| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য
মানুষ পথিক বেশে ঘুরছে দেশে দেশে একটু ছায়াতলে থমকে দাঁড়ায়, স্মৃতিটুকু রেখে শুধু একদিন তো চলে যায়।

ইরানের মোল্লাতন্ত্র নিয়ে অনেক সমালোচনা থাকলেও একটা বিষয় কিন্তু ঠিক, ওরা ভাঙে, তবে মচকায় না৷পৃথিবীর কত কত দেশের সরকার ও সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিতে কাপড় নষ্ট করে ফেলে, অথচ ইরান সগর্বে দাঁড়িয়ে আছে। যদিও বিষয়টাকে গোয়ার্তমিই মনে করা হচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া, মানুষ যায় আধুনিকতা, আর তারা নিজ দেশের মানুষের ওপর চড়াও হয়েও ক্ষমতা ধরে রাখবে। যার সাথে পারবে না তার সাথে লাগতে যাওয়া মানে তো লাখ লাখ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা। তাই করবে।
হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্ব এ মুহূর্তে সবচেয়ে গরম বিষয়। ট্রাম্প যখন ইরানকে ধ্বংসের হুমকি দিল, সবাই ভয় পাচ্ছে পাগলটা কি আসলেই এই কাজ করবে? করলে তো অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে জাপান যখন আত্মসমর্পণ করতে রাজি হচ্ছিল না, যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক বোমা হামলার সিদ্ধান্ত নেয়। মোটামুটি তিনটা কারণ ছিল-
১। যদি স্থলযুদ্ধ করা হয়, তাহলে লাখ লাখ আমেরিকান সৈন্য মারা যাবে।
২। যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই সোভিয়েত ইউনিয়নকে নিজেদের সামরিক শক্তি দেখাতে চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র—যাতে পরবর্তী বিশ্বরাজনীতিতে প্রভাব বাড়ানো যায়।
৩। জাপানের “শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ” নীতির কারণে তাদের মনোবল ভাঙা কঠিন ছিল। পারমাণবিক বোমা সেই মনোবল ভেঙে দেবে এমন বিশ্বাস ছিল আমেরিকার।
যে ধরনের বোমা ব্যবহার করা হয়েছিল-
১। হিরোশিমা: Little Boy (ইউরেনিয়াম ভিত্তিক)
২। নাগাসাকি: Fat Man (প্লুটোনিয়াম ভিত্তিক)
বিস্ফোরণে মুহূর্তেই হাজার হাজার মানুষ ছাই হয়ে যায়। ভবন, রাস্তাঘাট, গাছপালা—সবকিছু মুহূর্তে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। তাপমাত্রা প্রায় সূর্যের পৃষ্ঠের মতো (মিলিয়ন ডিগ্রি) হয়ে উঠে।
হিরোশিমায় প্রায় ১,৪০,০০০ মানুষ (১৯৪৫ সালের শেষ পর্যন্ত) মৃত্যু হয়। আর নাগাসাকিতে প্রায় ৭০,০০০ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন।
তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে অনেক মানুষ তৎক্ষণাৎ না মরে পরে ক্যান্সার ও অন্যান্য রোগে মারা যায়। শিশুদের মধ্যে জন্মগত বিকলাঙ্গতা দেখা দেয় এবং বহু বছর ধরে পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের ক্ষতি চলতে থাকে।
এই দুই বোমা নিক্ষেপের পর জাপান ১৫ আগস্ট ১৯৪৫ সালে আত্মসমর্পণ করে, যার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়।
ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছে ইরানি সভ্যতার আজ রাতে মৃত্যু ঘটবে যদি ইরান তার কথা মতো আপস না করে। এছাড়া কিছুদিন আগে সে পরমাণু হামলার হুমকিও দিয়েছে ইরানকে। জাপানের ঘটনা দেখে কি মনে হয়, ট্রাম্প পরমাণু হামলা বেছে নেবে?
২|
০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০
ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: আম্রিকা কি বোমা মারবে? - ৯০% সম্ভাবনা আম্রিকা নিজে থেকে মারবে না।
ইস্রাইল কি আম্রিকাকে দিয়ে বোমা মারাবে? - আম্রিকার সরকার আর এর অধিবাসীরা যেভাবে ইস্রাইলকে ভয় পেয়ে চলে, তাতে ইস্রাইল চাইলে আম্রিকাকে দিয়ে বোমা মারাতে পারে। ইস্রাইলীরা দুনিয়ার কারও জীবননাশে কোন সমস্যা দেখে না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৪২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমার মনে হয় ইরান কে চাপে রেখে সমঝোতা করাতে চায় আমেরিকা। পারমাণবিক বোমা মারবে না ।