| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ফারান
ঋণ পরিশোধের তারণায় পেশাদারীত্ব - সাংবাদিকতা
নিরপরাধ,নিস্পাপ জাহির করার বর্তমান একটা ফ্যাশন হয়ে দাড়িয়েছে... এলাকাভেদে মফস্বলের ওয়াজ মাহফিল। দেখা যাবে যে, যারা নামাজই নিয়মিত পরছেন না...তারাও বেশ স্বগর্ভে দাবী খাটাচ্ছেন আল্লাহর অতি নৈকট্যের। তাহাদের বিগত কির্তি কলাপ বলার ভাষা রাখে না...আজ তারা সভ্য কারণ তাদের পয়সা আছে... সমাজে দাপট খাটাতে পারে... ইত্যাদি ইত্যাদি। লটারী খেলা ইসলামে নিষিদ্ধ কিন্তু ওয়াজ ওয়াজ খেলাটা ইসলামের খেলাফে পড়ছেনা । রাস্তায় রাস্তায় জোর করে ওয়াজের নামে চাদা উঠানো, বেড়ী বাধ সৃষ্টি করে চাদা আদায়, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে “ আপনি তো ইনশাল্লাহ কোটি টাকার মাল দোকানে রেখেছেন তো আল্লাহর রাস্তায় ১ লাখ টাকা দেন এখনই... ” ইত্যাদি ইত্যাদি কিসের সামিল বোধগম্য নয়। আর হুজুরদের যন্ত্রণায় ব্যবসায়িকও অতিষ্ঠ... সারাদিন ( মৌসুমে) এদিক সেদিক গেলে রিসিট দু’চারটি পকেটে থাকে বৈকি। দেখা গেল সিলেটে থাকেন হুজুর এলেন নিজ বাড়ী সুনামগঞ্জে পকেট ভর্তি রিসিট থাকবে স্বাভাবিক।অতপর ১। রিকসায়- ভাই সারাদিন কত কামান... রিকসাওয়ালা: ভাই ১০০-২০০ টাকা মাত্র... কিতা খন, মরন লাগব নানি.. একদিনর রোজ আল্লাহর রাস্তায় দিলাইলে সব গুনাহ আল্লাহ মাউফ করিয়া দিবাইন... । অতপর ২ ) বাসে (ভাড়া তো লাগেনা) ওয়াজের নামে ক্যানভাসার যাই হল...। অতপর ৩) বাড়ীর কাছাকাছি এসে ইচ্ছেমতো বাজার করে... আবার যাবার সময় একই অবস্থা ... এ শিক্ষা কোথা হতে পায়... জানি না... আরোও অনেক কিছু বলার ছিল, বিবেকের কাছে প্রশ্ন ছিল ? তবে পাশ কাটিয়ে না যায় আলেমগন... কারন তারা বিজ্ঞ। পেশাগত কারণে অনেকে আমাকে এড়িয়ে যান,সালাম দিয়েই কেটে যান কারন বুঝি সকল জারিজুরী ফাঁস হয়ে যায় কিনা । বলদের মুখে শবরি কলা ? অনেক আগে একটি ওয়াজ শুনেছিলাম। সেই থেকে বলছি... বর্তমানে আলেমরা কি জানেন তাহাই বোধগম্য নয়। ইসলাম এখন বেচা কেনা চলছে তাদের হাতে। কারন- * ওয়াজ করতে পয়সা নেন। * নামাজ পড়াতে পয়সা নেন। * ওয়াজে এসে কালেকশানে বসেই কে কত দিয়েছে সে উদ্দেশ্যে বেহেস্ত দিয়ে দেন।* সঠিক প্রশ্নের উত্তর দেন না ( জানেন কিনা জানিনা)। * মসজিদের নামে /ইসলামের নামে পয়সা উত্তোলন।* টি/আর- কাবিখা তেও বরাদ্দ পেতে তদবীর। এজন্যই বলি হুজুরের বয়ান ঠিকই ছিল “ ইসলামের মতো এত সুন্দর একটি ধর্মকে কাদের হাতে তুলে দিল? এরা যদি সঠিক পথদ্রষ্টা না হয়ে থাকে”। আরোও বলতে হয় ঃ হুজুরদের কাপড় এত পরিষ্কার থাকে কেন? কারণ “যে সাজে বেশি, সে কাজে আলসি,অতএব সে কথায় পটু”। সারাদিন রোদে পুরে বৃষ্টিতে ভিজে কর্মের পরও যদি আল্লাহকে ডাকা যায়,তবে শুধু নামাজ পরিয়ে বেতন নিচ্ছেন তো কাপড় পরিষ্কার থাকবে না! এটা তো কোন কাজই নয়। প্রত্যেকটি মসজিদ একটি সুনির্দিষ্ট জনগোষ্ঠির অভ্যন্তরীন হয়ে থাকে। তাদের তোষামদে ব্যস্থ রাখে এই সব কিছু আলেম/মোল্লা টাইপের মানুষ। এরা কখনও আল্লাহর হুকুম কে জনগনের সামনে আনেন না, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চাকরি বাচিয়ে মিথ্যের আশ্রয়ে টিকে আছেন বলেই মসজিদের প্রথম কাতারে দেখতে পাবেন, সুদখোর, জিনাখুর,মদখুরদের নির্দিধায়। কারন এদের কাছে পয়সা আছে,আছে ক্ষণস্থায়ী ক্ষমতা। অথচ আল্লাহ তায়ালার স্পস্ট হুকুম যে, সুদ/ঘুষ খাওয়া হলো আল্লাহর সাথে সম্মুখ যুদ্ধ করার সামিল। যদিও ইহুদিরা একটি কথা বলে “ শকুন শকুনের মাংস খায় না, কিন্তু মুসলমান মুসলমানের রক্তখায়”। তাদের কথা যে মিথ্যা তা প্রমান করার সুযোগ কিছু মুসলমানদের জন্য কুলসিত হচ্ছে মুসলিম সমাজ। আমরা বিশ্বাসী জাতি বিধায় ইসলামকে মনের মনি কোঠায় বদ্ধ করে রেখেছি। কিন্তু হায় সমাজের বা বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট দেখে আমি নিজেই সঙ্কায় থাকি। হায় কখন বে-ইজ্জত হয়ে পড়ি, যে হাল অবস্থা বর্তমান শিশু/তরুন/ যুব সমাজের বর্ণনা করার মতো...
©somewhere in net ltd.