নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ইয়্যুথ এন্ড ট্যালেন্ট

"থিংক দ্য ইয়্যুথ, থিংক দ্য ন্যাশন"

মুহম্মদ ইফতেখার হোসেন

জনপ্রিয় এই ব্লগের পুরোন বন্ধুদের সাথে আপনাদের নতুন বন্ধু হিসেবে আজ আমি যুক্ত হলাম। সবাইকে অভিনন্দন। অন-লাইনের বিশাল জগতে সংযুক্ত হবার ইচ্ছে অনেক দিন থেকেই। কিন্তু কোথায়? সু-রুচিশীল পাঠক-লেখক, গঠণমূলক লেখা, আলোচনা, সমালোচনার সমাবেশ কোন ব্লগে পাব- এই খুঁজতেই অনেকটা সময় পার হয়ে গেল। ভাল লাগলো এই ব্লগের বিষয়বস্তু এবং রূচিশীল উপস্থাপনা। অবশেষে বন্ধু হয়ে যাওয়া। আমি পত্রিকায় লিখি মোঃ ইফতেখার হোসেন নামে, কিন্তু ব্লগ এ নামে অনুমতি পেলাম না। ভালই হলো, আমার প্রিয় নবীজী'র পুরো নাম সাথে ধারণ করবার সেৌভাগ্য হলো। আমি গর্বিত। আমার প্রিয় বিষয় 'যুব ও মেধা'। মেধাবী যুবকেরা আমার সবচেয়ে প্রিয়। এরা জগতের আমশর্বাদ স্বরূপ। 'যুবক' এবং 'মেধাবী'রা তাদের যোগ্য আসন লাভ করূক, য়োগ্য ভূমিকা পালন করুক- এই প্রত্যাশা। আমার লেখায় এ বিষয়টিই হয়তো বেশী থাকবে। সকলের অংশগ্রহণ এবং সুস্থ সমালোচনা প্রত্যাশা করি। ধন্যবাদ।

মুহম্মদ ইফতেখার হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

(১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর জম্মদিনে রাসেলকে) তোমার পিতার জন্মদিনে

১১ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১:৫৪

শিশু রাসেলের আত্মার কসম -শিশু হত্যা বন্ধ হোক। আমরা সকল প্রকার হত্যার বিরুদ্ধে। যার যার অবস্হান থেকে অবিলম্বে হত্যার রাজণীতি, প্রতিশোধের রাজণীতি বন্ধ করুন। না হলে জনগনই আপনাদেরকে বয়কট করবে। নিচের কবিতাটি পড়ুন এবং হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করুনঃ



তোমার পিতার জন্মদিনে

বঙ্গবন্ধুর জম্মদিনে রাসেলকে

(১৯৭৫ সালে রাসেল ও কবি উভয়ই চতুর্থ শ্রণীর ছাত্র ছিল)

মোঃ ইফতেখার হোসেন



রাসলে!

বন্ধু আমার,

তোমার পিতার জম্মদিনে

আজ আমি হাসতে পারছনিনে, রাসলে –হাসতে পারছছিনে।



সকালে গিয়েছিলেম তোমাদের বাড়িতে বত্রিশ নম্বরে

আজ তোমার পিতার জন্মদিনে।



কল্‌পনায় দেখি-

স্নিগ্ধ হাসিতে আমারই মতো টগবগে এক যুবক

ফুলের তোঁড়া হাতে বাবার শতায়ু কামনা করে

আনন্দ অভিবাদন জানাচ্ছে।

এবং পিতা-পুত্রের আলিঙ্গনে

আনন্দাশ্রু মুছছে সমবেত অতিথিবৃন্দ।



যখন রিক্সা এসে থামলো তোমার বাড়ির গেটে

সমবেত জনতার মুখের দিকে চেয়ে ...

রাসেল! আমি আর পারছনিনে রাসেল

আমার সে সুখ-স্বপ্ন, আমার কল্পনা

হাঁয়েনার থাবায় স্তব্ধ হয় যায় মূহুর্তে

স্বপ্নের শবদহে দেখি শকুনীর জয়োল্লাস

আমি আতঙ্কে চিৎকার করে উঠি '‍‍‍না'।



ধীর পায় প্রবেশ করি দো'তলায় তোমার ঘরে

কোন যুবক রাসলেক খুঁজে পাইনে আর-

কেউ অভ্যর্থনা জানাত আসে না বন্ধুকে

সবুজ সতজে হয় ওঠে না চতুর্দিক যৌবনের রাগে।



শিশু রাসলের হাসিতে উদ্ভাসিত ছবির দিকে ছেয়ে

স্থির দাঁড়িয়ে থাকি। দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে থাকি

আমার মাথা সপ্ত আসমান ভেদ করে আরশের পানে

এবং আমি মুখোমুখি হই বিধাতার।



এক যুবক পিতাকে অভিনন্দন জানাচ্ছে তার জন্মদিনে

-এ দৃশ্য বাঙালীকে ফিরিয়ে দেবার দাবী জানাই।

যদি না পারো হে বিধাতা -আমাকে শক্তি দাও

যেন পৃথিবীর সব হাঁয়েনার কলিজা খুবলে ছিঁড়ে এনে

ফেলে দিতে পারি তোমার আরশের পদতলে।

হায়েঁনা মূক্ত পৃথিবীতে ভবিষ্যৎ রাসেলেরা বেঁচে থাকুক

পিতার স্নেহের ছাঁয়ায়।



আর তাও যদি না দাও -এ শোক ভুলবার শক্তি

আমরা কোনদিন চাইব না তোমার কাছে।

আমার বন্ধুকে শুধু রেখো তোমার স্নেহের ছাঁয়ায়।।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.