নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মেইল ঠিকানা: [email protected]

ইমানের পরীক্ষা হয় সংকট কালে। ইমানের পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত থাকুন।

দুরন্ত ইসলাম

আমি দিদারুল ইসলাম দুরন্ত। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে চাই। অন্যায়ের প্রতিবাদ করুন। সাহস না পেলে আমাকে মেইল করুন। আমি প্রতিবাদ করব, ব্লগে, পত্রিকায়, রাজপথে। আমার মেইল ঠিকানা: [email protected]

দুরন্ত ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিসিএস পাস না করেই সরকারী চাকরি! তাও আবার ফরেন সার্ভিসে!

১৯ শে মে, ২০১১ বিকাল ৪:৫০

বিসিএস পাস না করেই সরকারী চাকরি! তাও আবার ফরেন সার্ভিসে! হা, এমনটাই হচ্ছে।



সকলেই জানেন যে, বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর যে কোন সরকারী ক্যাডার সার্ভিসের চাকরি পেতে চাইলে বিসিএস পরীক্ষায় পাস করতে হয়। অনেক কঠিন সেই প্রতিযোগিতা। সেই প্রতিযোগিতায় ২৯ টি ক্যাডারের মধ্যে সব চেয়ে সেরা ক্যাডার হল ফরেন সার্ভিস। কেমন হতো যদি কোন প্রকার পরীক্ষা ছাড়াই এই ক্যাডারে চাকরি পাওয়া যেত? হ্যা, হয়েছে। অনেকেইর হয়েছে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর হত্যাকারীরা অনেকেই ফরেন সার্ভিসে চাকরি পেয়েছিল। সেই পথ আবার অনুসরণ করে এবার চাকরি পেয়েছে অনেক নেতার বউ, অনেক গৃহবধু। আসুন, দেখি।



এক সময় জানতাম , সব চেয়ে মেধাবীরাই বিসিএস এর মাধ্যমে ফরেন সার্ভিসে আসে। এখন দেখি সেই ধারণা ভুল। প্রথম পদ সহকারী সচিব নয় ; সরাসরি সিনিয়র সহকারী সচিব কিংবা আরো উপরের পদ।





ফার্স্ট সেক্রেটারি থেকে শুরু করে সহকারী সচিবের মতো মধ্যম ও নিম্নস্তরের কূটনীতিক পদে চলছে চুক্তিভিত্তিতে দলীয় ক্যাডারদের নিয়োগ। এ পর্যন্ত ১২ জনকে রাষ্ট্রদূত এবং ১১ জন দলীয় ক্যাডার, ক্যাডারদের স্ত্রী ও আত্মীয়স্বজনকে মধ্যম এবং নিম্নস্তরের কূটনীতিক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এদের মধ্যে এমন অনেকে রয়েছেন যারা অনার্স ও মাস্টার্সে তৃতীয় শ্রেণীপ্রাপ্ত। অনেকে ছিলেন গৃহিণী। কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পালনের কোনো যোগ্যতাই নেই এসব দলীয় ক্যাডারের। এ নিয়ে পেশাদার কূটনীতিকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম হতাশা এবং ক্ষোভ। দলীয় ক্যাডারদের এই নিয়োগের ব্যাপারে কোনো কথা বলতে রাজি হননি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ।

এখন নিচের পদে চলছে দলীয় ক্যাডারদের নিয়োগ। ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ-সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান টিপুকে ম্যানচেস্টারে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে ফার্স্ট সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই পদে নিয়োগের আগে তার পেশা ছিল রাজনীতি। ঠাকুরগাঁওয়ের সাবেক এক আওয়ামী লীগ এমপির ছেলে শাহেদুর রহমানকে নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনসুলেটে ফার্স্ট সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে তার পেশা ছিল রাজনীতি। ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কুয়েত-মৈত্রী হল শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক অপর্ণা পালকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব (কনসুলার) পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অপর্ণা পাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগের ছাত্রী ছিলেন এবং তিনি অনার্স ও মাস্টার্সে তৃতীয় শ্রেণীপ্রাপ্ত।

অপর্ণা পাল এখন কানাডায় পোস্টিং নেয়ার চেষ্টা করছেন।

ছাত্রজীবনে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা মরহুম ওয়াইসুজ্জামানের স্ত্রী মৌসুমী ওয়াইসকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব (বাজেট) নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি একজন গৃহিণী ছিলেন। ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মাসুম আহমেদকে নেদারল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাসে সেকেন্ড সেক্রেটারি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই পদে নিয়োগের আগে তিনি পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর এপিএস ছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা মরহুম রুহুল আমীনের স্ত্রী আনিসা আমীনকে প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাসে ফার্স্ট সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই পদে নিয়োগের আগে তিনি ছিলেন গৃহিণী।

ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী এবং ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্নার স্ত্রী ইরিন পারভীন বাঁধনকে সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনে কাউন্সেলর নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি একজন সরকারি চাকরিজীবী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক মহাপরিচালক ফারুক আমীনের স্ত্রী রওনক আমীনকে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাসে ফার্স্ট সেক্রেটারি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি ছিলেন গৃহিণী। বিডিআর বিদ্রোহে নিহত এক সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর এপিএস (২) সাইফুজ্জামান শেখরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু শামীমা পারভীনকে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে সেকেন্ড সেক্রেটারি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি ছিলেন গৃহিণী।

গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পরিচালক এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা মরহুম শিকদার মোহাম্মদ জাহিদুর রহমানের স্ত্রী চৌধুরী সুলতানা পারভীনকে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনসুলেটে কনসল হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি ছিলেন একজন গৃহিণী।



দলীয় ক্যাডারদের এই নিয়োগের ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, অতীতে কখনও এভাবে অযোগ্য দলীয় ক্যাডার এবং তাদের আত্মীয়স্বজনদের কূটনীতিক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়নি। পেশাদার কূটনীতিকদের বাদ দিয়ে এক্ষেত্রে ঢালাওভাবে যে দলীয়করণ শুরু হয়েছে তাতে অকার্যকর হতে চলেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আর এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে মেধাবীরা আর কূটনীতিক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চাইবে না। এছাড়া দলীয়করণের ফলে কূটনীতির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কূটনীতির মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে।

এদিকে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি।



সূত্রঃ আমার দেশ

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে মে, ২০১১ বিকাল ৫:১৬

রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: এই লেখাটা কি আপনার? নাকি অন্য কোথাও থেকে কপি করেছেন? সে যাই হোক........লেখা আপনার হোক বা অন্য কারো এখানে যে সব তথ্য দেওয়া হয়েছে সে সব নিশ্চয় আপনি ভালো ভাবেই জানেন.........অনেক নাম নিয়ে এসেছেন আমি এত কিছু জানিও না..............

পোষ্ট এসেছে "নেপালে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় অযোগ্য ও বিতর্কিত ড. নিমচন্দ্র ভৌমিককে"।

আমার প্রশ্ন ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক অযোগ্য কেন? আশা করি জানাবেন। উল্লেখ্য ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক আমার স্যার এবং পরে আমার সহ-কর্মী ছিলেন তাই আপনার সাথে আলোচনায় এলাম।

ধন্যবাদ

২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:২২

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনি সম্ভবত ঢাবি-র এক জন শিক্ষক। শিক্ষকদেরকে আমি শ্রদ্ধা করি।

লেখাটি কপি করা। আমার উদ্দেশ্য রাষ্ট্রদূত নিয়ে লেখা নয় (এই অংশটুকু পোস্ট থেকে বাদ দিলাম।)। আমার বিষয় প্রবেশনারী পদ নিয়ে। বিসিএস না দিয়ে প্রবেশনারী পদে ( সহকারী সচিব) কি ভাবে নিয়োগ পেতে পারে বলুন? প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েই এক জন ব্যক্তি সহকারী সচিব হবেন। তা না হয়ে যদি কোন গৃহবধুকে সরাসরি ডেকে এনে সহকারী সচিব বানিয়ে দেয়া হয় তাহলে তা দেশের লাখ লাখ শিক্ষিত বেকারদের সাথে চরম প্রতারণা করা। সবাই তো আর রাজনীতি করবে না। নোংরা রাজনীতি সবাই চায়ও না। তাই প্রবেশনারী পদ নিয়োগ গুলো অন্তত নিরপেক্ষ করা হোক। আমার পোস্টের উদ্দেশ্য এটাই।


ডঃ নিমচন্দ্র রাষ্ট্রদূত হয়েছেন ভাল কথা হতেই পারেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটা একটা ট্র্যাডিশন যে মোট রাষ্ট্রদূতের ৩০ % পলিটিক্যাল নিয়োগ হয়। সেটা হতে পারে সামরিক বাহিনী কিংবা সরাসরি দলীয় লোক। শিক্ষকরাও হন। তবে যাদের দলীয় পরিচয় বেশী শক্ত তারাই হন।

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনি কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

২| ১৯ শে মে, ২০১১ বিকাল ৫:১৯

অ্যামাটার বলেছেন: কাউকে পুরস্কৃত করতে ডেপুটেশনে ফরেন সার্ভিসে নিয়োগ; এই প্রাকটিসটা সব সরকারের আমলেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে অযোগ্য লোককে নয়োগ সবচেয়ে বাজে ব্যাপার।

লিবিয়ায় মুহাম্মদ নুরুজ্জামান :|ইনি কি এখনও জীবিত আছেন :|

২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:২৪

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: আমার বিষয় প্রবেশনারী পদ নিয়ে। বিসিএস না দিয়ে প্রবেশনারী পদে ( সহকারী সচিব) কি ভাবে নিয়োগ পেতে পারে বলুন? প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েই এক জন ব্যক্তি সহকারী সচিব হবেন। তা না হয়ে যদি কোন গৃহবধুকে সরাসরি ডেকে এনে সহকারী সচিব বানিয়ে দেয়া হয় তাহলে তা দেশের লাখ লাখ শিক্ষিত বেকারদের সাথে চরম প্রতারণা করা। সবাই তো আর রাজনীতি করবে না। নোংরা রাজনীতি সবাই চায়ও না। তাই প্রবেশনারী পদ নিয়োগ গুলো অন্তত নিরপেক্ষ করা হোক। আমার পোস্টের উদ্দেশ্য এটাই।

৩| ১৯ শে মে, ২০১১ বিকাল ৫:৫৩

অচেনাসময় বলেছেন: কই থ্যাইকা আইচেন আপনি !!ড. নিম চন্দ্র অযোগ্য এইটা কই পাইছেন ? জানানে ওনি কে ? ফলিত পদার্থ বিদ্যার ঢাবির অধ্যাপক ছিলেন। বিসিএস বাংলা,ইংরাজী আর গণিত মুখস্ত কারার প্রতিভার চেয়ে অনেক বেশী যোগ্যতা রাখেন ওনি।

আপনার ভন্ডামীর একটা লেভেল রাখা উচিত ছিল। বিসিএস টাকে এট বড় করে দেখার দৈন্যটা যেদিন বাঙ্গালীর কাটবে সেইদিনই সুদিনের শুরু হবে।

কিছু কলা আর মানবিক যোগ্যতার মুখস্ত বুলি প্রসাশনকে স্তবির করে দিছে বা দিচ্ছে।আমি মনে করি বিসিএস বর্তমান পরীক্ষার ধরন প্রকৃত যোগ্যতা নির্নায়ক কখনোই হতে পারে না। সেই জন্য বুয়েট পাস করা, আইবি থেকে পাস করা ছাত্ররা এই দিকে আগ্রহী হয়না।ফলে মেধার ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।

২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:৩৭

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: আপনার সুচিন্তি মতামতের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

ডঃ নিমচন্দ্র রাষ্ট্রদূত হয়েছেন ভাল কথা হতেই পারেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটা একটা ট্র্যাডিশন যে মোট রাষ্ট্রদূতের ৩০ % পলিটিক্যাল নিয়োগ হয়। সেটা হতে পারে সামরিক বাহিনী কিংবা সরাসরি দলীয় লোক। শিক্ষকরাও হন। তবে যাদের দলীয় পরিচয় বেশী শক্ত তারাই হন। তবে শিক্ষকরা যখন রাজনীতি করেন তখন আর তারা সবার স্যার থাকেন না। কেউ হন ছাত্রলীগের স্যার । আবার কেউ হন বিএনপির স্যার। এই ভাবে আমাদের মহান শিক্ষকরা সবার শ্রদ্ধা হারাচ্ছেন। শুধু মাত্র একটি পদের আশায় নেতানেত্রী (এমন কি ছাত্র নেতাদেরও ) দের বাসায় তদবির করে বেড়ান। বিগত বিএনপি সরকারের সময় ( সম্ভবত ১৯৯৩/৯৪ সালে) জাবি-র এক জন ভিসি দেখা করতে এসেছিলেন খালেদা জিয়ার সাথে। তিনি দেখা দেননি। বিষয়টি আমার কাছে অনেক খারাপ লেগেছিল। এক জন শিক্ষক কেন এতো নীচে নামবেন একটি মাত্র পদের লোভে? তার তো বড় পরিচয় তিনি শিক্ষক।

আপনার কি ধারণা, বুয়েট আর আইবি-তেই খালি মেধাবী ছাত্ররা পড়ে। আর কোন খানে কি মেধাবী ছাত্ররা নেই?

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ

৪| ১৯ শে মে, ২০১১ বিকাল ৫:৫৯

রমিত বলেছেন: কেবলমাত্র বিসিএস পাশ করেই সরকারী চাকরী করতে হবে, বা আর কেউ সরকারী চাকরী করতেই পারবে না এমন বাধ্যবাধকতা থাকা উচিৎ না। বিসিএস পরীক্ষা দেনই নি অথবা প্রয়োজন মনে করেন নি, এমন অনেকেই বেসরকারী চাকুরী অথবা অন্য কোন পেশাগত জীবনে যথেস্ট সাফল্য প্রদর্শন করছেন। প্রয়োজন বোধে তাদেরকে সরকারী চাকরীতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া, দেশের জন্যই ভালো। অনেক দেশেই এই চর্চা আছে। তবে খেয়াল রাখতে হবে দলীয় সার্থে যেন অযোগ্য লোককে নিয়োগ দিয়ে দেশের ক্ষতি না করা হয়।

২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:৪২

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: বর্তমান নিয়ম অনুসারে প্রথম শ্রেণীর সরকারী কর্মকর্তা হতে চাইলে বিসিএস পাস করতেই হবে। এর কোন বিকল্প নেই ( তবে দল বাজি করে তো চাকরি পাওয়া যায়!)

ভাই, বিসিএস অনেক বিশাল ব্যাপার। সবাই এটা দিতে পারে না। আমি অনেক প্রথম শ্রেণী পাওয়া ছাত্রকে দেখেছি তারা প্রিলিমিনারীতেও টিকে নাই। পরে অবশ্য ভার্সিটির টিচার হয়েছে। পেশাগত জীবনে সাফল্য অন্য জিনিস। আর নিয়োগের সময় দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ আরেক জিনিস। যেহেতু দেশে পদের চেয়ে বেকার বেশী তাই নিরপেক্ষভাবে নিয়োগ হলে সাধারণ মানুষ খুশী হয়। সবাই তো আর নোংরা রাজনীতি করতে পারে না।

৫| ১৯ শে মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩০

সায়েম মুরাদ বলেছেন: ঢালাওভাবে এভাবে লেখা ঠিকনা। সব সরকারের আমলে এ ধরনের নিয়োগ হয়েছে। আমি একজনকে চিনি যিনি তরুন আইনজীবী ও রাজনিতিক নেতা, পরে বিগত সরকারের আমলে তাকে যুক্তরাজ্যে ফরেনসার্ভিসে চাকুরীদেয়া হয়। তিনি চাকুরীকালীন সময়ে ফুল-টাইম পড়াশুনাকরে ব্রিটিশ গ্রাজুয়েশন সার্টিফিকেট অর্জন করেন এবং বার-এ্যাট-ল শেষ করে বর্তমানে দেশে আইনব্যবসায় নিয়োজিত আছেন।
ভাই সবাই ধান্দায় থাকে, কেউ বাগাইতে পারে, কেউ পারে না।
নিমচন্দ্র ভৌমিক স্যার আমাদের ঢা.বি এর একজন সম্মানিত শিক্ষক ছিলেন, বি.সি.এস এ কোঠায় অনেকে চাকুরী পায়, এদের চেয়ে হাজর গুন বেশী যোগ্যতা রাখেন তিনি।

২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:৪৫

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: ভাই , চিন্তা করেন, কত বড় খারাপ আপনার ঐ নেতা আর তাকে যে নিয়োগ দিয়েছিল সেই নেতা। ফরেন সার্ভিসএর চাকরি বাগিয়ে নিয়ে কাজ তো করেই নি উল্টা ফুলটাইম পড়াশোনা করেছে দেশের সরকারী টাকায়! কত বড় দুর্নীতি! ভাবতে পারেন?

ডঃ নিমচন্দ্র রাষ্ট্রদূত হয়েছেন ভাল কথা হতেই পারেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটা একটা ট্র্যাডিশন যে মোট রাষ্ট্রদূতের ৩০ % পলিটিক্যাল নিয়োগ হয়। সেটা হতে পারে সামরিক বাহিনী কিংবা সরাসরি দলীয় লোক। শিক্ষকরাও হন। তবে যাদের দলীয় পরিচয় বেশী শক্ত তারাই হন। আপনার স্যার যতটা না শিক্ষক তার চেয়ে বেশী আ:লীগ নেতা!

ধন্যবাদ।

৬| ১৯ শে মে, ২০১১ রাত ১০:৫৩

লুকার বলেছেন:
ধন্যবাদ, অনেক তথ্য দিলেন। এত কান্ড হইতাছে জানতাম না।
কালকে শুনলাম টেলিটকে মন্ত্রীর স্ত্রী ১৮ জন লোক ঢুকাইছে সেদিন। আর সাংবাদিকের বৌও ঢুকানো হইছে মুখ বন্ধ করার জন্য।

২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:৫১

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: ভাই, দেশটা রসাতলে গেছে। এখন দরকার একটা সশস্ত্র বিপ্লব। মেরে কেটে সাফ করা দরকার।

৭| ২০ শে মে, ২০১১ সকাল ৯:৩১

সক্রেটিস বলেছেন: যারা নিম স্যারের হয়ে কথা বললেন তাদের কাছে প্রশ্ন: নিম স্যারের কি যোগ্যতা ছিল ঢাবি'র টিচার হবার আর নেপালের ঐ পদ পাবার?
অ:ট: তবে তার ভারতী্য দূতাবাসে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:৫১

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: দলীয় আনুগত্যের চেয়ে বড় যোগ্যতা বাংলাদেশে এখন আর লাগে না ।
দল করুন। সব পাবেন। তবে সরকারী দল করতে হবে। ভুলেও বিরোধী দল করতে যাবেন না। তাহলে পুলিশের মার, ক্যাডারদের পিটুনী খেতে হতে পারে। সব চেয়ে নিরাপদ হল সরকারী দল করা।

৮| ২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:২৭

রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: @দুরন্ত ইসলাম

ধন্যবাদ। আমি মোটেও কষ্ট পাই নি। :)


"........... তবে যাদের দলীয় পরিচয় বেশী শক্ত তারাই হন"। সহমত।

২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:৩৮

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: জনাব রিয়াজুল ইস্‌লাম, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আসলে আমি মনে করি সর্বত্র নিরপেক্ষভাবে নিয়োগ দেয়া হোক। অন্তত: প্রবেশনারী পদগুলো দলবাজির আওতার বাইরে আনা হোক। বেকাররা কোথায় যাবে?

৯| ২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:৪৪

রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: @সক্রেটিস

ঢাবির টিচার হবার জন্যে কোন যোগ্যতার অভাব ছিল নিম স্যারের সেটা আপনি বলেন। আমাদেরকে জানান।

আমার কাছে মনে হয়েছে যে তিনি যোগ্য। আর তিনি এখন ডাবির প্রফেসর, বিভাগের চেয়ারম্যানও ছিলেন, সুতরাং যে সময়ে তিনি নিয়োগ পেয়েছিলেন সে সময়ের কেউ ভালো বলতে পারবেন যে অন্য কাউকে ডিপ্রাভাইড করে নিম স্যারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল কিনা! স্পেকুলেশনের ভিত্তিতে কথা বা বলে কোন তথ্য থাকলে শেয়ার করেন। আমি কাছ থেকে দেখেছি স্যারকে। সোলার এনার্জি, নবায়নযোগ্য শক্তি এই সবের উপর স্যারের খুব ভালো নলেজ আছে। এখানে ক্লিক করে দেখুন তাঁর কিছু গবেষণা পেপারও পাবেন

নেপালের রাষ্ট্রদূতের কতা যদি বলেন তাহলে বলবো অবশ্যই তিনি ঐ পদে যাবার যোগ্যতা রাখেন এবং ভালোভাবেই রাখেন। তিনি এই পর্যন্ত অনেক প্রশাষনিক দায়িত্ব পালন করেছেন, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান পরিষদের সেক্রেরারিও ছিলেন (এখন জানি না), তিনি একজন ভালো কলাম লেখক.................।


দলীয় পরিচয়ে নিয়োগ শুধু বাংলাদেশে না, অনেক দেশেই হচ্ছে। এগুলো সব-সময়ই দু:খজনক।

২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:৪৮

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: বাংলাদেশের মতো এতো দলবাজি সারা পৃথিবীর কোথাও নেই।
দেখুন না, চাকরি করবেন সেখানেও রাজনীতি। ডাক্তাররা কেউ ড্যাব, কেউ স্বাধীনতা চিকিৎক। কেউ আর মানুষ নন এখন। সবাই নেতা।

১০| ২০ শে মে, ২০১১ সকাল ১১:১৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
"এক সময় জানতাম , সব চেয়ে মেধাবীরাই বিসিএস এর মাধ্যমে ফরেন সার্ভিসে আসে। এখন দেখি সেই ধারণা ভুল। প্রথম পদ সহকারী সচিব নয় ; সরাসরি সিনিয়র সহকারী সচিব কিংবা আরো উপরের পদ। "

বলেন কি! এতো ভয়ানক খারাপ কথা।

২০ শে মে, ২০১১ বিকাল ৪:০০

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: সর্বত্র নিয়ম-নীতি বহাল থাকা উচিত।
যে দেশে কোন নিয়ম নীতি নাই সেই দেশ কখনো সভ্য দেশ বলে দাবী করতে পারে না। অসভ্য দেশের মানুষ কি কখনো ভাল থাকতে পারে?

১১| ২০ শে মে, ২০১১ দুপুর ১২:৩৪

নীলঞ্জন বলেছেন: অচেনাসময় বলেছেন: কই থ্যাইকা আইচেন আপনি !!ড. নিম চন্দ্র অযোগ্য এইটা কই পাইছেন ? জানানে ওনি কে ? ফলিত পদার্থ বিদ্যার ঢাবির অধ্যাপক ছিলেন। বিসিএস বাংলা,ইংরাজী আরগণিত মুখস্ত কারার প্রতিভার চেয়ে অনেক বেশী যোগ্যতা রাখেন ওনি

জনাব অচেনা সময়, ফলিত পদার্থ বিদ্যার ঢাবির অধ্যাপক যে কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডে পারদর্শী হবে এর গ্যারান্টি আপনি কোথায় পেয়েছেন?

বিসিএস এ বাংলা, গণিত আর ইংরেজী মুখস্ত করার বিষয়ে আপনি যে কমেন্ট করেছেন, সেক্ষেত্রে আপনার কাছে আমার প্রশ্ন: ফলিত পদার্থ বিদ্যার অধ্যাপক যা পড়ান তা কি তিনি বহুকালের মুখস্ত বিদ্যার উপরে নির্ভর করে পড়ান না? তাছাড়া তিনি এ পর্যন্ত এ বিদ্যায় অধ্যাপনা করে ছাত্র পড়ান ছাড়া এমন কি অবদান রেখেছেন জানালে জ্ঞানলাভ করতাম।

ভেংচি কেটে চটকদারী মন্তব্য করা সহজ। এটা যে কেউ করতে পারে।

২০ শে মে, ২০১১ বিকাল ৪:০২

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: যে কোন বিদ্যাই হোক তার কিছুটা তো মুখস্ত করতেই হবে। বানিয়ে বানিয়ে যা তা লিখে দেবার নাম কি বিদ্যা?

আমার মনে হয় ৮০% মুখস্ত আর ২০ % বুঝে নেবার পর অধ্যয়ন পূর্ণ হতে পারে।

যারা কথায় কথায় বলে মুখস্ত বিদ্যা খারাপ তারা এই কথাটিও না বুঝে মুখস্ত বলে ।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১২| ২২ শে মে, ২০১১ সকাল ৮:১৭

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন:
Thank you all of them who have read this post.

২৩ শে মে, ২০১১ সকাল ১০:৫৪

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: কেউই তো প্রতিবাদ করছে না। সবাই খালি চেয়ে চেয়ে দেখে....

১৩| ২৩ শে মে, ২০১১ সকাল ১১:১৪

নষ্ট কবি বলেছেন: বিসিএস দিয়া কি লাভ??

আমি সামনের ২৭ তারিখের জন্য একটুও পড়তেসিনা
কারণ একদিন শুনলাম ১০-১২ লাখ টাকা দিলেই বিসিএস এ টেকা যায়-এভাবে প্রায় সবগুলো পদ কেনা বেচা হয়ে গেছে-এখন আমি পরীক্ষা দিলে ও কি না দিলে ও কি...

২৩ শে মে, ২০১১ সকাল ১১:৫১

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: কথা সত্য। আমি নিজেও কয়েকবার ভাইভা দিছি। মাগার চাকরি হয় নাই। হবে কেন? মাসে মাসে ভাল বেতনের চাকরি পেতে চান কোন প্রকার বিনিয়োগ ছাড়া?

ভাই, বিসিএস দিয়া সময় নষ্ট কইরা কোন লাভ নাই। পারলে অন্য চেষ্টা দেখেন । যেমন আমি অন্য চেষ্টা দেখেছিলাম।

১৪| ২৩ শে মে, ২০১১ বিকাল ৫:১৪

আমি হনুমান বলেছেন: @নষ্ট কবি
সতততততত কথা কইছেন
যারা বিচিলেস ক্যাডার হইছে তারা এখন র্যাব দিয়া পিডাইলে ও স্বীকার করবনা কত টাকায় বিচি খালাস হইছে

২৪ শে মে, ২০১১ সকাল ১১:৫৩

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: হা হা হা হা ....

১৫| ২৪ শে মে, ২০১১ দুপুর ১২:১১

রাজীব বলেছেন: আমার মনে হয় কোন বিসিএস বা পরীক্ষা নয় ফরেন সার্ভিসে নিয়োগ দেয়া উচিৎ সেই দেশে কামলা দেয়া প্রবাসীদের ভোট বা মতামত দিয়ে। তা না হলে কখনোই সেসব কর্মকর্তা আমাদের প্রবাসীদের জন্য কাজ করবে না।

আপনিই বলুন যেই লোক বিসিএস দিয়ে ১৫ বছর ভালোভাবে চাকুরী করে ডিসিগিরি করে ফরেন সার্ভিসে যায় বা যেই লোক অন্যান্য অনেক বড় বড় পদে চাকুরী করে পুরস্কার স্বরুপ ফরেন সার্ভিসে যায় সে কি সেই দেশে গিয়ে সেখানে খেটে খাওয়া কোন বাংলাদেশী কাজের মেয়ে বা দিনমজুরের কথা ভাববে? তার কি সময় আছে এসব আজে বাজে দরিদ্র অশিক্ষিত লোকের কথা ভাবার বা তাদের সমস্যা শোনার?

২৭ শে মে, ২০১১ বিকাল ৩:১০

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: তা ঠিক। তবে যোগ্য লোক নিয়ম অনুযায়ী নিলে দেশের বেকারদের মাঝে হাহাকার থাকত না।

১৬| ৩১ শে মে, ২০১১ বিকাল ৪:৫৬

হাসিনুল ইসলাম বলেছেন: একটু তথ্য যোগ করি: জানা মতে প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে সর্ব্বোচ্চ ১০% নিয়োগ এমন হবার বিধান করে রাখা আছে। সুযোগটা সবাই নিতে পারে না, জানেও না, সুযোগ সন্ধানীরা সহজেই কব্জা করে নেয় এমন সুযোগ, আর কখনো বা অনিচ্ছুক কারো গলায় পরিয়ে দেয়া হয় এমন সুযোগ... কখনো যোগ্যরাও প্রবেশ করেন। ধন্যবাদ।

০৯ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:৪৫

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: অনেক সুন্দর তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৭| ০২ রা নভেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:০১

সজিব আহমেদ বলেছেন: Click This Link

২৫ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ৮:৪৬

দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: কিলিক করলাম।
অনে ক ভাল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.