| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন নকিব
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।
২০২৬ সংসদ নির্বাচন: যেভাবে ভাগ হতে পারে ৩০০ আসন
ছবি সংগৃহিত।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে রাষ্ট্র, প্রশাসন ও নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর চেপে বসা নিকৃষ্ট ফ্যাসিবাদী শাসন ও স্বৈরতান্ত্রিক কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির অবসানের পর এই নির্বাচন সামনে এসেছে। সিন্দাবাদের ভূতের মতো জাতির কাঁধে চেপে বসা একদলীয় আধিপত্য ও ভোটাধিকার হরণকারী শাসনের অবসান ঘটেছে, এবং তারই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে অবস্থান করছে। এটি এখন কোনো অনুমান নয়; বরং একটি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক বাস্তবতা।
এই প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের নির্বাচন শুধু একটি নিয়মিত সংসদ নির্বাচন নয়; এটি জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার, ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের রাজনৈতিক প্রতিফলন এবং ক্ষমতার ভারসাম্য পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ফলে এই নির্বাচন দেশের জোট রাজনীতি, ক্ষমতার কাঠামো এবং ভোটার আচরণে মৌলিক পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এই প্রতিবেদনে অতীত নির্বাচনী প্রবণতা, দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা, ভোটব্যাংকের প্রকৃতি এবং বিদ্যমান জোট কাঠামোর আলোকে একটি বাস্তবতা-নির্ভর আসন বণ্টনের দৃশ্যপট উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি কোনো ভবিষ্যদ্বাণী নয়; বরং ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি যুক্তিনিষ্ঠ বিশ্লেষণ।
প্রেক্ষাপট ও মৌলিক বাস্তবতা
জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩০০টি। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশে, যেখানে ভোটাধিকার হরণ, নিশিরাতের ভোট কিংবা প্রশাসনিক প্রকৌশলের পুনরাবৃত্তির সুযোগ সংকুচিত। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে এবং ভোটার উপস্থিতি মাঝারি থেকে উচ্চ পর্যায়ে থাকার সম্ভাবনাই প্রবল। এই বাস্তবতায় অ্যান্টি-ফ্যাসিবাদী ভোট, অ্যান্টি-ইনকাম্বেন্সি মনোভাব, জোট রাজনীতি এবং আঞ্চলিক প্রভাবই নির্বাচনের প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।
প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সম্ভাব্য অবস্থান
বিএনপি (একা বা জোটের নেতৃত্বে):
দীর্ঘদিন ধরে দমন-পীড়ন, মামলা, গুম ও রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার বিএনপি এই নির্বাচনে প্রধান শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সারাদেশে, বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় দলটির বিস্তৃত সাংগঠনিক কাঠামো এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী ভোটের স্বাভাবিক একীভবন তাদের এগিয়ে রেখেছে। সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ১৬০ থেকে ২০০। তবে দীর্ঘ আন্দোলন-পরবর্তী রাজনীতিতে প্রার্থী বাছাইয়ে ভুল সিদ্ধান্ত ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল দলটির জন্য ঝুঁকি হয়ে থাকতে পারে।
জামায়াতে ইসলামী:
দীর্ঘ সময় নিষেধাজ্ঞা, রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক বঞ্চনার শিকার জামায়াতে ইসলামী এই নির্বাচনে তুলনামূলক শক্ত অবস্থানে রয়েছে। সংগঠিত আদর্শিক ভোটব্যাংক, ফ্যাসিবাদবিরোধী সহানুভূতিশীল জনমত এবং শহর ও নির্দিষ্ট মফস্বল এলাকায় দৃঢ় উপস্থিতির কারণে দলটির সম্ভাব্য আসন ৭০ থেকে ৮০। বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা তাদের সাফল্যের মাত্রা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি):
ফ্যাসিবাদবিরোধী তরুণ রাজনীতি, নগরভিত্তিক সচেতন ভোটার এবং সোশ্যাল মিডিয়াভিত্তিক সক্রিয়তার কারণে এনসিপি কিছু আসনে প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে। অ্যান্টি-ইস্টাবলিশমেন্ট ও কর্তৃত্ববাদবিরোধী বক্তব্য দলটিকে দৃশ্যমান করেছে। সম্ভাব্য আসন ১০ থেকে ২০। তবে গ্রামাঞ্চলে সংগঠন দুর্বল থাকায় বিস্তৃত সাফল্য সীমিত।
গণঅধিকার পরিষদ:
স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায় ব্যক্তিকেন্দ্রিক জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে দলটি ৫ থেকে ১০টি আসন পেতে পারে। তবে শক্তিশালী জোট ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে টেকসই অবস্থান তৈরি করা তাদের জন্য কঠিন।
খেলাফত মজলিস ও অন্যান্য ইসলামি দল:
মাদরাসাভিত্তিক অঞ্চল ও আঞ্চলিক প্রভাবের কারণে এসব দল সমষ্টিগতভাবে ৫ থেকে ১০টি আসন অর্জন করতে পারে, বিশেষত ফ্যাসিবাদবিরোধী বৃহত্তর জোট কাঠামোর মধ্যে কার্যকর দর কষাকষির মাধ্যমে।
ইসলামি শাসনতন্ত্র আন্দোলন:
কওমি ও ধর্মভিত্তিক ভোটব্যাংকের ওপর নির্ভর করে দলটির সম্ভাব্য আসন ৩ থেকে ৭টি হতে পারে। মূলধারার রাজনীতিতে সীমিত গ্রহণযোগ্যতা এখনো তাদের প্রধান সীমাবদ্ধতা। জামায়াতে ইসলামীর সাথে নির্বাচনী জোট করার পরে আবার বেরিয়ে যায় দলটি।
স্বতন্ত্র ও অন্যান্য প্রার্থী:
দীর্ঘদিন একদলীয় আধিপত্যের বাইরে থাকা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী ও ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রার্থীদের মাধ্যমে ৫ থেকে ১০টি আসন স্বতন্ত্রদের দখলে যেতে পারে।
সম্ভাব্য সরকার গঠনের দৃশ্যপট
এই রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনটি প্রধান দৃশ্যপট সামনে আসে। প্রথমত, বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে পারে। দ্বিতীয়ত, বিএনপি সমর্থিত ইসলামপন্থী জোট সরকার গঠন করে সংসদে একটি শক্তিশালী ফ্যাসিবাদবিরোধী ব্লক তৈরি হতে পারে। তৃতীয়ত, তুলনামূলকভাবে কম সম্ভাব্য হলেও একটি ঝুলন্ত সংসদ গঠিত হতে পারে, যেখানে ছোট দলগুলোর দর কষাকষি রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে।
উপসংহার
২০২৬ সালের নির্বাচন ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী বাস্তবতায় কার্যত একটি ক্ষমতার পুনর্বিন্যাসের নির্বাচন। এটি শুধু সরকার পরিবর্তনের লড়াই নয়; বরং ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির প্রত্যাখ্যান এবং গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসার একটি গণরায়। মূল প্রতিযোগিতা বিএনপি ও বিভিন্ন বিরোধী শক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও ইসলামপন্থী দলগুলো, বিশেষত জামায়াতে ইসলামী, এই নির্বাচনে নির্ধারক ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছে। চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভর করবে জোট সমঝোতা, প্রার্থী নির্বাচনের দক্ষতা, ভোটার উপস্থিতি এবং প্রশাসনিক আচরণের ওপর। পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই নির্বাচন বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।
নিকৃষ্ট ফ্যাসিবাদ হটানোর পরে দেশে হতে যাচ্ছে বহুল কাঙ্ক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এবারের নির্বাচন নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী? ফলাফল কেমন হতে পারে বলে আপনার কাছে প্রতীয়মান হয়? মন্তব্যে আপনার মতামত জানাতে পারেন।
ছবি সংগৃহিত।
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৭
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ। কিন্তু এদেশের সাধারণ মানুষ, অর্থাৎ, ভোটাররা যদি জামায়াতের প্রতি আস্থা রেখে তাদেরকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেন, তাহলে কী করবেন?
প্রতিটা ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক নির্বাচনে কী ফলাফল দেখলেন?
২|
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫
রাজীব নুর বলেছেন: যারা ক্ষমতায় থাকে, তারাই ফ্যাসিস্ট।
এক শুধু আওয়ামীলীগের কথা বললে হবে না।
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১৮
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ। ক্ষমতায় থাকা মানেই ফ্যাসিস্ট হওয়া নয়; ক্ষমতা কীভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে সেটাই মূল বিষয়। ক্ষমতা যদি মতভিন্নতা দমন, বিরোধী কণ্ঠ রুদ্ধ করা এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করার হাতিয়ার হয়; গুম, খুন, লুটপাট আর পেশিশক্তি প্রদর্শন আদর্শ বিবেচিত হতে থাকে, তখনই তা ফ্যাসিবাদের রূপ নেয়, তাতে দল বা নাম যাই হোক।
এই অপকর্মগুলো এদেশে সবচেয়ে বেশি করেছে কোন দলটি? বলতে পারেন?
৩|
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭
বাজ ৩ বলেছেন: ভাই।আমি ইচ্ছা করেছি কাউকে ভোট দিবোনা।আমার ইচ্ছা কি ইসলামিক দৃষ্টিতে ঠিক হবে
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮
নতুন নকিব বলেছেন:
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটির জন্য মোবারকবাদ। আল্লাহ তাআ'লা আপনার ইলম এবং আমলে বারাকাহ দান করুন।
ভোট দেওয়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা শরিয়তসম্মত নয়। কারণ, ইসলামের দৃষ্টিতে ভোট হলো একযোগে সাক্ষ্য, সুপারিশ ও প্রতিনিধিত্বের সনদ প্রদান। বিদ্যমান বাস্তবতায় যদি সব প্রার্থীই ত্রুটিপূর্ণ হয়, তবু শরিয়তের মূলনীতি হলো “কম মন্দকে গ্রহণ করে বড় মন্দ প্রতিহত করা”। সুতরাং যিনি তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকর, কম ইসলামবিরোধী বা কম জুলুমকারী, তাকে ভোট দেওয়া জায়েজ; বরং অনেক ক্ষেত্রে এটাই আবশ্যক।
ভোট না দিলে অধিক অনিষ্টকারী, ইসলামের দুশমন বা জুলুমপ্রবণ ব্যক্তির ক্ষমতায় আসার পথ প্রশস্ত হতে পারে, যা শরিয়তের দৃষ্টিতে পরোক্ষভাবে মন্দকে সহায়তা করার শামিল।
সুতরাং, বর্তমান নির্বাচনী বাস্তবতায় ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকা বৈধ নয়। বরং বিবেক, জ্ঞান ও শরয়ি বিবেচনায় ভাল-মন্দের মধ্যে কম মন্দের পক্ষে ভোট দেওয়া কর্তব্য।
والله أعلم بالصواب
৪|
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪
নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কিন্তু এদেশের সাধারণ মানুষ, অর্থাৎ, ভোটাররা যদি জামায়াতের প্রতি আস্থা রেখে তাদেরকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেন, তাহলে কী করবেন? প্রতিটা ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক নির্বাচনে কী ফলাফল দেখলেন?
এটা চেতনা বিক্রির ফল। আমলীগ/বিএনপি সত্যিকারের দেশপ্রমনিয়ে কাজ করলে যারা বাংলাদেশ চাইনাই তাদের জন্য ভোট দিতে কেউই ভাবতো না।
ভন্ড জামাতীরা কি জিনিস সেটা মানুষ টের পাবে। ধমান্ধতার সাইড ইফেক্ট ধর্ম ভিক্তিক রাজনিতির প্রতি ঝুকছে কিছু মানুষ।
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২০
নতুন নকিব বলেছেন:
চেতনা বিক্রির ফল, ঠিকই বলেছেন। চেতনা যেহেতু বিগত দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী আমলে দেদার বিক্রি হয়েছে, কিছু ফল তো এখন গ্রহণ করতেই হবে!
জামায়াতের প্রতি মানুষ বেশি ঝুঁকছে, ধর্মভিত্তিক দল হওয়ার কারণে।
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৫
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনি কি মনে করেন, বিগত আমলে চেতনা রক্ষার নামে জামায়াতের উপর নির্যাতন করা হয়েছে?
৫|
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এই সরকারের সময় স্বীকৃত ৪৫টি বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ড ঘটেছে
ইহাকে আপনি কি ভাবে মূল্যায়ন করবেন ???
........................................................................................
নির্বাচন মানে দেশের সকল জনসাধারনের মতামত নেয়া,
প্রশাসন জোর পূর্বক কিছু দলকে নির্বাচনের বাহিরে রাখল
ফলে সে সব জনসাধারনের মতামত প্রতিফলিত হলোনা ।
নির্বাচনের বৈধতা কতটুকু ???
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২০
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ। এই সরকারের সময় স্বীকৃত ৪৫ টি বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ডের প্রমান দিলে ভালো হতো।
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড একটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত, যা আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনকালে (২০০৯-২০২৪) শত শত ক্ষেত্রে ঘটেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে (আগস্ট ২০২৪ থেকে চলমান) যেসব কেস রেকর্ড হয়েছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সমাধান করা দরকার, যাতে আইনের শাসন নিশ্চিত হয়।
যে ফ্যাসিবাদী অপশক্তি ১৬/১৭ বছরে ৩ টি নির্বাচন করে এদেশের সাধারণ জণগণের ভোটের অধিকার হরণ করেছিল, তারা দেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছে। তাদের কথা যদি বলেন যে, তাদেরকে কেন নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না? তাহলে বলতে হয়, তারা নিজেরাই তো নিজেদের এই দুর্বিসহ অবস্থায় ফেলেছে। তারাই তো বিএনপি, জামায়াতসহ দেশের প্রধান এবং বড় বড় রাজনৈতিক দলকে দূরে সরিয়ে রেখে নির্বাচনের নামে জাতির সাথে একের পর এক তামাশা করেছিল। ভূয়া ভোট, রাতের ভোট, অটো পাশের নির্বাচন, ইত্যাদি নানান অব্যবস্থাপনা করে গোটা নির্বাচনী সিস্টেমকে তারা ধ্বংস করার ফলে জনগণের দাবড়ানি খেয়ে শেষ পর্যন্ত দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
সাহস থাকলে তারা দেশে আসুক। এসে নির্বাচনে অংশগ্রহন করুক। তাদেরকেই তো আসতে দেখা যাচ্ছে না। হয়তো তারা ইচ্ছে করেই নির্বাচন থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখার কৌশল হিসেবে পলাতকের ভান করে আছে। ![]()
৬|
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৮
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০২
নতুন নকিব বলেছেন:
ইহাদের হাতেই তাহলে ইসলামি শাসন কায়েম হতে যাচ্ছে!
আসলে ইহারা কী কায়েম করতে চাচ্ছেন?
৭|
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১২
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: ইহাদের হাতেই তাহলে ইসলামি শাসন কায়েম হতে যাচ্ছে!
আসলে ইহারা কী কায়েম করতে চাচ্ছেন?
ইসলামের নামে রাজনৈতিক দল বা রাজনীতি করা এজন্য আমি সাপোর্ট/পছন্দ করি না।
ওই দলের পতনের সাথে সাথে ইসলামের ও নাম খারাপ ও অবমূল্যায়ন হয়।
জামাত, হেফাজত, চরমোনাই সব দলেই কমবেশি এই অসংলগ্নতা গুলি দেখতে পারবেন।
সত্যি কারের ইসলামের সাথে তাদের কোন সম্পর্ক নাই।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৬
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ। ভালো-মন্দ সব জায়গাতেই থাকবে, এই বাস্তবতাকে অজুহাত বানিয়ে ইসলামী রাজনীতি বাদ দেওয়ার চিন্তা সঠিক নয়। “ইসলামে রাজনীতি নেই”, এই কথা স্পষ্ট মিথ্যা। ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান; রাজনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ দিয়ে তা পরিপূর্ণ হতে পারে না।
ব্যক্তি জীবনে ইসলাম মানার দাবি করে রাজনীতির ময়দানে ভিন্ন চরিত্র দেখানো স্পষ্ট দ্বিচারিতা, যা আল্লাহ তাআলার কাছে ঘৃণিত। এই কাজটিই অনেকে নির্দ্বিধায় করে থাকেন। সমস্যার সমাধান ইসলামী রাজনীতি পরিত্যাগে নয়; বরং রাজনীতিতেও ইসলামের ন্যায়, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধে অবিচল থাকার মধ্যেই।
৮|
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৩৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জামাত জাপার মতো বিরোধি দল হবে ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৬
নতুন নকিব বলেছেন:
সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
৯|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এই সরকারের সময় স্বীকৃত ৪৫ টি বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ডের প্রমান দিলে ভালো হতো।
............................................................................................................................
পত্রিকার পাতা খুলুন ও অন্যান্য মিডিয়া দেখুন,
এসব প্রমানের পরই সামনে উঠে এসছে ।
সেই বিগত সনে কুকুরে পায়ে কামড়ে ছিলো
আমার এবার সময় এসছে
আমিও কিছুদিন কামড়ায়ে প্রতিশোধ নেব,
আপনার বক্তব্য কি এই রকম ???
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনি শান্ত স্বভাবের মানুষ। রাগ করতে তেমন দেখিনি। আমার উপরে রেগে গেলেন কি?
আমি কি প্রতিশোধ নেওয়ার কথা কোথাও বলেছি বলে আপনার মনে হয়েছে? ভয়াবহ প্রতিশোধস্পৃহা জাতিকে পেছনে নিয়েছে। আর যেন সেই পুরনো ইতিহাস ফিরে না আসে, সেটাই চাই।
১০|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনার জন্য লিংক দিলাম ।
Muder without Trial
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৪
নতুন নকিব বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ।
১১|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:০৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
শতকরা কতভাগ ভোটার উপস্থিতি হবে বলে তার কোন পুর্বাবাস কি আছে ।
১২ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ নির্বাচনের ভাগ্যলিপি নিয়ে একটি লেখা পোস্ট
করেছি আমার ব্লগে ।
যাহোক, দেখা যাক নির্বাচনী ফলাফল কি রকম হয় ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৫
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ। না, আপাততঃ কোন পূর্বাভাস নেই।
আপনার পোস্টে যাব ইনশাআল্লাহ।
১২|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৪৫
অগ্নিবাবা বলেছেন: আমিও নকীব ভাইয়ের সাথে একমত, জামাতের ক্ষমতায় আসার দরকার। তারপর আসল খেলা শুরু হবে। আমি বারাসাতে জায়গা নিয়ে রেখেছি, অন্তত সামুর কিছু মডারেট মুসলমান স্বরনার্থীদের জায়গা দিতে পারবো, যারা আমাকে অপছন্দ করেন। বনগাঁ বর্ডারে আমার জানাশুনা আছে, সামুতে মেসেজ দিয়েন। ধন্যবাদ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:০০
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনি বড় মনের মানুষ। তাই শরনার্থী মুসলমানদের স্থান/ আশ্রয় দিবেন বলে কিছু জায়গা নিয়ে রেখেছেন।
তবে, পোস্টে আমি শুধুই কিছু অনুমান প্রকাশ করেছি মাত্র, নিশ্চিত করে এমন কথা বলার কোন সুযোগ এখনই নেই যে, জামায়াত ক্ষমতায় যাবেই। এই অনুমান সঠিক না-ও হতে পারে।
ধন্যবাদ।
১৩|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪০
রাজীব নুর বলেছেন: ইসলামিক দল গুলো- ক্ষমতায় আসা মানে দেশের ক্ষরি করা। ধর্ম ব্যবহার করে রাজনীতি যারা করতে আসে তারা আসলে মন্দ লোক। মন্দ লোক দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারবে না।
১৪|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪৬
কিরকুট বলেছেন: বিএনপি ব্যতীত আর বাকি যে গুলার নাম বললেন সব গুলা জামাতের লেজ, চরম মাত্রার ধান্দাবাজ ও বাংলাদেশ বিরোধী দল। একমাত্র বিএনপি মেইনস্ট্রিম এর রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩১
নতুন বলেছেন: নিকৃষ্ট ফ্যাসিবাদ হটানোর পরে দেশে হতে যাচ্ছে বহুল কাঙ্ক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এবারের নির্বাচন নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

নিকৃষ্ট ফ্যাসিবাদ হটানোর পরে দেশে যদি জামাতের নেতাদের ৭০-৮০ আসনে এমপি হয় তাইলে এর চেয়ে খারাপ আর কি হইতে পারে?