| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১৯৯৭ সনের বাজেট বক্তিৃতা যখন আমি করতেছিলাম ডঃ কুদরতে খুদা নাম রাখছে কুদরতে খুদা আসলে গজবে খোদা, এই লোকটি নাস্তিক ইসলামের চুড়ান্ত দুষমন। তার প্রণিত শিক্ষা ব্যাবস্থার যখন সমালোচনা করছিলাম ট্রেজারী বেঞ্চ থেকে আমাকে বলা হল রাজাকার। আমি আমার সমস্ত শক্তি একত্রিত করে বলেছিলাম শুধুমাত্র হিন্দুস্থানের রাজাকারেরাই আমাকে রাজাকার বলতে পারে।
আমি বলেছিলাম ১৯৭৩ সন পর্যন্ত্য আমি বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং কর্মী ছিলাম না। আমি রাজাকার নই। আমাকে রাজাকার বলে যদি তা কেউ প্রমাণ করতে না পারে ১০ কোটি টাকার মানহানী মামলা দায়ের করবো। আমার এই বক্তব্য সারা দুনিয়া শুনেছে পার্লামেন্টে। আমার এই বক্তব্য রেকর্ড হয়ে আছে। সেদিন তিনশতাধীক পার্লামেন্ট মেম্বারের কেউ আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন নায়। যে কোন ব্যাক্তি পার্লামেন্টে গিয়ে আমার বক্তিৃতা দেখে আসতে পারেন।
এরপরে ১৯৯৭ সনের ৭ই অক্টোবর দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকা তখন আমার বিরুদ্ধে লিখলো। সেই পত্রিকায় সাঈদীর ওপেন চ্যালেঞ্জ অষ্টম পাতা ১৯৯৭ এর ৭ই অক্টোবর এতবড় দুই কলামে হেডিং। সেখানে আমি বলেছি বাংলাদেশের সকল সাংবাদিক গোয়ান্দা বিভাগ বাংলাদেশের সকল বুদ্ধিজীবীকে আমি আমার পিরিজপুরে আমন্ত্রণ করছি। আমার উপস্থিতিতে যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমার কোন ভূমিকা ছিল সজ্ঞানে স্বেচ্ছায় জাতীয় সংসদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করবো। তিন বছর পার হয়ে গেছে আজ পর্যন্ত্য কেউ এই চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করে নায়।
সুতরাং আমাকে যারা রাজাকার বলবে তারা পিত্রি পরিচয়হীন অবৈধ সন্তান। ১৯৭১ সনের শোন মুসলমানেরা ১৯৭১ সনের কোন কাদা সাঈদীর গায়ে লাগে নায়। আমাকে রাজাকার বলে জনগণ থেকে বিচ্ছন্ন করবা, জনগণ থেকে আমারে বিচ্ছিন্ন করা যাবেনা কারণ এই জনগণ আমার জন্য আসে না। এই জনগণ আসে আল্লাহর কুরআনের জন্য।
©somewhere in net ltd.