| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আল্লাহর কি আকার আছে.? নাকি তিনি নিরাকার ?
যদি এ সাইটের কোন ব্লগার এর জানা থাকে তবে আপনারা প্লিক কুরআন এর আয়াত সহ কমেন্ট করবেন।
বি: দ্র: আশা করি আমাক এর কারণে কেউ কাফির বলে গালি দিবেন না । এ প্রশ্নের সম্মুখীন আমি হয়েছি. তাই আপনাদের কাছে সঠিক উত্তরের আশা করছি..।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪৬
ইব্রািহমহেিপ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে.. কিন্তু এ উত্তর টা কিন্তু যথাযোগ্য উত্তর হইল না । কারণ সে যদি বলে আল্লহ কি নিয়ে চিন্তা করতেউ তো মানা করে নি .. তাইলে কেন চিন্তা করব না... তাই লে আমি কি বলব...
২|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:০৭
সকাল>সন্ধা বলেছেন: হাদিসে কুদশী তে বলা আছে আল্লাহ্ পাক উনাকে নিয়ে উনি যা বলেছেন তার বেশী যেন চিন্তা না করে তাহলে সে ধোকার মধ্যে পরে যাবে। কারণ এখানে সবচেয়ে বেশী ইবলীশ ধোকা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। আর আল্লাহ্ পাক উনাকে জানার আর একটি মধ্যম বলা আছে। আল্লাহ্ পাক উনার গুন নিয়ে, সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করা। আল্লাহ্ পাক কি তা একুরেট বোঝা মানুষের সাধ্যের বাইরে। সুধু জান্নাত কে বলা হয়েছে দেখেতে এত সুন্দর যা পৃথিবীর কোন অন্তর দিয়েও তা অনুভব করতে পারবেনা।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:১৬
ইব্রািহমহেিপ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে.
৩|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:২৭
যাযাবরমন বলেছেন: আল্লাহর আকার দিয়া কি করবেন?
পটাসিয়াম সায়ানাইডের টেস্ট, কেমন তা বর্ননা করতে পারলে আপনার সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করা যাবে। তা পটাসিয়াম সায়ানাইডের টেস্ট বর্ননা করেন দেখি।
৪|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৩০
যাযাবরমন বলেছেন: অবশ্য ধর্ম মতে কেউ পটাসিয়াম সায়ানাইড খেলে জাহান্নামে যাবে, আর জাহান্নামিদের আল্লাহ দেখা দিবেন না।
৫|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৩
প্রকৃতির প্রতিফলন বলেছেন: জী! ভাই।
মহান স্রষ্টার আকার আছে।
মহান আল্লাহ আরশে আযীমের উপর অবস্থান করেন। আল্লাহর কথাই এর দলীল। আল্লাহ তায়ালা বলেন:
﴿الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى﴾
অর্থ: ‘(তিনি আল্লাহ বলেন) পরম দয়াময় আরশের উপর সমুন্নীত রয়েছেন। [সূরা ত্বা-হা:৫]
মহান আল্লাহ আসমানের উপর বা আরশে আযীমের উপর সমুন্নত আছেন, এই অর্থে কুরআন মাজীদের ৭টি আয়াত রয়েছে।
অতএব যারা দাবী করেন যে, মহান আল্লাহ সর্ব জায়গায় বিরাজমান, অথবা তিনি মুমিন বান্দার ক্বলবের ভিতর অব্স্থান করেন, আর মু‘মিন বান্দার ক্বলব বা অন্তর হলো আল্লাহর আরশ বা ঘর। তাদের এ সমস্ত দাবী সবই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে আল্লাহ্ কি সর্বস্থানে বিরাজমান নয়? একথাটি আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস। তারা বিশ্বাস করে যে মহান আল্লাহ্ সর্বস্থানে বিরাজমান এবং তিনি নিরাকার। অথচ মহান আল্লাহ্ সম্পর্কে এই ধরণের বিশ্বাস পোষণ করা সহিহ আকীদাহ্ বিরোধী।
স্রষ্টা সম্পর্কে যদি আপনি সঠিক ধারণাই না পান তবে তাঁর প্রতি কিভাবে ঈমান নিয়ে আসবেন?
মহান আল্লাহ্ সপ্তাকাশের উপর অবস্থিত সুমহান আরশের উপর সমুন্নত, তিনি সর্বস্থানে বিরাজিত নন। কারন মহান আল্লাহ্ নিজেই একথা বলেছেন, আয়াত সমুহ হলঃ সূরা ত্বহা-৫, ইউনুস-৩, রা’দ-২, ফুরক্বান- ৫৯, সাজদাহ্-৪, হাদীদ-৪
অতএব বুঝা গেল আল্লাহ্ সর্বস্থানে বিরাজমান নন। বরং তিনি আরশে রয়েছেন।
আসুন এখন বুঝে নিই -আল্লাহ্ সর্বস্থানে বিরাজমান একথাটির আসল অর্থ কি?
‘আল্লাহ্ রয়েছেন আসমানে এবং তাঁর জ্ঞান সর্বাস্থানে পরিব্যপ্ত , তার জ্ঞান থেকে কোন স্থান বাদ নেই। তাঁর ক্ষমতা অসীম ও সর্বব্যাপী। তিনি সব কিছু দেখেন ও শোনেন। কোন কিছুই তাঁর জ্ঞানের বাইরে নয়। তিনি আরশে আ’যীমে থেকেই সব কিছু সুচারুরূপে পরিচালিত করেন।
এবার আল্লাহ্র আকার সম্পর্কে আরো বিস্তারিত আলোকপাত করছিঃ
আল্লাহর চেহারা অর্থাৎ মূখন্ডল আছে। আল্লাহর কথাই এর দলীল ।
﴿كُلُّ مَنْ عَلَيْهَا فَانٍ ـ وَيَبْقَى وَجْهُ رَبِّكَ ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ﴾
অর্থ: ‘কিয়ামতের দিন ভূপৃষ্ঠের সবকিছুই ধ্বংস হয়ে যাবে। তবে (হে রাসূল! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনার মহিমাময় ও মহানুভব পালন কর্তার চেহারা অর্থাৎ আল্লাহর সত্তাই একমাত্র বাকী থাকবে। (আর-রাহমান: ৩৬-৩৭)
মহান আল্লাহর হাত আছে, আল্লাহর কথাই এর দলীল।
﴿قَالَ يَا إِبْلِيْسُ مَا مَنَعَكَ أَنْ تَسْجُدَ لِمَا خَلَقْتُ بِيَدَيَّ ﴾ (ص:৭৫)
অর্থ: ‘আল্লাহ বললেন, হে ইবলীস ! আমি নিজ দুহাতে যাকে সৃষ্টি করেছি, তাকে সিজদা করতে তোমাকে কিসে বাঁধা দিল? (ছোয়াদ:৭৫)
মহান আল্লাহর চক্ষু আছে। আল্লাহর কথাই এর দলীল। যেমন তিনি হযরত মূসা (আঃ) কে লক্ষ্য করে বলেছিলেন:
﴿وَأَلْقَيْتُ عَلَيْكَ مَحَبَّةً مِّنِّيْ وَلِتُصْنَعَ عَلَى عَيْنِيْ﴾ طـه :৩৯)
অর্থ:‘আমি আমার নিকট হতে তোমার উপর ভালবাসা ঢেলে দিয়েছিলাম, যাতে তুমি আমার চোখের সামনে প্রতিপালিত হও। (ত্বা-হা: ৩৯)
মহান অল্লাহ শুনেন এবং দেখেন। আল্লাহর কথাই এর দলীল। যেমন তিনি বলেন,
﴿ إِنَّ اللهَ سَمِيْعٌ بَصِيْرٌ﴾ (المجادلة:১)
অর্থ:‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা শ্রবণ করেন ও দেখেন। (আল-মুজাদালাহ: ১)
তবে মানুষের চেহারা, হাত, পা, কানে শুনা ও চোখে দেখা, মহান আল্লাহর চেহারা, হাত, পা, কানে শুনা ও চোখে দেখা ইত্যাদির মধ্যে অবশ্যই বিরাট পার্থক্য রয়েছে। মহান আল্লাহর কথাই এর দলীল। যেমন তিনি বলেন,
﴿لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيْعُ البَصِيْرُ﴾ (الشورى: ১১)
অর্থ:‘আল্লাহর সাদৃশ্য কোন বস্তুই নাই এবং তিনি শুনেন ও দেখেন (শূরা:১১)।
অর্থাৎ তার সৃষ্টির কোন কিছুর সাথে তার কোন সাদৃশ্য নেই।
সুরা ইখলাসের ৪ নং আয়াতে আল্লাহ্ বলেছেনঃ
"তার সমতুল্য কিছুই নেই।"
যদি কেউ বলেন মহান আল্লাহ্র হাত কেমন? তবে আমরা বলব জানি না।
যদি কেউ বলেন মহান আল্লাহ্র চেহারা কেমন? তবে আমরা বলব জানি না।
যদি কেউ বলেন মহান আল্লাহ্র পা কেমন? তবে আমরা বলব জানি না।
শুধু একটা কথাই বলব- "ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ" ("তার সমতুল্য কিছুই নেই।")
মহান আল্লাহ্ আমাদেরকে পবিত্র কুরআনে যতটুকু জানিয়েছেন আমরা শুধু ততটুকুই জানি। এর বেশি আমরা জানি না। এবং সন্ধানও করি না। যদি এর বেশি জানার মধ্যে কোন কল্যাণ থাকত তবে মহান আল্লাহ্ আমাদেরকে অবশ্যই জানাতেন।
৬|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪০
দেখি তো পারি কিনা..... বলেছেন: তাকে বলেন আমাদের শরীরের মূল সত্তাটা সরিয়ে দিলে বাকী যে শরীর সেটার কি মূল্য..??? কোন মূল্য নেই আমাদের সেই শরীরের। তার মানে আমাদের এই সত্তাই পুরো শরীর কে কর্মক্ষম করে রাখে।
এতো মূল্যবান এই সত্তাটাকে কি আমরা দেখতে পাই...?? আমরা কি জানি সেটার আকার কেমন, সে কি ভাবে আমাদের শরীরের নিয়ন্ত্রন করে..??? কেমনে কর্মসম্পাদন করে.....??? মোটেও আমরা তা দেখতে পাই না। যেখানে আমরা নিজের প্রান বায়ু কে দেখতে পাই না সেখানে
মহান মহানুভব আল্লাহ তায়ালার সেই সত্তার কোন আকার আমরা কেমনে নির্ধারন করবো...??
৭|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৫৯
পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: ভ্রান্ত
কোরআনের আয়াত টিক কিন্তু ব্যখ্যা টিক নয়
আল্লাহ নিরাকার
যা দেখা যায় বা দৃশ্যমান , যেমন গাছ পালা জীব সমষ্টি তরুলতা
আকাশ গ্রহ প্রব্রিতি
আর যা অদৃশ্য বা দেখা যায়না তা হল নিরাকার
যেমন আল্লাহ
আর নিরাকারে প্রভুকে বিশ্বাস করার নাম ঈমান ।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৩৫
ইব্রািহমহেিপ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
৮|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৪৮
ইভা_110 বলেছেন: মহান আল্লাহকে দেখা যায় কি-না প্রশ্নের কয়েকটি উত্তর হতে পারে ,
এক, দেখা যায় বলতে বস্তুগত চোখ দিয়ে দেখা যায় কি-না ? তাহলে উত্ত হল , না। কারণ প্রতিটি বস্তু সত্তার একটি নির্দিষ্ট আকার ও স্থানের মুখাপেক্ষী এবং সসীম তাই মহান আল্লাহ যেহেতু অসীম এবং কোনকিছুরই মুখাপেক্ষী নন তাই তাঁকে দেখা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে কুরআন ভিত্তিক প্রমাণ হল :
لاَّ تُدْرِكُهُ الأَبْصَارُ وَهُوَ يُدْرِكُ الأَبْصَارَ وَهُوَ اللَّطِيفُ الْخَبِيرُ ) ( الأنعام / 103 )
দৃষ্টিসমূহ তাঁকে দেখতে পায় না, অবশ্য তিনি দৃষ্টিসমূহকে দেখতে পান। তিনি অত্যন্ত সুক্ষদর্শী, সুবিজ্ঞ।
পবিত্র কুরআনের আলোকে শুধু চোখের সীমানায় দেখা অসম্ভবই নয় বরং মানবিক জ্ঞানের পরিবেষ্টনে নিতি আসেন না ।
يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِهِ عِلْمًا ﴿سورة طه » الآية ١١٠﴾
তিনি জানেন যা কিছু তাদের সামনে ও পশ্চাতে আছে এবং তারা তাকে জ্ঞান দ্বারা আয়ত্ত করতে পারে না।
পবিত্র কুরআনে ৬৪বার এই বাক্যটি এসেছে :
لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ
অতএব তিনি কোন কিছুরই সাদৃশ্য নন।
তবে অন্তর দিয়ে উপলব্ধি সম্ভব :
পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে যে,
مَا كَذَبَ الْفُؤَادُ مَا رَأَى সুরা আন নাজম- 11
রসূলের অন্তর মিথ্যা বলেনি যা সে [তার অন্তর] দেখেছে।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:২১
ইব্রািহমহেিপ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে.
৯|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২৪
যাযাবরমন বলেছেন: আল্লাহ নিরাকার নন, বরং তিনি নিরঞ্জন। অর্থাত যা চোখে দেখা যায় না।
এখানে দেখতে পারেন-
Click This Link
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৩১
ইব্রািহমহেিপ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
১০|
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৫৯
প্রকৃতির প্রতিফলন বলেছেন: এই পোস্টটি দেখুনঃ
মহান আল্লাহ্ সম্পর্কে সুস্পষ্ট আকিদাহ।
১১|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:৪২
শার্ক বলেছেন: @paribesh bondhu,
i think u sometime explain your dream. i know u are rajarbagi follower but who told u Allah has no shape. if u cant see anything that does not mean that no shape. the jannati persons obviously will see Allah.
u still dont see many stars becoz far way so that means those stars have no shape.
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩৮
আতিকুল০৭৮৪ বলেছেন: take bole den..ALLAH k niye cinta koro na,,ALLAH r sristi k niye cinta koro