেখুন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কি করুণ দশা! তিনি কি কোন ফরেন সার্ভিসের অফিসার? তিনি কুটনীতির কি বুঝবেন? আহারে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়! আমার এক বন্ধুর ভাই সম্প্রতি শ্রীলংকা গিয়েছিল সাউথ আফ্রিকার ভিসা আনতে। সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন পরিচয়দানকারী মি: আকরাম তথ্য মন্ত্রণালয়ের জেলা অফিসের কর্মকর্তা। বেশ জমিয়ে বসেছে সেখানে। এছাড়া নেপালের ডেপুটি হেড অব মিশন পরিচয়দানকারী নাসরিন জাহান লিপিও জেলা তথ্য অফিসের কর্মকর্তা। বর্তমান দূতাবাসগুলোতে ৩০ জনেরও বেশী অন্য মন্ত্রণায়ের বা বিভাগের কর্মকর্তা রয়েছেন যারা পার্টটাইম ডিপ্লোম্যাট। এদের বেশীর ভাগই জেলা কিংবা উপজেলা অফিসের কর্মকর্তা। দূতাবাসে ৪/৫ বছর থেকে তারা দেশে আগের অফিসে ফিরে যান। তখন তাদের দূতাবাসের অভিজ্ঞতা কোন কাজে লাগবে?

এই অবস্থা আর কত দিন চলব? আমাদের কুটনীতির করুণ দশা তো এই কারণেই।

অথচ পররাষ্ট্র দফতরে অনেক যোগ্য দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা আছেন যারা কোন সময় প্রমোশনই পান না। তাদেরকে প্রমোশন দিয়ে অকে কাজ আদায় করে নেয়া সম্ভব। আমি জানতে পেরেছি, সচিবালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তার প্রমোশন পেয়ে ডেপুটি সেক্রেটারীও হতে পারে। আর এখান সারা জীবন একই পদে থাকতে হয়। দূতাবাসেও নাকি তারা অবহেলার স্বীকার।



আরেকটি কথা, মন্ত্রী এমপিরা দুনীর্তি করলে পত্রিকায় খবর হয়, মামলা হয়, মিছিল হয়, রাষ্ট্রদূতরা প্রতি নিয়ত যে সব দূর্নীতি করে চলেছেন তার কোন খবরই নাই। ড‍: ফখরুদ্দিন আহমেদের শাসন আমলে আবুধাবীতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাজিম উল্লাহ চৌধুরীর নামে একটি দূর্নীতির মামলা হয়েছিল বলে পত্রিকাতে দেখেছিলাম। এই রকম মামালা সব ক’জন রাষ্ট্র দূতের নামেই হতে পারে। কারণ রাষ্ট্রদূতদের খবর কেউ রাখে না। তাদের কৃর্তিকলাপ পত্রিকাতে আসেনা । তারা দু’হাতে দেশের টাকা উড়ায়। অথচ তাদের কোন জবাবদিহতা নেই। কিন্তু কে রাখে কার খবর?



সব শেষে আর একটি কথা , পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিফ অব প্রটোকল পোস্টটি কি সেনাবাহিনীকে চিরতরে দেয়া হয়েছে? এখানে কোন বেসামরকি কর্মকর্তা কি কাজ করত পারেনা? পৃথিবীর সব দেশেই কি সেনাবাহিনী থেকে চিফ অব প্রটোকল নেয়া হয়? এটা কেন হয়? চিফ অব প্রটোকল বানানোর মতো এক জন অফিসারও কি নেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে? এটা কি হতে পারে?



কেউ কি ব্যাপারটি নিয়ে আরেক বার একটু খানি ভাববেন?

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৫৩

শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: আপনার লেখার সাথে একমত।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো সেনা কর্মককর্তাদের মত মাথামোটাদের কুটনৈতিক বানানো

২৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:০৯

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: তাদের হাতে আসল ক্ষমতা যে! যে কোন সময় বন্দুক দেখিয়ে ক্ষমতা নিয়ে যাবে। তখন বুঝবে মজা। তার চেয়ে এই ভাল হোক না রাষ্ট্রদূত। তারা তো এখানেও দেশের জন্য কিছু করছে না। ওখানেও করবে না। সমান সমান।

২| ২৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৪০

মাহবুব সুমন বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগলো

২৯ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:১৭

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৩| ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:৩৮

শিলা সুলতানা বলেছেন: রাষ্ট্রদূত হতে চাই। আমার খুব ইচ্ছে পতাকা উড়িয়ে মার্সিডিজে ঘুরি। কি করতে হবে কেউ কি আমাকে বলবেন?

২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:৫২

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: হতে পারবেন । কোন বিষয়ই না।

৪| ২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪২

মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: খুবই সুন্দর পোস্ট। রাজনৈতিক বিবেচনায় রাস্ট্রদূত নিয়োগ পাওয়ার কারনেই তাঁরা সাধারণত অযোগ্য হয়ে থাকেন এবং প্রবাসীদের জন্য কাঙ্খিত কল্যাণ বয়ে আনতে পারেন না।

২০ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৪

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: আমার এক জন প্রিয় ব্লগার জনাব মোহাম্মদ লোকমান ভাই। আপনি আমার লেখাটি পড়েছেন জেনে অনেক খুশী হলাম। ভাল থাকবেন সব সময়। আপনার প্রবাস জীবন সুখের হোক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.