| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ
১৪৩। এইভাবে আমি তোমাদিগকে এক মধ্যমপন্থী উম্মতরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছি।যাতে তোমরা মানব জাতির জন্য সাক্ষীস্বরূপ এবং রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষীস্বরূপ হতে পারেন।তুমি এ যাবত যে কিবলা অনুসরন করতেছিলে উহা আমরা এ এ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত করে ছিলাম যাতে আমরা জানতে পারি কে রাসূলের অনুসরন করে আর কে ফিরে যায়? আল্লাহ যাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করেছেন তারা ছাড়া অন্যদের নিকট এটা (সৎপথ)কঠিন।তোমাদের ঈমানকে ব্যর্থ করে দিবেন আল্লাহ এমন নন।আল্লাহ মানুষদের প্রতি স্নেহশীল-দয়াদ্র।
* ইসলামের প্রধান নেতা মহানবির (সা.) কিতাব ও হিকমাতের জ্ঞান ছিল। মহানবির (সা.) ব্যবসায়, পশুপালন, সামরিক ও চিকিৎসা হিকমাতের জ্ঞান ছিল। তাঁর স্ত্রী উম্মুল মুমিনিন হযরত খাদিজার (রা.) ব্যবসায় হিকমাত ছিল।কিতাব ও হিকমাতের জ্ঞান মধ্যম হলেও চলে। এরকম একমাত্র জুটি ডা. শফিকুর রহমান ও ডা. আমেনা শফিক। হিকমাতের জ্ঞানের সাথে তাঁদের মাঝারি মানের কিতাবের জ্ঞান রয়েছে। আল্লাহ কিতাবের জ্ঞানের থেকে হিকমাতের বেশী গুরুত্ব দেওয়ায় যেসব নেতার কিতাবের জ্ঞান আছে, কিন্তু হিকমাতের জ্ঞান নাই। সেজন্য তারা ইসলামী নেতৃত্বের অযোগ্য। ডা. শফিক ক্ষমতা পেলে শরিয়া আইন চালু না করার কথা বলেছেন। তাঁর কথা অসংগত নয়। কারণ শরিয়া কায়েমে রাসূলের (সা.) সামরিক বাহিনী ও প্রশাসন কিতাবের জ্ঞান সম্পন্ন ছিলেন। ডা. শফিক ক্ষমতা পেলে যে সামরিক বাহিনী ও প্রশাসন পাবেন তাদের কিতাবের জ্ঞান সন্তোষ জনক পর্যায়ে নাই। ক্ষমতা পেয়েই শরিয়া আইন কায়েম সম্ভব নয় বলেই ডা. শফিক শরিয়া আইন কায়েম না করার কথা বলেছেন। ইসলামের বেশী জ্ঞানী আবার অনুসরন যোগ্য নন।
সূরাঃ ১৮ কাহফ, ৬০ থেকে ৮২ আয়াতের অনুবাদ-
৬০।যখন মূসা তাঁর সংগীকে বলেছিল, দুই সমুদ্রের সংগমস্থলে না পৌঁছে আমি থামব না অথবা আমি যুগ যুগ ধরে চলতে থাকব।
৬১।তারা উভয়ে যখন দুই সমুদ্রের সংগমস্থলে পৌঁছল তারা নিজেদের মৎসের কথা ভুলেগেল।উহা সুড়ংগের মত নিজের পথ করে সমূদ্রে নেমে গেল।
৬২। যখন তারা আরো অগ্রসর হলো মূসা তার সংগীকে বলল আমাদের নাস্তা নিয়ে আস।আমরা তো আমাদের সফরে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।
৬৩। সে বলল, আপনি কি দেখেছেন? যখন আমরা শিলাখন্ডে বিশ্রাম নিতে ছিলাম তখন আমি মৎসের কথা ভুলে গিয়ে ছিলাম! শয়তান উহার কথা বলতে ভুলিয়ে দিয়েছিল।মৎসটি বিস্ময়করভাবে সমূদ্রে নিজের পথ করে নেমে গেল।
৬৪। মূসা বলল, আমরা তো সেই স্থানটিই খুঁজতেছিলাম।অতঃপর তারা নিজেদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চলল।
৬৫। অতঃপর তারা সাক্ষাৎ পেল আমাদের বান্দাদের মধ্যে একজনের।যাকে আমরা আমাদের নিকট হতে অনুগ্রহ দান করে ছিলাম এবং আমরা তাকে আমাদের নিকট হতে শিক্ষা দিয়ে ছিলাম এক বিশেষ জ্ঞান।
৬৬। মূসা তাকে বলল, সত্য পথের যে জ্ঞান আপনাকে দান করা হয়েছে তা’ হতে আমাকে শিক্ষা দিবেন এ শর্তে আমি আপনার অনুসরন করব কি?
৬৭। সে বলল, আপনি কিছুতেই আমার সাথে ধৈর্য ধরে থাকতে পারবেন না।
৬৮। যে বিষয় আপনার জ্ঞানায়ত্ত নয় সে বিষয়ে আপনি ধৈর্য ধরবেন কেমন করে?
৬৯। মূসা বলল, আল্লাহ চাইলে আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন এবং আপনার কোন আদেশ আমি অমান্য করব না।
৭০। সে বলল, যেহেতু আপনি আমার অনুসরন করবেনই তবে কোন বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করবেন না, যতক্ষণ না আমি সে সম্বন্ধে আপনাকে কিছু বলি।
৭১।অতঃপর উভয়ে চলতে লাগল। পরে যখন তারা নৌকায় চড়লো সে ইহা ফুটো করে দিল।মূসা বলল, আপনি কি আরোহীদিগকে নিমজ্জিত করে দেবার জন্য উহা ফুটো করলেন? আপনিতো গুরুতর অন্যায় কাজ করলেন।
৭২। সে বলল, আমি কি বলিনি যে আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধরতে পারবেন না?
৭৩। মূসা বলল, আমার ভুলের জন্য আমাকে অপরাধী করবেন না এবং আমার বিষয়ে অত্যাধিক কঠোরতা অবলম্বন করবেন না।
৭৪। অতঃপর উভয়ে চলতে লাগল।চলতে চলতে ইহাদের সাথে এক বালকের সাক্ষাত হলে সে উহাকে হত্যা করল। তখন মূসা বলল, আপনি এক নিস্পাপ জীবন নাশ করলেন হত্যার অপরাধ ছাড়াই। আপনিতো এক গুরুতর অন্যায় কাজ করলেন।
৭৫।সে বলল, আমি কি বলিনি যে আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধরতে পারবেন না?
৭৬।মূসা বলল, এরপর যদি আমি আপনাকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাস করি তবে আপনি আমাকে সংগে রাখবেন না।আমার ওযর-আপত্তি চূড়ান্ত হয়েছে।
৭৭।অতঃপর উভয়ে চলতে লাগল।চলতে চলতে তারা এক জনপদের অধিবাসীদের নিকট পৌঁছে তাদের নিকট খাদ্য চাইল।কিন্তু তারা তাদের মেহমানদারী করতে অস্বীকার করল। অতঃপর তারা এক পতনোন্মুখ দেয়াল দেখতে পেল এবং সে উহা সুদৃঢ় করে দিল।মূসা বলল, আপনিতো ইচ্ছা করলে এর জন্য পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে পারতেন।
৭৮। সে বলল, এখানেই আপনার এবং আমার মধ্যে সম্পর্কছেদ হলো।যে বিষয়ে আপনি ধৈর্য ধারণ করতে পারেননি আমি তার তাৎপর্য ব্যাখ্যা করছি।
৭৯।নৌকাটির ব্যাপার-এটা ছিল কতিপয় দরিদ্র ব্যক্তির, উহারা সমূদ্রে জীবিকা অন্বেষণ করত। আমি নৌকাটিতে ত্রুটিযুক্ত করতে ইচ্ছা করলাম। কারণ উহাদের সম্মুখে ছিল এক রাজা, যে বল প্রয়োগে নৌকা সকল ছিনিয়ে নিত।
৮০। আর বালকটি, তার পিতামাতা ছিল মু’মিন। আমি আশংকা করলাম যে সে বিদ্রোহাচরণ ও কূফুরি দ্বারা তাদেরকে বিব্রত করবে।
৮১। অতঃপর আমি চেয়েছি যে তাদের প্রতিপালক যেন তাদেরকে তার পরিবর্তে এক সন্তান দান করেন। যে হবে পবিত্রতায় উত্তম এবং ভক্তিতে ঘনিষ্ঠ।
৮২। আর ঐ দেয়ালটি ছিল নগরবাসী দুই পিতৃহীন বালকের।যার নীচে রয়েছে তাদের গুপ্তধন।আর তাদের পিতাছিল সালেহ বা সৎকর্মপরায়ন।সুতরাং আপনার প্রতিপালক দয়া পরবশ হয়ে ইচ্ছা করলেন যে তারা বয়ঃপ্রাপ্ত হয়ে তাদের ধনভান্ডার উদ্ধার করুক।আমি নিজ হতে কিছু করিনি। আপনি যে বিষয়ে ধৈর্য ধরতে অপারগ হয়েছিলেন এটা তার ব্যাখ্যা।
* সূরা কাহায়ের ৬৭ নং আয়াতে বেশী জ্ঞানী হযরত মুসাকে (আ.) বললেন, আপনি কিছুতেই আমার সাথে ধৈর্য ধরে থাকতে পারবেন না। আমাদের দেশে যাঁরা কিতাবের বেশী জ্ঞানী তাঁদের সাথে কেউ কিছুতেই ধৈর্য ধরে থাকতে পারে না। সেজন্য হেফাজতের এক দল গেল বিএনপির সাথে, এক দল গেলে জামায়াতের সাথে এবং একদল গেল চরমোনাইয়ের সাথে। এদের মত বেশী জ্ঞানীরাও এদের সাথে ধৈর্য ধরে থাকতে পারে না।
সূরাঃ ১৬ নাহল, ১২৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৫।ডাক তোমার রবের পথে, হিকমাত ও উত্তম ওয়াজের মাধ্যমে। আর তাদের সাথে তর্ক কর উত্তম পন্থায়। নিশ্চয়ই তোমার রব খুব জানেন কে তাঁর পথ ছেড়ে পথভ্রষ্ট হয়। আর তিনি খুব জানেন কোন সব লোক হেদায়াত প্রাপ্ত।
* আল্লাহ তাঁর পথে ডাকতে হিকমাতের শর্ত আরোপ করেছেন। হযরত আদমের (আ.) ছিল কৃষি হিকমাত। হযরত নুহের (আ.) ছিল কাঠের কাজের হিকমাত। হযরত ইদ্রিসের (আ.) ছিল সেলাই হিকমাত। হযরত ইব্রাহীমের (আ.) ছিল ভাস্কার্য হিকমাত। হযরত মুছার (আ.) ছিল পশুপালন হিকমাত। হযরত ইউসুফের (আ.) ছিল স্থাপত্য হিকমাত। হযরত দাউদের (আ.) ছিল প্রকৌশল হিকমাত। হযরত সুলায়মানের (আ.) ছিল অবোধ প্রাণীর ভাষা বুঝার হিকমাত। আমাদের মহানবির (সা.) ছিল ব্যবসায়, পশুপালন, সামরিক ও চিকিৎসা হিকমাত। হিকমাতের জ্ঞান ছাড়া কিতাবের জ্ঞান কল্যাণকর নয় বলেই আল্লাহ আগে হিকমাত দিয়ে পরে কিতাব দিয়েছেন।সুতরাং শুধু কিতাবের জ্ঞানধারীর জ্ঞান মূলত কল্যাণকর কিছু নয়। এরা তাদের জ্ঞানের চেয়ে চিৎকার বেশী দেয় এবং তাতে তারা অবোধ জনতার বাহবা পায়। হযরত খিজিরের (আ.) জ্ঞান ছিল অনেক তবে তিনি নেতা ছিলেন না। হযরত মুসার (আ.) জ্ঞান কম থাকলেও তিনি নেতা ছিলেন। সুতরাং বস্তা ভরা কিতাবের জ্ঞান মূলত নেতৃতের কোন যোগ্যতা নয়।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৫
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার অভিযোগ ভিত্তিহীন নয় বিধায় বিরোধীতা করছি না। আমি মন্দের ভালোদের বিষয়ে লিখেছি।
২|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইসলামের বেশী জ্ঞানী আবার অনুসরন যোগ্য নন।
....................................................................................
দেশে কোন ইসলামী দল নেই ,
যারা আছে , স্বার্থের কারনে শুধুমাত্র ইসলামী পোষাক পড়েছে ।
আর জরূরু কথা হলো যে ,
গনতন্ত্রর ভোটে শরিয়া আইন প্রয়োগ করা যায়না ।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৩
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার অভিযোগ অমূলক নয়। যারা নিজেদেরকে ইসলামী দল দাবী করছে আমি তাদের কথা বলছি।
৩|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:১৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হযরত মুসার (আ.) জ্ঞান কম থাকলেও তিনি নেতা ছিলেন। এটা আপনি কি বললেন ?
মুসা (আ.)-এর ছিল শরীয়তের জ্ঞান, আর খিজির (আ.)-কে দেওয়া হয়েছিল বিশেষ গোপন বা হাকিকি জ্ঞান। নেতৃত্ব কেবল গায়ের জোরে হয় না। একজন নেতা হিসেবে বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের দাসত্ব থেকে মুক্ত করার জন্য যে প্রজ্ঞা, ধৈর্য এবং বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন ছিল, তা হযরত মুসা (আ.)-এর ছিলো । বনী ইসরাইল সম্প্রদায়ের মতো একটি কঠিন এবং অবাধ্য জাতিকে বছরের পর বছর পরিচালনা করা কোনো সাধারণ মানুষের কাজ ছিল না। আল্লাহ তাঁকে তাওরাত দান করেছিলেন, যা ছিল তৎকালীন সময়ের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান ও আইন। তিনি ছিলেন একজন রাষ্ট্রনায়ক এবং সেনাপতি। মিশরের দাসত্ব থেকে একটি পুরো জাতিকে বের করে নিয়ে আসা এবং মরুভূমিতে দীর্ঘ সময় তাদের শৃঙ্খলা বজায় রাখা তাঁর অতুলনীয় নেতৃত্বের প্রমাণ।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩২
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: টোটাল জ্ঞান হযরত খিজিরের (আ) বেশী থাকার কথা বলা হয়েছে। আপনার মন্তব্য সুন্দর তবে এ ক্ষেত্রে আমার হিসাব ভিন্ন। আপনার মন্তব্যের জবাব দিতে আমাকে আস্ত একটা পোষ্ট লিখতে হবে। সেটা এখন সম্ভব নয়। সময় পেলে পরে দেখব।
৪|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩১
কলাবাগান১ বলেছেন: পৃথিবী যেখানে খুজে সবচেয়ে শিক্ষিত, দক্ষ, উন্নত মননশীল ব্যক্তদের কে (নেতা বানানোর জন্য), সেখানে অশিক্ষিত জাতিরাই নেতা খুজে ধর্মের জ্ঞান এর ভিত্তিতে
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৪
কিরকুট বলেছেন: ইসলামি নেতা আবার কি? ব্যাপারটা কি হিন্দুদের ব্রাহ্মণদের মতো?
বাংলাদেশে বর্তমানে যারা নিজেদের নেতা মনে করে ভাংগা ঢোল পেটাচ্ছে তারা সব গুলা অসভ্য বাটপার।