নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলাম কায়েমে গণতন্ত্র হারাম, ইনসাফ কায়েমে গণতন্ত্র হারাম নয়

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২৩




সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয়ই ভ্রন্তি খেকে সঠিক পথ প্রকাশ হয়েছে। অতএব যে লোক তাগুতের বিরোধিতা করবে এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে সে দৃঢ়তর রজ্জুকে শক্ত করে ধরলো যা কখনো ছিঁড়ে যাবে না এবং আল্লাহ হলেন সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী।

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

* দ্বীনের (ইসলাম) মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই। সেজন্য জবরদস্তির মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠের মত (গণতন্ত্র) দ্বীন (ইসলাম) কায়েমে সংখ্যা লঘিষ্ঠের উপর চাপিয়ে দেওয়া হারাম। রাসূল (সা.) ওহী ভিত্তিক কাজ করতেন বিধায় তিনি গণতন্ত্রের পথে না হেঁটে মদীনা সনদে মদীনার সকল পক্ষের সম্মতি স্বাক্ষর গ্রহণের মাধ্যমে মদীনায় ইসলাম কায়েম করেছেন। এ সকল পক্ষের মধ্যে মদীনার ইহুদী ও খ্রিস্টান ছিল। বাংলাদেশে ইসলাম কায়েম করতে হলে বাংলাদেশ সনদে বাংলাদেশের সকল পক্ষের সম্মতি স্বাক্ষর গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। এ সকল পক্ষের মধ্যে বাংলাদেশের হিন্দু, খ্রিস্টান ও বোদ্ধ থাকবে। ইসলামের শরিয়া আইন তাদের উপর জরবদস্তি চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। ইসলাম পন্থী কোন পক্ষ ইনসাফ কায়েমে সক্ষম হলে তাদের কথায় বাংলাদেশের হিন্দু, খ্রিস্টান ও বোদ্ধ ইসলাম কায়েমে বাংলাদেশ সনদে স্বাক্ষর করা থেকে বিরত থাকবে না। রাসূল (সা.) ইনসাফ কায়েম করবেন এ বিশ্বাস থেকেই মদীনার ইহুদী ও খ্রিস্টান মদীনা সনদে স্বাক্ষর প্রদান করেছেন। এখন মানুষ আগে কাজ দেখে পরে তাদের কাজে সম্মতি প্রদান করায় এখন আগে বাংলাদেশে ইনসাফ কায়েম করতে হবে এবং ইনসাফ কায়েমের প্রচেষ্টায় দেশের সকল পক্ষকে শরীক রাখতে হবে। এ শরিকানায় হিন্দু, খ্রিস্টান ও বোদ্ধ এবং নারীগণ থাকবেন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ইনসাফ কায়েমের পক্ষে কোরআনের আয়াত আছে।

সূরাঃ ৪ নিসার ৭৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। তোমাদের কি হলো, তোমারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করছো না? অথচ নারী-পুরুষের এবং শিশুদের মধ্যে যারা দূর্বল তারা বলে, হে আমাদের রব আমাদেরকে অত্যাচারী অধিবাসীদের এ নগর থেকে বের করে দিন। আর আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য ওলী (অভিভাবক) এবং আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী পাঠান।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

* অত্যাচারীর অত্যাচার থেকে জনগণকে রক্ষার কোন পদ্ধতির উপর ইসলাম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। সেজন্য অত্যাচারীর অত্যাচার থেকে জনগণকে রক্ষার যে কোন পদ্ধতি ইসলাম অনুমোদন করে। কারণ যে কোন পদ্ধতির চেয়ে অত্যাচারীর অত্যাচার থেকে জনগণকে রক্ষা করা ইসলামে অধীক গরুত্বপূর্ণ। সেজন্য অত্যাচারীর অত্যাচার থেকে জনগণকে রক্ষায় ইনসাফ কায়েমে গণতন্ত্রকে পদ্ধতি হিসাবে গ্রহণ করা হারাম নয়। ইনসাফ কায়েমে যে গণতন্ত্রকে হারাম বলে সে সত্যবাদী নয়। আল্লাহর আদেশে মুসলিম জাতিকে এসব লোকের সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। কারণ তাদের কথা ইনসাফ পরিপন্থী। ইসসাফ কায়েমে হিন্দু, খ্রিস্টান ও বোদ্ধ এবং নারীকে সাথে রাখার দরকার হলে এর বিরোধীতা করাও ইসলাম অনুমোদন করে না। যারা ইসসাফ কায়েমে হিন্দু, খ্রিস্টান ও বোদ্ধ এবং নারীকে সাথে রাখার বিরোধীতা করবে কোন মুসলিম তাদের সাথে থাকবে না। জান্নাতের যুব নেতা ইমাম হোসেন (রা.) ইনসাফ কায়েমে ভারতীয় বাহ্মন পরিবারকে সাথে রেখেছেন। যারা হুসাইনী ব্রাহ্মন হিসাবে ইনসাফ কায়েমে অমুসলিম ও নারীদের সাথে রাখার প্রমাণ হিসাবে বিদ্যমাণ আছে। জান্নাতের যুব নেতা ইমাম হোসেন (রা.) থেকে তথাকতিথ ফতোয়াবাজ বড় আলেম হওয়ার কথা নয়। মুসলিমগণ কোনভাবেই এসব ফতোয়াবাজকে আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিবে না।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: পোষ্টটি লিখতে এক জন হাফেজ ত্বলেবুল এলেমের সহায়তা নিয়েছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.